বর্ষা শেষ হওয়ার আগেই এবার প্রকোপ বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর। এছাড়া পরিবর্তন এসেছে উপসর্গে, হয়ে উঠেছে ভয়ংকরও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তীব্র জ্বর ও ব্যথার সঙ্গে এবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এমনকি জটিল পর্যায়ে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গ বিকল হয়ে যাচ্ছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে, তিন দিনের বেশি জ্বর হলে অবহেলা না করে হাসপাতালে যাওয়ার। এছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলায় এখন ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন পরিবর্তন ও প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ওপরেও জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের।
চিকিৎসকরা বলছেন, শঙ্কার বিষয় হলো রোগটির ধরন নিয়ে। তাদের মতে, বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রূপে। পরিবর্তন আসছে উপসর্গেও। তীব্র জ্বর ও ব্যথার সঙ্গে ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এমনকি জটিএ পর্যায়ে বিভিন্ন অঙ্গও বিকল করে দিতে পারে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন, উপসর্গের সঙ্গে চিকিৎসার পদ্ধতিও বদলাতে হচ্ছে। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে ৯০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীই সুস্থ হয়ে উঠছেন।
এদিকে একেক বছর একেক ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়ায় কমিটি গঠন করে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন পরিবর্তন ও প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
ডা. বেনজির আহমেদ জানিয়েছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোর দিতে হবে সমন্বিত প্রচেষ্টায়। এই সংকট কোনো এক পক্ষের চেষ্টায় মোকাবিলা সম্ভব নয়।
আমার বাঙলা/ তালহা