<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/science</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/science"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla science Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest science News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 16 Feb 2026 06:54:43 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মঙ্গলবার বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/15522" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/15522</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্বের আকাশে বছরের প্রথম বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ ঘটবে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) গতকাল রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এতে জানানো হয়, ২০২৬ সালের প্রথম এই সূর্যগ্রহণটি বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ৫৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে শুরু হবে এবং রাত ৮টা ২৭ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে গ্রহণটি শেষ হবে।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, গ্রহণটি চলাকালীন বাংলাদেশে সন্ধ্যা ও রাত থাকবে বলে এ দেশ থেকে এটি দেখা যাবে না। তবে আর্জেন্টিনা, চিলি, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে এই সূর্যগ্রহণটি সরাসরি প্রত্যক্ষ করা যাবে।

মূলত, চাঁদ যখন পৃথিবী থেকে দূরে থাকে এবং তাকে &lsquo;ছোট&rsquo; দেখায়, তখন ছোট চাঁদ বড় সূর্যকে সম্পূর্ণ ঢাকতে পারে না। ফলে সূর্যের ঢাকা না পড়া বহিঃসীমাকে একটা বলয় বা আংটির মত দেখা যায়- মাঝখানে অন্ধকার আর চারপাশে আলোর বলয়। একেই বলে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ।

সূর্যের পূর্ণগ্রাস গ্রহণের মতই বলয়গ্রাসের সময়ও একটা &lsquo;ছায়া ফেলা পথ&rsquo; তৈরি হয়। এই পথের মধ্যে পৃথিবীর যেসব অঞ্চল সেখান থেকে বলয়গ্রাস গ্রহণ দেখা যায়।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Feb 2026 06:54:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের দীর্ঘতম রাত আজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/14501" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/14501</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ২১ ডিসেম্বর বছরের দীর্ঘতম রাত আজ। উত্তর গোলার্ধে আজকের দিনটা একটু আলাদা, কারণ আজ দিন সবচেয়ে ছোট আর রাত সবচেয়ে দীর্ঘ। বছরে একবারই এমনটা ঘটে।

এর কারণ লুকিয়ে আছে পৃথিবীর চলার ভেতর। পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরার সময় সবসময় সোজা থাকে না। ডিসেম্বরের দিকে পৃথিবী এমনভাবে হেলে যায় যে দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের কাছাকাছি থাকে, আর উত্তর গোলার্ধ একটু দূরে সরে যায়।

ফলে উত্তর গোলার্ধে সূর্যের আলো কম সময় পড়ে। সূর্য দেরিতে ওঠে আর তাড়াতাড়ি অস্ত যায়। তাই দিনের সময় কমে যায় এবং রাত দীর্ঘ হয়ে ওঠে। এই ঘটনাকেই বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় উইন্টার সলসটিস।

এই সময় উত্তর গোলার্ধে শীত বেশি অনুভূত হয়, কারণ সূর্যের তাপ কম পাওয়া যায়। কিন্তু একই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক উল্টো পরিস্থিতি থাকে&mdash;সেখানে দিন বড় হয়, রাত ছোট হয় এবং গরমকাল শুরু হয়।

আবার ঠিক ছয় মাস পর, ২১ জুন, পরিস্থিতি বদলে যায়। তখন উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে। সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে, দিন হয় সবচেয়ে বড়। একে বলা হয় সামার সলসটিস। এরপর ধীরে ধীরে আবার দিন ছোট হতে শুরু করে।

এইভাবেই পৃথিবীর ঘূর্ণন ও হেলনের কারণে বছরে দুই দিন দিন-রাতের দৈর্ঘ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা যায়।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Dec 2025 08:06:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভবিষ্যতের ক্যানভাসে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11907" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11907</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একটা সময় ছিল, যখন ডিজাইন মানেই পোস্টার, ব্যানার বা বিজ্ঞাপন বোর্ডে স্থির কোনো ছবি। কিন্তু এখন? এখন ডিজাইন যেন চলতে শুরু করেছে। কথা বলছে। গল্প বলছে। সেটাই হচ্ছে মোশন গ্রাফিক্স।

দর্শকের মন এখন শুধু দেখায় সীমাবদ্ধ নয়-তারা চায় অনুভব করতে। অনেকগুলো বাক্স ভেঙে গিয়ে লোগো রূপ নেয়, তথ্য ছড়িয়ে পড়ে আলো আর ছায়ার খেলায়, আর একটি সাধারণ দৃশ্য হয়ে ওঠে চমকে দেওয়া অভিজ্ঞতা। এটাই মোশন গ্রাফিক্স-যেখানে নীরবতা ভেঙে ডিজাইন কথা বলে, আর প্রতিটি ফ্রেম হয়ে ওঠে গল্পের একেকটি শব্দ।

বাংলাদেশে অনেকেই হয়তো এখনো ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি, কত বড় একটা পরিবর্তন চলে এসেছে মিডিয়া ও ডিজাইন জগতে। মোশন গ্রাফিক্স এখন কেবল টিভি স্ক্রিনেই নয়, আমাদের মোবাইল, ল্যাপটপ এমনকি বিলবোর্ডেও ঢুকে পড়েছে। প্রতিটি কোম্পানি চায়, তাদের মেসেজ যেন ৫ সেকেন্ডেই দর্শকের মনে গেঁথে যায়। সেই জায়গায় মোশন গ্রাফিক্স কাজ করছে এক নির্ভরযোগ্য সৈনিকের মতো।

ঢাকার গলিতে গলিতে এখন অনেক বাসা, ক্যাফে, কো-ওয়ার্কিং স্পেসে বসে তরুণরা বানাচ্ছে ২-৩ সেকেন্ডের অ্যানিমেটেড ভিডিও, যেটা দেখিয়েই কোনো ব্র্যান্ড বিক্রি করে ফেলছে হাজার হাজার ইউনিট পণ্য । অনেকেই কাজ করছেন আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে, কেউ ইউটিউবে নিজের গল্প বলছেন মোশন গ্রাফিক্স দিয়ে। শুধু ডিজাইন জানা নয়-এখন দরকার মুভমেন্ট বোঝা, টাইমিং বোঝা, অনুভব বোঝা।

তবে সমস্যা একটাই-এখনো অনেক শিক্ষার্থী জানেই না এই জগতের ব্যাপারে। হাতে গোনা কয়েকটি ইনস্টিটিউট ছাড়া কোথাও মানসম্মত প্রশিক্ষণ নেই। তাছাড়া যাদের আগ্রহ আছে, তাদের অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না কোথা থেকে শুরু করবেন।

তবে আশার খবর এই যে, দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে। ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক কনটেন্ট, স্টার্টআপের বিজ্ঞাপন-সবখানেই মোশন গ্রাফিক্সের চাহিদা বাড়ছে। টেলিভিশন চ্যানেলগুলোও আগের চেয়ে অনেক বেশি গ্রাফিক্স-কেন্দ্রিক হয়েছে। এমনকি সংবাদ উপস্থাপনাতেও এখন চলমান গ্রাফিক্স ব্যবহার হচ্ছে।

হয়ত একজন মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট ঢাকার একটি ছোট ঘরে বসেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্র্যান্ডের জন্য ভিডিও বানাচ্ছেন, আবার কেউ বানাচ্ছেন পরিবেশ নিয়ে সচেতনতামূলক কনটেন্ট, কেউ হয়তো নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শিশুদের শেখাচ্ছেন বর্ণমালা। এই প্রতিটা উদাহরণই বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিশা দিচ্ছে।

মোশন গ্রাফিক্স আর কল্পনার বিষয় নয়-এটি এখন বাস্তব। এটি একটি শিল্প, একটি পেশা, একটি নতুন যুগের ভাষা। যদি তরুণ প্রজন্ম এটি নিয়ে এগিয়ে আসে, আর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকার পাশে দাঁড়ায়, তাহলে বাংলাদেশে মোশন গ্রাফিক্স শুধু একটি ট্রেন্ড থাকবে না-এটি হবে একটি শিল্পবিপ্লব।

লেখক: দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স), মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া অ্যাকাডেমি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Jul 2025 09:14:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/11908" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/11908</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজকের বিশ্ব প্রযুক্তির অদ্ভুত এক মোড়ে দাঁড়িয়ে। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence &ndash; AI) শুধু একটি ফিচার নয়, বরং প্রতিটি সৃজনশীল ক্ষেত্রের গভীরে ঢুকে পড়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, বিজ্ঞাপন কিংবা অনলাইন কনটেন্ট সবখানেই এখন AI-এর ছোঁয়া দৃশ্যমান। মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন, যা চিত্র, শব্দ ও সময়কে একত্রিত করে একটি গতিশীল ভিজ্যুয়াল তৈরি করে, সেখানেও AI একটি বিপ্লব ঘটাচ্ছে।

AI কীভাবে কাজ করে মোশন গ্রাফিক্সে?

