<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/women</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/women"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla women Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest women News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 28 Jan 2026 09:28:04 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সৌন্দর্য থেকে আত্মবিশ্বাস গড়ার এক অনন্য গল্প : ফাইজা জাহান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/15115" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/15115</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্ববিদ্যালয়ের রঙিন ক্যাম্পাস হোক কিংবা শহরের ব্যস্ত রাজপথ-আজকাল যেকোনো সুন্দরী মুখের পেছনে আলোচনায় উঠে আসে একটি নাম, ফাইজা জাহান। সৌন্দর্য, মেকআপ ও চুলের যত্নে নিজস্ব প্রতিভা দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন ব্যতিক্রমী সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে। তবে ফাইজা শুধু মেকআপ আর হেয়ার কেয়ারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নন; তিনি হয়ে উঠেছেন আত্মবিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক।

ফাইজা জাহানের মেকআপ দর্শন একটু আলাদা। তার কাছে মেকআপ মানে কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, বরং নারীদের ভেতরের আত্মবিশ্বাসকে জাগিয়ে তোলার একটি মাধ্যম। তার সৃজনশীল হাতে প্রতিটি কাজ যেন নারীদের নতুনভাবে নিজেদের চিনতে শেখায়।

ফাইজা বলেন,&ldquo;মেকআপ মানেই শুধু রঙের খেলা নয়, এটি আত্মবিশ্বাসের নাম। যখন চোখ, হাসি কিংবা মুখের কোনো বিশেষ অংশ নিজের আলোয় ঝলমল করে ওঠে, তখনই বোঝা যায় সৌন্দর্য সত্যিই প্রকাশ পেয়েছে।&rdquo;

নিজের মেকআপ কৌশল, পেশাদার পরামর্শ এবং অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে ফাইজা প্রমাণ করেছেন-প্রতিটি নারীই আলাদা, প্রতিটি সৌন্দর্যই অনন্য। তার বিশ্বাস, সঠিক দিকনির্দেশনা আর নিজের ওপর বিশ্বাস থাকলেই যে কেউ নিজের সৌন্দর্যকে নতুনভাবে আবিষ্কার করতে পারে।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন,&ldquo;আমি বিশ্বাস করি, প্রতিটা নারীই অনন্য। তাকে শুধু নিজের সৌন্দর্যকে তুলে ধরার জন্য একটু সহায়তা দরকার। আমি চাই প্রতিটি মেয়ে জানুক-তুমিও পারো।&rdquo;

সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে ফাইজার পথচলা সহজ ছিল না। শুরুটা হয়েছিল ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই আগ্রহই রূপ নেয় পেশাদার দক্ষতায়। বর্তমানে তিনি এই শিল্পের একজন স্বনামধন্য প্রশিক্ষক হিসেবেও পরিচিত, যিনি নতুন প্রজন্মের মেকআপ শিল্পীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

ফাইজা জাহানের দৃষ্টিভঙ্গি শুধু সৌন্দর্যচর্চায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি নারীদের আত্মমর্যাদা, আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে ভালোবাসার একটি শক্ত বার্তা বহন করে। তার মতে,&ldquo;সৌন্দর্য শুরু হয় তখনই, যখন আমরা নিজেকে ভালোবাসতে শিখি।&rdquo;

ফাইজা জাহানের কাজ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়-সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বন্দী নয়। এটি একটি মুক্ত অনুভূতি, যা গড়ে ওঠে ভালোবাসা, যত্ন আর আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে।

আমাবাঙরা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 28 Jan 2026 09:28:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘সুপারমম’ র‌্যাচেল কৌর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9371" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9371</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কথায় আছে- সন্তানের জন্য মায়েরা পারেন না, এমন কোনো কাজ নেই। তাই বলে প্রতিদিন ৭০০ কিলোমিটার বিমানে ভ্রমণ করে অফিস করা আবার বাড়ি ফেরা! শুনতে অস্বাভাবিক হলেও এটিই সম্ভব করেছেন মালয়েশিয়ার ৪২ বছর বয়সী এক মা, র&zwnj;্যাচেল কৌর। নেটিজেনরা তাকে দিয়েছেন &lsquo;সুপারমম&rsquo; তকমা।

ভোর চারটায় ঘুম থেকে উঠে সংসার গুছিয়ে বেরিয়ে পড়েন র&zwnj;্যাচেল কৌর, বিমানবন্দরে গিয়ে বিমানে ওঠেন অফিসের জন্য। অতঃপর কর্মদিবস শেষে সন্ধ্যা নাগাদ ফ্লাইটে করে ফিরে আসেন দুই সন্তানের কাছে, এটিই তার প্রতিদিনের রুটিন। কর্মজীবন ও পরিবার&mdash; দুটোই সামলানোর অসাধারণ ক্ষমতার জন্য তিনি &lsquo;সুপার কমিউটার&rsquo; নামেও পরিচিতি পেয়েছেন।

র&zwnj;্যাচেল কৌর মালয়েশিয়ার বিমান কোম্পানি এয়ার এশিয়ার সহকারী অর্থ ব্যবস্থাপক, থাকেন পেনাংয়ে, কিন্তু কাজ করেন রাজধানী কুয়ালালামপুরে। শুরুর দিকে তিনি কাজের সুবিধার্থে কুয়ালালামপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে সপ্তাহান্তে বাড়ি ফিরতেন। কিন্তু সন্তানদের থেকে দূরে থাকার কারণে কাজে ঠিকঠাক মন বসাতে পারছিলেন না। সন্তানদের প্রতিদিনের জীবন, স্কুলের কার্যক্রম এবং ছোট ছোট মুহূর্ত মনে করে র&zwnj;্যাচেল বেশ কষ্ট পেতেন। সন্তানদের বেড়ে ওঠার সুন্দর মুহূর্তগুলো হারাতে চাননি। তাই একটা সাহসী পদক্ষেপ নেন। সিদ্ধান্ত নেন, পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্য প্রতিদিন বিমানে করে অফিসে যাতায়াত করবেন। সপ্তাহে পাঁচ দিন বিমানে যাতায়াতের খরচ নিশ্চয়ই আকাশছোঁয়া। আদতে তা নয়।

র&zwnj;্যাচেল জানান, আগের তুলনায় তার খরচ বরং অনেকটাই কমে গেছে। কুয়ালালামপুরে বাসা ভাড়া ও থাকা-খাওয়া বাবদ প্রতি মাসে ব্যয় করতেন ৪৭৪ ডলার বা দুই হাজার ১০৬ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত। আর এখন তার মাসিক খরচ কমে হয়েছে ৩১৬ ডলার বা ১ হাজার ৩৯৬ রিঙ্গিত।

যেখানে বেশির ভাগ মানুষ কর্মক্ষেত্রে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ যানজট নিয়ে অভিযোগ করেন, সেখানে র&zwnj;্যাচেল দৈনিক ৭০০ কিলোমিটার আকাশপথ পাড়ি দেন এবং তিনি মনে করেন, সন্তানদের হাসিমুখের কাছে এটি কোনো কষ্টই নয়। এই রুটিন বজায় রাখতে শুধু শারীরিক সক্ষমতাই নয়, দরকার অসীম মানসিক শক্তির। র&zwnj;্যাচেলের জন্য এই যাত্রা ক্লান্তিকর হলেও মূল্যবান।

এক সাক্ষাৎকারে র&zwnj;্যাচেল বলেন, &lsquo;আমার দুই সন্তান, একজন ১২ বছরের, আরেকজন ১১ বছর বয়সী। তারা বড় হচ্ছে, তাই একজন মা হিসেবে ওদের সঙ্গে আরো বেশি সময় থাকা দরকার। বিমানে নিয়মিত যাতায়াত করে প্রতিদিন বাড়ি ফিরে যেতে পারছি, রাতে ওদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারছি, এমনকি শেষ মুহূর্তের বাড়ির কাজেও আমার সন্তানদের সাহায্য করতে পারছি।&rsquo;

র&zwnj;্যাচেলের গল্প হাজারো কর্মজীবী মা-বাবার হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে, যারা পেশা ও পরিবারের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পেতে লড়াই করছেন। র্যাচেল দেখিয়েছেন, পেশাজীবন ও কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও পরিবারের প্রতি ভালোবাসার কাছে তা মামুলি। তিনি প্রমাণ করেছেন, কঠিন হলেও ইচ্ছা থাকলে পেশা ও পরিবারকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া সম্ভব।

তার গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সবাই পরিবারের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি ও ত্যাগ দেখে অভিভূত। প্রত্যেক কর্মজীবী মা-বাবার কাছে তিনি এখন এক অনুপ্রেরণার নাম। র&zwnj;্যাচেল প্রমাণ করেছেন, দৃঢ়সংকল্প থাকলে ভালোবাসার কাছে কোনো দূরত্ব বাধা নয়। সূত্র: মিডিয়াম ডটকম।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Feb 2025 03:51:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘শুঁটকি কিল্যা’য় কাজ করেন শুধুই নারীরা ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9337" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9337</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের সাগরদ্বীপ কুতুবদিয়া উপজেলা। এ উপজেলা সাগরের সন্নিকটে হওয়ায় লবণ উৎপাদনের উতকৃষ্ট জায়গা। কিন্তু উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মৌলভিপাড়া সৈকত ব্যতিক্রম। এখানে চলছে শুঁটকি উৎপাদনের তোড়জোড়। সৈকতজুড়ে রয়েছে ২৫টির বেশি শুঁটকিমহাল; যা স্থানীয়ভাবে &lsquo;শুঁটকি কিল্যা&rsquo; হিসেবে পরিচিত। মজার বিষয়, এসব শুঁটকিমহালে শ্রমিকদের সবাই নারী। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা শুঁটকি উৎপাদনে কাজ করেন।

সম্প্রতি সরেজমিন মৌলভিপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, সাগরের তীরঘেঁষা গ্রামটির কয়েকটি মহালে শুঁটকি উৎপাদন করছেন ৫০ জনের বেশি নারী। ফরিদুল আলম নামের এক ব্যক্তির শুঁটকিমহালে গিয়ে দেখা যায়, শুঁটকি উৎপাদনের জন্য বাঁশের মাচা রয়েছে সাতটি। প্রতিটি মাচায় দু-তিনজন করে নারী শ্রমিক শুঁটকি উৎপাদন করছেন। মাচায় শুকাতে দেওয়া মাছের বেশির ভাগই চিংড়ি। কিছু মাচায় ছুরি, ফাইস্যা ও লইট্যা মাছ শুকাতে দেওয়া হয়েছে।

