সংগৃহীত ছবি
জাতীয়

শক্তিশালী অর্থনীতি গড়াই মূল লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যে রাষ্ট্রকাঠামো দুঃসহ হয়ে গেছে, তার পুনর্গঠনের জন্য তরুণেরা এবং দেশের আপামর জনসাধারণ একমত হয়ে আমার এবং আমার উপদেষ্টা পরিষদের ওপর আস্থা রেখে সরকার পরিচালনার এক মহান দায়িত্ব অর্পন করেছে।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা গভীর বিস্ময় ও হতাশার সঙ্গে দেখতে পাচ্ছি কীভাবে সর্বগ্রাসী দুর্নীতি একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে, কীভাবে রাষ্ট্রের মূল প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্মম দলীয়করণের আবর্তে বন্দী করে রাখা হয়েছিল, কীভাবে জনগণের অর্থসম্পদকে নিদারুণভাবে লুটপাট করা হয়েছিল, কীভাবে একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্যকে অন্যায়ভাবে নিজেদের হাতে কুক্ষিগত করে দেশের সম্পদ অবাধে বিদেশে পাচার করে দিয়েছে। এক কথায়, কীভাবে প্রত্যেকটি পর্যায়ে ন্যায়, নীতি ও নৈতিকতা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল।

‘এরকমই এক অবস্থায় দেশকে পুনর্গঠন এবং জনগণের কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রব্যবস্থা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের ওপর দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। অতীতের ভুলগুলোকে সংশোধন করে একটি প্রতিযোগিতামূলক ও শক্তিশালী অর্থনীতি এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই মুহূর্তে আমাদের মূল লক্ষ্য।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সকল রাজনৈতিক দল এখন স্বাধীনভাবে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারছে। যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় কাজ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত, তাদের প্রত্যেকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই আমাদের অগ্রাধিকার।

তিনি বলেন, একজন কৃষক বা শ্রমিকের সন্তানও যেন সমাজের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছতে পারে, সেই লক্ষ্যে বিশালাকার অবকাঠামো নির্মাণের বদলে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির ওপর আমরা গুরুত্ব আরোপ করছি। রাষ্ট্রব্যবস্থার সকল পর্যায়ে সুশাসন ফিরিয়ে আনাই আমাদের অভীষ্ট।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তির পক্ষভুক্ত, সেগুলো প্রতিপালনে আমাদের সরকার বদ্ধপরিকর। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, মর্যাদা ও স্বার্থ সংরক্ষণের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

আমার বাঙলা/এমআর

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

বোয়ালখালী হারগাজী খাল ভাঙন রোধে ও রাস্তার উন্নয়নের কাজ চলছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উন্নয়ন ভাবনা ও জনকল্যাণমুখী কর্মসূচির ধারাবাহিকতা...

আট বছর ধরে কার্যক্রমে নেই নারায়ণগঞ্জ সিজেএম ভবন

তারিকুর রহমান রিপন ,নারায়ণগঞ্জ: ২০০ কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে নির্মিত নারায়ণগঞ...

এক শিক্ষকে কয়েক বছর, হুমকিতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথ...

নীলফামারীতে ১২মাসে নারী নির্যাতনের ঘটনা ৮১১টি, মামলা মাত্র ৯৯টি

নীলফামারী প্রতিনিধি। নীলফামারীতে গেল বছরে (২০২৫সালে) ৮১১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে।...

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেক রহমানের ৮৫ দিন

ডা. মু. মাহতাব হোসাইন মাজেদ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ১২ মে ২...

সাগরিকা ফ্লাইওভার থেকে ছাত্রলীগ নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকা এলাকা থেকে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের এক ন...

লামায় পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৪

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা থানা-পুলিশের বিশেষ অভিযানে সাজা পরোয়া...

আইনজীবীর নামে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস: লামায় যুবক আটক

পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে সুপ্...

নীলফামারীতে ১২মাসে নারী নির্যাতনের ঘটনা ৮১১টি, মামলা মাত্র ৯৯টি

নীলফামারী প্রতিনিধি। নীলফামারীতে গেল বছরে (২০২৫সালে) ৮১১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে।...

রাজবাড়ীতে কৃষিপণ্যে ‘ধলতা’ প্রথা বন্ধে প্রশাসনের সভা

রাজবাড়ীর বিভিন্ন হাট-বাজারে পেঁয়াজসহ কৃষিপণ্য ক্রয়-বিক্রয়ে ‘ধলতা’...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা