<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/sodesh</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/sodesh"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla sodesh Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest sodesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 22 May 2026 07:52:32 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16618" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16618</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ সাংবাদিক সমিতির (কুভিকসাস) নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন স্টার নিউজের কুমিল্লা ব্যুরো চিফ আব্দুল্লাহ আল মারুফ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমিল্লা মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি হাসিবুল ইসলাম সজিব।

গত বুধবার (২০ মে) দুপুরে কুভিকসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন এবং সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুমন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

১৪ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন আকাশ টিভির প্রতিনিধি মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বাংলাদেশ টাইমসের কুমিল্লা প্রতিনিধি আল আমিন কিবরিয়া এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ইনকিলাবের ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম।

এছাড়াও কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন&mdash;সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাসফিয়া জাহান, দপ্তর সম্পাদক তামিম হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক নুসরাত জাহান ইভা, অর্থ সম্পাদক মিম আক্তার, প্রচার সম্পাদক মো. ইরফান হোসেন শাকিল, তথ্য সম্পাদক মো. ইব্রাহিম এবং সদস্য সাইদুল ইসলাম মিয়াজী, জুয়েনা আফরিন ও ফাহিমা আক্তার।

কুভিকসাসের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন, &lsquo;বিদায় নিয়তির নিয়ম। কুভিকসাস নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে। কুভিকসাসের প্রত্যেক সদস্য অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো। বিগত দিনেও তোমাদের এই প্রাণের সংগঠনের জন্য তোমরা নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করেছো। কেউ পদবীর জন্য কাজ করোনি। আশাকরি সামনের দিনেও তোমরা তাই করবে। কমিটির সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 07:52:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফের বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে আপত্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16616" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16616</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ঘিরে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে ক্যাপাসিটি চার্জ, সিস্টেম লস, চুরি ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর বাড়তি ব্যয় নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। ভোক্তা প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বিদ্যুৎ খাতে অপচয়, অদক্ষতা ও অস্বচ্ছ চুক্তি কমানো গেলে বারবার দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হতো না।

গতকাল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের গণশুনানিতে পিডিবিসহ ছয়টি বিতরণ কোম্পানির খুচরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। শুনানিতে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদও স্বীকার করেন, ক্যাপাসিটি চার্জের কারণে সরকারের ভর্তুকির চাপ অস্বাভাবিক বেড়েছে এবং বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তিগুলো পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন রয়েছে।

শুনানিতে বলা হয় প্রতিবছর শুধু ক্যাপাসিটি চার্জের নামে ৪২ হাজার কোটি টাকার বেশি পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই অর্থ তুলতেই একদিকে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে, অন্যদিকে গ্রাহকের ওপর দাম বাড়ানোর চাপ তৈরি হচ্ছে। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর শুনানি নিয়মিত হচ্ছে, কিন্তু দাম কমানোর রূপরেখা নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। বিদ্যুৎ খাতের ফিন্যান্সিয়াল অডিট ও বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি পর্যালোচনা এখন জরুরি।

বর্তমানে দেশে ছয়টি সরকারি বিতরণ সংস্থার মোট গ্রাহক প্রায় পাঁচ কোটি। এর মধ্যে প্রায় চার কোটিই আবাসিক গ্রাহক। বিতরণ লাইনে গড় সিস্টেম লস ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ হলেও কিছু প্রতিষ্ঠানে তা প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি।

লোকসান ও পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে সব বিতরণ সংস্থাই বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে। পাশাপাশি নতুন চার্জ আরোপ, লাইফলাইন সুবিধা সীমিত করা এবং গ্রাহকশ্রেণি পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও দিয়েছে।

পিডিবি জানিয়েছে, বর্তমান ট্যারিফ বহাল থাকলে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রতি ইউনিটে তাদের ২৯ পয়সা ঘাটতি হবে। এ জন্য তারা এলটি (লো ভোল্টেজ) গ্রাহকের সীমা ৮০ কিলোওয়াট থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোওয়াট করার প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ট্যারিফের আওতায় আনার প্রস্তাব করেছে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) আওতাধীন সমিতিগুলো গড়ে প্রায় ৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি চেয়েছে। তারা বলছে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের গড় বিক্রয়মূল্য ৮ টাকা ৫০ পয়সা হলেও লোকসান এড়াতে তা কমপক্ষে ৯ টাকায় নিতে হবে।

ডিপিডিসি প্রায় ৭ শতাংশ দাম বাড়ানোর পাশাপাশি প্রিপেইড মিটারে নতুন সিকিউরিটি চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে। ডেসকো জানিয়েছে, গত তিন বছরে তাদের ঘাটতি ২ হাজার ৬১১ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এ কারণে তারা প্রায় ১০ শতাংশ দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে।

ওজোপাডিকো বলছে, প্রতি ইউনিটে তাদের ঘাটতি ৮৫ পয়সার বেশি। নেসকোর দাবি, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। আগামী অর্থবছরে তাদের নিজস্ব বিতরণ ব্যয় প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ৬৬ পয়সায় পৌঁছাবে।

বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটিও কয়েকটি প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে। কমিটির মতে, এলটি গ্রাহকের সীমা ৮০ কিলোওয়াট থেকে ৫০ কিলোওয়াটে নামানোর আগে স্বাধীন গবেষণার মাধ্যমে এর প্রভাব যাচাই করা প্রয়োজন।

বেসরকারি হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরাসরি বাণিজ্যিক গ্রাহক হিসেবে বিবেচনা করাটা সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মত দিয়েছে কমিটি।
কমিটি আরও বলেছে, অনুমানের ভিত্তিতে অতিরিক্ত লোড নির্ধারণ না করে পর্যায়ক্রমে ডিমান্ড মিটার স্থাপন করা উচিত। অন্যথায় গ্রাহকদের ওপর অযৌক্তিক আর্থিক চাপ তৈরি হতে পারে।

নতুন করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতা থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে আগামী জাতীয় বাজেট প্রস্তাবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বরাদ্দসহ সামগ্রিক পরিকল্পনা পেশ করার দাবি জানিয়েছে দলটি।

গতকাল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান। তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় আবারও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলবে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে চুরি, দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা কমিয়ে আনতে পারলে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রয়োজন হবে না।