সকাল ছয়টা থেকে মহালটিতে কাজ করতে আসেন মৌলভিপাড়ার খুশী বেগম (২৫)। স্বামী গিয়াস উদ্দিন পেশায় জেলে। খুশী বেগম বলেন, সাগরে মাছ ধরা পড়ছে কম। এ কারণে আমার স্বামী কিছুদিন ধরে বেকার। তিনি সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শুঁটকিমহালে কাজ করে ২৫০ টাকা মজুরি পান। তবে তার উপার্জনের টাকায় সংসার চলে না। এলাকায় শুঁটকিমহালে কাজ করা ছাড়া নারীদের বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেন, এলাকার পুরুষেরা লবণমাঠে কাজ করেন, নারীরা শুঁটকিমহালে। শুঁটকি উৎপাদন বন্ধ হলে নারী শ্রমিকেরা বিপাকে পড়েন বলে জানান দুই সন্তানের জননী খুশী বেগম।

শুঁটকি উৎপাদনের কাজ করছিলেন আরেক নারী শ্রমিক রাবেয়া বেগম (৩৪)। তার স্বামী আবদুর রহিম পেশায় কৃষক। রাবেয়া বেগম বলেন, আমি শুঁটকিমহালে কাজ করছি ২০ দিন ধরে। আমার সংসারে দুই ছেলে, দুই মেয়ে। সারাদিন কাজ করে ২৫০ টাকা পাই। তা দিয়ে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালাতেই কষ্ট হচ্ছে।

শুঁটকিমহালে নারীদের কম মজুরির বিষয়ে মহালের মালিক ফরিদুল আলম বলেন, পুরুষ শ্রমিকেরা মহালে কাজ করলে সাগরে নেমে ট্রলার থেকে মাছ কিনে ধুয়ে মহালে নিয়ে আসা, সন্ধ্যায় সেই মাছ গুদামে নেওয়াসহ বিভিন্ন বাড়তি কাজ করেন। তবে নারী শ্রমিকেরা কেবল মাচায় মাছ শুকাতে দেন। এর বাইরে কাজ তেমন করেন না। এ কারণে নারী শ্রমিকদের মজুরি অপেক্ষাকৃত কম।

ফরিদুল আলমের দক্ষিণ পাশে মো. জসিম নামের স্থানীয় আরেক বাসিন্দার আরেকটি শুঁটকিমহাল। সেখানেও ২০ জনের বেশি নারী শুঁটকি উৎপাদন করছেন। উত্তরপাশে আবদুস সালাম নামের আরেক ব্যক্তির মহালেও ১৬ নারীকে কাজ করতে দেখা যায়। মহালগুলো ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি লইট্যা শুঁটকি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। এর বাইরে ছুরি ৭০০-৮০০ টাকা, ছোট চিংড়ি ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যদিও জেলা শহরেই এসব শুঁটকির দাম প্রায় দ্বিগুণ।

মহালের মালিকেরা জানান, কুতুবদিয়ায় শুঁটকি কেনার ব্যবসায়ী রয়েছেন ২৩ জন। তারা মহালের শুঁটকি কিনে ট্রলারে করে নিয়ে যান চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের আড়তে। সেখান থেকে শুঁটকি সরবরাহ হয় তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

ফরিদুল আলমের মহাল থেকে অন্তত এক হাজার কেজি শুঁটকি কিনতে দেখা যায় স্থানীয় ব্যবসায়ী দিদারুল ইসলামকে। তার বাড়ি উপজেলার আলী আকবরডেইল ইউনিয়নের তারলেরচর গ্রামে। ১২ বছর ধরে তিনি শুঁটকির ব্যবসা করছেন। কুতুবদিয়ার শুঁটকি ট্রলারে ভরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে নিয়ে বিক্রি করেন। কুতুবদিয়ার বিষমুক্ত শুঁটকির স্বাদ ও কদর দুটোই বেশি জানিয়ে দিদারুল ইসলাম (৪৩) জানান, আগে প্রতি সপ্তাহে তিনি তিন হাজার কেজি শুঁটকি সরবরাহ করতেন। তবে এখন ৮০০ থেকে এক হাজার কেজি শুঁটকি খাতুনগঞ্জে সরবরাহ করেন। কারণ, সাগরে মাছ তেমন ধরা পড়ছে না।

মহালের কয়েকজন মালিক জানান, ট্রলার থেকে তারা প্রতি মণ কাঁচা চিংড়ি এক হাজার ২০০ থেকে এক হাজার ৫০০ টাকায় কিনে শুঁটকি করেন। প্রতি মণে কাঁচা মাছ থেকে পান ১০ কেজি শুঁটকি। প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় বিক্রি করলে ১০ কেজিতে লাভ থাকে এক হাজার টাকার মতো। শ্রমিকসহ মহালের আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিলে ৫০০ টাকার বেশি থাকে না। সাগরে বেশি মাছ ধরা পড়লে তখন বেশি লাভ করা যায়। প্রতি সপ্তাহে এ এলাকার মহাল থেকে অন্তত তিন মেট্রিকটন শুঁটকি উৎপাদিত হচ্ছে বলেও জানান মালিকেরা।

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের মৌলভিপাড়াসহ পাঁচটি গ্রামের পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি সমুদ্রে বিলীন হয়। ভেঙে যায় পাঁচ কিলোমিটারের বেশি বেড়িবাঁধ। সেই থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সড়কের দুই পাশে ঝুপড়ি ঘরে বসবাস করে আসছে। শুঁটকি উৎপাদনে নিয়োজিত নারীরা এসব জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারেরই সদস্য।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বছরের ছয় মাস এই সৈকতে শুঁটকি উৎপাদন চলে। মহালের শ্রমিকদের সবাই নারী, সবাই জলবায়ু উদ্বাস্তু।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Feb 2025 05:27:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারী শ্রমিকের মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন হবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9032" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/9032</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদ্যমান শ্রম আইন অনুযায়ী নারী শ্রমিকদের প্রসূতিকালীন ছুটি ১৬ সপ্তাহ। সরকারের পক্ষ থেকে এই ছুটি ১২০ দিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) বৈঠকে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নারী শ্রমিকদের প্রসূতিকালীন ছুটি ১২০ দিন করার বিষয়ে সব পক্ষ একমত হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

ঢাকার বিজয়নগরে শ্রম ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে শ্রমসচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ টিসিসির মালিক, শ্রমিক ও সরকারপক্ষের মোট ৬০ সদস্যের বেশির ভাগই উপস্থিত ছিলেন। নতুন ধারা সংযোজন এবং বিদ্যমান ধারা সংশোধনসহ ১০১টি ধারা নিয়ে কাজ করছে টিসিসি। শ্রম আইনের কিছু ধারা বিলুপ্তও করা হচ্ছে। আগামী মার্চের মধ্যে আইন সংশোধন করে অধ্যাদেশ জারির কথা রয়েছে।

বৈঠকের আগে শ্রমসচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একাধিক বৈঠকে তিন পক্ষের সম্মতিতে ৭৯টি বিষয়ে একমত হওয়ার তথ্য জানিয়েছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ট্রেড ইউনিয়ন করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ২০ শতাংশের বদলে ১৫ শতাংশ শ্রমিকের সায়, অংশগ্রহণ তহবিলে জমাকৃত অর্থ সমান অনুপাতে সব সুবিধাভোগীর মধ্যে বণ্টন, জীবন বা স্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের বিপদ থাকলে সেসব কাজ করাতে বাধ্য না করা, নারী শ্রমিকদের যৌন হয়রানি না করা ইত্যাদি।

বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, নারী শ্রমিকের সন্তান প্রসবের আট সপ্তাহের মধ্যে কোনো কাজ করাতে পারেন না কারখানার মালিকেরা। বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে আট সপ্তাহের বদলে তা হবে ৬০ দিন। আবার প্রসূতি কল্যাণ সুবিধার মজুরি এত দিন নগদে দেওয়ার বিধান ছিল। এখন বলা হয়েছে, নগদে তো পরিশোধ করা যাবেই, ব্যাংক বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতেও এই মজুরি পরিশোধ করা যাবে।

কর্মক্ষেত্রে বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কোনো দুর্ঘটনায় কোনো শ্রমিক শারীরিক বা মানসিক আঘাত পেলে বা প্রাণহানি ঘটলে তা কর্মক্ষেত্রে যাতায়াতকালে সংঘটিত দুর্ঘটনা বলে গণ্য হবে&mdash;এমন ধারা সংযোজনের প্রস্তাব মেনে নেয়নি মালিকপক্ষ।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, খসড়ার সব জায়গায় নারীদের মহিলা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির প্রধান তাসলিমা আক্তার এ বিষয়ে আপত্তি জানালে শ্রম উপদেষ্টা তা আমলে নেন। নারীর প্রতি সহিংসতা ও হয়রানি সুনির্দিষ্ট নয় এবং অসদাচরণের নিষ্পত্তি কীভাবে হবে, তাও বলা নেই বলে বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন তাসলিমা আক্তার। শ্রম উপদেষ্টা এগুলো লিখিতভাবে জানানোর পরামর্শ দেন তাকে। বৈঠকে উপদেষ্টা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা মারাত্মক ধরনের অপরাধ।

শ্রমসচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, সব পক্ষ থেকে পরামর্শ এসেছে। টিসিসির কাজ হচ্ছে পরামর্শগুলো শোনা, যেগুলো একসঙ্গে করার পর উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Feb 2025 04:10:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সহিংসতার সম্মুখীন হয়েছেন ৪৯ শতাংশ নারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8902" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8902</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিভিন্ন শ্রেণি&ndash;পেশার ৪৯ শতাংশ নারী জীবনের কোনো না কোনো সময় শারীরিক, মানসিক ও যৌন সহিংসতার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন। তারা মনে করেন, ৯০ শতাংশ নারী হয়রানির শিকার হন কর্মক্ষেত্রে ও গণপরিবহনে। কিন্তু লোকলজ্জা, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাসহ নানা কারণে অভিযোগ করতে বাধার মুখে পড়েন।

রাজশাহী ও গাজীপুরের শিক্ষার্থী, পোশাক ও পরিবহন খাতের কর্মী ও নাগরিক সমাজের ৩১১ জন নারী-পুরুষকে নিয়ে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় এ গবেষণার তথ্য তুলে ধরা হয়।

&lsquo;যৌন সহিংসতা ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ব্যাপকতাভিত্তিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়&rsquo; শীর্ষক মতবিনিময় সভায় আলাদাভাবে পাঁচ ধরনের নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণাটি করা হয় গত বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত।

