নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার প্রায় প্রতিটি স্কুল ও কলেজের সামনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের খাবার বিক্রি হতে দেখা যায়। টিফিনের সময় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটির পর শিক্ষার্থীদের ভিড়ে এসব দোকান জমজমাট হয়ে উঠে। বিক্রিত খাবারের মধ্যে রয়েছে, ফুচকা, চটপটি, ঝাল মুড়ি, চেনাচুর, আচার, বিভিন্ন ভাজাপোড়া এবং রঙ্গিন কোমল পানীয়।
অধিকাংশ দোকানই রাস্তার পাশে খোলা পরিবেশে বসানোর ফলে খাবারের উপর ধুলাবালি ও মাছি বসে। যা স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়। অনেক স্ট্রিট ফুড বিক্রেতার স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুত সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকায় খাবার তৈরিতে প্রয়োজনীয় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা হয় না।
এছাড়া খাবার কি আকর্ষণীয় করতে অনেক ক্ষেত্রে একটি তিন রং ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীরা ডায়রিয়া, খাদ্যে বিষ ক্রিয়া, পেটের নানা সমস্যা ও স্থূলতা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পাশাপাশি অল্প বয়স থেকেই তাদের খাদ্যাভাসে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়, যা দীর্ঘ মেয়াদে শারীরিক বিকাশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা জরুরি।
বিশেষ করে স্কুল-কলেজের সামনে থাকা খাবারের দোকানগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া প্রতিটি স্কুল ও কলেজের ক্যান্টিনে নিরাপদ, সাহিত্যকর ও পুষ্টিকর খাবারের সহজলভ্যতা করা গেলে শিক্ষার্থীর বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি নির্ভরতা কমবে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি