<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/probash</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/probash"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla probash Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest probash News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 27 Jul 2026 09:03:53 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[দক্ষিণ আফ্রিকায়  অপহরণ  ৩ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17681" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17681</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় অপহরণের ঘটনা বেড়েছে উদ্বেগজনকভাবে। অন্তত তিন বাংলাদেশি প্রবাসী অপহরণের শিকার হয়েছেন এ মাসেই। দুজন মুক্তিপণের বিনিময়ে মুক্তি পেয়েছেন এবং একজন এখনো নিখোঁজ।

সবশেষ শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় জোহানেসবার্গের ফোর্ডসবার্গ এলাকা থেকে অপহৃত হন ঢাকার দক্ষিণখানের বাসিন্দা তানভীর আহমেদ বিন্দু। একই সময়ে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আরও কয়েকটি আলোচিত অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, যা প্রবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

মাত্র ১৮ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে দক্ষিণ আফ্রিকায় আসা তানভীর কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে সশস্ত্র দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন। পুলিশ অভিযান চালালেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি।

এরআগে, গত ১৮ জুলাই নোয়াখালীর বজরা ইউনিয়নের মো. আরিফ অপহরণের শিকার হন। পরিবারের দাবি, ২৪ জুলাই রাত আনুমানিক তিনটার দিকে ১ লাখ রেন্ট মুক্তিপণ দেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে সম্প্রতি অপহরণের শিকার হওয়া আরেক বাংলাদেশি সাইফুল ইসলাম মোবারককে প্রায় ২০ লাখ রেন্ট মুক্তিপণের বিনিময়ে ছাড়ে অপহরণকারীরা। বন্দিদশায় তার ওপর নির্মম শারীরিক নির্যাতন চালানো হয় এবং তার হাতের একটি আঙুল কেটে ফেলা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গত ১০ জুলাই তিনি বাংলাদেশে ফিরে যান।

শুধু বাংলাদেশিরাই নন, চলতি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে একাধিক অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৭ জুলাই মঙ্গলবার জোহানেসবার্গের ফোর্ডসবার্গের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আখালাওয়া গ্রুপের অন্যতম কর্ণধান শিরিন আখালওয়া ৭২ বছর বয়সী এক নারী অপহৃত করা হয়। বিশেষ অভিযানে গত ৮ জুলাই তাকে জীবিত উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকা পুলিশ। এ ঘটনায় ৯ জুলাই তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী ব্যবসায়ী ও কর্মজীবীদের লক্ষ্য করে অপহরণ, সশস্ত্র ডাকাতি ও চাঁদাবাজির ঘটনা বাড়তে থাকায়। প্রবাসীদের একা চলাচল এড়িয়ে চলা, রাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন এবং সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশ ও কমিউনিটিকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Jul 2026 09:03:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রবাসে বাংলা ভাষা-সংস্কৃতির জয়গান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17637" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17637</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের নোবলসভিল দুই দিনের জন্য যেন রূপ নিয়েছিল এক টুকরো বাংলায়। সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য, বইমেলা, পিঠা উৎসব এবং শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখর ছিল ১৬তম উত্তর আমেরিকা বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলন (NABLCC) ২০২৬। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করার প্রত্যয় নিয়েই শেষ হয়েছে এ আয়োজন।

সম্মেলনে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে সাহিত্যিক, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী এবং বাংলা ভাষাপ্রেমীরা একত্রিত হন। অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ভৌগোলিক দূরত্ব যতই বাড়ুক, মাতৃভাষা ও সাংস্কৃতিক শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

দুই দিনব্যাপী আয়োজনে সংগীত, সাহিত্যচর্চা, নৃত্য এবং শিল্পকলার সমন্বয়ে প্রবাসী বাঙালিদের জন্য তৈরি হয় এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিবেশ। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের নাতনি অনিন্দিতা কাজী। তিনি নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মানবতা এবং সাম্যের দর্শনের কথা তুলে ধরে বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে এই মূল্যবোধ পৌঁছে দেওয়া সময়ের দাবি।

সংগীত পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কণা। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পী এমাদ রনি, আকাশ ও জনির পরিবেশনাও দর্শকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়। বাংলা গানের সুরে প্রবাসের পরিবেশ যেন মুহূর্তেই পরিণত হয়েছিল এক প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক মিলনমেলায়।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাংলা বইমেলা। প্রথমবারের মতো ইন্ডিয়ানার এই অঞ্চলে অনুষ্ঠিত বইমেলায় নিউইয়র্কভিত্তিক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান মুক্তধারা অংশগ্রহণ করে। সমসাময়িক সাহিত্য, গবেষণাধর্মী বই এবং বিভিন্ন প্রকাশনা ঘুরে দেখেন বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, প্রবাসের নতুন এলাকাগুলোতেও বাংলা বইয়ের প্রতি মানুষের আগ্রহ আশাব্যঞ্জক।

সম্মেলনের আহ্বায়ক আজাদ হোসেন সফল আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রবাসীদের সম্মিলিত উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারতের কনসাল জেনারেল সোমনাথ ঘোষ। বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ঐতিহ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শিকাগোতে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল জেনারেল মুনির চৌধুরী ইন্ডিয়ানায় এমন বৃহৎ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের সফল আয়োজনের জন্য উদ্যোক্তাদের অভিনন্দন জানান।

সম্মেলনের নীরব সংগঠকদের একজন মাসুম মাহবুব বলেন, ইন্ডিয়ানায় এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের সাংস্কৃতিক আয়োজন ভবিষ্যতে আরও বড় উদ্যোগ গ্রহণে প্রবাসী বাঙালিদের অনুপ্রাণিত করবে।

দুই দিনের অনুষ্ঠানে শিশুদের কবিতা আবৃত্তি, পিঠা উৎসব, সাহিত্য আলোচনা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং পারিবারিক মিলনমেলা বিশেষ মাত্রা যোগ করে। শিশুদের কণ্ঠে বাংলা কবিতা এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের আয়োজন প্রবাসেও দেশের আবহ ফিরিয়ে আনে।

সম্মেলনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব দেন আজাদ হোসেন, দিলরুবা আমিন মিতা ও অঞ্জন রায়। আয়োজকদের আন্তরিকতা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

অনুষ্ঠানে ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের সেক্রেটারি অব স্টেট দিয়েগো মোরালেসের শুভেচ্ছাবার্তা পাঠ করে শোনানো হয়। এছাড়া অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

বাংলা সাহিত্যবিষয়ক আলোচনা পর্বে অংশ নেন ড. মীর মাসুম আলী, আজাদ হোসেন, আব্দুস সামাদ, লেখক ও সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন, সাংবাদিক হাসানুজ্জামান সাকী এবং পিনাকী তালুকদার। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বিশ্বজুড়ে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে প্রবাসী বাঙালিদের অবদান দিন দিন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

প্রথম দিনের আলোচনা পর্বে বক্তব্য দেন সোনিয়া আজাদ, লীনা আলী, ড. ওয়াকার মোয়াজ্জেম ও লিখন রশীদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন নন্দিতা দাস গাঙ্গুলি, বিশ্বজিৎ সাহা এবং দিদারুল আলম পান্না।

সম্মেলনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিল আলোকচিত্র ও শিল্পকর্ম প্রদর্শনী। ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি পোশাক, অলংকার, দেশীয় খাবারের স্টল এবং বিভিন্ন প্রজন্মের প্রবাসী বাঙালিদের পারস্পরিক পরিচয় ও মতবিনিময়ের সুযোগ পুরো আয়োজনকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

২৪ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত এ দুই দিনের সম্মেলনের মিডিয়া পার্টনার ছিল প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, সময় টেলিভিশন, টিবিএন-২৪ এবং দেশি ট্রিবিউন ডটকম।

দুই দিনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও অংশগ্রহণকারীদের বিশ্বাস, প্রবাসে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এই ধারাবাহিক চর্চা আগামী প্রজন্মের মধ্যেও সমানভাবে ছড়িয়ে পড়বে এবং বিশ্বজুড়ে বাংলা সংস্কৃতির পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 26 Jul 2026 06:32:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় গ্রেফতার ৩২ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17499" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/17499</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যে পরিচালিত যৌথ অভিবাসনবিরোধী অভিযানে বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১০৮ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ (জেআইএম)। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩২ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

বুধবার (২২ জুলাই) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে জোহরের তামান শ্রী বাহাগিয়া এলাকার বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

তিনি জানান, অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল বিদেশি নাগরিকদের বৈধভাবে অবস্থান ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা এবং ভিজিট পাস, কর্মসংস্থান পাসসহ বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত সুবিধার অপব্যবহার রোধে আইন প্রয়োগ জোরদার করা।অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে অবস্থানরত ব্যক্তিদের পাসপোর্ট, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিটসহ বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এতে ১৮ থেকে ৪৯ বছর বয়সি ১০৮ জন বিদেশিকে বিভিন্ন অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন ৩২ জন বাংলাদেশি, ২২ জন মিয়ানমারের, ১৬ জন পাকিস্তানের, ১৫ জন নেপালের, ১২ জন ইন্দোনেশিয়ার, চারজন ভারতের নাগরিক এবং তিনজন মিয়ানমারের নারী, দুইজন ইন্দোনেশিয়ার নারী ও দুইজন নেপালের নারী।

জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জানান, ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাদের সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য।

সাধারণ জনগণকে তিনি অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারী বিদেশিদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Jul 2026 10:43:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেসবুকে মালয়েশিয়ার স/ন্ত্রা/সী গোষ্ঠীর কার্যকলাপ প্রচারের দায়ে ১  বাংলাদেশির ১০ বছরের কারাদণ্ড।]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/14264" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/14264</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মো:নুরুল ইসলাম সুজন, মালয়েশিয়া: কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর)এক বাংলাদেশী নাগরিককে দেশে ইসলামিক স্টেট (আইএস) সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কার্যকলাপ প্রচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করার পর ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

অভিযুক্ত মোহাম্মদ দিদারুল আলম, ২৯, এর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ স্বীকার করার পর বিচারক দাতুক আজহার আব্দুল হামিদ দণ্ডবিধির ১৩০জে(১)(ক) ধারার অধীনে এই সাজা ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত, যিনি নিরস্ত্র এবং প্রতিনিধিত্বহীন বলে মনে হচ্ছিল, পুরো মামলা চলাকালীন কেবল একজন দোভাষী তাকে সহায়তা করেছিলেন।

চার্জশিট অনুসারে, SOSMA-এর অধীনে নিরাপত্তা কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে দিদারুলকে ২১ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তল্লাশির সময় পুলিশ অভিযুক্তের পাসপোর্ট এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।

তদন্তে দেখা গেছে যে অভিযুক্ত &#39;আল মুবিন ইসলাম&#39; প্রোফাইল দিয়ে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত যা ২০১৯ সাল থেকে আইএস সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সংগ্রাম সম্পর্কিত বিষয়বস্তু আপলোড, শেয়ার এবং প্রচারের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল, যার মধ্যে রয়েছে ২০২৩ সালের জানুয়ারী থেকে ছবি, ভিডিও, নিবন্ধ এবং জিহাদের আহ্বান।

অভিযুক্ত ব্যক্তি মালহামাহ, বাগদাদ ঈগল, বেঙ্গল ডকট্রিন, ভিডিও, নাশিদ, পিডিএফ এবং অডিও লেকচার সহ বেশ কয়েকটি টেলিগ্রাম গ্রুপের সদস্য হওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন, যেগুলি আইএসের প্রচারণা এবং আদর্শিক উপকরণ ভাগ করে নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হত। তবে, পুলিশ তার এক সহকর্মীকে গ্রেপ্তার করার পর তিনি গ্রুপটি মুছে ফেলেন।

এদিকে, পিডিআরএম ফরেনসিক ল্যাবরেটরির রিপোর্টে পরে নিশ্চিত করা হয়েছে যে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি অভিযুক্তেরই। যদিও তার মোবাইল ফোনে কোনও সন্ত্রাসী উপাদান পাওয়া যায়নি, সোশ্যাল মিডিয়ার বিষয়বস্তুতে অভিযুক্তের আইএস গ্রুপের প্রচারে সক্রিয় জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা ২০১৪ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে গেজেট করা হয়েছিল।

আজকের কার্যক্রম চলাকালীন, ডেপুটি পাবলিক প্রসিকিউটর আফতাল মারিজ মাহামেদ অনুরোধ করেছিলেন যে তার উপর কঠোর এবং আনুপাতিক শাস্তি আরোপ করা হোক, বিশেষ করে যখন এটি দেশের নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদের বিষয়গুলির সাথে জড়িত। তবে, দিদারুল আবেদন করেন যে তাকে কেবল বাংলাদেশে তার অসুস্থ বাবা-মায়ের ভরণপোষণের জন্য কাজ করার জন্য মালয়েশিয়ায় আসার দাবি করার জন্য জরিমানা করা উচিত।

সকল পক্ষের আপিল এবং যুক্তি শোনার পর, আজহার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে শুরু করে কারাদণ্ড ভোগ করার নির্দেশ দেন এবং অভিযুক্তের দুটি মোবাইল ফোন এবং পাসপোর্ট সহ সমস্ত জব্দ করা জিনিসপত্র বাজেয়াপ্ত করার জন্য রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করেন। কারাদণ্ড ভোগ করার পর, আদালত অভিযুক্তকে তার জন্মস্থানে নির্বাসনের নির্দেশ দেয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 12 Dec 2025 14:00:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কাতার’ এর  ১ম কমিটির ১ম সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/14122" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/14122</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাতারের রাজধানী দোহার পাঞ্জাব রেস্টুরেন্টে &lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কাতার&rsquo;-এর প্রথম কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি-এ.কে.এম. আমিনুল হক(কাজল)। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন সোহেল। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি- মোঃ জুলফিকার আজাদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ মোসাদ্দেক বিল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক ইফতেখার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, প্রকাশনা ও সাহিত্য সম্পাদক: মোহাম্মদ আবু শামা, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল বাশার, নির্বাহী সদস্য ফখরুল ইসলাম তারেক, শফিকুল ইসলাম,আব্দুল জলিল, খাইরুল ওয়ারা মঞ্জুর ও রেজা।

সভায় বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মকাণ্ড কিভাবে পরিচালনা করবে তার পদ্ধতি নির্ধারণ সহ সাংগঠনিক নানা বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মধ্যাহ্নভোজের মধ্যদিয়ে প্রথম কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভার পরিসমাপ্তি ঘটে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 07 Dec 2025 13:06:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12343" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12343</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাতারের রাজধানী দোহায় বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হযরত আলী খানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা, কমিউনিটির সদস্য, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও দূতাবাস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শহিদদের স্মরণে দোয়ার মাধ্যমে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করা হয় এবং জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয় তথ্যচিত্রে। হামাদ বিন খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

আলোচনায় অংশ নেন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ, যারা শহিদদের শ্রদ্ধা জানান এবং একটি বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের অঙ্গীকার করেন। পরে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে বলেন, &ldquo;জুলাই গণহত্যা ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। নতুন বাংলাদেশ গড়তে সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।&rdquo; তিনি প্রবাসীদের অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান এবং বর্তমান সরকারের সংস্কার উদ্যোগে সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিদের জন্য দেশীয় খাবারের আয়োজন করা হয়।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 Aug 2025 06:33:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাতারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির বর্ধিত সভা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12288" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12288</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাতারের রাজধানী দোহার একটি অফিসের হলরুমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির আহবায়ক কমিটি।

জরুরি এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক অধ্যাপক এ,কে,এম, আমিনুল হক।
সংগঠনের যুগ্ম-সদস্য সচিব এম. আমিনুল ইসলাম সুমনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান চৌধুরী।

এজেন্ডা ভিত্তিক অন্যান্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন যুগ্ম আহবায়ক আহসন উল্লাহ হাসান, সদস্য মো: রবিউল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা আসাদ উল্লাহ, মাওলানা হাফিজুর রহমান নাহিদ, মাওলানা শরীফ উদ্দিন, রহমত উল্লাহ ফারিয়াজ, সানোয়ার কবির উপল, মুরশিদুর রহমান, মাওলানা হোসাইন আহমদ, হাফেজ মাওলানা নূরে আলম জাহাঙ্গীর, মাওলানা সাইফুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম রবিন, শাহ আলমসহ আরও অনেকে।

দোহায় বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসীদের মধ্য থেকে যারা &lsquo;ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতি&rsquo;র সদস্য হতে চান, তারা ৭০৯৯৭৯০৪৬, ৭৭৬৬৪০৯৫, ৩৩৮৫৬১১৫, ৩১২৭৪৪১৯, ৭০৪০৮৬০৩ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

 

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 03 Aug 2025 05:26:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাতারে নুজুম গ্রুপের অফিস পরিদর্শনে বিদায়ী রাষ্ট্রদূত নজরুল ইসলাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12287" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/12287</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাতারের রাজধানী দোহার গ্র্যান্ড হামাদ স্ট্রিটে অবস্থিত বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নুজুম গ্রুপের অফিস পরিদর্শন করেছেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম।

রাষ্ট্রদূত অফিসে পৌঁছলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সংবর্ধনা জানান নুজুম গ্রুপের চেয়ারম্যান হাফেজ মাওলানা শাহাদাৎ হোসেন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর হাফেজ মাওলানা তাজ উদ্দিনসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পরিদর্শনকালে রাষ্ট্রদূত নুজুম গ্রুপের আওতাধীন একাধিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;নুজুম বিডি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস, নুজুম লিমুজিন, নুজুম ট্রেডিং কন্ট্রাক্টিং অ্যান্ড ক্লিনিং সার্ভিসেস, ড্রিম ইন্টারন্যাশনাল কনসালটেন্সি অ্যান্ড সার্ভিসেস ও অনলাইন মিডিয়া চ্যানেল নুজুম টিভি.বিডি।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লেখক সাংবাদিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক আমিনুল হক, সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন জনি এবং নিউজ২৪ কাতার প্রতিনিধি কাজী শামীম।

রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নুজুম গ্রুপ শুধু ব্যবসায়িকভাবে নয়, সামাজিক ও ধর্মীয় দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেও নানা ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এটি প্রবাসী বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

নুজুম গ্রুপের কর্মকর্তারা শত ব্যস্ততার মাঝেও তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়ায় রাষ্ট্রদূতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন।

 

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 03 Aug 2025 05:13:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[১৯ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ভোটার করলো ইসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/11190" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/11190</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দূতাবাসের মাধ্যমে সাতটি দেশে ১৯ হাজারের বেশি প্রবাসীকে ভোটার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তদন্তাধীন রয়েছে আরো প্রায় একই পরিমাণ নাগরিকের আবেদন।এছাড়া প্রতিদিনই আসছে নতুন নতুন আবেদন।

ইসির জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাতটি দেশ থেকে আসা আবেদনগুলোর মধ্যে তদন্ত শেষে ১৯ হাজারের বেশি নাগরিকের আবেদন অনুমোদন পেয়েছে। তারা ভোটার তালিকায় যুক্ত হচ্ছেন। এই সংখ্যা ধীরে ধীরে আরো বাড়বে, কারণ প্রবাসে ভোটার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ভোটার হওয়ার জন্য অনুমোদন পেয়েছে ১৯ হাজার ২৮৬টি আবেদন। এদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়েছেন ১১ হাজার ১২৩ জন। সাতটি দেশ থেকে ১৭ মে পর্যন্ত মোট আবেদন করেছেন ৪৫ হাজার ১৮৪ জন প্রবাসী। এদের মধ্যে আঙুলের ছাপ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ২৮ হাজার ৯২৬ জন। তদন্তে বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫৬৩টি আবেদন। বিভিন্ন উপজেলায় তদন্তাধীন রয়েছে ২১ হাজার ৮৮৯টি আবেদন।

দেশভিত্তিক আবেদন ও অনুমোদনের সংখ্যা -

সংযুক্ত আরব আমিরাত: ১৯ হাজার ১৯৭টি আবেদন, অনুমোদন ১০ হাজার ৬২৭টি

সৌদি আরব: ৩ হাজার ৫৫৪টি আবেদন, অনুমোদন ১ হাজার ৭৪টি

যুক্তরাজ্য: ৮ হাজার ৫২৯টি আবেদন, অনুমোদন ৩ হাজার ৯৯টি

ইতালি: ৬ হাজার ৩৭২টি আবেদন, অনুমোদন ১ হাজার ৮৪৪টি

কুয়েত: ৩ হাজার ৮৭২টি আবেদন, অনুমোদন ১ হাজার ৩৮টি

কাতার: ২ হাজার ৮৩২টি আবেদন, অনুমোদন ৯৪৪টি

মালয়েশিয়া: ৯৪৮টি আবেদন, অনুমোদন ২৬০টি

এছাড়াও সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে, যেখান থেকে আসা আবেদনের তথ্য এখনো একীভূত করা হয়নি।

প্রবাসীদের জন্য চারটি তথ্য বাধ্যতামূলক-

বিদেশে বসে ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনপত্র (ফরম-২(ক))

মেয়াদসহ বাংলাদেশি পাসপোর্ট

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন

পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

এগুলো বাধ্যতামূলকভাবে সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কেন্দ্রে জমা দিতে হবে।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অতিরিক্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-

&bull; বিশেষ এলাকার নাগরিকদের জন্য &ldquo;বিশেষ তথ্য ফরম&rdquo;

&bull; শিক্ষা সনদ (JSC/SSC/HSC/সমমান)

&bull; পিতামাতার এনআইডি বা মৃত্যু সনদ (যদি প্রযোজ্য হয়)

&bull; ড্রাইভিং লাইসেন্স/টিআইএন (যদি থাকে)

&bull; দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

&bull; নিকাহনামা এবং স্বামী-স্ত্রীর এনআইডি (যদি প্রযোজ্য হয়)

&bull; নাগরিকত্ব সনদ (কাউন্সিলর/চেয়ারম্যান/মেয়র/সিইও কর্তৃক প্রদত্ত)

&bull; ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়িভাড়ার চুক্তিপত্র ও বাড়িওয়ালার অনাপত্তিপত্র (ভাড়াটিয়া হলে)

&bull; বাধ্যতামূলক নয় এমন তথ্য জমা দিতে না পারলে প্রবাসী নাগরিকের দেশে বসবাসকারী আত্মীয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপজেলা কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া যাবে।

নির্বাচন কমিশন ৪০টি দেশের প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশেই ভোটার করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। এরই মধ্যে ৯টি দেশে কার্যক্রম চলছে। ডিসেম্বর নাগাদ আরো ১০ থেকে ১২টি দেশে এ কার্যক্রম শুরু করতে চায় কমিশন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় ২০১৯ সালে তৎকালীন কমিশন (কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বে) প্রবাসে এনআইডি সরবরাহের উদ্যোগ নেয়। এরপর ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্যে প্রবাসীদের জন্য ভোটার কার্যক্রম উদ্বোধন করে ইসি। এর আগে ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবং ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপেও সুযোগ চালু করা হয়। তবে করোনা মহামারির কারণে কার্যক্রমে ভাটা পড়ে।

২০২২ সালে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর আবারও এ কার্যক্রম শুরু হয়। আগের আবেদনগুলো পেছনে ফেলে নতুনভাবে কাজ শুরু করে তারা। বর্তমানে সেই কার্যক্রমকেই এগিয়ে নিচ্ছে নাসির কমিশন।

আমারবাঙলা/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 May 2025 05:19:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কবি দাউদ হায়দার আর নেই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/10844" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/10844</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lsquo;জন্মই আমার আজন্ম পাপ &lsquo;&mdash; পঙক্তিমালার স্রষ্টা নির্বাসিত কবি দাউদ হায়দার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের একটি বয়স্ক নিরাময় কেন্দ্রে মৃত্যু হয় ৭৩ বছর বয়সী এই কবির।

তার ভাতিজি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শাওন্তী হায়দার বলেন, স্থানীয় সময় রাত ৯টা ২০ মিনিটে মারা গেছেন চাচা। বিস্তারিত পরে আমরা জানাতে পারব।

বার্লিনে কবির অত্যন্ত স্নেহভাজন, সংস্কৃতিকর্মী ও শিল্পী মাইন চৌধুরী পিটু জানান, কবি দাউদ হায়দার গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক অসুস্থতাজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। বেশ কয়েকমাস জার্মানির বেশ কয়েকটি হাসপাতালেও চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে কবির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তার মরদেহ বার্লিনেই দাফন করা হবে। তবে তার শেষ বিদায় কোথায় এবং কখন হবে; তা দেশে থাকা কবির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এবং বার্লিনে তার সকল ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কবির ছোট ভাই জাহিদ হায়দার জানান, ১২ ডিসেম্বর বার্লিন শহরের বাসার সিঁড়িতে পড়ে যান দাউদ হায়দার। আহত হওয়ায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে ছিলেন অনেক দিন। তিনি বলেন, তারপর ধরা পড়ে কোলন ক্যানসার। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা কেমো দেওয়ার মতো ছিল না বলে অন্য চিকিৎসা চলমান ছিল। সেইসঙ্গে বয়সজনিত নানা জটিলতা তো ছিলই। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।

১৯৭৪ সালে দেশ ছাড়ার পর কয়েকবছর কলকাতায় কাটিয়ে ১৯৮৭ সালে সেখান থেকে জার্মানিতে চলে যান দাউদ হায়দার। এরপর থেকে সেখানেই ছিলেন তিনি।

চিরকুমার দাউদ হায়দার আগে থেকেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন। গতবছর ডিসেম্বরে বার্লিনের বাসার সিঁড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি মাথায় আঘাত পান। সে সময় তাকে হাসপাতালের আইসিইউতেও নিতে হয়। এরপর হাসপাতাল ছাড়লেও আর সুস্থ জীবনে ফিরতে পারেননি দাউদ হায়দার।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাবনায় দাউদ হায়দারের জন্ম। তিনি একাধারে কবি, লেখক এবং সাংবাদিক। ১৯৭৪-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় তার কবিতা &lsquo;কালো সূর্যের কালো জ্যোৎস্নায় কালো বন্যায়&rsquo; প্রকাশিত হলে &lsquo;ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের&rsquo; অভিযোগে তার বিরূদ্ধে মামলা হয়। তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলে ১১ মার্চ তাকে আটক করে পুলিশ। ২০ মে মুক্তি দেওয়া হলেও কবিকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি তখনকার সরকার। পরদিন সকালে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাকে একপ্রকার খালি হাতে কলকাতায় পাঠানো হয়।

কবি লিখেছিলেন, সে সময় তার কাছে ছিল মাত্র ৬০ পয়সা, কাঁধে ঝোলানো একটি ব্যাগে ছিল কবিতার বই, দুজোড়া শার্ট, প্যান্ট, স্লিপার আর টুথব্রাশ। তিনি বলেন, আমার কোনো উপায় ছিল না। মৌলবাদীরা আমাকে মেরেই ফেলত। সরকারও হয়তো আমার মৃত্যু কামনা করছিল।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 27 Apr 2025 05:16:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ৩১ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/10707" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/10707</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন অভিবাসন নীতির আওতায় রবিবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত ৩১ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ফেব্রুয়ারি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩০ পুরুষ ও একজন নারী। অভিবাসন-সংক্রান্ত মামলায় হেরে যাওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন এবং বিভিন্ন মামলায় সাজা হয়েছে&ndash; এমন ব্যক্তিদেরই ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

ঢাকায় যাদের পাঠানো হয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজনকে এসকর্ট বা বিশেষ নিরাপত্তাসহ পৌঁছে দিয়ে গেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ নিরাপত্তা বিভাগের কর্মীরা। বাকি বাংলাদেশিদের সাধারণ যাত্রীর মতো পাঠানো হয়েছে। সর্বশেষ গত শনিবার দুপুরে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে পাঁচ বাংলাদেশিকে। ফ্লাইটটি একই ধরনের যাত্রী নিয়ে নেপাল হয়ে বাংলাদেশে আসে।

ফেরত আসা দু&rsquo;জনের একজন নোয়াখালীর শাহাদত হোসেন। তিনি জানান, গত ৯ মার্চ তাকে ফেরত পাঠানো হয়। বিমান খরচ যুক্তরাষ্ট্র সরকার বহন করেছে। শাহাদত হোসেন বলেন, &lsquo;তারা আমাকে এমিরেটস এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তুলে দিয়েছিল। কোনো অসম্মানজনক আচরণ করেনি। হাতকড়া পরানো বা বাজে কোনো ব্যবহার করেনি। আমি সাধারণ যাত্রীর মতো এসেছি।&rsquo;

শাহাদত যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণ অ্যাসাইলাম চেয়েছিলেন। তা মঞ্জুর না হওয়ায় তাকে ফেরত পাঠানো হয়। তিনি নয় মাস আগে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান।

পুলিশের বিশেষ শাখার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের যাতে সম্মানের সঙ্গে ফেরত পাঠানো হয়&ndash; এ ব্যাপারে শুরু থেকেই জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়েছে সরকার। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকেও এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তোলা হয়। বাংলাদেশের অনুরোধ এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের হাতকড়া পরিয়ে ফেরত পাঠানোর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার কারণে বাংলাদেশি কাউকে হাতকড়া পরানো হয়নি। অনেক দেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠাতে সামরিক বিমান ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশিদের সাধারণ ও চার্টার্ড বিমানে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, যুক্তরাষ্ট্রে কত বাংলাদেশি অবৈধ হয়ে পড়েছেন, তার কোনো সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানে না সরকার। কেউ অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হলে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে চূড়ান্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এমন নাগরিকদের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসকে জানানো হয়। এর পর সেই তথ্য পাঠানো হয় বাংলাদেশে। পুলিশের বিশেষ শাখা তাদের নথিপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। আর যে কয়েক দফায় ৩১ জনকে দেশে পাঠানো হয়েছে, প্রতিবারই আগে থেকে তা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের হস্তান্তর করা হয়। ইমিগ্রেশনের কাজ শেষে রেজিস্টারে তাদের নাম লিপিবদ্ধ করে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

একাধিক সূত্র বলছে, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস আগেই বাংলাদেশ সরকারকে অবৈধ হয়ে পড়া লোকজনকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি অবহিত করেছে। এ নিয়ে সরকারকে কূটনৈতিক পত্র দেওয়া হয়।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের বিষয়টি দেখভাল করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সময় একাধিক বৈঠক করে। সেখানে পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্রসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বলেন, যেসব অভিবাসী বিদেশ থেকে ফেরত আসেন, বিমানবন্দরে তাদের সহযোগিতা করে থাকে ব্র্যাক। প্রয়োজনে তাদের কাউন্সেলিং এবং আর্থিক সহযোগিতাও দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত আসাদের ক্ষেত্রে সরকার চাইলে ব্র্যাক সহায়তা দেবে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 21 Apr 2025 03:56:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমাকে হয়রানি করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার হচ্ছে: টিউলিপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/10581" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/10581</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি ও সাবেক &lsquo;সিটি মিনিস্টার&rsquo; টিউলিপ সিদ্দিক বলেছেন, তাকে হয়রানি করতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

দুদকের করা একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর এ অভিযোগ করেন তিনি।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর শেখ হাসিনার শাসনামলের নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ বড় পরিসরে তদন্ত শুরু করে দুদক। তার অংশ হিসেবে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করছে সংস্থাটি।

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের হ্যাম্পস্টিড অ্যান্ড হাইগেট আসনের এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে গত জানুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের &lsquo;সিটি মিনিস্টার&rsquo;&ndash;এর পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগের মামলায় দুদকের অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে রবিবার (১৩ এপ্রিল) টিউলিপ সিদ্দিক, শেখ হাসিনাসহ ৫৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার একটি আদালত।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে লন্ডনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন টিউলিপ সিদ্দিক। জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষগুলোর কেউ আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। পুরোটা সময় তারা মিডিয়া ট্রায়াল চালিয়েছে। আমার আইনজীবীরা উদ্যোগী হয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে চিঠি লিখেছিলেন। তবে তারা কখনো এর জবাব দেয়নি।

টিউলিপ সিদ্দিক বলেন, আমি নিশ্চিত, আপনারা বুঝবেন যে এই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারকে কোনো প্রসঙ্গ বা মন্তব্যের মাধ্যমে আমি বিশেষ গুরুত্ব দিতে পারি না। এটি পুরোপুরি আমাকে হয়রানি করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। এমন কোনো প্রমাণ নেই যে আমি ভুল কিছু করেছি।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তিকে বিচারের আওতায় আনতে তাকে প্রত্যর্পণের জন্য এক দেশ আরেক দেশের কাছে আবেদন করতে পারে। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ &lsquo;২বি&rsquo; প্রত্যর্পণ দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত। এর অর্থ প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্তের জন্য যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী ও বিচারকদের সামনে অবশ্যই স্পষ্ট প্রমাণ তুলে ধরতে হবে।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের একজন মুখপাত্র জানান, তিনি একক ঘটনার বিষয়ে মন্তব্য করবেন না।

আর রবিবার টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা বলেছেন, দুদক বিগত কয়েক মাসে গণমাধ্যমের মাধ্যমে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনেছে।

বিবিসির নজরে আসা এক বিবৃতিতে টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবী স্টিফেনসন হারউড বলেছেন, অভিযোগগুলো পুরোপুরি মিথ্যা এবং টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা সেগুলো লিখিতভাবে মোকাবিলা করছেন।

শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে অবকাঠামো প্রকল্প থেকে ৩৯০ কোটি পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক। এ তদন্ত করা হচ্ছে ববি হাজ্জাজ নামে একজনের ধারাবাহিক অভিযোগের ভিত্তিতে, যিনি শেখ হাসিনার বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের সদস্য।

বিবিসির নজরে আসা আদালতের নথি অনুযায়ী, ববি হাজ্জাজ অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি চুক্তিতে মধ্যস্থতায় সহায়তা করেন টিউলিপ সিদ্দিক। ওই চুক্তিতে বাংলাদেশে একটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ব্যয় বাড়িয়ে দেখানো হয়েছিল।

দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এর আগে বিবিসিকে বলেছিলেন, অভিযোগগুলোয় কোনোভাবেই কাউকে নিশানা করে করা হয়নি এবং সেগুলো ভিত্তিহীন নয়। দুর্নীতির দালিলিক প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করা হচ্ছে।

দুদকের চেয়ারম্যান বলেন, টিউলিপ সিদ্দিকের বাংলাদেশের আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া থেকে দূরে থাকা ঠিক হবে না। আমি টিউলিপ সিদ্দিককে (বাংলাদেশে) এসে সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো আইনি সহায়তা নিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য স্বাগত জানাব।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 14 Apr 2025 18:27:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফের মিথ্যাচারের অভিযোগ টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/10392" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/10392</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার খোদ যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে তিনি মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন এমন রেকর্ড সামনে এসেছে। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর যে হলফনামা দিতে হয় তাতে বাংলাদেশে নিজের মালিকানায় থাকা ফ্ল্যাট নিয়ে ওই প্রতারণার আশ্রয় নেন টিউলিপ।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়া শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক। শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের দুর্নীতির সঙ্গে তার জড়িত থাকার প্রমাণ সামনে আসে। এতে দলের ভেতর-বাইরে চাপে পড়েন টিউলিপ। শেষমেশ বাধ্য হয়ে ব্রিটিশ মন্ত্রিসভার ইকোনমিক সেক্রেটারি টু দ্য ট্রেজারি অ্যান্ড সিটি মিনিস্টারের পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।

ওই পদে তার কাজ ছিল যুক্তরাজ্যের অর্থবাজারের ভেতরের দুর্নীতি সামাল দেওয়া। কিন্তু নিজেই দুর্নীতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশ-বিদেশে কোণঠাসা হয়ে পড়েন টিউলিপ; পদত্যাগের পরও এর প্রভাব বিদ্যমান। সে সঙ্গে শেখ পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। সেসব তদন্তে নামে দুদক। প্রাথমিকভাবে যার প্রায় সব কটিরই বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পায় সংস্থাটি। এখনও তদন্ত চলমান।

ব্রিটিশ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও টিউলিপকে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেসব প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের দুর্নীতির সঙ্গে ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের যোগসূত্র স্পষ্ট।

ডেইলি মেইল শনিবার (৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানায়, সাবেক নগরমন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক তার জন্মভূমি বাংলাদেশে একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা নিয়ে পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন।

বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুরোধে রাজধানী ঢাকার ছয় লাখ পাউন্ড মূল্যের অ্যাপার্টমেন্টটি জব্দ করেছে সরকার। এ নিয়ে লেবার এমপির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।

৪২ বছর বয়সী টিউলিপ সিদ্দিক কোনো অন্যায় করেননি দাবি করে মেইলকে জানান, ২০০২ সালে তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে উপহার হিসেবে ফ্ল্যাটটি পেয়েছিলেন। ২০১৫ সালের মে মাসে সংসদে নির্বাচিত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে &lsquo;আইনসম্মত এবং বৈধভাবে&rsquo; সেটি তার বোন আজমিনাকে (৩৪) হস্তান্তর করেন।

ওয়েস্টমিনস্টারের নিবন্ধন বহিতে বলা হয়েছে, তিনি ২০১৫ সালের জুন মাসেও পরিবারের একজন সদস্যের সঙ্গে সম্পত্তিটির সহমালিকানাধীন ছিলেন। পরের মাসের মধ্যেই মালিকানা হস্তান্তর করেন।

কিন্তু গত সপ্তাহে ঢাকা সাবরেজিস্ট্রি অফিসে মেইল কর্তৃক অনুসন্ধানে দেখা যায়, টিউলিপ এখনো ফ্ল্যাটটির মালিক; যেমনটি দুদকের অভিযোগও বলা হয়েছে। এটি কার মালিকানাধীন, এখন সিদ্ধান্ত নেবেন বাংলাদেশের আদালত।

গত মাসে দুদক জানিয়েছে, টিউলিপ ২০১৫ সালে হেবার মাধ্যমে ফ্ল্যাটের মালিকানা আজমিনার কাছে হস্তান্তর করার চেষ্টা করেছিলেন। হেবা একটি ইসলামিক দলিল, যা ভালোবাসার বশবর্তী হয়ে পরিবারের সদস্যের কাছে সম্পত্তি হস্তান্তরের অনুমতি দেয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশি আইন অনুসারে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তন না করা পর্যন্ত সম্পত্তি হস্তান্তর বৈধ বলে বিবেচিত হয় না।

দুদক দাবি করেছে, হেবা করার যে দাবি করা হচ্ছে তাও জাল। কারণ, যে ব্যারিস্টারের মাধ্যমে এটি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে তিনি এতে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার স্বাক্ষর জাল করে দলিল করার করা হয়েছে।

