<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/trade-and-commerce</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/trade-and-commerce"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla trade-and-commerce Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest trade-and-commerce News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 26 Aug 2026 05:54:48 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বাজারে ইলিশ, দাম নাগালের বাইরে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18670" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18670</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ষার ভরা মৌসুমে বাজারে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও চড়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে জাতীয় এই মাছ। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ছোট-বড় নানা আকারের ইলিশ পাওয়া গেলেও আকার, ওজন ও মানভেদে কেজিপ্রতি দাম উঠছে প্রায় ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে বাজারে ইলিশ থাকলেও তা এখন অনেকটাই সামর্থ্যবান ক্রেতাদের মাছ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকার ও ওজনভেদে প্রতি কেজি ইলিশ ৬৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের ছোট ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকা। ৩৫০ থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে।

এ ছাড়া ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রতি কেজি প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা। আর এক কেজি থেকে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে। বিক্রেতারা জানান, বাজার ও আকারভেদে বড় ইলিশের দাম আরও বেশি হতে পারে।

চড়া দামের কারণে ইলিশ কিনতে এসে হতাশ হচ্ছেন অনেক ক্রেতা। বউ বাজারের ক্রেতা গিয়াসউদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, ছোট ইলিশের দাম তুলনামূলক কম হলেও ভালো আকারের মাছ কিনতে গেলে বেশ বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। আগে ইলিশের মৌসুমে নিয়মিত মাছ কিনলেও এবার দাম বেশি হওয়ায় শুধু দেখে চলে যেতে হচ্ছে। এত বেশি দামে এক বেলার মাছ কেনা সম্ভব নয়।

মাছ বিক্রেতা সবুজ বলেন, বাজারে ইলিশের সরবরাহ রয়েছে, তবে বড় আকারের মাছ তুলনামূলক কম আসছে। মোকাম থেকেই বেশি দামে মাছ কিনতে হচ্ছে, ফলে খুচরা বাজারে দাম কমানোর সুযোগ নেই। ছোট ইলিশের দাম কিছুটা কম হলেও বড় মাছের চাহিদা বেশি। সরবরাহ বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে।

রাজধানীর অন্যান্য বাজারেও প্রায় একই চিত্র দেখা গেছে। কারওয়ান বাজার, মেরুল বাড্ডা, বনশ্রী, রামপুরা, সেগুনবাগিচা ও মগবাজারে ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ৮৫০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, এক কেজি বা কাছাকাছি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা এবং এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সব মিলিয়ে বাজারে ইলিশের সরবরাহ থাকলেও দাম বেশি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের অনেকের কাছেই জাতীয় এই মাছ এখন বিলাসী পণ্যে পরিণত হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 05:54:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18647" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18647</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবারও দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এদিন সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 05:34:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জনতা ব্যাংকে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18644" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18644</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সোমবার (২৪ আগস্ট) জনতা ব্যাংক পিএলসির প্রধান কার্যালয়ে অ্যাসেট-লায়াবিলিটি ম্যানেজমেন্ট কমিটির (এএলকো) সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান।

এ সময় ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আব্দুর রহমান, মহাব্যবস্থাপক এবং সংশ্লিষ্ট উপমহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বিভিন্ন কর্মকৌশল নির্ধারণ করা হয়। এ সময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান স্বল্প সুদের আমানত সংগ্রহ বাড়ানো, বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং শ্রেণিকৃত ঋণ আদায় ও কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ ছাড়া অবলোপনকৃত ঋণ আদায়সহ ব্যাংকের আর্থিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 11:37:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নবায়নযোগ্য জ্বালানি ছাড়া ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্য কঠিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18622" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18622</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য অর্জনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ভাইস প্রেসিডেন্ট বিদিয়া আমৃত খান।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এখন আর শুধু পরিবেশগত দায়বদ্ধতার বিষয় নয়; আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের টিকে থাকার জন্যও এটি অপরিহার্য। বিশেষ করে ইউরোপীয় বাজারে পরিবেশ ও কার্বনসংক্রান্ত কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং এর যথাযথ তথ্যপ্রমাণ রপ্তানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটরিয়ামে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (এমপিপি) থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রযোজ্য ট্যারিফ নির্ধারণের প্রস্তাব নিয়ে আয়োজিত গণশুনানিতে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ গণশুনানির আয়োজন করে।

গণশুনানিতে বিদিয়া আমৃত খান বলেন, &lsquo;আমি নিজে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নই এবং বিজিএমইএ কোনো বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ সংস্থাও নয়। কিন্তু পোশাক শিল্প টিকিয়ে রাখার জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অপরিহার্য। বর্তমানে রিনিউয়েবল এনার্জি একটি আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে কারণেই আমরা এই শুনানিতে অংশ নিয়েছি।&rsquo;

