ছবি: সংগৃহীত
টেকলাইফ

এক ফাইবারে একাধিক আইএসপি, বদলাবে ব্রডব্যান্ড

খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল

দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খাতে দীর্ঘদিনের আলোচিত ‘অ্যাকটিভ শেয়ারিং’ চালুর উদ্যোগ এবার বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। এ ব্যবস্থায় একই নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা আইএসপি গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবে। ফলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা করে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে। অংশীজনদের মতামত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা পর্যালোচনার পর গাইডলাইনটি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের ফলাফলের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে শুধু আইএসপি ব্যবসার ধরনই বদলাবে না, গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। একই অবকাঠামো ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মূল্য, প্যাকেজ, গতি ও গ্রাহকসেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

বর্তমানে শহরাঞ্চলের একই এলাকায় একাধিক আইএসপি নিজেদের গ্রাহকদের সংযোগ দিতে আলাদাভাবে ফাইবার অপটিক কেবল, সুইচ, ডিস্ট্রিবিউশন বক্স ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করে। ফলে একই সড়ক, ভবন কিংবা বিদ্যুতের খুঁটিতে বারবার নতুন অবকাঠামো যুক্ত হয়।

এর ফল হিসেবে একদিকে আইএসপিগুলোর মূলধনি বিনিয়োগ বাড়ে, অন্যদিকে নগর এলাকায় তৈরি হয় অসংখ্য ঝুলন্ত তারের জট। রাস্তা ও ফুটপাতের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। নগর ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে একটি যৌথ অবকাঠামো একাধিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারলে একই জায়গায় বারবার নতুন কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে। এতে অবকাঠামো নির্মাণের ব্যয় কমার পাশাপাশি শহরের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাও আরও সুশৃঙ্খল হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার অন্যতম বড় পরিবর্তন হবে আইএসপিগুলোর প্রতিযোগিতার ধরনে। বর্তমানে গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই নিজস্ব অবকাঠামো তৈরিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একটি নির্দিষ্ট অবকাঠামো ব্যবহার করেই একাধিক আইএসপি নিজেদের ব্র্যান্ড, ইন্টারনেট প্যাকেজ, মূল্য এবং গ্রাহকসেবা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

ফলে প্রতিযোগিতার মূল ক্ষেত্র হতে পারে ইন্টারনেটের গতি, মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রাহকসেবা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে ছোট ও মাঝারি আইএসপিগুলোর জন্য বাজারে টিকে থাকা এবং নতুন এলাকায় সেবা সম্প্রসারণের সুযোগও বাড়তে পারে।

বর্তমানে কোনো এলাকায় একটি বা দুটি আইএসপির প্রভাব বেশি থাকলে গ্রাহকের সেবাদাতা পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে হলে অনেক সময় নতুন করে কেবল টানতে হয় এবং সংযোগ স্থাপনের জন্য অতিরিক্ত সময় ও খরচের প্রয়োজন হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং ব্যবস্থা চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক প্রতিষ্ঠান সেবা দিতে পারবে। ফলে গ্রাহক তুলনামূলক সহজে পছন্দের আইএসপি বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এতে সেবাদাতাদের ওপরও গ্রাহক ধরে রাখার চাপ বাড়বে। ফলে ইন্টারনেটের মান উন্নত করা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক প্যাকেজ দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাজধানীর ধানমন্ডিকে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যাকটিভ শেয়ারিং জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কয়েক বছর ধরে সীমিত পরিসরে এ ধরনের অবকাঠামো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নেওয়া হচ্ছে।

আইএসপি খাতের প্রতিনিধিদের দাবি, ধানমন্ডিতে প্রায় চার বছর ধরে এ মডেল কার্যকর রয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় আট হাজার সংযোগ একই অবকাঠামো ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং বড় ধরনের অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করে যদি ফলাফল সন্তোষজনক হয়, তাহলে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় এবং পরবর্তী সময়ে দেশের বড় শহরগুলোতে অ্যাকটিভ শেয়ারিং সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) নেতাদের মতে, দেশে ব্রডব্যান্ড অবকাঠামোতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ থাকলেও তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পুরোপুরি কাজে লাগছে না।

আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। অথচ বিদ্যমান নেটওয়ার্ক সক্ষমতা ব্যবহার করেই আরও প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে সংযুক্ত করা সম্ভব।

তার মতে, অ্যাকটিভ শেয়ারিং না থাকায় একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান পৃথক নেটওয়ার্ক স্থাপন করছে। এতে বিনিয়োগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

আইএসপি খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে এই অবকাঠামোর আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। যৌথ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হলে বিদ্যমান নেটওয়ার্কের কার্যকর ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি আইএসপিরাও সুবিধা পেতে পারে। নতুন এলাকায় সেবা দিতে তাদের আর শুরু থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন হবে না।

ফলে বাজারে প্রবেশের বাধা কমতে পারে। নতুন উদ্যোক্তারা তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোও অবকাঠামো তৈরির বদলে সেবার মান উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করতে পারবে।

আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই অ্যাকটিভ শেয়ারিং কার্যকর রয়েছে। বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে আইএসপি খাত এ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়ে আসছে।

তার মতে, একই এলাকায় বারবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন না থাকলে একদিকে তারের জট কমবে, অন্যদিকে অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও কমে আসবে। এর সুফল শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের কাছেও পৌঁছাতে পারে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, গাইডলাইন চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করা হবে। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাও ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পাবে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানাও জানিয়েছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন এখনো প্রণয়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মোবাইল অপারেটরদেরও ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে কি না, সে বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অ্যাকটিভ শেয়ারিং নিয়ে নতুন করে নীতিগত আলোচনা শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ‘টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শেয়ারিং’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন, টাওয়ার কোম্পানি, আইএসপি, আইএসপিএবি, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রায় ১৩০ জন প্রতিনিধি সেখানে মতামত দেন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন পক্ষ যৌথ অবকাঠামো ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো তুলে ধরে। তাদের মতে, এতে মূলধনি ব্যয় কমানো, দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং শুধু ব্রডব্যান্ডেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভবিষ্যতে এটি উন্নত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও অ্যাকটিভ শেয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা বলেছেন, যেসব দুর্গম এলাকায় ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে নন-জিওস্টেশনারি বা NGSO স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

তাদের মতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে অবকাঠামো তৈরি করার পরিবর্তে যৌথ ব্যবস্থায় এগোলে সম্পদের অপচয় কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


অ্যাকটিভ শেয়ারিং বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে কয়েকটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে—

একই অবকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে একাধিক আইএসপি।
নতুন করে ফাইবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে।
আইএসপিগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় কমতে পারে।
শহরের ঝুলন্ত তারের জট কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
ছোট ও মাঝারি আইএসপির বাজারে প্রবেশ সহজ হতে পারে।
গ্রাহকের সামনে একাধিক সেবাদাতা বেছে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।
মূল্য ও ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে।
অব্যবহৃত নেটওয়ার্ক সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
নতুন এলাকায় দ্রুত ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

সব মিলিয়ে, বিটিআরসির প্রস্তাবিত অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে অবকাঠামো তৈরির প্রচলিত ধারণায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিটি আইএসপির আলাদা নেটওয়ার্ক তৈরির বদলে একটি যৌথ অবকাঠামোর ওপর একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে গাইডলাইনে অবকাঠামোর মালিকানা, ব্যবহারমূল্য, সেবার মান, রক্ষণাবেক্ষণ, গ্রাহকের অধিকার এবং আইএসপিগুলোর মধ্যে সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ কতটা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয় তার ওপর। সঠিক নীতিমালা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে অ্যাকটিভ শেয়ারিং দেশের ব্রডব্যান্ড সেবাকে আরও সাশ্রয়ী, প্রতিযোগিতামূলক ও সুশৃঙ্খল করার একটি বড় পদক্ষেপ হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

দীর্ঘদিন পর সচল মনোহরদী বাইপাস

দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল হয়ে পড়েছিল নরসিংদীর মনোহরদী উ...

মগরা নদীর ভাঙনে আতঙ্কে বাগজান স্কুল

নেত্রকোনার মদনে মগরা নদীর তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে বাগজ...

ইরানের ভয়ে খাবারের কার্টে লুকিয়ে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প

চলতি বছরের জুলাইয়ে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ড...

মার্কিন ভিসা বাতিল, বিপাকে হাজারো আবেদনকারী

হাজার হাজার ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ব...

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া প্যাসিফিক প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ড...

শুটিংয়ে না খেয়ে থাকতেন জেনা ওর্তেগা

শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়জীবনের শুরুতে কাজের প্রতি অতিরিক্ত দায়িত্ববোধই অনেক সম...

খালি পেটে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা? এই খাবারগুলো খেলে মিলবে স্বস্তি

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলেই কি পেটে অস্বস্তি শুরু হয়? কখনো গ...

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতির আশা: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আজ সন্ধ্যা থেকে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে জানিয়েছেন...

মদনে পাহাড়পুর ব্রিজের এপ্রোচ ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে দুই ইউনিয়ন

নেত্রকোনার মদন উপজেলা সদরের সঙ্গে দুটি ইউনিয়নের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম পাহা...

নীলফামারীতে যুব দিবস পালন

ভিন্ন প্রেক্ষাপট, অভিন্ন আকাক্সক্ষা’ স্লোগানকে সামনে রেখে নীলফামারীতে আ...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা