<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/international</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla international Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 26 Aug 2026 08:47:41 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মক্কা জোটের পর ফ্রান্সের সঙ্গেও প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18680" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18680</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে &lsquo;মক্কা জোট&rsquo; গঠনের পর এবার ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে সৌদি আরব। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্যারিসে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় এলিসি প্রাসাদে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সৌদি আরবের পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ফ্রান্সের পক্ষে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্যাথরিন ভৌত্রিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান উপস্থিত ছিলেন।

নতুন এ প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল লক্ষ্য দুই দেশের মধ্যে আধুনিক প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্প ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা জোরদার করা। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সামরিক প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগও বাড়ানো হবে।

এর আগে গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা জোট গঠন করে সৌদি আরব। মক্কায় ওই চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় সংবাদমাধ্যমে এটি &lsquo;মক্কা জোট&rsquo; নামে পরিচিতি পায়। জোটটিতে সৌদি আরবের অর্থায়ন, তুরস্কের সামরিক প্রযুক্তি ও ড্রোন এবং পাকিস্তানের সামরিক জনবল ও পারমাণবিক সক্ষমতাকে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মক্কা জোট গঠনের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব চুক্তিতে গেল সৌদি আরব। মঙ্গলবার সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এ চুক্তি দুই দেশের বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করবে। একই সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ ও বিশেষজ্ঞ জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে উভয় দেশের জাতীয় সক্ষমতা জোরদার করতে ভূমিকা রাখবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 08:47:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানের হাসপাতালে আগুন, পুড়ে মরল ১৫ নবজাতক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18679" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18679</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে একটি হাসপাতালের গায়নোকোলজি ওয়ার্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। আগুন লাগার সময় ওই ওয়ার্ডে ১৬টি নবজাতক ছিল। এর মধ্যে মাত্র একজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ ও ডনের প্রতিবেদনের বরাতে জানা গেছে, বুধবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা ৪৫ মিনিটে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসের (পিমস) আওতাধীন ওই হাসপাতালে আগুন লাগে। হাসপাতালটির গায়নোকোলজি ওয়ার্ড ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত।

ইসলামাবাদ পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নবজাতকদের রাখা কক্ষের একটি এসি বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ১৫ নবজাতক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়।

হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. আনীজা জলিল জানান, আগুন লাগার পর কয়েকজন চিকিৎসক দ্রুত ওই কক্ষে ছুটে যান। তারা একজন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও আগুনের তীব্রতার কারণে অন্য নবজাতকদের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার কারণ জানতে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে ইসলামাবাদ পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও হাসপাতালের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ধরনের গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 08:25:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ৭০০ পণ্যে কানাডার ৫০% শুল্ক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18667" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18667</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধের অংশ হিসেবে দেশটির প্রায় ৭০০ পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে কানাডা। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী ফ্রাঙ্কোইস-ফিলিপ শ্যামপেন।

কানাডার বাজারে এসব ৭০০ মার্কিন পণ্যের সম্মিলিত মূল্য প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার। এর আগে এসব পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারিত ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে তা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

কানাডার অর্থমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি কানাডার কিছু পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে অটোয়া এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিবৃতিতে শ্যামপেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে এবং কানাডা ঐক্যবদ্ধভাবে এর মোকাবিলা করবে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪০ হাজার কোটি ডলার। দুই দেশের মধ্যে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। গত জুলাইয়ে কানাডার কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। এসব পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রের বাজারমূল্যও প্রায় ২ হাজার কোটি ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, কানাডা ওয়াশিংটনের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য চুক্তিতে সম্মত হলে বাড়তি শুল্ক প্রত্যাহারের সুযোগ রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগস্ট ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে তিন দিন পর কোনো সমঝোতা ছাড়াই আলোচনা শেষ হয় এবং কানাডার প্রতিনিধিরা দেশে ফিরে যান।

এর কয়েক ঘণ্টা পর, ২৩ আগস্ট মধ্যরাতে কানাডার ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক পুনর্বহাল করে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এ সিদ্ধান্তের পাল্টা জবাব হিসেবে তিন দিনের মাথায় একই পথে হাঁটল অটোয়া।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার বিরুদ্ধে বাণিজ্যযুদ্ধ শুরু করেছে এবং কানাডা সেই হামলার শিকার হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 05:22:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২ লাখ আশ্রয়প্রার্থীর ভিসা বাতিল করবে যুক্তরাষ্ট্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18657" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18657</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাণিজ্য ও পর্যটন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন&mdash;এমন প্রায় ২ লাখ ব্যক্তির ভিসা বাতিলের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনাটি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে একসঙ্গে সবচেয়ে বড় ভিসা বাতিলের ঘটনা হতে পারে এটি। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই উদ্যোগ আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হাতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এ-সংক্রান্ত একটি গোপন নথি এসেছে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তার সঙ্গেও কথা বলেছে এপি। নথি ও কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বি-১ ও বি-২ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিদের মধ্য থেকে প্রায় ২ লাখের ভিসা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনাটি মার্কিন পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত হবে।

বিষয়টি নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগোটের সঙ্গে যোগাযোগ করে এপি। তিনি পরিকল্পনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অনেক বিদেশি অ-অভিবাসী ভিসায় স্বল্পমেয়াদি দর্শনার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে দেশটিতে স্থায়ীভাবে থাকার চেষ্টা করেন। এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করে ভিসা বাতিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

তবে ঠিক কতজনের ভিসা বাতিল করা হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে রাজি হননি পিগোট। তিনি জানান, প্রক্রিয়াটি এখনো চলমান থাকায় এই মুহূর্তে চূড়ান্ত সংখ্যা বলা সম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক কাজে ভ্রমণের জন্য বি-১ এবং পর্যটন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা কিংবা চিকিৎসার মতো উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসা দেওয়া হয়। তবে ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই দুই ধরনের ভিসায় কতজন বিদেশি যুক্তরাষ্ট্রে গেছেন এবং তাদের মধ্যে কতজন আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারও ভিসা বাতিল হলেই তাকে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফেরত পাঠানো হবে&mdash;বিষয়টি এমন নয়। অধিকাংশ আবেদনকারীকে ভিন্ন একটি অভিবাসন শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। তবে তারা ব্যবসায়ী বা পর্যটক হিসেবে আগের মর্যাদা হারাবেন।

এদিকে বর্তমানে বি-১ ও বি-২ ভিসার জন্য আবেদনকারীদের কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আশ্রয়ের আবেদন না করার এবং সফর শেষে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা চাওয়া হচ্ছে। ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে এই শর্তকে কার্যত বাধ্যতামূলক করে তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

২০২৫ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিদেশিদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া আরও কঠোর হয়েছে। গত দেড় বছরে বহু বিদেশির ভিসা বাতিল করা হয়েছে, ভিসা ফি বাড়ানো হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ভিসা আবেদন পর্যালোচনাও স্থগিত করা হয়েছে।

সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের মানুষ &lsquo;ভুয়া আশ্রয় আবেদন&rsquo;-এ বিরক্ত। তার ভাষ্য, অভিবাসন আইনের ফাঁক হিসেবে আশ্রয়ের আবেদন ব্যবহারের সুযোগ থাকা উচিত নয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 09:29:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরান ইস্যুতে ৪ ভারতীয় কোম্পানিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18652" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18652</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দেশটি থেকে জ্বালানি তেল কেনার অভিযোগে চার ভারতীয় কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার (২৪ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া চার প্রতিষ্ঠান হলো&mdash;&lsquo;পোর্টিস পার্টনার এলএলপি&rsquo;, &lsquo;সদাশিব ওভারসিজ লিমিটেড&rsquo;, &lsquo;পিআর সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড&rsquo; এবং &lsquo;প্রাক্রুতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড&rsquo;।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব ভারতীয় কোম্পানি ইরান থেকে তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন ও বিক্রির পাশাপাশি দেশটির তেল রপ্তানিতে সহায়তার বিভিন্ন কার্যক্রমে জড়িত ছিল।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে &lsquo;অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট&rsquo; নামে একটি অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর আওতায় ইরানের সামরিক বাহিনী ও জ্বালানি খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত বিভিন্ন দেশের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ভারতের চার কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ১৯ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ইরানকে চুক্তিতে রাজি করাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যথেষ্ট সুযোগ ও ছাড় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তেহরান চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে &lsquo;সবচেয়ে বিধ্বংসী&rsquo; অর্থনৈতিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, এই অভিযানের সময় কোনো দেশ যদি তাদের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, বিমানবন্দর কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানকে সহযোগিতা করে, তাহলে সেই দেশকেও গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময়, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে ইরানকে সহায়তার পথও বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 06:38:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৭ বছর পর ভারতে শি জিনপিং]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18651" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18651</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে আগামী সেপ্টেম্বর ভারত সফরে আসছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

রয়টার্সকে ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক কমিটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শি জিনপিংয়ের সফরকে সামনে রেখে চীনা কর্মকর্তারা বর্তমানে হোটেল চূড়ান্ত করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

