<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/lifestyle</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/lifestyle"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla lifestyle Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest lifestyle News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 22 Aug 2026 10:36:06 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ফুড পয়জনিং থেকে নিরাপদ থাকার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18598" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18598</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এই সময়ে ফুড পয়জনিং খুবই পরিচিত একটি সমস্যা, কারণ এই সময়ে উচ্চ আর্দ্রতা ও জলীয় বাষ্প ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য অণুজীবের বংশবৃদ্ধির জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে, যার ফলে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। বর্ষাকালে আমাদের হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায় এবং এর ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস ও বদহজমের মতো সাধারণ উপসর্গ দেখা দিতে পারে, যা আমাদের অস্বস্তিতে ফেলে। সারা বছরই খাদ্য নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই স্যাঁতস্যাঁতে দিনগুলোতে কিছু খাবারকে বিশেষভাবে বিপজ্জনক বলে মনে করা হয়। অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে, এই খাবারগুলো হয় সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা অথবা এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।


১. যেকোনো ধরনের কাঁচা বা আধসেদ্ধ মাংস

ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (US Centers for Disease Control and Prevention) অনুসারে, মুরগি, টার্কি এবং গরুর মাংস ভালোভাবে রান্না না করা হলে এতে সালমোনেলা এবং ই. কোলাই-এর মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।

২. কাঁচা ডিম

বিজ্ঞাপন


কাঁচা বা আধসেদ্ধ ডিম দিয়ে তৈরি খাবার, যেমন ঘরে তৈরি মেয়োনিজ এবং কিছু মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

৩. সামুদ্রিক খাবার এবং শেলফিশ

খাদ্য সুরক্ষার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে যে কাঁচা মাছ, সুশি এবং শেলফিশে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা টক্সিন থাকতে পারে, বিশেষ করে যখন সেগুলি দূষিত পানি থেকে সংগ্রহ করা হয়।


৪. অপাস্তুরিত দুধ এবং পনির

সিডিসি (CDC) বলেছে যে কাঁচা দুধ এবং অপাস্তুরিত দুধ থেকে তৈরি নরম পনিরে লিস্টেরিয়ার মতো ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।

৫. তাজা ফল এবং সবজি

যেসব ফল ধোয়া হয়নি, সেইসঙ্গে পাতাযুক্ত শাক এবং সবজিতে জীবাণু, মাটির দূষক এবং সেচের পানি থেকে আসা ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।

৬. রান্না করা ভাত এবং পাস্তা

ভাত, নুডলস এবং পাস্তা যা দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের তাপমাত্রায় রেখে দেওয়া হয়, তা ব্যাকটেরিয়ার আবাসস্থলে পরিণত হতে পারে।

৭. ডেলি মিট এবং রেডি-টু-ইট সালাদ

আগে থেকে প্যাকেট করা সালাদ, কোলস্লো, পটেটো সালাদ এবং স্লাইস করা ডেলি মিট সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং নাড়াচাড়া করার সময়ও দূষিত হতে পারে।

বর্ষাকালে ফুড পয়জনিং এড়ানোর উপায়

১. ফল ও সবজি পরিষ্কার করুন

যেকোনো ফল বা সবজি খাওয়া বা রান্না করার আগে, চলমান পানির নিচে সেগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিন। খাবার তৈরির আগে, তৈরির সময় এবং তৈরির পরে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়াও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ। খাওয়ার আগে আরও একবার হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।

২. খাবার আলাদা রাখুন

ক্রস-কন্টামিনেশন বা সংক্রমণ এড়াতে, কাঁচা মাংস, পোল্ট্রি, সামুদ্রিক খাবার এবং ডিম যেকোনো রান্না করা বা রেডি-টু-ইট খাবার থেকে আলাদা রাখা প্রয়োজন, কারণ ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া কাঁচা খাবার থেকে রান্নাঘরের বিভিন্ন পৃষ্ঠে এবং অন্যান্য উপাদানে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।

৩. খাবার রান্না করুন

খাবারটি একটি নিরাপদ অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রায় না পৌঁছানো পর্যন্ত রান্না করুন, যাতে ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস হয়ে যায়। মাংস সঠিকভাবে রান্না হয়েছে কিনা সে বিষয়ে আপনি নিশ্চিত না হলে, পরীক্ষা করার জন্য একটি ফুড থার্মোমিটার ব্যবহার করুন।

৪. খাবার ঠান্ডা করুন

খাবার দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের তাপমাত্রায় বাইরে ফেলে রাখলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। পচনশীল খাবার রেফ্রিজারেটরে ৪০&deg; ফারেনহাইট (৪&deg; সেলসিয়াস) বা তার নিচে এবং ফ্রিজার ০&deg; ফারেনহাইট (-১৮&deg; সেলসিয়াস) বা তার নিচে সংরক্ষণ করা উচিত। রান্না করা খাবার তৈরির দুই ঘণ্টার মধ্যে রেফ্রিজারেটরে রাখা সবচেয়ে ভালো।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 10:36:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সম্পর্কটা ভালোবাসার নাকি অভ্যাসের?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18590" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18590</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্পর্কের শুরুতে সঙ্গীর একটি ছোট্ট মেসেজও অনেক আনন্দের কারণ হয়ে ওঠে। তার প্রশংসা, খোঁজ নেওয়া কিংবা সামান্য কথাও দীর্ঘ সময় মনে থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক পুরোনো হলে অনেক কিছুই স্বাভাবিক হয়ে যায়। তখন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে&mdash;সঙ্গীর ভালোবাসা কি আগের মতোই আছে, নাকি সম্পর্কটি ধীরে ধীরে শুধু অভ্যাসে পরিণত হয়েছে?

এই প্রশ্নের উত্তর পেতে সঙ্গীর প্রতিদিনের ছোট ছোট আচরণ খেয়াল করা যেতে পারে। কারণ ভালোবাসা সবসময় বড় কোনো আয়োজন, দামি উপহার কিংবা আবেগঘন কথায় প্রকাশ পায় না। অনেক সময় সাধারণ যত্ন, মনোযোগ ও আন্তরিক আচরণের মধ্যেই ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রকাশ থাকে।

আপনার কথা কি মনোযোগ দিয়ে শোনেন?

আপনি কথা বলার সময় সঙ্গী কি মন দিয়ে শোনেন? আপনার বলা ছোটখাটো বিষয়গুলো কি মনে রাখেন? কোনো সমস্যা হলে কি নিজে থেকে খোঁজ নেন?

এসব আচরণ ভালোবাসা ও গুরুত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। আপনি কথা বলার সময় অন্য কাজে ব্যস্ত না থেকে মনোযোগ দিয়ে শোনা বোঝায়, আপনার কথাগুলো তার কাছে মূল্যবান।

অবশ্য কাজের চাপ, ক্লান্তি বা মানসিক অস্থিরতার কারণে মাঝে মাঝে মনোযোগের ঘাটতি হতে পারে। তবে নিয়মিতভাবে আপনার কথা এড়িয়ে যাওয়া, বিরক্তি প্রকাশ করা কিংবা কথা শেষ করার আগেই থামিয়ে দেওয়ার বিষয়টি হলে তা নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।

না বললেও কি আপনার যত্ন নেন?

ভালোবাসার জন্য সবসময় বড় কোনো উপহারের প্রয়োজন হয় না। মন খারাপ বুঝে পাশে থাকা, আপনাকে হাসানোর চেষ্টা করা, আপনার পছন্দ-অপছন্দ মনে রাখা কিংবা প্রয়োজনের মুহূর্তে সহযোগিতা করাও যত্নের প্রকাশ।

আপনি কিছু বলার আগেই যদি সঙ্গী আপনার প্রয়োজন বা অনুভূতির বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করেন, তাহলে সেটি তার আন্তরিকতার পরিচয় হতে পারে। কারণ সত্যিকারের যত্ন অনেক সময় মুখে বলার আগেই আচরণে প্রকাশ পায়।

ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় কি আপনিও আছেন?

সঙ্গী যখন ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন, সেখানে কি আপনার উপস্থিতি থাকে? জীবনের গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কি আপনার মতামত জানতে চান?

একটি গভীর সম্পর্কে মানুষ সাধারণত প্রিয়জনকে শুধু বর্তমানের অংশ হিসেবে দেখে না, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাতেও তাকে বিবেচনা করে। এর মানে এই নয় যে প্রতিটি সম্পর্কেই দ্রুত বিয়ে বা বড় কোনো প্রতিশ্রুতির কথা থাকতে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় আপনার মতামত ও উপস্থিতিকে গুরুত্ব দেওয়া অবশ্যই ইতিবাচক বিষয়।

তার সঙ্গে থাকলে কি নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়?

সম্পর্ক যত পুরোনোই হোক, ভালোবাসার পাশাপাশি সম্মান ও গুরুত্ব পাওয়াও জরুরি। সঙ্গী যদি আপনার অনুভূতিকে মূল্য দেন, আপনার ভালো-মন্দের কথা ভাবেন এবং আপনাকে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ হিসেবে অনুভব করান, তাহলে সম্পর্কের আবেগ এখনও শক্তিশালী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, শুধু প্রয়োজনের সময় আপনাকে মনে করা, আপনার অনুভূতিকে গুরুত্ব না দেওয়া কিংবা বারবার আপনার কথা এড়িয়ে চলার মতো আচরণ দেখা গেলে সম্পর্কটি ভালোবাসার চেয়ে অভ্যাসনির্ভর হয়ে উঠছে কি না, সেটি ভেবে দেখা যেতে পারে।

তবে একটি-দুটি আচরণ দেখেই কোনো সম্পর্কের ভালোবাসা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। সময়ের সঙ্গে মানুষের অনুভূতি প্রকাশের ধরন বদলাতে পারে। তাই সঙ্গীর আচরণ নিয়ে সন্দেহ বা দূরত্ব তৈরি হলে নিজের মতো করে ধারণা না করে তার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করাই সবচেয়ে ভালো উপায়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:15:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সন্তান নিয়ে অন্যদের যেসব কথা বলতে দেবেন না]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18488" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18488</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পারিবারিক আয়োজন, বিয়ে, উৎসব কিংবা বিভিন্ন পার্টি শিশুদের জন্য আনন্দের সময়। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করা, সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা করা কিংবা পরিবারের বাইরের মানুষের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ পায় তারা। তবে এসব আয়োজনেই কখনো কখনো শিশুরা এমন কিছু পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, যা তাদের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।

অনেক সময় বড়রা শিশুর সঙ্গে এমন আচরণ করেন, যা তার মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। আবার সন্তান অস্বস্তি প্রকাশ করলেও শুধু অন্যকে খুশি করতে বাবা-মা তাকে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে বলেন। কিন্তু সন্তানের মানসিক ও শারীরিক সীমারেখাকে গুরুত্ব দেওয়া তাকে অভদ্র হতে শেখানো নয়; বরং নিজের অনুভূতি ও নিরাপত্তার বিষয়ে সচেতন করে তোলা। তাই অন্যদের আপনার সন্তানের সঙ্গে নিচের আচরণগুলো করতে দেওয়া উচিত নয়&mdash;

জোর করে আলিঙ্গন বা চুমু নয়

কোনো আত্মীয় বা পরিচিত ব্যক্তি আপনার সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে কিংবা চুমু দিতে চাইতেই পারেন। কিন্তু সন্তান যদি আপনার আড়ালে চলে যায়, সরে যায় বা অনিচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে তাকে জোর করা উচিত নয়। শিশুর শারীরিক স্নেহ গ্রহণ করবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তারও রয়েছে। ছোটবেলা থেকেই তাকে ভদ্রভাবে নিজের অনিচ্ছা প্রকাশ করতে শেখানো যেতে পারে।

সন্তানকে নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য নয়

সন্তান শান্ত স্বভাবের হোক কিংবা চঞ্চল&mdash;অন্যদের তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেওয়া উচিত নয়। কারণ শিশুরা বারবার নিজের সম্পর্কে কোনো কথা শুনলে একসময় সেটিকেই সত্যি বলে মনে করতে শুরু করতে পারে।

যে শিশু অপরিচিত মানুষের সামনে চুপ থাকে, সে সবসময় লাজুক&mdash;এমনটা নয়। আবার কোনো শিশু খেলনা ভাগ করতে না চাইলে তাকে স্বার্থপর বলাও ঠিক নয়। শিশুরা ধীরে ধীরে নিজেদের অনুভূতি বুঝতে ও প্রকাশ করতে শেখে। তাই তাদের আচরণ নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে বড়দের সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

অন্য শিশুর সঙ্গে তুলনা নয়

পারিবারিক অনুষ্ঠানে শিশুদের তুলনা করার প্রবণতা অনেক সময় দেখা যায়। যেমন&mdash;&lsquo;ওর মতো ভালো ফল করতে পারো না কেন?&rsquo;, &lsquo;তোমার কাজিন তো অনেক আত্মবিশ্বাসী&rsquo;, কিংবা &lsquo;ও ইতোমধ্যে তিনটি ভাষা শিখে ফেলেছে&rsquo;&mdash;এ ধরনের মন্তব্য শিশুর মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তাই অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের সন্তানের অগ্রগতির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কেউ তুলনা করলে সহজভাবে বলা যেতে পারে, &lsquo;সে যেভাবে এগোচ্ছে, তাতেই আমরা খুশি।&rsquo; এতে সন্তান বুঝতে পারে, অন্য কারও চেয়ে ভালো হওয়ার ওপর তার প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা নির্ভর করে না।

সন্তানকে নিয়ে ঠাট্টা নয়

অনেক সময় বড়রা শিশুকে নিয়ে করা মন্তব্যকে নিছক মজা হিসেবে দেখেন। কিন্তু শিশুটি যদি চুপ হয়ে যায়, বিব্রত দেখায় কিংবা অস্বস্তি প্রকাশ করে, তাহলে বিষয়টি তার কাছে মোটেও মজার নাও হতে পারে।

চেহারা, ওজন, কণ্ঠস্বর, পোশাক, পড়াশোনা, অভ্যাস কিংবা ব্যক্তিত্ব নিয়ে করা ঠাট্টা শিশুর আত্মবিশ্বাসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি থামিয়ে দেওয়া উচিত।

অন্যদের সামনে সন্তানের দুর্বলতা তুলে ধরা নয়

সন্তানের ভুল, দুর্বলতা বা ব্যক্তিগত বিষয় অন্যদের সামনে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকা ভালো। এতে শিশু বিব্রত হতে পারে এবং বাবা-মায়ের প্রতি তার আস্থাও কমে যেতে পারে।

সন্তানের কোনো বিষয়ে পরামর্শ বা সংশোধনের প্রয়োজন হলে সবার সামনে নয়, বরং ব্যক্তিগতভাবে শান্তভাবে তা বলা উচিত। শিশুর যেমন দিকনির্দেশনা প্রয়োজন, তেমনি তার ব্যক্তিগত মর্যাদাও গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুকে ছোটবেলা থেকেই বড়দের সম্মান করা এবং পারিবারিক সম্পর্কের মূল্য বোঝানো জরুরি। তবে সম্মান দেখানোর অর্থ এই নয় যে নিজের অস্বস্তি, অনিচ্ছা বা সীমারেখা উপেক্ষা করতে হবে। সন্তানের অনুভূতিকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে নিজের সীমারেখা সম্পর্কে সচেতন করে তোলাই বাবা-মায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Aug 2026 08:18:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাড়ি থেকে টিকটিকি তাড়ানোর প্রাকৃতিক উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18474" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18474</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঘরে ঢুকতেই দেয়াল বেয়ে টিকটিকি ছুটে বেড়াচ্ছে&mdash;এমন দৃশ্য অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর। যদিও ঘরের টিকটিকি সাধারণত ক্ষতিকর নয় এবং মশা, মাছি ও অন্যান্য ছোট পোকামাকড় খেয়ে থাকে, তবু বেশিরভাগ মানুষই ঘরে তাদের উপস্থিতি পছন্দ করেন না। তবে টিকটিকি তাড়াতে সবসময় রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। ঘরোয়া কিছু উপাদান দিয়েও তাদের আনাগোনা কমানোর চেষ্টা করা যায়।

প্রবেশপথে ডিমের খোসা

টিকটিকি তাড়াতে ডিমের খোসা ব্যবহারের প্রচলন বেশ পুরোনো। ধারণা করা হয়, ডিমের খোসার গন্ধ টিকটিকিকে সম্ভাব্য শিকারির উপস্থিতির কথা মনে করিয়ে দিতে পারে। তবে এ পদ্ধতির কার্যকারিতার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত।

তারপরও ব্যবহার করতে চাইলে পরিষ্কার ও শুকনো ডিমের খোসা দরজা, জানালা কিংবা যেসব জায়গা দিয়ে টিকটিকি ঘরে ঢোকে বলে মনে হয়, সেখানে রাখতে পারেন। নিয়মিত খোসা পরিবর্তন করাও ভালো।

রসুন-পেঁয়াজের মিশ্রণ

রসুন ও পেঁয়াজের তীব্র গন্ধ অনেক প্রাণীর কাছে বিরক্তিকর হতে পারে। কয়েক কোয়া রসুন ও কিছুটা পেঁয়াজ থেঁতো করে পানিতে ভিজিয়ে রেখে মিশ্রণটি ছেঁকে নিতে পারেন। এরপর দরজা-জানালা ও সম্ভাব্য প্রবেশপথের আশপাশে অল্প পরিমাণে স্প্রে করা যায়।

তবে ঘরের শিশু, পোষা প্রাণী বা খাবারের কাছাকাছি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা জরুরি। গন্ধ কমে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী আবার ব্যবহার করতে হবে।

গোলমরিচ বা শুকনা মরিচ

গোলমরিচ কিংবা শুকনা মরিচের ঝাঁঝালো গন্ধ টিকটিকির চলাচল নিরুৎসাহিত করতে পারে বলে প্রচলিত ধারণা রয়েছে। পানির সঙ্গে অল্প পরিমাণ গোলমরিচ বা মরিচের গুঁড়া মিশিয়ে সম্ভাব্য প্রবেশপথ, জানালার কোণ কিংবা ক্যাবিনেটের আশপাশে ব্যবহার করা যেতে পারে।

তবে চোখ বা ত্বকে লাগলে মরিচের মিশ্রণ জ্বালা সৃষ্টি করতে পারে। তাই স্প্রে করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

পুদিনা ও ইউক্যালিপটাসের গন্ধ

পুদিনা ও ইউক্যালিপটাসের তীব্র গন্ধও টিকটিকি নিরুৎসাহিত করতে ব্যবহৃত হয়। জানালার পাশে পুদিনার গাছ রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি পুদিনা বা ইউক্যালিপটাস এসেনশিয়াল অয়েল পানিতে মিশিয়ে দরজা-জানালা ও ঘরের কোণায় অল্প পরিমাণে ব্যবহার করা যায়।

তবে এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন, বিশেষ করে বাড়িতে শিশু বা পোষা প্রাণী থাকলে।

সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো ঘরে টিকটিকির খাবার অর্থাৎ মশা-মাছি ও অন্যান্য পোকামাকড়ের উপস্থিতি কমানো। ঘর পরিষ্কার রাখা, খাবার খোলা অবস্থায় না রাখা, জানালায় নেট ব্যবহার করা এবং দেয়াল বা দরজার ফাঁক বন্ধ করলে টিকটিকির প্রবেশও অনেকটা কমানো সম্ভব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Aug 2026 05:36:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যে অভ্যাসে নীরবে বাড়ছে কোলেস্টেরল]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18465" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18465</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উচ্চ কোলেস্টেরলকে &lsquo;নীরব&rsquo; স্বাস্থ্যঝুঁকি বলা হয়। কারণ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলেও অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। বিশেষ করে এলডিএল বা &lsquo;খারাপ&rsquo; কোলেস্টেরল বেশি হলে ধমনিতে চর্বি জমতে পারে, যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

জিনগত কারণ, বয়স ও কিছু শারীরিক সমস্যা কোলেস্টেরলের মাত্রাকে প্রভাবিত করলেও প্রতিদিনের জীবনযাপনও এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমন কিছু অভ্যাস রয়েছে, যা এক-দুবার করলে ক্ষতিকর মনে না হলেও নিয়মিত চলতে থাকলে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে।

১. সকালে অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া

মাখন দিয়ে তৈরি টোস্ট, ভাজাপোড়া, পরোটা কিংবা প্রক্রিয়াজাত মাংস দিয়ে দিনের শুরু করা অনেকেরই অভ্যাস। কিন্তু নিয়মিত স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার খেলে রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে।

মাখন, ঘি, চর্বিযুক্ত মাংস, সসেজ, পনির, ক্রিম, কেক ও পেস্ট্রিতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট তুলনামূলক বেশি থাকে। তাই এসব খাবার পরিমিত খাওয়ার পাশাপাশি শাকসবজি, ফল, পূর্ণ শস্য ও স্বাস্থ্যকর প্রোটিনকে খাদ্যতালিকায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া ভালো।

২. স্বাস্থ্যকর খাবারও অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া

বাদাম, বীজ ও কিছু স্বাস্থ্যকর তেল হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে কোনো খাবার পুষ্টিকর হলেই তা ইচ্ছেমতো বেশি খাওয়া ঠিক নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে ক্যালোরি গ্রহণ বেড়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া স্বাস্থ্যকর নাস্তার পরিবর্তে নিয়মিত বিস্কুট, কেক, পেস্ট্রি, ভাজাপোড়া ও প্যাকেটজাত খাবার খাওয়ার অভ্যাসও কোলেস্টেরল ও সামগ্রিক হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এসব খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাট, চিনি ও অতিরিক্ত ক্যালোরি থাকতে পারে।

৩. দিনের বেশিরভাগ সময় বসে থাকা

নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেও দিনের বাকি সময় যদি ডেস্ক, গাড়ি কিংবা সোফায় বসে কাটে, তাহলে তা শরীরের জন্য ভালো নয়। দীর্ঘ সময় নিষ্ক্রিয় থাকার অভ্যাস কোলেস্টেরলের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে।

নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এবং এইচডিএল বা &lsquo;ভালো&rsquo; কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা সিঁড়ি ব্যবহার করার মতো সহজ কাজও দৈনন্দিন শারীরিক কার্যক্রম বাড়াতে সাহায্য করে।

দীর্ঘ সময় একটানা বসে না থেকে মাঝে মাঝে উঠে হাঁটা, ফোনে কথা বলার সময় হাঁটাহাঁটি করা কিংবা সম্ভব হলে সিঁড়ি ব্যবহার করার অভ্যাস করা যেতে পারে।

৪. নিয়মিত চিনিযুক্ত পানীয় পান করা

সফট ড্রিংকস, মিষ্টি ফলের পানীয়, এনার্জি ড্রিংকস এবং অতিরিক্ত চিনি দেওয়া চা-কফিতে প্রচুর পরিমাণে বাড়তি চিনি থাকতে পারে। এসব পানীয় নিয়মিত গ্রহণ করলে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণ ও ওজন বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

চিনি সরাসরি কোলেস্টেরল নয়, তবে অতিরিক্ত চিনি গ্রহণ ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পানীয় হিসেবে পানি বা কম চিনি দেওয়া স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়া ভালো।

৫. ধূমপান ও তামাকের সংস্পর্শে থাকা

ধূমপান হৃদ্&zwnj;যন্ত্র ও রক্তনালির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এটি কোলেস্টেরলের ভারসাম্যেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এবং রক্তনালির ক্ষতির মাধ্যমে অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

ধূমপানের কারণে এইচডিএল বা &lsquo;ভালো&rsquo; কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যেতে পারে, ফলে হৃদ্&zwnj;রোগের ঝুঁকি আরও বাড়ে। তাই ধূমপান ছাড়ার পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপান থেকেও দূরে থাকা হৃদ্&zwnj;স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখবেন: কোলেস্টেরল বেড়েছে কি না তা শুধু উপসর্গ দেখে বোঝা যায় না। প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তের লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করানোই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 11:33:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অটোইমিউন রোগের প্রাথমিক লক্ষণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18451" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18451</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সাধারণত সংক্রমণ ও ক্ষতিকর জীবাণুর বিরুদ্ধে সুরক্ষা তৈরি করে। তবে অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে এই প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলবশত শরীরের সুস্থ কোষ ও টিস্যুকে আক্রমণ করে। লুপাস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সিলিয়াক ডিজিজ, সজোগ্রেন সিনড্রোম এবং অটোইমিউন থাইরয়েডের সমস্যাসহ ৮০টিরও বেশি অটোইমিউন রোগ রয়েছে।

অটোইমিউন রোগের শুরুতে সবসময় তীব্র উপসর্গ দেখা যায় না। অনেক সময় সাধারণ ক্লান্তি, মানসিক চাপ, বয়সজনিত সমস্যা বা হজমের গোলমালের মতো উপসর্গ দিয়ে এর শুরু হতে পারে। ফলে রোগ শনাক্ত করতে দেরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে কোনো উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে বা বারবার ফিরে এলে, বিশেষ করে শরীরের একাধিক অংশে সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

অটোইমিউন রোগের সম্ভাব্য কিছু প্রাথমিক লক্ষণ হলো&mdash;

১. বিশ্রামের পরও দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি

পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের পরও যদি দীর্ঘদিন ক্লান্তি থেকে যায়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। অটোইমিউন রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রদাহ শরীরের শক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের সমস্যা বা অন্য কারণেও এমন ক্লান্তি হতে পারে। তাই কয়েক সপ্তাহ ধরে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ক্লান্তি থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

২. গাঁটে ব্যথা ও সকালে জড়তা

শারীরিক পরিশ্রমের পর সাময়িক গাঁটে ব্যথা স্বাভাবিক। তবে একাধিক গাঁটে নিয়মিত ব্যথা, ফোলাভাব বা জড়তা দেখা দিলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দীর্ঘ সময় হাত-পা বা অন্যান্য গাঁট শক্ত হয়ে থাকা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের মতো রোগের লক্ষণ হতে পারে।

৩. বারবার হালকা জ্বর

কোনো সংক্রমণের স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বারবার বা দীর্ঘসময় হালকা জ্বর হলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। লুপাসের মতো কিছু অটোইমিউন রোগে এমন জ্বর দেখা দিতে পারে। তবে অকারণ জ্বর মানেই অটোইমিউন রোগ নয়; বিভিন্ন সংক্রমণ ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণেও এটি হতে পারে।

৪. অকারণে ত্বকে ফুসকুড়ি বা পরিবর্তন

অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে ত্বকে ফুসকুড়ি, লালচে ভাব, চুলকানি, দাগ বা রঙের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। লুপাসের ক্ষেত্রে গাল ও নাকের ওপর প্রজাপতির আকৃতির ফুসকুড়ি একটি পরিচিত লক্ষণ। নতুন কোনো ফুসকুড়ি বারবার দেখা দিলে বা এর সঙ্গে অন্য উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৫. হঠাৎ বা অতিরিক্ত চুল পড়া

স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন কিছু চুল পড়তে পারে। তবে হঠাৎ অতিরিক্ত বা নির্দিষ্ট জায়গায় ছোপ ছোপ করে চুল পড়ে গেলে কারণ খুঁজে দেখা দরকার। অ্যালোপেসিয়া অ্যারেটার মতো অটোইমিউন রোগে এমনভাবে চুল পড়তে পারে। আবার অটোইমিউন থাইরয়েডের সমস্যাতেও চুল পাতলা হওয়ার পাশাপাশি ক্লান্তি, ওজনের পরিবর্তন বা ঠান্ডা-গরম সহ্য করতে সমস্যা হতে পারে।

৬. দীর্ঘদিনের হজমের সমস্যা

পেট ফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা অনেক সাধারণ কারণেও হতে পারে। তবে এসব উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী হলে তা সিলিয়াক ডিজিজ বা ক্রোনস ডিজিজের মতো রোগের সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। দীর্ঘদিন ডায়রিয়া, পেটে ব্যথা, মলের সঙ্গে রক্ত বা কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমতে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৭. অসাড়তা বা ঝিনঝিন অনুভূতি

হাত-পা সাময়িকভাবে অবশ বা ঝিনঝিন করা সাধারণত স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ার কারণে হতে পারে। তবে কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই বারবার অসাড়তা, ঝিনঝিন করা বা অনুভূতির পরিবর্তন হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। কিছু অটোইমিউন রোগ স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে। অবশ্য ডায়াবেটিস, ভিটামিনের ঘাটতি বা অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যার কারণেও এসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

মনে রাখবেন, এসব লক্ষণ দেখা দিলেই অটোইমিউন রোগ হয়েছে&mdash;এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়। একই ধরনের উপসর্গ বিভিন্ন সাধারণ রোগেও হতে পারে। তবে উপসর্গ দীর্ঘস্থায়ী বা বারবার দেখা দিলে সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 07:48:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মন খারাপ হলে চোখ কাঁদে কেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18434" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18434</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কখনো কি এমন হয়েছে, সামান্য কোনো ঘটনায় হঠাৎ চোখে পানি চলে এসেছে? পরে হয়তো বুঝেছেন, কান্নাটা আসলে ওই নির্দিষ্ট ঘটনার জন্য নয়; বরং দীর্ঘদিনের জমে থাকা মানসিক চাপ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ। মানসিক চাপ শরীরের আবেগীয় ও শারীরবৃত্তীয় প্রতিক্রিয়াকে সক্রিয় করে, ফলে কান্নার প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। এটি শুধু দুঃখের কারণে নয়; দীর্ঘ সময় চাপের মধ্যে থাকলে কান্না শরীরের জমে থাকা উত্তেজনা কিছুটা কমানোর একটি স্বাভাবিক উপায় হতে পারে।

মানসিক চাপে কেন কান্না পায়?

মানসিক চাপের সময় কর্টিসলের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন আসে। এর ফলে আবেগের প্রতি সংবেদনশীলতা বেড়ে যেতে পারে এবং ছোট কোনো ঘটনাও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তীব্র মনে হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী চাপের কারণে মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশও বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে, ফলে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।

এ ছাড়া দীর্ঘ সময় মানসিক চাপে থাকলে ক্লান্তি তৈরি হয়। এই ক্লান্তি মানুষের আবেগ সামলানোর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। ফলে এমন কোনো ছোট ঘটনা, যা স্বাভাবিক সময়ে সহজেই সামলে নেওয়া সম্ভব, সেটিও হঠাৎ কান্নার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেক সময় অমীমাংসিত দুশ্চিন্তা, হতাশা বা কষ্ট জমে থাকলেও এমনটা ঘটে।

কান্নার পর অনেকেরই হালকা বা স্বস্তি অনুভূত হয়। এর একটি কারণ হলো কান্নার সময় শরীর ধীরে ধীরে উত্তেজিত অবস্থা থেকে শান্ত অবস্থায় ফিরতে শুরু করতে পারে। শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের পরিবর্তনও এই স্বস্তির অনুভূতিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে কান্না মানেই যে শরীর থেকে অতিরিক্ত কর্টিসল বা অন্য কোনো &lsquo;স্ট্রেস হরমোন&rsquo; বের হয়ে যায়&mdash;এমন প্রমাণ যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। বরং গবেষণায় দেখা গেছে, কান্নার সঙ্গে শরীরের শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের পরিবর্তন এবং পরবর্তী সময়ে শান্ত হওয়ার প্রক্রিয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে।

গবেষণা কী বলছে?

২০২০ সালে Emotion জার্নালে প্রকাশিত একটি র&zwj;্যান্ডমাইজড ট্রায়ালে ১৯৭ জন নারীকে নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। গবেষকেরা দেখতে চেয়েছিলেন, কান্না শরীরকে চাপ মোকাবিলায় কতটা সাহায্য করে। অংশগ্রহণকারীদের কেউ দুঃখের ভিডিও দেখে কেঁদেছিলেন, কেউ একই ধরনের ভিডিও দেখেও কাঁদেননি এবং অন্য একটি দল সাধারণ ভিডিও দেখেছিলেন। পরে সবাইকে একটি চাপপূর্ণ ঠান্ডা পানির পরীক্ষার মুখোমুখি করা হয়।

গবেষণায় তিনটি দলের মধ্যে কর্টিসলের মাত্রা বা চাপ সহনশীলতায় উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। তবে শ্বাস-প্রশ্বাসের ধরনে পার্থক্য দেখা যায়। যারা কেঁদেছিলেন, তাদের শ্বাস-প্রশ্বাস তুলনামূলকভাবে স্থির ছিল, যেখানে অন্যদের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে গিয়েছিল। কান্না শুরু হওয়ার ঠিক আগেও হৃদস্পন্দন ধীর হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।

অর্থাৎ, কান্না সবসময় শরীর থেকে স্ট্রেস হরমোন বের করে দেয়&mdash;এমন নয়। বরং কান্না আবেগ প্রকাশের পাশাপাশি শরীরকে ধীরে ধীরে শান্ত অবস্থায় ফিরতে সহায়তা করতে পারে।

তাই মন খারাপের সময় চোখে পানি আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি শরীর ও মনের স্বাভাবিক আবেগীয় প্রতিক্রিয়া। তবে যদি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত কান্না, মন খারাপ বা চাপের অনুভূতি থাকে এবং তা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 11:10:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানসিক চাপের মূল কারণ কী?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18368" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18368</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্ট্রেস বা মানসিক চাপ জীবনের স্বাভাবিক একটি অংশ। অনেক সময় এটি আমাদের কোনো কাজ সম্পন্ন করতে বা কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় উৎসাহও দেয়। তবে দীর্ঘদিনের বা অতিরিক্ত স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে তা ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক ও শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রত্যেক মানুষের স্ট্রেসের কারণ এক নয়। কারও ক্ষেত্রে কাজের চাপ, আবার কারও ক্ষেত্রে পারিবারিক, আর্থিক বা ব্যক্তিগত নানা বিষয় মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

কাজের চাপ

বিভিন্ন গবেষণায় কর্মক্ষেত্রের চাপকে মানসিক চাপের অন্যতম বড় কারণ হিসেবে দেখা হয়। কর্মক্ষেত্রে যেসব বিষয় স্ট্রেস বাড়াতে পারে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash;


	নিজের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকা
	অতিরিক্ত কাজের চাপ বা দায়িত্ব
	দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করা
	দুর্বল ব্যবস্থাপনা
	কাজের দায়িত্ব ও প্রত্যাশা পরিষ্কার না থাকা
	সিদ্ধান্ত গ্রহণে জটিলতা
	ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে কাজ করা
	পদোন্নতি বা ক্যারিয়ারে অগ্রগতির সুযোগ না থাকা
	কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য বা হয়রানির শিকার হওয়া


জীবনের বড় পরিবর্তন

জীবনের কিছু ঘটনা আনন্দের হলেও মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। আবার কিছু ঘটনা সরাসরি দুশ্চিন্তা ও হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। যেমন&mdash;


	প্রিয়জনের মৃত্যু
	সন্তানের জন্ম
	বিবাহ বা বিবাহবিচ্ছেদ
	চাকরি হারানো
	আর্থিক চাপ বেড়ে যাওয়া
	নতুন বাড়িতে চলে যাওয়া
	দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা আঘাত
	পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সমস্যা


এ ছাড়া বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, দুঃখ, অপরাধবোধ বা আত্মসম্মানবোধ কমে যাওয়ার মতো মানসিক অবস্থাও স্ট্রেস বাড়াতে পারে।

ভয় ও অনিশ্চয়তা

ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা এবং এমন পরিস্থিতি, যার ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, তা মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। প্রতিদিন যুদ্ধ, সহিংসতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো নেতিবাচক খবর দেখতে থাকলেও অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হতে পারে।

আর্থিক অনিশ্চয়তাও স্ট্রেসের বড় কারণ। মাস শেষে বিল পরিশোধ, পরিবারের চিকিৎসা খরচ, ঋণের চাপ কিংবা আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে দুশ্চিন্তা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলতে পারে।

অবাস্তব প্রত্যাশা

নিজের কাছে সবসময় নিখুঁত ফলাফল আশা করাও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। জীবনের প্রতিটি বিষয় নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী হবে&mdash;এমন প্রত্যাশা পূরণ না হলে হতাশা ও চাপ তৈরি হয়।

তাই সফলতার পাশাপাশি ব্যর্থতাকেও জীবনের স্বাভাবিক অংশ হিসেবে মেনে নেওয়া জরুরি। সবকিছু সবসময় নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকবে&mdash;এমনটা ভাবারও প্রয়োজন নেই।

পরিবর্তন

জীবনের যেকোনো বড় পরিবর্তনই মানসিক চাপ তৈরি করতে পারে। নতুন চাকরি, পদোন্নতি, বিয়ে বা নতুন বাড়িতে ওঠার মতো ইতিবাচক ঘটনাও নতুন দায়িত্ব ও অনিশ্চয়তার কারণে চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে বিবাহবিচ্ছেদ, চাকরি হারানো, আর্থিক ক্ষতি বা প্রিয়জনকে হারানোর মতো ঘটনা আরও তীব্র মানসিক চাপের কারণ হতে পারে।

ব্যক্তিভেদে স্ট্রেস সামলানোর ক্ষমতা আলাদা

একই পরিস্থিতিতে সবাই সমানভাবে মানসিক চাপ অনুভব করেন না। কারও কাছে যে বিষয়টি সামান্য, অন্য কারও কাছে সেটিই বড় দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। ব্যক্তিত্ব, পূর্বের অভিজ্ঞতা, পারিবারিক পরিবেশ এবং পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে একজন মানুষ কতটা চাপ সামলাতে পারবেন।

তবে স্ট্রেস যদি দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক, ঘুম বা স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ না নিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কাছের মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং পেশাদার সহায়তা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 05:48:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফোনের কারণে দূরে সরে যাচ্ছে সম্পর্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18367" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18367</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একসময় ছিল, যখন দম্পতিরা একে অপরের সঙ্গে কথা বলার জন্য সারাদিন অপেক্ষা করতেন। এখন একই ছাদের নিচে, এমনকি পাশাপাশি বসেও অনেকের চোখ আটকে থাকে ভিন্ন ভিন্ন স্ক্রিনে। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ফোন যেন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। প্রযুক্তি আমাদের সহজে যোগাযোগের সুযোগ দিলেও অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার ধীরে ধীরে প্রিয়জনের সঙ্গে তৈরি করতে পারে অদৃশ্য দূরত্ব।

সমস্যা শুধু আপনি দিনে কত ঘণ্টা ফোন ব্যবহার করছেন, তা নয়। বরং প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটানো, তার কথা শোনা, মুখোমুখি কথা বলা কিংবা একসঙ্গে হাসার চেয়ে যদি ফোনের স্ক্রিন বেশি আকর্ষণীয় মনে হয়, তাহলে সেটি সম্পর্কের জন্য সতর্কবার্তা। ফোন কীভাবে সম্পর্কের ক্ষতি করতে পারে, জেনে নিন&mdash;

কথা বলার চেয়ে ফোনই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা

দিন শেষে সঙ্গীর সঙ্গে বসে কথা বলার বদলে যদি দুজনেই ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, তাহলে ধীরে ধীরে মানসিক দূরত্ব তৈরি হতে পারে। কাজ শেষে সঙ্গীর দিন কেমন গেল, তা জানতে চাওয়ার বদলে যদি প্রথম কাজ হয় ফোন হাতে নেওয়া, তাহলে সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট কথোপকথনগুলো হারিয়ে যেতে থাকে।

অথচ সম্পর্ক মজবুত হয় প্রতিদিনের এসব ছোট আলাপ, অনুভূতি ভাগাভাগি এবং একে অপরকে সময় দেওয়ার মাধ্যমে। এগুলো কমে গেলে অজান্তেই দূরত্ব বাড়তে পারে।

বারবার উপেক্ষিত হওয়ার অনুভূতি

আপনি হয়তো সঙ্গীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথা বলছেন, নিজের অনুভূতি শেয়ার করছেন কিংবা দিনের কোনো আনন্দের ঘটনা জানাচ্ছেন। কিন্তু সে যদি তখনও ফোনের স্ক্রিনে মনোযোগ দিয়ে থাকে, বিষয়টি আপনার কাছে হতাশাজনক মনে হতে পারে।

বারবার এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে একসময় মনে হতে পারে, আপনার কথা বা উপস্থিতির চেয়ে ফোনই সঙ্গীর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই উপেক্ষিত হওয়ার অনুভূতি ধীরে ধীরে সম্পর্কে বিরক্তি ও অভিমান তৈরি করতে পারে।

প্রতিটি অবসর মুহূর্ত স্ক্রলিংয়ে চলে যাওয়া

সম্পর্কে সবসময় কথা বলার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় পাশাপাশি চুপচাপ বসে থাকাও ভালো লাগার হতে পারে। কিন্তু সেই নীরবতার প্রতিটি মুহূর্ত যদি ফোনের নোটিফিকেশন দেখা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম স্ক্রল করা বা ভিডিও দেখার কাজে চলে যায়, তাহলে একসঙ্গে থাকার আনন্দটাই কমে যায়।

একই ঘরে থেকেও দুজন তখন আলাদা দুটি ডিজিটাল জগতে অবস্থান করেন। ফলে একসঙ্গে কাটানো ছোট ছোট সুন্দর মুহূর্তগুলো ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে।

স্ক্রিন টাইম নিয়ে নিয়মিত ঝগড়া

সঙ্গী কি প্রায়ই অভিযোগ করেন, &lsquo;তুমি সবসময় ফোন নিয়ে থাকো&rsquo;? কিংবা আপনিও কি একই অভিযোগ করছেন? ফোন ব্যবহারের সময় নিয়ে যদি নিয়মিত ঝগড়া বা মতবিরোধ তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

এখানে মূল সমস্যা অনেক সময় ফোন নয়; বরং একে অপরকে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়া, উপেক্ষা করা কিংবা আগের মতো মনোযোগ না দেওয়ার অনুভূতি। ফলে ফোন হয়ে ওঠে সেই জমে থাকা অভিমান ও হতাশার দৃশ্যমান কারণ।

প্রিয়জনের চেয়ে অপরিচিতদের জীবন বেশি জানা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে আমরা পরিচিত-অপরিচিত অনেক মানুষের জীবনের খুঁটিনাটি জানতে পারি। কোন সেলিব্রিটি কার সঙ্গে সম্পর্কে আছেন, কে কী পোস্ট করেছেন&mdash;এসব হয়তো আপনার জানা। কিন্তু আপনার সঙ্গী বর্তমানে কী নিয়ে চিন্তিত, কী নিয়ে আনন্দিত কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে তার কী পরিকল্পনা&mdash;এসব কি আপনি জানেন?

যখন প্রিয়জনের জীবনের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা অপরিচিত মানুষের জীবন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, তখন সম্পর্কের ওপর তার প্রভাব পড়া স্বাভাবিক।

সম্পর্ক বাঁচাতে ফোন ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি

ফোন বা প্রযুক্তি নিজে কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা তৈরি হয় যখন ফোন আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর জন্য বরাদ্দ সময় ও মনোযোগ দখল করে নেয়। তাই সম্পর্ককে সুন্দর রাখতে প্রতিদিন কিছু সময় ফোন দূরে রেখে সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলা, একসঙ্গে খাওয়া, হাঁটাহাঁটি করা কিংবা শুধু পাশাপাশি বসে সময় কাটানোর অভ্যাস করা যেতে পারে।

কারণ একটি সম্পর্ক শুধু অনলাইনে যোগাযোগের মাধ্যমে নয়, বরং মুখোমুখি উপস্থিতি, মনোযোগ, কথা বলা এবং একে অপরকে গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমেই গভীর হয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 13 Aug 2026 05:43:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খালি পেটে গ্যাস্ট্রিকের যন্ত্রণা? এই খাবারগুলো খেলে মিলবে স্বস্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18355" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18355</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকলেই কি পেটে অস্বস্তি শুরু হয়? কখনো গ্যাস, কখনো অ্যাসিডিটির জ্বালা&mdash; এমন সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। বিশেষ করে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পেট খালি থাকলে অস্বস্তি আরও বেড়ে যেতে পারে।

তবে বারবার ওষুধের ওপর নির্ভর না করে কিছু সহজ খাবার হাতের কাছে রাখতে পারেন। ক্ষুধা লাগলে অল্প পরিমাণে এসব খাবার খেলে পেট কিছুটা শান্ত রাখা সম্ভব।

মুড়ি বা খই

হালকা ক্ষুধা লাগলে এক মুঠো মুড়ি বা খই খেতে পারেন। পেটে অ্যাসিডের প্রভাব কমাতে এগুলো উপকারী হতে পারে। দীর্ঘক্ষণ পেট খালি না রাখতেও মুড়ি বা খই সহজ খাবার হিসেবে রাখা যায়।

ডাবের পানি

ডাবের পানিতে প্রাকৃতিক উপাদান থাকে, যা শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি পান করলে শরীরে সতেজভাবও আসে। পেটের অস্বস্তি থাকলেও ডাবের পানি অনেকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে।

টক দই

টক দইয়ে থাকা উপকারী জীবাণু হজমে সহায়তা করে। নিয়মিত পরিমাণমতো দই খেলে হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে। পেট খালি থাকলে অস্বস্তি হলে অল্প পরিমাণ দই খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।


তীব্র গরমে ব্যায়াম করবেন যেভাবে, শরীর থাকবে নিরাপদ
কলা

কলা পটাশিয়াম ও আঁশসমৃদ্ধ একটি সহজলভ্য খাবার। এটি পেটের ভেতরের দেয়ালে একটি সুরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে অ্যাসিডের প্রভাব কিছুটা কমতে পারে।

মৌরি ও জোয়ানের পানি

পেট ফাঁপা বা গ্যাসের অস্বস্তি হলে সামান্য মৌরি বা জোয়ান চিবিয়ে খেতে পারেন। চাইলে এগুলো পানিতে ভিজিয়ে সেই পানিও পান করা যায়। ভারী খাবারের পর পেটের অস্বস্তি কমাতেও এটি অনেকে ব্যবহার করেন।

শসা ও তরমুজ

শসা ও তরমুজে পানির পরিমাণ বেশি। ফলে এগুলো শরীরে পানির ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে এবং পেটও কিছুটা ঠান্ডা রাখতে পারে। গরমের দিনে হালকা খাবার হিসেবে এগুলো বেছে নেওয়া যায়।

সবচেয়ে জরুরি পানি

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো দীর্ঘক্ষণ পেট খালি না রাখা। প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পরপর অল্প পরিমাণে পানি ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।

তবে অতিরিক্ত মশলাদার ও ভাজাভুজি খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা জরুরি। নিয়ম মেনে খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই পেটের অস্বস্তি নিয়ন্ত্রণে রাখার ভালো উপায়। 

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 12 Aug 2026 11:38:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুল ফাটা রোধে যে ভুলগুলো নয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18293" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18293</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চুলকে সুন্দর রাখার চেষ্টায় আপনি হয়তো এমন সব পণ্য ব্যবহার করছেন যেগুলো চুলকে স্বাস্থ্যকর করে তোলার দাবি করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, এর ফলে উল্টোটাও হতে পারে। যখন আপনার চুলের ক্ষতি হয়, তখন চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ভেঙে যাওয়া বা ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। এর ফলে চুল অস্বাস্থ্যকর বা রুক্ষ দেখায়। অবশেষে ক্রমাগত ক্ষতি এবং তার চিকিৎসা না করার ফলে চুল পাতলা হয়ে যেতে পারে এবং টাক পড়তে পারে।


চুলের আগা ফাটা কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

চুল কাটা ছাড়া আগা ফাটার আর কোনো চিকিৎসা না থাকলেও, এমন অনেক উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি এটি প্রতিরোধ করতে পারেন।

প্রতিদিন চুল ধোয়া এড়িয়ে চলুন

চুলের আগা ফাটা রোধে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখবেন

প্রতিদিন শ্যাম্পু করা এড়িয়ে চলুন

প্রতিদিন চুল ধুলে চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক তেল কমে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন শ্যাম্পু করার পরিবর্তে দুই থেকে তিন দিন পরপর চুল পরিষ্কার করার অভ্যাস করা ভালো।

সঠিকভাবে চুল আঁচড়ান

চুল আঁচড়ানোর সময় চিরুনি বা ব্রাশ বেছে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। নরম ব্রিসলযুক্ত বা প্যাডযুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। ব্লো-ড্রাই করার আগে চুলের আগার জট ধীরে ধীরে ছাড়িয়ে নিন, এরপর ওপরের দিকে এগোন। গরম স্টাইলিং সরঞ্জাম ব্যবহারের আগে চুল ভালোভাবে আঁচড়ে নিন। ভেজা চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রে চওড়া দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করা ভালো।

চুলে সরাসরি বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না

শ্যাম্পু মূলত মাথার ত্বকে ব্যবহার করাই যথেষ্ট। মাথার ত্বকে শ্যাম্পু দিয়ে আলতোভাবে পরিষ্কার করুন। পরে পানি দিয়ে ধোয়ার সময় শ্যাম্পু স্বাভাবিকভাবেই চুলের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যাবে। এতে চুলের আগায় অতিরিক্ত শ্যাম্পু লাগানোর প্রয়োজন হয় না।

কন্ডিশনার ব্যবহারে আগাকে গুরুত্ব দিন

কন্ডিশনার ব্যবহারের সময় প্রথমে চুলের আগায় লাগান। কয়েক মিনিট রেখে দিলে কন্ডিশনার ভালোভাবে কাজ করার সুযোগ পায়। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী চুলের অন্যান্য অংশেও ব্যবহার করতে পারেন।

তোয়ালে দিয়ে চুল ঘষে মুছবেন না

ভেজা চুল তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষা বা মোচড়ানোর কারণে চুলের ক্ষতি হতে পারে। তাই চুল শুকানোর সময় তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে চেপে অতিরিক্ত পানি শুষে নিন।

চুলের আগায় অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ করবেন না

চুলের ডগা তুলনামূলকভাবে বেশি ভঙ্গুর। তাই ব্লো-ড্রায়ার বা অন্য কোনো গরম সরঞ্জাম ব্যবহারের সময় চুলের আগায় সরাসরি অতিরিক্ত তাপ দেওয়া এড়িয়ে চলুন। সম্ভব হলে চুলের মাঝের অংশ শুকানোর সময় এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করুন।

হিট স্টাইলিংয়ে সতর্ক থাকুন

কার্লিং আয়রন বা ফ্ল্যাট আয়রনের মতো সরঞ্জাম ব্যবহারের সময় চুলের আগায় যেন অতিরিক্ত তাপ না লাগে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। স্টাইলিংয়ের সময় সরঞ্জামটি সরাসরি আগায় দীর্ঘক্ষণ ধরে না রেখে দ্রুত ও সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করা উচিত।

নিয়মিত চুল ছাঁটুন

চুলের আগা ফাটা কমাতে নিয়মিত চুল ছাঁটা গুরুত্বপূর্ণ। চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাধারণত ছয় থেকে আট সপ্তাহ পরপর আগা ছাঁটা যেতে পারে। এতে ফাটা অংশ ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা কমে এবং চুলও গোছানো দেখায়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 06:10:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিম খাওয়ার সেরা উপায় কোনটি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18269" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18269</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেকেই ডিম দিয়ে দিন শুরু করতে পছন্দ করেন। কেউ সেদ্ধ ডিম পছন্দ করেন, আবার কেউ অমলেট। এমন কিছু ফিটনেস উৎসাহী আছেন যারা কাঁচা ডিমও খেতে পছন্দ করেন। একটি প্রশ্ন প্রায়শই করা হয়, ডিম খাওয়ার সেরা পদ্ধতি কোনটি? কাঁচা, সেদ্ধ নাকি রান্না করা?