গবেষণায় দেখা যায়, গাজীপুরে ৬৩ শতাংশ নারী মানসিক, ৬৩ শতাংশ মৌখিক, ৪৫ শতাংশ শারীরিক, ৩০ শতাংশ যৌন ও ২৩ শতাংশ আর্থসামাজিকভাবে সহিংসতার শিকার হয়েছেন। অপর দিকে রাজশাহীতে ৮৭ শতাংশ নারী মৌখিক, ৫২ শতাংশ শারীরিক, ২৭ শতাংশ মানসিক, ১৮ শতাংশ যৌন ও ছয় শতাংশ আর্থসামাজিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও হয়রানির শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছেন ৩৬ শতাংশ নারী। ভুক্তভোগী নারীরা জানিয়েছেন, এলাকায় সামাজিকভাবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা, আইনের প্রয়োগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হলে সহিংসতার ঘটনা কমে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ৮২ শতাংশই নারী, বাকিরা পুরুষ। অংশগ্রহণকারীদের ৬৪ শতাংশ বিবাহিত। ৩১১ জনের মধ্যে ৯৬ জন শিক্ষার্থী, ৪৩ জন পোশাককর্মী, ৫০ জন পরিবহন খাতের শ্রমিক ও ১২২ জন নাগরিক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি&ndash;পেশার মানুষ।

প্রতিবেদনে সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি, সামাজিক ও সংস্কৃতিক প্রতিবন্ধকতা দূর করা, আইনি ব্যবস্থা নিতে ভুক্তভোগীদের আস্থা তৈরি, আইনের যথাযথ প্রয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

মতবিনিময় সভায় আসকের নির্বাহী কমিটির সদস্য রূকসানা খন্দকার বলেন, গবেষণায় দেখা যায়, একধরনের সহিংসতা কমে এলে অন্য ধরনের সহিংসতা বাড়ে। এ ধরনের সহিংসতার ঘটনার জন্য নারীরা আবার ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। ছয় মাস ধরে আমরা নতুন বাংলাদেশের কথা শুনছি, সুফলটা কি দেখছি? দেশের অর্ধেকের বেশি নারী। তারা নির্যাতনের শিকার হলে দেশ কীভাবে এগিয়ে যাবে? তৃণমূল পর্যায় থেকে কাজ করতে হবে। এতে রাজনৈতিক অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের কর্মসূচি কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানা বলেন, পরিবার থেকেই শিশুদের শেখাতে হবে কোনটা ভালো, কোনটা খারাপ স্পর্শ। শিশুরা যেন নির্যাতনের কথা বাড়িতে এসে বলতে পারে, সেই পরিবেশ রাখতে হবে। সচেতনতা সৃষ্টিতে সমাজের প্রত্যেককে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

স্বাগত বক্তব্যে আসকের উপদেষ্টা মাবরুক মোহাম্মদ বলেন, সহিংসতা বন্ধ করতে না পারার কারণ হচ্ছে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে নির্যাতনের বিষয়গুলো ঢুকে আছে। আইন দিয়ে সমাজ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে পরিবর্তনের বড় নিয়ামক আইন। সমাজে নারী নির্যাতনের ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করতে হবে। আর যদি সহিংসতার ঘটনা ঘটে, তাহলে যেন প্রতিকার পাওয়া যায়, সে পদক্ষেপ নিতে হবে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Feb 2025 04:30:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘোড়ার পিঠে চড়ে সৌদি তরুণীর কেনাকাটা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8617" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8617</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঘোড়ার পিঠে চড়ে একটি ওষুধের দোকানে ঢুকে কেনাকাটা করতে দেখা গেল সৌদির তরুণী শাদ আল সামারিকে। মূলত সৌদি আরবে অশ্বারোহী হিসেবে তিনি অনেক আগে থেকেই বিখ্যাত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, তিনি শান্তভাবে ঘোড়ার পিঠে চড়ে তাকের উপরে থাকা আইটেম দেখছেন ও সংগ্রহ করছেন। এ সময় তার এই ব্যতিক্রমী কেনাকাটা করাকে ক্যামেরায় ধারণ করছিলেন একজন। তবে কোথায় এবং কখন এই ভিডিও করা হয়েছে তা এখনো জানা জায়নি।

ভক্তরা এই তরুণীর নাম দিয়েছেন সৌদির অশ্বারোহী শাদ। তার বয়স ২০ বছর। তাকে সৌদি আরবের সবচেয়ে বিখ্যাত নারী অশ্বারোহী হিসেবে গণ্য করা হয়। ব্যতিক্রমী অশ্বারোহণ দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাসের জন্য তিনি প্রশংসিত।

সামাজিক মাধ্যমে সৌদির এই ভাইরাল তরুণীর অনেক ফলোয়ার রয়েছে। শাদ নিয়মিত এ সম্পর্কিত ভিডিও আপলোড করেন।

ঘোড়ার প্রতি শাদের অনুরাগ অল্প বয়স থেকেই শুরু হয়; যা এক্ষেত্রে তার দক্ষতা বৃদ্ধিকে সহায়তা করেছে। এরই মধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি স্থানীয় এবং আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

পুরুষতান্ত্রিক সৌদিতে নারী হয়েও অশ্বারোহীর মতো বিষয়টিকে আয়ত্ত্ব করায় তাকে অনেকে রোল মডেল হিসেবে দেখেন। সৌদি সমাজে অশ্বারোহীকে প্রচার করায় ও অন্যদের উদ্বুদ্ধ করায় তার প্রশংসা করা হয়।

এমন এক সময় এ ধরনের খবর আসছে যখন সৌদি আরবে ব্যাপক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার চলছে। বিশেষ করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীদের ক্ষমতায়ন করা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গাল্ফ নিউজ।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Jan 2025 04:39:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীদের মানুষ বলে গণ্য করে না তালেবান: মালালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8211" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8211</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই বলেছেন, আফগানিস্তানে তালেবান নারীদের মানুষ হিসেবে গণ্য করে না। তিনি তালেবান সরকার ও তাদের দমনমূলক নারী নীতিমালাকে চ্যালেঞ্জ করতে মুসলিম নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ইসলামি দেশগুলোতে নারী শিক্ষা নিয়ে পাকিস্তানে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে মালালা এমন আহ্বান জানান।

২৭ বছর বয়সী মালালা মুসলিম নেতাদের বলেন, নারীদের পড়াশোনা ও কাজ করতে না দেওয়াসহ তালেবানের আরো যে নীতিমালাগুলো আছে, তাতে &lsquo;ইসলামি কিছু&rsquo; নেই।

মালালার বয়স যখন ১৫ বছর, তখন তিনি এক তালেবান বন্দুকধারীর হামলার শিকার হন। তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। নারী শিক্ষার পক্ষে কথা বলায় তাকে হামলার লক্ষ্য করা হয়েছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য মালালাকে যুক্তরাজ্যে নেওয়া হয়।

২০১২ সালের হামলার পর থেকে মালালা হাতে গোনা কয়েকবার পাকিস্তানে ফিরেছেন। এর মধ্যে প্রথমবার পাকিস্তানে ফিরেছিলেন ২০১৮ সালে। আর এবার আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে আবারো পাকিস্তানে ফিরেছেন।

রবিবার (১২ জানুয়ারি) ইসলামাবাদের সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী মালালা বলেন, নিজ দেশে ফিরতে পেরে তিনি &lsquo;উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত&rsquo;।

মালালার মতে, তালেবান সরকার আবারও লিঙ্গ বৈষম্যমূলক একটি ব্যবস্থা তৈরি করেছে। মালালা বলেন, যেসব নারী তালেবানের অন্ধকার আইনগুলো ভঙ্গ করে, তাদের মারধর, আটক এবং ক্ষতি করার মধ্য দিয়ে শাস্তি দেওয়া হয়।

মালালা আরো বলেন, সরকার সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ন্যায্যতার আড়ালে তাদের অপরাধ ঢেকে রাখে। অথচ এগুলো ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে যায় না।

মালালা বলেন, আফগানিস্তান বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে মেয়েদের ষষ্ঠ শ্রেণির পর শিক্ষা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মালালার মন্তব্যের বিষয়ে তালেবান সরকারের প্রতিক্রিয়া জানার চেষ্টা করেছিল বিবিসি। তবে তালেবান সরকার মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে তালেবান সরকার আগে বলেছিল, তারা আফগান সংস্কৃতি ও ইসলামি আইনের ব্যাখ্যা অনুসারে নারীর অধিকারকে সম্মান করে।

অরগাইজেশন অব ইসলামিক করপোরেশন (ওআইসি), পাকিস্তার সরকার ও মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা ওই সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। ওই সম্মেলনে তালেবান সরকারের নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও তারা সেখানে যোগ দেননি।

সম্মেলনে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নারী শিক্ষার পক্ষে সোচ্চার বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও শিক্ষাবিদ অংশ নেন।

২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে তাদের নেতৃত্বাধীন সরকারকে কোনো বিদেশি সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়নি। পশ্চিমা শক্তিধর দেশগুলো বলেছে, নারীদের ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করার নীতি পরিবর্তন করা দরকার।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 13 Jan 2025 05:59:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দীর্ঘ ১১ বছর ওষুধ ছাড়া কিছুই কেনেননি জনক পালতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8209" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8209</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী জনক পালতা। তাকে বলা হচ্ছে ভারতের টেকসই জীবনযাপনের &lsquo;অ্যাম্বাসেডর&rsquo;। ১১ বছর ধরে কিছুই কেনেন না জনক। যা কিছু প্রয়োজন, সব উৎপাদন করেন, নয়তো নিজে বানিয়ে ফেলেন।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রত্যন্ত একটি গ্রামে একটি বাড়ি বড়ই অদ্ভুত। বাড়িটির চারপাশে বড় বড় জানালা। বাড়ির ছাদে, সামনের উঠানে সোলার প্যানেল আর উইন্ডমিল। আশপাশে মাঠ আর বাগান। সেখানেই ফলে নানা ধরনের শস্য, মসলা আর ফল।

