ইরাকের এরবিলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে তারা দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সামরিক ঘাঁটি এখন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক বক্তব্যে এ দাবি করেন ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আক্রমিনিয়া।
আক্রমিনিয়ার দাবি, ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত প্রায় সব মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। তার ভাষ্য, সেখানে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত ‘বিপ্লববিরোধী গোষ্ঠীগুলোর’ কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা আর নেই।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়া, দক্ষিণ ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে থাকা সামরিক উপস্থিতির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সক্ষমতা পুনর্গঠনের চেষ্টা করতে পারে। তবে সংঘাত অব্যাহত থাকলে ইরানও তার সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
আক্রমিনিয়ার দাবি, ৪০ দিনের যুদ্ধ শেষে ইরান নতুন প্রজন্মের ড্রোন মোতায়েন করেছে। যা আরাশ-২ ড্রোনের চেয়েও বেশি বিধ্বংসী, নির্ভুল এবং দীর্ঘপাল্লার। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি এসব ড্রোনের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি।
ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ক্ষতিগ্রস্ত অনেক সামরিক সরঞ্জাম আবার সচল করা হয়েছে। নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে।
তবে ইরানি সেনা মুখপাত্রের এসব দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আমার বাঙলা/ রাব্বি