তবে টিউলিপ সিদ্দিকের আইনজীবীরা বলেছেন, হেবার আইনটি সঠিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। তার প্রতিনিধিরা দুদকের অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং বিরক্তিকর বলে অভিহিত করেন।

দুদকের দাবি, পূর্বাচল নিউ টাউন প্রকল্পে প্রায় ৬০ কাঠা (এক একর) সরকারি জমি শেখ হাসিনা, তার সন্তান ও নিকটাত্মীয়দের নামে অবৈধভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

টিউলিপের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে যে, ঢাকায় তার অন্য একটি সম্পত্তি থাকার কারণে জমি বরাদ্দের ক্ষেত্রে তিনি অযোগ্য ছিলেন। তবে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিয়মকানুনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে এই মূল্যবান জমি বরাদ্দ নেন। এ জন্য তারা পাবলিক লটারি এবং যোগ্যতার মানদণ্ড এড়িয়ে গেছেন, যা মূলত সরকারি কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত ছিল।

এদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে প্রচার চালাচ্ছেন ব্রিটেনের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক। দেশটির ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ এ কাজ চাতুরতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে নিয়োগ করেছেন আইনজীবী। সেই আইনজীবীদের তরফে বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদককে) একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এমন তথ্য মার্চের শেষ দিকেই জানিয়েছিল ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। এপ্রিলের শুরুতে আইনজীবী নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেন টিউলিপ। এরপর থেকে টিউলিপের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছেন তার আইনজীবীরা।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 06 Apr 2025 05:33:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশের রবিন অস্ট্রেলিয়ার ধনকুবের]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9908" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9908</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত সেপ্টেম্বরে পুরো অস্ট্রেলিয়াতেই রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে ওঠেন রবিন খুদা। দেশটির শীর্ষ সব গণমাধ্যমের খবর হলো, প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা এক লাখ ৯৪ হাজার কোটি টাকার বেশি দামে রবিন খুদার প্রতিষ্ঠান &lsquo;এয়ারট্রাংক&rsquo; অধিগ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি ব্ল্যাকস্টোন ইনকরপোরেশন ও কানাডা পেনশন প্ল্যান ইনভেস্টমেন্ট বোর্ডের (সিপিপি ইনভেস্টমেন্ট) নেতৃত্বে একটি কনসোর্টিয়াম। আর সম্পদ বৃদ্ধি পেয়ে অস্ট্রেলিয়ার ধনকুবেরদের তালিকায় ওপরের দিকে চলে এসেছে রবিন খুদার নাম।

রবিন খুদাদের আদি বাড়ি সিরাজগঞ্জের ছাতিয়ানতলী গ্রামে। তার বাবা এস এম ওয়াজেদ আলী উচ্চমাধ্যমিক পড়তে ঢাকায় এসেছিলেন। এরপর পড়াশোনা শেষে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। বাবার চাকরির সুবাদে ঢাকাতেই রবিনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। পড়াশোনা করেছেন শেরেবাংলা নগর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয় ও হারম্যান মেইনার কলেজে।

১৯৯৭ সালে এইচএসসি পাসের পর অস্ট্রেলিয়ার চলে আসেন রবিন খুদা। স্নাতকে ভর্তি হন সিডনি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিষয় হিসাববিজ্ঞান। একমাত্র ছেলে সিডনিতে থিতু হলে তার মা-বাবাও পরের বছর অস্ট্রেলিয়ায় চলে আসেন। এরপর এখানেই চাকরি শুরু করেন এস এম ওয়াজেদ আলী।

২০০২ সালে স্নাতক শেষ করে যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ করেন রবিন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি নানা কাজই করতেন। এবার হিসাবরক্ষক হিসেবে যোগ দিলেন একটি প্রতিষ্ঠানে। কাজের প্রতি রবিনের একাগ্রতা আর দক্ষতা তাকে দ্রুত এগিয়ে নিতে থাকল। তিনি নিজেও সিপিএর (সার্টিফাইড প্রাকটিসিং অ্যাকাউন্ট্যান্ট) মতো বিভিন্ন পেশাগত কোর্স করে সমৃদ্ধ হতে থাকলেন। এই ধারাবাহিকতায় ২০০৭ সালে যোগ দেন জাপানি প্রতিষ্ঠান ফুজিৎসুতে। পদ ছিল মহাব্যবস্থাপক। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড অঞ্চলের টেলিকম ও ক্লাউড কম্পিউটিং বিভাগের কাজে দুই বছরের বেশি সময় দায়িত্ব পালন করেন। এরপর প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব নেন অস্ট্রেলিয়ান টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি পাইপ নেটওয়ার্কে। কোম্পানিটি অস্ট্রেলিয়া ও গুয়াম দ্বীপের মধ্যে একটি সাবমেরিন ফাইবার কেব্ল নির্মাণের কাজ করছিল তখন। টেলিকমিউনিকেশন ব্যবসা নিয়ে বিস্তর অভিজ্ঞতা হলো। এরপর ডেটা সেন্টার কোম্পানি নেক্সটডিসির নির্বাহী পরিচালক হলেন রবিন। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেই ছিল তার কাজ। রবিনের দক্ষতা তাদের নজর কাড়ে। বর্তমানে প্রায় ১০ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের এই প্রতিষ্ঠান বড় করার পেছনে রবিনের বড় ভূমিকা আছে। ২০১৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে টেলিকম পেমেন্ট কোম্পানি মিন্ট ওয়্যারলেসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব নেন।

এয়ারট্রাংকে ধারণাটি আসার গল্প জানান রবিন খুদা। তিনি বলেন, &lsquo;২০১০ কি ২০১১ সাল থেকেই দেখছিলাম ক্লাউডসেবা জনপ্রিয় হচ্ছে। অ্যামাজন, গুগল বা মাইক্রোসফটের মতো কোম্পানিগুলো এগিয়ে তখন, তবু ডেটা সেন্টার&ndash;শিল্পে সুযোগ দেখতে পেলাম। তখন থেকেই আমি কম খরচে, কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ক্লাউড স্টোরেজ নির্মাণের পরিকল্পনা শুরু করি। এভাবেই এয়ারট্রাংকের যাত্রা।&rsquo;

২০১৫ সালে এয়ারট্রাংক যাত্রা শুরু করে। মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ৪০০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার একটি ডেটা সেন্টার নির্মাণের কাজ পান তারা। কাজটা পেয়ে মহাসংকটে পড়লেন রবিন খুদা। এই কাজ করার মতো পুঁজি এয়ারট্রাংকের নেই। ঋণ নেওয়ার জন্য ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হলেন। এয়ারট্রাংক নতুন প্রতিষ্ঠান, তেমন সুনামও নেই&mdash; তাই কেউ বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখাল না। এরপরও হাল ছাড়লেন না রবিন। নিজের জমানো টাকাসহ প্রায় সব সঞ্চয় তুলে শুরু করলেন কাজ। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করলেন। এক সময় সফল হলেন। তিনি বলেন, &lsquo;২০১৬ সালে ১৭ মেগাওয়াট ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ৪০০ মিলিয়ন ডলার আমাদের কাছে ছিল না। সৌভাগ্যবশত ২০১৭ সালের শুরুতে আমরা তহবিল সংগ্রহ করতে সক্ষম হই।&rsquo;

তথ্য ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রযুক্তিপাড়ায় এয়ারট্রাংক এখন সুপরিচিত নাম। তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সাড়ে চারশোর বেশি কর্মী। এটি দেশটির প্রথম এবং বৃহৎ হাইপারস্কেল ডেটা সেন্টার। বর্তমানে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও জাপানে এয়ারট্রাংকের ক্লাউডসেবা চালু আছে। অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে প্রতিষ্ঠানটির ১১টি ডেটা সেন্টার রয়েছে। আরো ৪০টি কেন্দ্র চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

