স্পেনের বার্সেলোনায় ফুটবল ক্যারিয়ারের উত্থানটা ঘটেছিল লিওনেল মেসির।বিশ্বকাপ চলাকালে তাই স্প্যানিশ গণমাধ্যমের আলোচনায় ছিল– মেসিকে নিজেদের দলে পাওয়ার সুযোগ ছিল স্পেনের।এবার জানা গেছে, ব্রাজিলেও কারও কারও এখন মেসিকে না পাওয়ার অতৃপ্তি কাজ করছে!
ইতালির ইতিহাসবিদ ফিওরেঞ্জো সান্তিনি মেসির পারিবারিক বংশতালিকা অনুসন্ধান করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য খুঁজে পেয়েছেন। সেখানে উঠে এসেছে– মেসির এক প্রপিতামহ (দাদার বাবা) ব্রাজিলের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিলেন। মেসির পুরো নাম লিওনেল আন্দ্রেস মেসি কুচ্চিত্তিনি। মূলত পারিবারিক পদবি ‘কুচ্চিত্তিনি’র সূত্র ধরেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সঙ্গে আর্জেন্টাইন মহাতারকার সংযোগ পাওয়া গেছে।
প্রপিতামহের আর্জেন্টিনায় আগমনের ৮২ বছর পর জন্ম হয় মেসির।
সান্তিনির এই গবেষণার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২২ সালে ইতালির সান সেভেরিনো মার্কে শহর মেসিকে সম্মানসূচক নাগরিকত্ব প্রদান করে।
এদিকে, মেসির শিকড় নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পর ব্রাজিলজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা রসিকতা। অনেকে মেসিকে ব্রাজিলের জার্সি পরিয়ে ছবি প্রকাশ করেন। আবার অনেকের মন্তব্য, এমন একজন কিংবদন্তি ফুটবলার যদি ব্রাজিলের হয়ে খেলতেন, তাহলে হয়তো ‘মিশন হেক্সা’র অপেক্ষাটা এত দীর্ঘ হতো না।
আমার বাঙলা/ হুমায়রা