সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ এবং শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া তিন সন্দেহভাজনকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও ভারতের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ এবং ভারত থেকে শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলার তিন সন্দেহভাজনকে প্রত্যর্পণের জন্য আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি, উভয় দেশের সরকার শিগগিরই এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেবে।’
তিনি আরও জানান, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারির পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রত্যর্পণের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে ইউএই কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে ৩০ দিনের সময়সীমা দিলেও তাদের অনুরোধে মাত্র তিন দিনের মধ্যেই সব আইনি নথি প্রস্তুত করে জমা দেওয়া হয়েছে।
‘পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে কিছু মহল’
অন্যদিকে শরীফ ওসমান হাদী হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদসহ তিন সন্দেহভাজনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তাদের প্রত্যর্পণের জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সব ধরনের প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাঠানো হয়েছে। ওই তিন সন্দেহভাজন বর্তমানে ভারতে অনুপ্রবেশ বা অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মামলায় সেখানে বিচারের সম্মুখীন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, ভারতে কোনো আইনি কার্যক্রম বা বিচার চলমান থাকা অবস্থাতেও ওই আসামিদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করার সুযোগ রয়েছে। ফলে আইনি জটিলতা কাটিয়ে দ্রুতই তাদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।
আমার বাঙলা/ রাব্বি