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এখন আর কোনো পছন্দের বিষয় নয়। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে বাংলাদেশের শিল্প খাতকে পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার দিকে যেতে হবে।

বিদিয়া আমৃত খান উল্লেখ করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন কঠোর পরিবেশগত ও করপোরেট জবাবদিহি-সংক্রান্ত বিধিবিধান বাংলাদেশের পোশাক খাতের ওপর বড় প্রভাব ফেলবে। CSDDD, CSRD, ESRS এবং ESPR-এর মতো নিয়ম মেনে চলার সক্ষমতা রপ্তানিকারকদের তৈরি করতে হবে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে প্রতিটি রপ্তানিযোগ্য পোশাকে কিউআর কোডের মাধ্যমে পণ্যের বিস্তারিত তথ্য যাচাই করার সুযোগ থাকবে। ওই কোড স্ক্যান করে ইউরোপীয় ক্রেতারা পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত সুতার উৎস, উৎপাদনে কতটুকু কার্বন নিঃসরণ হয়েছে এবং কতটুকু নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করা হয়েছে-এসব তথ্য জানতে পারবেন।

&lsquo;এই শর্তগুলো আমরা পূরণ করতে না পারলে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা থাকবে না&rsquo;, বলেন তিনি।

বিজিএমইএ&#39;র এই ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের পোশাক খাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার মাত্র ১ দশমিক ৯০ শতাংশ। অথচ প্রতিযোগী দেশগুলো এ ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে রয়েছে। ভিয়েতনামে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ৪৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ, কম্বোডিয়ায় ৪০ দশমিক ৯৫ শতাংশ, ভারতে ১৯ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়ায় ১৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, &lsquo;আমাদের প্রতিযোগীরা যদি এত এগিয়ে থাকতে পারে, তাহলে বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে থাকবে?&rsquo;

এ সময় দেশের পোশাক শিল্পের বর্তমান ব্যয় পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। বিদিয়া আমৃত খান বলেন, গত এক বছরে কাস্টমস চার্জ প্রায় ৩০০ শতাংশ বেড়েছে। এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, পেট্রোল এবং শ্রমিকদের আনুষঙ্গিক বিভিন্ন ব্যয়ও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিল্পে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সোলার প্যানেল ও ইনভার্টারের মতো সরঞ্জাম আমদানিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ১৫ থেকে ১৭ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপ অযৌক্তিক।

তিনি বলেন, সরকার ও বিদ্যুৎ বিভাগ যখন শিল্প খাতে জ্বালানি সহায়তা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উৎসাহিত করার কথা বলছে, তখন এনবিআরের পক্ষ থেকে কর বাড়িয়ে দেওয়া নীতিগতভাবে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ-সেটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিদিয়া আমৃত খান আরও বলেন, বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিকে ১০০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যাপ্ত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের সক্ষমতা এবং তার প্রমাণ দিতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের রপ্তানি কমতে থাকবে। একসময় দেশের প্রধান এই শিল্পই হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

বিজিএমইএ&#39;র এই প্রতিনিধি বলেন, পোশাক শিল্পের সবুজ রূপান্তর শুধু শিল্প মালিকদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য সরকারের নীতিগত সহায়তা, সঠিক ট্যারিফ কাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরঞ্জামের আমদানি সহজ করা এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

গণশুনানিতে তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে নীতিগত বাধা দূর করার পাশাপাশি শিল্প খাতে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

বিদিয়া আমৃত খানের মতে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করে তুলতে এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তরের উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে একদিকে যেমন জলবায়ু ও পরিবেশগত বাধ্যবাধকতা পূরণ করা কঠিন হবে, অন্যদিকে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রাও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 11:07:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৫,৪৮২ টাকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18585" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18585</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৪৮২ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শ&zwnj;নিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে সোনার এই নতুন দাম কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এ নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালঙ্কারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৩৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে ২ লাখ ১ হাজার ৮৪৬ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১২ টাকা।

​সোনার দামের সঙ্গে বাড়ানো হয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 06:59:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাইম ব্যাংকের ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০’ সেশন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18575" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18575</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তরুণদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত সম্পর্কে ধারণা দিতে প্রাইম ব্যাংক পিএলসির ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ &lsquo;প্রাইমঅ্যাকাডেমিয়া&rsquo;র আওতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে &lsquo;ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন: এনগেজিং অ্যান্ড ইনস্পায়ারিং ইয়ুথ ইন ব্যাংকিং&rsquo; শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে এবং প্রাইম ব্যাংকের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে &lsquo;এমপাওয়ারিং ইয়ুথ সিজন ২.০&rsquo;-এর মাধ্যমে তরুণদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, সঠিক অর্থ ব্যবস্থাপনা, স্বাধীনভাবে আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সঞ্চয়ের অভ্যাস এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে বর্তমানে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও ক্যারিয়ার গঠনের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় অনেক বেশি সুযোগ তৈরি হয়েছে। এসব সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে হবে। এ ধরনের আয়োজনের জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব ও প্রাইম ব্যাংককে তিনি ধন্যবাদ জানান।

প্রাইম ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন অ্যান্ড স্কুল ব্যাংকিং এম এম মাহবুব হাসান মূল বক্তব্যে আর্থিক সাক্ষরতা ও স্মার্ট মানি ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি তরুণদের স্বাস্থ্যকর আর্থিক অভ্যাস গড়ে তোলা, আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য, নিয়মিত সঞ্চয়, সচেতন আর্থিক সিদ্ধান্ত এবং দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর গুরুত্ব দেন। এ সময় তিনি ব্যক্তিগত অর্থ ব্যবস্থাপনার &lsquo;গ্র্যান্ডফাদার কনসেপ্ট অব পারসোনাল মানি ম্যানেজমেন্ট&rsquo; ধারণাটিও তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রাইম ব্যাংকের ৩১ বছরের পথচলা এবং তরুণ প্রজন্মের পরিবর্তিত প্রত্যাশা ও ব্যাংকিং খাতে তাদের জন্য তৈরি হওয়া সুযোগের বিষয়েও আলোচনা করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে ব্যাংকিং খাতে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্র ও আর্থিক খাত সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন মনোয়ারা খাতুন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মক ইন্টারভিউ পরিচালনা করেন। ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রিজিওনাল হেড (সাউথ) মোস্তফা মাহমুদ উদ্বোধনী বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে মক ইন্টারভিউ, ক্যারিয়ার আড্ডা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এসব পর্বে সেরা অংশগ্রহণকারীদের প্রাইম ব্যাংকের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের প্রেসিডেন্ট রুহুল আমিন মুন্না।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 12:44:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কমিউনিটি ব্যাংক-নগদ অংশীদারিত্বে নতুন সুযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18574" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18574</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন ডিজিটাল আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নগদের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। এ অংশীদারিত্বের ফলে ব্যাংকটির গ্রাহকদের জন্য রেমিট্যান্স, অ্যাড মানি ও ফান্ড ট্রান্সফারসহ বিভিন্ন ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুলিশ প্লাজা কনকর্ডে কমিউনিটি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন এবং নগদের পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় কমিউনিটি ব্যাংকের গ্রাহকেরা সরাসরি তাদের নগদ ওয়ালেটে &lsquo;অ্যাড মানি&rsquo; করতে পারবেন। একই সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও নগদ ওয়ালেটের মধ্যে চালু হবে দ্বিমুখী &lsquo;ফান্ড ট্রান্সফার&rsquo; সুবিধা। ফলে গ্রাহকদের দৈনন্দিন ডিজিটাল লেনদেন আরও সহজ ও দ্রুত হবে।

এই অংশীদারিত্বের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হলো রেমিট্যান্স সেবা সম্প্রসারণ। কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে আসা বৈদেশিক রেমিট্যান্স নগদের বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সুবিধাভোগীদের কাছে দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। এতে বিশেষ করে প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকেরা আরও সহজে রেমিট্যান্স গ্রহণ ও উত্তোলন করতে পারবেন।

এ ছাড়া দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গ্রাহক অনবোর্ডিং এবং প্রয়োজনীয় সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন আরও সহজ ও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে কমিউনিটি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা সক্ষমতা এবং গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর পরিধি আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, &ldquo;নগদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ও ডিজিটাল সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে কমিউনিটি ব্যাংকের সেবা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রেমিট্যান্স ও ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে এই অংশীদারিত্ব আমাদের গ্রাহকদের জন্য আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। আমরা বিশ্বাস করি, এই কৌশলগত অংশীদারিত্ব কমিউনিটি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।&rdquo;

নগদের বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, &ldquo;গ্রাহকদের জন্য সহজ ও দ্রুত ডিজিটাল আর্থিক সেবা নিশ্চিত করতে আমরা ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও বিস্তৃত করছি। কমিউনিটি ব্যাংকের সঙ্গে এই সমন্বয়ের মাধ্যমে রেমিট্যান্স, অ্যাড মানি ও ফান্ড ট্রান্সফারসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলো গ্রাহকদের আরও সহজে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।&rdquo;

