<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/techlife</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/techlife"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla techlife Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest techlife News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 19 Aug 2026 07:12:44 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[শিশুর ক্ষতিকর কনটেন্টে অভিভাবকের করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18533" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18533</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

বর্তমান সময়ে অধিকাংশ শিশুই কোনো না কোনোভাবে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। অনেক সময় তারা বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে, আবার কখনো তাদের নামে আলাদা অ্যাকাউন্টও খুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বয়স ও মানসিক পরিপক্বতা বিবেচনা না করেই অল্প বয়সে শিশুরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন ধরনের কনটেন্টের সংস্পর্শে আসছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষামূলক, সৃজনশীল ও ইতিবাচক কনটেন্টের পাশাপাশি রয়েছে সহিংসতা, অশালীনতা, আত্মক্ষতির প্ররোচনা, সাইবার বুলিং, শরীর ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নেতিবাচক ধারণা এবং বয়সের অনুপযোগী নানা বিষয়। এসব কনটেন্ট শিশুর চিন্তাভাবনা, আচরণ ও মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

কেন শিশুরা সহজেই ক্ষতিকর কনটেন্টের মুখোমুখি হচ্ছে?

শিশুদের হাতে স্মার্টফোন পৌঁছে যাওয়ার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির প্রবণতাও দিন দিন বাড়ছে। ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিলস, শর্টস ও অন্যান্য ভিডিও তৈরি করে আয় এবং মনিটাইজেশন নিয়ে নিয়মিত আলোচনা ও প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে।

এ ধরনের তথ্য অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। তবে সমস্যা তৈরি হয় তখনই, যখন অর্থ উপার্জন বা দর্শক আকর্ষণের জন্য শিশুদেরও কনটেন্ট তৈরির অংশ বানানো হয়।

শিশুর স্বাভাবিক জীবন, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মানসিক বিকাশের বিষয়টি বিবেচনায় না নিয়ে অনেক সময় তাদের দিয়ে ভিডিও তৈরি করা হচ্ছে। কখনো শিশুরাই হয়ে উঠছে ভিডিওর মূল বিষয়, আবার কখনো তাদের পোশাক, আচরণ, কথাবার্তা কিংবা ব্যক্তিগত মুহূর্তকে দর্শক আকর্ষণের উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে আয় হতে পারে, কিন্তু একই সঙ্গে শিশুর নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও অধিকারও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ইউনিসেফ শিশুদের শুধু ডিজিটাল কনটেন্টের ব্যবহারকারী বা বাণিজ্যিক মুনাফার মাধ্যম হিসেবে না দেখে অধিকারধারী হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ডিজিটাল জগতে শিশুদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, মতপ্রকাশের সুযোগ এবং সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করা তাই অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্র&mdash;সবার দায়িত্ব।

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বিভিন্ন দেশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বয়সসীমা, অভিভাবকের সম্মতি ও বয়স যাচাইয়ের মতো পদক্ষেপ নিয়ে ভাবছে। অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ডেনমার্কসহ আরও কয়েকটি দেশও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপের উদ্যোগ নিয়েছে। যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে শিশুদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিভিন্ন গবেষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার বুলিং, বয়স-অনুপযোগী কনটেন্টের সংস্পর্শ, অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার এবং মানসিক স্বাস্থ্যের বিভিন্ন ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে। বিশেষ করে আত্মক্ষতির প্ররোচনা, খাদ্যাভ্যাসজনিত সমস্যা এবং নিজের শরীর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরির মতো কনটেন্ট শিশুদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

শিশু ক্ষতিকর কনটেন্ট দেখলে কী করবেন?

প্রথমত, আতঙ্কিত না হয়ে শিশুর সঙ্গে কথা বলুন। বকাঝকা বা ভয় দেখালে শিশু ভবিষ্যতে অনলাইনে কোনো সমস্যার মুখোমুখি হলে সেটি গোপন করতে পারে। তাই কী দেখেছে, কোথায় দেখেছে এবং সেটি দেখে তার কেমন লেগেছে&mdash;শান্তভাবে জানতে হবে।

দ্বিতীয়ত, খোলামেলা যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করুন। শিশুকে বোঝাতে হবে, অনলাইনে অস্বস্তিকর, ভয়ংকর বা বিভ্রান্তিকর কিছু দেখলে সে যেন নির্ভয়ে বাবা-মাকে জানাতে পারে। কার সঙ্গে কথা বলছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট দেখছে, তা নিয়েও বয়স অনুযায়ী নিয়মিত আলোচনা করা প্রয়োজন।

তৃতীয়ত, স্ক্রিন ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করুন। কখন, কোথায় এবং কতক্ষণ মোবাইল বা অন্য ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে পরিবারের নিজস্ব নিয়ম থাকা জরুরি। খাবারের সময়, পড়াশোনা, ঘুম এবং পারিবারিক সময়কে যতটা সম্ভব স্ক্রিনমুক্ত রাখার অভ্যাস করা যেতে পারে।

চতুর্থত, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করুন। বয়স উপযোগী প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, নিরাপদ সার্চ, প্রাইভেসি সেটিংস ও কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি শিশুকে পূর্ণ নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত ছবি বা অন্য সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে প্রকাশ না করার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।

পঞ্চমত, ক্ষতিকর কনটেন্ট রিপোর্ট ও ব্লক করুন। কোনো পোস্ট, ভিডিও বা অ্যাকাউন্ট শিশুর জন্য ক্ষতিকর মনে হলে সেটি রিপোর্ট, ব্লক বা &lsquo;নট ইন্টারেস্টেড&rsquo; করার পদ্ধতি শিশুকে শেখানো যেতে পারে। সাইবার বুলিং বা অনলাইনে হুমকির মতো ঘটনা ঘটলে প্রয়োজনীয় স্ক্রিনশট ও অন্যান্য প্রমাণ সংরক্ষণ করা উচিত।

ষষ্ঠত, অফলাইনে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়ান। বই পড়া, খেলাধুলা, ছবি আঁকা, গান, প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটানো কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানোর সুযোগ বাড়ালে শিশুর স্ক্রিননির্ভরতা কমানো সম্ভব।

সবশেষে, শিশুকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পুরোপুরি দূরে রাখাই সব ক্ষেত্রে একমাত্র সমাধান নয়। বরং তার বয়স, মানসিক পরিপক্বতা ও প্রয়োজন বিবেচনা করে নিরাপদ ডিজিটাল অভ্যাস গড়ে তোলাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য প্রয়োজন অভিভাবকের সচেতনতা, সন্তানের সঙ্গে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার।

শিশুর হাতে প্রযুক্তি তুলে দেওয়া যতটা সহজ, সেটির নিরাপদ ব্যবহার শেখানো ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন শিশুর স্বাভাবিক শৈশব ও মানসিক বিকাশে বাধা না হয়ে বরং শেখা, সৃজনশীলতা ও জ্ঞান অর্জনের নিরাপদ মাধ্যম হয়ে ওঠে&mdash;সেদিকে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নজর দিতে হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 07:12:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এক ফাইবারে একাধিক আইএসপি, বদলাবে ব্রডব্যান্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18348" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18348</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খাতে দীর্ঘদিনের আলোচিত &lsquo;অ্যাকটিভ শেয়ারিং&rsquo; চালুর উদ্যোগ এবার বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। এ ব্যবস্থায় একই নেটওয়ার্ক অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা আইএসপি গ্রাহকদের সেবা দিতে পারবে। ফলে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য আলাদা করে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ইতোমধ্যে এ বিষয়ে প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া প্রস্তুত করেছে। অংশীজনদের মতামত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা পর্যালোচনার পর গাইডলাইনটি চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর পরীক্ষামূলক কার্যক্রমের ফলাফলের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এ ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে শুধু আইএসপি ব্যবসার ধরনই বদলাবে না, গ্রাহকের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাতেও পরিবর্তন আসতে পারে। একই অবকাঠামো ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মূল্য, প্যাকেজ, গতি ও গ্রাহকসেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

বর্তমানে শহরাঞ্চলের একই এলাকায় একাধিক আইএসপি নিজেদের গ্রাহকদের সংযোগ দিতে আলাদাভাবে ফাইবার অপটিক কেবল, সুইচ, ডিস্ট্রিবিউশন বক্স ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি স্থাপন করে। ফলে একই সড়ক, ভবন কিংবা বিদ্যুতের খুঁটিতে বারবার নতুন অবকাঠামো যুক্ত হয়।

এর ফল হিসেবে একদিকে আইএসপিগুলোর মূলধনি বিনিয়োগ বাড়ে, অন্যদিকে নগর এলাকায় তৈরি হয় অসংখ্য ঝুলন্ত তারের জট। রাস্তা ও ফুটপাতের ওপরও এর প্রভাব পড়ে। নগর ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এটি একটি বড় সমস্যা হয়ে রয়েছে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে একটি যৌথ অবকাঠামো একাধিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করতে পারলে একই জায়গায় বারবার নতুন কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে। এতে অবকাঠামো নির্মাণের ব্যয় কমার পাশাপাশি শহরের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনাও আরও সুশৃঙ্খল হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

