দিনের শেষে স্মার্টফোনটি ১০০ শতাংশ চার্জ দিয়ে ঘুমাতে গেলেন। সকালে উঠে দেখলেন চার্জ ৮-১০ শতাংশ, কখনো তারও বেশি কমে গেছে।
অথচ, রাতে ফোন ব্যবহারই করা হয়নি। অনেকেই মনে করেন এটি ব্যাটারির সমস্যা। খবর টেকঅ্যাভাইজর ডটকম
বাস্তবে বিষয়টি সব সময় এত সহজ নয়। ফোনের বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড কার্যক্রম, নেটওয়ার্ক সংযোগ এবং সফটওয়্যারের কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে ব্যবহার না করলেও ব্যাটারির চার্জ ধীরে ধীরে কমতে পারে।
জেনে নেওয়া যাক এর কয়েকটি সাধারণ কারণ।
ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপের কার্যক্রম
অনেক অ্যাপ ফোন ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকে। ই-মেইল সিঙ্ক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন, ক্লাউড ব্যাকআপ কিংবা লোকেশন আপডেটের মতো কাজ চলতে থাকে। এসব প্রক্রিয়া প্রসেসর ও ইন্টারনেট ব্যবহার করায় ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমে যায়।
> দুর্বল মোবাইল নেটওয়ার্ক
রাতে যদি ফোন এমন জায়গায় থাকে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক দুর্বল, তাহলে সেটি বারবার টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে। এই অবিরাম নেটওয়ার্ক অনুসন্ধান ব্যাটারির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে।
ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ ও জিপিএস চালু থাকা
অনেকেই রাতে ঘুমানোর আগে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ বা লোকেশন সার্ভিস বন্ধ করেন না। এগুলো সক্রিয় থাকলে ফোন আশপাশের ডিভাইস বা নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে থাকে। ফলে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং সকালে চার্জ কমে যায়।
সফটওয়্যার বা অ্যাপের ত্রুটি
কোনো অ্যাপ ঠিকভাবে অপ্টিমাইজড না হলে বা সফটওয়্যারে বাগ থাকলে সেটি ব্যাকগ্রাউন্ডে অস্বাভাবিকভাবে প্রসেসর ব্যবহার করতে পারে। এর ফলে ফোন স্লিপ মোডে থাকলেও ব্যাটারির চার্জ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি খরচ হয়। নিয়মিত সফটওয়্যার ও অ্যাপ আপডেট করলে অনেক সময় এ সমস্যা কমে।
‘বেস্ট ফ্রেন্ডকেও’ জানানো উচিত নয় যে ৫টি বিষয়
ব্যাটারির বয়স বেড়ে যাওয়া
লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির কার্যক্ষমতা সময়ের সঙ্গে কমতে থাকে। কয়েক বছর ব্যবহারের পর ব্যাটারি আগের মতো চার্জ ধরে রাখতে পারে না। তাই ফোন ব্যবহার না করলেও চার্জ দ্রুত কমে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যাটারির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
আমার বাঙলা/ রাব্বি