জনকের বাড়িতে সোলার কুকারে হয় রান্না। তার সোলার কিচেনে আছে ১৩টি সোলার কুকার। সেখানেই হয় এই বাড়ির ১১ জনের তিন বেলার রান্না। চাল, গম, ডাল, তেল, মসলা, ফল থেকে শুরু করে লেবু, গ্রিন&ndash;টি, পুদিনা, ধনিয়া, শর্ষে, রাই, মেথি, তুলসী, প্রয়োজনীয় ভেষজ ওষুধ&mdash;সবই উৎপাদন করেন। এমনকি কফি, চকলেট, মুড়ি, বিস্কুট, পাউরুটিও বানান তারা। লেবুর খোসা আর রিঠার গুঁড়া দিয়ে পরিষ্কার করেন থালাবাসন। রিঠা পাউডার দিয়েই চলে জামাকাপড় কাচা। ব্যবহার করেন নিজেদের বানানো প্রাকৃতিক সাবান। দাঁত মাজেন নিমের ডাল দিয়ে। শরীরে মাখেন নিম ও শর্ষের তেল। মুখে মাখেন অ্যালোভেরার জেল। ফসল উৎপাদনে ব্যবহার করেন গোবর ও খাবারের খোসা থেকে তৈরি জৈব সার। এসব কাজে সহায়তার জন্য জনকের সঙ্গে আছেন আরো ১০ নারী। সংসার থেকে বিতাড়িত এই নারীদের বিভিন্ন সময়ে উদ্ধার করে কাজ শিখিয়েছেন জনক। এখন তারা ১১ জন, কয়েকটি গরু, কুকুর, বিড়াল সবাই মিলেই থাকেন বাড়িটিতে।

বছরে ১৩ ধরনের ফসল ফলান জনক পালতা। ১৬০ প্রজাতির ফল আর ঔষধি গাছ আছে তার বাগানে। কোনো উৎসের পানি বা কিছুই ফেলে দেন না। হাত ধোয়া পানি যায় পুদিনা, ধনিয়া ও মরিচগাছের গোড়ায়। গোসল, খাওয়ার, থালাবাসন বা কাপড় কাচার জন্য ব্যবহৃত পানি একটা নালার ভেতর দিয়ে পৌঁছে যায় বাগানে। অতিরিক্ত পানি প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধিত হয়ে জমা হয়। বৃষ্টির পানিও ধরে রেখে ব্যবহার করেন।

জনকের বাড়ির রাত আলোকিত হয় সোলার প্যানেল ও উইন্ডমিল থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ দিয়ে। এমনকি জনকের উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে যে উদ্বৃত্ত থাকে, তা ব্যবহার করছে ওই গ্রামের ৫০টি আদিবাসী পরিবার।

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না জনক। তবে সকালবেলা এক কাপ চায়ের সঙ্গে কয়েকটি পত্রিকায় চোখ না বোলালে ভালো লাগে না তার। পুরোনো পত্রিকাও বিদ্যুৎ তৈরিতে কাজে লাগান, বানান আসবাবও!

১৯৬৭ সালের কথা। মাত্র ১৭ বছর বয়সে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল জনক পালতার। ওপেন হার্ট সার্জারি করতে হয়েছিল। সেবার জীবন&ndash;মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ থেকে ফিরে জনক ঠিক করেছিলেন, যে কটা দিন বাঁচবেন, পৃথিবীর কোনো ক্ষতি করবেন না। সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে বিলিয়ে দেবেন।

ইউটিউব চ্যানেল &lsquo;জিন্দেগি উইথ রিচা&rsquo;&ndash;কে নিজের ঘরবাড়ি, খেতখামার দেখাতে দেখাতে জনক বলেন, &lsquo;খুব ছোটবেলা থেকে গ্রামের নারীদের সোলার প্যানেল ব্যবহার করে রান্না করা শেখাই। এভাবে কয়েক দশকে প্রায় ৫০০ গ্রামের নারী সোলার প্যানেল ব্যবহার করে রান্নায় অভ্যস্ত হয়। এতে ধর্ষণের পরিমাণও অনেকটা কমে আসে। কেননা নারীরা বনের গভীর থেকে কাঠ সংগ্রহ করতে গিয়েই সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হতেন। গর্ভাবস্থায় লম্বা সময় ধরে ভারী কাঠ বহন করার ফলে অনেকের পথিমধ্যে গর্ভস্রাব হতো। সেটিও কমে আসে উল্লেখযোগ্য হারে। রান্নার ধোঁয়ায় নারীর স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমে আসে। নারীরা তখন শিশুদের পানি ফুটিয়ে খাওয়ানো শুরু করে। ফলে পানিবাহিত রোগ থেকেও রক্ষা পায় শিশুরা।&rsquo;

২০১১ সালে জীবনসঙ্গী জিমি ম্যাকগিলিয়ানের মৃত্যুর পর জনক তার গ্রামে ফিরে যান আর টেকসই জীবনযাপন শুরু করেন। মূলত স্বামীর মৃত্যুর পর থেকেই তিনি আর কোনো পোশাক বা ব্যবহার্য জিনিস কেনা বন্ধ করে দেন। শেষ ১১ বছরে শুধু ওষুধ ছাড়া আর কিছুই কেনেননি। ছোটবেলা থেকেই প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে মানুষকে সচেতন করে আসছেন।

&lsquo;জিমি ম্যাকগিলিয়ান সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট&rsquo; নামে একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধান হিসেবেও কাজ করছেন জনক। সংস্থাটি পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই জীবনযাপনের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলাকায় সবাই তাকে এক নামে &lsquo;জনক দিদি&rsquo; বলে চেনে। আশপাশের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তার বাড়িতে আসে হাতেকলমে টেকসই জীবনযাপনের শিক্ষা নিতে। দেড় লাখ তরুণ, ছয় হাজার আদিবাসী নারী ও গ্রামের এক হাজার নারী তার কাছ থেকে সোলার এনার্জি ব্যবহার করে রান্না করার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

জনক পালতা ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত প্রথম আর্থ সামিটে অংশ নেন। সেখানে তাকে &lsquo;টেকসই জীবনের রানি&rsquo; বলে সম্মান জানানো হয়। জনক জাতিসংঘের &lsquo;টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা&rsquo;র ভারতীয় অ্যাম্বাসেডর। ২০১৫ সালে ইউনাইটেড নেশনস এনভায়রনমেন্ট প্রোগ্রাম থেকে &lsquo;গ্রিন হিরো&rsquo; উপাধি পেয়েছেন তিনি। পরিবেশ রক্ষা ও টেকসই জীবনযাপনের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখায় একই বছর ভারত সরকার তাকে &lsquo;পদ্মশ্রী&rsquo; পদকেও ভূষিত করে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 13 Jan 2025 05:08:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৪ সালে ৫২৮ নারী ও মেয়েশিশু হত্যার শিকার: মহিলা পরিষদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8052" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8052</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৪ সালে দেশের সংবাদপত্রে নারী ও মেয়েশিশু নির্যাতনের দুই হাজার ৫২৫টি খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ সময় ৪৫১ জন নারী ও ৭৭টি মেয়েশিশু নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এক বিবৃতিতে এ তথ্য প্রকাশ করে। ১৬টি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত খবর সংকলন করে তারা এ তথ্য পেয়েছে।

বিবৃতিতে মহিলা পরিষদ জানিয়েছে, নারী ও মেয়েশিশু নির্যাতনের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি হত্যা ও ধর্ষণের খবর প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৪ সালে ৩৬৭ মেয়েশিশুসহ ৫১৬ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ১৪২ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার। ২৩ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। ধর্ষণের কারণে আত্মহত্যা করেছে ছয়জন। এ ছাড়া ৯৪ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে।

মহিলা পরিষদ আরো জানায়, গত বছর যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ১৮১ জন। এর মধ্যে ১৩৫ জন মেয়েশিশু। উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছে ৪৫ জন। রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে ৫৭ জন মেয়েশিশুসহ ২৩৬ জনের। আত্মহত্যা করেছে ৭৬ জন মেয়েশিশুসহ ২১৪ জন ।

অ্যাসিডদগ্ধ হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে মহিলা পরিষদের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া এক মেয়েশিশুসহ অ্যাসিডদগ্ধ হয়েছে ১৭ জন। আর অগ্নিদগ্ধ হয়েছে ২৫ জন। পাচারের শিকার হয়েছে ১৩টি মেয়েশিশুসহ ২০ জন। ৫৭ জন মেয়েশিশুসহ ৬৮ জন অপহরণের শিকার হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য নির্যাতনের খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jan 2025 02:40:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীর চলাফেরা দেখা যায়, এমন জানালা নিষিদ্ধ আফগানিস্তানে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8018" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/8018</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আফগানিস্তানে আবাসিক ভবনের জানালা নির্মাণ নিয়ে নতুন আদেশ জারি করেছে তালেবান প্রশাসন। আদেশে বলা হয়েছে, বাইরে থেকে নারীদের ব্যবহৃত জায়গা দেখা যাওয়া আবাসিক ভবনে এমন কোনো জানালা নির্মাণ করা যাবে না। এমনকি কোনো ভবনে এই ধরনের জানালা বিদ্যমান থাকলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, নতুন এই আদেশ জারি করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এই আদেশের কথা নিশ্চিত করেছেন তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে দেশটির ক্ষমতাসীন তালেবান সরকারের এক মুখপাত্র বলেছেন, নতুন ভবনগুলোতে এমন জানালা থাকা উচিত নয়; যার মাধ্যমে &lsquo;আঙিনা, রান্নাঘর, প্রতিবেশীর কুয়া এবং নারীদের সচরাচর ব্যবহার করা অন্যান্য জায়গা দেখা যায়।&rsquo; সরকার দাবি করছে, নারীদের সম্মান ও পবিত্রতা বজায় রাখতেই এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বলা হচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এই আদেশের বিষয়ে উল্লেখ করে বলেছেন, &lsquo;বাড়ির বাইরে থেকে কেউ রান্নাঘরে নারীদের কাজ, উঠানে বা কুয়া থেকে পানি সংগ্রহ করতে দেখলে&mdash; তা অশ্লীল কাজের দিকে নিয়ে যেতে পারে।&rsquo;

নতুন এই আদেশে সরকার পৌর কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে যাতে প্রতিবেশীদের বাড়ির ভেতর দেখা যায় এমন ভবনগুলো খুঁজে বের করা হয়। কোনো ভবনে এই ধরনের জানালা বিদ্যমান থাকলে ভবন মালিকদের প্রাচীর নির্মাণ বা জানালা ঢেকে দেওয়ার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হবে।

২০২১ সালের আগস্টে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর থেকে আফগানিস্তানে জনসমাগমপূর্ণ স্থান থেকে নারীদের দূরে রাখার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছে তালেবান প্রশাসন। দেশটিতে মেয়েদের প্রাথমিকের পর শিক্ষা নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি নারীদের কর্মসংস্থান সীমিত এবং পার্ক ও অন্যান্য জনসমাগমপূর্ণ স্থানে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আফগান প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে &lsquo;লিঙ্গবৈষম্য&rsquo; আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। তবে তালেবান প্রশাসন দাবি করছে, তারা ইসলামিক আইন অনুযায়ী নারী ও পুরুষদের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 30 Dec 2024 05:42:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফ্রান্সে আজব ধর্ষণের শিকার পেলিকোত, সাহসিকতার দৃষ্টান্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7872" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7872</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বামীর সঙ্গে ফ্রান্সের অ্যাভিগনোন শহরের মাজান এলাকায় থাকতেন গিস লে পেলিকোত। উচ্চশক্তির ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে অন্য পুরুষদের দিয়ে তাকে ধর্ষণ করাতেন তারই স্বামী ডোমেনিক পেলিকোত। নির্মম এ ঘটনার শুরু ২০১১ সালে। বর্তমানে পেলিকোতের বয়স ৭২ বছর।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) ফ্রান্সের আদালতে পেলিকোত ধর্ষণ মামলার রায় হয়েছে। এতে তার স্বামীকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি আরো ৫০ জনকেও তিন থেকে ১৫ বছর মেয়াদে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ মামলার বিচারপ্রক্রিয়া চলে অনেকদিন। এ সময়টিতে আদালত প্রাঙ্গণে অসংখ্য নারী পেলিকোতকে দেখতে আসতেন। একইসঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়ায় পেলিকোতকে সহায়তা করতেও আসতেন। তারা নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেন। ধর্ষকদের মানষিকতাও বুঝতে চাইতেন!

ফ্রান্সের অ্যাভিগনোনের কাচ আর কংক্রিটে তৈরি আদালত ভবনের বাইরে ব্যস্ত রিং রোড। পাশের ফুটপাতে প্রতিদিন শরতের ঠান্ডা হওয়া গায়ে মেখে একদল নারী এসে জড়ো হতেন। সকাল থেকে তাদের সারি লম্বা হতো, চলত সন্ধ্যা পর্যন্ত।

এভাবে দিনের পর দিন আদালতের পাশের এ ফুটপাতে জড়ো হতেন নানা শ্রেণি-পেশার নারী। তাদের মধ্যে কেউ আবার ফুল নিয়ে আসতেন। আর কাচের দরজার ভেতর দিয়ে সিঁড়ি ভেঙে যখন হেঁটে আসতেন পেলিকোত, তখন সমবেত নারীরা তাকে করতালি দিয়ে সাধুবাদ জানাতেন। সাহস করে কেউ তার কাছে গিয়ে কথা বলারও চেষ্টা করতেন। কেউ উচ্চস্বরে বলে উঠতেন, &lsquo;আমরা তোমার পাশে আছি গিস লে। বুকে সাহস রাখ।&rsquo;

এসব নারীর বেশির ভাগই আদালত ভবনে জনসাধারণের জন্য সংরক্ষিত কক্ষে একটি আসন পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতেন। প্রতিদিন কক্ষটি মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় ভরে উঠত। কক্ষে তারা একটি মামলার বিচারকাজ দেখার সুযোগ পেতেন। অধীর আগ্রহে থাকতেন একজন বয়োবৃদ্ধ নারীর সাহসিকতার সাক্ষী হয়ে থাকতে।

এদিকে আদালতকক্ষে চুপচাপ বসে থাকতেন পেলিকোত আর তার চারপাশে থাকতেন তাকেই ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠা কয়েক ডজন আসামি।

আদালতে নিয়মিত ওই ধর্ষণ মামলার বিচার দেখতে আসা ব্যক্তিদের একজন ৫৪ বছর বয়সী ইসাবেলা মুনিয়ের। তিনি বলেন, &lsquo;আমি তার (পেলিকোত) মধ্যে নিজেকে দেখতে পাই। বিচারের মুখোমুখি হওয়া অভিযুক্ত পুরুষদের মধ্যে আমার এক বন্ধুও ছিলেন। এটি ছিল আমার জন্য খুব জঘন্য বিষয়।&rsquo;

সাদজিয়া জিমলি নামের ২০ বছর বয়সী এক তরুণী বলেন, &lsquo;পেলিকোত নারীদের জন্য আদর্শ হয়ে উঠেছেন।&rsquo;

ফ্রান্সের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধর্ষণের ঘটনা এটি। এ ঘটনায় অ্যাভিগনোনের আদালত প্রাঙ্গণে যেসব নারী আসতেন, তারাসহ ফ্রান্সের অনেক নারীর মাথায় এখন দুটি মৌলিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। প্রথমটি সহজাত। এ প্রশ্নের তির ফরাসি পুরুষদের দিকে। কেউ কেউ পুরো পুরুষ জাতির দিকেই আঙুল তুলছেন। কেউ-বা শুধু ওই ৫০ জনের কথা বলছেন, যারা কিনা একজন নারীকে ধর্ষণ করার অপ্রত্যাশিত আহ্বান লুফে নিতে একপায়ে খাড়া ছিলেন। একেবারেই পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়ির শোবার ঘরে অচেতন হয়ে পড়ে ছিলেন ওই নারী।

দ্বিতীয় প্রশ্নটির উৎপত্তি প্রথম প্রশ্ন থেকেই। যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে জোরজবরদস্তি ও মাদক খাইয়ে ধর্ষণের মতো ঘটনা মোকাবিলায় লজ্জা ও সম্মতি সম্পর্কে কুসংস্কার এবং অজ্ঞতাকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়ে এ বিচার কত দূর যাবে?

সহজ ভাষায় বললে, পেলিকোত সাহস ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমে এ মামলার বিচারকাজ প্রকাশ্যে করার অনুরোধ জানান। তার অনুরোধেই প্রকাশ্যে শুনানি হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগীই সাধারণত লজ্জা ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হন। কিন্তু প্রকাশ্য বিচারের মাধ্যমে গিস লে বিষয়টিকে উল্টে দিতে চেয়েছেন। তার চাওয়া ছিল অপরাধীরা যাতে লজ্জা পান। গিস লের এ প্রচেষ্টা কি বড় কোনো পরিবর্তন নিয়ে আসবে?

দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ বিচারকাজে আদালত প্রাঙ্গণে একটি ভিন্ন রকম আবহ তৈরি হয়। গত সপ্তাহগুলোয় অ্যাভিগননের বিচারকেন্দ্র প্যালেস ডি জাস্টিসের মধ্যে অদ্ভুত স্বাভাবিকতা বিরাজ করেছিল। অপরাধীদের মুখগুলো সব সময় মুখোশের আড়ালে লুকোনো ছিল না। টেলিভিশন ক্যামেরা ও আইনজীবীদের ভিড়ে একদম সাধারণ মানুষের মতোই অনেক সময় অভিযুক্ত ধর্ষকেরা ঘুরে বেড়িয়েছেন। এ চেহারাগুলো শুরুর দিকে তোলপাড় সৃষ্টি করলেও একসময় যেন সাধারণ হয়ে উঠেছিল।

বিচারচলাকালে দেখা গেছে, পেলিকোতকে ধর্ষণে অভিযুক্তরা আদালত প্রাঙ্গণের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, গল্প করছেন, হাসি-ঠাট্টা করছেন, কফি খাচ্ছেন বা রাস্তার ওপারে একটি ক্যাফে থেকে ফিরছেন। এর মধ্য দিয়ে তারা বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে, তারা নিতান্তই সাধারণ মানুষ। তাদের মনোভাব এমন যে, তারা সংঘবদ্ধভাবে যৌন সম্পর্ক করার জন্য অনলাইনে সুযোগ খুঁজছিলেন। আর ঘটনাচক্রে একটি অপ্রত্যাশিত ঝামেলায় ফেঁসে গেছেন।

ফরাসি নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ডেয়ার টু বি ফ্যামিনিস্টের এলসা ল্যাবোরেট বলেন, &lsquo;অপরাধীদের এ মনোভাব মামলাটির সবচেয়ে মর্মান্তিক দিক। এটি কল্পনা করতেও কষ্ট হয়।&rsquo;

ল্যাবোরেট আরো বলেন, &lsquo;আমি মনে করি, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশির ভাগ পুরুষ বিশ্বস্ত সঙ্গী চান। কিন্তু পেলিকোতের ঘটনার পর এখন অনেক নারীও পুরুষদের মতো করেই সঙ্গী (দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্বস্ত সঙ্গী) বাছাই করার কথা ভাবছেন। তারা মনে করছেন, তাদের সঙ্গেও এমন ঘটনা (পেলিকোতের মতো) ঘটতে পারে।&rsquo; তিনি আরো বলেন, &lsquo;পেলিকোতকে ধর্ষণে অভিযুক্তরা শুধু সঙ্গী খোঁজার জন্য ইন্টারনেটে গিয়েছিলেন। তাই, এটি সম্ভব যে একই রকম ঘটনা সব জায়গায় ঘটছে।&rsquo;

ফ্রান্সের ইনস্টিটিউট অব পাবলিক পলিসিজ চলতি বছর একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, ফ্রান্সে যৌন নিপীড়নের গড়ে ৮৬ শতাংশ অভিযোগ ও ধর্ষণের ৯৪ শতাংশ অভিযোগের বিচার হয় না কিংবা তা বিচারের আওতায় আসে না।

এলসা ল্যাবোরেট বলেন, &lsquo;যৌন সহিংসতা তখনই ঘটে যখন নির্দিষ্ট শ্রেণির পুরুষেরা বুঝতে পারেন যে, এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে তারা সহজেই পার পেয়ে যাবেন। ফ্রান্সে এসব ঘটনা এত বেশি ঘটার পেছনে একটি বড় কারণ এটি বলে আমি মনে করি।&rsquo;

আদালতের নিযুক্ত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ লরেন্ট লেয়েট সাক্ষ্য দিয়েছেন যে অভিযুক্তরা দানবও নন, আবার সাধারণ পুরুষও নন। বিচার চলাকালে তাদের কেউ কেউ অশ্রুসিক্ত ছিলেন। কয়েকজন নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। কিন্তু বেশির ভাগই নানা রকম অজুহাত দেখিয়েছেন। অনেকে বলেছেন, তারা শুধুই ফুর্তিবাজ ছিলেন। পেলিকোত যৌন সম্পর্ক করার জন্য সম্মতি দিয়েছেন কিনা, তা জানার কোনো উপায় ছিল না তাদের। অন্যদের দাবি, পেলিকোতের স্বামী ডমিনিক অভিযুক্তদের ভয় দেখিয়েছিলেন।