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির জন্য বিইআরসির গণশুনানিকে লোকদেখানো আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, তাদের কাজই হচ্ছে সরকারের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে জায়েজ করা। বিইআরসির বিদ্যমান আইনের পরিবর্তন করতে হবে, যাতে তারা বিদ্যুতের দাম কমানোর ব্যাপারেও সরকারকে সুপারিশ করতে পারে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 07:42:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অবশেষে ভাগ হচ্চে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড  !]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16615" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16615</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও রাজস্ব আহরণ আলাদা করতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা অধ্যাদেশ নতুন করে যাচাই-বাছাই করছে বর্তমান সরকার। আগামী ৭ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনেই যাচাই-বাছাই শেষে নতুন বিল উত্থাপন করা হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ১২ মে &lsquo;রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫&rsquo; জারি করে এনবিআরকে দুই ভাগে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। একটি বিভাগ রাজস্ব নীতি প্রণয়ন করবে এবং অন্যটি রাজস্ব প্রশাসন ও আদায় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তবে অধ্যাদেশের কিছু কাঠামোগত বিষয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপত্তির মুখে প্রায় দুই মাস আন্দোলন চলে। পরে সরকার &lsquo;রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫&rsquo; জারি করে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ দুটি তাৎক্ষণিকভাবে বিল আকারে উত্থাপন না করে আরও যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ এপ্রিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে চলমান ঋণ কর্মসূচির অন্যতম শর্ত হলো প্রতি বছর জিডিপির অন্তত দশমিক ৫ শতাংশ হারে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা। কিন্তু এখনও সেই লক্ষ্য অর্জিত হয়নি। এ কারণে রাজস্ব খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে এনবিআর বিলুপ্ত করে &lsquo;রাজস্ব নীতি&rsquo; ও &lsquo;রাজস্ব ব্যবস্থাপনা&rsquo; নামে দুটি পৃথক বিভাগ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে এ সংস্কার বাস্তবায়নে ধীরগতির পাশাপাশি ব্যাংক খাতসহ অন্যান্য সংস্কারে অগ্রগতি না থাকায় আইএমএফ দুই কিস্তিতে প্রায় ১৩০ কোটি ডলার ঋণ ছাড় করেনি। একই সঙ্গে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আরও ঋণ সহায়তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

বৈঠকের জন্য প্রস্তুত করা অর্থ মন্ত্রণালয়ের কার্যপত্রে বলা হয়েছে, ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে গঠিত হওয়ার পর থেকেই এনবিআর একই সঙ্গে করনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ করছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা অনুযায়ী একই প্রতিষ্ঠানের হাতে নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকা কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয় না। এতে স্বার্থের সংঘাত, অব্যবস্থাপনা ও জবাবদিহির ঘাটতি তৈরি হয় বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ রয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 07:28:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সালে ২৮ হাজার অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে ৩.৫ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16605" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16605</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে অগ্নি ও দুর্ঘটনা মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বাড়াতে ২০টি নতুন ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একইসঙ্গে জরুরি চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণে ১০০টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ঢাকার পূর্বাচল মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আয়োজিত &lsquo;ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ-২০২৬&rsquo;, পদক বিতরণ ও পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে তিনি এসব তথ্য দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশনের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। তবে জনসংখ্যা ও নগরায়ণের তুলনায় এই সংখ্যা এখনো পর্যাপ্ত না। তাই জনগুরুত্ব বিবেচনায় নতুন স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ডুবুরি ইউনিটের সক্ষমতা বাড়াতে সম্প্রতি ৭২টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জনবল নিয়োগ সম্পন্ন হলে নৌযান দুর্ঘটনা ও পানিতে উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিস আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারবে।

ফায়ার সার্ভিসকে &lsquo;গতি, সেবা ও ত্যাগের প্রতীক&rsquo; উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, দুর্যোগ-দুর্ঘটনার সময় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জানমাল রক্ষায় কাজ করেন এই বাহিনীর সদস্যরা। বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে তাদের পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতা মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যসংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি করতে অর্গানোগ্রাম পুনর্গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনাধীন রয়েছে। পাশাপাশি বাহিনীর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাকে আধুনিক করতে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, ২০২৫ সালে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ২৭ হাজার ৫৯টি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে প্রায় ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকার সম্পদ রক্ষা করেছেন। একই সময়ে ৭ হাজার ৮১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় উদ্ধার করা হয়েছে ৯ হাজার ২৬৬ জন আহত ও ১ হাজার ৩৮ জন নিহত ব্যক্তিকে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স সেবার মাধ্যমে ১০ হাজার ৪৮০ জন রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রায় ১৫ হাজার গণসংযোগ, দুই হাজারের বেশি ভবন জরিপ এবং ১০ হাজার ৫৩৩টি ভবন পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি মানুষকে অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এই বাহিনীর সদস্যরা শুধু অগ্নিনির্বাপণ নয়, যে কোনো দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলসভাবে কাজ করছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ ও পেশাদারিত্ব সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।&rsquo;

অনুষ্ঠানে বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ২০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতে পদক তুলে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

&lsquo;অগ্নিযোদ্ধাদের একটাই পণ, নিরাপদ রাখবো সম্পদ ও জীবন&rsquo;&mdash;এই প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু হওয়া ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে দেশব্যাপী তিনদিনের সচেতনতামূলক কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 08:05:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এই সরকারের ক্ষমতায়ন মানেই দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়: মাহদী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16600" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16600</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশে দীর্ঘদিন পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি জবাবদিহিমূলক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। এই সরকারের ক্ষমতায়ন মানেই দেশের সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন, যা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করছে।

রোববার (১৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাঁদপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এক জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর চাঁদপুর আগমনকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব উচ্ছ্বাসের কথা বর্ণনা করে মাহদী আমিন বলেন, &lsquo;এই জনসমুদ্র কেবল ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের নিছক কোনো কর্মসূচি নয়, এটি চাঁদপুরবাসীর ভালোবাসা, আবেগ এবং আশার এক ঐতিহাসিক জাগরণে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যখন লাল বাসে চড়ে আসছিলেন, তখন পথে পথে গণমানুষের ঢল নামে।&rsquo;

তিনি বলেন, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে মায়েরা পর্যন্ত কেবল প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য রাস্তায় নেমে এসেছেন, কারণ দেশের মানুষ এই নির্বাচিত সরকারের ওপর আস্থা রাখে।

সরকারের তিন মাসের সফলতা নিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার গঠনের মাত্র তিন মাসের ভেতরে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলো ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই বিভিন্ন জেলায় কৃষক কার্ড এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, এই ফ্যামিলি কার্ড শুধুমাত্র মায়েদের সাময়িক ভাগ্য পরিবর্তন বা সংকটের সমাধান নয়। প্রধানমন্ত্রী বিশ্বাস করেন, দেশটাকে যদি বদলে দিতে হয়, তবে প্রতিটি সমাজ এবং পরিবারকে বদলে দিতে হবে। আর সেই ইতিবাচক বদল সম্ভব হবে মা&rsquo;য়েদের হাত ধরেই।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আগামীর বাংলাদেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠবে এবং নারীদের ক্ষমতায়ন আরও বেশি গতি পাবে।

চাঁদপুর জেলা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ওই জনসভায় সরকারের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য সহ, বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 11:16:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র ডুয়েট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16599" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16599</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গাজীপুরের ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নতুন ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থী, ভিসি সমর্থক ও পুলিশের মধ্যে ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে গাজীপুর সদর মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামসহ ৫ পুলিশ সদস্য এবং ১২ জন সাধারণ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ চলছে এখনও (দুপুর দেড়টা পর্যন্ত)। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জড়ো হলে এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়।