একসময় যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দ্বারে দ্বারে ঘুরতেন রবিন খুদা, তারাই এখন ঋণের প্রস্তাব নিয়ে এয়ারট্রাংকের কাছে আসে। গত বছর ঋণ দেওয়া জন্য যেমন ৪০টির বেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রস্তাব দিয়েছিল। রবিনের প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় ৩৬ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ গ্রহণ করেছে প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানের কারো কারো কাছ থেকে। বছর শেষে অধিগ্রহণের খবরে আরো চমক দেয় এয়ারট্রাংক। ব্ল্যাকস্টোন ও সিপিপি ইনভেস্টমেন্টের নেতৃত্বে একটি কনসোর্টিয়াম এয়ারট্রাংক অধিগ্রহণের সময় প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক মূল্যমান ছিল ১০০ বিলিয়ন ডলার।

এয়ারট্রাংক অধিগ্রহণ হয়ে গেলেও রবিন খুদা আগের মতোই প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবেই রয়ে গেছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে তার মালিকানাও আছে। সেই হিসেবে রবিন এখন অস্ট্রেলিয়ার ১০৯তম ধনী। রবিন খুদাকে গত বছর &lsquo;বিজনেস পারসন অব দ্য ইয়ার&rsquo; পুরস্কার দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান ফাইন্যান্সিয়াল রিভিউ (এএফআর) পত্রিকা।

২০২০ সালে &lsquo;খুদা ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন&rsquo; নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন রবিন। এশিয়া&ndash;প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নতি ও কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনটি প্রযুক্তি খাতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে কাজ করে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন ও পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

সম্প্রতি জানা গেছে, এই ফাউন্ডেশন থেকে সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা (১০০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার) অনুদান দিয়েছেন রবিন। বিশ্ববিদ্যালয়টির স্টেম (বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত) বিষয়ের নারী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও অনুদানে অর্থ ব্যয় করা হবে। যদিও প্রকল্পটি নিয়ে তিনি দুই বছর ধরে কাজ করছেন; যা এত দিন অনেকে জানতেনই না।

এভাবে নিভৃতেই কাজ করে যেতে চান রবিন খুদা। বললেন, &lsquo;অনেক কিছু ত্যাগ করে মা-বাবা আমাকে পড়াশোনা আর উন্নত জীবনের আশায় অস্ট্রেলিয়া পাঠিয়েছিলেন। এরপর এখানেই থেকে গেলাম।&rsquo;

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Mar 2025 05:02:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লিবিয়া থেকে ১৭৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9858" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9858</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অবৈধভাবে লিবিয়া গিয়ে ডিটেনশন সেন্টারে আটক, বিপদগ্রস্ত ও পাচারের শিকার ১৭৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) ভোরে ঢাকায় ফেরেন তারা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বুরাক এয়ারের একটি ফ্লাইটে বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া ৪টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ১৭৬ বালাদেশি।

এরআগে বুধবার লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের ফেরার ব্যাপারে তথ্য দিয়েছিল। দূতাবাস বলছে, আগামী ১৯ ও ২৬ মার্চ আরো দুটি ফ্লাইটে তিন শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

দূতাবাস জানায়, লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস ধারাবাহিক ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় ১৭৬ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আইওএমের সহযোগিতায় দেশে পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে ১০৬ জন ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন এবং অবশিষ্ট ৭০ জন বিপদগ্রস্ত অবস্থা থেকে স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেছেন।

২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত নয় হাজারেরর বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে দেশে ফেরত আনা হয়েছে।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Mar 2025 04:54:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9639" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9639</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে থাকা অবৈধ নাগরিকদের ফেরত পাঠাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি করা হচ্ছে। অনেক বাংলাদেশিও দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাস করছেন। তাদেরও ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের সংখ্যা কত, আর কবে থেকে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে, তা জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।

তবে বাংলাদেশিদের যেন হাতকড়া পরিয়ে অসম্মানজনক উপায়ে দেশে ফেরত পাঠানো না হয়, সে জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। ঢাকা এবং ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সূত্রগুলো এসব তথ্য জানিয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস গত মাসে বাংলাদেশ সরকারকে অবৈধ হয়ে পড়া লোকজনকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি অবহিত করেছে। এ ব্যাপারে সরকারকে একটি কূটনৈতিক পত্র পাঠানো হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশে তাদের দূতাবাসের মাধ্যমে সে দেশের অবৈধ হয়ে পড়া লোকজনকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি অবহিত করছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও সেটিই ঘটছে। তবে বাংলাদেশের লোকজনকে যেন অসম্মানজনক উপায়ে ফেরত পাঠানো না হয়, তা নিয়ে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া লোকজনকে ফেরত আনার বিষয়ে বুধবার (৫ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের লোকজনকে ফেরানোর ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটি অনুসরণের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। অর্থাৎ নাগরিকত্ব নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের লোকজনকে ফেরত নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি অন্যান্য দেশের লোকজনকে যেভাবে হাতকড়া পরিয়ে ফেরত পাঠানো হয়েছে, সেটি যেন না ঘটে, তা নিশ্চিত করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।

ঢাকা ও যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তারা ধারণা দিয়েছেন, মূলত যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রাজ্য নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও কানেটিকাটে অবৈধ বাংলাদেশিদের সংখ্যা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সরকারি দপ্তর অফিস অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি, ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়টি তদারক করে থাকে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, গত মাসে মার্কিন দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, অন্যান্য দেশের মতো অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশের নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। এ ক্ষেত্রে ঢাকার সহযোগিতা চেয়েছে ওয়াশিংটন। সরকারও ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছে।

বাংলাদেশ সম্মানজনকভাবে নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে চায় উল্লেখ করে মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ চায় না অন্যান্য দেশের মতো হাতকড়া পরিয়ে বাংলাদেশিরা দেশে ফিরে আসুক। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তেমন কিছু করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেভাবে তার সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করছেন, তাতে আগাম কিছু অনুমান করা কঠিন। তবে কলাম্বিয়াসহ একাধিক দেশের অবৈধ হয়ে পড়া লোকজনকে যেভাবে হাতকড়া পরিয়ে সে দেশগুলোতে ফেরত পাঠিয়েছেন, সেটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে না&ndash;ও ঘটতে পারে। তা ছাড়া সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবৈধ হওয়া লোকজন ততটা বেশি নয়। ফলে ভাড়া করা উড়োজাহাজে বাংলাদেশের লোকজনকে ফেরত পাঠাবে, এমন সম্ভাবনাও কম। আর অতীতে অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড কিংবা অবৈধ হয়ে পড়ার পর দেশে ফেরত আসার ক্ষেত্রে বৈরী আচরণ না করলে বাংলাদেশের লোকজনের সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করা হবে না বলে সূত্রগুলোর মত। তবে ট্রাম্পের দ্বিতীয় দফা শাসনামলে কোনো কিছু আগাম বলা খুব কঠিন।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Mar 2025 03:29:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পররাষ্ট্র সচিব, রাষ্ট্রদূত, ডেপুটি হাইকমিশনারকে দ্রুত অপসারণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9591" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9591</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ায় শেখ পরিবারের প্রতিষ্ঠান ইএসকেএল এর কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টায় লিপ্ত পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দিন, রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান, ডেপুটি হাইকমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীরসহ দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ এবং স্বল্প সময়ে পাসপোর্ট বিতরণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করেছে প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

আজ মঙ্গলবার (৪ মার্চ) সকালে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভিতরে এই অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ করে সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

এ সময় প্রবাসীরা বলেন, হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের যোগসাজসে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ই-পাসপোর্ট এর সার্ভার ইএসকেএল এর দখলে রয়েছে এক প্রকার ক্ষমতার জোরে। চুক্তিপত্রে স্পষ্টভাবে পাসপোর্ট সার্ভিস সেন্টারের তৃতীয় ও চতুর্থতলায় তাদের সকল কাজ সম্পাদনের কথা উল্লেখ থাকলেও সেটা আছে শুধু কাগজে কলমে।