ধরা যাক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার একটি ৩০ সেকেন্ডের টেলিভিশন প্রোমো বানাতে চান । আগের দিনে তাকে স্ক্রিপ্ট পড়া, স্টোরিবোর্ড আঁকা, এনিমেশন তৈরি, কালার কারেকশন এবং রেন্ডারিং করতে হতো - সবকিছুতেই সময় লাগতো বহু ঘণ্টা, কখনোবা দিন। অথচ এখন AI নির্ভর টুল যেমন Runway ML, Kaiber, Pika, Luma AI, Adobe Firefly ইত্যাদি সফটওয়্যারের মাধ্যমে একটি লেখা বা ধারণা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দৃশ্য তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

AI-এর সাহায্যে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা, ক্যামেরা মুভমেন্ট তৈরি করা, লিপ সিংক এনিমেশন বানানো, এমনকি পুরো 3D সিন নির্মাণ-সবই হচ্ছে ক্লিকেই। কোনো ডিজাইনার চাইলে শুধু একটি প্রম্পট লিখে দিতে পারেন: &ldquo;রাতের শহরের ওপরে উড়ছে একদল ড্রোন, নিচে আলো ঝলমলে রাস্তা, চারপাশে ভবিষ্যতের উড়ন্ত গাড়ি&rdquo;। এই প্রম্প্টটি দিলে AI পুরো দৃশ্য তৈরি করে দিতে পারে যেখানে থাকবে আধুনিক শহরের ব্যাকগ্রাউন্ড, গতিশীল ক্যামেরা মুভমেন্ট, চলমান গাড়ি ও আলোর রিফ্লেকশনসহ এনিমেটেড পরিবেশ।

 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বাস্তবতা

বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি এখনও অনেকাংশে ম্যানুয়াল কাজের ওপর নির্ভরশীল। Vizrt, WASP3D, VMix ইত্যাদি রিয়েলটাইম গ্রাফিক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হলেও AI এখনও অনেকের কাছে নতুন এক অভিজ্ঞতা। কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম যেভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে সক্রিয়, তাতে করে AI গ্রাফিক্স ডিজাইন আমাদের দেশেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।

আমার দেখা মতে, আগামীর টেলিভিশন সম্প্রচারে যেমন ইনফোগ্রাফিকস, সেগমেন্ট ব্রেকার, ফ্যাক্টস অ্যানিমেশন, সাইড প্যানেল, নিউজ লোয়ার-থার্ড ইত্যাদি জায়গায় AI টুল ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।

প্রশিক্ষণের গুরুত্ব ও আমাদের প্রস্তুতি

আমি নিজে একজন ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠশালা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোশন গ্রাফিক্স শেখাই। সেখানে আমি প্রতিনিয়ত দেখি-যেসব শিক্ষার্থীরা নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে, তারা খুব দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। তাই আমার বিশ্বাস, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এখনই AI ভিত্তিক গ্রাফিক্স প্রশিক্ষণ চালু করা উচিত।

AI নিয়ে ভয় না পেয়ে, এটিকে গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমার বার্তা&mdash;Adobe After Effects বা Cinema 4D শিখুন ঠিকই, তবে পাশাপাশি Runway ML, Gen-2, Firefly বা Pika Lab নিয়েও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করুন। কারণ, ভবিষ্যতের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে দ্রুতগতিতে।

মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইন কেবল সফটওয়্যারের ব্যবহার নয়, এটি একটি শিল্প। AI এই শিল্পকে দ্রুততর, সহজতর এবং আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। আমাদের প্রয়োজন-এই প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের টেলিভিশন এবং ডিজিটাল মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

সৃজনশীলতা কখনোই প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে না-বরং প্রযুক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আরও বড় কিছু তৈরি করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই যুগে আমরা যদি সঠিক প্রস্তুতি নিতে পারি, তবে বাংলাদেশের গ্রাফিক্স ডিজাইনও বিশ্বমানে পৌঁছাতে পারে-এই আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

লেখক:দেবাশীষ দাস
ডেপুটি ম্যানেজার, গ্রাফিক্স বিভাগ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশন
ফ্যাকাল্টি, পাথশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া একাডেমি
গেস্ট ফ্যাকাল্টি, টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Jul 2025 04:38:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিসাইল সিস্টেম সংবলিত আধুনিক মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/11783" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/11783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার মেধাবী তরুণ রাফি হোসাইন সম্প্রতি মিসাইল সিস্টেম সংবলিত একটি আধুনিক মিলিটারি ড্রোন উদ্ভাবন করে সারাদেশে সাড়া ফেলে দিয়েছেন। বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে অনুষ্ঠিত ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় এই উদ্ভাবন প্রদর্শন করে তিনি ও তার দল টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

রাফির এই ড্রোনটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত উন্নত। এটি দুইটি মিসাইল বহন করতে সক্ষম এবং প্রায় ৪০ কিলোমিটার রেঞ্জ পর্যন্ত কার্যকরী। সম্পূর্ণ স্থানীয়ভাবে ডিজাইন, ফেব্রিকেশন ও প্রোগ্রামিং করা এই ড্রোনের উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর খরচ বিদেশী ড্রোনের তুলনায় অনেক কম- মাত্র ১০ লাখ টাকা।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র রাফি বর্তমানে নরসিংদী সায়েন্স অ্যান্ড রোবোটিক্স ল্যাব-এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টা। ২০২৩ সালে &lsquo;এআই এক্সিডেন্ট প্রিভেনশন সিস্টেম&rsquo; এবং ২০২৪ সালে &lsquo;জায়ান্ট মাল্টিপারপাস ড্রোন&rsquo; উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি আগেও জাতীয় পর্যায়ে সেরা হন।

রাফির অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উদ্ভাবনের মধ্যে রয়েছে ভূমিকম্প পূর্বাভাস সিস্টেম, ফায়ার ফাইটিং ড্রোন, রোবটিক আর্ম, জেট ইঞ্জিন সহ নানা প্রযুক্তি। তার প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই জেলা, বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছে।

রাফি জানান, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তার এই ড্রোনকে আরও উন্নত করা সম্ভব হবে। তিনি দেশের প্রতিরক্ষা খাতে স্থানীয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চান। তার এই সাফল্যে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালকসহ অনেকেই তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নরসিংদীর জেলা প্রশাসক রাশেদ হোসেন চৌধুরী রাফির এই অর্জনের ভূয়সী প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রযুক্তিপ্রেমী তরুণদের কাছে রাফি এখন অনুপ্রেরণার নাম। তার এই সাফল্য দেশের প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

আমারবাঙল/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Jun 2025 10:45:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[একেক প্রাণীর জীবনকাল একেক রকম কেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/10822" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/10822</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রাণীর জীবনকাল বিভিন্ন রকমের। কিছু প্রাণী খুবই অল্প সময় বাঁচে। আবার কিছু প্রাণী দীর্ঘজীবী হয়।

কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক দিন বেঁচে থাকা ক্ষুদ্র পতঙ্গের পাশাপাশি শত শত বছর ধরে টিকে থাকা প্রাণীর দেখা মিলে পৃথিবীতে। বিভিন্ন প্রাণীর জীবনকাল জিনগত বৈশিষ্ট্য, পরিবেশগত প্রভাব, খাদ্যাভ্যাস, আকার, বিপাকীয় হার ও খাদ্যশৃঙ্খলের ওপর নির্ভর করে।

ক্ষুদ্র প্রাণীদের মধ্যে সাধারণত স্বল্প সময়ের জীবনচক্র দেখা যায়। মেফ্লাই নামক এক ধরনের জলজ পতঙ্গের পূর্ণাঙ্গ জীবনকাল মাত্র কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এদের শারীরিক গঠন এবং বিপাক হার দ্রুত হওয়ায় জীবনচক্রও দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

অন্যদিকে পানিতে ভাসমান লার্ভা এক বছরের মতো বাঁচতে পারে। তুলনামূলকভাবে ধীরগতির বিপাক হার এবং জটিল শারীরিক গঠন বিভিন্ন প্রাণীকে দীর্ঘ জীবন ধারণে সাহায্য করে।

প্রাণীর আকারও তার জীবনকালের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলে। সাধারণত বড় আকারের প্রাণীগুলো ছোট প্রাণীদের তুলনায় দীর্ঘজীবী হয়। বড় প্রাণীদের শারীরিক বৃদ্ধি ও প্রজনন প্রক্রিয়া ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়।

আবার শিকারি প্রাণীর সংখ্যা কম থাকায় বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। একটি ছোট পাখি কয়েক বছর বাঁচলেও বিশাল তিমি ১০০ বছরের বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকে। স্থলজ প্রাণীদের মধ্যে হাতি ৭০ থেকে ৮০ বছর এবং কচ্ছপ ১৫০ বছরের বেশি সময় পর্যন্ত বাঁচতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিপাকীয় হার প্রাণীর জীবনকালের ওপরে প্রভাব ফেলে থাকে। আর তাই উচ্চ বিপাকীয় হারের প্রাণীরা দ্রুত শক্তি ব্যবহার করে বলে তাদের কোষের ক্ষয়ও দ্রুত হয়। ধীর বিপাকীয় হারের প্রাণীরা ধীরে ধীরে শক্তি ব্যবহার করে, ফলে তাদের কোষের ক্ষয়ও তুলনামূলকভাবে কম হয়। ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন ছুঁচোর বিপাক হার খুব বেশি হওয়ায় তাদের জীবনকালও তুলনামূলকভাবে কম। হামিংবার্ড তিন থেকে পাঁচ বছর বেঁচে থাকে।

জানা যায়, শিকারি-শিকার সম্পর্কও প্রাণীর জীবনকালকে প্রভাবিত করে। যেসব প্রাণীর শিকারির সংখ্যা বেশি, তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম থাকে। তারা দ্রুত প্রজননের মাধ্যমে নিজেদের টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করে। আবার যেসব প্রাণীর কোনো প্রাকৃতিক শত্রু নেই, তারা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় ও দীর্ঘ জীবন লাভ করে। শিকারি না থাকার কারণে দ্বীপ বা বিচ্ছিন্ন অঞ্চলে বসবাসকারী অনেক প্রাণীকে ভূখণ্ডের একই প্রজাতির প্রাণীদের তুলনায় দীর্ঘজীবী হতে দেখা যায়।

কিছু ব্যতিক্রমী প্রাণী তাদের দীর্ঘ জীবনকালের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। গ্রিনল্যান্ড হাঙর প্রায় ৪০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে। মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম দীর্ঘজীবী প্রজাতি এসব হাঙর। আর্কটিক বোহেড তিমি ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে বাঁচতে পারে। অমেরুদণ্ডী প্রাণীদের মধ্যে কিছু স্পঞ্জ ও কোরাল সহস্রাব্দ ধরে বেঁচে থাকতে সক্ষম।

হাইড্রা নামক ছোট জলজ প্রাণীর শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনরুদ্ধার করার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, সঠিক পরিবেশে হাইড্রা তাত্ত্বিকভাবে অমর। এই প্রাণীর কোষ নিয়মিতভাবে নবায়ন হয় বলে হাইড্রার আপাত ধ্বংস নেই। টারডিগ্রেড নামের ক্ষুদ্র জলজ প্রাণীও চরম পরিবেশে টিকে থাকতে পারে। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, কাচের স্পঞ্জ পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণী। এরা ১৫ হাজার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হয়।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 26 Apr 2025 05:47:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণী: পৃথিবীর শেষ সময় ২০৬০ সাল?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/9123" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/9123</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিজ্ঞান ও গণিতের জগতে মহান এক জ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। ১৭০৪ সালে স্যার আইজ্যাক নিউটনের তার লেখা চিঠিতে পৃথিবী কখন ধ্বংস হবে তা নিয়ে লিখেছিলেন। গতি ও মাধ্যাকর্ষণ সূত্রের জন্য বিখ্যাত স্যার আইজ্যাক নিউটন পৃথিবী ২০৬০ সালে ধ্বংস হয়ে যাবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। নিউটন প্রায় ৩০০ বছরের বেশি সময় আগে গাণিতিক গণনার একটি সিরিজের উপরে চিঠি লিখেছিলেন। সেই চিঠিতে ধ্বংস সম্পর্কে সতর্ক করে লিখেছিলেন।

স্যার আইজ্যাক নিউটন বাইবেলের বিভিন্ন ঘটনার প্রতি বেশ বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি বাইবেলের বিভিন্ন ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। নিউটন তার চিঠিতে বাইবেলের ইতিহাস বিশ্লেষণে গণিত ব্যবহার করে তারিখ অনুমান করেন। ভবিষ্যদ্বাণী ব্যাখ্যা করার জন্য তিনি বাইবেল শাস্ত্রে উল্লেখিত বিভিন্ন দিন ও বছর হিসাবের জন্য ব্যবহার করেছিলেন। নিউটন ইতিহাস অধ্যয়ন করে পৃথিবীর শেষ সময় ২০৬০ সাল হিসেবে নির্ধারণ করেন।

চিঠিতে তিনি লিখেছেন, আমরা জানি পৃথিবী ২০৬০ সালে শেষ হবে। ১৭০৪ সালে লেখা সেই চিঠিতে দেখা যায়, বাইবেলে যেসব দিনের কথা বলা আছে, তা বছর হিসাব করে গণনা করেন নিউটন। খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ সাল থেকে হিসাব কষে তিনি পৃথিবীর শেষ সময় ২০৬০ নির্ধারণ করেন।

কানাডার হ্যালিফ্যাক্সের কিংস কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ইতিহাসের অধ্যাপক স্টিফেন ডি স্নোবেলেন বলেন, নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণীতে তার উদ্ভাবিত ক্যালকুলাসের মতো জটিল কোনো কিছুর ব্যবহার ছিল না। শিশুরা পারে এমন সহজ পাটিগণিত ব্যবহার করেন। নিউটন ১২৬০, ১২৯০, ১৩৩৫ ও ২৩০০ দিন ব্যবহার করেছিলেন, যা খ্রিষ্টানদের কাছে পবিত্র বুক অব ড্যানিয়েল ও রেভেলেশনসে পাওয়া যায়।

২০৬০ সাল ছাড়াও আরেকটি ভবিষ্যদ্বাণীতে নিউটন বলেছিলেন, শেষের সময় কখন হবে তা নিশ্চিত করার জন্য আমি এমনটা উল্লেখ করছি না। পৃথিবীর শেষ সময় সম্পর্কে ঘন ঘন ভবিষ্যদ্বাণী করা কল্পনাকে বন্ধ করার জন্য আমি এটি করেছি। পবিত্র গ্রন্থনির্ভর ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ হলে গ্রন্থ অসম্মানিত হয়।

একজন বিজ্ঞানী ভবিষ্যদ্বাণীতে কেন ব্যস্ত ছিলেন সেই পরিপ্রেক্ষিতে অধ্যাপক স্নোবেলেন বলেন, নিউটন আধুনিক অর্থে বিজ্ঞানী ছিলেন না; বরং তিনি ছিলেন একজন প্রাকৃতিক দার্শনিক। মধ্যযুগ থেকে ১৮ শতক পর্যন্ত প্রচলিত প্রাকৃতিক দর্শনে কেবল প্রকৃতির অধ্যয়নই অন্তর্ভুক্ত ছিল না; বরং প্রকৃতিতে ঈশ্বরের উপস্থিতি নিয়ে অধ্যয়নও অন্তর্ভুক্ত ছিল। নিউটনের জন্য ধর্ম ও আমরা এখন যাকে বিজ্ঞান বলি, তার মধ্যে কোনো অভেদ্য পার্থক্য ছিল না। তিনি দীর্ঘ জীবনজুড়ে প্রকৃতি বা ধর্মগ্রন্থের মধ্যে থাকা সত্য আবিষ্কার করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। সূত্র: ডেইলি মেইল।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Feb 2025 05:11:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শতাধিক কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/8623" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/8623</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শত শত অস্পষ্ট সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বরের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের দাবি, এসব লুকানো কৃষ্ণগহ্বরের প্রায় সবই গ্যাস ও ধুলার ঘন মেঘ দ্বারা আবৃত। আর তাই উন্নত ইনফ্রারেড প্রযুক্তির ব্যবহার করে এদের শনাক্ত করা হয়েছে।

এত দিন এসব কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্ব তাত্ত্বিকভাবে ধারণা করা হতো। আর তাই নতুন এ আবিষ্কার মহাজাগতিক ঘটনা বিশেষ করে ছায়াপথের কাঠামোর বিবর্তনকে প্রভাবিত করার তথ্য জানার সুযোগ করে দেবে।

কৃষ্ণগহ্বরগুলো চিহ্নিত করতে নাসার ইনফ্রারেড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল স্যাটেলাইট ও নিউক্লিয়ার স্পেকট্রোস্কোপিক টেলিস্কোপ অ্যারের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এসব যন্ত্রের মাধ্যমে শতাধিক সম্ভাব্য কৃষ্ণগহ্বর শনাক্ত করেছেন, যেগুলোর মধ্যে অনেক কৃষ্ণগহ্বরের তথ্য একেবারেই নতুন। দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এসব কৃষ্ণগহ্বরের কথা বলা হয়েছে।