গত বুধবার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করেন শিক্ষার্থীরা। এর পর থেকে আন্দোলনে নামেন ডুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজ রোববার সকালে &lsquo;নবাগত ভিসিকে লাল কার্ড&rsquo; প্রদর্শনীর লক্ষ্যে ছাত্ররা শহীদ মিনারে জড়ো হতে থাকেন। এসময় নবাগত ভিসির সমর্থক ও বহিরাগতদের একটি দল আন্দোলনকারীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে তা আন্দোলনকারী, উপাচার্য সমর্থক ও পুলিশের মাঝে ত্রিমুখী সংঘর্ষে রূপ নেয়।

আহত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই বহিরাগত একদল সন্ত্রাসী এসে তাদের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় অনেক সাধারণ শিক্ষার্থী রক্তাক্ত ও আহত হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের মূল দাবি- উপাচার্য হিসেবে ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই কাউকে নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মতে, ডুয়েটের বিশেষায়িত শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা, অ্যাকাডেমিক কাঠামো এবং প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা তুলনামূলক অনেক বেশি। ফলে ডুয়েটের সার্বিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে উপাচার্য নিয়োগ করাই সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে। কোনো বহিরাগত ভিসি তারা মেনে নেবেন না।

গাজীপুর সদর মেট্রোপলিটন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে রয়েছি। আমিসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 11:06:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[&quot;বিশেষ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সিএজি জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম এর বিভিন্ন কার্যালয় পরিদর্শন&quot;]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16587" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16587</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) কার্যালয়ের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ১১&mdash;১৯মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ০৭ (সাত) কর্মদিবসব্যাপী &ldquo;বিশেষ সেবা কার্যক্রম&rdquo; এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশের কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম হিসাব মহানিয়ন্ত্রক এর কার্যালয়&mdash;সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ, অধিদপ্তর ও দপ্তর সংশ্লিষ্ট ৫০ টি চিফ একাউন্টস এন্ড ফিন্যান্স অফিসার (সিএএফও) এর কার্যালয় কর্তৃক চলমান বিশেষ সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে ডেপুটি কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (সিনিয়র) জনাব মোঃ শরীফুল ইসলাম ও ডেপুটি কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল (এএন্ডআর) জনাব মিয়াজী মোঃ সাইফুল্লাহ সোবহান&mdash;সহ বিভিন্ন সিএএফও কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা&mdash;কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে চলমান কার্যক্রমসমূহের মধ্যে সন্মানিত পেনশনারসহ সেবাগ্রহীতাগণের জন্য প্রদত্ত বেতনভাতা, পেনশন সেবা সংক্রান্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সহায়তা, লাইফ ভেরিফিকেশন ও এ সম্পর্কিত অ্যাপস সম্পর্কে অবহিতকরণ, সাধারণ ভবিষ্য তহবিল ও সংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয়ের নিষ্পত্তি, ওয়ানস্টপ সার্ভিস সেন্টার, হেল্পডেক্স এবং বিভিন্ন অটোমেশন এর কার্যক্রম সিএজি জনাব মোঃ নূরুল ইসলাম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা&mdash;কর্মচারীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় পারিবারিক পেনশন ও পুনঃস্থাপিত পেনশনের বিষয়টি ছাড়াও প্রতিবন্ধী সন্তান ও তাঁর প্রাপ্যতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দ্রততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে করণীয় সম্পর্কে তিনি বিভিন্ন সিএএফওগণকে প্রয়োজনীয় দিক&mdash;নির্দেশনা প্রদান করেন।
সিএজি জনগণকে দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, &ldquo;বর্তমান সরকার জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেবাপ্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ, মানবিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে&rdquo;।
সম্মানিত পেনশনারসহ সকল সেবাগ্রহীতাকে গুণগত সেবা পৌঁছে দিতে সিএজি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা, মানবিকতা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়সমূহের কর্মকর্তাগণ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে পরিচালিত বিশেষ সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে সিএজিকে অবহিত করেন। এ সময় সন্মানিত পেনশনারসহ সেবাগ্রহীতাগণও তাৎক্ষণিক ও আন্তরিক সেবা প্রাপ্তিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, সিএজি কার্যালয়ের ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১১&mdash;১৯ মে ২০২৬ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত ১৭টি অডিট অধিদপ্তর, সিজিএ, ৫০টি সিএএফও কার্যালয়, ৮ বিভাগ, ৬৪ জেলা, ৪৯৫ উপজেলা, সিজিডিএফ, এসএফসি, এফসি&mdash;সহ বিভিন্ন সেনানিবাসে অবস্থিত এরিয়া এফসি/এফপিও অফিসমূহ, এডিজি ফাইন্যান্স বাংলাদেশ রেলওয়ে, এফএএন্ডসিএও, ডিএফএ ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী&mdash;সহ সারা বাংলাদেশের সকল নিরীক্ষা ও হিসাবরক্ষণ অফিসে বিশেষ সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এই সেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বেতন নির্ধারন, পেনশন, জিপিএফ/ডিএসপিএফ/ডিএসওপি, টিএডিএ, কম্যুটেশন বিল, ঘবঃ ঊহঃরঃষবসবহঃ ঈধংব (ঘঊ ঈধংব)&mdash;সহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন সেবা যথাযথ শ্রদ্ধা, সম্মান, আন্তরিকতা ও দ্রুততার সাথে প্রদান করা হচ্ছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 11:02:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একনেকে উঠল পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16575" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16575</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান। অর্থ এবং পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় আলোচিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা। এই প্রকল্পসহ মোট ৯টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় একনেকের বৈঠকে। অনুমোদিত ৯টি প্রকল্পের মধ্যে নতুন প্রকল্প রয়েছে ৩টি, সংশোধিত প্রকল্প ৫টি ও মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন দেওয়া হয় ১টি প্রকল্পের। এসব প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকা।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে- চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন (২য় সংশোধন) প্রকল্প, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। এই প্রকল্প দুইটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জেলা শহরে বিদ্যমান মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রকে ৩০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ প্রকল্প। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হাই-টেক সিটি-২ এর সহায়ক অবকাঠামো নির্মাণ (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সরকারি শিশু পরিবার এবং ছোটমনি নিবাস নির্মাণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাভার সেনানিবাসে সৈনিকদের আবাসন সমস্যা নিরসনে ব্যারাক কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড (পতেঙ্গা হতে সাগরিকা) (৫ম সংশোধিত) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পদ্মা ব্যারাজ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও ময়মনসিংহ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের জন্য ধনুয়া হতে ময়মনসিংহ পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প।

এছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ২টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেক সভায় অবহিত করা হয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 11:11:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীলফামারীতে ১২মাসে নারী নির্যাতনের ঘটনা ৮১১টি, মামলা মাত্র ৯৯টি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16569" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16569</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নীলফামারী প্রতিনিধি। নীলফামারীতে গেল বছরে (২০২৫সালে) ৮১১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে ৭৯৯টি নারী নির্যাতন, ১২টি শিশু নির্যাতন ঘটনা রয়েছে এসব ঘটনায় মামলা হয় মাত্র ৯৯টি।
মঙ্গলবার দুপুরে (১২মে) সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে জেন্ডার সমতা ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক সম্পৃক্ততা-ফেসিং প্রকল্পের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত পরামর্শ সভায় এই তথ্য জানানো হয়।
উপজেলা নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সভাপতি আকতারুল আলম রাজুর সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মুবাশি^রা আমাতুল্লাহ।
এতে উল্লেখ করা হয় সহিংসতার মধ্যে শারীরীক নির্যাতন ২২২টি, ভয়ভীতি ১১০টি, গৃহ নির্যাতন ৯৫টি, জমি জমা সংক্রান্ত ৭৫টি, আর্থিক ৫৪টি, যৌতুক ৫০টি, ধর্ষণ চেষ্টা ২৮টি, চুরি ছিনতাই ২৩টি, অপহরণ ১৯টি, অনলাইন হয়রানী ১৬টি, ধর্ষণ ৮টি, ইভটিজিং ৬টি এবং অন্যান্য ৬টি।
ডেমক্রেসিওয়াচ&rsquo;র নির্বাহী পরিচালক ওয়াজেদ ফিরোজ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। এতে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন ডেমক্রেসিওয়াচের আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর আব্দুস সেলিম।
নীলফামারী থানার পরিদর্শক(তদন্ত) জিল্লুর রহমান, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন, সাংবাদিক নুর আলম, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান দৌলত জাহান ছবি, এ্যাডভোকেট আলপনা রায় প্রমুখ বক্তব্য দেন।
ডেমক্রেসিওয়াচের আউটরিচ কো-অর্ডিনেটর আব্দুস সেলিম জানান, আমরা থানা, আদালত, মহিলা বিষয়ক কার্যালয়, ইউনিয়ন পরিষদ, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও স্থানীয় পত্রিকা থেকে এই সংগ্রহ করি। এরচেয়ে বেশি নির্যাতনের ঘটনা রয়েছে যেগুলো আমরা সংগ্রহ করতে পারিনি।
তিনি বলেন, নীলফামারী সদর উপজেলার মধ্যে নির্যাতনের দিক থেকে টুপামারী, গোড়গ্রাম, সংগলশী ও সোনারায় ইউনিয়নকে আমরা ঝুঁকিপুর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে চিহিৃত করেছি।
বক্তারা বলেন, সামাজিক প্রতিরোধের অভাব, সমাজ কাঠামোয় নারীর দুর্বল অবস্থান, আইনের প্রয়োগিক দুর্বলতা, বিলম্বিত বিচার প্রক্রিয়া ও মামলার জট, রাজনৈতিক লেজুরবৃত্তিম সামাজিক অবস্থান ও মান সম্মানের ভয়ে অনেক ঘটনা গোপন করার কারণে নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলছে।
সচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন সৃষ্টি, আইনের কঠোর প্রয়োগ, বাল্য বিয়ে রোধ, শিক্ষার হার বাড়ানোসহ পরিবার থেকে প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে গুরত্বারোপ করা হয় এই সভায়।
সরকারী কর্মকর্তা, গণমাধ্যম কর্মী, নারী উন্নয়ন কর্মী, জনপ্রতিনিধিসহ বিভিন্নজন এতে অংশ নেন।
ডেমক্রেসিওয়াচ&rsquo;র নির্বাহী পরিচালক ওয়াজেদ ফিরোজ জানান, নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, মিডিয়া এবং সরকারী কর্মকর্তাগণের সঙ্গে জেন্ডার ভায়োলেন্সের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, সুপারিশ এবং জেন্ডার সহিংসতা হ্রাস করার কৌশল নির্ধারণ ও করণীয় বিষয়ে এই পরামর্শ সভা আহবান করা হয়।
ফেসিং প্রকল্প জেলার চারটি উপজেলায় কাজ করছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 13:50:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ জনগণের বিশ্বাস এবং নিরাপত্তার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16554" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16554</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পুলিশ কোনো দলের নয়, বিধিবদ্ধ আইন অনুযায়ী পুলিশ প্রশাসন পরিচালিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, জনগণের সঙ্গে পুলিশের আস্থার সম্পর্ক তৈরি হলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা অবশ্যই আপনাদের দায়িত্ব।

আজ রোববার রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে পুলিশের &lsquo;কল্যাণ প্যারেডে&rsquo; এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পুলিশ যদি জনগণের কাছে বিশ্বাস এবং নিরাপত্তার প্রতীক হয়ে উঠতে পারে, তবে সেখানেই পুলিশের সাফল্য। পুলিশের সাফল্য মানে এটি সরকারেরও সাফল্য।

তিনি বলেন, পুলিশের কাজ &lsquo;দুষ্টের দমন আর শিষ্টের লালন&rsquo;। জনগণের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক হোক আস্থা এবং নির্ভরতার। যে কোনো বিপদে আপদে জনগণ যেন থানা পুলিশকে তাদের নির্ভরযোগ্য আশ্রয়স্থল মনে করতে পারে।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, &lsquo;জনগণ রাষ্ট্রের মালিক। এই মালিক যখন বিপদে পড়ে থানায় যায়, সেখানে তারা আপনাদের আচরণে যেন কিছু হলেও রাষ্ট্রের মালিকানা অনুভব করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করা আপনাদের দায়িত্বের অংশ।&rsquo; তিনি আরও বলেন, &lsquo;আপনাদের মনে রাখা দরকার, আইনি সহায়তা পেতে সাধারণ মানুষ প্রথমেই থানায় আসে। পুলিশের সহায়তা চান।&rsquo;

প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিপদে না পড়লে মানুষ থানায় যায় না। তাই, থানায় যাওয়ার পর তার বিপদ কমবে মানুষের মনে এমন ধারণা তৈরি হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আপনারা অবশ্যই যে কোনো বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন। তবে সেখানে যদি মানবিকতার ছোঁয়া থাকে তাহলে আপনাদের কারণে সরকারের সাফল্যগুলো জনমনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।&rsquo;

পুলিশ সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে সরকারের দূত উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;পুলিশ সদস্যরা তাদের দক্ষতা এবং তাৎক্ষণিক কৌশলী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে যে কোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তারা কেবল আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য নন; তারা হচ্ছেন রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ও ন্যায়বিচার প্রদানের প্রথম দ্বার।&rsquo;

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা বজায় রাখা বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের হীন দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থে পুলিশ বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিলো। সেই অন্ধকারের সময় পেরিয়ে এখন সময় এসেছে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার। আমি মনে করি, জনগণের বিশ্বাস অর্জন এবং সেই বিশ্বাস বজায় রাখাই পুলিশের সামনে বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ।&rsquo;