এ ছাড়া দেশ থেকে মোটা অংকের টাকা পাচার, ১৫ লক্ষ মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের তথ্য পাচার, পাসপোর্ট জটিলতা, অ্যাপয়েনমেন্ট বাণিজ্য, অতিরিক্ত অর্থ আদায়, নির্যাতনসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত থার্ডপার্টি অফিস ইএসকেএল এর অপকর্ম দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীরা দেখে আসছে। এসব থেকে পরিত্রাণ পেতে চায় সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

এ সময় সাধারণ প্রবাসীদের প্রতিনিধিরা বলেন, একজন তাবিথ আউয়ালের ইশারায় শেখ পরিবারের দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান রাতারাতি সুপ্রিম কোর্টের রিট পিটিশনের কারণে রক্ষা পেয়ে যাচ্ছে। যার দুর্নীতি দিনের আলোর মতো পরিষ্কার থাকলেও মালয়েশিয়াস্থ হাইকমিশন থেকে কোন প্রতিবাদ করা হয়নি। এমনকি সাত দিনের লিখিত জবাব দিতে বললেও সেখানে কোনো দুর্নীতির কথা উল্লেখ করা হয়নি।

তারা বলেন, ইএসকেএলকে টিকিয়ে রাখতে এবং মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা ডেপুটি হাইকমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীর গংদেরকে বহাল তবিয়তে রাখার বন্দোবস্ত করছেন পররাষ্ট্র সচিব জসিম উদ্দীন। তাদের প্রত্যাহার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানাই।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রদূত, ডেপুটি হাইকমিশনার ও দূতালয় প্রধানের যৌথ উদ্যোগে হাইকমিশনকে অকার্যকর করে তাদের সকল কাজকর্ম ইএসকেএলকে পাইয়ে দিতে সব রকম সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া খোরশেদ আলম খাস্তগীর জুলাই বিপ্লবের সময় আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সাধারণ প্রবাসীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে খুশি করতে পাসপোর্ট বাতিলের সুপারিশ করেছিলেন। ফলে সমালোচনার কারণে পোল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পেলেও সেটা বাতিল করা হয়।

এ সংক্রান্ত ভিডিও নিউজ দেখতে নিচের লিঙ্ক ক্লিক করুন-

https://youtu.be/bboXEe2JR3A?si=KB-W_KzrppJ42_m5]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Mar 2025 14:14:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইউরোপে গত বছর রেকর্ড বাংলাদেশির আশ্রয় আবেদন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9565" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9565</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে রেকর্ড সংখ্যক বাংলাদেশি আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলো খুব কম ক্ষেত্রেই তাদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।

সোমবার (৩ মার্চ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন আশ্রয় সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর মোট ৪৩ হাজার ২৩৬ জন বাংলাদেশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে আশ্রয় চেয়েছিলেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার ৩৩২ জন।

তবে, আশ্রয়প্রার্থী বৃদ্ধির কারণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

গত বছর ইতালিতে সর্বাধিক ৩৩ হাজার ৪৫৫ বাংলাদেশি আশ্রয় চেয়েছিলেন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ৪৪৮ জন।

গত বছর ইতালিতে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা ছিল মোট আবেদনকারীর ২১ শতাংশ।

বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা অবশ্য কমেছে। ২০২৩ সালে আশ্রয়প্রার্থী ছিলেন ১০ হাজার ২১৫ জন। কিন্তু ২০২৪ সালে তা কমে হয় ছয় হাজার ৪২৯ জন।

গ্রিসে ২০২৩ সালে আবেদন করেছিল ৬৪০ বাংলাদেশি। গত বছর আবেদন করেছিল এক হাজার চার জন।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর বাংলাদেশি আশ্রয়প্রার্থীদের প্রায় চার শতাংশকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে; যা মোট আবেদনকারীদের মধ্যে সর্বনিম্ন।

তবে, সিরিয়া থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের মধ্যে ৯০ শতাংশকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। আর আফগানিস্তানের আবেদনকারীদের মধ্যে ৬৩ শতাংশকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডে ১০ লাখের বেশি লোক আশ্রয়ের আবেদন করে, যা আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ কম।

জার্মানিতে আবেদন করে দুই লাখ ৩৭ হাজার লোক, যা আগের বছরের তুলনায় ২৯ শতাংশ কম।

জার্মানির পর স্পেন, ইতালি ও ফ্রান্সের প্রতিটিতে এক লাখ ৬০ হাজার আশ্রয়প্রার্থী আবেদন করেছিল।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Mar 2025 04:23:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চার দাবী নিয়ে প্রবাসী অধিকার পরিষদের সংবাদ সম্মেলন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9430" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9430</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইএসকেএল নামক বিতর্কিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য পাচার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত লাখ লাখ বাংলাদেশী প্রবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ। সংগঠনটির মালয়েশিয়া শাখার উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে চারটি দাবী পেশ করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি শাহজাহান মিথুন বলেন, মালয়েশিয়ায় লাখ লাখ বাংলাদেশী শ্রমিকদের তথ্য পাচার করছে ইএসকেএল।

তিনি বলেন, শেখ পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন সময়ে শ্রমিকদের ঠকিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। দিনের পর দিন শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। প্রবাসীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ডিসেম্বরে বর্তমান সরকারের পদক্ষেপে ইএসকেলের সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়। কিন্তু তাবিথ আওয়াল প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার পর সেই সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়। শেখ পরিবারের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ইএসকেএল তাদের দুর্নীতি চালিয়ে নিতে নতুন কৌশল নিয়েছে।

তিনি বলেন, একজন রহস্যময় আমেরিকান নাগরিক তাবিথ আওয়াল এই কারসাজির সঙ্গে সরাসরি জড়িত। কোম্পানীটির মালিকানায় তাবিথ আওয়াল ছাড়াও রয়েছে শেখ পরিবারের লোকজন, নুরে আলম, নিক্সন চৌধুরী, শেখ রেহানা।

শাহজাহান মিথুন দাবি করেন, এই অনিয়মের সঙ্গে আরো জড়িত আছেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার খোরশেদ আলম খাস্তগীর, পররাষ্ট্র সচিব জসীমউদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ইএসকেএল এর লুটপাট ও দুর্নীতি চালিয়ে নিতে যত ষড়যন্ত্রই হোক, প্রবাসীরা তা রুখে দিতে প্রস্তুত। বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে চারটি দাবি তুলেছে। সেগুলো হলো- ১. ইএসকেএল- এর কার্যক্রম চিরতরে বন্ধ করতে হবে, ২. তাবিথ আওয়াল, খোরশেদ আলম খাস্তগীর, জসীমউদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিনসহ জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে, ৩. মালয়েশিয়া হাইকমিশনের মাধ্যমে নিরাপদ ও স্বচ্ছ পাসপোর্ট সেবা নিশ্চিত করতে হবে ও ৪. মালয়েশিয়া হাইকমিশনে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ করে সেবার মান বাড়ানো হোক।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের (মালয়শিয়া শাখা) সাধারণ সম্পদক এইচ এম হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আমার বাংলা/ এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 27 Feb 2025 08:33:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৪৫ বাংলাদেশি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9066" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/probash/9066</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে আটকে পড়া ১৪৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টায় বুরাক এয়ারের চার্টার্ড ফ্লাইটে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর এসব অভিবাসীদের অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইওএমের কর্মকর্তারা। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে ফেরত আসা এই অভিবাসীদের বেশীরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করেন। তাদের অধিকাংশই লিবিয়াতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ফেরত আসা অভিবাসীদের প্রত্যেকের জন্য ছয় হাজার টাকা, খাদ্য সামগ্রী, চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছে আইওএম।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Feb 2025 05:22:12 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