নতুন সন্ধান পাওয়া কৃষ্ণগহ্বরগুলো সূর্যের থেকে অন্তত এক লাখ বেশি ভরের বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। আগে অনুমান করা হতো, মহাবিশ্বের প্রায় ১৫ শতাংশ কৃষ্ণগহ্বরে লুকানো আছে। সম্প্রতি এই সংখ্যাটি ৩৫ শতাংশের কাছাকাছি বা তারও বেশি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞানীদের দাবি, কিছু কৃষ্ণগহ্বর চারপাশের ঘন উপাদানের কারণে শনাক্ত করা যায় না, যা দৃশ্যমান আলোকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

নতুন কৃষ্ণগহ্বরগুলোর বিষয়ে বিজ্ঞানী পুশাক গান্ধী জানিয়েছেন, মিল্কিওয়ের মতো গ্যালাক্সিতে একটি সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের অনুপস্থিতির কারণে আরো বেশি নক্ষত্রের জন্ম দিতে পারে। এসব অদৃশ্য কৃষ্ণগহ্বর তারকা গঠন নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আর্কাইভে থাকা তথ্য ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে লুকানো কৃষ্ণগহ্বরের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Jan 2025 05:58:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাংশা ৪৬তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং মেলার উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/8255" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/8255</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&#39;জ্ঞান-বিজ্ঞানে করবো জয়, সেরা হবো বিশ্বময়&#39; স্লোগানকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর পাংশায় ৪৬ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং মেলা, ৯ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াড ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের তত্ত্বাবধানে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্টপোষকতায় এবং উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পাংশা উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে দুইদিন ব্যাপি আয়োজিত মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আবু দারদা। মেলায় উপজেলার ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও উদ্ভাবকরা অংশ নিয়েছেন। মেলায় স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজেদের উদ্ভাবিত ধারণা নিয়ে হাজির হয়েছে। প্রদর্শিত বিভিন্ন স্টল প্রদর্শন করেন মেলার সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম আবু দারদা।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান রুবেল, উপজেলা সাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. এবাদত হোসেন, উপজেলা আইটি অফিসার তপু কুমার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার দেওয়ান মো: জাহাঙ্গীর হোসেন, উদয়পুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সামসুল আলম, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকবৃন্দ।

আমার বাঙলা/ ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 15 Jan 2025 13:08:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি নাসার মহাকাশযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7984" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7984</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়ে ইতিহাস গড়েছে নাসার মহাকাশযান &lsquo;পার্কার সোলার প্রোব&rsquo;। বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) সূর্যের ৩৮ লাখ মাইল কাছাকাছি পৌঁছাতে সক্ষম হয় এটি। মহাকাশযান থেকে পাঠানো আলোর সংকেত থেকে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন নিরাপদে আছে এটি।

সূর্য সম্পর্কে আরো জানার চেষ্টা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের অনেক আগে থেকেই ছিল। জলন্ত এই বিশাল অগ্নিকুণ্ডকে জানতে গবেষণাও চলছে প্রতিনিয়তই।

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার মহাকাশযান &lsquo;পার্কার সোলার প্রোব&rsquo; ইস্টার্ন টাইম জোন অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সফলভাবে সূর্যের কাছে যেতে সক্ষম হয়েছে। এর আগে আর কোনো মহাকাশযান সূর্যের এত কাছাকাছি যেতে পারেনি।

নাসা জানায়, গত মঙ্গলবার &lsquo;পার্কার সোলার প্রোব&rsquo; নামের মহাকাশযানটি সূর্যের দিকে ছুটতে শুরু করে। তখন এর গতি ছিল ঘণ্টায় প্রায় চার লাখ ৩০ হাজার মাইল। যাত্রার পর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় মহাকাশযানটির সঙ্গে।

প্রোগ্রাম করা ছিল এটি যদি সফলভাবে সূর্যের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে তবে আলোক সংকেত পাঠাবে। বিজ্ঞানীদের অধির অপেক্ষা ছিল এই সংকেতটির জন্য। পরে ইস্টার্ন টাইম জোন অনুযায়ী স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এই সংকেত পান বিজ্ঞানীরা।

তারা জানান, &lsquo;পার্কার সোলার প্রোব&rsquo; সূর্যের প্রায় ৩৮ লাখ মাইল কাছাকাছি যেতে পেরেছে নানা প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে। এসময় যানটিকে সহ্য করতে হয়েছে ৯৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। এরপরেও এটি নিরাপদে আছে বলে জানা যায়। আশা করা হচ্ছে আগামী পহেলা জানুয়ারি নিজের &lsquo;পার্কার সোলার প্রোব&rsquo; নিজের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে তথ্য পাঠাবে।

প্রত্যাশা করা হচ্ছে এই অভিযানে মহাকাশযানটির সফলতা সূর্য সম্পর্কে আরো ভালোভাবে জানতে সাহায্য করবে বিজ্ঞানীদের। পাওয়া যাবে নক্ষত্রটি সম্পর্কে নতুন অনেক তথ্যও। সূর্যের উত্তপ্ত অঞ্চল বুঝতে সাহায্য করবে এসব তথ্য। ভূমিকা রাখবে সৌরবায়ুর উৎস শনাক্ত করতেও।

নাসার বিজ্ঞান গবেষণার প্রধান ড. নিকোল ফক্স বলেন, &lsquo;শতকের পর শতক ধরে লোকজন সূর্য নিয়ে গবেষণা করছেন। কিন্তু আপনি একটি জায়গার বায়ুমণ্ডলে না গেলে সেখানে আসলে কী ঘটছে, তার সম্পর্কে ধারণা পাবেন না। তাই সূর্যকে জানতে হলেও তার বায়ুমণ্ডলে যেতে হবে।&rsquo;

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Dec 2024 03:47:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এলিয়েন কি শুধু কল্পনার?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7830" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7830</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এলিয়েনদের জীবন কেমন সে বিষয়ে মানুষের প্রবল আগ্রহ আছে। তারা তো নিশ্চয় আমাদের মতো নয়। এলিয়েনদের জীবন সম্পর্কে জানার কৌশলেও পরিবর্তন আনার প্রস্তাব দিয়েছেন আমেরিকার আরিজোনা ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রফেসর ক্রিস ইমপে। তার মতে, অপরিচিত এই জীবটির প্রমাণ পেতে হলে বাড়তি কিছু সৃষ্টিশীলতা লাগবে। এই বিশ্ব কীভাবে তৈরি হয়েছে, তার একটিমাত্র প্রমাণ জীববিজ্ঞানে রয়েছে।

আর সেটি হচ্ছে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব যদি ভিন্নভাবে হতো, তাহলে অবস্থা কী দাঁড়াত?

যেসব বিজ্ঞানী পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্ব তালাশ করেন, তাদের বলা হয় জ্যোতির্জীববিজ্ঞানী। তারা এলিয়েনকে কল্পনা করছেন পৃথিবী ও পৃথিবীর বাইরে জটিল প্রাকৃতিক ও জৈবিক বিধির আলোকে।

প্রফেসর ক্রিস ইমপে মনে করেন, বহির্জাগতিক প্রাণী অনুজীবের মতোও হতে পারে।

তিনি জানান, নব্বইয়ের দশকে এক্সোপ্লানেট স্বীকৃত হওয়ার পর থেকে পাঁচ হাজারের বেশি এক্সোপ্লানেট আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব এক্সোপ্লানেটেও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা জানতে রেডিও সিগন্যাল পাঠানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, এক্সোপ্ল্যানেট সৌরজগতের বাইরের একটি গ্রহ। একটি এক্সোপ্ল্যানেটের প্রথম সম্ভাব্য প্রমাণ ১৯১৭ সালে উল্লেখ করা হয়েছিল, কিন্তু তখন সেভাবে স্বীকৃত হয়নি।

এটি যে ভিন্ন গ্রহ, প্রথম ১৯৮৮ সালে আবার শনাক্ত করা হয়েছিল এবং ২০০৩ সালে নিশ্চিত হন বিজ্ঞানীরা। চলতি বছরের ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত, চার হাজার ৩৩৬টি গ্রহব্যবস্থায় পাঁচ হাজার ৮০৬টি নিশ্চিত এক্সোপ্ল্যানেট রয়েছে, ৯৭২টি সিস্টেমে একাধিক গ্রহ রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি) আরো এক্সোপ্ল্যানেট আবিষ্কার করবে এবং তাদের বৈশিষ্ট্য, তাদের গঠন, পরিবেশগত অবস্থা এবং জীবনের সম্ভাবনা সম্পর্কে আরো অন্তর্দৃষ্টি দেবে।

