ছবি: এআই।
জাতীয়

থামছেই না হামের ভয়াল থাবা

খোন্দকার নিয়াজ ইকবাল

দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচি শুরুর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আশাব্যঞ্জকভাবে কমেনি। সরকারি তথ্য বলছে, প্রতিদিনই প্রায় এক হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। একই সময়ে শত শত শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্যখাতের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় বিশেষ এমআর টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ধাপে ধাপে এটি দেশের সব জেলায় সম্প্রসারণ করা হয়। সরকারের দাবি, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

তবে এই পরিসংখ্যানের পাশাপাশি আরেকটি তথ্য নতুন প্রশ্ন তুলেছে। একই বয়সসীমার শিশুদের জন্য পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ছিল আরও প্রায় ৪৬ লাখ বেশি শিশু। ফলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যেতে পারে।

রাজধানীর একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন বছরের শিশু আরাফাত সাজিদের ঘটনা অনেক অভিভাবকের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দুই ডোজ এমআর টিকা নেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ ক্যাম্পেইনেও সে টিকা পেয়েছিল। এরপরও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে তাকে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, শিশুটিকে সব সময় প্রয়োজনীয় যত্নে রাখা হয়েছিল। সময়মতো সব টিকাও দেওয়া হয়েছিল। তারপরও কীভাবে সে আক্রান্ত হলো, তা তাদের কাছে এখনো বিস্ময়ের বিষয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় শুধু টিকাদান কর্মসূচির ওপর নির্ভর করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন।

তাদের মতে, আক্রান্ত রোগী দ্রুত শনাক্ত করা, প্রয়োজন হলে আইসোলেশনে রাখা, সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় নিবিড় নজরদারি, হাসপাতালের প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি—এসব ব্যবস্থা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সমন্বিত জনস্বাস্থ্য কৌশল গ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমআর টিকা গ্রহণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা। তবে সব শিশুর শরীরে একই মাত্রায় প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না।

অপুষ্টি, ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি, জন্মগত স্বাস্থ্যজটিলতা, মাতৃদুগ্ধের অভাব কিংবা অন্যান্য রোগের কারণে কিছু শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকতে পারে। ফলে টিকা নেওয়ার পরও অল্পসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ বেশি এমন এলাকায় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে টিকার কার্যকারিতা মূল্যায়নেরও সুপারিশ করেছেন।

সরকার বলছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ কর্মসূচির শিশু সংখ্যার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, একই বয়সসীমার কয়েক কোটি শিশুর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল।

এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আরও বাস্তবসম্মত জনসংখ্যার তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যেসব শিশু এখনো টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। যেসব শিশু এখনো এমআর টিকা নেয়নি, তাদের নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে দ্রুত টিকা দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা গ্রহণ, শিশুর জ্বর বা র‍্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই বর্তমানে হামের সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মাস বয়সী হাফসা নামে এক শিশুর মৃত্যু সেই আশঙ্কাকেই আরও জোরালো করেছে। পরিবারের দাবি, শিশুটি সরকার পরিচালিত বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টিকা পেয়েছিল। এরপরও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

হাফসার বাবা জানান, প্রথমে শিশুটির কাশি শুরু হয়। পরদিন জ্বর দেখা দিলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে তাকে বরিশালের একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শরীরে হামের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ র‍্যাশ দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যৌথ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হামে মারা যাওয়া ৩৩৭ শিশুর মধ্যে প্রায় ৯১.৫ শতাংশই কোনো এমআর টিকা নেয়নি। মাত্র ৬.৫ শতাংশ এক ডোজ এবং ২.১ শতাংশ দুই বা তার বেশি ডোজ টিকা পেয়েছিল। এছাড়া প্রায় ২৪ শতাংশ শিশুর বয়স টিকা নেওয়ার উপযুক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব তথ্য স্পষ্টভাবে দেখায় যে টিকাবঞ্চিত শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের বড় অংশ কোনো এমআর টিকা নেয়নি। নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যেও একই চিত্র দেখা গেছে। এতে বোঝা যায়, সময়মতো টিকাদান এখনো হামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আক্রান্ত ও মৃত শিশুদের বড় অংশের বয়স এক বছরের কম। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুর বয়স ছয় মাসেরও নিচে হওয়ায় তারা এখনো নিয়মিত এমআর টিকা নেওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে এই বয়সী শিশুদের সুরক্ষায় পরিবার ও সমাজের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হাম ও রুবেলা নির্মূল কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোগ মোকাবিলায় শুধু টিকাদান যথেষ্ট নয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করা, অন্যদের থেকে আলাদা রাখা, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির মতো পদক্ষেপ সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তাদের মতে, এসব সামাজিক ও জনস্বাস্থ্যভিত্তিক ব্যবস্থা সময়মতো বাস্তবায়ন না হওয়ায় সংক্রমণের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, টিকা নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কতটা হচ্ছে, সেটি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হয়নি।

তাদের পরামর্শ, সংক্রমণ বেশি এমন এলাকায় সেরোলজিক্যাল পরীক্ষা করে শিশুদের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা উচিত। যদি প্রয়োজনীয় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা না পাওয়া যায়, তাহলে পুনরায় টিকা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিমত, হামের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় টিকাদানের পাশাপাশি নজরদারি জোরদার, আক্রান্তদের দ্রæত চিকিৎসা, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় সংক্রমণ ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচি চালু করে। প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা ও উপজেলাগুলোতে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম পরে ধাপে ধাপে সারা দেশে বিস্তৃত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

তবে একই বয়সী শিশুদের নিয়ে পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের পরিসংখ্যান সামনে আসার পর টিকাদান কর্মসূচির প্রকৃত আওতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ শিশু টিকা পেয়েছে।

কিন্তু পরে একই বয়সসীমার শিশুদের জন্য পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনে প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দুই কর্মসূচির হিসাব তুলনা করলে দেখা যায়, প্রায় ৪৬ লাখ শিশুর তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

এই তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাস্তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যেতে পারে। সে হিসেবে প্রকৃত কভারেজ প্রায় ৮১ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে।

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আগে প্রতিটি এলাকা ধরে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। এর মধ্যে জনসংখ্যা, শিশু সংখ্যা, টিকাকেন্দ্র, মাঠকর্মী এবং স্থানীয় বাস্তবতার তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, এবার সেই পরিকল্পনা যথেষ্ট নিখুঁতভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং প্রকৃত শিশুর সংখ্যার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, চলমান প্রাদুর্ভাবে শুধু পাঁচ বছরের কম বয়সী নয়, এর চেয়ে বেশি বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। তাই প্রয়োজনে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের টিকাদানের আওতায় আনা এবং বাদ পড়া শিশুদের দ্রæত শনাক্ত করে টিকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

তাদের মতে, এতে সংক্রমণের বিস্তার কমানো সহজ হবে।

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে শিশুদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্ভব হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

ইপিআই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে এবং যেসব শিশু এখনো এমআর টিকা নেয়নি, তারা নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে গিয়ে যেকোনো সময় টিকা নিতে পারবে।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করতে পরিবারগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু টিকা দেওয়া নয়, সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা, বাদ পড়া শিশুদের শনাক্তকরণ, নিয়মিত নজরদারি এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিও সবগুলো বিষয় সমান গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যতে হামের সংক্রমণ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আমার বাংলা/ জামান

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

যথাসময়ে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরু...

কিশোরগঞ্জের আমিনুল হক সাদীর অনুপ্রেরণার সাফল্যগাথা

কিশোরগঞ্জের একজন সাধারণ বেকার তরুণ থেকে জাতীয় পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক হিসে...

রাইডশেয়ারিং থেকে সিএনজি বাদ, প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ

দেশে প্রায় এক দশক ধরে চালু থাকা অ্যাপভিত্তিক রাইডশেয়ারিং সেবার আওতা থেকে সিএন...

ফুডপ্যান্ডার ‘প্রো-উইক’ -এ প্যান্ডাপ্রো গ্রাহকদের জন্য ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড় 

গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ছাড় নিয়ে এসেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ফুড ও গ্রোসারি...

বড় পর্দায় বিনামূল্যে ‘দেলুপি’

ঢাকার দর্শকদের জন্য এবার বিনামূল্যে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে নির্মাতা মোহাম্মদ তা...

আর্থিক সংকটে রোনালদোর আল-নাসর

নতুন মৌসুম শুরুর আগেই বড় আর্থিক সংকটে পড়েছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্লাব আল-না...

ঈশ্বরদীতে ডিবি পরিচয়ে টাকা ছিনতাই, মূল হোতা গ্রেপ্তার

ঈশ্বরদীতে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে এক মাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সোয়া চার লাখ টাকা...

বিএসইসির নতুন কমিশনার হোসেন সাদাত

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন কমিশনার হিসেবে হ...

টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক : ৩ সদস্যের কমিটি গঠন

দেশের বাজারে চলতি টুথপেস্টগুলোর মধ্যে ২৬টিতে ‘ক্ষতিকর’ মাইক্রোপ্ল...

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাস...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা