ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করেছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্ব শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করলে শান্তি, ন্যায় ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান তার বক্তব্যে বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতির হেদায়াত ও কল্যাণের জন্য সর্বশেষ নবী ও রাসূল, রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে পৃথিবীতে প্রেরণ করেছেন। মহানবী (সা.)-এর আগমনের স্মৃতিবিজড়িত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) সারা বিশ্বের মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
তিনি বলেন, মহানবী (সা.) মানুষকে তাওহিদের দিকে আহ্বান করার পাশাপাশি সত্য, ন্যায়, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, মানবিকতা ও শান্তির শিক্ষা দিয়েছেন। ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনে তাঁর মহান আদর্শ ও সুন্নাহ বিশ্ববাসীর জন্য সর্বোত্তম অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।
হাইকমিশনার আরও বলেন, মহানবী (সা.) একটি ন্যায় ও সাম্যভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মানুষের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা, দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ লাভের জন্য তাঁর জীবনাদর্শ অনুসরণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এতে হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, তাদের পরিবারের সদস্য এবং পাকিস্তানে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।
আমার বাঙলা/ রাব্বি