<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/techlife</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/techlife"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla techlife Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest techlife News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 02 Dec 2025 06:30:14 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিষিদ্ধ করলো ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13985" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13985</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) সেনাবাহিনীতে সিনিয়র অফিসারদের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোন নিষিদ্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল বা তার ওপরে পদমর্যাদার কর্মকর্তারা কেবল আইফোন ব্যবহার করতে পারবেন।

উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের ফোনে হ্যাকিং বা অনুপ্রবেশের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই সংস্থাটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ইসরায়েলের আর্মি রেডিও এবং জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে জানা গেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের কয়েক সপ্তাহ আগেই গুগল দাবি করেছিল যে, আইফোনের তুলনায় অ্যান্ড্রয়েড ফোন বেশি নিরাপদ।

বর্তমান হামাসের সঙ্গে সংঘর্ষ ও সম্প্রসারিত আঞ্চলিক সংঘাতের আগেও ইসরায়েলি সৈন্যদের লক্ষ্য করে বহুবার হানি পট সাইবার হামলার খবর এসেছে। এ ধরনের হামলায় সেনাদের ডিভাইসকে লক্ষ্য করে করা হয়, যাতে ফোন বা কম্পিউটারে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে সৈন্যদের অবস্থানের মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক তথ্য চুরি করা যায়। তবে এই নিষেধাজ্ঞা গুগলের জন্য হতাশাজনক খবর হতে পারে বলে ফোর্বস প্রতিবেদনে লিখেছে।

কারণ, ঠিক গত মাসেই গুগল ঘোষণা করেছিল যে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক অনুমোদন তালিকায় তাদের বিভিন্ন পিক্সেল ফোন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। গুগল তখন বলেছিল, &lsquo;পিক্সেল ফোনগুলো এমনভাবে তৈরি হয়েছে, যাতে বিভিন্ন মিশনের জন্য প্রস্তুত ও নিরাপদ থাকে এবং আমাদের ইকোসিস্টেমের সঙ্গে সাবলীলভাবে কাজ করতে পারে।&rsquo; ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদনের এই সার্টিফিকেশনকে গুরুত্বপূর্ণ এক অগ্রগতি এবং বিভিন্ন সংস্থাকে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তি দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে গুগল বর্ণনা করেছিল।

জেরুজালেম পোস্ট লিখেছে, এই পদক্ষেপটি আগের কিছু উদ্যোগেরই ধারাবাহিকতা, যার মধ্যে রয়েছে মোবাইল ব্যবহারের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ ও সেনাবাহিনীকে সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা। &lsquo;সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের সতর্কতা ও অনুশীলন চালাচ্ছে আইডিএফ। অ্যান্ড্রয়েড নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তও তারই অংশ,&rsquo; লিখেছে পত্রিকাটি।

ইসরায়েল ন্যাশনাল নিউজ বলেছে, নতুন নিয়ম অনুসারে আইফোন ছাড়া কোনো সামরিক মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না। অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলো ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত থাকবে, তবে সামরিক বা কমান্ড সম্পর্কিত কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ। যদিও নিরাপত্তা শক্তিশালী ও আইফোনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গত ১৮ থেকে ২৪ মাসে অ্যান্ড্রয়েডে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে গুগল, তবুও আইফোনের নিয়ন্ত্রিত ইকোসিস্টেম থাকার কারণে নিরাপত্তার দিক থেকে এখনও এগিয়ে রয়েছে অ্যাপল।

সূত্র: আর্মি রেডিও ও জেরুজালেম পোস্ট

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 02 Dec 2025 06:30:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজারে এল ‘মানুষ ধোয়ার’ মেশিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13972" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13972</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড এক্সপো নামের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছে একটি যন্ত্র। প্রদর্শনী চলাকালে এর চারপাশে জমত বিশাল ভিড়। এটির কার্যকারিতা দেখে তাঁদের চোখ রীতিমতো কপালে ওঠার অবস্থা। এটি একটি ওয়াশিং মেশিন। তবে প্রচলিত ওয়াশিং মেশিনের মতো এটি কাপড় ধোয়ার কাজ করে না। এর ভেতর আস্ত মানুষকেই ধুয়ে ফেলা যায়।

গত এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলেছে এ প্রদর্শনী। সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে &lsquo;হিউম্যান ওয়াশার ফর ফিউচার&rsquo; নামের যন্ত্রটি প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীতে ব্যাপক সাড়া ফেলার পর এবার এটি বিক্রির জন্য বাজারে আনা হয়েছে।

হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটি তৈরি করেছে জাপানি প্রতিষ্ঠান সায়েন্স। এটি ১৯৭০ সালে ওসাকা এক্সপোতে প্রদর্শিত একটি পুরোনো মডেলের হালনাগাদ সংস্করণ।

এ যন্ত্রের ভেতর ঢুকলে গোসল করা হয়ে যাবে। এর জন্য শুরুতে ব্যবহারকারীরা যন্ত্রের পডের মধ্যে শুয়ে পড়বেন। এরপর যন্ত্রের ঢাকনা বন্ধ করতে হবে। ভেতরে কাপড় ধোয়ার মতোই ওই ব্যক্তিও ধুয়ে পরিষ্কার হয়ে যাবেন। শুধু তা&ndash;ই নয়, এ সময় যন্ত্রের ভেতর সংগীতও বাজতে থাকবে। তবে কাপড় ধোয়ার যন্ত্রের মতো এখানে স্পিন অপশন থাকবে না।

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান সায়েন্সের মুখপাত্র সাচিকো মায়েকুরা বলেছেন, যন্ত্রটি শুধু শরীরই পরিষ্কার করে না, আত্মাও সতেজ করে। এটি ব্যবহারকারীর হৃৎস্পন্দন ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক ক্রিয়া&ndash;প্রতিক্রিয়াগুলোও পর্যবেক্ষণ করে।

মার্কিন এক রিসোর্ট কোম্পানি হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটি কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করলে বাণিজ্যিকভাবে এটি উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেয় সায়েন্স। প্রথম হিউম্যান ওয়াশিং মেশিন কিনেছে ওসাকার একটি হোটেল কর্তৃপক্ষ। সেখানকার একজন মুখপাত্র বলেছেন, তাঁরা হোটেলে আসা অতিথিদের এ যন্ত্র দিয়ে সেবা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

অন্য গ্রাহকদের মধ্যে রয়েছে জাপানের ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রতিষ্ঠান ইয়ামাদা ডেনকি। তারা আশা করছে, এ যন্ত্র মানুষকে তাদের আউটলেটের প্রতি আকৃষ্ট করবে।

সাচিকো মায়েকুরা বলেছেন, যন্ত্রটির প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি হওয়ার কারণ এর দুষ্প্রাপ্যতা। আর এ জন্য মাত্র ৫০টি যন্ত্র উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছে তাঁর প্রতিষ্ঠান।

হিউম্যান ওয়াশিং মেশিনটির খুচরা মূল্য ধরা হয়েছে ৬ কোটি ইয়েন (প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার মার্কিন ডলার)।
----এএফপি

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 01 Dec 2025 06:41:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এআইয়ের যুগে সাংবাদিকতা : প্রভাব ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিআইজেএফের কর্মশালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13950" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13950</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আজ আর ভবিষ্যতের গল্প নয়, এটি বর্তমানের বাস্তবতা। কনটেন্ট তৈরি থেকে তথ্য যাচাই, ডেটা বিশ্লেষণ ও নিউজরুম অটোমেশন&mdash; সবখানেই এআই সাংবাদিকদের সহায়ক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ শক্তিশালী প্রযুক্তিকে কীভাবে দায়িত্বশীল ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়, তা জানার জন্য বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে কর্মশালার আয়োজন করে।

&ldquo;এআই ইন জার্নালিজম : ইমপ্যাক্ট, চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড দ্য ওয়ে ফরওয়ার্ড&rdquo; শিরোনামে কর্মশালায় সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী।

তিনি বলেন, &ldquo;এআই কোনো জাদুর চেরাগ নয়। আলাদিনের চেরাগের মতো, যত ভালোভাবে ব্যবহার করবেন, তত ভালো ফল পাবেন। এক টুল দিয়ে সব কাজ নয়, প্রয়োজনভেদে সঠিক টুল ব্যবহার করতে হবে। বিশ্বের বড় সংবাদমাধ্যম ইতোমধ্যে এআইকে নিউজরুমের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির সময় এখনই, না হলে আমরা পিছিয়ে পড়ব।&rdquo;

কর্মশালায় ব্যবহারিক দিক উপস্থাপন করেন দ্য ডেইলি স্টারের ডিজিটাল গ্রোথ এডিটর আজাদ বেগ। তিনি দেখান কীভাবে পিন পয়েন্ট এআই ও নোটবুক এলএম ব্যবহার করে দ্রুত, মানসম্মত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন তৈরি করা যায়।

তিনি উল্লেখ করেন, &ldquo;এআই সহায়ক, প্রতিস্থাপক নয়। এটি কখনোই তথ্য যাচাইয়ের দায়িত্ব নিতে পারবে না। ভুল ওয়েবসাইট বা পুরোনো তথ্য থেকেও এটি উত্তর দিতে পারে। সুতরাং সাংবাদিকের মূল দায়িত্ব সর্বদা যাচাই রাখা।&rdquo;

কর্মশালার সঞ্চালনা করেন বিআইজেএফ সভাপতি হিটলার এ. হালিম। স্বাগত বক্তব্যে সহ-সভাপতি ভূঁইয়া ইনাম লেনিন বলেন, &ldquo;আগে ফটোশপ এসেছিল, এখন এআই। প্রযুক্তি বদলেছে, আমাদেরও বদলাতে হবে।&rdquo;

সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন হাসান যোগ করেন, &ldquo;সময় ও দক্ষতা বৃদ্ধির তাগিদে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।&rdquo;

কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, বিআইজেএফ নির্বাহী কমিটির সদস্যরা এবং বিসিএস মহাসচিব মো. মনিরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আবুল হাসান ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আবু চৌধুরী তুহিন অংশগ্রহণকারীর হাতে সনদ প্রদান করেন।

বিসিএস মহাসচিব মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, &ldquo;হার্ডওয়্যার বাজারে নকল ও রিফার্বিশড গ্যাজেটের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে। আইসিটি সাংবাদিকদের এ বিষয়ে দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন। আগামী ২৯&ndash;৩১ জানুয়ারি &lsquo;বিসিএস ডিজিটাল ডিভাইস ও ইনোভেশন এক্সপো&rsquo; আয়োজন করা হচ্ছে, যা চার বছরের বিরতির পর অনুষ্ঠিত হবে।&rdquo;

কর্মশালা বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস) সহযোগিতায় এবং প্রযুক্তি ব্র্যান্ড গিগাবাইট বাংলাদেশের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মশালা সাংবাদিকদের এআই প্রযুক্তি ব্যবহার ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম করে তুলতে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 30 Nov 2025 06:34:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ গ্রাহক বাজারে পাঁচ মাসেই মুখ থুবড়ে পড়ল স্টারলিংক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13486" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/13486</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংকের যাত্রা শুরু হয়েছে পাঁচ মাস আগে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা দুই হাজারের কম। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্যমতে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্টারলিংকের গ্রাহক ছিল ১ হাজার ৮৬২ জন, যার মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ১ হাজার ২৫১ জন।

ইলন মাস্কের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবাদাতা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকেই তারা বাংলাদেশের বাজার ধরার চেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও পরিচালনা করেছিল। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ৫ আগস্ট গণ&ndash;অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় এলে বিষয়টি নতুন করে গতি পায়। চলতি বছরের মার্চে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু করতে নির্দেশ দেন। সেই অনুযায়ী গত ২০ মে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রযুক্তিভিত্তিক গণমাধ্যম রেস্ট অব ওয়ার্ল্ড-এর তথ্যমতে, বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্টারলিংক। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সেবা চালু করে। আফ্রিকার ২০টির বেশি দেশেও তাদের সেবা রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, কেনিয়ায় ২০২৩ সালের জুলাইয়ে স্টারলিংক চালু হওয়ার পর ২০ মাসে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৬৬ জন। আর নাইজেরিয়ায় ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত গ্রাহক হয়েছে প্রায় ৫৯ হাজার ৫০০ জন।

বাংলাদেশে তুলনামূলক কম গ্রাহক প্রসঙ্গে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন, &lsquo;স্টারলিংক যেসব সুবিধা দিচ্ছে, তার তুলনায় গ্রাহক সংখ্যা এখনও খুবই কম।&rsquo;

বিটিআরসি সূত্র জানায়, বর্তমানে স্টারলিংক কালিয়াকৈরে দুটি, যশোর ও রাজশাহীতে একটি করে গেটওয়ে স্থাপন করেছে। এছাড়া সৈয়দপুর, কক্সবাজার, সিলেট ও কুমিল্লায় নতুন গেটওয়ে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) থেকে প্রতিষ্ঠানটি ৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ নিয়েছে, যার মধ্যে ৩০ জিবিপিএস বর্তমানে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিটিআরসির সর্বশেষ কমিশন সভায় জানা গেছে, আইনানুগ আড়িপাতা ব্যবস্থার (লফুল ইন্টারসেপশন) জন্য স্টারলিংক যে মনিটরিং টুল সরবরাহ করেছে, তা প্রত্যাশিতভাবে কাজ করছে না। এই বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) আলোচনা চলছে।

বিটিআরসি আরও জানিয়েছে, দেশীয় আইআইজি অপারেটরের মাধ্যমে স্টারলিংকের গ্রাহক সেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য তারা প্রতিষ্ঠানটিকে আলাদা টুল সরবরাহ করতে বলেছে। স্টারলিংক জানিয়েছে, তারা এনটিএমসিকে দেওয়া একই টুল বিটিআরসিকেও দিতে পারবে। তবে বিটিআরসি মনে করছে, উভয় সংস্থার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে এই টুলের সক্ষমতা পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ ছাড়া স্টারলিংক বাংলাদেশ থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে ব্যান্ডউইডথ বিক্রির অনুমোদন চাইছে। তারা বাণিজ্যিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল প্রাইভেট লিজড সার্কিট (আইপিএলসি) ও &lsquo;আনফিল্টারড আইপি&rsquo; সেবা চালুর অনুমতি চেয়ে গত আগস্টে বিটিআরসিকে চিঠি দেয়। তবে কমিশনের সর্বশেষ বৈঠকে বলা হয়, এই ধরনের বাণিজ্যিক ব্যবস্থার কোনো বিধান বর্তমান গাইডলাইনে নেই।

বিটিআরসি আরও জানায়, বিদেশি গ্রাহক বা রোমিং ব্যবহারকারীরা বাংলাদেশে স্টারলিংকের সেবা নিচ্ছে কি না এবং তারা দেশের স্থাপিত গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে সংযুক্ত কি না&mdash;এ বিষয়েও স্পষ্টতা আনতে প্রতিষ্ঠানটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেটের নতুন অধ্যায় শুরু করলেও, প্রযুক্তি খাতে স্টারলিংকের প্রকৃত বাজার সম্ভাবনা কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা এখনও সময়ের অপেক্ষা।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Nov 2025 09:26:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে দ্রুত মেসেজ লেখার জন্য গুগলের এআই রাইটিং টুলস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12832" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12832</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্মার্টফোনে দ্রুত বার্তা লেখার পাশাপাশি সঠিকভাবে বাক্য গঠনের সুবিধা দিতে জিবোর্ড অ্যাপে এআইভিত্তিক নতুন রাইটিং টুলস যুক্ত করেছে গুগল। শুধু পিক্সেল সিরিজ নয়, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হালনাগাদ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেও মিলবে এই সুবিধা।

গুগলের তথ্যমতে, জিবোর্ডের রাইটিং টুলস ব্যবহারকারীর লেখা বার্তাকে আরও আনুষ্ঠানিক, সংক্ষিপ্ত বা অভিব্যক্তিপূর্ণ করে তুলবে। গুগলের জেমিনি ন্যানো মডেল কাজে লাগিয়ে দ্রুত বানান ও ব্যাকরণগত ভুল সংশোধনও করে দেবে রাইটিং টুলস। সব প্রক্রিয়া ফোনেই সম্পাদন হওয়ায় অনলাইনে তথ্য ফাঁসের আশঙ্কা নেই। ফলে গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকবে, যা ক্লাউডভিত্তিক গ্রামার চেকারের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম অ্যান্ড্রয়েড অথরিটি জানিয়েছে, কিছু ব্যবহারকারী ইতিমধ্যেই জিবোর্ড অ্যাপে এআই রাইটিং টুলসের নতুন বাটন দেখতে পাচ্ছেন। বাটনটিতে চাপ দিলে প্রথমে একটি ছোট ফাইল ডাউনলোড হয়, এরপর সুবিধাটি চালু হয়। একবার সক্রিয় হলে এটি কিবোর্ডের অন্যান্য শর্টকাটের মতোই ব্যবহার করা যাবে।

পিক্সেল ৯ থেকে পরবর্তী মডেলের ফোনে ইংরেজি, চীনা, ফরাসি, ইতালীয়, জাপানি, কোরীয়, পর্তুগিজ ও স্প্যানিশ ভাষায় সুবিধাটি ব্যবহার করা যাবে। তবে অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি ফোনগুলোয় রাইটিং টুলস সুবিধাটি কয়টা ভাষায় ব্যবহার করা যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 07 Sep 2025 09:37:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কনটেন্ট সার্চে আরও কঠোর গুগল, সচেতন না হলে ঝুঁকিতে অ্যাকাউন্ট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12101" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12101</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনলাইনে কিছু খোঁজার প্রয়োজন হলে প্রথমেই যেটি মাথায় আসে, তা হলো গুগল সার্চ। ঘুম থেকে জেগে রাতের ঘুম যাওয়ার আগপর্যন্ত অনেকবার গুগল ব্যবহার করা হয় আমাদের। তবে এখন থেকে যে কোনো কিছু হুট করে সার্চ করলেই বিপদ হতে পারে। কারণ, গুগল এখন কনটেন্ট সার্চে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর।

বিশ্বজুড়ে অনেক ব্যবহারকারীর গুগল অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা সাময়িক স্থগিত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। প্রশ্ন হচ্ছে&mdash;ঠিক কী কারণে এমনটা হচ্ছে?