২০১৯ সালে সর্বশেষ নয়াদিল্লি সফর করেছিলেন শি জিনপিং। সেবারও ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতেই ভারতে এসেছিলেন তিনি। ওই সফরে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রায় ২০০ কর্মকর্তার বহর ছিল। এবার সাত বছর পর ভারতে আসার সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন প্রায় ৪০০ কর্মকর্তা।

শির সর্বশেষ ভারত সফরের পর ২০২০ সালের জুনে লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার পর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন তৈরি হয়, যার প্রভাব কয়েক বছর ধরে ছিল।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লি-বেইজিং সম্পর্কের বরফ কিছুটা গলতে শুরু করেছে। গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বেইজিং সফর করেন। এর আগে ২০১৮ সালে সর্বশেষ চীন সফরে গিয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘ সাত বছরের বিরতির পর মোদির বেইজিং সফরের পর দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগও নতুন গতি পায়।

সীমান্ত ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত-চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। অরুণাচল প্রদেশ ও লাদাখের কিছু অঞ্চল নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ফলে শি জিনপিংয়ের আসন্ন সফরে এসব অমীমাংসিত বিষয় নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে শি ও মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এক চীনা কর্মকর্তা বলেন, ব্রিকস জোটকে চীন অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় এবং জোটের বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। চলতি বছর ভারত সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন আয়োজন করছে এবং এ উদ্যোগের প্রতি চীনের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

এ বিষয়ে রয়টার্স ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও মন্ত্রণালয়ের কোনো মুখপাত্র মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 06:22:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে ৩ নবজাতকের মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18640" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18640</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের মহারাষ্ট্রের অমরাবতীর একটি সরকারি হাসপাতালে আগুন লেগে তিন নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে হাসপাতালের তৃতীয় তলায় থাকা একটি ভেন্টিলেটর বিস্ফোরণের পর আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে। খবর এনডিটিভির।

ঘটনার সময় অমরাবতী জেলা নারী হাসপাতালের বিশেষ নবজাতক পরিচর্যা ইউনিটে (এসএনসিইউ) ৩৯ নবজাতক ভর্তি ছিল।

আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে গুরুতর দগ্ধ হয়ে এবং ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টের কারণে তিন নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতালের অন্যান্য কর্মীরা দ্রুত ওয়ার্ডে গিয়ে নবজাতকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেন।

এ ঘটনায় গুরুতর অবস্থায় থাকা আরও ছয় নবজাতককে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাছের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে আগুন লাগার ঘটনায় প্রশাসনিক কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার এবং তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 10:09:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গিনিতে ময়লার স্তূপ ধসে ৩০ জনের মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18628" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18628</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনিতে আবর্জনার বিশাল স্তূপ ধসে ৩০ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২২ জন। আহতদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রোববার (২৩ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রাজধানী কোনাক্রিতে প্রবল বর্ষণের পর এ দুর্ঘটনা ঘটে। গিনির সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

কোনাক্রির গিবেসেয়া এলাকায় অবস্থিত আবর্জনার স্তূপটি এতটাই বড় যে, ধসে পড়লে সহজেই একটি বহুতল ভবন চাপা দিতে পারে। যেকোনো সময় এটি ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকায় গিনির সরকার সম্প্রতি আবর্জনার স্তূপটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। তবে সেই ঘোষণার এক সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

ধসে পড়া আবর্জনার নিচে চাপা পড়াদের উদ্ধারে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা এক্সকাভেটর ব্যবহার করেন। দুর্ঘটনায় নিজের পাঁচ সন্তানকে হারিয়েছেন সিরে দিয়োলো নামের এক নারী।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, &lsquo;আমি আমার সব সন্তানকে হারিয়েছি। ঈশ্বরের ওপর ভরসা করা ছাড়া আমার আর কোনো পথ নেই।&rsquo;

গিনি খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ। পশ্চিম আফ্রিকার এ দেশটিতে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বক্সাইটের মজুত রয়েছে। পাশাপাশি দেশটির লোহার খনিতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লৌহ আকরিক রয়েছে।

তবে বিপুল প্রাকৃতিক সম্পদ থাকা সত্ত্বেও গিনির অবকাঠামোগত অবস্থা দুর্বল। দেশটি বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর একটি। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গিনির জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করেন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 05:50:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সেউতা থেকে ৫০০ শিশুকে সরাবে স্পেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18620" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18620</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্পেনের উত্তর আফ্রিকার ছিটমহল সেউতায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা প্রায় ৫০০ শিশুকে দেশটির মূল ভূখণ্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে মাদ্রিদ। স্পেনের অভিবাসনমন্ত্রী এলমা সাইজ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে ৫০০ শিশুকে স্থানান্তরের কথা বলা হলেও পরবর্তী সময়ে এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।

জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে মরক্কো থেকে ৭০ হাজারের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী আকস্মিকভাবে স্পেনের ছিটমহল সেউতায় প্রবেশ করেন। গুজবের জেরে অনেকেই সাগর পেরিয়ে ও সীমান্তের বেড়া ডিঙিয়ে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। আকস্মিক এই ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হয় সেউতা প্রশাসনকে।

পরে বেশিরভাগ অভিবাসনপ্রত্যাশী মরক্কোয় ফিরে গেলেও স্পেনের মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার আশায় কয়েক হাজার মানুষ এখনো সেউতায় অবস্থান করছেন। সেউতা কর্তৃপক্ষের ধারণা, প্রায় ১০ হাজার অভিবাসী সেখানে রয়ে গেছেন, যাদের মধ্যে প্রায় দুই হাজার অপ্রাপ্তবয়স্ক। তবে স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, সেউতায় থাকা অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজার।

আশ্রয়ের সংকট, খাবারের স্বল্পতা ও নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে এসব অভিবাসী মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে। সেউতায় অবস্থানরত কয়েকজন নারী যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

অভিবাসীদের জন্য আশ্রয় ও খাবারের ব্যবস্থা করতে সেউতা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করছে বিভিন্ন মানবিক সহায়তা সংস্থা।

স্পেনের অভিবাসনমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা শিশুদের মূল ভূখণ্ডে স্থানান্তরের জন্য সেউতা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে নেওয়ার পর শিশুদের দায়িত্ব স্পেনের শিশু সুরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে থাকবে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সরকারের পরিকল্পনায় এসব শিশুকে সংহতির ভিত্তিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে গ্রহণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের পালক পরিবারের কাছেও রাখা হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 10:42:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিমানে ল্যাপটপ বিস্ফোরণ, আহত ৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18615" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18615</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের বিমান পরিষেবা সংস্থা আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় এক যাত্রীর ল্যাপটপে আগুন ধরে যায়। এতে পাঁচ যাত্রী আহত হয়েছেন। ফ্লাইটটি শনিবার আটলান্টা থেকে ডালাসের উদ্দেশে যাচ্ছিল।

ফ্লাইটের পাইলট সাংবাদিকদের জানান, বিমানটি মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় এক যাত্রীর ল্যাপটপে আগুন ধরে যায়। এ সময় পাঁচ যাত্রী আহত হন। তবে ফ্লাইটের ক্রু ও কেবিন অ্যাটেনডেন্টরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

পাইলট জানান, পরে বিমানটি নিরাপদে ডালাস বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে পৌঁছানোর পর আহতদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। অন্যদের আঘাত গুরুতর না হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ফ্লাইটটিতে পাইলট, কো-পাইলট, ক্রু, অ্যাটেনডেন্ট ও যাত্রীসহ মোট ১৩৩ জন ছিলেন।

বিমানের ভেতরে আগুন লাগার পরও পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করে ফ্লাইটটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ায় পাইলট, কো-পাইলট ও ক্রু-অ্যাটেনডেন্টদের ধন্যবাদ জানিয়েছে আমেরিকান এয়ারলাইন্স।

যুক্তরাষ্ট্রের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহৃত ল্যাপটপ বিভিন্ন কারণে অতিরিক্ত গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে।

এফএএর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ফ্লাইট চলাকালে ল্যাপটপে বিস্ফোরণ বা আগুন লাগার ৫৮টি ঘটনা ঘটেছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 08:15:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইরানের সতর্কবার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18611" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18611</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত অর্থনৈতিক যুদ্ধ অভিযান &lsquo;ইকোনমিক ডি-ডে&rsquo;-তে যোগ না দিতে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোকে সতর্ক করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিলের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি।

শনিবার ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজায়ি বলেন, &ldquo;আমরা আমাদের সব প্রতিবেশী দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে মার্কিন পক্ষে যোগ না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। যদি কোনো প্রতিবেশী দেশ এই আহ্বান উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যোগ দেয়, তাহলে আমরা সেই দেশকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করব।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;আমরা যুদ্ধ বিস্তৃত করতে চাই না। তবে ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলো যদি অর্থনৈতিক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেয়, তাহলে তাদের জাতীয় স্বার্থে আঘাত হানা হবে। পারস্য উপসাগর কিংবা হরমুজ প্রণালি দিয়ে তাদের এক ফোঁটা তেলও পরিবহন করতে দেওয়া হবে না।&rdquo;

