পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে কুয়াকাটা পৌরসভার উদ্যোগে ৫.৫ একর উদ্ধারকৃত খাস জমিতে গড়ে তোলা মিয়াওয়াকি ফরেস্ট কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক পটুয়াখালী। ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এ উদ্যোগে ইতোমধ্যে ২৭ প্রজাতির প্রায় ৩ হাজার ৫০০টি বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) কুয়াকাটায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
কুয়াকাটা পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত ও দখলকৃত ৫.৫ একর খাস জমি উদ্ধার করে সেখানে জাপানি উদ্ভিদবিজ্ঞানী আকিরা মিয়াওয়াকি-এর উদ্ভাবিত মিয়াওয়াকি পদ্ধতি অনুসরণে ঘন ও টেকসই বনভূমি গড়ে তোলার কাজ শুরু করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে স্থানীয় প্রজাতির গাছ একসঙ্গে রোপণ করে অল্প সময়ে প্রাকৃতিক বনভূমির মতো পরিবেশ সৃষ্টি করা সম্ভব হয়।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানায়, জেলা প্রশাসনের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে এলাকাটিকে একটি সমৃদ্ধ সবুজ বনায়নে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন,পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে কুয়াকাটার এই সবুজ উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
আমার বাঙলা/আরএ