নতুন ব্যবস্থার অন্যতম বড় পরিবর্তন হবে আইএসপিগুলোর প্রতিযোগিতার ধরনে। বর্তমানে গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকেই নিজস্ব অবকাঠামো তৈরিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং চালু হলে একটি নির্দিষ্ট অবকাঠামো ব্যবহার করেই একাধিক আইএসপি নিজেদের ব্র্যান্ড, ইন্টারনেট প্যাকেজ, মূল্য এবং গ্রাহকসেবা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

ফলে প্রতিযোগিতার মূল ক্ষেত্র হতে পারে ইন্টারনেটের গতি, মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও গ্রাহকসেবা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতে ছোট ও মাঝারি আইএসপিগুলোর জন্য বাজারে টিকে থাকা এবং নতুন এলাকায় সেবা সম্প্রসারণের সুযোগও বাড়তে পারে।

বর্তমানে কোনো এলাকায় একটি বা দুটি আইএসপির প্রভাব বেশি থাকলে গ্রাহকের সেবাদাতা পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে যেতে হলে অনেক সময় নতুন করে কেবল টানতে হয় এবং সংযোগ স্থাপনের জন্য অতিরিক্ত সময় ও খরচের প্রয়োজন হয়।

অ্যাকটিভ শেয়ারিং ব্যবস্থা চালু হলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করে একাধিক প্রতিষ্ঠান সেবা দিতে পারবে। ফলে গ্রাহক তুলনামূলক সহজে পছন্দের আইএসপি বেছে নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

এতে সেবাদাতাদের ওপরও গ্রাহক ধরে রাখার চাপ বাড়বে। ফলে ইন্টারনেটের মান উন্নত করা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রতিযোগিতামূলক প্যাকেজ দেওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাজধানীর ধানমন্ডিকে দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অ্যাকটিভ শেয়ারিং জোন হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে কয়েক বছর ধরে সীমিত পরিসরে এ ধরনের অবকাঠামো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নেওয়া হচ্ছে।

আইএসপি খাতের প্রতিনিধিদের দাবি, ধানমন্ডিতে প্রায় চার বছর ধরে এ মডেল কার্যকর রয়েছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় আট হাজার সংযোগ একই অবকাঠামো ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে এবং বড় ধরনের অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি।

এই অভিজ্ঞতাকে মূল্যায়ন করে যদি ফলাফল সন্তোষজনক হয়, তাহলে রাজধানীর অন্যান্য এলাকায় এবং পরবর্তী সময়ে দেশের বড় শহরগুলোতে অ্যাকটিভ শেয়ারিং সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) নেতাদের মতে, দেশে ব্রডব্যান্ড অবকাঠামোতে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ থাকলেও তার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পুরোপুরি কাজে লাগছে না।

আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় ৫০ লাখ পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। অথচ বিদ্যমান নেটওয়ার্ক সক্ষমতা ব্যবহার করেই আরও প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ পরিবারকে সংযুক্ত করা সম্ভব।

তার মতে, অ্যাকটিভ শেয়ারিং না থাকায় একই এলাকায় একাধিক প্রতিষ্ঠান পৃথক নেটওয়ার্ক স্থাপন করছে। এতে বিনিয়োগের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

আইএসপি খাতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তবে এই অবকাঠামোর আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। যৌথ ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হলে বিদ্যমান নেটওয়ার্কের কার্যকর ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।

অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি আইএসপিরাও সুবিধা পেতে পারে। নতুন এলাকায় সেবা দিতে তাদের আর শুরু থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরির প্রয়োজন হবে না।

ফলে বাজারে প্রবেশের বাধা কমতে পারে। নতুন উদ্যোক্তারা তুলনামূলক কম বিনিয়োগে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোও অবকাঠামো তৈরির বদলে সেবার মান উন্নয়নে অর্থ ব্যয় করতে পারবে।

আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূঁইয়া বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই অ্যাকটিভ শেয়ারিং কার্যকর রয়েছে। বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে আইএসপি খাত এ ব্যবস্থা চালুর দাবি জানিয়ে আসছে।

তার মতে, একই এলাকায় বারবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন না থাকলে একদিকে তারের জট কমবে, অন্যদিকে অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও কমে আসবে। এর সুফল শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের কাছেও পৌঁছাতে পারে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অ্যাকটিভ শেয়ারিংয়ের প্রাথমিক গাইডলাইনের খসড়া তৈরি হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারী জানিয়েছেন, গাইডলাইন চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করা হবে। পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতাও ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্তে গুরুত্ব পাবে।

বিটিআরসির স্পেকট্রাম ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক ড. মো. সোহেল রানাও জানিয়েছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন এখনো প্রণয়ন পর্যায়ে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

মোবাইল অপারেটরদেরও ভবিষ্যতে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে কি না, সে বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে অ্যাকটিভ শেয়ারিং নিয়ে নতুন করে নীতিগত আলোচনা শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ৩০ এপ্রিল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে &lsquo;টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো শেয়ারিং&rsquo; শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন, টাওয়ার কোম্পানি, আইএসপি, আইএসপিএবি, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। প্রায় ১৩০ জন প্রতিনিধি সেখানে মতামত দেন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন পক্ষ যৌথ অবকাঠামো ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধাগুলো তুলে ধরে। তাদের মতে, এতে মূলধনি ব্যয় কমানো, দ্রুত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং অবকাঠামোর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে।

টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা মনে করছেন, অ্যাকটিভ শেয়ারিং শুধু ব্রডব্যান্ডেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; ভবিষ্যতে এটি উন্নত টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

মোবাইল অপারেটরদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও অ্যাকটিভ শেয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের প্রতিনিধিরা বলেছেন, যেসব দুর্গম এলাকায় ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছানো কঠিন, সেখানে নন-জিওস্টেশনারি বা NGSO স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সংযোগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।

তাদের মতে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আলাদাভাবে অবকাঠামো তৈরি করার পরিবর্তে যৌথ ব্যবস্থায় এগোলে সম্পদের অপচয় কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও টেকসই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব হবে।


অ্যাকটিভ শেয়ারিং বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে কয়েকটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে&mdash;

একই অবকাঠামো ব্যবহার করতে পারবে একাধিক আইএসপি।
নতুন করে ফাইবার কেবল স্থাপনের প্রয়োজন কমবে।
আইএসপিগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয় কমতে পারে।
শহরের ঝুলন্ত তারের জট কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
ছোট ও মাঝারি আইএসপির বাজারে প্রবেশ সহজ হতে পারে।
গ্রাহকের সামনে একাধিক সেবাদাতা বেছে নেওয়ার সুযোগ বাড়বে।
মূল্য ও ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে পারে।
অব্যবহৃত নেটওয়ার্ক সক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে।
নতুন এলাকায় দ্রুত ব্রডব্যান্ড সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।

সব মিলিয়ে, বিটিআরসির প্রস্তাবিত অ্যাকটিভ শেয়ারিং গাইডলাইন বাস্তবায়িত হলে দেশের ব্রডব্যান্ড খাতে অবকাঠামো তৈরির প্রচলিত ধারণায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। প্রতিটি আইএসপির আলাদা নেটওয়ার্ক তৈরির বদলে একটি যৌথ অবকাঠামোর ওপর একাধিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগিতামূলক সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এই ব্যবস্থা কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে গাইডলাইনে অবকাঠামোর মালিকানা, ব্যবহারমূল্য, সেবার মান, রক্ষণাবেক্ষণ, গ্রাহকের অধিকার এবং আইএসপিগুলোর মধ্যে সমান প্রতিযোগিতার সুযোগ কতটা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয় তার ওপর। সঠিক নীতিমালা ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা গেলে অ্যাকটিভ শেয়ারিং দেশের ব্রডব্যান্ড সেবাকে আরও সাশ্রয়ী, প্রতিযোগিতামূলক ও সুশৃঙ্খল করার একটি বড় পদক্ষেপ হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 10:01:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পোলট্রি খামারে বাড়ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18178" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18178</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আধুনিক বাণিজ্যিক পোলট্রি খামার ক্যাম্পাইলোব্যাক্টার নামের ক্ষতিকর এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার ত্বরান্বিত করতে পারে বলে জানিয়েছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণা। এই ব্যাকটেরিয়া খাদ্যে বিষক্রিয়া, রক্তে সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।

গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৩৫ বছরে বাণিজ্যিকভাবে পালন করা মুরগির মধ্যে ক্যাম্পাইলোব্যাক্টারের উপস্থিতি প্রায় ১০০ গুণ বেড়েছে।

গবেষকদের মতে, অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা বা দূষিত মুরগির মাংসের মাধ্যমে সাধারণত মানুষের শরীরে এই ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করে। যুক্তরাজ্যে ব্যাকটেরিয়াজনিত খাদ্যে বিষক্রিয়ার সবচেয়ে বড় কারণও এটি। দেশটিতে গত বছর প্রায় ৭০ হাজার মানুষ এ সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য, অধিকাংশ রোগী এক সপ্তাহের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে গুরুতর সংক্রমণের ক্ষেত্রে এটি প্রাণঘাতী হতে পারে। এছাড়া কয়েকটি গবেষণায় ক্যাম্পাইলোব্যাক্টার সংক্রমণের সঙ্গে অন্ত্রের ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধির সম্পর্কও পাওয়া গেছে।

