<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/international</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/international"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla international Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest international News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 19 May 2026 08:57:47 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সীমান্তে বিএসএফ- বিজিবি গোলাগুলি, ফের উত্তেজনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16606" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16606</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি ছুড়লে তাৎক্ষণিক কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তারাও পালটা গুলিবর্ষণ করেছে।

সিলেট সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) গুলি ছুড়লে তাৎক্ষণিক কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তারাও পালটা গুলিবর্ষণ করেছে।

পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বর্তমানে সীমান্ত এলাকা শান্ত ও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবি জানায়, সীমান্তে যে কোনো উসকানিমূলক ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বাহিনীটি পেশাদারত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং সীমান্ত এলাকায় যে কোনো ধরনের অননুমোদিত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হচ্ছে।

আমার বাঙলা/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 08:57:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ট্রাম্প - শি বৈঠকের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16597" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16597</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শুল্কযুদ্ধ, কূটনৈতিক উত্তেজনা ও পারস্পরিক অবিশ্বাসের পর অবশেষে মুখোমুখি হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০১৭ সালের পর এই প্রথম চীন সফর করলেন ট্রাম্প। সফরে দুই নেতা সম্পর্ক স্থিতিশীল করার বার্তা দিলেও, শেষ পর্যন্ত কে বেশি কূটনৈতিক সুবিধা পেলেন- তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা তুঙ্গে।

দুই দিনের সফরে বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বৈঠকের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ, ঝংনানহাই বাগানে অনানুষ্ঠানিক আলাপ এবং ঐতিহাসিক &lsquo;টেম্পল অব হেভেন&rsquo; পরিদর্শনে অংশ নেন দুই নেতা। সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে এরিক ট্রাম্প, টেসলার প্রধান ইলন মাস্ক, এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াংসহ মার্কিন করপোরেট খাতের একাধিক শীর্ষ ব্যক্তি।

বৈঠক শেষে শি জিনপিং বলেন, দুই দেশ স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখতে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে। তিনি ট্রাম্পের &lsquo;মেইক আমেরিকা গ্রেট এগেইন&rsquo; স্লোগানের সঙ্গে নিজের &lsquo;চীনের পুনরুত্থানের&rsquo; লক্ষ্য তুলনা করেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প এই সফরকে &#39;অত্যন্ত সফল&#39; বলে উল্লেখ করে জানান, বেশ কিছু &#39;চমৎকার বাণিজ্য চুক্তি&#39; হয়েছে। শি জিনপিংকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণও জানিয়েছেন ট্রাম্প। পরে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই জানান, আগামী শরতেই শি ওয়াশিংটন সফর করতে পারেন।

তবে বড় প্রশ্ন ছিল, চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের সমাধান কতদূর এগোল। গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন চীনা পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করলে বিশ্ববাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়। পাল্টা জবাবে চীন বিরল খনিজ রপ্তানিতে শর্ত আরোপ করে। সাম্প্রতিক আলোচনায় শুল্ক হ্রাস, বিনিয়োগ সহজ করা এবং প্রযুক্তি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো চুক্তির ঘোষণা আসেনি।

মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, চীন ২০০ বোয়িং বিমান কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির বিষয়েও ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৃষকদের সমর্থন ধরে রাখতে এসব চুক্তি ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ও ইরান ইস্যুতেও আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র না পায় এবং হরমুজ প্রণালি খোলা থাকে- এ বিষয়ে উভয় পক্ষের অবস্থান কাছাকাছি। তবে চীনের বক্তব্য ছিল তুলনামূলক সতর্ক, বেইজিং কেবল যুদ্ধবিরতি ও সংলাপের পক্ষে অবস্থান নেয়।

সবচেয়ে স্পর্শকাতর আলোচনার বিষয় ছিল তাইওয়ান। শি জিনপিং স্পষ্টভাবে ট্রাম্পকে সতর্ক করেন, তাইওয়ান ইস্যুতে ভুল পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাত ডেকে আনতে পারে। চীনের লক্ষ্য ছিল, যুক্তরাষ্ট্র যেন তাইওয়ানের স্বাধীনতাকে সমর্থন না করে এবং অস্ত্র বিক্রি কমায়।

ট্রাম্প জানিয়েছেন, তাইওয়ানে অস্ত্র বিক্রি নিয়ে শির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেননি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নতুন অস্ত্রচুক্তি বাতিল করবে কিনা। বরং তিনি এটিকে &#39;ভালো নেগোশিয়েটিং চিপ&#39; বলে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, &#39;কারও স্বাধীনতার জন্য ৯ হাজার ৫০০ মাইল দূরে গিয়ে যুদ্ধ করতে চাই না।&#39;

বৈঠকে শি জিনপিং &#39;গঠনমূলক কৌশলগত স্থিতিশীলতা&#39;র কথা তুলে ধরেন। বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে এমন এক সম্পর্কে বেঁধে রাখতে চাইছেন, যেখানে ওয়াশিংটন তাইওয়ানসহ সংবেদনশীল ইস্যুতে চীনকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করবে না।

সফরের শেষে দুই নেতাই নিজ নিজ দেশের জনগণের সামনে কূটনৈতিক সফলতার বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে বাস্তবতা হলো- যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এখনও ভিন্ন দুই কৌশলগত পথেই হাঁটছে। তাইওয়ান, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রশ্নে দুই দেশের মৌলিক বিরোধ এখনও বহাল।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 07:44:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ করল বিজেপি সরকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16589" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16589</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্ষমতায় এসেই গরু ও মোষ জবাই সংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গের শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের নির্দেশের উল্লেখ করে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে&mdash;প্রকাশ্যে বা যত্রতত্র নয়, পশু জবাই করতে হবে শুধুমাত্র সরকার স্বীকৃত কসাইখানায়।

বুধবার রাজ্য সরকারের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে &#39;পশ্চিমবঙ্গ পশু হত্যা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০&#39;-এর উল্লেখ করে নির্দিষ্ট পশুর ফিটনেস সার্টিফিকেট বা অনুমতিপত্র থাকাও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি কোনও পশু (ষাঁড়, বলদ, গরু, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মোষ, মোষের বাচ্চা এবং মুষ্ক-ছেদিত মোষ) জবাই দিতে পারবেন না, যদি না তিনি সেই পশুটি জবাই উপযুক্ত - এই মর্মে কোনও ফিটনেস সার্টিফিকেট বা অনুমতি পত্র সংগ্রহ করেন।

কোনো পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং একজন সরকারি পশু চিকিৎসক যৌথভাবে এই অনুমতিপত্র প্রদান করতে পারবেন। তবে তাঁদের লিখিতভাবে একমত হতে হবে যে, কাজ ও প্রজননের ক্ষেত্রে পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি অথবা পশুটি বার্ধক্য, আঘাত, বিকৃতি বা অন্য কোনো দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়েছে, তবেই সেটিকে হত্যা করা যাবে।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে, কলকাতা হাই কোর্টের ২০১৮ সালের ৬ আগস্টের রায় এবং সে সংক্রান্ত ২০২২ সালের ৮ জুনের সরকারি নির্দেশিকা অনুসরণ করে সাফ জানানো হয়েছে, সার্টিফিকেট থাকলেও প্রকাশ্যে গরু বা মোষ জবাই দেওয়া যাবে না। অনুমোদনপ্রাপ্ত পশুটিকে শুধুমাত্র কোনো পৌর কসাইখানা অথবা স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত কসাইখানায় জবাই দিতে হবে।

কেউ নিয়ম ভাঙলে আইন মোতাবেক তার কী শাস্তি হবে, সেটাও জানানো হয়েছে। সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। যৌথ অনুমোদনপত্র ছাড়া পশু জবাই করলে বা নিষিদ্ধ স্থানে এই কাজ করলে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১,০০০ রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ১৯৫০ সালের আইনে সকল অপরাধই &lsquo;গুরুতর&rsquo; হিসেবে গণ্য হবে।

তবে এই ধরনের অনুমোদনপত্র প্রদানে অস্বীকৃতির ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি উক্ত অস্বীকৃতির সংবাদ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানাতে পারবেন।

একই সঙ্গে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ প্রাণী জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০-এর বিধি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে পুরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, অথবা সরকারি পশুচিকিৎসক কর্তৃক অনুমোদিত কোনও ব্যক্তি পরিদর্শনে (কসাইখানা) গেলে কেউ বাধা দিতে পারবেন না।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 11:46:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন ভুল পদক্ষেপ বিপজ্জনক: শি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16588" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16588</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাইওয়ান ইস্যুতে সতর্ক করেছেন চীনের নেতা শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, তাইওয়ান প্রশ্নে কোনো ভুল পদক্ষেপ দুই দেশকে সংঘাতের দিকে ঠেলে দেবে।

বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতেই ট্রাম্পকে এই কঠোর বার্তা দেন চীনের প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শুরুর কিছুক্ষণ পর চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে শির বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। শি বলেছেন, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাইওয়ান প্রশ্নটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

প্রায় দুই ঘণ্টা ১৫ মিনিট স্থায়ী হওয়া বৈঠকে শি আরো বলেন, যদি এই বিষয়টি ভুলভাবে মোকাবিলা করা হয়, তবে দুই দেশ একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে পারে বা সংঘাতেও জড়িয়ে যেতে পারে। এটি চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেবে।

বৈঠকে গ্রিক রাজনৈতিক তত্ত্বের অবতারণাও করেন শি। তিনি বলেন, &lsquo;চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি তথাকথিত &lsquo;থুসিডাইডস ট্র্যাপ&rsquo; এড়িয়ে বড় শক্তিগুলোর সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে? সহযোগিতা উভয় পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক, অন্যদিকে সংঘাত উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর।&rsquo;

তাইওয়ানকে চীন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে। প্রেসিডেন্ট শি একাধিকবার প্রকাশ্যে দ্বীপটিকে চীনের ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করার বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। অপরদিকে সম্প্রতি তাইওয়ানের কাছে বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যা নিয়ে এর আগে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ও হয়েছে।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে শি জিনপিংয়ের মন্তব্যের পর তাইপে (তাইওয়ানের রাজধানী) পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তারা চীনকে আঞ্চলিক শান্তির জন্য ঝুঁকি হিসেবে অভিহিত করেছে। জোর দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র বারবার তাইওয়ানের প্রতি তাদের স্পষ্ট ও দৃঢ় সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সোমবার ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তিনি তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে শি-র সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁর এমন বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানের বিপরীত। কারণ, ওয়াশিংটন বরাবরই তাইওয়ান নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা বা পরামর্শ করার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করে আসছিল।

চীনা গণমাধ্যম &lsquo;চায়না নেইকান&rsquo;-এর সম্পাদক অ্যাডাম নি এএফপিকে বলেন, চীনের পররাষ্ট্রনীতিতে এ ধরনের &lsquo;রূঢ় ভাষা&rsquo; খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। তবে শি জিনপিংয়ের মুখ থেকে এমন কথা শোনাটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। বৈঠকের বক্তব্যের মাধ্যমে শি স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, তাইওয়ান ইস্যুটি দুই পরাশক্তির মধ্যে একটি &lsquo;বারুদ ভর্তি ড্রাম&rsquo; হয়ে আছে।

চীন সফরে গিয়ে শির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ট্রাম্প। শি-কে একজন মহান নেতা ও বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, দুই দেশের সামনে এক চমৎকার ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। তবে ট্রাম্পকে স্বাগত জানানোর রাজকীয় আড়ম্বরের আড়ালে শি জিনপিংয়ের সুর ছিল কিছুটা সংযত। তিনি বলেন, দুই দেশের আসলে প্রতিদ্বন্দ্বী নয় বরং অংশীদার হওয়া উচিত।

গত এক দশকের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটিই প্রথম বেইজিং সফর। যদিও ট্রাম্পকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, তবে এর নেপথ্যে দুই দেশের মধ্যে অমীমাংসিত বাণিজ্য এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েই গেছে।

জাঁকজমকপূর্ণ &lsquo;গ্রেট হল অব দ্য পিপল&rsquo;-এ ট্রাম্পকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেন শি। এ সময় সামরিক ব্যান্ডের সুর, তোপধ্বনি এবং একদল স্কুলশিক্ষার্থীর উচ্ছ্বসিত &lsquo;স্বাগতম&rsquo; ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। পুরো আয়োজনটি বেশ উপভোগ করতে দেখা যায় ট্রাম্পকে। তিনি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক আগের চেয়ে আরো উন্নত হতে যাচ্ছে।

অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানি জনগণ ভয়াবহ সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ়তা ও গর্বের সঙ্গে রুখে দাঁড়িয়েছে। তারা কখনোই পতন হতে থাকা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।

ইরানি গণমাধ্যম প্রেসটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন আরাঘচি। নয়াদিল্লিতে এদিন ব্রিকস সদস্য দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শুরু হয়েছে।

সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে আরাঘচি আরো বলেন, বাস্তবতা বড়ই ভঙ্গুর। সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ইতিহাসের চাকা পেছনে ঘোরাতে চায়। নিজেদের অন্তিম সময়ে তারা মরিয়া হয়ে আঘাত হানছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল দুই দফায় অযৌক্তিক আগ্রাসন চালিয়েছে। এটিকে অযৌক্তিক বলা হচ্ছে কারণ, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং খোদ নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 11:27:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চলতি বছর ট্রাম্প ও শি-এর বৈঠক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16577" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16577</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডোনাল্ড ট্রাম্প আশা প্রকাশ করছেন, বেইজিংয়ে পৌঁছালে চীনের নেতা শি জিনপিং তাঁকে উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ অভ্যর্থনা দেবেন। তবে দুই দেশের মধ্যকার একাধিক অমীমাংসিত ও জটিল ইস্যুর কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে।

তাইওয়ান, শুল্ক নীতি, বিরল খনিজ এবং ইরান যুদ্ধের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো দুই নেতার আলোচনায় স্থান পাওয়ার কথা। এমন গুরুগম্ভীর বিষয়ের পর দুই নেতা কীভাবে অনুভূতি প্রকাশ করবেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রকাশভঙ্গি থেকে আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে বৈঠকটি এমন দুই নেতার মধ্যে হতে যাচ্ছে, যাদের অনুভূতি প্রকাশের শৈলী সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রায়শই আড়ম্বরপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত আচরণ করেন। বিপরীতে শি জিনপিংয়ের প্রকাশভঙ্গি বেশ পরিমিত ও স্বল্পভাষী।

প্রায় ৯ বছর আগের সফরে চীনে ট্রাম্পকে বিশেষ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আপ্যায়ন করা হয়েছিল। এরমধ্যে ছিল, নিষিদ্ধ নগরীতে (ফরবিডেন সিটি) দুই নেতার একান্ত চা-চক্রের আয়োজন। এবার ট্রাম্পকে &lsquo;টেম্পল অব হেভেন&rsquo; বা স্বর্গ মন্দির পরিদর্শনে নেওয়া হবে।

সাংহাইয়ের ফুদান ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর আমেরিকান স্টাডিজের পরিচালক উ শিনবো এএফপিকে বলেন, ট্রাম্পের প্রথম সফরের পর চীন বুঝতে পেরেছে, অতিরিক্ত তোষামোদ করলেও বেইজিংয়ের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের অবস্থানে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি।

২০১৭ সালে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ব্যক্তিগত কূটনীতিকে &lsquo;বাস্তবমুখী সহযোগিতা ও শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর মধ্যকার কূটনীতির এক নতুন অধ্যায়&rsquo; হিসেবে তুলে ধরেছিল। তবে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের বার্ট হফম্যান সোমবার এক নিউজলেটারে লিখেন, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে চীনবিরোধী নীতি এবং দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতে তীব্র বাণিজ্য যুদ্ধ বেইজিংয়ের সেই ধারণা ভেঙে দিয়েছে।

ট্রাম্প প্রায়ই শির সঙ্গে নিজের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তবে হফম্যান লিখেছেন, বর্তমানে দুই নেতার ব্যক্তিগত রসায়নে আবেগ বেশ কম।

সম্প্রতি বেইজিং কয়েকটি দেশের সরকার প্রধানকে লালগালিচা সংবর্ধনা দিয়েছে। গত সেপ্টেম্বরে বেইজিংয়ে আয়োজিত একটি সামরিক কুচকাওয়াজে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন উষ্ণ অভ্যর্থনা পান। এছাড়া, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ তাঁর সফরে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন।

ট্রাম্পের এবারের সফর ঘিরে বেইজিংয়ের ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিকসের অধ্যাপক জন গং বলছেন, তাঁর ধারণা ট্রাম্প ও শির মধ্যে এখনো ভালো বোঝাপড়া আছে।

দ্বিপাক্ষিক অসংখ্য তিক্ততার মাঝে দুই নেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক মূখ্য হবে কি না তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তাদের মধ্যে সবশেষ সরাসরি সাক্ষাত হয়েছিল গত বছরের অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এক আঞ্চলিক সম্মেলনে। তখন তারা বাণিজ্য যুদ্ধে এক বছরের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিলেন।

এবারের আলোচনা হতে যাচ্ছে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে। যা ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যেকার তিক্ততায় নতুন সংযোজন। সম্প্রতি এশিয়া সোসাইটি পলিসি ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়েন্ডি কাটলার একটি পডকাস্টে বলেন, এবারের বৈঠকের প্রত্যাশা পরিমিত হওয়া উচিত।

কাটলার বলেন, চলতি বছর ট্রাম্প ও শি-এর মধ্যে একাধিক বৈঠক হবে। তাই প্রথম সাক্ষাতেই বড় কোনো অর্জনের ঘোষণা নাও আসতে পারে। বরং উভয় নেতা হয়তো সম্পর্কের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর বেশি গুরুত্ব দেবেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 12:16:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পাশাপাশি সৌদি আরবও গোপনে  ইরানে হামলা চালিয়েছিল]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16576" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16576</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলার সময় সৌদি আরবও গোপনে বেশ কিছু হামলা চালিয়েছিল। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুজন পশ্চিমা ও দুজন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের আগে রিয়াদ কখনো তেহরানে অভিযান চালায়নি। ফলে এবারের হামলা ইঙ্গিত দিচ্ছে, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে মোকাবিলায় সৌদি আরব আগের চেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক ভূমিকা নিচ্ছে।

পশ্চিমা কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের শেষ দিকে সৌদি বিমান বাহিনী ওই হামলাগুলো চালিয়েছিল। একজন কর্মকর্তা এটিকে &lsquo;ইট মারলে পাটকেল খাওয়ার মতো&rsquo; ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা করেছিল।

ইরানে সৌদি আরবের হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলো কী ছিল তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র। দেশটিতে ওয়াশিংটনের সামরিক ঘাঁটি আছে। এর বিনিময়ে রিয়াদ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তা পায়। তবে ইরান যুদ্ধ সেই নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকে নাজুক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 13 May 2026 11:17:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16534" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16534</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রথম সরকার গঠন করল বিজেপি। সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল আরএন রবি।