গত ১৯ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে &lsquo;ইকোনমিক ডি-ডে&rsquo; নামে অর্থনৈতিক অভিযান ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্র এর আগে দেশটিকে অনেক সুযোগ ও ছাড় দিয়েছে। কিন্তু ইরান চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করা হচ্ছে।

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই অভিযান হবে নজিরবিহীন এবং এর ফলে ইরান আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে অভূতপূর্ব মাত্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তিনি এটিকে সরাসরি &lsquo;অর্থনৈতিক যুদ্ধ&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেন।

একই পোস্টে ইরানের প্রতি মিত্রভাবাপন্ন দেশগুলোকেও সতর্ক করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, কোনো দেশ যদি অভিযানের সময় নিজেদের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম, বিমানবন্দর বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানকে সহযোগিতা করে, তাহলে সেই দেশকেও কঠোর অর্থনৈতিক পরিণতি ভোগ করতে হবে।

ইরানের তেল চোরাচালান, পণ্য বিনিময় ব্যবস্থা, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্র, জাহাজ নিবন্ধন ও ভুয়া কোম্পানির মাধ্যমে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বন্ধের হুঁশিয়ারিও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আইআরআইবিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি বলেন, &ldquo;ইরান যুদ্ধ ও যুদ্ধবাজদের বিপক্ষে। আমরা যুদ্ধের অবসান চাই। তবে ট্রাম্প ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নিলে তিনি ভূমিকম্পের মতো শক্তিশালী প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হবেন।&rdquo;

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 06:29:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যৌন ব্যবসার অভিযোগে বাংলাদেশিসহ আটক ২৬]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18592" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18592</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বিদেশি নারীদের মাধ্যমে পরিচালিত কথিত যৌন ব্যবসার একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এ ঘটনায় বাংলাদেশি-থাই দম্পতিসহ ২৬ জনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে স্থানীয় এক ব্যক্তি কথিত প্রতিষ্ঠানটির &lsquo;ক্যাপ্টেন&rsquo; বা নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ।

বুধবার রাতে কুচাই লামা ও জালান গেলুগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন পুত্রজায়ায় অবস্থিত মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের সদর দপ্তরের গোয়েন্দা ও বিশেষ অভিযান শাখার কর্মকর্তারা। অভিযানের আগে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলোতে নজরদারি চালানো হয়েছিল।

বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বিবৃতিতে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, আটক ব্যক্তিদের বয়স ১৮ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি পুরুষ, একজন থাই নারী, একজন মালয়েশীয় পুরুষ, তিনজন মিয়ানমারের পুরুষ, তিনজন বাংলাদেশি নারী, ১৪ জন ইন্দোনেশীয় নারী, দুইজন ভিয়েতনামি নারী এবং একজন মিয়ানমারের নারী রয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আটক বিদেশিদের কারও কাছেই মালয়েশিয়ায় অবস্থানের বৈধ ভ্রমণ নথি বা পাস ছিল না। অভিযানের সময় চারটি বাংলাদেশি, একটি থাই ও একটি ইন্দোনেশীয় পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এছাড়া কয়েকটি মোবাইল ফোন, কনডম এবং কথিত কর্মকাণ্ড থেকে পাওয়া ১ হাজার ২১৫ রিঙ্গিত নগদ অর্থও উদ্ধার করা হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুটি স্থাপনা&mdash;একটি আবাসিক ও অন্যটি বাণিজ্যিক&mdash;বিদেশি নারীদের ব্যবহার করে কথিত অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। অভিযোগ রয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে বিশেষ করে ক্লাং ভ্যালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে আবাসিক স্থাপনাটিতে গ্রাহক সংগ্রহ করা হতো।

তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, চক্রটির মূলহোতারা কর্মীদের চলাফেরার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতেন এবং তাদের পাসপোর্ট নিজেদের কাছে রেখে দিতেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে আবাসিক ভবনটিতে গোপনে কার্যক্রম চালানো হতো।

অন্যদিকে, বাণিজ্যিক স্থাপনাটির দেখভাল করতেন স্থানীয় এক ব্যক্তি। কর্তৃপক্ষের ধারণা, সেখানে তিনি &lsquo;ক্যাপ্টেন&rsquo; হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জানান, আবাসিক স্থাপনায় ৬০ মিনিটের সেবার জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ রিঙ্গিত নেওয়া হতো। বাণিজ্যিক স্থাপনায় ৯০ মিনিটের জন্য নেওয়া হতো ২৬০ থেকে ৪০০ রিঙ্গিত। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, কথিত চক্রটি প্রায় দুই মাস ধরে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।

আটক বিদেশি দম্পতি ও স্থানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ৫৬(১)(ডি) ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অন্য বিদেশিদের একই আইনের ৬(১)(সি) ধারায় আটক করা হয়েছে।