ফুড হাইজিন সার্টিফিকেট সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৬ সালের তুলনায় ডায়রিয়া, বমি ও তীব্র পেটব্যথাসহ এ সংক্রমণের রিপোর্ট হওয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বেড়েছে।

গবেষণার ফলাফল বিজ্ঞানবিষয়ক সাময়িকী Proceedings of the National Academy of Sciences (PNAS)-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, শিল্পকারখানার আদলে পরিচালিত বৃহৎ পোলট্রি খামারের পরিবেশে মুরগির মধ্যে এই ব্যাকটেরিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ফলে বাজারে পৌঁছানোর আগেই বিপুলসংখ্যক মুরগি সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গবেষকদের মতে, নিবিড় খামার ব্যবস্থাপনাসহ মানুষের সৃষ্টি করা বিভিন্ন পরিবেশগত পরিবর্তন সংক্রামক রোগের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এ কারণে তারা খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার, পোলট্রি খামারের ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন এবং মুরগির মাংস সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ভালোভাবে রান্না করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 09:49:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হোয়াটসঅ্যাপের ৬ গোপন ফিচার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18174" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/18174</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ এখন শুধু চ্যাটের মাধ্যম নয়, বরং ভয়েস ও ভিডিও কল, ফাইল আদান-প্রদান, নোট সংরক্ষণসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ব্যবহারকারীদের সুবিধা বাড়াতে নিয়মিত নতুন ফিচার যুক্ত করছে অ্যাপটির মালিক প্রতিষ্ঠান মেটা। তবে অনেক দরকারি সুবিধা এখনো অনেক ব্যবহারকারীর অজানা।

দৈনন্দিন ব্যবহারে কাজে লাগতে পারে এমন হোয়াটসঅ্যাপের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন।

১. গ্রুপ চ্যাটে সহজেই তৈরি করুন পোল

বন্ধু, পরিবার কিংবা অফিসের গ্রুপে কোনো বিষয়ে দ্রুত সবার মতামত জানতে চাইলে হোয়াটসঅ্যাপের পোল ফিচার ব্যবহার করা যায়। গ্রুপ চ্যাটে গিয়ে অ্যাটাচমেন্ট (পেপার ক্লিপ) আইকনে ট্যাপ করে Poll নির্বাচন করুন। এরপর প্রশ্ন ও সম্ভাব্য উত্তর যোগ করে পাঠিয়ে দিলেই সদস্যরা ভোট দিতে পারবেন এবং ফলাফল দেখা যাবে।

২. নির্দিষ্ট দিনের পুরোনো বার্তা খুঁজে বের করুন

অনেক আগের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ খুঁজতে বারবার স্ক্রল করার প্রয়োজন নেই। চ্যাটের Search অপশনে গিয়ে ক্যালেন্ডার আইকনে ট্যাপ করে নির্দিষ্ট তারিখ নির্বাচন করলে সেই দিনের বার্তা দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।

৩. টেক্সট ফরম্যাটিংয়ে বার্তাকে আরও আকর্ষণীয় করুন

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলাদা করে দেখাতে হোয়াটসঅ্যাপের টেক্সট ফরম্যাটিং সুবিধা ব্যবহার করা যায়। বোল্ড, ইটালিক, স্ট্রাইকথ্রু কিংবা কোড ফরম্যাট ব্যবহার করে বার্তাকে আরও সুন্দর ও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব।

৪. নিজের জন্য তৈরি করুন ব্যক্তিগত নোটবুক

হোয়াটসঅ্যাপে নিজের নম্বরে মেসেজ পাঠানোর সুবিধা রয়েছে। প্রয়োজনীয় নোট, ছবি, ডকুমেন্ট, ওয়েব লিংক বা ভয়েস নোট সংরক্ষণের জন্য এটি ব্যবহার করা যায়। Search অপশন থেকে নিজের নাম বা &lsquo;Message Yourself&rsquo; চ্যাট খুলে তথ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব।

৫. একাধিক ডিভাইসে চালান একই অ্যাকাউন্ট

Linked Devices সুবিধার মাধ্যমে একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট একাধিক কম্পিউটার বা সমর্থিত ডিভাইসে ব্যবহার করা যায়। ডিভাইস যুক্ত করার পর মূল ফোন সব সময় ইন্টারনেটে সংযুক্ত না থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া যায়।

৬. গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির জন্য আলাদা নোটিফিকেশন

কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির মেসেজ আলাদাভাবে শনাক্ত করতে কাস্টম নোটিফিকেশন চালু করা যায়। এজন্য সংশ্লিষ্ট কনট্যাক্টের চ্যাট খুলে নামের ওপর ট্যাপ করুন। এরপর Notifications অপশন থেকে আলাদা রিংটোন বা নোটিফিকেশন টোন নির্বাচন করলে ফোন না দেখেও বোঝা যাবে কার বার্তা এসেছে।

হোয়াটসঅ্যাপের এসব সুবিধা ব্যবহার করলে দৈনন্দিন যোগাযোগ আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকর হয়ে উঠতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 09:05:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফোনের আসক্তি কমানোর ৭ উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17963" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17963</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কাজের প্রয়োজনে যেমন ফোন ব্যবহার বাড়ছে, তেমনি অপ্রয়োজনীয় স্ক্রলিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানোর প্রবণতাও বাড়ছে। এমনকি পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে থাকলেও অনেকেই ব্যস্ত থাকেন নিজেদের ফোনে। ফলে কমছে পারস্পরিক যোগাযোগ, বাড়ছে মানসিক চাপ এবং সময়ের অপচয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য উপকারী। ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার কমাতে কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা যেতে পারে।

অ্যাপ ব্যবহার

ফোন ব্যবহারের সময় পর্যবেক্ষণ করতে বিভিন্ন স্ক্রিন টাইম বা ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব অ্যাপ কোন অ্যাপে কত সময় ব্যয় করছেন, তার বিস্তারিত তথ্য দেখায়। এতে নিজের অজান্তে কতটা সময় নষ্ট হচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায় এবং ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হয়।

অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার

ঘুম থেকে ওঠার জন্য ফোনের অ্যালার্ম ব্যবহার করলে অনেকেই সকালে উঠেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা ইমেইল দেখতে শুরু করেন। এ অভ্যাস এড়াতে আলাদা একটি অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহার করা ভালো। পাশাপাশি রাতে ফোন অন্য কক্ষে চার্জে রেখে সকালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে ফোন না ধরার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন।

হঠাৎ করে ব্যবহার বন্ধ করুন

কিছু বিশেষজ্ঞ কয়েক দিনের জন্য ফোন ব্যবহার থেকে বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দেন। এতে ফোনের প্রতি নির্ভরশীলতা কমে এবং নতুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে ওঠে। পরে ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য সীমিতভাবে ফোন ব্যবহার শুরু করা যেতে পারে।

ডু নট ডিস্টার্ব

প্রায় সব স্মার্টফোনেই &#39;ডু নট ডিস্টার্ব&#39; সুবিধা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কল, মেসেজ ও অন্যান্য নোটিফিকেশন বন্ধ রেখে গুরুত্বপূর্ণ কাজ বা বিশ্রামের সময় মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব।

প্রযুক্তিমুক্ত সময়

প্রতিদিন বা সপ্তাহে নির্দিষ্ট কিছু সময় সম্পূর্ণ প্রযুক্তিমুক্ত থাকার চেষ্টা করুন। সে সময় হাঁটাহাঁটি, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা কিংবা অন্য কোনো অফলাইন কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন। এতে মানসিক চাপও কমবে।

অ্যালার্ট বন্ধ করুন

বারবার নোটিফিকেশনের শব্দ মনোযোগ নষ্ট করে এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফোন হাতে নিতে বাধ্য করে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বিভিন্ন অ্যাপের অ্যালার্ট বন্ধ রাখলে ফোন ব্যবহারের প্রবণতা অনেকটাই কমে আসে।

শখের কোনো কাজ

বই পড়া, ব্যায়াম করা, বাগান করা, পোষা প্রাণীর সঙ্গে সময় কাটানো বা বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার মতো অভ্যাস ফোন থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। বাস্তব জীবনের এসব অভিজ্ঞতা মানসিক প্রশান্তিও বাড়ায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন অন্তত এক ঘণ্টা ফোন ছাড়া থাকলে মানসিক চাপ কমে, মনোযোগ বৃদ্ধি পায় এবং দৈনন্দিন কাজে উৎপাদনশীলতা বাড়ে।

এক ঘণ্টা মোবাইল ছাড়া থাকলে ইতিবাচক যেসব পরিবর্তন ঘটতে পারে


	মস্তিষ্ক কিছুটা বিশ্রাম পায় এবং অযথা তথ্যের চাপ কমে।
	পড়াশোনা বা কাজে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
	নতুন চিন্তা ও সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ঘটে।
	মানসিক শান্তি ও আত্মসংযোগ বাড়ে।
	পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত মোবাইল নির্ভরতা শুধু সময়ই নষ্ট করে না, এটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এই প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। তাই প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণের পাশাপাশি সচেতনভাবে এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 01 Aug 2026 10:03:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ওপেনএআইয়ের এআই মডেলের ‘সাইবার হামলা’ ঘিরে বিতর্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17767" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17767</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে ওপেনএআই। গত ১৬ জুলাই এআই প্ল্যাটফর্ম হাগিং ফেস জানায়, তাদের সিস্টেমে অত্যন্ত উন্নত একটি এআই স্বয়ংক্রিয়ভাবে হামলা চালিয়ে দুই দিনেরও কম সময়ে প্রায় ১৭ হাজার স্বয়ংক্রিয় কাজ সম্পন্ন করে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা অতিক্রম করে বিভিন্ন তথ্যে প্রবেশ করে।

প্রথমে এর পেছনে হ্যাকার গোষ্ঠী বা রাষ্ট্রীয় সমর্থিত সাইবার হামলার সন্দেহ করা হলেও পরে জানা যায়, এটি ছিল ওপেনএআইয়ের পরীক্ষাধীন একটি মডেলের কার্যক্রম। ওপেনএআই জানায়, হ্যাকিং সক্ষমতা যাচাইয়ের সময় মডেলটি নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে ইন্টারনেটে প্রবেশ করে এবং সেখান থেকে হাগিং ফেসের সিস্টেমে কার্যক্রম চালায়।

এ নিয়ে প্রযুক্তি অঙ্গনে চলছে তুমুল বিতর্ক। একদল এটিকে ভবিষ্যতের এআই ঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা মনে করছেন এটি নতুন মডেলের সক্ষমতা তুলে ধরার একটি প্রচারণা মাত্র। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, শুধু &lsquo;স্যান্ডবক্স&rsquo; পরিবেশে উন্নত এআই নিয়ন্ত্রণ করা যথেষ্ট নয়; ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যের এআই সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক এক গবেষণাতেও একই ধরনের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে কিছু উন্নত এআই মডেল লক্ষ্য অর্জনে অননুমোদিত পদ্ধতিও ব্যবহার করতে পারে। তবে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টারের সাবেক প্রধান সিয়ারান মার্টিন বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত না করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এটিকে এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না, তবে সাইবার হামলায় এআইয়ের সক্ষমতা দ্রুত বাড়ছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাটি একদিকে এআইয়ের সক্ষমতা এবং অন্যদিকে এর সম্ভাব্য ঝুঁকি&mdash;দুটোই সামনে এনেছে, যা এআইয়ের নিরাপত্তা ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিতের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 08:14:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেসবুকে আসছে ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17581" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17581</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ভুয়া পরিচয় শনাক্তে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে মেটা। এ লক্ষ্যে শিগগিরই চালু হচ্ছে &lsquo;ফেসবুক ভেরিফায়েড&rsquo;-এর নতুন একটি সুবিধা, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে ব্যবহারকারীরা বিনামূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন।

নতুন এই সুবিধায় পরিচয় যাচাইয়ের জন্য ব্যবহারকারীকে একটি সংক্ষিপ্ত সেলফি ভিডিও জমা দিতে হবে। ভিডিওটি প্রোফাইল ছবির সঙ্গে মিলিয়ে মেটার স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা পরিচয় নিশ্চিত করবে। যাচাই সফল হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই অ্যাকাউন্টে যুক্ত হবে ভেরিফায়েড ব্যাজ।

তবে সুবিধাটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকছে না। আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টে প্রতারণা, ভুয়া তথ্য ছড়ানো বা কমিউনিটি নীতিমালা লঙ্ঘনের রেকর্ড থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

প্রাথমিকভাবে ভেরিফায়েড ব্যাজ ব্যবহারকারীর প্রোফাইল, গ্রুপ, মার্কেটপ্লেস এবং ফেসবুক ডেটিং সেবায় দেখা যাবে। পরবর্তী সময়ে ফিডের পোস্টেও ব্যাজটি প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। একবার পরিচয় যাচাই সম্পন্ন হলে পুরো ফেসবুক প্ল্যাটফর্মেই এই ভেরিফিকেশন কার্যকর থাকবে।


মেটা জানিয়েছে, এটি তাদের বিদ্যমান মেটা ভেরিফায়েড সেবার বিকল্প নয়। কারণ মেটা ভেরিফায়েড একটি অর্থের বিনিময়ে পাওয়া সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা, যেখানে অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা ও অন্যান্য প্রিমিয়াম সুবিধা দেওয়া হয়। অন্যদিকে নতুন ফেসবুক ভেরিফায়েড কেবল ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য চালু করা হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত গ্রাহক সহায়তা বা অন্য কোনো প্রিমিয়াম সুবিধা থাকবে না।

প্রথম ধাপে কয়েকটি দেশে এ সুবিধা চালু হবে। পরে ধাপে ধাপে বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এটি সম্প্রসারণ করা হবে। মেটার আশা, নতুন এই উদ্যোগ ফেসবুককে আরও নিরাপদ ও বিশ্বাসযোগ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Jul 2026 05:12:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গোপন ভিডিও রক্ষায় করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17484" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17484</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিরাপত্তার জন্য ব্যবহৃত সিসি ক্যামেরাই কখনো কখনো গোপনীয়তার ঝুঁকির কারণ হতে পারে। অসতর্কতার কারণে ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস, ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যাওয়া কিংবা অনলাইন হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললেই এসব ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

বর্তমানে বাড়ি, অফিস, দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় সিসি ক্যামেরার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। কিন্তু সঠিকভাবে সেটআপ ও সুরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে এই প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য হুমকি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সিসি ক্যামেরা হ্যাক হয়ে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বড় কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়, বরং ব্যবহারকারীদের কিছু সাধারণ ভুলের কারণেই এসব সমস্যা তৈরি হয়।

ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন

সিসি ক্যামেরার নিরাপত্তায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর একটি হলো ডিফল্ট পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা। কারণ অনেক ক্যামেরার প্রাথমিক পাসওয়ার্ড অনলাইনে সহজেই পাওয়া যায়, যা ব্যবহার করে সাইবার অপরাধীরা ক্যামেরায় প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ক্যামেরা চালু করার পরপরই ডিফল্ট পাসওয়ার্ড বদলে বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন মিলিয়ে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত।

একই পাসওয়ার্ড বারবার ব্যবহার করবেন না

একাধিক অ্যাকাউন্ট বা ডিভাইসে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করলে ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সিসি ক্যামেরার জন্য আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা নিরাপদ।

অনেকেই ই-মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সিসি ক্যামেরার জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন।

এর ফলে একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলে একই পাসওয়ার্ড দিয়ে অন্য অ্যাকাউন্টেও ঢোকার সুযোগ তৈরি হয়। সাইবার নিরাপত্তায় এটিকে &lsquo;ক্রেডেনশিয়াল স্টাফিং&rsquo; নামে পরিচিত একটি আক্রমণ কৌশল হিসেবে ধরা হয়।

সফটওয়্যার আপডেট

সিসি ক্যামেরাও এক ধরনের কম্পিউটার। তাই এতে থাকা সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যারে নিরাপত্তাজনিত ত্রুটি থাকতে পারে।

এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট শনাক্ত করতে কার্যক্রম বৃদ্ধি করছে টিকটক
প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত আপডেটের মাধ্যমে এসব ত্রুটি ঠিক করে। কিন্তু ব্যবহারকারী যদি সেই আপডেট ইনস্টল না করেন, তাহলে পুরোনো দুর্বলতাগুলো কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখুন

যেসব ক্যামেরা বা মোবাইল অ্যাপ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সমর্থন করে, সেখানে এটি চালু রাখা উচিত।

এতে পাসওয়ার্ড জেনে গেলেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা যাচাই ছাড়া অন্য কেউ সহজে আপনার ক্যামেরায় প্রবেশ করতে পারবে না।

পাবলিক ওয়াইফাই দিয়ে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ না করা

হোটেল, ক্যাফে বা বিমানবন্দরের উন্মুক্ত ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক সব সময় নিরাপদ নাও হতে পারে।

এসব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ বা লগইন করলে তথ্য চুরির ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। প্রয়োজনে মোবাইল ডেটা বা নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করাই ভালো।

অচেনা অ্যাপ ব্যবহার করবেন না

অনেকেই অতিরিক্ত সুবিধার আশায় তৃতীয় পক্ষের (থার্ড পার্টি) অ্যাপ ব্যবহার করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্ভব হলে ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার করাই নিরাপদ। অজানা উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করলে ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

ক্যামেরার অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ

প্রযুক্তিগত নিরাপত্তার পাশাপাশি ক্যামেরা কোথায় বসানো হচ্ছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

শোবার ঘর, বাথরুম বা ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্থানগুলোতে ক্যামেরা বসানো থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ নিরাপত্তা ভাঙলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে ব্যক্তিগত গোপনীয়তাই।

ক্লাউড স্টোরেজ ব্যবহারে সতর্ক থাকুন

অনেক আধুনিক সিসি ক্যামেরার ভিডিও সরাসরি ক্লাউডে সংরক্ষিত হয়। ক্লাউড সেবা ব্যবহার করলে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, ২-ধাপ যাচাই এবং নিয়মিত লগইন কার্যক্রম পরীক্ষা করা উচিত। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় পুরোনো ডিভাইসের অ্যাক্সেস মুছে ফেলাও জরুরি।

সিম কার্ডের এক কোণা কাটা থাকে কেন জানলে অবাক হবেন
পুরোনো ক্যামেরা বিক্রির আগে যা করবেন

পুরোনো ক্যামেরা বিক্রি বা অন্যকে দেওয়ার আগে শুধু মেমোরি কার্ড খুলে ফেললেই যথেষ্ট নয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিভাইসটি &lsquo;ফ্যাক্টরি রিসেট&rsquo; করে সব অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করতে হবে। প্রয়োজনে ক্লাউড অ্যাকাউন্ট থেকেও ডিভাইসটি অপসারণ করতে হবে।

কীভাবে বুঝবেন আপনার ক্যামেরা ঝুঁকিতে?

নিচের লক্ষণগুলো দেখা গেলে সতর্ক হওয়া উচিত&mdash;

পাসওয়ার্ড নিজে থেকে পরিবর্তিত হয়ে যাওয়া।

অচেনা ডিভাইস থেকে লগইনের নোটিফিকেশন।

ক্যামেরা নিজে থেকে ঘুরে যাওয়া (পিটিজেড ক্যামেরার ক্ষেত্রে)।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Jul 2026 07:06:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অনলাইনে পর্নোগ্রাফির বিস্তার: সন্তানের নিরাপত্তায় উদ্বিগ্ন অভিভাবক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17103" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/17103</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির ফলে ইন্টারনেট এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শিক্ষা, বিনোদন ও যোগাযোগের জন্য শিশু-কিশোররাও আগের তুলনায় অনেক বেশি সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে। তবে এই সুবিধার পাশাপাশি বয়স-অনুপযোগী ও ক্ষতিকর কনটেন্টে তাদের সহজ প্রবেশাধিকার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে।

বিশেষ করে পর্নোগ্রাফিসহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর কনটেন্ট শিশুদের মানসিক ও সামাজিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অভিভাবকদের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সন্তানকে স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তারা কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছে, কোন অ্যাপ ব্যবহার করছে এবং প্রতিদিন কত সময় অনলাইনে কাটাচ্ছে&mdash;এসব বিষয়ে পরিবারের সচেতন নজরদারি প্রয়োজন।

একই সঙ্গে সন্তানদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা, পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলা এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের নিয়ম শেখানোও অত্যন্ত জরুরি। এতে শিশুদের মধ্যে দায়িত্বশীল ডিজিটাল আচরণ গড়ে ওঠে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কনটেন্ট থেকে দূরে থাকার মানসিকতা তৈরি হয়।

মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, বয়সের আগেই যৌনধর্মী বা অনুপযুক্ত কনটেন্টের সংস্পর্শে এলে শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, সামাজিক আচরণ এবং পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে এটি উদ্বেগ, বিভ্রান্তি, আসক্তি কিংবা ভুল ধারণার জন্ম দিতে পারে।

তাই শিশুদের বয়স উপযোগী শিক্ষা এবং পরিবারে খোলামেলা ও ইতিবাচক যোগাযোগের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।

প্রযুক্তির মাধ্যমেই প্রযুক্তির ঝুঁকি কমানো সম্ভব

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও কম্পিউটারে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, সেফ সার্চ, স্ক্রিন টাইম ম্যানেজমেন্ট এবং বয়সভিত্তিক কনটেন্ট ফিল্টার ব্যবহার করলে অনাকাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটে প্রবেশের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

এছাড়া শিশুদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান বজায় রেখে নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শুধু পরিবারের সচেতনতা যথেষ্ট নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি কোম্পানি, নীতিনির্ধারক সংস্থা এবং সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

তাদের মতে, ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহারে উৎসাহিত করাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনলাইন ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত রাখার অন্যতম কার্যকর উপায়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 11:52:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এখন সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ: তথ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/16839" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/16839</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, নিরাপত্তার ধারণা গুণগতভাবে পাল্টে গেছে। কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পাহারার থেকেও এখন সাইবার নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার (১ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজ &lsquo;প্রান্তিক কণ্ঠস্বর&rsquo;র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত ধারণার মধ্য থেকে আনসার বাহিনীকে বের করে আনার চেষ্টা প্রশংসনীয়। প্রান্তিক কণ্ঠস্বরের আবির্ভাব গুজব প্রতিরোধসহ সঠিক তথ্য প্রবাহকে নিশ্চিত করবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে তথ্য এখন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Jul 2026 08:23:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইনস্টাগ্রামের বড় আপডেট, এবার টিভিপর্দায় দেখা যাবে রিলস-স্টোরি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/16817" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/16817</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের জন্য বড় পরিবর্তন এনেছে মেটা। আর মেটার মালিকানাধীন জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম তাদের টিভি অ্যাপের জন্য একটি বড় আপডেট নিয়ে এসেছে। এখন স্মার্ট টিভির বড়পর্দায় সহজেই রিলস ও স্টোরি উপভোগ করা যাবে। স্মার্ট টিভির জন্য নতুন আপডেট এটি। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী মোবাইল ফোনের পাশাপাশি বড়পর্দাতেও ইনস্টাগ্রামের রিলস ও স্টোরি দেখতে পাবেন।

এ আপডেটের ফলে টিভিতে যুক্ত হওয়া নতুন ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash; মোবাইল থেকে কাস্টিং। কোনো রিলস বা ভিডিও পছন্দ হলে ব্যবহারকারী তা সরাসরি স্মার্টফোন থেকে টিভিতে কাস্ট করতে পারবেন। ব্যবহারকারীর লিভিংরুমে একসঙ্গে বসে কনটেন্ট দেখার অভিজ্ঞতা দিতেই মেটা এ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

নতুন আপডেটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সংযোজন হলো&mdash; রিলস কাস্টিং। এ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোনে থাকা ইনস্টাগ্রাম রিলস সরাসরি টিভির স্ক্রিনে চালাতে পারবেন। শুধু তাই নয়, নিজের সেভ করা ভিডিওও বড়পর্দায় দেখার সুযোগ মিলবে। এর ফলে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে ইনস্টাগ্রামের কনটেন্ট উপভোগ করা অনেক সহজ হবে।

ইনস্টাগ্রামের এ নতুন আপডেটের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে রিলস কাস্টিং ফিচার। এর সাহায্যে ইউজাররা মোবাইলের রিলস সরাসরি টিভির বড়পর্দায় দেখতে পাবেন। এমনকি সেভ করা কোনো ভিডিও টিভিতে চালানো যাবে। বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে কনটেন্ট শেয়ার করা আরও সহজ হবে।

আপনার পছন্দের বিষয়ভিত্তিক যেমন&mdash; কমেডি বা খেলাধুলার ওপর ভিত্তি করে রিকমেন্ডেড চ্যানেল তৈরি করা হয়েছে। আর বড়পর্দার জন্য বিশেষভাবে তৈরি হরিজন্টাল ভিডিওর জন্য একটি আলাদা বিভাগ বা হোম যুক্ত করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে গুগল টিভি, ফায়ার টিভি এবং স্যামসাংয়ের ২০২০ সালের পরবর্তী স্মার্ট টিভি মডেলগুলোতে এ সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।

শুধু রিলস নয়, টিভি অ্যাপে মেটার তরফে জানানো হয়েছে, ২০২০ বা তার পরে বাজারে আসা &lsquo;Samsung Smart TV&rsquo;-তে এ ফিচার ব্যবহার করা যাবে। এর আগে ইনস্টাগ্রামের TV অ্যাপ শুধু Amazon Fire TV এবং Google TV ডিভাইসেই উপলব্ধ ছিল। ইতোমধ্যে আমেরিকায় এ ফিচারটি চালু হয়েছে। শিগগিরই অন্যান্য দেশেও খুব তাড়াতাড়ি এটি চালু হতে চলেছে বলেও জানিয়েছে মেটা কর্তৃপক্ষ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 10:51:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/feature/16673" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/feature/16673</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন: একসময় কিশোরদের আড্ডা, গল্প আর খেলাধুলা সীমাবদ্ধ ছিল পাড়া-মহল্লা বা স্কুলের মাঠে। যুগের পরিবর্তনে সেই চিরচেনা আড্ডা এখন বন্দি হয়েছে স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। ফেসবুক গ্রুপ, মেসেঞ্জার চ্যাট, টিকটক লাইভ কিংবা অনলাইন গেমিংয়ের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোই নতুন প্রজন্মের প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

প্রযুক্তির আশীর্বাদের আড়ালেই ডালপালা মেলছে এক অন্ধকার অধ্যায়। যার নাম কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি। অপরাধের নীলনকশা তৈরি থেকে শুরু করে মারাত্মক মোবাইল আসক্তি, সবকিছু মিলিয়ে এক ভয়াবহ সংকটের মুখে বর্তমান প্রজন্ম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সমাজবিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশোর গ্যাংগুলোর দল গঠন, সদস্য সংগ্রহ, প্রতিপক্ষকে হুমকি দেওয়া এবং অপরাধের পরিকল্পনা করার মূল হাতিয়ার হয়ে উঠেছে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

র্যাবের দেওয়া তথ্যমতে, গত ছয় বছরে দেশে প্রায় ১ হাজার ১২৬ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর একটি বড় অংশই ধরা পড়েছে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে। গ্রেপ্তারকৃতদের মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারা মূলত ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত।