উচ্চমানের প্রোটিনের অন্যতম সেরা উৎস হলো ডিম, যা কাঁচা, সেদ্ধ বা ভাজা- যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন, প্রতিটি ডিম থেকে প্রায় ৬-৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায়। এই সমস্ত রান্নার পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হলো, অতিরিক্ত চর্বি এবং ক্যালোরির সঙ্গে কেবল প্রোটিনের শোষণ ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন পদ্ধতি আপনাকে ডিম থেকে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন পেতে সাহায্য করে।

কাঁচা ডিম

 

যদিও কাঁচা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ একই থাকে, তবে শরীর তা অর্ধেক পরিমাণে শোষণ করে, কারণ প্রোটিনগুলো তখনও এমন একটি রূপে থাকে যা হজম করা কঠিন। এছাড়াও কাঁচা ডিম সালমোনেলা সংক্রমণের কারণ হতে পারে।

 

সেদ্ধ ডিম

 

সেদ্ধ করাকে অন্যতম স্বাস্থ্যকর রান্নার প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাপে প্রোটিন ভেঙে যায়; ফলে, শরীরের পক্ষে তা হজম করা এবং প্রায় ৯০% প্রোটিন ব্যবহার করা সহজ হয়ে যায়। যেহেতু কোনো তেল বা মাখন যোগ করার প্রয়োজন হয় না, তাই ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে এবং একারণে ওজন কমানোর জন্য সেদ্ধ ডিম স্বাস্থ্যকর।

 

ভাজা ডিম

 

ভাজা ডিমে প্রোটিনের পরিমাণ সেদ্ধ ডিমের মতোই কম-বেশি একই থাকে, কারণ রান্না করলে প্রোটিন সহজে হজমযোগ্য হয়ে ওঠে। তবে যেহেতু ডিম মাখন এবং তেলে ভাজা হয়, তাই এতে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে, বিশেষ করে যখন অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট যোগ করা হয়।

সাধারণত সেদ্ধ এবং আংশিকভাবে রান্না করা ডিম প্রোটিনের হজমযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং পুষ্টিগুণের সর্বোত্তম ভারসাম্য প্রদান করে, যেখানে কাঁচা ডিম সবচেয়ে কম সুবিধাজনক, যদিও সেগুলোর গঠনে একই প্রোটিন থাকে।

ডিমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

২০২২ সালে নিউট্রিয়েন্টস জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ডিমের প্রোটিন গ্রহণের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে। গবেষণাটিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ডিম শুধুমাত্র খাদ্যতালিকাগত কোলেস্টেরলের উৎস নয়। গবেষকরা এই বিষয়টির উপর আলোকপাত করেছেন যে, ডিম অত্যন্ত সহজে হজমযোগ্য প্রোটিনের একটি উৎস, যাতে আমাদের শরীরের সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিড রয়েছে।

 

ডিমের প্রটিন পুরোপুরি সুষম। এটি মারাত্মক প্রোটিনের অভাব প্রতিরোধ করে এবং শিশুদের স্বাস্থ্যকর উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য কঙ্কাল পেশী গঠনে এবং বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত পেশীর স্বাভাবিক ক্ষয় (সারকোপেনিয়া) রোধ করতে ডিমের প্রোটিন খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 05:59:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসির চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে যেসব যন্ত্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18268" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18268</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেকের ধারণা, ঘরে এসি ব্যবহারের কারণেই মূলত বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে। তবে বাস্তবে এমন কিছু নিত্যব্যবহার্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র রয়েছে, যেগুলো অল্প সময় চালালেও এসির তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। এসব যন্ত্রের বিদ্যুৎ খরচ নির্ভর করে মূলত তাদের পাওয়ার রেটিং ও কতক্ষণ ব্যবহার করা হচ্ছে&mdash;এই দুই বিষয়ের ওপর।

শীতকালে গোসলের পানি গরম করতে ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী যন্ত্রগুলোর অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের ক্ষমতা প্রায় ৩ হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। অর্থাৎ এটি এক ঘণ্টা চললে প্রায় ৩ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। অবশ্য গিজার সাধারণত দীর্ঘ সময় ব্যবহার করা হয় না বলে এর প্রভাব সবসময় আলাদাভাবে চোখে পড়ে না।

চুল শুকানোর জন্য ব্যবহৃত হেয়ার ড্রায়ার আকারে ছোট হলেও বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। সাধারণ একটি হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২২০০ ওয়াট। টানা এক ঘণ্টা ব্যবহার করলে এটি প্রায় ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। যদিও বাস্তবে এটি কয়েক মিনিটের জন্য ব্যবহার করা হয়, তবু নিয়মিত ব্যবহারে মোট খরচ বাড়তে পারে।

দ্রুত রান্নার সুবিধার কারণে ইন্ডাকশন কুকারের ব্যবহারও বেড়েছে। তবে এ যন্ত্রটির বিদ্যুৎ চাহিদা তুলনামূলক বেশি। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকার প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে। ফলে এক ঘণ্টা চালালে আনুমানিক ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। নিয়মিত দীর্ঘ সময় রান্নার কাজে এটি ব্যবহার করলে মাসিক বিদ্যুৎ বিলে এর প্রভাব পড়তে পারে।

পানি গরম করা কিংবা চা-কফি তৈরিতে ইলেকট্রিক কেটলি এখন অনেক ঘরেই ব্যবহৃত হয়। সাধারণত প্রায় ২২০০ ওয়াট ক্ষমতার কেটলি এক ঘণ্টায় ২.২ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে। তবে কেটলি সাধারণত অল্প সময়ের জন্য চালানো হয় বলে মোট বিলের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম। কিন্তু দিনে একাধিকবার দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে খরচ বাড়তে পারে।

খাবার দ্রুত গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেনও এখন অনেকের দৈনন্দিন ব্যবহারের অংশ। এ ধরনের যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং প্রায় ২১০০ ওয়াট হতে পারে। অর্থাৎ এক ঘণ্টা একটানা ব্যবহার করলে প্রায় ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে খাবার গরম করতে সাধারণত কয়েক মিনিটই প্রয়োজন হয়।

তাই বিদ্যুৎ বিল কমাতে শুধু এসির ব্যবহার কমালেই হবে না; বেশি ওয়াটের অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সচেতন হওয়া জরুরি। প্রয়োজন শেষ হলে এসব যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে রাখা এবং অপ্রয়োজনে দীর্ঘ সময় চালানো এড়িয়ে চলা উচিত। ব্যবহারের সময় ও পাওয়ার রেটিং সম্পর্কে সচেতন থাকলে মাস শেষে বিদ্যুৎ খরচ কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 05:47:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বয়স বিশ পর আর্থিক যে বিষয়গুলো জরুরি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18237" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18237</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়ির দশক জীবনের নানা নতুন অভিজ্ঞতায় ভরা। এই সময়েই অনেকে প্রথম বেতন পান, নিজের খরচে বাসা নেন, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার শুরু করেন কিংবা প্রথমবার বড় কোনো কেনাকাটা করেন। কারও ক্ষেত্রে এই সময়েই শুরু হয় বিনিয়োগের পথচলা। ফলে অর্থের বিষয়টি একদিকে যেমন রোমাঞ্চকর, অন্যদিকে তেমনি অনেকের কাছে বিভ্রান্তিকরও মনে হতে পারে। মাসের শুরুতে হাতে টাকা আসার পর নিজেকে স্বচ্ছল মনে হলেও কয়েক দিন পরই প্রশ্ন জাগে&mdash;এত টাকা গেল কোথায়?

তবে সম্পদ গড়ার জন্য শুরুতেই বড় অঙ্কের আয় করা জরুরি নয়। বরং অল্প বয়স থেকেই এমন কিছু আর্থিক অভ্যাস তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ, যেগুলো দীর্ঘমেয়াদে আপনার আর্থিক ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করবে। কুড়ির দশকে গড়ে তোলা এই অভ্যাসগুলো পরবর্তী জীবনে অর্থনৈতিক চাপ অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে।

সবার আগে নিজের জন্য টাকা রাখুন

অনেকেই মাসের সব খরচ মেটানোর পর যে টাকা বেঁচে যায়, সেটিই সঞ্চয় করেন। কিন্তু বাস্তবে মাস শেষে হাতে খুব বেশি টাকা অবশিষ্ট থাকে না। তাই বেতন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সঞ্চয়ের একটি অংশ আলাদা করে রাখার অভ্যাস করুন। আয় অনুযায়ী ১০ বা ২০ শতাংশ দিয়ে শুরু করতে পারেন। এই অর্থ আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে রাখা বা বিনিয়োগে ব্যবহার করা যেতে পারে। সঞ্চয়কে মাসিক বাধ্যতামূলক খরচের মতো বিবেচনা করলে অভ্যাসটি ধরে রাখা সহজ হবে।

কোথায় কত টাকা খরচ করছেন, তা জানুন

বাজেট তৈরির জন্য সবসময় জটিল অ্যাপ বা বড় কোনো স্প্রেডশিটের প্রয়োজন নেই। অন্তত এক মাস নিজের প্রতিটি খরচের হিসাব রাখুন। কফি, রেস্তোরাঁ, অনলাইন খাবার, সাবস্ক্রিপশন, যাতায়াত কিংবা কেনাকাটা&mdash;ছোট-বড় সব ব্যয়ই লিখে রাখুন। এতে এমন অনেক খরচ চোখে পড়বে, যেগুলো সম্পর্কে আপনি হয়তো সচেতনই ছিলেন না।

আয় বাড়লেই খরচ বাড়াবেন না

বেতন বাড়লে জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বাচ্ছন্দ্য আসা স্বাভাবিক। কিন্তু আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে যদি খরচও একই হারে বাড়তে থাকে, তাহলে ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয়ের সুযোগ কমে যায়। তাই বেতন বাড়ার সঙ্গে সঞ্চয়ের পরিমাণও বাড়ানোর চেষ্টা করুন। নিজের সাফল্য উপভোগ করুন, তবে বাড়তি আয়ের পুরোটা যেন অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতায় চলে না যায়।

বিলাসিতার আগে জরুরি তহবিল গড়ুন

দামি ফোন, নতুন পোশাক কিংবা স্বপ্নের ভ্রমণের পরিকল্পনা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব। কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে হাতে অর্থ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ চিকিৎসা খরচ, চাকরি হারানো বা পারিবারিক কোনো সংকটের সময় এই তহবিল বড় সহায়তা দিতে পারে। তাই কয়েক মাসের প্রয়োজনীয় খরচ মেটানোর মতো একটি জরুরি তহবিল তৈরির চেষ্টা করুন এবং অর্থটি সহজে ব্যবহার করা যায় এমন জায়গায় রাখুন।