আটকদের পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে সহায়তার জন্য আরও সাতজন স্থানীয় পুরুষকে ইমিগ্রেশন কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেন, দেশের আইন লঙ্ঘন করে পরিচালিত যেকোনো কর্মকাণ্ড বন্ধে ইমিগ্রেশন বিভাগের অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 08:38:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, নিহত ৮]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18583" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18583</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে একটি চার্টার বিমান বিধ্বস্ত হয়ে আট আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে দুর্গম একটি সামরিক রাডারকেন্দ্রের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, কেপ নিউএনহাম লং রেঞ্জ রাডার কেন্দ্রের বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। অ্যাঙ্কোরেজ থেকে প্রায় ৭২৫ কিলোমিটার দূরের এই বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ডের (এনটিএসবি) আলাস্কা অঞ্চলের প্রধান ক্লিন্ট জনসন জানান, দুর্ঘটনার সময় বিমানে ছয়জন যাত্রী ও দুজন পাইলট ছিলেন। তাদের কেউই বেঁচে নেই।

দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি সেসনা ৪৪১ মডেলের। অ্যাঙ্কোরেজভিত্তিক চার্টার বিমান সংস্থা সিকিউরিটি এভিয়েশন এটি পরিচালনা করছিল।

দুর্ঘটনার পর ইউএস কোস্ট গার্ড, এনটিএসবি, আলাস্কা স্টেট ট্রুপার্স এবং রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেন।

আলাস্কার সিনেটর লিসা মুরকোভস্কি দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আলাস্কার দুর্গম এলাকাগুলোতে সেবা দিতে সিকিউরিটি এভিয়েশনের পাইলটদের সঙ্গে তার বহুবার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

আলাস্কান নর্থ আমেরিকান এরোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড অঞ্চল ও একাদশ এয়ার ফোর্সের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রবার্ট ডেভিস জানান, বিমানে থাকা ব্যক্তিরা কঠিন পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ মিশনে নিয়োজিত ছিলেন।

তবে সামরিক রাডারকেন্দ্রের কাছে থাকা ওই ব্যক্তিরা ঠিক কী দায়িত্ব পালন করছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 06:45:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা জানাল দিল্লি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18581" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18581</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি। শুক্রবার দিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, সফরটি নিয়ে মন্তব্য করার মতো নতুন কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করা হয়নি। সফরসংক্রান্ত কোনো হালনাগাদ তথ্য পাওয়া গেলে তা সাংবাদিকদের জানানো হবে।

এর আগে মঙ্গলবারও রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নতুন করে বলার মতো কোনো তথ্য ভারতের হাতে নেই।

এদিকে, তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, সফরের বিষয়ে আলোচনা চললেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর নয়াদিল্লিতে এটি হতে পারে তারেক রহমানের প্রথম সফর। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

ভারতের কাছে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টিও ঢাকার আলোচনায় রয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে দিতে বাংলাদেশ একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি তারা পর্যালোচনা করছে।

এদিকে, সম্প্রতি দিল্লিতে একটি অনলাইন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারেক রহমানের ভারত সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সম্ভাব্য সামরিক জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার গুঞ্জন এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়েও প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। তবে এসব বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেননি তিনি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Aug 2026 06:20:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কেনিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18556" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18556</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কেনিয়ায় একটি পর্যটন হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মাইকেল সেনসি কন্টুগি, তার স্ত্রী স্টেফানি কন্টুগিসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন। হেলিকপ্টারটিতে থাকা সবাই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির উত্তরে সামুবুরু জেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কেনিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (কেসিএএ) জানিয়েছে, হেলিকপ্টারটি দেশটির উত্তরাঞ্চলের লোইসাবা ওয়াইল্ডলাইফ রিজার্ভ থেকে উড্ডয়ন করেছিল।

দুর্ঘটনাস্থলটি ছিল একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায়। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেডক্রসের কেনিয়া শাখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুর্ঘটনাস্থলের ছবি প্রকাশ করেছে। ছবিগুলোতে হেলিকপ্টারটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পর আগুন ধরে যাওয়ার চিত্র দেখা যায়। দুর্গম পার্বত্য এলাকা হওয়ায় উদ্ধারকারী দলকে ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে বেগ পেতে হয়।

কেসিএএর অধীন এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (এএআইডি) পরিচালক ফ্রেডরিক কাবুঙ্গে এএফপিকে জানান, হেলিকপ্টারটিতে মোট আটজন ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন পাইলট এবং বাকি সাতজন যাত্রী। দুর্ঘটনায় সবাই নিহত হয়েছেন।