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, &lsquo;বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিগত দক্ষতাসম্পন্ন একটি সুদক্ষ ও আধুনিক মানবিক পুলিশ বাহিনী ছাড়া জনগণের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা কঠিন। এই কঠিন কাজটিই বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার শুরু করেছে। সুতরাং সাধ্যের সবটুকু দিয়েই সরকার আপনাদের চাওয়া পাওয়াগুলো অবশ্যই ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।&rsquo;

তারেক রহমান বলেন, আমরা থানাগুলোর পরিবেশ এমনভাবে করতে চাই, যা আইজি সাহেব ওনার বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন, যেন একজন মানুষ কোনো মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি থানায় গিয়ে নির্ভয়ে তার অভিযোগ জানাতে পারেন এবং একসাথে প্রতিকারও পেতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কঠিন। এ কারণেই পুলিশের জন্য জনগণের আস্থা অর্জন অত্যন্ত জরুরি। তাই, কমিউনিটি পুলিশিং এবং ওপেন হাউস ডে&rsquo;র মতো জনমুখী উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণকে পুলিশি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা জরুরি।

মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজে বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন কিংবা চুরি-ডাকাতি, সংঘবদ্ধ অপরাধ, কিশোর গ্যাং, আর্থিক জালিয়াতিসহ নানা ধরনের অপরাধ প্রবণতা রয়েছে। সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত এসব অপরাধের শিকার হচ্ছেন। দেশে মাদক এবং অনলাইন জুয়ার ব্যাপারেও জনমনে উদ্বেগ রয়েছে। তাই, আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে &lsquo;মাদক সরবরাহকারী এবং মাদকের উৎসমূল&rsquo; টার্গেট করে মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে কার্যক্রম চালাতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রেক্ষাপটে উদ্ভূত বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাইবার পুলিশ প্রতিষ্ঠা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিগ ডাটা বিশ্লেষণসহ বিকাশমান প্রযুক্তির সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবহার আরও সম্প্রসারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ লক্ষেই সরকার একটি আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, &lsquo;এ লক্ষ্যে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক জালিয়াতি প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার, ডিজিটাল ও ফরেনসিক সুবিধা এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করাসহ এসব বিষয়গুলোকে আরও কার্যকর করতে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

সরকার দেশে মানবাধিকার সমুন্নত রেখে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম-অপহরণ কিংবা বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি নাগরিকের অধিকার রক্ষা করা পুলিশের নৈতিক ও সাংবিধানিক দায়িত্ব। বাংলাদেশ পুলিশের প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা, পেশাদারিত্ব ও জনআস্থা আরও সুদৃঢ় করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বদলি, পদোন্নতি কিংবা পুলিশে নিয়োগ এসব ক্ষেত্রে মেধা যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সততাকেই আমরা প্রাধান্য দিতে চাই।

পুলিশে বাহিনীকেও আরও দক্ষ এবং আধুনিক করে গড়ে তোলার প্রতি গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;দ্রুত পরবর্তনশীল এই বিশ্ব ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমাদের পুলিশ বাহিনীকেও আরও দক্ষ এবং আধুনিক করে গড়ে তোলার বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের আবাসন সংকট সমাধান, মানসম্মত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, রেশন এবং ঝুঁকি ভাতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়গুলো সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

সরকার জনগণকে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কখনই পিছপা হবে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দুর্নীতি দুঃশাসনে পর্যুদস্ত একটি দুর্বল শাসন কাঠামো, অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিতে হয়েছে। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মাথায় বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। এমন বাস্তবতায় আমাদের পক্ষে আপনাদের সব প্রত্যাশা কয়েক সপ্তাহ কিংবা কয়েকমাসের মধ্যে পূরণ করা সম্ভব নয়। কিন্তু আমরা পর্যায়ক্রমে প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কখনই পিছপা হবো না।

অস্ত্রের শক্তির চেয়ে মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং জাতীয় ঐক্যই প্রধান শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমাদের পথ সহজ নয়, কিন্তু আমাদের উদ্দেশ্য মহৎ। আমরা একটি সমৃদ্ধ স্বনির্ভর গণতান্ত্রিক নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।&rsquo;

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পুলিশের মহাপরিদর্শক আলী হোসেন ফকিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 15:29:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সকল খাল অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে: এ্যানী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16520" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16520</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খাল খনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সারাদেশে খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে। বিগত সরকার দীর্ঘদিন খাল খনন কর্মসূচি হাতে না নেওয়ায় অনেক জায়গায় খালপাড়ে জমি দখল হয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে খাল খননের যুগান্তকারী কর্মসূচি নতুন উদ্যোমে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর সদরের শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে খাল খনন কর্মসূচি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ১৬ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চাঁদপুর সফরে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। বর্তমান সরকার নতুন করে আবারো খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছে। নতুন উদ্যোমে এই খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশে খালগুলোর অবৈধ দখল বন্ধ হবে। এতে দেশের জনগণ উপকৃত হবেন। তবে কিছু কিছু জায়গায় অবৈধভাবে দখল করা খাল উদ্ধারে আমাদের আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। এজন্য আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নেব।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন বাংলাদেশ নতুন আঙ্গিকে, নতুন করে শুরু করতে চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা চাই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ, চাঁদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান, জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান, পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, জেলা পরিষদ প্রশাসক সলিমুল্লাহ সেলিমসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

এর আগে মন্ত্রী চাঁদপুর সদরের কুমারডুগি ঘোষের হাট এলাকায় প্রধানমন্ত্রী যে খাল উদ্বোধন করবেন সেই বিশ্বখাল এলাকা পরিদর্শন করেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 08:35:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানবজমিন ব্রেকিং: তারেক রহমানকে গ্রেফতার ও নির্যাতনের বর্ণনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16519" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16519</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সেই সাথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানও তিনি। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের একজন গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনের নানা পর্ব, বিশেষ করে ১/১১ পরবর্তী সময় এবং পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ঘিরে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্ক তৈরি করেছে।

তার দীর্ঘদিনের অবস্থান, বিশেষ করে বিলেতে তাঁর প্রায় ১৭ বছরের জীবনযাপন নিয়েও নানা প্রশ্ন রয়েছে। তিনি কী পরিস্থিতিতে সেখানে গিয়েছিলেন, কীভাবে সেখানে অবস্থান করেছেন, এবং কেন তাঁকে দেশ ছাড়তে হয়েছিল&mdash;এসব বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা ও আগ্রহ রয়েছে।

সব মিলিয়ে তারেক রহমানকে ঘিরে রাজনৈতিক ইতিহাসের এই অধ্যায় এখনো জনমনে প্রশ্ন, আলোচনা এবং ভিন্নমতের বিষয় হয়ে রয়েছে।

