অভিনয়শিল্পীর মূল দায়িত্ব ক্যামেরার সামনে নিজের চরিত্রকে যথাযথভাবে ফুটিয়ে তোলা। তবে পর্দার চরিত্রকে কেন্দ্র করে বাস্তব জীবনে হয়রানি কিংবা অশালীন প্রস্তাব পাওয়া কতটা বিব্রতকর ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক, সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী অনংশা বিশ্বাস।
জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মির্জাপুর’-এ ‘জরিনা’ চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রী সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, সিরিজটির প্রথম সিজন মুক্তির পর তাকে কঠিন মানসিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল।
সিরিজে চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে আবেদনময়ীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছিল, যা অনংশা দক্ষতার সঙ্গে পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন। কিন্তু এরপরই শুরু হয় নানা ধরনের বিড়ম্বনা। অনেক দর্শক তার অভিনীত চরিত্রের সঙ্গে বাস্তব জীবনের অনংশা বিশ্বাসকে এক করে দেখতে শুরু করেন।
এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ই-মেইলে তার কাছে আসতে থাকে বিভিন্ন ধরনের অশালীন বার্তা ও কুপ্রস্তাব। এমনকি কেউ কেউ তাকে সপ্তাহান্তে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার পাশাপাশি এক রাতের জন্য তার পারিশ্রমিক কত, সেটিও জানতে চেয়েছেন।
এ ধরনের মানসিকতার সমালোচনা করে অনংশা বলেন, কোনো নারী পর্দায় সাহসী বা আবেদনময়ী চরিত্রে অভিনয় করলেই বাস্তব জীবনেও তিনি একই রকম—এমন ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। একজন অভিনয়শিল্পীর পর্দার চরিত্র ও ব্যক্তিজীবনকে আলাদা করে দেখার আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে বড় পর্দায় আসছে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘মির্জাপুর’-এর সিনেমা সংস্করণ ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’। জনপ্রিয় কোনো ওয়েব সিরিজকে সিনেমায় রূপ দেওয়ার ঘটনা খুব বেশি দেখা না গেলেও দর্শকদের ব্যাপক আগ্রহের কারণে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, সিনেমাটির গল্প প্রথম সিজনের পরবর্তী সময় থেকে এগিয়ে যাবে। এতে পঙ্কজ ত্রিপাঠী, আলী ফজল, দিব্যেন্দু ও রসিকা দুগলসহ পরিচিত তারকারা নিজেদের পুরোনো চরিত্রে ফিরছেন। তবে বাবুল পণ্ডিত চরিত্রে বিক্রান্ত মেসির পরিবর্তে দেখা যাবে জিতেন্দ্র কুমারকে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি