হাম ও ডেঙ্গুর উপসর্গে কাছাকাছি হাওয়ায় বিভ্রান্ত হচ্ছেন অভিভাবকরা বাড়ছে জটিলতা। চিকিৎসকদের পরামর্শ, তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে ।
জ্বর, শরীরে , ব্যথা, দুর্বলতা এমন সব উপসর্গ দেখা দিলেই অভিভাবকদের প্রথম ভাবনা হাম। কিন্তু একই সময়ে দেশে চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। এ অবস্থায় একই ধরনের প্রাথমিক লক্ষণের কারণে বিভ্রান্তিতে পড়ছেন তারা।
শিশু হাসপাতালের হাম ও ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি শিশুদেরও লক্ষণ প্রায়ই একই। কারও জ্বর থেকে র্যাশ আবার কারও তীব্র জ্বরের সঙ্গে আছে নিউমোনিয়া।
চিকিৎসকরা বলছেন, দুটিই ভাইরাসবাহিত রোগ হওয়ায় উপসর্গও কাছাকাছি। তবে সেক্ষেত্রে লক্ষ্য করতে হবে র্যাশের ধরণ, চোখের সংক্রমণসহ বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণে। তাই তিন দিনের বেশি তীব্র জ্বর হলেই দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিতে হবে।
চিকিৎসকরা আরও জানান, জ্বর নিয়ে আসা প্রতি দশটি শিশুর অন্তত দুজনের শনাক্ত হচ্ছে ডেঙ্গু। ক্রমান্বয়ে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, ‘জ্বর বেশি হলে, অর্থাৎ, তাপমাত্রা ১০৩ বা ১০৪ ডিগ্রিতে উঠলে সেটা স্বাভাবিক জ্বর না। তখন অবশ্যই চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হতে হবে।'
আমার বাঙলা/ রাব্বি