অল্প হলেও বিনিয়োগ শুরু করুন

বিনিয়োগের জন্য অনেক টাকা জমা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার প্রয়োজন নেই। কুড়ির দশকে আপনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো সময়। অল্প পরিমাণ অর্থ নিয়মিত বিনিয়োগ করলেও দীর্ঘ সময়ে তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। তাই বড় অঙ্ক দিয়ে শুরু করার অপেক্ষা না করে সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট পরিমাণে বিনিয়োগের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

প্রয়োজন আর ইচ্ছার পার্থক্য বুঝুন

প্রতিটি কেনাকাটাই যে খারাপ সিদ্ধান্ত, তা নয়। তবে কোনো কিছু কেনার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন&mdash;এটি কি সত্যিই প্রয়োজন, নাকি মুহূর্তের ইচ্ছা? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যদের দেখে কোনো পণ্য কেনার ইচ্ছা হচ্ছে কি না, সেটিও ভাবুন। কেনাকাটার আগে কয়েক মুহূর্ত থেমে সিদ্ধান্ত নিলে অনেক অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো সম্ভব।

একটি আয়ের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হবেন না

চাকরির বেতনই অনেকের প্রধান আয়ের উৎস। তবে সুযোগ থাকলে অতিরিক্ত আয়ের পথ তৈরির চেষ্টা করা যেতে পারে। ফ্রিল্যান্সিং, টিউশনি, কনটেন্ট তৈরি, পরামর্শ দেওয়া কিংবা ডিজিটাল পণ্য বিক্রির মতো কাজ বাড়তি আয় এনে দিতে পারে। এর জন্য একবারে বড় কোনো ব্যবসা শুরু করার প্রয়োজন নেই। বরং নিজের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে ধীরে ধীরে বিকল্প আয়ের সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

ঋণ নেওয়ার আগে সব শর্ত বুঝে নিন

সব ধরনের ঋণ খারাপ নয়। তবে ক্রেডিট কার্ড বা কোনো ঋণ নেওয়ার আগে সুদ, পরিশোধের সময়সীমা, কিস্তি এবং নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করলে কী হতে পারে&mdash;এসব বিষয় পরিষ্কারভাবে জেনে নেওয়া জরুরি। কোনো পণ্য কেনার আগে শুধু মাসিক কিস্তির পরিমাণ নয়, শেষ পর্যন্ত মোট কত টাকা পরিশোধ করতে হবে, সেটিও বিবেচনা করুন।

অর্থ নিয়ে কথা বলতে সংকোচ করবেন না

অনেকেই সম্পর্ক, ক্যারিয়ার বা ভ্রমণ নিয়ে স্বচ্ছন্দে আলোচনা করলেও অর্থের বিষয়টি এড়িয়ে চলেন। অথচ বেতন, সঞ্চয়, বিনিয়োগ, কর ও আর্থিক পরিকল্পনা নিয়ে অন্যদের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখা যায়। অবশ্যই নিজের ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য সবার সঙ্গে ভাগ করার প্রয়োজন নেই। তবে অভিজ্ঞ মানুষদের কাছ থেকে শেখার মানসিকতা থাকলে কুড়ির দশকেই অর্থ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো ধারণা তৈরি করা সম্ভব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 09 Aug 2026 07:22:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উচ্চতা অনুযায়ী ওজন ঠিক রাখার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18222" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18222</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুস্থ থাকতে অনেকেই ডায়েট শুরু করেন। তবে সবার জন্য একই ধরনের খাদ্যাভ্যাস কার্যকর নাও হতে পারে। কারণ একজনের জন্য স্বাভাবিক ওজন যা, অন্যজনের ক্ষেত্রে তা কম বা বেশি হতে পারে। উচ্চতার তুলনায় ওজন অতিরিক্ত কম হলে যেমন অপুষ্টির ঝুঁকি থাকে, তেমনি বেশি ওজন হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ফ্যাটি লিভারের মতো নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তাই ডায়েট শুরু করার আগে নিজের উচ্চতা অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর ওজন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া এবং সেই অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

আদর্শ ওজন কীভাবে বুঝবেন

ওজনের স্বাস্থ্যকর সীমা বোঝার ক্ষেত্রে সাধারণত বডি মাস ইনডেক্স বা BMI ব্যবহার করা হয়। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে BMI ১৮.৫ থেকে ২৪.৯ সাধারণত স্বাস্থ্যকর সীমা হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে বয়স, লিঙ্গ, পেশির পরিমাণ ও শারীরিক গঠনের মতো বিষয়ও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন। তাই শুধু উচ্চতা দিয়ে &lsquo;আদর্শ ওজন&rsquo; নির্ধারণ করা সবসময় যথেষ্ট নয়।

ওজন বেশি হলে কী খাবেন

উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি হলে না খেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। বরং খাবারের ধরন ও পরিমাণে পরিবর্তন আনতে হবে। খাবারের প্লেটের প্রায় অর্ধেক অংশ শাকসবজি, এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন এবং বাকি অংশে ভাত বা রুটির মতো শর্করাজাতীয় খাবার রাখতে পারেন।

মাছ, ডিম, মুরগি ও ডালের মতো পুষ্টিকর খাবার নিয়মিত রাখুন। পাশাপাশি মিষ্টি, কোমল পানীয়, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার ও ভাজাপোড়া কমিয়ে আনুন।

ওজন কম হলে করণীয়

উচ্চতার তুলনায় ওজন কম থাকলে শুধু বেশি পরিমাণে ভাত বা অন্য শর্করাজাতীয় খাবার খেলে হবে না। প্রয়োজন পুষ্টিকর ও ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবার। ডায়েটে ডিম, দুধ, মাছ, মুরগি, ডাল, সয়াবিন, বাদাম, পনির ও ফল রাখতে পারেন।

প্রধান তিন বেলার খাবারের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়া যেতে পারে। এতে ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকরভাবে ওজন বাড়াতে এবং পেশির গঠন ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে।

ডায়েটে প্রোটিন কেন জরুরি

ওজন কমানো কিংবা বাড়ানো&mdash;দুই ক্ষেত্রেই প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ। এটি পেশি গঠনে ও সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করতে পারে। তাই প্রতিটি প্রধান খাবারে ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল, ছোলা, রাজমা বা সয়াবিনের মতো প্রোটিনের উৎস রাখার চেষ্টা করুন।

শুধু ভাত, রুটি বা অন্যান্য কার্বোহাইড্রেটনির্ভর খাবারের ওপর নির্ভর না করে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, শাকসবজি ও স্বাস্থ্যকর চর্বির ভারসাম্য রাখা জরুরি।

সকালের খাবার বাদ দেবেন না

ওজন কমানোর আশায় অনেকেই সকালের নাশতা বাদ দেন। তবে এটি সবার জন্য কার্যকর কৌশল নয়। দিনের শুরুতে পুষ্টিকর খাবার খেলে প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় এবং পরবর্তী সময়ে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতে পারে।

সকালের খাবারে ডিম, ওটস, চিঁড়ে, সবজি, টক দই, ফল বা পরিমিত বাদাম রাখতে পারেন।

রাতের খাবার হালকা রাখুন

রাতের খাবারে অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ভারী খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। ভাতের পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে শাকসবজি ও প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে পারেন। ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করার চেষ্টা করুন।

নিয়মিত শরীরচর্চাও জরুরি

শুধু ডায়েটের ওপর নির্ভর করে স্বাস্থ্যকর ওজন ধরে রাখা কঠিন। এর সঙ্গে নিয়মিত শরীরচর্চাও প্রয়োজন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার শারীরিক কর্মকাণ্ড, যেমন দ্রুত হাঁটা বা সাইকেল চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত দুই দিন পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়াম করা যেতে পারে।

ক্র্যাশ ডায়েট নয়, স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

কয়েক দিনের ক্র্যাশ ডায়েটের বদলে দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য। পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত ঘুম, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং সুষম খাবারের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

উচ্চতার তুলনায় ওজন খুব বেশি বা কম হলে নিজে থেকে কঠোর ডায়েট শুরু না করে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো। কারণ ব্যক্তিভেদে শরীরের প্রয়োজন ও খাদ্য পরিকল্পনা ভিন্ন হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 09 Aug 2026 04:34:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বার্ধক্যের ছাপ রুখতে ৩ উপকরণে কোলাজেন জেল]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18212" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18212</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উজ্জ্বল, কোমল ও জেল্লাদার ত্বক পেতে বাজারের বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার করেন অনেকেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘরোয়া রূপচর্চার একটি পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেটি হলো অ্যালোভেরা কোলাজেন জেল।

অনেকে দাবি করেন, এই জেল নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে, ত্বক টানটান দেখায় এবং স্বাভাবিক জেল্লা ফিরতে সাহায্য করে। তবে এই জেল কীভাবে তৈরি করবেন এবং ত্বকের জন্য এটি কতটা উপকারী&mdash;তা জানা জরুরি।

যদিও অনেকে একে &lsquo;কোলাজেন জেল&rsquo; নামে পরিচিত করেন, বাস্তবে এতে সরাসরি কোলাজেন থাকে না। তিসির বীজ ও অ্যালোভেরায় থাকা কিছু উপাদান ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং ত্বকের স্বাভাবিক কোলাজেন তৈরির প্রক্রিয়াকে সহায়তা করতে পারে। তাই এটি কোলাজেনের বিকল্প নয়; বরং ত্বকের যত্নে সহায়ক একটি ঘরোয়া মিশ্রণ।

অ্যালোভেরায় প্রচুর পানি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও কিছু প্রাকৃতিক প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে। ফলে এটি ত্বককে ঠান্ডা রাখতে, শুষ্কতা কমাতে এবং সাময়িক জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে সহায়তা করতে পারে।

অন্যদিকে, তিসির বীজে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের সুরক্ষা ও আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক।

যেভাবে তৈরি করবেন

এই ঘরোয়া জেল তৈরিতে মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয় টাটকা অ্যালোভেরা জেল। এর সঙ্গে মেশানো হয় তিসির বীজ থেকে তৈরি জেল। প্রথমে তিসির বীজ কিছুক্ষণ পানিতে ফুটিয়ে নিলে ঘন ও পিচ্ছিল জেল তৈরি হবে। এরপর সেটি ছেঁকে ঠান্ডা করে অ্যালোভেরা জেলের সঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।

অনেকে মিশ্রণটিতে ভিটামিন-ই তেলও যোগ করেন। তবে এতে জেল দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে&mdash;এমন নিশ্চয়তা নেই। ঘরে তৈরি প্রসাধনীতে সংরক্ষণকারী উপাদান না থাকায় অল্প পরিমাণে তৈরি করে পরিষ্কার পাত্রে রেখে দ্রুত ব্যবহার করাই ভালো।