প্রফেসর ক্রিস ইমপে এটিও বলেছেন, বিজ্ঞানীরা বসে নেই। তবে পৃথিবীর বাইরে প্রাণের অস্তিত্বের প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে কবে আসবে, তা কেউ জানেন না।

সূত্র : সায়েন্সডেইলি.কম

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Dec 2024 02:54:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৃত মানুষ জীবিত হবে, গবেষণায় বিজ্ঞানীরা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7672" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7672</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশ্ব ভ্রহ্মাণ্ড কি ধ্বংসের দিকে অনেকটা এগিয়ে গেছে? ধর্মমতে কেয়ামত কি খুবই কাছে? কেয়ামতের লক্ষণ হিসেবে অনেককিছুর কথা বলা আছে। এর একটি দাজ্জালের আবির্ভাব।

এর আবির্ভাবের লক্ষণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মৃত মানুষকে জীবিত করবে দাজ্জাল।

সহিহ মুসলিম শরীফে বলা আছে, দাজ্জাল মৃত ব্যক্তিদের জীবিত করতে পারবে এবং তাকে অলৌকিক ক্ষমতা দেওয়া হবে। যা হবে কেয়ামতের সবচেয়ে বড় আলামতগুলোর একটি।

কয়েক বছর আগেও এমন কিছু শোনা ছিল অসম্ভব! মৃতদেহ জীবিত হবে এমন ভাবনা ছিল না। কিন্তু আজকের বাস্তবতা ভিন্ন। বিজ্ঞানীরা এমন এক অগ্রগতির দিকে এগোচ্ছে, যা আমাদের চিন্তা-ভাবনাকে পাল্টে দিতে পারে।

আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী এমন প্রযুক্তি এবং পদ্ধতি নিয়ে কাজ করছেন, যা দিয়ে তারা দাবি করছেন মৃতদেহকে পুনরায় জীবিত করা সম্ভব হতে পারে! শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও, বাস্তবেই এমন কিছু গবেষণা চলছে। ক্রায়োনিক্স (Cryonics) নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে মৃতদেহ সংরক্ষণের জন্য। এই প্রক্রিয়ায় মৃতদেহ বা মস্তিষ্ককে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে প্রযুক্তির উন্নতি হলে সেই দেহকে জীবিত করা সম্ভব হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় অবস্থিত Alcor Life Extension Foundation ও মিশিগানের Cryonics Institute এরা এই পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল।

এরমধ্যে Alcor Foundation প্রতিষ্ঠিত ১৯৭২ সালে, আর Cryonics Institute গড়ে ওঠে ১৯৭৬ সালে। এরা শতাধিক মৃতদেহ এবং মস্তিষ্ককে সংরক্ষণ করছে, সেসব দেহের ভবিষ্যতের পুনরুজ্জীবনের আশায়। এই গবেষণা প্রচেষ্টা যতই এগিয়ে চলেছে, ততই প্রশ্ন উঠছে&mdash;এটা কি আদৌ সম্ভব?

এই গবেষণা প্রচেষ্টার মূল লক্ষ্য হচ্ছে একদিন এমন প্রযুক্তি তৈরি করা, যা দেহের সমস্ত কোষকে পুনরায় কার্যক্ষম করতে পারবে। কিন্তু এখানে এক বড় প্রশ্ন থেকেই যায় এই গবেষণা কতটা সফল হবে?
বিজ্ঞানীরা যতই দাবি করুন না কেন, অনেকেই মনে করেন, এটি দাজ্জালের প্রতারণার ফাঁদ হতে পারে।
সহিহ মুসলিম শরীফের হাদিসে উল্লেখ রয়েছে যে, দাজ্জাল মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করবে এবং বিভ্রান্তিকর কৌশল ব্যবহার করে তাদের আকৃষ্ট করবে। তার মধ্যে একটি বড় পরীক্ষা হবে মৃত মানুষকে জীবিত করার মতো অলৌকিক ক্ষমতা দেখানো। এমন ক্ষমতা যে শুধুমাত্র আল্লাহরই আছে, ইসলামি বিশ্বাসে তা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাই কোনো ধরনের অস্বাভাবিক ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করাই শ্রেয়।

ইসলামের দৃষ্টিতে কেবলমাত্র মহান আল্লাহই জীবনের স্রষ্টা এবং মৃত্যুর পর পুনর্জীবন দানের ক্ষমতাধারী। আল্লাহ তার রাসূলদের মধ্যে কিছু বিশেষ মুজিজা প্রদর্শনের ক্ষমতা দিয়েছিলেন, যার মধ্যে ঈসা (আ.) আল্লাহর আদেশে মৃত মানুষকে জীবিত করতে পারতেন। কিন্তু তা ছিল আল্লাহরই এক বিশেষ অনুগ্রহ। কোরআনে সূরা আল ইমরান আয়াত ৪৯ এবং সূরা মায়িদা আয়াত নম্বর ১১০-এ এই মুজিজার বর্ণনা পাওয়া যায়।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 10 Dec 2024 05:46:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শনিবার একই সারিতে থাকবে পৃথিবী-সূর্য-বৃহস্পতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7555" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/7555</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফোর্বস ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (৭ ডিসেম্বর) পৃথিবী, সূর্য এবং বৃহস্পতি একই সরলরেখায় অবস্থান করবে। শনিবার সারারাত বৃহস্পতি আকাশে দৃশ্যমান থাকবে। এই অবস্থানকে বলা হয় &lsquo;জুপিটারর্স অপজিশন&rsquo;।

ফোর্বসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার বৃহস্পতিকে দেখার জন্য এই সময়ের আগে-পরে এক মাস ধরে এই বিস্ময়কর ঘটনা পর্যবেক্ষণের সুযোগ থাকবে। এমনকি একটি ছোট টেলিস্কোপ বা সাধারণ দূরবীন দিয়েও এই গ্রহের সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে।

এমন বিরল মহাজাগতিক ঘটনা কেবল সৌরজগতের রহস্য ও সৌন্দর্যের প্রতি মানুষের কৌতূহল বাড়ায়।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, শুক্রবার পৃথিবী থেকে প্রায় ৬১১ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ৩৮০ মিলিয়ন মাইল দুরে থাকবে বৃহস্পতি। এই দূরত্বে বৃহস্পতিকে বেশ উজ্জল দেখাবে।

আমার বাঙলা/এনবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 06 Dec 2024 12:49:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাকার ঘূর্ণনে বিশ্ব আজ গ্রামে পরিণত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6899" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6899</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাকা পৃথিবীর একটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। প্রায় ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে নিওথিলিক এবং ব্রোঞ্জ যুগের মধ্যে পরিবর্তনের সময় কাঠের তৈরি ছিদ্র অক্ষ যুক্ত চক্র বা চাকার দেখা পাওয়া যায়। যদিও প্রাচীনতম চাকাটি মেসোপটেমিয়াতে আবিষ্কৃত হয়েছিল। তবে এটি পরিবহনের জন্য নয়, বরং মাটির পাত্র তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল। চাকা, এক্সেলের সাথে যুক্ত হয়ে প্রাথমিক ধীরগতির যানবাহন থেকে দ্রুত গতির যানে রূপান্তরিত হয়েছে।

মানুষ প্রতিনিয়ত চলার পথকে সহজ করার জন্য চাকাযুক্ত নিত্যনতুন যান আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে দূরবর্তী স্থানগুলো কাছাকাছি আসতে থাকে। দূরত্ব কমতে থাকে গ্রাম থেকে গ্রামের, শহর থেকে শহরের, দেশ থেকে দেশের, মহাদেশ থেকে মহাদেশের, গ্রহ থেকে গ্রহের।

প্রাচীনকালে মানুষ ও পশু উভয়ই দেহের ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনি। অর্থাৎ ফল পাড়তে পশু ও মানুষ উভয়কেই গাছে উঠতে হতো। কিন্তু মানুষ যখন ঢিল ছুড়ে ফল পাড়তে শুরু করলো, তখন সে দূরের জিনিসকে সহজেই কাছে আনতে সক্ষম হল। মানুষকে আর গাছে না উঠলেও চলে কিন্তু পশুকে এখনও গাছে উঠেই ফল পাড়তে হয়। পশু দূরের বিষয়কে এখনও কাছে আনতে পারেনি। আর মানুষ - গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ফল পাড়া থেকে যে দেহ বা শরীরের ঊর্ধ্বে উঠতে পেরেছিল, তা আজ হাজার হাজার মাইল তথা মহাশূন্য, গ্রহ, নক্ষত্রের বিভিন্ন অভিযান, মিসাইল হামলা, মহাশূন্য থেকে ভোট দেওয়া সবই ইন্টারনেটের মধ্য দিয়ে ঘরে বসেই সম্পন্ন করছ।