গুগলের কড়াকড়ির পেছনে কী কারণ?

গুগল এখন তার নীতিমালা বাস্তবায়নে অনেক কঠোর। অশালীন বা বেআইনি কোনো কিছু খোঁজ করা, স্প্যাম পাঠানো বা অনৈতিক কনটেন্টে জড়িত থাকার অভিযোগে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হওয়ার নজির বাড়ছে।

গুগলের নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, যেকোনো কিছু নিয়ে কৌতূহল হলেই তা সার্চ করা ঠিক নয়। বিশেষ করে স্প্যাম, ম্যালওয়্যার, জালিয়াতি বা নীতিবিরুদ্ধ কোনো বিষয় সার্চ করলেই ব্যবহারকারী পড়তে পারেন জটিলতায়।

স্প্যাম সার্চ মানেই বাড়তি ঝুঁকি

গুগল স্প্যাম জাতীয় সার্চ একেবারেই বরদাস্ত করে না। যেমন&mdash;অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল পাঠানো, বিতর্কিত মন্তব্য করা বা বারবার একই বিষয়ে সার্চ করা। কেউ যদি স্প্যাম-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে জড়িত হন, তাহলে তার অ্যাকাউন্টের রিচ কমে যেতে পারে বা গুগল সেই অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করতে পারে।

ম্যালওয়্যার সার্চে জিরো টলারেন্স

গুগল ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার সম্পর্কিত কোনো কিছুকে অনুমোদন করে না। যেমন&mdash;ভাইরাস, ট্রোজান হর্স বা হ্যাকিং টুল। ভুলবশত এসব বিষয়ে সার্চ করা বা সন্দেহজনক লিংক ডাউনলোড করে ফেলার পরিণতিতে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধও হয়ে যেতে পারে।

এমনকি, এসব ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। গুগলের নীতিমালায় ম্যালওয়্যারুসংক্রান্ত তৎপরতা এক ধরনের সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

জালিয়াতিমূলক কার্যক্রমে কড়া নজরদারি

গুগল স্পষ্ট করে বলেছে&mdash;কোনো রকম প্রতারণা বা জালিয়াতি সহ্য করা হবে না। ফিশিং, জাল রিভিউ, ভুয়া অফার ইত্যাদি যদি কেউ সার্চ করেন বা এর সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তাহলে এখনই সতর্ক হওয়া উচিত। এতে শুধু অ্যাকাউন্ট হারানোর ঝুঁকিই নয়, ভবিষ্যতে অন্যান্য গুগল সেবা ব্যবহারেও জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নীতিমালা ভাঙলেই শাস্তি

যেসব বিষয় গুগলের কমিউনিটি গাইডলাইনের আওতায় পড়ে&mdash;যেমন অশালীন কনটেন্ট, ঘৃণামূলক ভাষা, জাতিগত বৈষম্যমূলক বক্তব্য, অন্যের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ&mdash;এগুলো লঙ্ঘন করলে প্রথমে অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়। পরে প্রয়োজনে আর্থিক জরিমানাও হতে পারে।

গুগল কর্তৃপক্ষ চাইলে চূড়ান্তভাবে ওই অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করতে পারে। তাই আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি সাবধান হয়ে গুগল সার্চ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজকের দিনে ইন্টারনেট ব্যবহার যেমন জরুরি, তেমনি সচেতন থাকাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে কিছু খোঁজার আগে একটু ভেবে নেওয়াই এখন সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:29:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ম্যাকওএসের চ্যাটজিপিটি প্লাসে রেকর্ড মোড  ফিচার চালু করল ওপেনএআই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12100" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12100</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ম্যাকওএস ব্যবহারকারীদের জন্য চ্যাটজিপিটি প্লাসে নতুন একটি উদ্ভাবনী ফিচার উন্মোচন করেছে ওপেনএআই&mdash; &lsquo;রেকর্ড মোড&rsquo;। এই ফিচারের মাধ্যমে এখন ব্যবহারকারীরা তাদের মিটিং, কনফারেন্স কল বা যেকোনো ধরনের অডিও কথোপকথন সরাসরি চ্যাটজিপিটির মাধ্যমে রেকর্ড করতে পারবেন এবং তা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রান্সক্রিপশন (লিখিত রূপ), সারসংক্ষেপ ও প্রাসঙ্গিক নোট পেতে পারবেন।

গত মাসে ফিচারটি প্রথমবার চালু করা হয়েছিল শুধুমাত্র চ্যাটজিপিটি টিম প্ল্যান ব্যবহারকারীদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে। তবে এবার ওপেনএআই এটি প্লাস সাবস্ক্রাইবারদের জন্যও উন্মুক্ত করেছে, বিশেষ করে ম্যাকওএস অপারেটিং সিস্টেমে।

কীভাবে কাজ করে রেকর্ড মোড?

রেকর্ড মোড মূলত ওপেনএআই&rsquo;র উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এটি ম্যাকের সিস্টেম অডিও এক্সেস করে এবং চলমান অডিও কনভারসেশনগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে রেকর্ড করে। এরপর AI সেই রেকর্ড থেকে:

পুরো কথোপকথনের লিখিত রূপ (ট্রান্সক্রিপশন) তৈরি করে

মূল পয়েন্ট ও আলোচ্য বিষয়ের সংক্ষিপ্ত সার তৈরি করে

প্রাসঙ্গিক নোট প্রস্তুত করে, যা পরবর্তী কাজে বা রেফারেন্সে কাজে লাগে

এই ফিচারটি বিশেষ করে হাইব্রিড ও রিমোট কাজের পরিবেশে থাকা পেশাজীবীদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হতে পারে। মিটিংয়ের সময় হাতে কলমে নোট নেয়ার প্রয়োজন পড়বে না&mdash;এআই নিজেই সেই কাজ করে দেবে।

 

গোপনীয়তা ও নিয়ন্ত্রণ

রেকর্ড মোড চালু থাকাকালীন ব্যবহারকারীকে স্পষ্টভাবে জানানো হয় এবং এটি ব্যবহারকারীর সম্মতি ছাড়া গোপনে কিছুই রেকর্ড করে না। ইউজার চাইলে যেকোনো সময় রেকর্ডিং বন্ধ করতে পারবেন এবং সংরক্ষিত ডেটা মুছে ফেলতেও পারবেন।

 

উপকারিতা সংক্ষেপে:

সিস্টেম অডিও থেকে স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপশন

কথোপকথনের সারসংক্ষেপ ও নোট তৈরি

কাজের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি

গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার দলিলকরণ সহজতর

ফিচারটি কীভাবে ব্যবহার করবেন?

ম্যাকওএসে চ্যাটজিপিটি অ্যাপ ইনস্টল করা থাকলে এবং আপনি প্লাস সাবস্ক্রাইবার হলে, রেকর্ড মোড ফিচারটি অ্যাপের ইন্টারফেসে একটি বাটন আকারে দেখা যাবে। সেখানে ক্লিক করে আপনি রেকর্ডিং চালু বা বন্ধ করতে পারবেন।

এই ফিচারটি চ্যাটজিপিটি-কে শুধুমাত্র একটি কথোপকথনমূলক টুল থেকে আরও একটি ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট-এ রূপান্তর করছে, যা ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজে বাস্তবিক সহায়তা দিতে সক্ষম।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:24:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কনটেন্ট কপি বন্ধে নীতিমালায় কঠোর হচ্ছে ফেসবুক ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12099" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12099</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফেসবুকের কনটেন্ট নির্মাণ ও মনিটাইজেশন নীতিমালায় আসছে বড় পরিবর্তন। প্ল্যাটফর্মটিতে অন্যের ভিডিও কপি করে প্রকাশ করা, পরিচিত কনটেন্ট নির্মাতাদের প্রোফাইল নকল করা বা জনপ্রিয় কনটেন্ট অনুকরণ করে একই ধরনের ভিডিও বানানোয় এবার নিষেধাজ্ঞা আনছে মেটা।

মেটা জানিয়েছে, ব্যবহারকারীরা ক্রমাগত ফিডে একই ধাঁচের কনটেন্ট দেখতে দেখতে বিরক্ত। একটি মিম বা রিল ভাইরাল হওয়ার পরপরই শুরু হয় তার অসংখ্য অনুকরণ। এতে মূলত নতুন ও মৌলিক কনটেন্ট গুলিয়ে যায়, যা নির্মাতাদের জন্যও হতাশাজনক।

মেটা জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি ঠেকাতেই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও প্ল্যাটফর্মটিতে অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে মেটা। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে স্প্যাম লিংক ও কমেন্টের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই ধরনের পোস্ট ও কমেন্ট বারবার দেওয়ায় পাঁচ লাখের বেশি অ্যাকাউন্টের রিচ সীমিত করা হয়েছে। কিছু অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট দেওয়ার সুযোগও সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত এক কোটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, যারা কপি করা কনটেন্ট প্রকাশ করবেন, তাঁদের আর মনিটাইজেশনের সুযোগ দেওয়া হবে না। বরং যারা নিজস্ব চিন্তা ও মৌলিক আইডিয়া দিয়ে কনটেন্ট তৈরি করেন, শুধুমাত্র তারাই পাবে আয়ের সুযোগ ও মনিটাইজেশন পার্টনারের স্বীকৃতি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:20:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইন্টারনেটের সর্বোচ্চ গতি পেতে যা করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12098" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12098</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমানে দ্রুতগতির ইন্টারনেট আর কল্পনার বিষয় নয়। অনেক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আইএসপি এখন বাসাবাড়ির গ্রাহকদের জন্য ১০০ মেগাবিট থেকে শুরু করে গিগাবিট স্পিড পর্যন্ত সংযোগ দিচ্ছে। পাশাপাশি বিডিআইএক্স সংযোগ ও ক্যাশ সার্ভারের সুবিধাও যুক্ত হয়েছে, যার ফলে ইউটিউব, ফেসবুক বা গেমিংয়ের মতো জনপ্রিয় সেবাগুলো পাওয়া যাচ্ছে আরও দ্রুতগতিতে।

তবুও অনেকেই এই উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারছেন না। এর বড় কারণ হলো ভুল রাউটার ব্যবহার, মানসম্পন্ন কেবলের অভাব ও অপ্রতুল নেটওয়ার্ক সেটআপ।

মাত্র ৬০০-৭০০ টাকার প্যাকেজেও এখন বিডিআইএক্স ও ক্যাশ সার্ভারের সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে, অথচ অনেকে সঠিক ডিভাইস না থাকায় এই সুবিধার পুরোটা পাচ্ছেন না। তাই উচ্চগতির ইন্টারনেট পেতে হলে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি।

কেবলের মান ঠিক রাখুন

বর্তমানে অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে বাসা বা অফিসে ইন্টারনেট পৌঁছায়। এই ফাইবার সরাসরি রাউটার বা কম্পিউটারে যুক্ত করা যায় না। এজন্য &lsquo;ওনু&rsquo; বা &lsquo;জিপন&rsquo; ডিভাইস ব্যবহার করা হয়, যা থেকে ল্যান কেবলের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয় রাউটার বা কম্পিউটারে।

অনেকেই এখনো পুরনো ক্যাট-৫ ল্যান কেবল ব্যবহার করেন, যা সর্বোচ্চ ১০০ মেগাবিট গতিতে ডেটা পাঠাতে পারে। ফলে আপনি যদি উচ্চগতির সংযোগ নিয়ে থাকেন, তবুও কেবল সীমাবদ্ধতার কারণে গতি পাবেন না।

এক্ষেত্রে অন্তত ক্যাট-৫ই বা ক্যাট-৬ কেবল ব্যবহার করা উচিত। কেবল কেনার সময় অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে সেটি ১ গিগাবিট পর্যন্ত গতি সমর্থন করে কি না। দীর্ঘ ল্যান কেবল ব্যবহার করলেও গতি কমে যেতে পারে, বিশেষ করে যদি একাধিক তলায় বা দূরবর্তী ঘরে সংযোগ দেওয়া হয়।

রাউটার ঠিকমতো বেছে নিন

অনেকেই সাশ্রয়ী মূল্যে রাউটার কেনেন, কিন্তু বুঝে উঠতে পারেন না এতে আসলে কতটা গতি পাওয়া সম্ভব। বেশিরভাগ কমদামি রাউটারে ইন্টারনেট ইনপুট পোর্ট থাকে মাত্র ১০০ মেগাবিট গতি সমর্থনযোগ্য, যদিও রাউটারের বক্সে লেখা থাকে ৩০০-১২০০ মেগাবিট পর্যন্ত ওয়াই-ফাই গতি।

মূলত এই গতি ওয়াইফাই এর মধ্যে ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে কত দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে&mdash;তা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, ইন্টারনেট গতি নয়। তাই রাউটার কেনার সময় অবশ্যই ল্যান এবং ওয়্যান পোর্ট গিগাবিট স্পিড সাপোর্ট করে কি না, তা দেখে কেনা উচিত।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রাউটারের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড। প্রচলিত ২.৪ গিগাহার্জ নেটওয়ার্ক শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অনেক সময় ভীড়ের কারণে ধীর গতিতে চলে। এ সমস্যা এড়াতে ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সির ডুয়াল-ব্যান্ড রাউটার বেছে নেওয়া ভালো। গিগাবিট রাউটারগুলোর বেশিরভাগেই ডুয়াল-ব্যান্ড সুবিধা থাকে।

মেশ নেটওয়ার্কের ব্যবহার

বড় বাসা বা অফিসে একক রাউটার দিয়ে পুরো জায়গায় উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করা কঠিন। অনেকে এক্সটেন্ডার ব্যবহার করলেও তাতে গতি কমে যেতে পারে। এ সমস্যার কার্যকর সমাধান হলো মেশ নেটওয়ার্ক।

বাজারে পাওয়া যায় দুটি বা তিনটি রাউটার সম্বলিত মেশ প্যাকেজ, যেগুলোর সঙ্গে থাকে নির্দিষ্ট মানচিত্র বা নির্দেশিকা&mdash;কোথায় কোন ইউনিট বসানো উচিত। ঠিকমতো মেশ কনফিগার করলে পুরো ঘরেই মসৃণ এবং দ্রুতগতির নেটওয়ার্ক পাওয়া সম্ভব।

ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক সেটিংস

ডেস্কটপ কম্পিউটারে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স পেতে হলে ল্যান কেবল ব্যবহার করাই শ্রেয়। কেবল ব্যবহারে সংযোগ হয় স্থিতিশীল ও দ্রুত। তবে খেয়াল রাখতে হবে, কম্পিউটারের ল্যান পোর্ট বা কার্ড গিগাবিট স্পিড সমর্থন করছে কি না।

গিগাবিট রাউটার ও উপযুক্ত ক্যাবল ব্যবহারে প্রতি সেকেন্ডে ১১০ মেগাবাইট পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব, তবে অবশ্যই সেটিংস থেকে নিশ্চিত হতে হবে ডিভাইসে গিগাবিট মোড সক্রিয় রয়েছে।

মোবাইল, ল্যাপটপ বা ট্যাবলেটে দ্রুতগতির জন্য চেষ্টা করতে হবে ৫ গিগাহার্জ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার। তবে মনে রাখতে হবে, এই ফ্রিকোয়েন্সির রেঞ্জ কম হওয়ায় দেয়াল বা বাধা থাকলে গতি হ্রাস পেতে পারে। ওয়াইফাই ৬ সমর্থিত রাউটার ও ডিভাইস থাকলে ৫০০ মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া সম্ভব।

রাউটার ঠিকঠাকভাবে বসান

রাউটার যেন ঘরের মাঝামাঝি জায়গায় থাকে, সেটা নিশ্চিত করা জরুরি। এক পাশে বসালে অন্য প্রান্তে সিগন্যাল দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ওয়াইফাই রেঞ্জ বাড়াতে সঠিক চ্যানেল নির্বাচন করাও গুরুত্বপূর্ণ।

২.৪ গিগাহার্জ নেটওয়ার্কে মাত্র ১২টি চ্যানেল থাকে, যেগুলোর মধ্যে কম ব্যবহৃত চ্যানেল বেছে নেওয়া উচিত। আর ৫ গিগাহার্জ নেটওয়ার্কের চ্যানেল বেছে নেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, আপনি যে ডিভাইস ব্যবহার করছেন সেটি যেন সেই চ্যানেল সমর্থন করে।

রাউটার গরম হয়ে গেলে পারফরম্যান্স কমে যেতে পারে, তাই এটি বদ্ধ স্থানে না রেখে খোলামেলা জায়গায় রাখতে হবে।