আজ শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শপথ নিয়েই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন শুভেন্দু। মোদি পিঠ চাপড়ে অভিনন্দন জানান রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে। এর পরে একে একে রাজ্যপাল, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ মঞ্চে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার পাঁচ জনের নাম এখন পর্যন্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হলেন- দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু।

কড়া নিরাপত্তায় আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভারতের বিজেপি শাসিত ও বিজেপির জোট সরকারের ২৩টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। মঞ্চে ছিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা মাখনলাল সরকার। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা প্রফুল পটেল, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা, স্মৃতি ইরানি, শিবরাজ সিংহ চৌহান, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশ, অভিনেতা ও রাজনীতিক মিঠুন চক্রবর্তী প্রমুখ।

আরও উপস্থিত ছিলেন, সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং, মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমচাঁদ সিং, নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও, অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু, শিল্পপতি হর্ষ নেওটিয়া, সঞ্জীব গোয়েঙ্কা, অভিনেতা শঙ্কর চক্রবর্তী ও অভিনেত্রী মমতা শঙ্কর।

অনুষ্ঠান শুরুর তিন ঘন্টা আগে থেকে ব্রিগেড ময়দান ছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে ঠাসা। এখানে ২১টি ঝালমুড়ির স্টল ও একাধিক মিষ্টির স্টল করা হয়। সকাল থেকে ওইসব স্টলে ছিল ভিড়। ভোটপ্রচারে গিয়ে ঝাড়গ্রামে রাস্তার ধারের দোকান থেকে ঝালমুড়ি কিনে খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার পর থেকে ঝালমুড়ি তাদের সফলতার উপকরণ মনে করছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪টি আসনের মধ্যে এবার ২০৭টিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ৮০টি আসনে। এছাড়া কংগ্রেস ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ২টি করে এবং সিপিআই (এম) ও অল ইন্ডিয়া সেক্যুলার ফ্রন্ট ১টি করে আসন পেয়েছে। অনিয়মের অভিযোগ বাতিল হয়েছে একটি আসনের ভোট। গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ভোটের ফল প্রকাশ হয় ৪ মে।

শুভেন্দু অধিকারী এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে জিতেছেন। নিজের নন্দীগ্রামের আসন ধরে রাখার পাশাপাশি ভবানীপুরে হারিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন শুভেন্দু। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর থেকে তিনি রাজ্যে দলের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রচারক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, তৃণমূলের বিরুদ্ধে শুভেন্দুর লাগাতার লড়াই, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনি জয়- এসব বিষয় মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর দাবিকে জোরালো করে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 08:27:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[’ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবি মিথ্যা’ : ইরান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16511" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16511</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা চালায় তবে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটিকে &lsquo;পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে&rsquo; বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনায় দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে শত্রুতা শুরু হয়েছে। এদিন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে আর ট্রাম্প জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের সাতটি ছোট নৌকা গুলি করে ডুবিয়ে দিয়েছে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ওয়াশিংটনের সামরিক শক্তির কথা তুলে ধরে ফের ইরানকে হুমকি দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, &lsquo;আগে যা ছিল তার তুলনায় আমাদের কাছে অনেক বেশি আর অনেক উন্নত মানের অস্ত্র ও গোলাবারুদ আছে। আমাদের কাছে সেরা সরঞ্জাম আছে। সারা বিশ্বজুড়ে আমাদের সামগ্রী রয়েছে। বিশ্বজুড়ে আমাদের ঘাঁটি আছে। সবগুলোতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম মজুদ করা আছে। আমরা ওই সব সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবো আর যদি দরকার হয় করবো।&rsquo;

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা ইরনার দেওয়া উদ্ধৃতিতে এক সামরিক সূত্র বলেছে, &lsquo;বেশ কয়েকটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার মার্কিন দাবি মিথ্যা।&rsquo;