সাম্প্রতিক এক অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ১/১১-এর সময় ২০০৭ সনের ৭ই মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয় ক্যান্টনমেন্টের বাসা থেকে। কারা গ্রেফতার করেছিলেন, কীভাবে করেছিলেন তার একটি বয়ান রয়েছে প্রাপ্ত অনুসন্ধানে।

এই চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি করেছেন মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী।

এতে জানা যায়, ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে কর্নেল (অব.) ইমরান মইনুল রোডের বাসভবন থেকে তাকে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতার করে ডিজিএফআই-এর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে নিয়ে যান। জেনারেল মইন ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম আমিনের উপস্থিতিতে আর্মি হেড কোয়ার্টারে তারেক রহমানকে গ্রেফতারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মেজর ইমরানের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, একজন রানার ও একজন ড্রাইভার নিয়ে তিনি মইনুল হোসেন রোডস্থ খালেদা জিয়ার বাসভবনে উপস্থিত হন। এ সময় বাসভবনের চারপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া উপস্থিতি ছিল। মেজর ইমরান বাসভবনের মেইন গেট দিয়ে প্রবেশ করে বাড়ির ভেতরে নিজ গাড়িতেই অবস্থান নেন।

আনুমানিক তিন ঘণ্টা পর তারেক রহমান বাসভবন থেকে বের হলে মেজর ইমরান তাকে নিয়ে গাড়িতে উঠেন। নিয়ে যান নির্ধারিত গন্তব্যে। কিছুদূর এগিয়ে যাওয়ার পর মেজর ইমরানের সঙ্গে থাকা রানার তারেক রহমানের মুখ কালো কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন। এ সময় তারেক রহমান জানালা খোলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে মেজর ইমরান তা নাকচ করে দেন।

এরপর সিটিআইবি&rsquo;র দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তারেক রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। সিটিআইবি&rsquo;র তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তার নির্দেশেই অন্য কর্মকর্তারা বিশ্রী ভাষায় তারেক রহমানকে গালিগালাজ করেন। জেআইসিতেই তারেক রহমানকে তিন-চারদিন রাখা হয়। সেখানে তাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোখ বেঁধে রাখা হয়। হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলিয়ে রেখে নির্যাতন করা হয়। দীর্ঘসময় একটানা তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। যা ছিল অমানবিক, বর্বরোচিত।

তারেক রহমানকে দুইবার জেআইসিতে আনা হয়। ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে টানা কয়েকদিন জেআইসিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুর রব খান তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দারের নির্দেশে তারেক রহমানের কাছ থেকে একটি জোরপূর্বক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। যে জবানবন্দিতে তারেক রহমান তার ভুলের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চান বলে দাবি করা হয়।

এই সময় কারা কারা উপস্থিত ছিলেন সেই তথ্যও বেরিয়ে এসেছে এই অনুসন্ধানে। চারজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা সারাক্ষণ উপস্থিত থেকে এই জবানবন্দি আদায় করেন। এর মধ্যে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জাহিদ হোসেন ও মেজর (অব.) মনির। নির্যাতন চালিয়ে তারেক রহমানকে অনেকটা পঙ্গু করে ফেলা হয়।

স্বাভাবিকভাবেও তিনি হাঁটাচলা করতে পারতেন না। তার ওপর নির্যাতনের একটি কাহিনী অনুসন্ধানী রিপোর্টে সন্নিবেশিত রয়েছে। এতে বলা হয়, বর্তমানে গ্রেফতারকৃত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এ সম্পর্কে একটি জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি অনুযায়ী, ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে তারেক রহমানের নানি মারা যান। এ সময় তাকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়। সে সময় জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী প্রত্যক্ষ করেন, তারেক রহমান খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। তখন তিনি জানার চেষ্টা করেন- কীভাবে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে।

পারিবারিক যোগাযোগের মাধ্যমে জানতে পারেন ডিজিএফআই-এর অফিসাররা তার ওপর অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছেন। এতে তিনি বিচলিত হয়ে সেনাপ্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমেদের কাছে জানতে চান- কেন এই নির্যাতন চালানো হয়েছে। এ নিয়ে দু&rsquo;জনের মধ্যে বাগ্&zwnj;বিতণ্ডা হয়।

জেনারেল মাসুদ তার জবানবন্দিতে আরও উল্লেখ করেন, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাপ্রধান মইন ইউ আহমেদের সঙ্গে তার অনেক দূরত্ব তৈরি হয়। নির্যাতনের সময় তারেক রহমানকে কীভাবে রাখা হয়েছিল তার একটা বর্ণনা পাওয়া গেছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন, জেনারেল (অব.) এটিএম আমিনের নির্দেশে এই নির্যাতন চালানো হয়। তার নির্দেশে তারেক রহমানকে সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।

ওয়ারেন্ট অফিসার ফজলু জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, ব্রিগেডিয়ার আমিন তাদেরকে বলেছেন- পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঝুলন্তই থাকবে। এক পর্যায়ে সিলিং থেকে তিনি পড়ে যান এবং কোমরে প্রচণ্ড আঘাত পান। বছরের পর বছর তারেক রহমানকে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। এসব ঘটনায় সাত পদস্থ সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে অনুসন্ধানে।

এই অফিসাররা হলেন- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন (তৎকালীন সিটিআইবি&rsquo;র পরিচালক), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) চৌধুরী ফজলুল বারী (তৎকালীন সিটিআইবি&rsquo;র পরিচালক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার (তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্নেল জিএস সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আফজাল নাছের চৌধুরী (তৎকালীন জেএসও-এক), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুর রব খান (তৎকালীন জেআইসি অধিনায়ক সিটিআইবি), লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. ফরিদ উদ্দিন (তৎকালীন জেএসও-১) এবং মেজর (অব.) মনির (তৎকালীন জেএসও-২, সিটিআইবি)।

জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী দাবি করেছেন, তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না। জেনারেল মইন তাকে অন্যত্র পোস্টিং দিয়েছিলেন। পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তারেক রহমান তার নিকটাত্মীয় বলে জেনারেল মইন তাকে দূরে রেখেছিলেন- এটাও দাবি করেছেন জেনারেল মাসুদ। তারেক রহমানের সঙ্গে জেনারেল মাসুদের কেন দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তারও বর্ণনা দিয়েছেন জিজ্ঞাসাবাদে। বলেছেন, অপারেশন ক্লিন হার্টকে কেন্দ্র করেই এই দূরত্ব তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তারেক রহমানকে বলপূর্বক দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়। এর আগে একটি অঙ্গীকারপত্র সই করিয়ে নেয়া হয়।

সূত্র: মানবজমিন

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 08:00:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফিরছেন মির্জা আব্বাস; ফিরছেন কি রাজনীতিতেও ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16518" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16518</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। আসন্ন ঈদুল আজহার আগেই তিনি দেশে ফিরতে পারেন। মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাসের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, মির্জা আব্বাস এখন পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত। তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে পারছেন। মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টারের সিদ্ধান অনুযায়ী, ঈদুল আজহার আগেই তার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় আকস্মিক অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারান ঢাকা-৮ আসনের এমপি মির্জা আব্বাস। প্রথমে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় তাকে।

মির্জা আব্বাসের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ১৪ এপ্রিল ফিজিওথেরাপির জন্য তাকে মালয়েশিয়ার একটি পুনর্বাসনকেন্দ্রে নেওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে পূর্ণ বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত হওয়ায় তিনি দেশে ফিরে নিজ আসনের দলীয় লোকজনদের নিয়ে গণমানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন এমনটাই ধারণা রাজনীতি সংশ্লিষ্ঠদের।

দলীয় নেতাকর্মীরা আশা করছেন তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে আবার জাতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবেন। সাধারণ মানুষের মনে এখন একটিই প্রশ্ন তিনি কি তাহলে আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরছেন?