সঠিক কেবল, মানসম্মত রাউটার ও ঠিকঠাক নেটওয়ার্ক সেটআপ&mdash;এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করতে পারলেই বর্তমান সময়ের উচ্চগতির ইন্টারনেট সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করা সম্ভব।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 08:16:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুগল প্লে স্টোরে অ্যাপ নিরাপদ কি-না বুঝবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12083" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/12083</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

প্লে স্টোর থেকে মাঝে মাঝেই বিপজ্জনক অ্যাপ সরিয়ে নেয় গুগল। এ ধরনের অ্যাপের সংখ্যা নেহাত কম নয়&mdash;প্রতিদিনই হাজার হাজার অ্যাপ বাতিল করা হয়। ব্যবহারকারীদের তথ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এমন পদক্ষেপ নেয় গুগল।

বর্তমানে গুগলের প্লে স্টোরে রয়েছে লাখ লাখ অ্যাপ। প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় অ্যাপ ডাউনলোড করে নিচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। কিন্তু এর মাঝেই লুকিয়ে থাকে কিছু ক্ষতিকর অ্যাপ, যেগুলো দেখতে হয়তো আসল অ্যাপের মতোই। অথচ এসব অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে নিতে পারে সাইবার অপরাধীরা।

 

তাহলে কীভাবে বুঝবেন কোন অ্যাপ ক্ষতিকর? লক্ষ করার মতো কয়েকটি দিক আছে, যেগুলো চোখে পড়লেই আপনি সন্দেহজনক অ্যাপ চিনে নিতে পারবেন।

 

১. অ্যাপ ডাউনলোডের আগে ডেভেলপার এবং বিবরণ যাচাই করুন

কোনো নতুন অ্যাপ ইনস্টল করার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো&mdash;এটি কে তৈরি করেছে? ডেভেলপারের নাম, অ্যাপটি প্রথম কবে রিলিজ হয়েছে এবং এতে কী ধরনের ফিচার রয়েছে&mdash;এসব ভালোভাবে দেখে নেওয়া দরকার। অ্যাপের বিবরণ অংশে যদি ভুল বানান, অস্বাভাবিক ভাষা বা অসংলগ্ন তথ্য থাকে, তবে সেটি হতে পারে একটি সন্দেহজনক ইঙ্গিত।

 

২. রিভিউ ও রেটিং থেকেই মিলতে পারে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত

একটি অ্যাপের বিশ্বাসযোগ্যতা বোঝার অন্যতম উপায় হলো ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া। রেটিং কম হলে বা যদি বেশিরভাগ রিভিউতে একরকমের ভাষা বা একই ধরনের মন্তব্য পাওয়া যায়, তাহলে সেটি হতে পারে কোনো অটোমেটেড বা ভুয়া রিভিউয়ের ইঙ্গিত। এমন অ্যাপ থেকে দূরে থাকাই ভালো।

 

৩. অতিরিক্ত পারমিশন চাওয়া অ্যাপ থেকে সাবধান

আপনার ফোনে কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার সময় যদি তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পারমিশন চায়&mdash;যেমন: ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কনট্যাক্টস বা লোকেশন অ্যাক্সেস&mdash;তাহলে সেটি সতর্ক হওয়ার মতো বিষয়। একইসঙ্গে যদি কোনো অ্যাপ &ldquo;একেবারে ফ্রি&rdquo;, &ldquo;লাইফটাইম আনলিমিটেড&rdquo; ইত্যাদি প্রলোভন দেখায়, তাহলে সেটা প্রতারণার ফাঁদও হতে পারে।

 

৪. গুগল প্লে প্রোটেক্ট ফিচার চালু রাখুন

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা &#39;গুগল প্লে প্রোটেক্ট&#39; একটি বিল্ট-ইন নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনস্টল হওয়ার আগে অ্যাপগুলো স্ক্যান করে। এটি সন্দেহজনক অ্যাপ শনাক্ত করে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে। তাই এই ফিচার সক্রিয় থাকলে আপনি অনেকাংশেই সুরক্ষিত থাকবেন।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Jul 2025 07:16:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভবিষ্যতের ক্যানভাসে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11907" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11907</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একটা সময় ছিল, যখন ডিজাইন মানেই পোস্টার, ব্যানার বা বিজ্ঞাপন বোর্ডে স্থির কোনো ছবি। কিন্তু এখন? এখন ডিজাইন যেন চলতে শুরু করেছে। কথা বলছে। গল্প বলছে। সেটাই হচ্ছে মোশন গ্রাফিক্স।

দর্শকের মন এখন শুধু দেখায় সীমাবদ্ধ নয়-তারা চায় অনুভব করতে। অনেকগুলো বাক্স ভেঙে গিয়ে লোগো রূপ নেয়, তথ্য ছড়িয়ে পড়ে আলো আর ছায়ার খেলায়, আর একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে ওঠে চমকে দেওয়া অভিজ্ঞতা। এটাই মোশন গ্রাফিক্স-যেখানে নীরবতা ভেঙে ডিজাইন কথা বলে, আর প্রতিটি ফ্রেম হয়ে ওঠে গল্পের একেকটি শব্দ।

বাংলাদেশে অনেকেই হয়তো এখনো ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি, কত বড় একটা পরিবর্তন চলে এসেছে মিডিয়া ও ডিজাইন জগতে। মোশন গ্রাফিক্স এখন কেবল টিভি স্ক্রিনেই নয়, আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ এমনকি বিলবোর্ডেও ঢুকে পড়েছে। প্রতিটি কোম্পানি চায়, তাদের মেসেজ যেন ৫ সেকেন্ডেই দর্শকের মনে গেঁথে যায়। সেই জায়গায় মোশন গ্রাফিক্স কাজ করছে এক নির্ভরযোগ্য সৈনিকের মতো।

ঢাকার গলিতে গলিতে এখন অনেক বাসা, ক্যাফে, কো-ওয়ার্কিং স্পেসে বসে তরুণরা বানাচ্ছে ২-৩ সেকেন্ডের অ্যানিমেটেড ভিডিও, যেটা দেখিয়েই কোনো ব্র্যান্ড বিক্রি করে ফেলছে হাজার হাজার ইউনিট পণ্য । অনেকেই কাজ করছেন আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে, কেউ ইউটিউবে নিজের গল্প বলছেন মোশন গ্রাফিক্স দিয়ে। শুধু ডিজাইন জানা নয়-এখন দরকার মুভমেন্ট বোঝা, টাইমিং বোঝা, অনুভব বোঝা।

তবে সমস্যা একটাই-এখনো অনেক শিক্ষার্থী জানেই না এই জগতের ব্যাপারে। হাতে গোনা কয়েকটি ইনস্টিটিউট ছাড়া কোথাও মানসম্মত প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া যাদের আগ্রহ আছে, তাদের অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথা থেকে শুরু করবেন।

তবে আশার খবর এই যে, দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক কনটেন্ট, স্টার্টআপের বিজ্ঞাপন-সবখানেই মোশন গ্রাফিক্সের চাহিদা বাড়ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রাফিক্স-কেন্দ্রিক হয়েছে। এমনকি সংবাদ উপস্থাপনাতেও এখন চলমান গ্রাফিক্স ব্যবহার হচ্ছে।

হয়ত একজন মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট ঢাকার একটি ছোট ঘরে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও বানাচ্ছেন, আবার কেউ বানাচ্ছেন পরিবেশ নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, কেউ হয়তো নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শিশুদের শেখাচ্ছেন বর্ণমালা। এই প্রতিটা উদাহরণই বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিশা দিচ্ছে।

মোশন গ্রাফিক্স আর কল্পনার বিষয় নয়-এটি এখন বাস্তব। এটি একটি শিল্প, একটি পেশা, একটি নতুন যুগের ভাষা। যদি তরুণ প্রজন্ম এটি নিয়ে এগিয়ে আসে, আর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স শুধু একটি ট্রেন্ড থাকবে না-এটি হবে একটি শিল্পবিপ্লব।

লেখক: দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স), মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যাকাডেমি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Jul 2025 09:14:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/11908" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/11908</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তির অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান । আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো - সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ-সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিকস, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি-যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা&mdash;Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না-বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে-এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক:দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি
গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:38:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননায় ভূষিত দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11809" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11809</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতকে আলোকিত করে নিজের মুকুটে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত করলেন দেবাশীষ দাস। স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট কর্তৃক ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা।

সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়- একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন- দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন- দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানীজ স্টাডিজ বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; পুরস্কার তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক।

আমারবাঙলা/ইউকে/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Jun 2025 17:43:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11808" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11808</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তি অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে; যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান। আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো- সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ- সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিক্স, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি- যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা- Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না- বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে- এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক: ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন

ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি

গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ওয়েবসাইট: www.debasishdas.me

ইমেইল: debasishdas2000@gmail.com

 

আমারবাঙলা/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Jun 2025 08:09:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একটানা কত ঘণ্টা এসি চালানো উচিত?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11174" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/11174</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে এসি আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এসি ব্যবহার দিন দিন বারছেই। অনেকে আবার নতুন এসি কিনতে চাচ্ছেন। এসি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা হচ্ছে বিদ্যুৎ খরচ। তার উপর আবার এসির নানান সমস্যা দেখা দিতেই পারে। যা সার্ভিসিং করাতে বেশ খরচও হয়ে যায়।

অনেকেই সারাদিন অর্থাৎ একটানা ২৪ ঘণ্টাই এসি ছেড়ে রাখেন আবার কেউ ৮ কিংবা ১০ ঘণ্টা ব্যবহার করেন। কিন্তু জানেন কি একটানা বা অনেক সময় ধরে এসি চালানো আপনার জন্য বিপজ্জনক হতে পারে? কিছু সাধারণ ভুলের কারণে আপনার এসিতে আগুন পর্যন্ত ধরে যেতে পারে এবং বড় কোনো ক্ষতি হতে পারে?

অনেকেই মনে করেন যে, অল্প সময়ের জন্য বাইরে গেলে এসি বন্ধ করার দরকার নেই, যাতে তারা ফিরে এলেও ঘর ঠান্ডা থাকে। কিন্তু এই ধারণা একদম ভুল। একটানা চললে এসি অতিরিক্ত গরম হয়ে যেতে পারে, যা আপনার এসি মেশিনটির স্বাস্থ্যের জন্য বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে।

এসি চালাতে কত সময় লাগে তা আপনার ঘরের আকার এবং এসির টনেজের উপর নির্ভর করে। ১ টনের এসি (ছোট ঘর) ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং ১.৫ বা ২ টনের এসি (বড় ঘর) ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা একটানা চালানো উচিত। এরপর, এসিকে কিছুটা বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন।

যদি এসি ক্রমাগত চালু রাখা হয়, তাহলে এটি গরম হতে শুরু করে। কম্প্রেসার অতিরিক্ত লোড হয়ে যায়, ভেতরের যন্ত্রাংশ গরম হয়ে যায় আবার বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। আর যদি আপনি মনে করেন যে এসি শুধু একটা মেশিন মাত্র, এটাকে কেন আর আরাম দেওয়ার দরকার, তাহলে কিন্তু খুব ভুল করছেন।

যদি আপনি বিরতি না দিয়ে এসি চালাতে থাকেন লাগাতার, তাহলে এসিটির কম্প্রেসারে আগুন ধরে যেতে পারে আচমকা। এমনকি এসির প্লাস্টিকের বডি গলে যেতে পারে।

একটানা দীর্ঘক্ষণ ও মাত্রাতিরিক্ত এসি চললে তা আগুন লেগে যাওয়ার মতো ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এখানেই শেষ নয়, এসির এই জাতীয় ভুল ব্যবহার গোটা বাড়ির বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার ক্ষতি করতে পারে। তাই মাঝে মাঝে এসি বন্ধ করুন এবং এসি মেশিনটিকে ঠান্ডা হতে একটু সময় দিন।

এই বিপদগুলি এড়াতে আপনার কয়েকটি বিষয় মনে রাখা উচিত। বাইরে বেরোনোর সময় মনে করে এসি বন্ধ করে দিন, সময়ে সময়ে টাইমার সেট করুন যাতে এসি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

ঘরটি মোটা পর্দা ইত্যাদি দিয়ে এই গরমের সময় তাপ অন্তরক রাখুন যাতে ঠান্ডা বাইরে না যায়। নিয়মিত এসি সার্ভিস করুন। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখবেন যে কেবল ঠান্ডা বাতাস পাওয়াই যথেষ্ট নয়, বুদ্ধির সঙ্গে সঠিক নিয়মে এসি চালানোও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি আপনি এসি মেশিনটির ব্যবহারের ক্ষেত্রে অসাবধান থাকেন, তাহলে এমন একটা সময় আসতে পারে যখন হয়ত আচমকা আগুন ধরে যেতে পারে।

আমারবাঙলা/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 18 May 2025 06:30:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মহাবিশ্বের কাঠামো কত বড়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10890" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10890</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল মূলত বিভিন্ন গ্যালাক্সির বিশাল জালিকা; যা মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড় কাঠামো। এই কাঠামোর আকার এতই বিশাল যে সেটির পুরো অংশ কোনো মানুষের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। এত দিন ধারণা করা হতো যে হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল এক হাজার কোটি আলোকবর্ষ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। তবে নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল এক হাজার কোটি নয়, দেড় হাজার কোটি আলোকবর্ষ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে।

সুপারনোভা বিস্ফোরণের মাধ্যমে সৃষ্ট গামা-রে বার্স্ট বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা গ্রেট ওয়ালের নতুন দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করতে সক্ষম হয়েছেন।

গবেষণার তথ্যমতে, হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল ক্লাস্টারটি পূর্বের ধারণার চেয়ে আকারে বেশ বড়। গবেষকেরা রেডশিফটসহ ৫৪২টি গামা-রে বার্স্ট পরীক্ষা করেছেন; যা প্রায় দেড় হাজার কোটি আলোকবর্ষজুড়ে বিস্তৃত।

২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও হাঙ্গেরির একদল বিজ্ঞানী হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল আবিষ্কার করেন। এই বিশাল কাঠামোর গঠন ও উৎপত্তির তথ্য এখনো রহস্যে ঘেরা। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এত বড় কাঠামো মহাবিশ্বের বর্তমান মডেল অনুসারে অল্প সময়ে গঠিত হওয়া কঠিন। আর তাই হারকিউলিস-করোনা বোরেলিস গ্রেট ওয়াল মহাবিশ্বের বৃহৎ আকারের কাঠামো ও গ্যালাক্সির বিবর্তন সম্পর্কে প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করছে।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে বিজ্ঞানীরা কুইপু নামে আরেকটি বৃহৎ কাঠামো আবিষ্কারের দাবি করেছেন। তাদের দাবি, এই কাঠামো এক হাজার ৩০০ কোটি আলোকবর্ষ এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চেয়ে ১৩ হাজার গুণ বড় এই কাঠামো।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 29 Apr 2025 04:46:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিউবার একটি রেস্তোরাঁ যেন অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রের সেট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10820" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10820</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কিউবার &lsquo;ডোনা অ্যালিসিয়া&rsquo; নামের একটি রেস্তোরাঁ প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে গেছে। সাত বছর আগে চালু হওয়া রেস্তোরাাঁটিতে ঢুকলে মনে হবে আপনি কোনো অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্রের সেটে ঢুকে পড়েছেন।

এই রেস্তোরাঁ ধীরে ধীরে প্রযুক্তিকে আপন করে নিয়েছে। শুরুতে টেবিলগুলোতে ছিল ট্যাবলেট, পরে যুক্ত হয় অ্যালেক্সা সার্ভিস (অ্যামাজনের তৈরি একটি ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট; যা কণ্ঠস্বরের নির্দেশনা মেনে কাজ করে)। এসব ছাড়াও রেস্তোরাঁর টেবিলের স্ক্রিনে দেখা মিলবে ডিজিটাল মেন্যুর। প্রক্ষালন কক্ষে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় দরজা।

তবে এ রেস্তোরাঁর সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো খাবার পরিবেশনকারী এক রোবট। রেস্তোরাঁর মালিকের দাদির নামে নামকরণ করা &lsquo;ডোনা অ্যালিসিয়া&rsquo; নামের রোবটকে পছন্দ করে বাচ্চা-বুড়ো সবাই। অনেকেই তার সঙ্গে তোলেন সেলফিও।

৬৪ বছর বয়সী সরকারি কর্মকর্তা সোনিয়া পেরেজ এ রেস্তোরাঁয় এসে রীতিমতো চমকে গিয়ে বললেন, &lsquo;মনে হচ্ছে আমি কোনো কার্টুন চলচ্চিত্রের ভেতর ঢুকে পড়েছি। ইস, যদি কিউবায় এমন আরো রেস্তোরাঁ থাকত!&rsquo;

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 26 Apr 2025 05:18:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মহাকাশ অভিযানে বিপ্লব ঘটিয়েছেন অনেক নারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10795" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10795</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপার ভাবনার বিষয় আকাশ। প্রাচীন ধর্মযাজক ও ব্যাবিলনীয়রা তারার উপাসনা করতেন, গ্রিকরা এসবের মানচিত্র তৈরি করেছিলেন এবং এদের বুঝতে শুরু করেছিলেন।

মহাবিশ্বে কী ঘটছে তা প্রত্যেকের কৌতূহলের বিষয়। এ থেকেই মহাকাশে আধুনিক গবেষণা ও অনুসন্ধান। এমন ক্ষেত্রে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ও অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করে চলছেন।