কোথাও কোথাও গ্যাংয়ের প্রভাব জাহির করতে, অস্ত্রের ছবি প্রদর্শন করে প্রতিপক্ষকে ভয় দেখাতে এবং নতুন সদস্য সংগ্রহেও ব্যবহার করা হয়েছে এই সামাজিক মাধ্যমগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকটক বা ফেসবুকে সস্তা ও সাময়িক জনপ্রিয়তা পাওয়ার অন্ধ প্রতিযোগিতাই অনেক কিশোরকে ঠেলে দিচ্ছে চরম ঝুঁকিপূর্ণ ও অপরাধমূলক পথের দিকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটেরব সহকারী অধ্যাপক &mdash; ড. মো. তৌহিদুল হক বলেছেন &quot;আমাদের দেশে এখন যার যেমন খুশি সেভাবেই মোবাইল বা ডিভাইস ব্যবহার করার অবাধ সুযোগ পাচ্ছে। প্রাথমিক স্তরের একজন শিক্ষার্থীও অ্যান্ড্রয়েড ফোন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট পেয়ে যাচ্ছে।&quot;

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে কিশোরদের আচরণে মারাত্মক নেতিবাচক পরিবর্তন আসছে। তারা ক্রমে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাচ্ছে। ভিনদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে তাদের মধ্যে আইন অমান্য করার প্রবণতা এবং বুদ্ধিভিত্তিক বিকলাঙ্গতার ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা ও অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে এখন নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ঐতিহাসিক আইন পাস করেছে। আইন অমান্য করলে প্ল্যাটফর্মগুলোকে ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। ফ্রান্সও ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য একই ধরনের বিল পাস করেছে। এ ছাড়া স্পেন, ব্রিটেন, নরওয়ে ও চীনসহ বহু দেশে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ বা &lsquo;মাইনর মোড&rsquo; চালু রয়েছে।

ইউনেস্কোর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৭৯টি দেশে (৪০ শতাংশ শিক্ষা ব্যবস্থায়) স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লাসে ফোনের একটিমাত্র নোটিফিকেশনের কারণে মনোযোগ হারালে, শিক্ষার্থীদের পুনরায় পাঠে ফিরতে প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় লেগে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরোপুরি প্রযুক্তি নিষিদ্ধ করা সবসময় যৌক্তিক বা কার্যকর নয়। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় অনলাইন শিক্ষা, জরুরি যোগাযোগ ও ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রযুক্তির প্রয়োজন রয়েছে। এই বাস্তবতায় অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠোর আইনের দেশেও ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার কিডস এবং গুগল ক্লাসরুমকে নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ বলেছেন, অনেক শিশু মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং বা বই পড়ার মতো গঠনমূলক কাজও করে। তাই জেন-জি পরবর্তী প্রজন্মের বিকাশকে অস্বীকার না করে তাদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে হবে। ঢালাও নিষেধাজ্ঞার ফলে অনেক কিশোর-কিশোরী সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

এই সংকট থেকে বাঁচতে শিশুদের সুস্থ ও স্বাভাবিক সামাজিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং ডিভাইসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো জরুরি হয়ে পড়েছে। প্রযুক্তির সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 10 Jun 2026 12:07:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিষিদ্ধ করলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13985" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13985</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সেনাবাহিনীতে সিনিয়র অফিসারদের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিষিদ্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল বা তার ওপরে পদমর্যাদার কর্মকর্তারা কেবল আইফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের ফোনে হ্যাকিং বা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই সংস্থাটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ইসরায়েলের আর্মি রেডিও এবং জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের কয়েক সপ্তাহ আগেই গুগল দাবি করেছিল যে, আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েড ফোন বেশি নিরাপদ।

বর্তমান হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ও সম্প্রসারিত আঞ্চলিক সংঘাতের আগেও ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে বহুবার হানি পট সাইবার হামলার খবর এসেছে। এ ধরনের হামলায় সেনাদের ডিভাইসকে লক্ষ্য করে করা হয়, যাতে ফোন বা কম্পিউটারে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সৈন্যদের অবস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য চুরি করা যায়। তবে এই নিষেধাজ্ঞা গুগলের জন্য হতাশাজনক খবর হতে পারে বলে ফোর্বস প্রতিবেদনে লিখেছে।

কারণ, ঠিক গত মাসেই গুগল ঘোষণা করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক অনুমোদন তালিকায় তাদের বিভিন্ন পিক্সেল ফোন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গুগল তখন বলেছিল, &lsquo;পিক্সেল ফোনগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে, যাতে বিভিন্ন মিশনের জন্য প্রস্তুত ও নিরাপদ থাকে এবং আমাদের ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সাবলীলভাবে কাজ করতে পারে।&rsquo; ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের এই সার্টিফিকেশনকে গুরুত্বপূর্ণ এক অগ্রগতি এবং বিভিন্ন সংস্থাকে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তি দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে গুগল বর্ণনা করেছিল।

জেরুজালেম পোস্ট লিখেছে, এই পদক্ষেপটি আগের কিছু উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতা, যার মধ্যে রয়েছে মোবাইল ব্যবহারের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ ও সেনাবাহিনীকে সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা। &lsquo;সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের সতর্কতা ও অনুশীলন চালাচ্ছে আইডিএফ। অ্যান্ড্রয়েড নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তও তারই অংশ,&rsquo; লিখেছে পত্রিকাটি।

ইসরায়েল ন্যাশনাল নিউজ বলেছে, নতুন নিয়ম অনুসারে আইফোন ছাড়া কোনো সামরিক মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলো ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত থাকবে, তবে সামরিক বা কমান্ড সম্পর্কিত কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ। যদিও নিরাপত্তা শক্তিশালী ও আইফোনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গত ১৮ থেকে ২৪ মাসে অ্যান্ড্রয়েডে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে গুগল, তবুও আইফোনের নিয়ন্ত্রিত ইকোসিস্টেম থাকার কারণে নিরাপত্তার দিক থেকে এখনও এগিয়ে রয়েছে অ্যাপল।

সূত্র: আর্মি রেডিও ও জেরুজালেম পোস্ট

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 02 Dec 2025 06:30:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজারে এল ‘মানুষ ধোয়ার’ মেশিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13972" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13972</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এক্সপো নামের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে একটি যন্ত্র। প্রদর্শনী চলাকালে এর চারপাশে জমত বিশাল ভিড়। এটির কার্যকারিতা দেখে তাঁদের চোখ রীতিমতো কপালে ওঠার অবস্থা। এটি একটি ওয়াশিং মেশিন। তবে প্রচলিত ওয়াশিং মেশিনের মতো এটি কাপড় ধোয়ার কাজ করে না। এর ভেতর আস্ত মানুষকেই ধুয়ে ফেলা যায়।

গত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলেছে এ প্রদর্শনী। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে &lsquo;হিউম্যান ওয়াশার ফর ফিউচার&rsquo; নামের যন্ত্রটি প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে ব্যাপক সাড়া ফেলার পর এবার এটি বিক্রির জন্য বাজারে আনা হয়েছে।

হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটি তৈরি করেছে জাপানি প্রতিষ্ঠান সায়েন্স। এটি ১৯৭০ সালে ওসাকা এক্সপোতে প্রদর্শিত একটি পুরোনো মডেলের হালনাগাদ সংস্করণ।

এ যন্ত্রের ভেতর ঢুকলে গোসল করা হয়ে যাবে। এর জন্য শুরুতে ব্যবহারকারীরা যন্ত্রের পডের মধ্যে শুয়ে পড়বেন। এরপর যন্ত্রের ঢাকনা বন্ধ করতে হবে। ভেতরে কাপড় ধোয়ার মতোই ওই ব্যক্তিও ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যাবেন। শুধু তা&ndash;ই নয়, এ সময় যন্ত্রের ভেতর সংগীতও বাজতে থাকবে। তবে কাপড় ধোয়ার যন্ত্রের মতো এখানে স্পিন অপশন থাকবে না।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সায়েন্সের মুখপাত্র সাচিকো মায়েকুরা বলেছেন, যন্ত্রটি শুধু শরীরই পরিষ্কার করে না, আত্মাও সতেজ করে। এটি ব্যবহারকারীর হৃৎস্পন্দন ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ক্রিয়া&ndash;প্রতিক্রিয়াগুলোও পর্যবেক্ষণ করে।

মার্কিন এক রিসোর্ট কোম্পানি হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটি কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে বাণিজ্যিকভাবে এটি উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয় সায়েন্স। প্রথম হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন কিনেছে ওসাকার একটি হোটেল কর্তৃপক্ষ। সেখানকার একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাঁরা হোটেলে আসা অতিথিদের এ যন্ত্র দিয়ে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

অন্য গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছে জাপানের ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রতিষ্ঠান ইয়ামাদা ডেনকি। তারা আশা করছে, এ যন্ত্র মানুষকে তাদের আউটলেটের প্রতি আকৃষ্ট করবে।

সাচিকো মায়েকুরা বলেছেন, যন্ত্রটির প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি হওয়ার কারণ এর দুষ্প্রাপ্যতা। আর এ জন্য মাত্র ৫০টি যন্ত্র উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে তাঁর প্রতিষ্ঠান।

হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটির খুচরা মূল্য ধরা হয়েছে ৬ কোটি ইয়েন (প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার)।
----এএফপি

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 01 Dec 2025 06:41:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এআইয়ের যুগে সাংবাদিকতা : প্রভাব ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিআইজেএফের কর্মশালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13950" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13950</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আজ আর ভবিষ্যতের গল্প নয়, এটি বর্তমানের বাস্তবতা। কনটেন্ট তৈরি থেকে তথ্য যাচাই, ডেটা বিশ্লেষণ ও নিউজরুম অটোমেশন&mdash; সবখানেই এআই সাংবাদিকদের সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ শক্তিশালী প্রযুক্তিকে কীভাবে দায়িত্বশীল ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, তা জানার জন্য বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে কর্মশালার আয়োজন করে।

