ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়
তদন্ত প্রতিবেদন

প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত কৃষকের হাতেই কৃষক কার্ড দিয়েছেন

আমার বাঙলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতে থেকে ‘কৃষক কার্ড’ নেওয়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসনের তদন্ত কমিটি।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া এলাকার কৃষক কবির হোসেনের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেন। এরপর ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর থেকে আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পাঁচ সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় কৃষি অধিদপ্তরসহ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কবির হোসেনের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিন দেখা যায়, কবির হোসেন তার বাড়ির উঠানে ডাটা ও পাট শাক চাষ করেছেন। এছাড়াও মাঠে বোরো ধান চাষ করেছেন। গোয়াল ঘরে তার তিনটি গরু বাঁধা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ওই গ্রামের মৃত আবু সাইদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনের নিজস্ব জমি রয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করে আসছেন। স্থানীয়দের মতে, তিনি এলাকায় একজন কৃষক হিসেবেই পরিচিত। তবে তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি করেন।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, কবির কৃষিকাজ করলেও নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করেন। এ কারণে কৃষক কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই হয়েছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. রবিন বলেন, কৃষক কার্ড দেওয়ার আগে কয়েক দফা বিভিন্ন সংস্থা থেকে তদন্ত করা হয়েছে। কবির প্রকৃত কৃষক বলেই প্রধানমন্ত্রী তার হাতে কৃষক কার্ড তুলে দিয়েছেন।

স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক। বর্তমান সময়ে তথ্য যাচাই বাছাই না করে গুজবে কান দিয়ে বর্তমান সরকারের মানহানি করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হতে হবে।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের দাবি, কবির যেহেতু বর্গাচাষ করেন এবং তার নিজস্ব জমিও রয়েছে, তাই তিনি কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য। কৃষি কাজই কবিরের মূল পেশা। তাকে নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কুচক্রী মহল এমন করছে।

তিনি বলেন, আমি একজন কৃষক। কৃষি কাজের পাশাপাশি কন্টেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখেছি। কবির প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

Copyright © Amarbangla
সবচেয়ে
পঠিত
সাম্প্রতিক

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে গ্রামীণ জনপদ বোয়ালখালী

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড...

উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলে গেছে গ্রামীণ জনপদ বোয়ালখালী

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ১০নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড...

চরের পথে ঘোড়ার জাহাজ,  চরের মানুষের নিরব সংগ্রাম

‎ভোরের কুয়াশা তখনও কাটেনি। তিস্তার বিস্তীর্ণ বালুচরের ওপর দিয়ে একটি ঘোড...

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর বিএনপি অফিসে ককটেল আহত ৩

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ...

বালাইরমা খাসিয়া পুঞ্জিতে এমপি শওকতুল ইসলাম শকুকে সংবর্ধনা

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বালাইরমা খাসিয়া পুঞ্জিতে এক বর্ণাঢ্য ও উৎসবমুখর...

দ্রুতগতিতে বাইক চালনোয় কথা কাটাকাটি,

সিরাজগঞ্জে দ্রুতগতিতে বাইক চালনোয় কথা কাটাকাটির ঘটনায় ‘সমবয়সী বন্ধুর...

লাইফস্টাইল
বিনোদন
খেলা