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 



 



 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 11:46:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18538" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18538</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ১৭ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ের আরও পাঁচ কর্মকর্তার বেতন সর্বনিম্ন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিএসইসি প্রতিষ্ঠার পর একসঙ্গে এত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম।

জানা গেছে, গত বছরের ৫ মার্চ বিএসইসির তৎকালীন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও কয়েকজন কমিশনারকে কয়েক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে মোট ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে বাধ্যতামূলক অবসর এবং পাঁচজনকে সর্বনিম্ন বেতন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিএসইসির পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সংস্থাটি।

অবরুদ্ধের ঘটনায় মামলা ও বিভাগীয় তদন্ত

গত বছরের ৫ মার্চ সাবেক চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় পরদিন ১৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করা হয়। তৎকালীন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত গানম্যান আশিকুর রহমান মামলাটি করেন।

ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি সরকারি বিধি অনুযায়ী এ ঘটনায় তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তদন্ত পরিচালনার পাশাপাশি অভিযুক্ত কর্মকর্তা ও অভিযোগকারীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

তদন্ত ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিএসইসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ২২ জনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার ব্যবস্থা নেয় সংস্থাটি। অন্য একজন কর্মকর্তা এরই মধ্যে পৃথক একটি অভিযোগে চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

বুধবার হাতে পেলেন আনুষ্ঠানিক চিঠি

বিএসইসির একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবারই তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানানো হয়। তবে আনুষ্ঠানিক আদেশের চিঠি তারা হাতে পান বুধবার (১৯ আগস্ট)।

কয়েকজন কর্মকর্তা রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিএসইসি কার্যালয়ে গিয়ে এসব চিঠি গ্রহণ করেন।

যেভাবে ঘটনার সূত্রপাত

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের চার ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।

বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ওই কর্মসূচি পালন করেছিলেন। পরে তারা বিভিন্ন দাবি ও তৎকালীন কমিশনের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন। একপর্যায়ে তারা কর্মবিরতিতেও যান। এ ঘটনায় কয়েক দিন বিএসইসিতে অচলাবস্থা ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।

মামলার অভিযোগে যা বলা হয়েছিল

মামলার অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে এবং কমিশনার মো. মহসিন চৌধুরী, মো. আলী আকবর ও ফারজানা লালারুখের উপস্থিতিতে কমিশনের নির্ধারিত সভাকক্ষে বৈঠক চলছিল। এ সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জোরপূর্বক সভাকক্ষে প্রবেশ করে চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের অবরুদ্ধ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএসইসির মূল ফটকে তালা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াই-ফাই ও লিফটের সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কার্যালয়ে আতঙ্ক ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে এসব ঘটনার তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত আসে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 



 



 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 10:23:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়লে পাটের দামও বাড়বে: বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18487" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18487</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, চীনের সঙ্গে যৌথভাবে পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হলে দেশের বাজারে পাটের চাহিদা ও দাম দুটোই বাড়বে। এতে কৃষকরাও পাট চাষে আরও আগ্রহী হবেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর জেডিপিসি মিলনায়তনে আয়োজিত চীন-বাংলাদেশ টেক্সটাইল অ্যান্ড ফ্যাশন কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, চীনের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়িয়ে বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও ফ্যাশন খাতকে আরও শক্তিশালী করার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি চীনের বাজারে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি জানান, দুই দেশের অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও সক্ষমতাকে সমন্বিতভাবে কাজে লাগানো গেলে বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণ করা সম্ভব।

টেক্সটাইল খাতের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণামূলক সহযোগিতা এবং জ্ঞান বিনিময়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Aug 2026 08:01:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাছ-মাংস-ডিমের দামে চাপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18426" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18426</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দামে স্বস্তি ফিরছে না। ডিম, মাছ, মাংস ও ব্রয়লার মুরগির পাশাপাশি বেশ কিছু সবজির দামও সাধারণ ক্রেতাদের বাজেটের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। আয় অপরিবর্তিত থাকলেও বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষের সংসার চালানো দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি ডজন ফার্মের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। এক মাস আগে একই ধরনের ডিমের দাম ছিল প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। সাম্প্রতিক সময়ে দামের ওঠানামা থাকলেও বর্তমান মূল্য এখনো ক্রেতাদের জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে আছে।Time &amp; Calendars

মুরগির বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৯০ টাকায়। একই সময়ে সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি প্রায় ৩৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ৩০০ টাকায়।