&ldquo;এআই ইন জার্নালিজম : ইমপ্যাক্ট, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড&rdquo; শিরোনামে কর্মশালায় সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, &ldquo;এআই কোনো জাদুর চেরাগ নয়। আলাদিনের চেরাগের মতো, যত ভালোভাবে ব্যবহার করবেন, তত ভালো ফল পাবেন। এক টুল দিয়ে সব কাজ নয়, প্রয়োজনভেদে সঠিক টুল ব্যবহার করতে হবে। বিশ্বের বড় সংবাদমাধ্যম ইতোমধ্যে এআইকে নিউজরুমের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির সময় এখনই, না হলে আমরা পিছিয়ে পড়ব।&rdquo;

কর্মশালায় ব্যবহারিক দিক উপস্থাপন করেন দ্য ডেইলি স্টারের ডিজিটাল গ্রোথ এডিটর আজাদ বেগ। তিনি দেখান কীভাবে পিন পয়েন্ট এআই ও নোটবুক এলএম ব্যবহার করে দ্রুত, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন তৈরি করা যায়।

তিনি উল্লেখ করেন, &ldquo;এআই সহায়ক, প্রতিস্থাপক নয়। এটি কখনোই তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব নিতে পারবে না। ভুল ওয়েবসাইট বা পুরোনো তথ্য থেকেও এটি উত্তর দিতে পারে। সুতরাং সাংবাদিকের মূল দায়িত্ব সর্বদা যাচাই রাখা।&rdquo;

কর্মশালার সঞ্চালনা করেন বিআইজেএফ সভাপতি হিটলার এ. হালিম। স্বাগত বক্তব্যে সহ-সভাপতি ভূঁইয়া ইনাম লেনিন বলেন, &ldquo;আগে ফটোশপ এসেছিল, এখন এআই। প্রযুক্তি বদলেছে, আমাদেরও বদলাতে হবে।&rdquo;

সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান যোগ করেন, &ldquo;সময় ও দক্ষতা বৃদ্ধির তাগিদে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।&rdquo;

কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, বিআইজেএফ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা এবং বিসিএস মহাসচিব মো. মনিরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আবু চৌধুরী তুহিন অংশগ্রহণকারীর হাতে সনদ প্রদান করেন।

বিসিএস মহাসচিব মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, &ldquo;হার্ডওয়্যার বাজারে নকল ও রিফার্বিশড গ্যাজেটের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে। আইসিটি সাংবাদিকদের এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। আগামী ২৯&ndash;৩১ জানুয়ারি &lsquo;বিসিএস ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো&rsquo; আয়োজন করা হচ্ছে, যা চার বছরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত হবে।&rdquo;

কর্মশালা বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সহযোগিতায় এবং প্রযুক্তি ব্র্যান্ড গিগাবাইট বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালা সাংবাদিকদের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে তুলতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 30 Nov 2025 06:34:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ গ্রাহক বাজারে পাঁচ মাসেই মুখ থুবড়ে পড়ল স্টারলিংক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13486" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13486</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হয়েছে পাঁচ মাস আগে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা দুই হাজারের কম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যমতে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্টারলিংকের গ্রাহক ছিল ১ হাজার ৮৬২ জন, যার মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১ হাজার ২৫১ জন।

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তারা বাংলাদেশের বাজার ধরার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করেছিল। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ৫ আগস্ট গণ&ndash;অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে বিষয়টি নতুন করে গতি পায়। চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী গত ২০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড-এর তথ্যমতে, বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্টারলিংক। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা চালু করে। আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশেও তাদের সেবা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কেনিয়ায় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে স্টারলিংক চালু হওয়ার পর ২০ মাসে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৬৬ জন। আর নাইজেরিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত গ্রাহক হয়েছে প্রায় ৫৯ হাজার ৫০০ জন।

বাংলাদেশে তুলনামূলক কম গ্রাহক প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, &lsquo;স্টারলিংক যেসব সুবিধা দিচ্ছে, তার তুলনায় গ্রাহক সংখ্যা এখনও খুবই কম।&rsquo;

বিটিআরসি সূত্র জানায়, বর্তমানে স্টারলিংক কালিয়াকৈরে দুটি, যশোর ও রাজশাহীতে একটি করে গেটওয়ে স্থাপন করেছে। এছাড়া সৈয়দপুর, কক্সবাজার, সিলেট ও কুমিল্লায় নতুন গেটওয়ে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) থেকে প্রতিষ্ঠানটি ৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ নিয়েছে, যার মধ্যে ৩০ জিবিপিএস বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিটিআরসির সর্বশেষ কমিশন সভায় জানা গেছে, আইনানুগ আড়িপাতা ব্যবস্থার (লফুল ইন্টারসেপশন) জন্য স্টারলিংক যে মনিটরিং টুল সরবরাহ করেছে, তা প্রত্যাশিতভাবে কাজ করছে না। এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) আলোচনা চলছে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, দেশীয় আইআইজি অপারেটরের মাধ্যমে স্টারলিংকের গ্রাহক সেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য তারা প্রতিষ্ঠানটিকে আলাদা টুল সরবরাহ করতে বলেছে। স্টারলিংক জানিয়েছে, তারা এনটিএমসিকে দেওয়া একই টুল বিটিআরসিকেও দিতে পারবে। তবে বিটিআরসি মনে করছে, উভয় সংস্থার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে এই টুলের সক্ষমতা পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ ছাড়া স্টারলিংক বাংলাদেশ থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে ব্যান্ডউইডথ বিক্রির অনুমোদন চাইছে। তারা বাণিজ্যিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজড সার্কিট (আইপিএলসি) ও &lsquo;আনফিল্টারড আইপি&rsquo; সেবা চালুর অনুমতি চেয়ে গত আগস্টে বিটিআরসিকে চিঠি দেয়। তবে কমিশনের সর্বশেষ বৈঠকে বলা হয়, এই ধরনের বাণিজ্যিক ব্যবস্থার কোনো বিধান বর্তমান গাইডলাইনে নেই।

বিটিআরসি আরও জানায়, বিদেশি গ্রাহক বা রোমিং ব্যবহারকারীরা বাংলাদেশে স্টারলিংকের সেবা নিচ্ছে কি না এবং তারা দেশের স্থাপিত গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে সংযুক্ত কি না&mdash;এ বিষয়েও স্পষ্টতা আনতে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের নতুন অধ্যায় শুরু করলেও, প্রযুক্তি খাতে স্টারলিংকের প্রকৃত বাজার সম্ভাবনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা এখনও সময়ের অপেক্ষা।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Nov 2025 09:26:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে দ্রুত মেসেজ লেখার জন্য গুগলের এআই রাইটিং টুলস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12832" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12832</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্মার্টফোনে দ্রুত বার্তা লেখার পাশাপাশি সঠিকভাবে বাক্য গঠনের সুবিধা দিতে জিবোর্ড অ্যাপে এআইভিত্তিক নতুন রাইটিং টুলস যুক্ত করেছে গুগল। শুধু পিক্সেল সিরিজ নয়, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হালনাগাদ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেও মিলবে এই সুবিধা।

গুগলের তথ্যমতে, জিবোর্ডের রাইটিং টুলস ব্যবহারকারীর লেখা বার্তাকে আরও আনুষ্ঠানিক, সংক্ষিপ্ত বা অভিব্যক্তিপূর্ণ করে তুলবে। গুগলের জেমিনি ন্যানো মডেল কাজে লাগিয়ে দ্রুত বানান ও ব্যাকরণগত ভুল সংশোধনও করে দেবে রাইটিং টুলস। সব প্রক্রিয়া ফোনেই সম্পাদন হওয়ায় অনলাইনে তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা নেই। ফলে গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকবে, যা ক্লাউডভিত্তিক গ্রামার চেকারের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি জানিয়েছে, কিছু ব্যবহারকারী ইতিমধ্যেই জিবোর্ড অ্যাপে এআই রাইটিং টুলসের নতুন বাটন দেখতে পাচ্ছেন। বাটনটিতে চাপ দিলে প্রথমে একটি ছোট ফাইল ডাউনলোড হয়, এরপর সুবিধাটি চালু হয়। একবার সক্রিয় হলে এটি কিবোর্ডের অন্যান্য শর্টকাটের মতোই ব্যবহার করা যাবে।

পিক্সেল ৯ থেকে পরবর্তী মডেলের ফোনে ইংরেজি, চীনা, ফরাসি, ইতালীয়, জাপানি, কোরীয়, পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ ভাষায় সুবিধাটি ব্যবহার করা যাবে। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি ফোনগুলোয় রাইটিং টুলস সুবিধাটি কয়টা ভাষায় ব্যবহার করা যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 07 Sep 2025 09:37:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কনটেন্ট সার্চে আরও কঠোর গুগল, সচেতন না হলে ঝুঁকিতে অ্যাকাউন্ট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12101" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনলাইনে কিছু খোঁজার প্রয়োজন হলে প্রথমেই যেটি মাথায় আসে, তা হলো গুগল সার্চ। ঘুম থেকে জেগে রাতের ঘুম যাওয়ার আগপর্যন্ত অনেকবার গুগল ব্যবহার করা হয় আমাদের। তবে এখন থেকে যে কোনো কিছু হুট করে সার্চ করলেই বিপদ হতে পারে। কারণ, গুগল এখন কনটেন্ট সার্চে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর।

বিশ্বজুড়ে অনেক ব্যবহারকারীর গুগল অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা সাময়িক স্থগিত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। প্রশ্ন হচ্ছে&mdash;ঠিক কী কারণে এমনটা হচ্ছে?