ব্যবহারের আগে সতর্কতা

ঘরোয়া উপকরণ মানেই যে সবার ত্বকের জন্য নিরাপদ, এমনটা নয়। বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে নতুন কোনো উপাদান মুখে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া উচিত।

হাতের ভেতরের অংশ বা কানের পেছনে অল্প পরিমাণ জেল লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। চুলকানি, জ্বালাপোড়া, ফুসকুড়ি বা লালচে দাগ দেখা দিলে ব্যবহার বন্ধ করুন। কোনো ধরনের ত্বকের সমস্যা হলে প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Aug 2026 07:48:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করলে কী হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18131" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18131</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাইক্রোপ্লাস্টিক খাদ্য সুরক্ষার অন্যতম প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। পানি, সামুদ্রিক খাবার, ফল, শাকসবজি, লবণ, মধু, চা, চাল, মাংস এমনকি বাতাসেও এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে, আর বিজ্ঞানীরা মানুষের রক্ত, ফুসফুস, প্ল্যাসেন্টা ও ধমনীতেও এসব কণা শনাক্ত করেছেন।

মাইক্রোপ্লাস্টিক মূলত ৫ মিলিমিটারের চেয়েও ছোট প্লাস্টিক কণা, যার বেশিরভাগই বোতল, খাবারের পাত্র, প্যাকেজিং ও সিন্থেটিক কাপড়ের মতো বড় প্লাস্টিক পণ্য ভেঙে তৈরি হয়। এর চেয়েও ক্ষুদ্র ন্যানোপ্লাস্টিক এতটাই ছোট যে খালি চোখে দেখা যায় না এবং এগুলো মানবদেহের গভীরে প্রবেশ করতে পারে বলে ধারণা করা হয়। দূষিত মাটি, নদী-সমুদ্র, প্লাস্টিক প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বা বাতাসে ভাসমান ধূলিকণার মাধ্যমে এসব কণা খাদ্য শৃঙ্খলের প্রায় প্রতিটি পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বড় মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের মধ্য দিয়ে বর্জ্যের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়, তবে উদ্বেগের মূল বিষয় ক্ষুদ্রতম ন্যানোপ্লাস্টিক নিয়ে, যেগুলো জৈবিক বাধা অতিক্রম করে বিভিন্ন টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে বলে মনে করেন গবেষকরা। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু মাইক্রোপ্লাস্টিক কোষকে উত্তেজিত করে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যা হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসের সঙ্গে সম্পর্কিত, পাশাপাশি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বাড়িয়ে কোষ, প্রোটিন ও ডিএনএ-র ক্ষতি এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। এছাড়া প্লাস্টিকে থাকা বিভিন্ন সংযোজনী রাসায়নিক এবং শোষিত দূষক পদার্থ দেহে প্রবেশের পর নির্গত হতে পারে কি না, তা নিয়েও গবেষণা চলছে।

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (ইউএনইপি) জানিয়েছে, মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন প্রায় সর্বত্র পাওয়া যাওয়ায় তা সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা প্রায় অসম্ভব। তবে খাবার পুনরায় গরম করার আগে কাঁচ বা সিরামিকের পাত্রে ঢেলে নেওয়া, প্লাস্টিকের বদলে কাঁচ বা স্টেইনলেস স্টিলের পাত্র ব্যবহার করা এবং বোতলজাত পানির পরিবর্তে ফিল্টার করা কলের পানি পান করার মতো কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে এর সংস্পর্শ কমানো সম্ভব বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 08:22:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশেষ বীজের পানীয় হতে পারে চুল পড়ার সমাধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18130" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18130</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ষায় চুল ভালো রাখার কৌশল লুকিয়ে আছে সঠিক পুষ্টিতে। আয়রন, জিঙ্ক, ভিটামিন ই-সহ বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ চুলের বৃদ্ধিতে জরুরি, আর এমন পুষ্টিগুণ মিলতে পারে হালিম বা অলিভ বীজে।

পুষ্টিবিদদের মতে, ছোট, লালচে-বাদামি রঙের গোলমরিচের স্বাদযুক্ত এই বীজে রয়েছে আয়রন, ক্যালশিয়াম, ফাইবার এবং ভিটামিন এ, সি ও ই&mdash;যা রুক্ষ চুল, অ্যালোপেসিয়া ও চুল পড়ে টাক হয়ে যাওয়ার সমস্যায় দারুণ কার্যকর হতে পারে। নিয়ম করে খাদ্যতালিকায় বীজটি যুক্ত করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো হতে পারে বলে জানান তারা।

বর্ষায় খুশকি, চুল পড়া ও ডগা ফাটার মতো সমস্যা সাধারণ হলেও শুধু বাহ্যিক যত্নে এসব সমস্যা কমাতে না পারলে তার পেছনে পুষ্টির ঘাটতিও কারণ হতে পারে বলে জানান কেশচর্চাশিল্পীরা। খাওয়ার নিয়ম হিসেবে বলা হয়েছে, এক-চতুর্থাংশ চা-চামচ হালিম বীজ ৬-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে প্রাতরাশের আগে এক কাপ দুধে মিশিয়ে খেতে হবে, চাইলে সঙ্গে বাদামও যোগ করা যায়। প্রাণিজ দুধ সহ্য না হলে কাঠবাদামের দুধ, সয়া দুধ বা টকদইয়ের ঘোলেও বীজটি মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

তবে শুধু একটি খাবারেই চুলের সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হবে না&mdash;নিয়মিত কেশচর্চা, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার অভ্যাসও চুল ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 08:17:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি কমাতে পুরুষদের করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18129" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18129</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে নারীর পাশাপাশি পুরুষের প্রজননক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ, যদিও সামাজিক কারণে বিষয়টি প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়। চিকিৎসকদের মতে, বন্ধ্যাত্বের কারণ নির্ণয়ে নারী ও পুরুষ উভয়েরই পরীক্ষা জরুরি, কারণ শুক্রাণুর সংখ্যা বা গুণগত মান কমে যাওয়া, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বা দীর্ঘমেয়াদি রোগের কারণে পুরুষের প্রজননক্ষমতা কমে যেতে পারে। তবে সময়মতো সঠিক কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে অনেক ক্ষেত্রেই এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, নিজে থেকে ওষুধ বা ভেষজ উপাদান ব্যবহার না করে প্রথমেই বীর্য পরীক্ষা, হরমোন পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য পরীক্ষার মাধ্যমে সমস্যার প্রকৃত কারণ নির্ণয় করা উচিত। জীবনযাপনে পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে ধূমপান, অ্যালকোহল ও মাদকদ্রব্য পরিহার এবং কীটনাশকমুক্ত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন তারা। খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, চর্বিহীন মাংস, দুধ, ডাল, বাদাম, সবুজ শাকসবজি ও মৌসুমি ফল রাখার পাশাপাশি ভিটামিন সি, ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফলিক অ্যাসিড ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার শুক্রাণুর স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে।

নিয়মিত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট হাঁটা বা মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম ওজন ও হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হলেও অতিরিক্ত ভারোত্তোলন বা স্টেরয়েড ব্যবহার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কারণ এগুলো শুক্রাণু উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়া প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ, দীর্ঘ সময় গরম পানিতে গোসল বা কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করার মতো অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টিকারী অভ্যাস এড়িয়ে চলাও গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

চিকিৎসকদের পরামর্শ, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, ভ্যারিকোসিল বা যৌনবাহিত সংক্রমণের মতো রোগ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত এবং প্রয়োজনে আইইউআই, আইভিএফ বা আইসিএসআইয়ের মতো সহায়ক প্রজনন প্রযুক্তির সহায়তাও নেওয়া যেতে পারে।

আমার বাঙলা/ তালাহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 07:42:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘন ঘন খেলে কি সত্যিই ‘মেটাবলিজম’ বাড়ে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18127" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/lifestyle/18127</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে খাবারের পুষ্টি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়&mdash;সংক্ষেপে শরীরের সব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সমষ্টিই মেটাবলিজম। এর গতি একেক মানুষের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ধীর হয়ে আসে এবং মাংসপেশির পরিমাণ বেশি থাকায় পুরুষদের ক্যালোরি খরচের হার তুলনামূলক বেশি হয়। তবে প্রতি দুই-তিন ঘণ্টা পরপর কিছু খেলে মেটাবলিজম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে&mdash;এই প্রচলিত ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

বরং শক্তিব্যয় বা ক্যালোরি পোড়ানো বাড়াতে চাইলে বারবার খাওয়ার চেয়ে শারীরিকভাবে বেশি সক্রিয় হওয়াই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। শরীরে মাংসপেশির পরিমাণ যত বেশি, ক্যালোরি পোড়ানোর হারও তত বেশি হয়, আর অতিরিক্ত চর্বি থাকলে শক্তি ব্যয় হয় কম&mdash;তাই নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম ও শরীরচর্চাই মেটাবলিজমের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক।

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বাথের মেটাবলিক ফিজিওলজির অধ্যাপক জেমস বেটস ব্যাখ্যা করেন, মানুষ যখন মেটাবলিজম বাড়ানোর কথা বলে, তখন আসলে তারা শরীরের মেটাবলিক রেট বা নির্দিষ্ট সময়ে কতটুকু শক্তি খরচ হচ্ছে সেটিকেই বোঝায়। দৈনিক শক্তি ব্যয়ের তিনটি প্রধান উৎস&mdash;বিশ্রাম অবস্থায় শরীরের শক্তি ব্যয়, খাবার হজমে ব্যয়িত শক্তি এবং শারীরিক পরিশ্রম&mdash;এর মধ্যে শারীরিক কার্যকলাপেই সবচেয়ে বেশি তারতম্য দেখা যায়। তিনি আরও বলেন, বিশ্রাম অবস্থায় শরীরের শক্তি খরচ মূলত ওজন, বয়স ও লিঙ্গের ভিত্তিতে পূর্বানুমানযোগ্য।

গবেষণা অনুযায়ী, গড়ে একজন মানুষের গৃহীত ক্যালোরির প্রায় ১০ শতাংশ খাবার হজম ও পুষ্টি শোষণে ব্যয় হয়, যাকে থার্মিক ইফেক্ট অব ফুড বলা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ার কারণে বারবার খেলে মেটাবলিজম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়&mdash;এমন ধারণা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 05 Aug 2026 07:29:54 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