পেলিকোত ধর্ষণ মামলায় বিচারের আওতায় আনা ৫১ জন পুরুষের মধ্যে বৈশিষ্ট্যগত মিল নেই বললেই চলে। তারা সমাজে ব্যাপক বৈচিত্র্যের প্রতিনিধিত্ব করেন। এর মধ্যে তিন-চতুর্থাংশের সন্তান আছে। অর্ধেক বিবাহিত বা প্রেমের সম্পর্কে আছেন। আর মাত্র এক-চতুর্থাংশ বলেছেন যে, তারা শিশু বয়সে নির্যাতন বা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।

বয়স, চাকরি বা সামাজিক শ্রেণির ভিত্তিতে এ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্দিষ্ট কোনো গোষ্ঠী বা দলের সদস্য নন। তাদের মধ্যে শুধু দুটি বিষয়ে মিল ছিল। তা হলো&mdash; এই ব্যক্তিরা পুরুষ এবং তারা একটি অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন। যারা সংঘবদ্ধ যৌনাচার ও শিশুদের প্রতি যৌন আকর্ষণ অনুভব করেন, তাদের কাছে জনপ্রিয় ছিল এ প্ল্যাটফর্ম। মাদক ব্যবসায়ীদের কাছেও এটি ছিল পছন্দের। ফরাসি কৌঁসুলিদের মতে, প্ল্যাটফর্মটি চলতি বছরের শুরুতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটির মাধ্যমে ২৩ হাজারের বেশি অপরাধমূলক কার্যকলাপ সংগঠিত হয়েছে বলে নথিভুক্ত করা হয়েছে।

এ মামলাকে নিবিড়ভাবে অনুসরণ করেছেন জুলিয়েট ক্যাম্পিয়ন। তিনি একজন ফরাসি সাংবাদিক। সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ইনফোর পক্ষ থেকে পুরো বিচারকাজ চলার সময় আদালতে ছিলেন তিনি। জুলিয়েট বলেন, &lsquo;আমি মনে করি, এ ঘটনা অবশ্যই অন্য কোনো দেশেও ঘটতে পারত। ফ্রান্সে পুরুষেরা নারীদের কোন চোখে দেখেন বা সম্মতির নেওয়ার বিষয়ে কী ভাবেন...সে বিষয়ে অনেক কথাই বলে এ ঘটনা।&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;অনেক পুরুষ জানেনই না, সম্মতি আসলে কী। তাই দুঃখজনকভাবে এ মামলা আমাদের দেশ সম্পর্কে অনেক কিছুর ইঙ্গিত দেয়।&rsquo;

পেলিকোত ধর্ষণ মামলা ফ্রান্সজুড়ে ধর্ষণ সম্পর্কে প্রচলিত ধ্যান-ধারণাই বদলে দিয়েছে। গত ২১ সেপ্টেম্বর দেশটির অভিনেতা, গায়ক, সংগীতজ্ঞ ও সাংবাদিকসহ বিশিষ্ট ফরাসি পুরুষদের একটি দল, লিবারেশন পত্রিকায় একটি উন্মুক্ত চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তারা বলেছিলেন, পেলিকোত মামলা প্রমাণ করেছে যে পুরুষদের যৌন সহিংসতার ঘটনা দানবীয় কোনো বিষয় নয়। অর্থাৎ যেকোনো পুরুষের পক্ষেই এমন ঘটনা ঘটানো সম্ভব।

যৌন নিপীড়ন মামলার বিশেষজ্ঞ প্যারিসভিত্তিক আইনজীবী ক্যারেন নোবলিনস্কি বলেন, &lsquo;মামলাটি প্রত্যেকের জন্য, সব প্রজন্মের জন্য, অল্পবয়স্ক ছেলেমেয়েদের জন্য ও প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি তরুণদের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়েছে। ধর্ষণ সব সময় পানশালায় বা ক্লাবে হয় না। এটা আমাদের বাড়িতেও হতে পারে।&rsquo;

পেলিকোতের নিজের গ্রাম মাজানের মেয়র লুইস বোনেট ধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বলেন, পেলিকোতের ঘটনাকে অনেক বেশি অতিরঞ্জিত করা হয়েছে। তার দাবি, ধর্ষণের সময় পেলিকোত অচেতন অবস্থায় ছিলেন। ফলে ধর্ষণের শিকার অন্য যেকোনো নারীর তুলনায় তিনি অপেক্ষাকৃত কম ভুক্তভোগী।

লুইস ওই সময় বলেছিলেন, &lsquo;হ্যাঁ, আমি বিষয়টিকে ছোট করেই দেখছি। কারণে পরিস্থিতি আরো বাজে হতে পারত। যখন কোনো শিশু বা কোনো নারীকে হত্যা করা হয়, তখন বিষয়টি অনেক বেশি গুরুতর হয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতি থেকে আর পেছনে ফেরা যায় না। তবে এ ক্ষেত্রে (পেলিকোতের ঘটনা) পরিবারটিকে পুনরায় গড়ে তোলা যাবে। ঘটনাটি ভয়াবহ হলেও এতে কেউ মারা যাননি। তারা এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন।&rsquo;

এ মন্তব্য ফ্রান্সজুড়ে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছিল। অবশ্য পরে এক বিবৃতি দিয়ে এ মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান লুইস।

পেলিকোতের ঘটনা সামনে আসার পর অনলাইনে বিষয়টি নিয়ে অনেক বিতর্ক তৈরি হয়। একটি বিতর্কিত মন্তব্য অনেক বেশি আলোচনায় আসে। আর তা হলো&mdash; &lsquo;সব পুরুষ ধর্ষণে সক্ষম।&rsquo; তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কিছু পুরুষ এ মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে &lsquo;নটঅলম্যান হ্যাশট্যাগ&rsquo; ব্যবহার করছেন।

সূত্র: বিবিসি।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 21 Dec 2024 05:46:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ বেগম রোকেয়া দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7628" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7628</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস। দেশে নারী শিক্ষার অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক বেগম রোকেয়ার অবদান স্মরণ করতে প্রতি বছরের মতো এবারো দিবসটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশের নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য নারীদের &lsquo;বেগম রোকেয়া পদক&rsquo; প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

নারী শিক্ষার প্রসারে বেগম রোকেয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আলাদা বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা দুজনই &lsquo;বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪&rsquo; পেতে যাওয়া নারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এদিকে বাংলা একাডেমির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্মবার্ষিকী ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুরে বাংলা একাডেমি আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে এ আলোচনা সভা হবে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রভাষক সিরাজাম মুনিরা এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল। মিঠাপুকুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র বর্মণ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আলোচনায় অংশ নেবেন তারাগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এআইএম মুসা এবং রংপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন সুজন।

এদিকে বেগম রোকেয়ার জীবন, কর্ম ও আদর্শ সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে তার জন্মভূমি রংপুরের মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দে গড়ে তোলা হয় স্মৃতিকেন্দ্র। মিলনায়তন, সেমিনার কক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাকেন্দ্র, সংগ্রহশালা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র মিলে বেশ সমৃদ্ধ এটি। আলো ছড়ানো কেন্দ্রটি ছয় বছর ধরে আঁধারে ঢাকা। এটি খোলার উদ্যোগ নেই কারো। স্মৃতিকেন্দ্রটি একটি ভবনেই শুধু সীমাবদ্ধ।

পাশাপাশি দখলদারদের দৌরাত্ম্যে হারিয়ে যেতে বসেছে বেগম রোকেয়ার বসতভিটা। চার পাশে দেয়াল ছাড়া আর কিছুই নেই। এসব স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেই জেলা প্রশাসন ও দায়িত্বশীলদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অযত্ন আর অবহেলায় পড়ে আছে রোকেয়ার বসতভিটা। সেখানে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি। এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সংরক্ষণের অভাবে দেয়ালের ধ্বংসাবশেষ ক্রমেই মাটির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। ঘরের একটি জানালা ও কয়েকটি পিলার এখনো টিকে আছে। এসব দেখে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেগম রোকেয়ার অনুরাগীরা ক্ষোভ আর হতাশা প্রকাশ করেন।

অপরদিকে, রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র ঘুরতে এসে রোকেয়া সম্পর্কিত তেমন কিছু না পেয়ে হতাশ দর্শনার্থীরা। ভেতরে নেই স্মৃতিচিহ্ন। মিলনায়তন, সেমিনার কক্ষ, গ্রন্থাগার, গবেষণাকেন্দ্র, সংগ্রহশালা ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র সবই আছে, কিন্তু সব কক্ষের দরজায় ঝুলছে তালা। সংস্কারের অভাবে ভবনের পলেস্তারা খসে পড়ছে। দৃষ্টিনন্দন মিলনায়তনটি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। বেশিরভাগ কক্ষের জানালার কাচ ভাঙা। সংগ্রহশালার ধূলিমলিন কাচের আলমারিগুলোতে নেই কোনো স্মারক। সব কক্ষের দেয়ালে পড়ে আছে শ্যাওলা। ভেতরের জিনিসপত্র এবং আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বাকি জিনিসপত্র। নেই সংস্কারের উদ্যোগ। কার্যত ছয় বছর ধরে স্মৃতিকেন্দ্রটি পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একদিন উৎসব করে রোকেয়া দিবস পালন করা হয়। এজন্য কয়েকদিন আগে থেকে রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র ও বসতভিটার খোঁজ করতে থাকেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। দিনটি ঘিরে স্মৃতিকেন্দ্রটির ধোয়ামোছা, রঙ এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। হয় আলোচনা সভা, সেমিনার আর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। চলে বড় বড় বক্তৃতার প্রতিযোগিতা। একদিন পরেই আর কারো কোনো খোঁজ থাকে না। বছরের বাকি দিন অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকে স্মৃতিকেন্দ্র ও বসতভিটা। রোকেয়ার স্মৃতিকে জাগিয়ে তোলার কোনও পদক্ষেপ নেই। স্মৃতিকেন্দ্রটির কার্যক্রম ছয় বছর ধরে বন্ধ থাকলেও খোলার উদ্যোগ নেই।

বেগম রোকেয়ার মরদেহ ভারত থেকে দেশে আনার দাবি দীর্ঘদিনের। স্থানীয়রাসহ রোকেয়াপ্রেমীদের প্রত্যাশা, রোকেয়ার মরদেহ ভারত থেকে নিয়ে এসে পায়রাবন্দের মাটিতে সমাহিত করা হয়। এই দাবি যেন জেলা প্রশাসন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে ফাইল চালাচালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 09 Dec 2024 03:33:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহের মধুহাটীতে উঠান বৈঠক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7600" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/7600</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ২ নম্বর মধুহাটী ইউনিয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার এবং সিটিসি সদস্য ছাবিনা ইয়াসমিনের বাড়িতে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন গোপালপুর গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষ।