এভাবে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ প্রযুক্তির উত্তোরণের ফলে মানুষ তাঁর শরীরের ঊর্ধ্বে উঠে মস্তিষ্ক বা বুদ্ধি দিয়ে কাজ করতে ও যোগাযোগ রক্ষা করতে পারছে। যোগাযোগের মধ্য দিয়ে যেমন পারস্পরিকতা বা সামাজিকতা তথা সমাজ গড়ে ওঠে, ঠিক তেমনি যোগাযোগের সূত্র ধরে সমগ্র পৃথিবীটাই এক মানবসমাজে পরিণত হয়েছে। এই মানব সমাজে পৃথিবী নামক একটাই গ্রাম আছে। সেই গ্রামে একটাই
চন্দ্র, সূর&zwnj;্য মহাশূন্য আছে। তাই কোনো দেশই আজ এই মানবসমাজের বাইরে নয় বা থাকা সম্ভবও নয়। এই মানবসমাজের ভালো- মন্দের উপর সব দেশের ভালো-মন্দ নির্ভরশীল(করোনার মধ্য দিয়ে তা প্রমাণিত)। তাই সমগ্র বিশ্বের প্রত্যেক মানুষকেই বিশ্ব নাগরিক বোধে আসা উচিত। একজন নাগরিকের যেমন দেশের প্রশ্নে কিছু কর্তব্য থাকে,তেমনিভাবে বিশ্ব নাগরিক হিসেবে আমাদের সেই ধরনের বোধ আসা উচিত। সর্বোপরি পৃথিবী নামক গ্লোবাল ভিলেজ তথা বৈশ্বিক এই গ্রামকে স্বাগতম।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 Nov 2024 13:54:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ব্ল্যাকহোলের সংখ্যা বেড়েছে, বলছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6853" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6853</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মহাকাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ব্ল্যাকহোল আর বামন ছায়াপথের সংখ্যা সম্পর্কে আমাদের যে ধারণা ছিল, সর্বশেষ মহাকাশ জরিপে দেখা গেছে, এই দুটি মহাকাশীয় বস্তুর সংখ্যা তিন গুণ বেশি। এসব ব্ল্যাকহোল (কৃষ্ণবিবর) আর বামন ছায়াপথগুলো কীভাবে একই সঙ্গে সৃষ্টি হয়েছে সে ব্যাপারেও জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আলোকপাত করেছেন। বামন ছায়াপথ হলো কম উজ্জ্বলতার ছোট ছায়াপথ, যা ইংরেজিতে ডোয়ার্ফ গ্যালাক্সিস নামে পরিচিত।

যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনা রাজ্যের কিট পিক ন্যাশনাল মানমন্দিরে (তারাঘর)(ডার্ক এনার্জি স্পেসট্রোসপিক ইনস্ট্রুমেন্ট-ডিইএসআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নতুন এই তথ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। তারা আড়াই হাজারেরও বেশি বামন ছায়াপথ পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন।

উল্লেখ্য, এসব বামন ছায়াপথের কেন্দ্রেই অগণিত ব্ল্যাকহোল সক্রিয় রয়েছে। এ সময় মহাকাশের নির্দিষ্ট অংশটিতে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রায় ৩০০ মাঝারি ভরবিশিষ্ট নতুন ব্ল্যাকহোল শনাক্ত করেছেন। এর আগে তারা মহাকাশের এই অঞ্চলটিতে মাত্র ৭০টি ব্ল্যাকহোল সম্পর্কে জ্ঞাত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সল্টলেক সিটির উটাহ ইউনিভার্সিটির জ্যোতির্বিজ্ঞানী রাগদীপিকা পুচা বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে ব্ল্যাকহোল নিয়ে গবেষণার চেয়ে একগুচ্ছ ব্ল্যাকহোল নিয়ে গবেষণার সুবিধা অনেক। কারণ ব্যাপক মাত্রায় গবেষণা পরিচালিত হলে ব্ল্যাকহোল অর বামন ছায়াপথের বিবর্তন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া সহজ। রাগদীপিকার এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা হলো, বিজ্ঞানীরা এখন পর্যন্ত যা জানেন, সেটি হলো প্রতিটি ছায়াপথের কেন্দ্রে অতিকায় ব্ল্যাকহোল লুকিয়ে রয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এখনো পর্যন্ত এটি নিশ্চিত হতে পারেননি যে ব্ল্যাকহোল, নাকি বামন ছায়াপথ আগে সৃষ্টি হয়েছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানী স্তেফানি জুনিয়াও বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়েছেন এভাবে, &lsquo;ব্ল্যাকহোল, নাকি বামন ছায়াপথ আগে সৃষ্টি হয়েছে এই প্রশ্নটি মুরগি আগে না ডিম আগের মতোই জটিল।&rsquo;

তবে বিজ্ঞানীরা আশাবাদী যে তারা এই গবেষণার মাধ্যমে ছায়াপথ আর ব্ল্যাকহোলের বিবর্তন ও সৃষ্টি সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যাবেন।

সূত্র : সায়েন্সনিউজ.অর্গ

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 11 Nov 2024 02:59:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিম আগে, না মুরগি: নতুন গবেষণা যা জানালো]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6827" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6827</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেক বছর ধরে বিজ্ঞান কিংবা দর্শনের জগতে আলোচিত ও কৌতুহলী একটি প্রশ্ন&mdash; &lsquo;আগে এসেছে কোনটি: মুরগি না ডিম?&rsquo; এই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি কখনো। বিজ্ঞানী ও দার্শনিকরা অনেকবার চেষ্টা করেছেন।

এ নিয়ে বিস্তর আলোচনাও হয়। ভাবনাও খেলে- ডিম তো মুরগী থেকেই আসে। আমার ডিম ফেটে মুরগীর ছানা বের হয়। তাহলে কোনটি আগে? অনেক গোলমেলে ও ভাবনার বিষয়। ভাবতে ভাবতে আপনার মাথা ঘুরে যাবে; কিন্তু উত্তর মিলবে না।

আসলে সৃষ্টিরহস্যের কোনো কূল-কিনারা নেই। তারপরও চেষ্টা চলে। এবার এর সমাধান খোঁজার চেষ্টা করেছেন সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। তাদের গবেষণা বলছে, ডিমের মতো প্রাকৃতিক গঠন মুরগির বহু আগেই পৃথিবীতে ছিল।

গবেষণাটি চালানো হয়েছে এককোষী একটি প্রাচীন জীব ক্রোমোসফেরা পারকিনস্কি-কে নিয়ে; যা ২০১৭ সালে হাওয়াইয়ের সমুদ্রতল থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল। গবেষকেরা বলছেন, ১০০ কোটি বছরের বেশি সময় ধরে পৃথিবীতে থাকা এই জীব এমন কিছু কোষ তৈরি করতে পারে; যা ডিম বা ভ্রূণের মতো কাজ করে। এ থেকে বোঝা যায়, প্রকৃতিতে ডিম তৈরির পদ্ধতি প্রাণীর উদ্ভবের আগে থেকেই ছিল।

গবেষণাপত্রের সহলেখক ওমায়া দুদিন বলেন, যদিও এটি এককোষী জীব, তবে এটি প্রাণীর মতো গঠন তৈরিতে সক্ষম। আরেক গবেষক মারিন অলিভেটার মতে, &lsquo;এই আবিষ্কার পৃথিবীর প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে আমাদের ধারণা সমৃদ্ধ করছে। গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, প্রাচীন পৃথিবীতে এমন ধরনের ডিম ধীরে ধীরে গঠিত হতে শুরু করে এবং পরবর্তী সময়ে মানুষ খাদ্যের জন্য নিয়মিত ডিম উৎপাদনকারী মুরগি পালন করতে শুরু করে।&rsquo;

আরেক গবেষণা থেকে জানা যায়, মুরগির ডিমের মতো শক্ত খোলসবিশিষ্ট ডিম প্রায় ৩০ কোটি বছর আগে পৃথিবীতে ছিল। খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস ডিমের চাহিদা পূরণে হাজার বছর আগে মানুষ মুরগিকে ঘরে পালন করা শুরু করে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 Nov 2024 04:32:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিজের বানানো টেলিস্কোপে কালপুরুষ নীহারিকার ছবি তুলেছেন জুবায়ের]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6787" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/6787</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর ইট, কাঠ ও পাথরের জঞ্জালে আকাশ দেখার সুযোগ খুবই কম। তার মাঝেও ব্যতিক্রমী মানুষ আছেন। তেমনি একজন জুবায়ের কাওলিন। তিনি ব্যতিক্রম হবেন না কেন? একজন অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারকে আকাশ দেখা থেকে বিরত রাখা অসম্ভব।