নারীরা কেবল মহাকাশ অভিযানেই যাননি বরং এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতিও নারীদের হাত ধরেই এসেছে। এরা মহাবিশ্বের জন্য তাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন।

জেনে নেওয়া যাক সেসব নারীদের সম্পর্কে&ndash;

ক্যাথরিন জনসন: যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার শুরুর দিনগুলোতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণিতবিদ ছিলেন ক্যাথরিন জনসন। নাসার পূর্বসূরী &lsquo;এনএসিএ&rsquo;তে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারীদের একজনও ছিলেন তিনি।

১৯১৮ সালের ২৬ অগাস্টে জন্মেছিলেন জনসন। ডিজিটাল কম্পিউটিং সময়েরও আগে নাসার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ &lsquo;হিউম্যান কম্পিউটার&rsquo; ছিলেন তিনি। অসংখ্য ঐতিহাসিক নাসা মিশনের কক্ষপথ ও গতিপথ ম্যানুয়ালি গণনা করেছিলেন জনসন। যার মধ্যে রয়েছে প্রথম আমেরিকান হিসেবে অ্যালান শেপার্ডের ঐতিহাসিক মহাকাশ মিশনও।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে তাকে সম্মান জানান প্রেসিডেন্সিয়াল মেডাল অফ ফ্রিডমের মাধ্যমে।

ডরোথি ভন: নাসার আরেকজন মূল সদস্য ও &lsquo;হিউম্যান কম্পিউটার&rsquo; ছিলেন ডরোথি ভন। ভার্জিনিয়ার &lsquo;ল্যাংলি রিসার্চ সেন্টার&rsquo;-এর কোনো বিভাগের সুপারভাইজার হিসাবে দায়িত্ব পালনকারী প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারীও ছিলেন তিনি।

&lsquo;হিউম্যান কম্পিউটার&rsquo; হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন ভন। ডিজিটাল কম্পিউটিংয়ের আবির্ভাবের মাধ্যমে নাসার হয়ে কাজ করেছিলেন তিনি। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে ও তার গণিতবিদদের দল &lsquo;ওয়েস্ট এরিয়া কম্পিউটার্স&rsquo;কে কোডিং ভাষাও শিখিয়েছিলেন ভন।

মেরি উইনস্টন জ্যাকসন: নাসার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রকৌশলী ছিলেন ১৯২১ সালে জন্ম নেওয়া মেরি জ্যাকসন। সংস্থাটির সুপারভাইজার পদে প্রস্তাব পাওয়ার পরও তিনি স্বেচ্ছায় পদাবনতি গ্রহণ করেন, যা সুপারভাইজারের চেয়ে কম মর্যাদাপূর্ণ হলেও নাসায় কর্মী নিয়োগের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছিল।

এ ভূমিকায় তিনি নাসায় নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে ও আরো বেশি সংখ্যায় নারীরের নিয়োগ করতে পেরেছিলেন তিনি।

২০০৫ সালে মারা যাওয়া জ্যাকসনকে মরণোত্তর &lsquo;কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল&rsquo; দেওয়া হয়েছিল এবং তারই সম্মানে নাসার ওয়াশিংটন ডিসি সদর দপ্তরের নাম পরিবর্তন করে সংস্থাটি।

ভ্যালেন্তিনা তেরেসকোভা: রাশিয়ান মহাকাশচারী ও টেক্সটাইল কারখানার সাবেক কর্মী ভ্যালেন্টিনা তেরেসকোভা ছিলেন মহাকাশে যাওয়া প্রথম নারী এবং ২০২২ সাল পর্যন্ত একক মহাকাশ মিশন চালানো সবচেয়ে কনিষ্ঠ নারীও।

তেরেসকোভা ১৯৬৩ সালের ৬ জুন মহাকাশে যান এবং ফিরে আসার আগে ৪৮ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। এরপর আর মহাকাশে না গেলেও মহাকাশ কর্মসূচিতে একজন প্রশিক্ষক হিসাবে কাজ করে গিয়েছেন তেরেসকোভা। ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে রাশিয়ার &lsquo;জুকোভস্কি এয়ার ফোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাকাডেমি&rsquo; থেকে স্নাতক করেন তিনি।

স্যালি রাইড: তেরেস্কোভার মহাকাশে যাওয়ার প্রায় দুই দশক পর ১৯৮৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানী স্যালি রাইড প্রথম মার্কিন নারী হিসেবে মহাকাশে যান। ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের একমাত্র পরিচিত সদস্য ছিলেন যিনি মহাকাশে গিয়েছিলেন।

মহাকাশে ভ্রমণের সময় পরিণতির ভয়ে নিজের ওরিয়েন্টেশন পরিচয় গোপন রেখেছিলেন রাইড। তবে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী টেনিস খেলোয়াড় ট্যাম ও&#39;শাগনেসিকে নিজের মৃত্যুর বাণীতে তাদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ করার অনুমতি দিয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

কিটি জয়নার: কিটি জয়নার ১৯৩৯ সালে কেবল &lsquo;এনএসিএ&rsquo;-এর প্রথম নারী প্রকৌশলীই ছিলেন না, বরং &lsquo;ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া&rsquo;র ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম থেকে স্নাতক হওয়া প্রথম নারীও ছিলেন জয়নার।

১৯৭১ সাল পর্যন্ত এনএসিএ ও নাসায় কাজ চালিয়ে গিয়েছেন জয়নার, যেখানে সংস্থাটির বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্প তদারকি করার পাশাপাশি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপও নিয়েছেন তিনি, যা পরবর্তীতে সুপারসনিক ফ্লাইটের আবির্ভাবের দিকে নিয়ে গেছে বিশ্বকে।

স্বেতলানা সাভিতস্কায়া: ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভা প্রথম নারী হিসেবে মহাকাশে ইতিহাস গড়ার উনিশ বছর পর তার স্বদেশী স্বেতলানা সাভিতস্কায়া দ্বিতীয় নারী হয়ে ওঠেন এবং তার নিজেরও কিছু প্রথম সাফল্য রয়েছে।

১৯৮৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো মহাকাশ ভ্রমণে যান সাভিতস্কায়া এবং তিনিই ইতিহাসের প্রথম নারী হিসেবে ওই সময় স্পেস ওয়াক করেন। &lsquo;স্যালিউট ৭&rsquo; মহাকাশ স্টেশনের বাইরে সাড়ে তিন ঘণ্টা কাটিয়েছিলেন তিনি।

পেগি হুইটসন: ২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন বা আইএসএস-এর প্রথম নারী কমান্ডার হন পেগি হুইটসন। এরপর ২০১৫ সালে আবারও আইএসএসের কমান্ডার হন তিনি। যেন একজন ব্যক্তির জন্য ইতিহাস তৈরির ক্ষেত্রে একবার যথেষ্ট নয়।

২০২২ সাল পর্যন্ত একজন আমেরিকান হিসেবে মহাকাশে দীর্ঘতম সময় কাটানোর রেকর্ডটিও রয়েছে হুইটসনের ঝুলিতে। বিস্ময়কর যে, মোট ৬৬৫ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন তিনি।

২০০৮ সালে তার &lsquo;সয়ুজ টিএমএ-১১&rsquo; মহাকাশযানটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনরায় প্রবেশের সময় ক্ষতির মুখে পড়লেও অল্পের জন্য দুর্ঘটনা এড়াতে পেরেছিলেন হুইটসন। ফলে লক্ষ্যমাত্রার বাইরে চারশ ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবতরণ করেছিল মহাকাশযানটি।

ই সো-ইয়ন: ২০০৮ সালে প্রথম দক্ষিণ কোরিয়ান নারী হিসেবে মহাকাশে যান ই সো-ইয়ন। এ সময় আরও দুই রুশ মহাকাশচারীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ভ্রমণ করেন তিনি।

আইএসএসে থাকাকালীন মহাকাশে ফলের মাছির আচরণ, শূন্য মাধ্যাকর্ষণে মুখ ফুলে ওঠার মতো ঘটনা ও পৃথিবীর আবহাওয়ার ধরন নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়েছিলেন সো-ইয়ন।

ক্যাথরিন সালিভান: সাভিতস্কায়ার কয়েক মাস পরে ১৯৮৪ সালে প্রথম আমেরিকান নারী হিসেবে মহাকাশে হেঁটেছিলেন ক্যাথরিন সালিভান। তার পরবর্তী মহাকাশ অভিযানও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ এই মিশনেই হাবল টেলিস্কোপ উৎক্ষেপিত হয়েছিল।

১৯৯০ সালে টেলিস্কোপ উৎক্ষেপণে সহায়তা করেছিলেন সালিভান এবং এর রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের কাজে সহায়তার জন্য অসংখ্যবার মহাকাশে ভ্রমণ করেছিলেন তিনি। ১৯৯৩ সালে অবসর নেওয়ার আগে মহাকাশে মোট পাঁচশ ৩২ ঘণ্টা সময় কাটিয়েছেন সালিভান।