উঠান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মানব পাচারের শিকার কয়েকজন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা । এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন রূপান্তরের আশ্বাস প্রকল্পের ঝিনাইদহ জেলার প্রোগ্রাম অফিসার মো. আল মামুন, জেলা সিটিপ কমিটির সদস্য পিয়াল আহম্দে, ইমন হাসানসহ অন্যরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমাদের পরিবার থেকে নারী নির্যাতন বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে; যেন দেশে বৃহত্তরভাবে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

বক্তারা আরো বলেন, আমাদের দেশের অধিকাংশ নারী প্রতারণার ফাঁদে পড়ে বিদেশ গিয়ে নির্যাতনের শিকার হন। কাজেই আমরা বিদেশে যাবো কিন্তু কোনো দালালের মাধ্যমে যাবো না।

উল্লেখ্য, আশ্বাস প্রকল্পটি সুইজারল্যান্ড সরকারের সহযোগিতায় উইনরক ইন্টারন্যাশনালের বাস্তবায়নে যশোর ও ঝিনাইদহ জেলায় মানব পাচার হতে উদ্ধার হওয়া নারী ও পুরুষদের জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 08 Dec 2024 06:48:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সেই তরুণীর মুক্তির দাবি মানবাধিকার কর্মীদের]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/6766" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/6766</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হিজাব ঠিকমতো না পরার কারণে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন এক নারী। পরে নিজের পোশাক খুলে প্রতীকী প্রতিবাদ করেন ওই তরুণী। তাকে পরে আটক করা হয়। এবার তার মুক্তির দাবিতে সোচ্চার মানবাধিকার কর্মীরা।

দুই বছর আগে যথাযথভাবে হিজাব না পরার কারণে কুর্দি তরুণী মাশা আমিনিকে আটক করেছিল পুলিশ। তিনি পুলিশ হেফাজতে মারা গেলে দেশব্যাপী বিক্ষোভ হয়। এই বিক্ষোভে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, সাম্প্রতিক ঘটনাটি ছিল দেশটিতে বাধ্যতামূলক হিজাব আইনের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ।

গত শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তেহরানের ইসলামিক আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিঁড়িতে বসে আছেন অন্তর্বাস পরা এক নারী। পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও গবেষণা শাখার ফুটপাত ধরে শান্তভাবে হাঁটছেন।

আরেকটি ভিডিওতে এই নারীকে তার অন্তর্বাস খুলতে উদ্যত দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর সাদা পোশাকের এজেন্টরা তাকে আটকে গাড়িতে তোলেন।

আজাদ বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, এই নারী &lsquo;মানসিক ব্যাধিতে&rsquo; ভুগছেন। তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

অনেক ইরানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার এই কাজকে নারী, জীবন ও স্বাধীনতা শীর্ষক আন্দোলনের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এই আন্দোলনে অনেক ইরানি নারীকে প্রকাশ্যে তাদের চুল ঢেকে রাখা, লম্বা-ঢিলেঢালা পোশাক পরতে বাধ্য করার আইন অমান্য করতে দেখা গেছে।

&lsquo;আমিরকবির নিউজলেটার টেলিগ্রাম&rsquo; নামের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেলে প্রথম এই ঘটনাটি প্রকাশ করা হয়। চ্যানেলটি নিজেকে &lsquo;ইরানি ছাত্র আন্দোলনের মিডিয়া&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করে। এতে বলা হয়, মাথায় স্কার্ফ না পরা নিয়ে নিরাপত্তা এজেন্টদের সঙ্গে এই নারীর বিবাদ হয়েছিল। ধস্তাধস্তির সময় তার পোশাক খুলে যায়।

টেলিগ্রাম চ্যানেলটিতে আরো বলা হয়, আটক করার সময় সাদা পোশাকের এজেন্টদের গাড়ির দরজা বা ফ্রেমের সঙ্গে নারীর মাথার আঘাত লেগেছিল। ফলে তার রক্তক্ষরণ হয়েছিল। পরে তাকে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসি ফার্সিকে বলেছেন, আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে প্রবেশ করেন নারী। তিনি শিক্ষার্থীদের ভিডিও ধারণ করা শুরু করেন। প্রভাষক আপত্তি জানালে তিনি চিৎকার-চেঁচামেচি করে চলে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, এই নারী শিক্ষার্থীদের বলেছিলেন, আমি তোমাদের বাঁচাতে এসেছি।

ইরানি গণমাধ্যম ইতোমধ্যে একজন পুরুষ ব্যক্তির একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। ভিডিওতে তার মুখ ঝাপসা। তিনি নিজেকে এই নারীর সাবেক স্বামী বলে দাবি করেছেন। দুই সন্তানের স্বার্থে এই ভিডিও শেয়ার না করতে তিনি জনসাধারণের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। বিবিসি ফার্সি এই ব্যক্তির দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

কানাডা-ভিত্তিক নারী অধিকারকর্মী আজম জাংরাভি বলেছেন, যখন আমি বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলাম, তখন নিরাপত্তা বাহিনী আমাকে গ্রেপ্তার করে। পরে তারা আমার পরিবারকে আমাকে মানসিকভাবে অসুস্থ ঘোষণা করার জন্য চাপ দিয়েছিল।

২০১৮ সালে একটি বিক্ষোভের সময় মাথার হিজাব সরিয়ে ফেলার জন্য আজম জাংরাভিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয় ইরান। এই কারাদণ্ডের পর তিনি ইরান থেকে পালান।
আজম জাংরাভি বলেন, আমার পরিবার এটি করেনি। তবে চাপের মধ্যে থাকা অনেক পরিবার এটি করে। এ ক্ষেত্রে তারা ভাবে, এটি করা তাদের প্রিয়জনকে রক্ষার সর্বোত্তম উপায়। এভাবেই ইসলামি প্রজাতন্ত্র (ইরান) নারীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের অসম্মান করার চেষ্টা করে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানকে অবিলম্বে ও নিঃশর্তভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রীকে মুক্তি দিতে হবে, যাকে সহিংস উপায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

ইরানবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত মাই সাতো এক্সে (সাবেক টুইটার) এই ফুটেজ পোস্ট করেছেন। লিখেছেন, তিনি কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়াসহ এই ঘটনাটি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।

শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানের মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদী একটি বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি এই ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

নার্গিস বর্তমানে ইরানের কারাগারে বন্দী। তিনি বলেন, অবাধ্যতার জন্য নারীদের মূল্য দিতে হয়। কিন্তু আমরা বলপ্রয়োগের কাছে মাথা নত করি না।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 Nov 2024 06:12:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জরায়ুমুখের ক্যানসার ঝুঁকি এড়াতে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/5393" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/5393</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লাইফস্টাইল ডেস্ক: অনেক নারীই জরায়ুমুখ ক্যানসারে ভোগেন। পরিসংখ্যান বলছে, পুরো বিশ্বে নারীরা যত রকমের ক্যানসারে ভোগেন, তার মধ্যে সংখ্যার বিচারে চতুর্থ পরিচিত এটি। তবে প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এর নিরাময় সম্ভব।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, জরায়ুমুখ ক্যানসার এড়াতে কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। যার মধ্যে অন্যতম হলো সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন বা এসটিআই (এসটিআই)।

কারণ যৌন সংসর্গের মাধ্যমে ছড়াতে পারে হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস। যার সঙ্গে প্রায় সব কটি জরায়ুমুখ ক্যানসারের যোগাযোগ আছে বলে দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু)। অতএব এসটিআই নিয়ে সাবধান।

এসটিআই কী?

যদি যৌন সংসর্গের ফলে এক ব্যক্তির দেহ থেকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা প্যারাসাইট অন্য জনের দেহে চলে যায়, তখন তাকে সেক্সুয়ালি ট্রান্সমিটেড ইনফেকশন বলে। সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদির মতো এসটিআই বা সংক্রমণের চিকিৎসা রয়েছে।

তবে হেপাটাইটিস বি, হারপিস সিম্পপ্লেক্স ভাইরাস, এইচআইভি ও হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে তার কোনো নিরাময় নেই।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ৯৫ শতাংশ জরায়ুমুখ ক্যানসারের নেপথ্যে থাকে এই হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস। আর মার্কিন সিডিসি (সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন) জানাচ্ছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভাইরাস একজনের দেহ থেকে সরাসরি যৌন সংসর্গের ফলে অন্য দেহে চলে যায়।

যাদের একাধিক যৌনসঙ্গী আছে বা যাদের এমনিতেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। ধূমপায়ীদেরও বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

কীভাবে সতর্ক থাকবেন?

এই ভাইরাল সংক্রমণের ঝুঁকি কিছুটা কমাতে পারে প্রতিষেধক। আগেভাগে এইচপিভি&rsquo;র টিকা নিলে ভাইরাল সংক্রমণ ও এ সম্পর্কিত আরও কিছু রোগের ঝুঁকি কমে।

তাছাড়া নিয়মিত প্যাপস্মেয়ার পরীক্ষার পরামর্শও দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এক্ষেত্রে নিরাপদ যৌন সংসর্গই সবচেয়ে জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Jun 2024 09:55:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারী সাংবাদিকতার বিকাশে প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/5025" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/5025</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি বলেছেন, নারী সাংবাদিকতার বিকাশে প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণমাধ্যমের প্রসারে এবং নারী সাংবাদিকতার বিকাশে বিভিন্ন নীতিমালা গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে সংবাদপত্রের পথচলা সহজ হয়েছে। এই সরকার প্রচুর সংখ্যক অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে অনুমোদন দিয়েছে। সরকার সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আজ রাজধানী ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র আয়োজিত &#39;৪র্থ জাতীয় সম্মেলন&#39; উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্পিকার এসব কথা বলেন। সম্মেলনের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, &lsquo;নারী পুরুষের সমতা অর্জনে কলম হোক হাতিয়ার।&rsquo;

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের সভাপতি নাসিমুন আরা হক মিনুর সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা করেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পারভীন সুলতানা ঝুমা। অনুষ্ঠানে শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের কার্যনির্বাহী পরিষদের অর্থ সম্পাদক আক্তার জাহান মালিক।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নের রোল মডেল। তিনি নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য নিরসন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে নারীদের সহযোগিতা দান, ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা প্রেরণের মাধ্যমে নারীর সার্বিক অবস্থা উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন।