সামুবুরু জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ডেভিড এনকোরোই জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে অন্ধকার, দুর্গম পাহাড়ি এলাকা এবং ঘটনাস্থলের জটিল পরিস্থিতির কারণে রাতের উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে আবারও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করার কথা জানানো হয়।

দুর্ঘটনায় ইকুয়েডরের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান মাইকেল সেনসি কন্টুগি ও তার স্ত্রী স্টেফানি কন্টুগি নিহত হওয়ার বিষয়টি প্রথম নিশ্চিত করেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী রবার্তো লুকু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি তাদের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

৪২ বছর বয়সী মাইকেল সেনসি কন্টুগি ২০২৪ সালে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পান। তিনি দেশটির ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

অন্যদিকে, কেনিয়ায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় পাঁচ মার্কিন নাগরিক নিহত হওয়ার বিষয়টি বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হলেও নিহত মার্কিন নাগরিকদের নাম বা পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 20 Aug 2026 05:38:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লন্ডনে দুর্বৃত্তের গুলিতে বাংলাদেশি যুবক নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18532" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18532</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাজ্যের পূর্ব লন্ডনে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মাছুম মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে নিউহ্যামের সেন্ট বার্থোলোমিউস রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাছুম মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব কারিকোনা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আমির আলীর ছেলে। ছোটবেলা থেকেই যুক্তরাজ্যে বসবাস করতেন মাছুম। মাঝেমধ্যে দেশে আসতেন। তার আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বাবা ছাড়া পরিবারের অন্য সদস্যরাও যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন।

মাছুমের ছোট ভাই মানিক উদ্দিন জানান, স্থানীয় সময় রাত ৪টার দিকে পুলিশ তাদের বাসায় গিয়ে দরজায় কড়া নাড়ে। দরজা খোলার পর পুলিশ সদস্যরা মাছুমের ছবি দেখতে চান। ছবি দেখানোর পর তারা জানান, মাছুম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। তবে কারা এবং কী কারণে তাকে গুলি করেছে, সে বিষয়ে পরিবারকে এখনো কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, মাছুমের মরদেহ বর্তমানে স্থানীয় পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৩টার দিকে নিউহ্যামের সেন্ট বার্থোলোমিউস রোডে গুলির শব্দের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে একটি গাড়ির ভেতর মাছুমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

পুলিশের পাশাপাশি লন্ডন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস ও লন্ডন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। চিকিৎসাকর্মীরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কর্মকর্তারা তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে আলামত সংগ্রহের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

তদন্তের নেতৃত্বে থাকা ডিটেকটিভ চিফ ইন্সপেক্টর ড্যান হুইটেন নিহতের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পূর্ব লন্ডনের জনবহুল এলাকায় এ ধরনের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।

এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য কিংবা মাছুমকে লক্ষ্য করেই গুলি চালানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে পুলিশ বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী থাকলে বা কারও কাছে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকলে রেফারেন্স নম্বর &lsquo;সিএডি ৭৯৭/১৮এইউজি&rsquo; উল্লেখ করে ১০১ নম্বরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মাছুমের মৃত্যুর খবর মঙ্গলবার সকালে তার গ্রামের বাড়ি বিশ্বনাথে পৌঁছালে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতের বাবা আমির আলী জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যুক্তরাজ্য থেকে তার ছেলে মারুফ আহমদ ফোন করে মাছুমের মৃত্যুর খবর দেন।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে মাছুম মিয়ার মরদেহ দেশে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 07:04:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞায় আইসিসির দুই কর্মকর্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18528" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18528</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালটির কর্মকর্তা আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন প্রশাসন এ পদক্ষেপ নেয়। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, তারা এমন কর্মকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত &lsquo;ইমপোজিং স্যাংশনস অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট&rsquo; শীর্ষক নির্বাহী আদেশের আওতায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর আগে আইসিসির সাবেক প্রধান কৌঁসুলি করিম খান ও আট বিচারকসহ আদালটির ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল।

নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা আকানে ও সেয়ের যেকোনো সম্পদ জব্দ বা অবরুদ্ধ করা হবে। একই সঙ্গে মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক বা বাণিজ্যিক লেনদেন করতে পারবে না।

২০২৪ সালের নভেম্বরে গাজায় কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। এরপর থেকেই আদালটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপ আরও বাড়তে থাকে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেন, আকানে ও সেয়ে আইসিসির এমন কার্যক্রমে &lsquo;সরাসরি&rsquo; যুক্ত ছিলেন, যার মাধ্যমে এমন দেশগুলোর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক বা বিচারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যেসব দেশ আইসিসির এখতিয়ার স্বীকার করেনি।

রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সার্বভৌমত্বের জন্য আইসিসির হুমকি মোকাবিলায় মার্কিন সরকারের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জবাবদিহিহীন এই আদালতে অর্থায়ন ও অংশগ্রহণ বন্ধে আরও দেশ যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে শামিল হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এর আগে গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর আইসিসির বিরুদ্ধে একটি প্রচারাভিযান শুরু করে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, আদালটি মার্কিন সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। ক্যাম্প ডেভিডে দেওয়া এক বক্তব্যে রুবিও বলেন, আইসিসির সদস্য নয়&mdash;এমন দেশগুলোর নাগরিকদের বিরুদ্ধেও আদালত এখতিয়ার দাবি করায় প্রতিষ্ঠানটি &lsquo;নিজেকেই অবৈধ&rsquo; করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল&mdash;দুই দেশই আইসিসির সদস্য নয়।

এরপর ট্রাম্প বলেন, রুবিও &lsquo;বিবি ও আরও কয়েকজনকে রক্ষা করার&rsquo; চেষ্টা করছেন। &lsquo;বিবি&rsquo; বলতে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে বোঝান।

তবে আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে শুরু থেকেই আদালটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে আসছেন। গত ডিসেম্বরে আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা বিচারকদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান বা বিচারিক কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না।

আকানে বলেন, আইনি কাঠামোর ব্যাখ্যা কিংবা মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের চাপ মেনে নেওয়া হবে না। আদালতের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাই এর মূল ভিত্তি এবং তা অক্ষুণ্ন থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আইসিসির ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট এবং এই পদে দায়িত্ব পালন করা প্রথম জাপানি নাগরিক আকানের ওপর সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আদালটির পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 06:41:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গাজার ক্যাফেতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৬]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18527" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18527</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) গাজা সিটির বন্দরে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হওয়া একটি ক্যাফেতে ইসরায়েলি হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন।

ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাতে আল জাজিরা জানিয়েছে, হামলার পর বেশ কয়েকটি মরদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে গাজায় যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনা নিয়ে এখনো আপত্তি রয়েছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। তার দাবি, হামাস অস্ত্র ত্যাগ না করা পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না।

অন্যদিকে হামাসের অবস্থান হলো, গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা অস্ত্র ত্যাগ করবে না। বর্তমানে গাজার প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হামলায় হামাসের কয়েকজন কমান্ডারকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তাদের দাবি, ওই কমান্ডাররা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা করছিলেন। তবে দাবির সমর্থনে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি ইসরায়েলি বাহিনী।

হামলার পর দেওয়া এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, এ ধরনের হামলা মধ্যস্থতাকারী ও যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তাদানকারী দেশগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া যুদ্ধবিরতির সব আহ্বানের প্রতি &lsquo;নির্লজ্জ অবজ্ঞা&rsquo;।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 06:29:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18524" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18524</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম টানা চতুর্থ দিনের মতো বেড়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) এশিয়ার বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ২৮ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম বেড়ে ৮৫ দশমিক ৩১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার অপরিশোধিত তেলের দাম গত ২৪ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসা এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালী। এই নৌপথে তেল পরিবহন ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহে বড় ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং এর প্রভাব পড়ছে তেলের দামে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উত্তেজনা দ্রুত কূটনৈতিকভাবে নিরসন না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 06:03:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের পূর্ণ অবসান চায় ইরান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18523" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/18523</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বাধীন সরকার পররাষ্ট্রনীতিতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আঞ্চলিক উত্তেজনা কমিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে ইরান কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আরাঘচি। খবর আলজাজিরার।

আরাঘচি বলেন, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোকে পররাষ্ট্রনীতিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিদ্যমান উত্তেজনা কমানো এবং পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাম্প্রতিক অস্থিরতার সময়ে সহযোগিতার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, কয়েকটি প্রতিবেশী দেশ ইরানে প্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধ সরবরাহ করেছে। পাশাপাশি এসব দেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে আটকে পড়া ইরানিদের দেশে ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইরানি বিমানকেও কয়েকটি দেশের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

যুদ্ধের শুরুতে যুদ্ধবিরতির যে আহ্বান এসেছিল, ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছিল বলেও জানান আরাঘচি। তার ভাষায়, ইরান যুদ্ধবিরতি নয়, বরং যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসান চায়।

তিনি বলেন, অতীতে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে একটি সংঘাত সাময়িকভাবে থেমে যাওয়ার পর কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও তা শুরু হয়েছে। ইরান এমন পরিস্থিতিকে কোনো নিয়ম বা ধারায় পরিণত করতে চায় না।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:59:19 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