মে জেমিসন: যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার ডেকাটুরে জন্ম নেওয়া চিকিৎসক ও প্রকৌশলী মে জেমিসন ১৯৮৭ সালে নাসার নভোচারী প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হন। এর পাঁচ বছর পর মহাকাশে যাওয়া প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী হন তিনি।

নাসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একজন গবেষক ছিলেন জেমিসন। তার মিশনের সময় মোশন সিকনেস থেকে শুরু করে হাড়ের কোষের গঠন পর্যন্ত সবকিছুর ওপর পরীক্ষা চালিয়েছিলেন তিনি।

প্রথমবারের মতো মহাকাশে যাওয়ার পর নাসা থেকে পদত্যাগ করেন এবং মানবদেহের &lsquo;সিকেল&rsquo; কোষ গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি করেছেন তিনি। বিশ্বজুড়ে শিশুদের জন্য &lsquo;স্টেম&rsquo; শিক্ষাকে আরও সহজ করার জন্যও সময় উৎসর্গ করেছিলেন জেমিসন।

চিয়াকি মুকাই: ১৯৯২ সালে জেমিসনের সঙ্গে একই মহাকাশ মিশনে ছিলেন চিয়াকি মুকাই, যা ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে এক সহযোগিতামূলক মিশন। মহাকাশে যাওয়া প্রথম জাপানি নারীও তিনি।

জাপানি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা &lsquo;জাক্সা&rsquo;-তে কাজের সময় মোট ২৯ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন তিনি। তখন থেকে একজন গবেষণা বিজ্ঞানী হিসাবে সফল ও প্রভাবশালী কর্মজীবন পরিচালনা করেছেন মুকাই। ২০১৫ সালে &lsquo;টোকিও ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স&rsquo;-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

লিউ ইয়াং: ২০১২ সালে প্রথম নারী হিসেবে ভ্যালেন্তিনা তেরেস্কোভার ঐতিহাসিক মহাকাশ যাত্রার ৪৯তম বার্ষিকীতে প্রথম চীনা নারী হিসেবে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ছেড়ে &lsquo;শেনঝু-৯&rsquo; মিশনে চীনের প্রথম মহাকাশ স্টেশন &lsquo;তিয়ানগং-১&rsquo; এ যান লিউ ইয়াং।

মহাকাশ যাত্রার সময় থেকেই চীনা বিমান বাহিনীর একজন সম্মানিত মেজর ছিলেন তিনি। মহাকাশে চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন দরকারি গবেষণাও পরিচালনা করেছিলেন ইয়াং।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 24 Apr 2025 06:41:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চীনে ভিন্নধর্মী ম্যারাথন, মানুষের সঙ্গে দৌড়াচ্ছে রোবটও]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sports/10683" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sports/10683</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চীনে ভিন্নধর্মী ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১৯ এপ্রিল) বেইজিংয়ের ওই ম্যারাথনে হাজারো মানুষের সঙ্গে অংশ নিয়েছিল ২১টি রোবট। আয়োজকরা দাবি করেছেন, বিশ্বে এটি প্রথম হাফ ম্যারাথনের আয়োজন যেখানে মানুষের সঙ্গে রোবটও দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে।

ম্যারাথনে প্রতিযোগীদের প্রায় ২১ কিলোমিটার দৌড়াতে হয়েছে। রোবটগুলোকেও একই পথ অনুসরণ করতে হয়েছে। এসব রোবটের উচ্চতা ছিল তিন ফুট থেকে প্রায় ছয় ফুট পর্যন্ত।

মানুষের আদলে তৈরি এসব রোবটগুলোকে দুই পায়ে হাঁটতে বা দৌড়াতে হয়েছে। এই ম্যারাথনে রোবটগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে তিয়ানগং আলট্রা। এটি দুই ঘণ্টা ৪০ মিনিটে দৌড় শেষ করেছে। অপরদিকে ম্যারাথনে অংশ নেওয়া লোকদের মধ্যে যিনি প্রথম হয়েছেন তিনি এক ঘণ্টা দুই মিনিটে দৌড় শেষ করেছেন।

বিজয়ী রোবটটি তৈরি করেছেন তাং জিয়ান ও তার দল। বেইজিং ইনোভেশন সেন্টার ফর হিউম্যান রোবোটিকসে কাজ করা জিয়ান বলেন, এই রোবটের লম্বা পা তাকে দ্রুত দৌড়াতে সহায়তা করেছে।

রোবটটি অ্যালগরিদমের মাধ্যমে একটি ম্যারাথনে মানুষ কীভাবে দৌড়ায়, তা অনুকরণ করেছে। লম্বা এই দৌড়ের মধ্যে মাত্র তিনবার রোবটটির ব্যাটারি পরিবর্তন করতে হয়েছে বলে জানান এই প্রযুক্তি কর্মকর্তা।

রোবটগুলো বিভিন্ন ধরনের জার্সি এবং জুতা পড়ে দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। মানুষ এবং রোবটের এ ধরনের দৌড় প্রতিযোগিতায় বেশ আনন্দ পেয়েছেন সেখানে থাকা দর্শকরা। সে সময় বেশ কিছু মজার পরিস্থিতি তৈরি হয়। একটি রোবট দৌড় শুরুর আগমুহূর্তেই মাটিতে পড়ে যায়। যদিও কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি আবার উঠে দাঁড়ায় এবং দৌড় শুরু করে। আরেকটি রোবট দৌড়ের স্থান থেকে অন্য দিকে চলে গিয়ে সোজা রেলিংয়ের সঙ্গে বাড়ি খেয়েছে।

দৌড়ের সময় রোবটগুলোর সঙ্গে সেগুলোর তত্ত্বাবধানকারীরাও ছিলেন। অনেকেই রোবটগুলোর সঙ্গে সঙ্গে দৌড়েছেন এবং নিজেদের রোবটগুলোকে সহায়তা করেছেন।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 20 Apr 2025 06:17:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডাইনোসর বিলুপ্ত না হলে কী হতো পৃথিবীতে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10668" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/techlife/10668</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশালাকার ডাইনোসর পৃথিবীর বুকে দাপিয়ে বেড়াত অতীতে। প্রায় ছয় কোটি ৬০ লাখ বছর আগে বিশাল গ্রহাণুর আঘাতে পৃথিবী থেকে হারিয়ে যায় ডাইনোসর। যদি সেই বিপর্যয় না ঘটত তাহলে পৃথিবীর প্রাণের বিকাশ অন্য রকম হতো বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ডাইনোসর প্রায় ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবীর স্থলভাগে রাজত্ব করেছে। এই দীর্ঘ সময়কালে মাংসাশী দুই পায়ের ডাইনোসর থেরোপড, আকারে বড় গ্রিবাযুক্ত তৃণভোজী সরোপড, পাখির মতো অর্নিথিশিয়ানের মতো বিভিন্ন প্রজাতির ডাইনোসর পৃথিবীতে ছিল।

থেরোপড ডাইনোসরদের একটি শাখা থেকেই আজকের পাখির উদ্ভব হয়েছে। যদি বিলুপ্তি না ঘটত, তাহলে ছোট আকারের পালকযুক্ত থেরোপডরা আরো বুদ্ধিমান ও সামাজিক প্রাণীতে বিবর্তিত হতে পারত। তারা হয়তো গাছের ডালে বাসা বাঁধত, দলবদ্ধভাবে শিকার করত ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা তৈরি করত। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, এরা হয়তো আজকের দিনের বুদ্ধিমান স্তন্যপায়ী প্রাণীর মতো জটিল সামাজিক কাঠামো ও আচরণ প্রদর্শন করত। অন্যদিকে বড় আকারের থেরোপডদের মধ্যে টাইরানোসরাস রেক্সের বংশধররা আরো শক্তিশালী শিকারিতে পরিণত হতো।

অন্যদিকে বিশালকার সরোপডদের ক্ষেত্রেও বিবর্তনের প্রভাব দেখা যেত। তৃণভোজী প্রাণী হিসেবে তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকত। বিভিন্ন ধরনের নতুন উদ্ভিদের সঙ্গে খাদ্যাভ্যাস মানিয়ে নিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্তে ছুটে বেড়াত এই ডাইনোসর। কিছু সরোপড হয়তো আরো ছোট ও দ্রুতগামী প্রজাতিতে বিবর্তিত হয়ে খোলা তৃণভূমিতে দলবদ্ধভাবে বাস করত।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, ডাইনোসরদের বিলুপ্তি না ঘটলে আজকের পৃথিবীতে তাদের বুদ্ধিমান প্রজাতিও দেখা মিলত। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মস্তিষ্কের বিকাশের মতো কিছু ডাইনোসরের মস্তিষ্কের আকারও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেত।

সূত্র: বিবিসি, দ্য কনভারসেশন।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 19 Apr 2025 06:29:18 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