সবজির দামের ক্ষেত্রেও ক্রেতাদের স্বস্তি নেই। কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১২০ টাকা এবং গাজর ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কচুরমুখি ৭০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে ঝিঙা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। খুচরা পর্যায়ে পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা। মানভেদে চিংড়ির দাম ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি।

এছাড়া ট্যাংরা মাছ ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চাষের কইয়ের দাম প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।

কাওরান বাজারে ডিম কিনতে আসা এক ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। তার মতে, বৃষ্টি-বন্যাসহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।

অন্যদিকে ডিম ব্যবসায়ীদের দাবি, খুচরা বিক্রেতারা নিজেরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন না। আড়ত থেকে বেশি দামে ডিম কিনতে হওয়ায় তাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। একজন বিক্রেতা জানান, প্রতি ডজন ডিমে তাদের লাভ প্রায় ৪ থেকে ৬ টাকা; পরিবহন ও অন্যান্য খরচ হিসাব করেই পণ্যের দাম নির্ধারণ করতে হয়।

বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, ডিমের বাজারদর মূলত চাহিদা ও সরবরাহের ওপর নির্ভর করে। সাম্প্রতিক বন্যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কিছু খামারে মুরগি মারা যাওয়ায় ডিমের সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।South Asians &amp;

নয়াবাজারে বাজার করতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, আগে নির্দিষ্ট বাজেটে পরিবারের প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য কেনা সম্ভব হলেও এখন একই টাকায় তুলনামূলক কম পণ্য পাওয়া যাচ্ছে। সবজির পাশাপাশি মাছ ও মাংসের দামও বেশি হওয়ায় পরিবারের খাবারের তালিকা ঠিক রাখাই কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাজার পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়ছেন সীমিত আয়ের মানুষ। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আয় না বাড়ায় অনেক পরিবারকে প্রয়োজনীয় পণ্যের পরিমাণ কমাতে হচ্ছে। ফলে খাবারের বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ শুধু দৈনন্দিন ব্যয় বাড়াচ্ছে না, পরিবারগুলোর সামগ্রিক জীবনযাপনেও প্রভাব ফেলছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 09:45:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একদিন পরই আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18414" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18414</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টানা তিন দফা দাম বাড়ার পর গতকাল শুক্রবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। তবে ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের তথ্য জানিয়েছে বাজুস।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা।

অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম করা হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।

অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানেই দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 06:07:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমদানি বাণিজ্য সহজে এক ছাতার নিচে সব বিধিমালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18389" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18389</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমদানি বাণিজ্যে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও সময়োপযোগী করতে নতুন সমন্বিত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে আমদানি-সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন নির্দেশনা একত্র করে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনা প্রকাশ করে। এতে গত এক বছরে জারি হওয়া বিভিন্ন সার্কুলার ও নির্দেশনা সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে আমদানি কার্যক্রমে জড়িত ব্যাংক ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিধিবিধান অনুসরণ করা তুলনামূলক সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট জারি করা &lsquo;এফই সার্কুলার নম্বর-৩৩&rsquo; হালনাগাদ করা হয়েছে। গত এক বছরে আমদানি-সংক্রান্ত বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের বিষয়ে যেসব নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলোও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আগের সব নির্দেশনামূলক সার্কুলার বাতিল করা হয়েছে। তবে আমদানি-সংক্রান্ত রিপোর্টিংয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নির্দেশনাগুলো আগের মতোই কার্যকর থাকবে। বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর ২০(৩) ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই সমন্বিত নির্দেশনা আগামী এক বছর কার্যকর থাকবে। এ সময় নতুন কোনো নির্দেশনা জারি হলে তা সংশ্লিষ্ট সমন্বিত কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োগ করা হবে।

নতুন সার্কুলারে আমদানি বাণিজ্যের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনলাইন রিপোর্টিং, ঋণপত্র (এলসি) খোলা, অনুমোদিত পরিশোধ পদ্ধতি, অগ্রিম অর্থ পাঠানো, বিল অব এন্ট্রি দাখিল, সরবরাহকারী ও ক্রেতার ঋণ, আমদানি দায় পরিশোধ এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির নিয়মকানুন।

এ ছাড়া বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়ন ব্যবস্থা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে আমদানি-সংক্রান্ত নথি প্রক্রিয়াকরণ, আমদানি মূল্য পরিশোধে রপ্তানি আয় ব্যবহারের বিধান, বৈদেশিক মুদ্রায় অভ্যন্তরীণ এলসি, বিশেষায়িত ও মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চলের আমদানি কার্যক্রম এবং স্বর্ণ, রুপা, গহনা ও বৈদেশিক মুদ্রার নোট আমদানির বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ী মহল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তাদের মতে, ডিজিটাল ডকুমেন্ট ব্যবস্থাপনা এবং বিকল্প বাণিজ্য অর্থায়নের মতো আধুনিক ব্যবস্থা যুক্ত হওয়ায় দেশের আমদানি কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।

তবে ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন নীতিমালার সুফল নিশ্চিত করতে শুধু নির্দেশনা জারি করলেই হবে না; এর কার্যকর বাস্তবায়নও জরুরি। পাশাপাশি ব্যাংক ও আমদানিকারকদের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমদানি প্রক্রিয়ায় সময় ও জটিলতা কমার পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্যে আরও গতি আসবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 10:11:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিল ও রিচার্জে ৫ হাজার টাকা সুদমুক্ত ঋণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18234" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18234</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জরুরি প্রয়োজনে মোবাইল রিচার্জ এবং গ্যাস, বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধের সুযোগ দিতে নতুন ধরনের ডিজিটাল ঋণব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থায় মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদবিহীন ঋণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, এই ঋণ নেওয়ার পর সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে তা পরিশোধ করতে হবে। দেশে নগদবিহীন লেনদেন বাড়ানো এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবাকে আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পক্ষের মতামতের জন্য খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। মতামত পর্যালোচনা শেষে চূড়ান্ত নির্দেশনা জারি করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে, এই ঋণের বিপরীতে কোনো সুদ নেওয়া যাবে না। তবে ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত হারে সার্ভিস ফি নিতে পারবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ টাকা এবং ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ঋণে ১০ টাকা সার্ভিস ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ১৫ টাকা, ১ হাজার ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৫ টাকা, ২ হাজার ১ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা এবং ৩ হাজার ১ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫০ টাকা সার্ভিস ফি নেওয়া যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত সার্ভিস ফি ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অতিরিক্ত কোনো অর্থ নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ সুদ, জরিমানা, প্রসেসিং ফি কিংবা অন্য কোনো নামে বাড়তি অর্থ আদায়ের সুযোগ থাকবে না। এমনকি নির্ধারিত ৩০ দিনের আগেই কোনো গ্রাহক ঋণ পরিশোধ করলে আগাম পরিশোধের জন্যও অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না।

পুরো ঋণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য কাগজপত্রে স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গ্রাহকের সম্মতি নেওয়ার পাশাপাশি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পরিচয় যাচাই করে ঋণ অনুমোদনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন আরও বাড়বে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 09 Aug 2026 07:07:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা কিউআর লেনদেন বাড়াতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18192" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18192</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে নিরাপদ, সহজ, স্বল্পব্যয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান।

দুই দিনের দাপ্তরিক সফরের অংশ হিসেবে শুক্রবার (৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী গণি বেকারি পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৭ ও ৮ আগস্ট চট্টগ্রাম সফর করছেন গভর্নর। সফরকালে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের চট্টগ্রাম অফিসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন দাপ্তরিক সভায় অংশ নেবেন। পাশাপাশি নগরীতে বাংলা কিউআর প্রচারণা কার্যক্রমেও অংশ নেবেন তিনি।

সফরের প্রথম দিনে গণি বেকারি থেকে ঐতিহ্যবাহী বেলা বিস্কুট কেনেন গভর্নর। পরে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে এর মূল্য পরিশোধ করেন তিনি। গণি বেকারির মতো ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান বাংলা কিউআরভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন মো. মোস্তাকুর রহমান।

গভর্নর বলেন, &lsquo;গণি বেকারির মতো একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআরের ব্যবহার দেশের ডিজিটাল লেনদেনের ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতা এবং জনগণের আস্থার প্রতিফলন।&rsquo;

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যয় কমাতে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দেশের সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বাংলা কিউআর গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান গভর্নর। একই সঙ্গে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ে তোলার উদ্যোগে ব্যবসায়ীদের সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলা কিউআর সারা দেশে একটি আন্তঃপরিচালনযোগ্য, নিরাপদ ও সহজ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 04:30:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডলারের দুর্বলতায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18148" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18148</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডলারের দরপতন ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমার প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। টানা তিন কার্যদিবস ধরে বাড়তে থাকা মূল্যবান এই ধাতুর দাম এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ২ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৫ দশমিক ৫৩ ডলারে উঠেছে। গত ৭ জুলাইয়ের পর এটিই স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচারের দামও প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৩৫ দশমিক ৩০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিনিয়োগকারীরা দেশটির অর্থনৈতিক তথ্য, বিশেষ করে কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখছেন। এর পাশাপাশি মার্কিন ডলারের দুর্বলতা এবং তেলের দাম কমে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনীতি, মূল্যস্ফীতি এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে স্বর্ণের দামের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজারে পরিবর্তনও স্বর্ণের দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলে।

এদিকে শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬১ দশমিক ৭৬ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৭৯ দশমিক ২৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম একই হারে বেড়ে ১ হাজার ৩৮৯ দশমিক ১৫ ডলারে উঠেছে। প্যালাডিয়ামের এই দাম গত দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 11:44:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কোরিয়ার সঙ্গে সিইপিএ, ৯৭% পণ্যে শুল্ক সুবিধা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18093" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18093</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট-সিইপিএ) স্বাক্ষর হয়েছে। চুক্তির ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য অগ্রাধিকারমূলক শুল্ক সুবিধা পাবে। একইভাবে বাংলাদেশের বাজারে কোরিয়ার ৮৭ শতাংশ পণ্য এই সুবিধার আওতায় আসবে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর শেষে আয়োজিত &lsquo;সিইপিএ নেগোসিয়েশন কনক্লুশন সিরিমনি&rsquo; উপলক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম মুক্ত বাণিজ্যধর্মী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি এটিকে দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, সিইপিএ কার্যকর হলে তৈরি পোশাক, চামড়া, পাটজাত পণ্যসহ বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্ক সুবিধা পাবে। পাশাপাশি কোরিয়া থেকে কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক পণ্য ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আমদানিতেও বাংলাদেশ সুবিধা পাবে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য অর্জনে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। সিইপিএসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বলেন, বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস ৫৬ বছরের। টেক্সটাইল খাতের মাধ্যমে শুরু হওয়া দুই দেশের সম্পর্ক এখন আরও বিস্তৃত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক বাজারে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর যে প্রবণতা তৈরি হয়েছে, সেই অনুযায়ী দুই দেশকেও রপ্তানি ও আমদানি পণ্যের পরিধি বাড়াতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রযুক্তি, সরবরাহ ব্যবস্থা ও শিল্প সহযোগিতার ক্ষেত্রে কোরিয়া পাশে থাকতে আগ্রহী।

ইয়ো হান-কু আরও বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগে আরও উৎসাহিত হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 10:20:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবণতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18079" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18079</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশের পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৯২ শতাংশ কম।

জুলাইয়ে নিটওয়্যার ও ওভেন&mdash;দুই ধরনের পোশাক রপ্তানিতেই পতন হয়েছে। তবে ওভেন পোশাকের রপ্তানি কমেছে তুলনামূলক বেশি, যার প্রভাব পড়েছে সামগ্রিক রপ্তানি আয়ে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৮৮ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের। ২০২৫ সালের একই মাসে এ আয় ছিল ৩৯৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় কমেছে প্রায় ৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

ইপিবির তথ্য বলছে, জুলাইয়ে নিটওয়্যার রপ্তানি হয়েছে ২১৫ কোটি ৯১ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ২১৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের তুলনায় শূন্য দশমিক ৯০ শতাংশ কম। অন্যদিকে, ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৭২ কোটি ৭৭ লাখ ডলারের, যা আগের বছরের ১৭৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারের তুলনায় ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ কম।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ৫৬ শতাংশ আসে নিটওয়্যার খাত থেকে এবং বাকি প্রায় ৪৪ শতাংশ আসে ওভেন পোশাক থেকে। নিটওয়্যার খাত কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও ওভেন পোশাকের রপ্তানি কমে যাওয়ায় সামগ্রিক পোশাক রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের সতর্ক ক্রয়নীতি, মূল্যচাপ, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় রপ্তানি প্রত্যাশামতো বাড়েনি। বিশেষ করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বাজারে পোশাকের অর্ডার পুনরুদ্ধারের গতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

তবে শিল্পসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বড়দিন ও বসন্তকালীন মৌসুমের অর্ডার বাড়তে শুরু করলে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে। এ জন্য উৎপাদন সক্ষমতা ধরে রাখা, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং উচ্চমূল্যের পণ্যের অংশ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 08:37:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাঁচামরিচ ৪০০, লাগামহীন সবজির দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18051" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18051</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদীর মনোহরদীর বিভিন্ন (মনোহরদী, চালাকচর, শেখের বাজার, হাতির দিয়া) বাজারে আবারও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে অধিকাংশ সবজির দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এর মধ্যে কাঁচামরিচের দাম সবচেয়ে বেশি বেড়ে প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি পেঁয়াজ, মাছ, মুরগি ও ডিমের দামও চড়া থাকায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা।

সোমবার উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ১২০ থেকে ১৭০ টাকা, টমেটো ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল ও ঝিঙা ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁপে ৪০ টাকা এবং আলু ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ টাকায় পৌঁছেছে। কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, শসা ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা এবং গাজর ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ছোট লেবু প্রতি হালি ১৫ থেকে ৩০ টাকা এবং কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চালকুমড়া আকারভেদে প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছের বাজারেও রয়েছে উচ্চমূল্যের প্রভাব। প্রতি কেজি চিংড়ি মাছ ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, টেংরা ৭৫০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, শোল ৭০০ টাকা এবং চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মুরগির বাজারেও দাম বেড়েছে। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম প্রতি ডজন ২০০ টাকা এবং দেশি ডিম প্রতি হালি ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারে আসা একাধিক ক্রেতা জানান, আগের তুলনায় প্রতিদিনের বাজার করতে এখন অনেক বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। তারা দ্রুত বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং কার্যকর বাজার তদারকির মাধ্যমে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ কামনা করেছেন, যাতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 06:04:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হঠাৎ বাড়ল ডলারের দাম, কারণ কী?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18034" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/18034</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমদানি বিল পরিশোধে মার্কিন ডলারের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে আন্তঃব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও খোলা বাজার সব জায়গাতেই ডলারের দাম দিন দিন বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুলাই আন্তঃব্যাংক বাজারে টাকার বিপরীতে প্রতি ডলারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায়। একই দিনে স্পট মার্কেটে প্রতি ডলার লেনদেন হয়েছে ১২৩ টাকা ৮৮ পয়সায়, যা এক মাস আগেও ছিল ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা।

তবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ঋণপত্রের (এলসি) দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে প্রতি ডলারের জন্য ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা পর্যন্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।

খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ব্যবস্থার প্রভাবেই ডলারের বাজারে এই চাপ তৈরি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ও উত্তেজনা বাড়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। এর ফলে জ্বালানি, সারসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির বিল পরিশোধে সরকার ও বেসরকারি খাতে অতিরিক্ত ডলারের প্রয়োজন হচ্ছে।

এদিকে, দেশের রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ডলারের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে বাংলাদেশের আমদানি বার্ষিক হিসাবে ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়ে ৬ হাজার ৪০২ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিপরীতে একই সময়ে রপ্তানি আয় প্রায় ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।

ফলে ডলারের প্রবাহের তুলনায় চাহিদা বেশি থাকায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে।

এর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা আসার অন্যতম বড় উৎস রেমিট্যান্সের প্রবাহও কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে। গত অর্থবছরে প্রবাসীরা রেকর্ড ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি (৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠালেও, দুটি বড় উৎসব-ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পার হয়ে যাওয়ার পর এই গতি কিছুটা কমে এসেছে। টানা ছয় মাস প্রতি মাসে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসার পর, জুন ও জুলাই মাসে তা নেমে এসেছে যথাক্রমে ২৮২ কোটি ও ২৮৬ কোটি ডলারে।

বাজারে চাহিদা বেশি থাকায় ব্যাংকগুলো বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে ডলার সংগ্রহ করছিল। এই ঊর্ধ্বগতি সামাল দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কঠোর মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে। আন্তঃব্যাংক বাজার কিংবা রেমিট্যান্স চ্যানেল কোনো মাধ্যম থেকেই যাতে ১২৩ টাকা ৮২ পয়সার বেশি দামে ডলার কেনা না হয়, সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ব্যাংকিং খাতের এই দর বাড়ার প্রভাব পড়েছে খোলা বাজার বা কার্ব মার্কেটেও। রাজধানীর মতিঝিলের বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, রোববার মানি এক্সচেঞ্জগুলো সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতি ডলার ১২৬ টাকা থেকে ১২৬ টাকা ৪০ পয়সায় কিনে ১২৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ১২৬ টাকা ৮০ পয়সায় বিক্রি করেছে। অথচ মাত্র এক মাস আগেও খোলা বাজারে ডলারের দাম ছিল ১২৫ টাকা থেকে ১২৫ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 03 Aug 2026 08:06:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকাতে আজ  বন্ধ যেসব মার্কেট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/17935" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/17935</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকাতে কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি অবশ্যই জানা থাকা জরুরি। তা না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।

শনিবার (১ আগস্ট) মাসের শুরুতেই দেখে নিন আজ কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, নয়াবাজার, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার, শারিফ ম্যানসন ও আজিমপুর সুপার মার্কেট।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকান

শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেন্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি থানা, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, দোলাইপাড়, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ ও শাঁখারী বাজার।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 01 Aug 2026 04:53:26 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