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 07:22:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জেলা প্রশাসন ফের দলীয়করণের পথে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16517" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16517</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৈশভোজে অংশ গ্রহনের মাধ্যমে বিএনপির সরকার গঠনের পর প্রথম ডিসি সম্মেলন শেষ হয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি ত্বরান্বিত করা, প্রশাসনকে আরও কার্যকর, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ ছাড়া জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক, কিশোর গ্যাং ও মব সন্ত্রাস দমনে প্রশাসনকে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়। একই সঙ্গে রাজস্ব আদায় বাড়াতে মাঠ প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করা হয়। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণসহ সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার পরামর্শও পেয়েছেন ডিসিরা।

জেলা প্রশাসকদেরকে (ডিসি) স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ডিসি সম্মেলন শুরু হয় গত ৩ মে। চার দিনের সম্মেলনে ২৮টি কর্ম-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দিন সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়াও রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ও প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তারা।

এবারের সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা ৪৯৮টি প্রস্তাব পেশ করেন। এগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পৃথক কর্ম-অধিবেশনগুলোয় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা, জ্যেষ্ঠ সচিব, সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।

সম্মেলনের প্রথম দিন রাজনীতিকদের সমন্বয়ে জেলা পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি বৈঠক নিয়মিত করার তাগিদ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। এ বৈঠকের মূল লক্ষ্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়; মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির মাধ্যমে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জেলা পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি বৈঠক হলো মামলা-মোকদ্দমার বিষয়। এখানে রাজনীতিবিদদের অন্তর্ভুক্ত করলে তদন্তে প্রভাব পড়তে পারে এবং মাঠ প্রশাসন দলীয় প্রভাবে দূষিত হতে পারে। এসব বৈঠকে বাইরের লোক বিশেষত: স্থানীয় রাজনীতিবিদদের যুক্ত না করাই ভালো। সম্মেলনে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা গত কয়েক বছরের মতো এবারও বিচারিক ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার আবেদন করেন। তবে এ প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান। ফলে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না।

মাঠ প্রশাসনে ভালোভাবে কাজ করতে ২৪টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে রয়েছে&ndash; প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার তাগিদ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণপূর্বক প্রতিরোধ ও দমনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ। অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা পরিহার করে দ্রুত, বাস্তবসম্মত ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়। সব উন্নয়ন প্রকল্প নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়ন নিশ্চিত এবং প্রকল্প বাস্তবায়নে আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে গুণগত মান নিশ্চিতকল্পে কার্যকর তদারকি জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে অনুসরণ করতে হবে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নে সততা, মেধা ও দক্ষতাকে। শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 06:12:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নরসিংদী জেলা পরিষদে অনুদানের চেক বিতরণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16515" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16515</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানবিকতা আর সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নরসিংদী জেলা পরিষদ। উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ড, সমাজের অসহায়, দুস্থ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের পাশে দাঁড়াতে জেলা পরিষদের উদ্যোগে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে এক আন্তরিক ও অনাড়ম্বর আয়োজনের মধ্য দিয়ে।

বুধবার (৬ মে) জেলা পরিষদের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ২৮ জন সুবিধাভোগীর মাঝে মোট ৫ লাখ ৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। উন্নয়ন মুলক কর্মকাণ্ডের চেক প্রদান করা হয়।
উপস্থিত অতিথিদের করতালি আর প্রাপকদের কৃতজ্ঞতায় ভরে ওঠে পুরো আয়োজন।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহী।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ, প্রধান প্রকৌশলী নুর ই এলহাম, হিসাবরক্ষক মো. রোমান মিয়া প্রমূখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব মঞ্জুর এলাহী বলেন, মানুষ মানুষের জন্য এই চিরন্তন সত্যকে হৃদয়ে ধারণ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। সমাজের এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা নীরবে কষ্ট সহ্য করেন, সাহায্যের হাত খোঁজেন কিন্তু বলতে পারেন না। তাদের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের মানবিক কর্তব্য। জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা নয়, এটি ভালোবাসা, সহমর্মিতা আর মানবিকতার এক জীবন্ত উদাহরণ। আমি বিশ্বাস করি, এই সহায়তা তাদের জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলো কিছুটা হলেও সহজ করে তুলবে।

সভাপতির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার বলেন,একজন মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমরা যারা দায়িত্বে আছি, তাদের উচিত মানুষের দুঃখ-কষ্টকে নিজের মতো করে অনুভব করা। দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর হতেই সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সামান্য সহায়তা হয়তো বড় কিছু নয়, কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আন্তরিকতা, দায়বদ্ধতা এবং মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ। ভবিষ্যতেও আমরা এই মানবিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত পরিসরে চালিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুবিধাভোগীদের চোখেমুখে ছিল স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতার ছাপ। অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে দেয়। একটি ছোট সহায়তা কখনো কখনো একটি পরিবারের জন্য আশার আলো হয়ে ওঠে, নতুন করে বাঁচার প্রেরণা জোগায়। নরসিংদী জেলা পরিষদের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে প্রশাসন যখন মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তখন উন্নয়ন শুধু অবকাঠামোতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, তা পৌঁছে যায় মানুষের হৃদয়ে। মানবিকতার এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকুক এই প্রত্যাশাই এখন জিইয়ে উঠুক সবার মাঝে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 May 2026 14:18:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মে দিবসে নয়াপল্টনে শ্রমিক সমাবেশ বিএনপির, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16491" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16491</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। শুক্রবার (১ মে) দুপুর ২টায় এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন দলের নেতারা।

বৃহস্পতিবার (১ মে) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি জানান, মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই তার প্রথম জনসভা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ উপলক্ষে শ্রমিক দলের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ব্যানার-ফেস্টুনসহ সার্বিক আয়োজন সম্পন্ন করা হচ্ছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের শ্রমজীবী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে অংশ নেবেন এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরবেন। সমাবেশে বর্তমান শ্রম পরিস্থিতি ও জাতীয় রাজনীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের শীর্ষ নেতারা এবং শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখবেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী শফুসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 12:04:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, উপসর্গ শনাক্ত ১১৫১: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16489" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16489</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু নেই। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭৬ জনে।

২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ১৫১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ হাজার ১৩১ জনের হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৪ জনের। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৮ জনে।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ১৫১ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪৮ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৩৪ জন।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৫ হাজার ১৫৮ জন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ২১ হাজার ৭৫৬ জন।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 11:32:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর ঋণ পুনঃতফসিলে এক্সপার্ট: নাহিদ ইসলাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16486" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16486</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান ঋণ পুনঃতফসিলে এক্সপার্ট বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে চলা অধিবেশনে এই অভিযোগ করেন তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বীর বিক্রম।

নাহিদ বলেন, &lsquo;হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ পুনঃতফসিলের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কারণ তিনি ঋণ পুনঃতফসিলে এক্সপার্ট।

বাহাত্তরের সংবিধানকে একাত্তরের সঙ্গে মিলানো হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, &lsquo;কারণ যারা এই সংবিধান তৈরি করেছিলেন, তারা কেউ নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন না। এক ব্যক্তির হাতে সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। স্বৈরতন্ত্রের বীজ সেখানেই রোপণ করা হয়।&rsquo;

বিএনপি তার ফান্ডামেন্টাল জায়গা থেকে সরে যাচ্ছে অভিযোগ করে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ বলেন, &lsquo;জামায়াত বিরোধিতা করার কারণে আওয়ামী লীগের ভূমিকায়। জুলাই জাতীয় সনদকে এক অন্তহীন প্রতারণায় পরিণত করেছে বিএনপি।&rsquo;

জুলাই সনদে কেন প্রথমেই স্বাক্ষর করেনি এনসিপি, ব্যাখ্যা দিয়েছেন নাহিদ।

তিনি বলেন, &lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের নবায়ন হয়েছে। এই দুইয়ের মধ্যে কোনো সাংঘর্ষিক নেই। এই বিতর্ক করে দুটোকেই ছোট করা হচ্ছে। ৫৫ বছর পর এই বিতর্ক অপ্রত্যাশিত।&rsquo;

জুলাই আন্দোলনের সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের &lsquo;ছাত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই&rsquo; কৌশল সঠিক ছিল বলে মন্তব্য করেন এনসিপির আহ্বায়ক।

তিনি বলেন, &lsquo;শেখ হাসিনা এবং ওসমান হাদির হত্যাকারীদের নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কী কথা হয়েছে তা জানতে চাই। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দুর্নীতির তদন্ত দাবি করছি।&rsquo;

জঙ্গিবাদ নিয়ে সরকারকে সমন্বয় করে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বানও জানান নাহিদ ইসলাম।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 10:15:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16484" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16484</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন কেন্দ্রিক রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় এক-এগারোর সময়ে আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনজুরুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি মিরপুর বিভাগের উপ-পরিদর্শক কফিল উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম সজীব রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

দেলোয়ার হত্যা মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে দেশি অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগের ৫০০-৭০০ নেতাকর্মী। এ সময় শেখ মামুন খালেদের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়।

তাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন দেলোয়ার হোসেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২১ জুলাই শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে মিরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতা করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে একাধিক মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো ও রিমান্ডে নেওয়া হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:20:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিএসইসি ও বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধানের বয়সসীমা থাকছে না, সংসদে বিল পাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16483" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/16483</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পুঁজি বাজারের দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইইডিআরএ) শীর্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা তুলে দিতে দুটি সংশোধনী বিল পাস হয়েছে জাতীয় সংসদে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বিল দুটি পাস হয়।

জানা যায়, সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিল দুটি উপস্থাপন করেন।

প্রথম বিলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বয়সসীমা তুলে &lsquo;বিএসইসি আইন, ১৯৯৩&rsquo; এর সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়।

অন্যদিকে বিমাখাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ&rsquo;র চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে ৬৭ বছর বয়সসীমা সংক্রান্ত &lsquo;অযোগ্যতার বিধান&rsquo; বিলুপ্ত করে &lsquo;আইডিআরএ আইন, ২০১০&rsquo; সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। পরে দুটি বিলই কণ্ঠভোটে পাস হয়।

এদিকে বিল দুটির উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়- পুঁজিবাজার ও বিমাখাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য &lsquo;অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন&rsquo; ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিতে আইনগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। আইডিআরএ সংশোধন বিল, ২০২৬ এ বিদ্যমান আইনের ৭ ধারার উপধারা ৩ সংশোধনের প্রস্তাব পাস করা হয়েছে।

আইডিআরএ আইন, ২০১০ এর ধারা ৭ এ চেয়ারম্যান এবং সদস্য হওয়ার &lsquo;যোগ্যতা ও অযোগ্যতার&rsquo; বিধান রয়েছে। বিদ্যমান আইনের ধারা ৭ এর উপধারা ৩ এর দফা ছ-এ বলা আছে, কোনো ব্যক্তির বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হলে তিনি চেয়ারম্যান বা সদস্য হওয়ার যোগ্য থাকবেন না। সংসদে উত্থাপিত বিলে এই &lsquo;ছ দফা&rsquo; বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে- ধারা ৭ এর উপধারা ৩ এর দফা &lsquo;ঙ&rsquo; এর শেষে থাকা সেমিকোলনের পর &lsquo;বা&rsquo; শব্দ বসবে। দফা &lsquo;চ&rsquo; এ থাকা &lsquo;; বা &rsquo; এর পরিবর্তে দাঁড়ি বসবে এবং দফা &lsquo;ছ&rsquo; বিলুপ্ত হবে। এর ফলে আইডিআরএ-তে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে ৬৭ বছরের বয়সসীমা বিলুপ্ত হবে। এসব বিষয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। তবে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা বিল দুটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।

এ বিষয়ে আখতার হোসেন বলেন, সরকার দল সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা চাইলে আইন পাস করতে পারে। তবে যে দুটি বিল পাস হল, তার বিষয়বস্তু নিয়ে যথেষ্ট ব্যাখ্যা হয়নি।

এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, বিষয়বস্তু হল যে এই যে, সিকিউরিটিস এক্সচেঞ্জ কমিশনের যে আইনটি এবং এই যে বীমা করপোরেশনের যে আইন দুইটা- আইনের বয়সের যে বাধ্যতাকতা ছিল, সেই বাধ্যতাগুলোকে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিলের ভাষা সংক্ষিপ্ত হওয়ায় দেখে মনে হতে পারে বড় কিছু হচ্ছে না জানিয়ে আখতার বলেন, কিন্তু বাস্তবে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ক্ষেত্রে ৬৫ বছরের এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের ক্ষেত্রে ৬৭ বছরের বয়সসীমা ছিল, সেটিই তুলে দেওয়া হয়েছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:01:48 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