গুগলের কড়াকড়ির পেছনে কী কারণ?

গুগল এখন তার নীতিমালা বাস্তবায়নে অনেক কঠোর। অশালীন বা বেআইনি কোনো কিছু খোঁজ করা, স্প্যাম পাঠানো বা অনৈতিক কনটেন্টে জড়িত থাকার অভিযোগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার নজির বাড়ছে।

গুগলের নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, যেকোনো কিছু নিয়ে কৌতূহল হলেই তা সার্চ করা ঠিক নয়। বিশেষ করে স্প্যাম, ম্যালওয়্যার, জালিয়াতি বা নীতিবিরুদ্ধ কোনো বিষয় সার্চ করলেই ব্যবহারকারী পড়তে পারেন জটিলতায়।

স্প্যাম সার্চ মানেই বাড়তি ঝুঁকি

গুগল স্প্যাম জাতীয় সার্চ একেবারেই বরদাস্ত করে না। যেমন&mdash;অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাঠানো, বিতর্কিত মন্তব্য করা বা বারবার একই বিষয়ে সার্চ করা। কেউ যদি স্প্যাম-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে জড়িত হন, তাহলে তার অ্যাকাউন্টের রিচ কমে যেতে পারে বা গুগল সেই অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারে।

ম্যালওয়্যার সার্চে জিরো টলারেন্স

গুগল ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার সম্পর্কিত কোনো কিছুকে অনুমোদন করে না। যেমন&mdash;ভাইরাস, ট্রোজান হর্স বা হ্যাকিং টুল। ভুলবশত এসব বিষয়ে সার্চ করা বা সন্দেহজনক লিংক ডাউনলোড করে ফেলার পরিণতিতে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধও হয়ে যেতে পারে।

এমনকি, এসব ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। গুগলের নীতিমালায় ম্যালওয়্যারুসংক্রান্ত তৎপরতা এক ধরনের সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

জালিয়াতিমূলক কার্যক্রমে কড়া নজরদারি

গুগল স্পষ্ট করে বলেছে&mdash;কোনো রকম প্রতারণা বা জালিয়াতি সহ্য করা হবে না। ফিশিং, জাল রিভিউ, ভুয়া অফার ইত্যাদি যদি কেউ সার্চ করেন বা এর সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়া উচিত। এতে শুধু অ্যাকাউন্ট হারানোর ঝুঁকিই নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য গুগল সেবা ব্যবহারেও জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নীতিমালা ভাঙলেই শাস্তি

যেসব বিষয় গুগলের কমিউনিটি গাইডলাইনের আওতায় পড়ে&mdash;যেমন অশালীন কনটেন্ট, ঘৃণামূলক ভাষা, জাতিগত বৈষম্যমূলক বক্তব্য, অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ&mdash;এগুলো লঙ্ঘন করলে প্রথমে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। পরে প্রয়োজনে আর্থিক জরিমানাও হতে পারে।

গুগল কর্তৃপক্ষ চাইলে চূড়ান্তভাবে ওই অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করতে পারে। তাই আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি সাবধান হয়ে গুগল সার্চ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজকের দিনে ইন্টারনেট ব্যবহার যেমন জরুরি, তেমনি সচেতন থাকাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে কিছু খোঁজার আগে একটু ভেবে নেওয়াই এখন সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:29:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ম্যাকওএসের চ্যাটজিপিটি প্লাসে রেকর্ড মোড  ফিচার চালু করল ওপেনএআই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12100" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ম্যাকওএস ব্যবহারকারীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাসে নতুন একটি উদ্ভাবনী ফিচার উন্মোচন করেছে ওপেনএআই&mdash; &lsquo;রেকর্ড মোড&rsquo;। এই ফিচারের মাধ্যমে এখন ব্যবহারকারীরা তাদের মিটিং, কনফারেন্স কল বা যেকোনো ধরনের অডিও কথোপকথন সরাসরি চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে রেকর্ড করতে পারবেন এবং তা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রান্সক্রিপশন (লিখিত রূপ), সারসংক্ষেপ ও প্রাসঙ্গিক নোট পেতে পারবেন।

গত মাসে ফিচারটি প্রথমবার চালু করা হয়েছিল শুধুমাত্র চ্যাটজিপিটি টিম প্ল্যান ব্যবহারকারীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে। তবে এবার ওপেনএআই এটি প্লাস সাবস্ক্রাইবারদের জন্যও উন্মুক্ত করেছে, বিশেষ করে ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে।

কীভাবে কাজ করে রেকর্ড মোড?

রেকর্ড মোড মূলত ওপেনএআই&rsquo;র উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি ম্যাকের সিস্টেম অডিও এক্সেস করে এবং চলমান অডিও কনভারসেশনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড করে। এরপর AI সেই রেকর্ড থেকে:

পুরো কথোপকথনের লিখিত রূপ (ট্রান্সক্রিপশন) তৈরি করে

মূল পয়েন্ট ও আলোচ্য বিষয়ের সংক্ষিপ্ত সার তৈরি করে

প্রাসঙ্গিক নোট প্রস্তুত করে, যা পরবর্তী কাজে বা রেফারেন্সে কাজে লাগে

এই ফিচারটি বিশেষ করে হাইব্রিড ও রিমোট কাজের পরিবেশে থাকা পেশাজীবীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হতে পারে। মিটিংয়ের সময় হাতে কলমে নোট নেয়ার প্রয়োজন পড়বে না&mdash;এআই নিজেই সেই কাজ করে দেবে।

 

গোপনীয়তা ও নিয়ন্ত্রণ

রেকর্ড মোড চালু থাকাকালীন ব্যবহারকারীকে স্পষ্টভাবে জানানো হয় এবং এটি ব্যবহারকারীর সম্মতি ছাড়া গোপনে কিছুই রেকর্ড করে না। ইউজার চাইলে যেকোনো সময় রেকর্ডিং বন্ধ করতে পারবেন এবং সংরক্ষিত ডেটা মুছে ফেলতেও পারবেন।

 

উপকারিতা সংক্ষেপে:

সিস্টেম অডিও থেকে স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপশন

কথোপকথনের সারসংক্ষেপ ও নোট তৈরি

কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি

গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার দলিলকরণ সহজতর

ফিচারটি কীভাবে ব্যবহার করবেন?

ম্যাকওএসে চ্যাটজিপিটি অ্যাপ ইনস্টল করা থাকলে এবং আপনি প্লাস সাবস্ক্রাইবার হলে, রেকর্ড মোড ফিচারটি অ্যাপের ইন্টারফেসে একটি বাটন আকারে দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে আপনি রেকর্ডিং চালু বা বন্ধ করতে পারবেন।

এই ফিচারটি চ্যাটজিপিটি-কে শুধুমাত্র একটি কথোপকথনমূলক টুল থেকে আরও একটি ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট-এ রূপান্তর করছে, যা ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজে বাস্তবিক সহায়তা দিতে সক্ষম।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:24:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কনটেন্ট কপি বন্ধে নীতিমালায় কঠোর হচ্ছে ফেসবুক ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12099" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12099</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেসবুকের কনটেন্ট নির্মাণ ও মনিটাইজেশন নীতিমালায় আসছে বড় পরিবর্তন। প্ল্যাটফর্মটিতে অন্যের ভিডিও কপি করে প্রকাশ করা, পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রোফাইল নকল করা বা জনপ্রিয় কনটেন্ট অনুকরণ করে একই ধরনের ভিডিও বানানোয় এবার নিষেধাজ্ঞা আনছে মেটা।

মেটা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা ক্রমাগত ফিডে একই ধাঁচের কনটেন্ট দেখতে দেখতে বিরক্ত। একটি মিম বা রিল ভাইরাল হওয়ার পরপরই শুরু হয় তার অসংখ্য অনুকরণ। এতে মূলত নতুন ও মৌলিক কনটেন্ট গুলিয়ে যায়, যা নির্মাতাদের জন্যও হতাশাজনক।

মেটা জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি ঠেকাতেই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও প্ল্যাটফর্মটিতে অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মেটা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে স্প্যাম লিংক ও কমেন্টের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই ধরনের পোস্ট ও কমেন্ট বারবার দেওয়ায় পাঁচ লাখের বেশি অ্যাকাউন্টের রিচ সীমিত করা হয়েছে। কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দেওয়ার সুযোগও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত এক কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, যারা কপি করা কনটেন্ট প্রকাশ করবেন, তাঁদের আর মনিটাইজেশনের সুযোগ দেওয়া হবে না। বরং যারা নিজস্ব চিন্তা ও মৌলিক আইডিয়া দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন, শুধুমাত্র তারাই পাবে আয়ের সুযোগ ও মনিটাইজেশন পার্টনারের স্বীকৃতি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:20:30 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