আকাশ দেখার প্রসঙ্গ এখানে নয়। তবে আকাশ দেখতে দেখতেই অভাবনীয় কাজ করেছেন জুবায়ের। ঢাকায় নিজের বাসার ছাদ থেকে কালপুরুষ নীহারিকার ছবি তুলেছেন এ বাংলাদেশি। যে টেলিস্কোপ দিয়ে তিনি এই ছবি তুলেছেন, সেটিও স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করে নিজেই তৈরি করেছেন। তার ছবিতে নীহারিকার উজ্জ্বল তারকারাজি, ধূলিমেঘ ও গ্যাসীয় ধূলিকণা উঠে এসেছে।

পৃথিবী থেকে প্রায় এক হাজার ৩৫০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কালপুরুষ নীহারিকাকে বলা হয় নক্ষত্রের আঁতুড়ঘর; ইংরেজিতে &#39;স্টেলার নার্সারি&#39;। কারণ মহাকাশের এ অঞ্চলে নিয়মিত জন্ম নেয় নতুন নতুন নক্ষত্র। জ্যোতির্বিজ্ঞানের সবচেয়ে বেশি গবেষণা হওয়া অঞ্চলগুলোর একটি এটি। এই নীহারিকার আরেক নাম মেসিয়ার ৪২। নক্ষত্র গঠনের অঞ্চল হিসেবে বিখ্যাত এই নীহারিকা পেশাদার, অপেশাদার দুই ধরনের অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের কাছেই ব্যাপক জনপ্রিয়। এই নীহারিকার পরিষ্কার ছবি এবং সেটি তুলতে ব্যবহার করা স্বনির্মিত টেলিস্কোপের জন্য দেশে ভালোই মনোযোগ আকর্ষণ করছেন জুবায়ের।

জুবায়েরের ছবিতে নীহারিকার ভেতরের দৃশ্য উঠে এসেছে, যেখানে নতুন তারার জন্ম হচ্ছে। এসব তারার আশেপাশে থাকা গ্যাস ও ধূলিকণাও উঠে এসেছে ছবিতে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে।

প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে প্রকৌশল ও নকশায় নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে, হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন উপকরণ ব্যবহার করে এই টেলিস্কোপ তৈরি করেন জুবায়ের। স্থানীয় একটি হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে কেনা চার ও পাঁচ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পিভিসি পাইপ দিয়ে টেলিস্কোপের প্রাথমিক টিউবটি বানান। এরপর বিভিন্ন অনলাইন স্টোর থেকে সাহায্য নিয়ে তার ১০২ মিলিমিটার অ্যাপারচার অবজেক্টিভ লেন্স তৈরি করেন। স্থানীয় বাজার থেকে কেনা একটি থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহার করেও টেলিস্কোপের বিভিন্ন অংশ তৈরি করেন।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি জুবায়েরের আগ্রহের শুরু অল্প বয়সেই। শিশুদের বিজ্ঞান বই থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ১২ বছর বয়সেই কার্ডবোর্ডের টিউব ও চশমার লেন্স দিয়ে প্রথম টেলিস্কোপ তৈরি করেছিলেন তিনি। সেটি দিয়ে প্লেইয়েডস স্টার ক্লাস্টারের দিকে তাক করেছিলেন। সেদিন হঠাৎ করে হাজার হাজার তারা দেখে বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। এই অভিজ্ঞতা তার ব্যক্তিত্বের ওপর একটি স্থায়ী ছাপ ফেলে। একটি শক্তিশালী টেলিস্কোপ তৈরি করার স্বপ্ন তখন থেকেই দেখতে শুরু করেছিলেন। তবে বড় হওয়ার পর থ্রিডি অ্যানিমেশন এবং ভিজ্যুয়াল ইফেক্টকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেন জুবায়ের। এই পেশা তার সৃজনশীলতা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ালেও এর বাইরে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পেছনে তেমন সময় দিতে পারছিলেন না।

২০১৮ সালে ইলেকট্রনিক্স, রোবোটিক্স এবং থ্রিডি প্রিন্টিং নিয়ে গবেষণা করার সময় জুবায়েরের আবার জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ জেগে ওঠে। তখন তিনি ভাবতে শুরু করেন, এই খাত থেকে পাওয়া দক্ষতা দিয়ে হয়তো একটি কার্যকরী টেলিস্কোপ তৈরি করতে পারবেন, যা তার ছোটবেলার স্বপ্ন।

কয়েক মাস গবেষণার পর, ২০১৯ সালে প্রথম অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি করার চেষ্টা করেন তিনি। বাড়ির ছাদে ওঠে একটি সাধারণ ক্যামেরা এবং ট্রাইপড ব্যবহার করে দূর-আকাশের ছবি তোলেন। সেই ছবিগুলো প্রক্রিয়াজাত করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, এতে খুবই ক্ষীণ পরিসরে নীহারিকার আলো দেখা যাচ্ছে। সেটি দেখে সিদ্ধান্ত নেন, ভালো মানের একটি টেলিস্কোপ তৈরি করতে হবে, যাতে দূরের আকাশের ভালো মানের ছবি তুলতে পারেন।

যখন সিদ্ধান্ত নেন অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি করবেনই, তখন কম দামে আরেকজনের ব্যবহৃত একটি ডিএসএলআর ক্যামেরা কেনেন জুবায়ের। সেই ক্যামেরায় কিছু পরিবর্তন এনে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির উপযুক্ত হিসেবে গড়ে তোলেন। তবে সেটি আকাশের দিকে তাক করার পর অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির সাধারণ চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে হয় তার। সঙ্গে ঢাকার উষ্ণ জলবায়ু এবং তীব্র আলো দূষণ তো আছেই।

এসব সমস্যা সমাধান করতে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে কিউএইচওয়াই ২৬৮সি নামে একটি অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি ক্যামেরাই কেনেন জুবায়ের। এই ক্যামেরার মাধ্যমে ইমেজ সেন্সরে সাব-জিরো তাপমাত্রা বজায় রাখতে সক্ষম হন তিনি, যার ফলে ছবির মানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়। তবে এই পদ্ধতিতে নীহারিকার ছবি তোলা সহজ হলেও শহরের আলোক দূষণের মধ্যে বড় পরিসরে ছায়াপথ বা গ্যালাক্সির ছবি তোলা কঠিন হয়ে যায়।

দূর-আকাশের ছবি তোলার পাশাপাশি জুবায়েরের এই টেলিস্কোপ চাঁদ ও সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহের ভালো ছবি তুলতে সক্ষম। বহুমুখী ছবি তোলায় দক্ষ এবং স্থায়ীত্বের জন্য ডিজাইন করা তার সরঞ্জামগুলো দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছে। এই টেলিস্কোপের ডিজাইন এমনভাবে করেছেন তিনি, যাতে করে এটি যে কোনো জায়গায় নিয়ে যেতে পারেন এবং কেবল ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ব্যবহার করতে পারেন।

জুবায়েরের জন্য অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফি কেবল শখ না। এটি তার মহাবিশ্বের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং এর মধ্যে আমাদের অবস্থান খোঁজার উপায়। রাতের আকাশের ছবি তোলার মধ্যে তিনি গভীর আনন্দ এবং জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পান। তার মতে, এটি তাকে প্রাণের উৎস এবং বিস্তৃত মহাবিশ্বের কাছাকাছি নিয়ে যায়।

তিনি বলেন, এই টেলিস্কোপ তৈরি করা ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ ছিল, যেটি আমি বেশ উপভোগ করেছি। আরো বড় এবং ভালো মানের যন্ত্র তৈরি করার চেষ্টা চালিয়ে যাব আমি। তিনি আরো বলেন, আমার লক্ষ্য হচ্ছে, মহাবিশ্বের আরো বিস্ময়কর ছবি তোলা এবং অন্যদের জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্বন্ধে আগ্রহী করে তোলা। হয়তো আমি একটি শিশুকে অনুপ্রাণিত করব, যে একদিন অন্য এক গ্রহে পা রাখবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং ব্যক্তিগত প্রচারের মাধ্যমে জুবায়ের অন্যান্য উঠতি অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। এভাবে দেশে অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফারদের একটি গোষ্ঠী তৈরি করতে চাইছেন তিনি, যারা জ্ঞান ও সম্পদে উন্নত বিশ্ব থেকে পিছিয়ে আছে।

