বর্ষায় চুল ভালো রাখার কৌশল লুকিয়ে আছে সঠিক পুষ্টিতে। আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন ই-সহ বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ চুলের বৃদ্ধিতে জরুরি, আর এমন পুষ্টিগুণ মিলতে পারে হালিম বা অলিভ বীজে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ছোট, লালচে-বাদামি রঙের গোলমরিচের স্বাদযুক্ত এই বীজে রয়েছে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফাইবার এবং ভিটামিন এ, সি ও ই—যা রুক্ষ চুল, অ্যালোপেসিয়া ও চুল পড়ে টাক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় দারুণ কার্যকর হতে পারে। নিয়ম করে খাদ্যতালিকায় বীজটি যুক্ত করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো হতে পারে বলে জানান তারা।
বর্ষায় খুশকি, চুল পড়া ও ডগা ফাটার মতো সমস্যা সাধারণ হলেও শুধু বাহ্যিক যত্নে এসব সমস্যা কমাতে না পারলে তার পেছনে পুষ্টির ঘাটতিও কারণ হতে পারে বলে জানান কেশচর্চাশিল্পীরা। খাওয়ার নিয়ম হিসেবে বলা হয়েছে, এক-চতুর্থাংশ চা-চামচ হালিম বীজ ৬-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে প্রাতরাশের আগে এক কাপ দুধে মিশিয়ে খেতে হবে, চাইলে সঙ্গে বাদামও যোগ করা যায়। প্রাণিজ দুধ সহ্য না হলে কাঠবাদামের দুধ, সয়া দুধ বা টকদইয়ের ঘোলেও বীজটি মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
তবে শুধু একটি খাবারেই চুলের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হবে না—নিয়মিত কেশচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার অভ্যাসও চুল ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।
আমার বাঙলা/ তালহা