স্পিকার বলেন, বিশ্বায়নের যুগে তথ্য প্রবাহ ও তথ্য প্রযুক্তির সাথে খাপ খাওয়াতে নারী সাংবাদিকদের প্রশিক্ষিত করা সময়ের দাবি। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মত চ্যালেঞ্জিং পেশায় নারীরা প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

স্পিকার বলেন, বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের দীর্ঘ ২৪ বছরের পথচলা সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এক অনন্য অর্জন। নারী সাংবাদিকদের পেশাগত ঝুঁকি নিরসনে সংগঠনটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।

তিনি বলেন, সাইবার সিকিউরিটি নিশ্চিত করা, ফেক নিউজ চিহ্নিত করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য বাংলাদেশ নারী সাংবাদিক কেন্দ্র সহযোগিতা করতে পারে।

এসময় স্পিকারকে নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। সংগঠনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা হয়। তিনি এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে একটি গ্রুপ ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে নারী সাংবাদিক কেন্দ্রের প্রতিনিধিবৃন্দ, দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলী, দেশবরেণ্য সাংবাদিকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Jun 2024 15:38:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথম নির্বাচিত নারী চেয়ারম্যান ফেরদৌসী ইসলাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/4968" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/4968</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলায় ৪৭৭৮৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ফেরদৌসী ইসলাম। তিনি উপজেলার প্রথম নারী চেয়ারম্যান।

ফেরদৌসী ইসলাম শিবপুর উপজেলা মহিলা লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মো: সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সহধর্মীনী। তিনি শিবপুর উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করে আসতেছেন।

উনাকে বিজয়ী করার জন্য শিবপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে ফেরদৌসী ইসলাম বলেন, আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শিবপুর বাসীকে নিয়ে একসাথে কাজ করতে চাই।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 May 2024 11:08:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দ্রুততম এভারেস্ট জয়ী নারী ফুঞ্জো লামা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/4954" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/4954</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয়ী নারী এখন নেপালের ফুঞ্জো লামা। না ঘুমিয়ে মাত্র ২৪ ঘণ্টা ২৬ মিনিটের মধ্যে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠে তিনি ভেঙেছেন বিশ্ব রেকর্ড।

বেস ক্যাম্প থেকে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠতে তিনি সময় নেন ১৪ ঘণ্টা ৩১ মিনিট। জানা গেছে, ২৩ মে বিকেল ৩টা ৫২ মিনিটে তিনি বেস ক্যাম্প ছাড়েন এরপর সকাল ৬টা ২৩ মিনিটের দিকে চূড়ায় ওঠেন। এভারেস্টের চূড়া থেকে নামতে ফুঞ্জো লামা সময় নেন ৯ ঘণ্টা ১৮ মিনিট।

মূলত বেস ক্যাম্প থেকে সবচেয়ে দ্রুত আরোহণের রেকর্ড ধরা হয়। কারণ চরম উচ্চতায় খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে পর্বতারোহীদের বেশ কিছু দিন থাকতে হয়। লামা এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার আগে সেখানে তিন সপ্তাহ অতিবাহিত করেন।

গিনেস বিশ্ব রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, লামা ২০১৮ সালে ৩৯ ঘণ্টা ৬ মিনিটে এভারেস্ট জয় করে রেকর্ড করেন। কিন্তু ২০২১ সালে ২৫ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে এভারেস্টে জয় করে তার সেই রেকর্ড ভাঙেন হংকংয়ের অ্যাডা সাং। এই বছর ছিল লামার দ্বিতীয়বারের মতো এভারেস্ট আরোহণ।

পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড নেপালি লাকপা গেলু শেরপার। ২০০৩ সালে মাত্র ১০ ঘণ্টা ৫৬ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন তিনি।

এর আগে বুধবার (২২ মে) রেকর্ড ৩০ বার মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন নেপালের কামি রিতা শেরপা। মাত্র ১০ দিনের মাথায় দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের চূড়ায় ওঠেন তিনি। সূত্র: সিএনএন

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 May 2024 14:00:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জীবন যুদ্ধে হার না মানা ঝিনাইদহের রোখসানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/4592" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/4592</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মোঃ সুমন পারভেজ: অর্থনৈতিক মুক্তির তাগিদে নিত্যদিন ঘরে-বাইরে পুরুষের যেমন নিরলস সংগ্রাম চলছে স্বাবলম্বী হওয়ার দৌড়ে তেমনি পিছিয়ে নেই নারীরাও। নারী উদ্যোক্তা রোখসানা খাতুনও সেই সংগ্রামীদের একজন। ঝিনাইদহ শহরের চাকলাপাড়ায় জন্ম ও বড় হয়েছেন তিনি। শৈশব থেকেই তার ইচ্ছে ছিল নিজের পায়ে দাড়ানো ও স্বাবলম্বী হওয়া। হাঁস-মুরগী, কবুতর ইত্যাদি শখের বসে তিনি পালন করতেন ও মাকে সহায়তা করতেন। বাবাকে হারান ছোট বেলায়। বড় ভাই এর কাছে মানুষ হন। তাই সংসার খরচের কিছু সহায়তা এতে হতো।

এইচএসসি পাস করার পর তার বিয়ে হয় চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা উপজেলার দর্শনাতে। তার দুটি সন্তানের জন্ম হয়। এক সময় সে তার স্বামী ও সন্তানদেরকে নিয়ে ঝিনাইদহে চলে আসেন এবং একটি বে-সরকারী সংস্থাতে চাকুরী শুরু করেন এবং পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে জান।

২০১৫ সালে তার স্বামীর মৃত্যু হয়। তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েন। সামান্য চাকুরীর বেতনে তার সংসার চালানো ও সন্তানদের পড়ালেখা চালানো দুস্কর হয়ে পড়ে। ২০১৬ সালে তার বড় ছেলে মারাত্মক রোড এক্সিডেন্ট করে। ২০১৯ সালে রোখসানা করোনায় আক্রান্ত হন। ২০২০ সালে রোখসানা অফিসে যাবার পথে রিক্সা এক্সিডেন্ট করে মারাত্মক ভাবে আহত হন এবং মাথা ফেটে যায়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে অফিসে পড়ে যেয়ে রোখসানার পা ভেঙ্গে যায়। বিপদ যেন তার পিছু ছাড়ছেনা। এতকিছুর পরও সে থেমে যায়নি।

চাকুরীর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কিছু কাজ করার কথা ভাবেন। তিনি একটি সংস্থা থেকে ঋণ নিয়ে একটি দোকান ঘড় ভাড়া নেন এবং সামান্য কিছু পাটজাত পন্য ও কসমেটিকস সামগ্রী তুলে চাকুরীর পাশাপাশি সন্ধার পরে রাত ১০টা/১১টা পর্যন্ত দোকান চালান। সে নিজেও হাতের কাজ জানে। পাটজাত দ্রবের ব্যাগ তৈরি ও বিক্রি করেন। দুই ছেলের লেখাপড়া খরচ, সংসার চালানো এত কিছুর পরও স্বচ্ছলতা ফেরেনি। আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট ও সুযোগ সুবিধা ও পরিবারের প্রয়োজনেই রোখসানার এই সংগ্রাম। ইতিমধ্যে তার প্রতিষ্ঠান নিউ বধু সাজ সিটিগোল্ড এ্যান্ড কসমেটিকস &ldquo;জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেটিপিসি)&rsquo;র&rdquo; নিবন্ধিত উদ্যোক্তা।

সরকারী/ বেসরকারী অন্য কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সহায়তা পেলে সে আরো কিছু স্বামী পরিত্যাক্ত, বিধবা ও নিম্নমধ্যবিত্ত নারীদেরকে তার ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত করে তাদেরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারবে বলে সে আশা ব্যক্ত করেন। তার স্বপ্ন ঝিনাইদহ শহরের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হয়ে নারী অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখা।

গল্পের মতই এই কথাগুলো বলছিলেন রোখসানা। তার অদম্য স্পৃহা, আত্মবিশ্বাস ও সাহসিকতাই তাকে এতো দুর এগিয়ে নিয়ে আসতে পেরেছে। আমরাও চাই রোখসানা সরকারী / বেসরকারী প্রতিষ্ঠান হতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা পেয়ে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হোক এবং নারী অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তিতে বিশেষ অবদান রাখুক।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 12 May 2024 12:16:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় মেরিনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/4190" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/women/4190</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। বুধবার ২০২৪ সালের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

মেরিনা তাবাসসুম সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে, সাধারণত পুরস্কারজয়ী স্থপতিদের সঙ্গে তাদের নিঃস্বার্থ কাজের বিষয়টি তেমন উল্লেখ করা হয় না। কিন্তু মেরিনা তাবাসসুম সাধারণ নন। তিনি স্থাপত্যচর্চায় এমন একটি রীতি তৈরি করেছেন, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের পাশাপাশি আমাদের এই পৃথিবী যে বিপদের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অগ্রাধিকার পেয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বড় ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশে মেরিনা তাবাসসুম ভিন্ন ধরনের একটি বাড়ি তৈরি করেছেন। এর নির্মাণ ব্যয় যেমন কম, তেমনি এই বাড়ি সহজে স্থানান্তরও করা যায়।

তবে এবারই প্রথম নয়, স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম এর আগে ২০২১ সালে মানবিক ঘর তৈরির জন্য যুক্তরাজ্যের মর্যাদাপূর্ণ সন পদক পান। ২০২০ সালে ব্রিটিশ সাময়িকী প্রসপেক্ট-এর ৫০ জন চিন্তাবিদের মধ্যে শীর্ষ ১০য়ের তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নেন তিনি।

তাবাসসুমকে নিঃস্বার্থ স্থপতি উল্লেখ করে টাইম ম্যাগাজিনে লেখা হয়েছে, তাবাসসুমের নকশা করা ভবনগুলোর মাঝেও তার নিঃস্বার্থ কাজের পরিচয় প্রকাশ পেয়েছে। তিনি তার নিজের সৃষ্টির প্রতি বেশ যত্নশীল বলা যায়।

আগা খান পুরস্কারপ্রাপ্ত ঢাকার বাইত উর রউফ মসজিদ নিয়ে তাবাসসুম নিজে বলেছেন, কৃত্রিম কোনো সাহায্য ছাড়াই একটি ভবনকে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে দিতে হবে। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে বন্যা ঝুঁকি বাড়তে থাকা একটি দেশে তিনি এমন সব বাড়ির নকশা করেছেন যেগুলো কম খরচে নির্মাণ করা যায় এবং সহজে সরিয়ে ফেলা যায়।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 18 Apr 2024 12:35:10 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