জুবায়ের রাতের আকাশ অন্ধকার রাখার পক্ষে। তার মতে, কেবল অ্যাস্ট্রোফটোগ্রাফির জন্যই নয়, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশগত কারণে কৃত্রিম আলোর দূষণ কমানো উচিত।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 Nov 2024 06:40:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিএনএ ল্যাবরেটরী বিশ্বমানের হবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5414" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5414</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন (রিমি) বলেছেন, ডিএনএ ল্যাবরেটরীকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরীতে পরিণত করা হবে।

তিনি বলেন, দোষী ব্যক্তিকে সনাক্ত করা, মিথ্যা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া, মামলার প্রাথমিক পর্যায়ে থেকে বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে এবং বিচারোত্তর সত্য উদ্ঘাটনে ডিএনএ ল্যাবরটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

আজ বেইলী রোডে জাতীয় মহিলা সংস্থার সম্মেলন কক্ষে ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত ডিএনএ দিবস উদযাপন উপলক্ষে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী ডিএনএ সুবিধা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে স্ক্রিনিং সুবিধা সম্পন্ন আটটি বিভাগীয় শহরে আটটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে। যেখান থেকে স্ক্রিনিং করা আলামত পরবর্তী পরীক্ষার জন্য ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রফাইলিং ল্যাবরেটরীতে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, হত্যা বা ধর্ষণের মতো সহিংস অপরাধ দমন, পিতৃত্ব-মাতৃত্ব নির্ণয়, মৃত ব্যক্তির পরিচয় উদ্ধার, কিডনী দাতা- গ্রহিতার সম্পর্ক নির্ণয়, প্রবাসীদের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয়, নারী পাচার ও অবৈধ অভিবাসী প্রতিরোধে ডিএনএ পরীক্ষাসহ প্রবাসী শ্রমিকদের লাশ দেশে আনার ক্ষেত্রে ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে অপরাধ বিজ্ঞান ও অপরাধমূলক বিচার ব্যবস্থায় ডিএনএ প্রযুক্তি বা ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্ট একটি যুগান্তকারী সংযোজন। এটি বিচার ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগে উত্তরণ ঘটিয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ডিএনএ প্রযুক্তির নানা ব্যবহার নিশ্চিত করা লক্ষ্যে ২০১৮ সালে ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড (ডিএনএ) আইন, ২০১৪ পাস করা হয় এবং ২০১৮ সালে ডিএনএ বিধিমালা, ২০১৮ পাস করা হয়েছে। এছাড়া, ডিএনএ আইন ২০১৪ এর ২০ (১) ধারা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ৯ আগষ্ট ২০২০ তারিখে ডিএনএ ল্যাবরেটরী ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কেয়া খান, বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর মহাপরিচালক আনজীর লিটন, ডিএনএ ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা.এ.এম.পারভেজ রহিম উপস্থিত ছিলেন।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Jun 2024 12:53:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিমান দুর্ঘটনায় অ্যাপোলো-৮ &#039;র নভোচারীর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5121" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5121</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিমান দুর্ঘটনায় মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার নভোচারী উইলিয়াম অ্যান্ডার্স মারা গেছেন। স্থানীয় সময় শুক্রবার ওয়াশিংটনের সান হুয়ান দ্বীপপুঞ্জে এক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

অ্যান্ডার্সের ছেলে গ্রেগরি অ্যান্ডার্স মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, &lsquo;খবরটি পেয়ে আমরা খুব বিধ্বস্ত এবং একজন মহান বৈমানিককে হারিয়ে শোকাহত।&rsquo;

উইলিয়াম অ্যান্ডার্স ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো-৮ মহাকাশযানের সদস্য ছিলেন। মৃত্যুকালে তা বয়স হয়েছিল ৯০ বছর।

সান হুয়ান কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জোন্স দ্বীপের উপকূলে একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় সময় বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তাদের ডেসপ্যাচ সেন্টার একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন পায়, এতে বলা হয়, পুরোনো মডেলের একটি বিমান উত্তর থেকে দক্ষিণে উড়ছিল, তারপর জোন্স আইল্যান্ডের উত্তর প্রান্তের কাছে পানিতে পড়ে ডুবে যায়।উদ্ধারকারী বিভিন্ন সংস্থার অনুসন্ধানের পর উইলিয়াম অ্যান্ডার্সের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কোস্ট গার্ড।

অ্যাপোলো-৮ মহাকাশযানের সদস্য অ্যান্ডার্স মহাকাশ থেকে ঐতিহাসিক আর্থরাইজের ছবিটি তোলার জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলেন। ৫৫ বছর আগে তোলা ওই ছবিতে মহাকাশের বিস্তীর্ণ অন্ধকারের বিপরীতে উজ্জ্বল নীল পৃথিবীর দৃশ্য ধারণ করেছিলেন। ছবির সামনের অংশে চাঁদের পৃষ্ঠ দেখা যায়। তার সেই বিখ্যাত ছবির একটি আসল সংস্করণ ২০২২ সালে কোপেনহেগেন নিলামে ১১ হাজার ৮০০ ইউরোতে বিক্রি করা হয়।

অ্যান্ডার্স ১৯৬৪ সালে নাসার নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সালে জেমিনি-১১ মিশন এবং ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ ফ্লাইটের ব্যাকআপ পাইলট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

অ্যান্ডার্সের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নাসার প্রশাসক বিল নেলসন শুক্রবার এক্স-এ এক পোস্টে বলেন, &lsquo;অ্যান্ডার্স মানুষের জন্য চমৎকার উপহার দিয়ে গেছেন। তিনি চাঁদের নিকটবর্তী স্থানে উড্ডয়নের সময় কিছু অসাধারণ ছবি তুলেছেন। যা একজন নভোচারীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ।&rsquo;

অ্যান্ডার্স ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস কাউন্সিলের নির্বাহী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৭০-এর দশকে এক বছর নরওয়েতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Jun 2024 10:40:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাঁদের বুকে চীনের ক্রুবিহীন মহাকাশযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5009" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/science/5009</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের ক্রুবিহীন মহাকাশযান চেং&rsquo;ই ৬ সফলভাবে চাঁদ থেকে কিছুটা দূরে অবতরণ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটি। রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ২৩ মিনিটে চাঁদের মাটি স্পর্শ করে মহাকাশযানটি। খবর বিবিসি।

চীন সরকার জানিয়েছে, মহাকাশযানটি এমন এক অনাবিষ্কৃত জায়গায় অবতরণ যেখানে আগে কেউ যাওয়ার চেষ্টা করেনি। সেই জায়গাটি &lsquo;সাউথ পোল এইটকেন বেসিন&#39; নামে পরিচিত।

ধারণা করা হয়, চাঁদ গঠিত হওয়ার শুরুর দিকে বিরাট কোন সংঘর্ষের ফলে সেখানে বিশাল গর্ত তৈরি হয়েছিল। গত ৩ মে এই মহাকাশযানটি চাঁদে নতুন মিশন শুরু করে যার উদ্দেশ্য ছিল চাঁদ থেকে মূল্যবান পাথর এবং মাটি সংগ্রহ করা। ওই গর্ত থেকে এরইমধ্যে চাঁদের প্রাচীনতম কিছু পাথর বের করতে পেরেছে চন্দ্রযানটি। চাঁদের মাটিতে মহাকাশযানটির অবতরণ ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।

কারণ মহাকাশযানটি একবার চাঁদের দূরবর্তী প্রান্তে পৌঁছে গেলে সেখানে যোগাযোগ করা প্রায় অসম্ভব। নাসা বলছে, মহাকাশযানটির উচ্চ ঝুঁকি নিয়ে চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে কাক্সিক্ষত উপকরণ সংগ্রহ করতে তিন দিন সময় লাগবে।

এর আগে ২০১৯ সালে চাঁদের মাটি স্পর্শ করেছিল চীনের চেং&rsquo;ই ৪। ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির চন্দ্র ভূতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জন পার্নেট-ফিশার ব্যাখ্যা করে বলেন, অনেকেই এই বিষয় নিয়ে বেশ আগ্রহী যে চাঁদে এমন কোন পাথর আছে যা আমরা আগে কখনো দেখি নাই।

চাঁদ থেকে সংগ্রহ করা পাথরগুলো দিয়ে মহাকাশের গ্রহগুলোর গতিবিধি ব্যাখ্যা করে যাবে। আমেরিকান অ্যাপোলো মিশন এবং পূর্ববর্তী চীনা মিশনে ফিরিয়ে আনা অন্যান্য চন্দ্র শিলা বিশ্লেষণ করেছেন তিনি।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Jun 2024 12:14:34 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