সূত্র: আল-জাজিরা

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 09:21:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পশ্চিমবঙ্গে  বিজেপি ২০৮ , তৃণমূল ৭৯]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16510" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16510</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনায় ২৯৩ আসনের মধ্যে বিজেপি ২০৮ আসনে এগিয়ে রয়েছে। ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৭৯ আসনে। এছাড়া বামজোট দুটি আসনে এগিয়ে আছে।

আজ সোমবার রাত ৯টা পর্যন্ত গণণা করা ভোটের ভিত্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচনী কর্মকর্তারা। এনডিটিভি ও আনন্দবাজার অনলাইন থেকে পাওয়া সর্বশেষ খবরেও একই তথ্য জানানো হয়েছে। তবে কোন আসনে কত শতাংশ ভোট গণণা করা হয়েছে তা এখনও জানানো হয়নি।

২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সরকার গঠনে প্রয়োজন কমপক্ষে ১৪৮টি আসনে জয়। অনিয়মের অভিযোগে একটি আসনের ভোট বাতিল করায় ২৯৩টি আসনের ফল গণনা চলছে।

গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যজুড়ে ভোটগ্রহণ হয়। আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮টা কলকাতাসহ ২৩টি জেলায় ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে শুরু হয় ভোট গণনা।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ভোট গণণায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান ক্ষমতাসীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজ্য বিজেপির নেতা শুভেন্দু অধিকারীর লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

ভোটের ফলাফল নিয়ে পুরো রাজ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বাধীনতা-উত্তর পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা আগে দেখা যায়নি।

রাজ্যের দুই দফায় ভোট গ্রহণে রেকর্ড ৯৩ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে। বুথফেরত সমীক্ষার বড় অংশই ইঙ্গিত দেয়, রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদল হতে পারে এবং বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে। নির্বাচন কমিশন ভোট গণনা অবাধ ও স্বচ্ছ রাখতে প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশন ৪৩২ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এ ছাড়া ১৬৫ জন অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক এবং ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। উত্তর ২৪ পরগনায় ৩৩টি আসনে ৪৯ জন গণনা পর্যবেক্ষক রয়েছেন। রাজ্যে সেটাই সর্বাধিক। সবচেয়ে কম আলিপুরদুয়ারে। সেখানে পাঁচটি আসনে ছয়জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

ব্যাপক সহিংসতা, ইভিএম কারচুপি এবং ভোটারদের ভয় দেখানোর সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন এই কেন্দ্রের সব বুথে পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে।

গত ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন ফলতায় নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলার চিত্র ধরা পড়ে। নির্বাচন কমিশন পর্যবেক্ষকদের রিপোর্টে বলা হয়, সেখানে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ ছিল না। ফলতা বিধানসভার মোট ২৮৫টি বুথে আগামী ২১ মে পুনরায় ভোট গ্রহণ হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 15:43:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মার্কিন রণতরীতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16509" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16509</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা বা পাহারা দেওয়ার অভিযানের অংশ হিসেবে মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ারগুলো পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছে। সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, রণতরীগুলো বর্তমানে আরব উপসাগরে (পারস্য উপসাগর) অবস্থান করছে। রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প &lsquo;প্রজেক্ট ফ্রিডম&rsquo; নামে অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। এর সমর্থনে রণতরীগুলো উপসাগরে গেছে।

এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন রণতরীগুলোর কাছে তেহরানের নৌবাহিনী সতর্ক বার্তা হিসেবে ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করেছে।

সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কায় সোমবার নাগরিকদের মোবাইল ফোনে সতর্কতামূলক বার্তা পাঠিয়েছে হরমুজের উপকূলবর্তী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির কারণে দ্রুত নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নিন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 04 May 2026 15:37:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লেবাননের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই: ইসরায়েলি সেনাপ্রধান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16485" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16485</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লেবাননের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির। দেশটিতে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ চলমান থাকার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেন।

দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন ইসরায়েলি বাহিনীর সদস্যদের পরিদর্শনে গিয়ে ইয়াল জামির বলেন, &lsquo;রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমাদের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তা হলো- ইসরায়েলি জনবসতিতে যেন সরাসরি কোনো হামলা না হয়, সে অবস্থান নিশ্চিত করা। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছি এবং বর্তমানে এ অবস্থানেই আছি। আমাদের হয়তো এখানেই অবস্থান করতে হবে।&rsquo;

সেনাদের উদ্দেশে ইয়াল জামির আরও বলেন, &lsquo;যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। আপনাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। উত্তর ইসরায়েলের জনপদগুলো থেকে সরাসরি ও পরোক্ষ হুমকি দূর করতে হবে। &lsquo;&lsquo;সন্ত্রাসীদের&rsquo;&rsquo; অবকাঠামো ধ্বংস ও তাঁদের খুঁজে বের করে নির্মূল করতে হবে।&rsquo;

গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ২ হাজার ২৯০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশজুড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 09:59:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ চলবে: ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16480" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16480</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে সাফ জানিয়েছেন, পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে। এদিকে ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা করা হচ্ছে। ফের আগ্রাসন হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের &lsquo;অনির্দিষ্টকালের জন্য&rsquo; যুদ্ধবিরতি চলছে যা গত সপ্তাহে ট্রাম্প একতরফাভাবে ঘোষণা দেন। তবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নজরদারির বিপরীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে।

এদিকে সোমবার (২৭ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে, ট্রাম্প ও তার জাতীয় নিরাপত্তা দল যুদ্ধের অবসানের জন্য ইরানের পক্ষ থেকে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছে। যদিও কোনো পক্ষই প্রস্তাবটির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।

তবে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই প্রস্তাবে যুদ্ধাবসানের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী কোনো তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাম্প এই প্রস্তাবে &lsquo;অসন্তুষ্ট&rsquo; বলে জানান।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দুই মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই সঙ্গে তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে এবং ওয়াশিংটনের উদ্বেগের সমাধান করতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধও অব্যাহত থাকবে।

গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান নেতা আরও দাবি করেন, ইরান অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চায়, যা তার মতে &lsquo;বোমা হামলার চেয়েও বেশি কার্যকর&rsquo;।

ট্রাম্প আরও জানান, মার্কিন অবরোধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি তার অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে না পারায় তাদের তেল সংরক্ষণাগার এবং পাইপলাইনগুলো &lsquo;বিস্ফোরণের দ্বারপ্রান্তে&rsquo; পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, &lsquo;বোমাবর্ষণের চেয়ে অবরোধটা কিছুটা বেশি কার্যকর। তাদের দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে চলেছে। ওরা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।&rsquo;

ট্রাম্প আরও বলেন, &lsquo;তারা এখন মীমাংসা করতে চায়। তারা চায় না আমি অবরোধটা অব্যাহত রাখি। তবে আমি অবরোধ তুলতে চাই না, কারণ আমি চাই না ওদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক।&rsquo; ইরানের সঙ্গে ফোনে আলোচনা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এখন হার মেনে নেওয়ার এবং &lsquo;আমরা আত্মসমর্পণ করছি&rsquo; বলার সময় এসেছে।

আলোচনায় অচলাবস্থা ভাঙার আশায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ওপর একটি &lsquo;স্বল্প ও শক্তিশালী&rsquo; হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরান সরকারকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে এবং আরও নমনীয়তা দেখাতে চাপ দেবে।

মার্কিন হুঁশিয়ারির জবাবে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগে তারা তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ঠিক করছে। আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি আবারও কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের ইরানের সম্পূর্ণ নতুন সামরিক কৌশল ও নজিরবিহীন প্রতিরোধ মোকাবিলা করতে হবে।&rsquo;

এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের শুনানিতে অংশ নিয়ে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সমরমন্ত্রী পিট হেগসেথ। এক ডেমোক্র্যাট সদস্য এই যুদ্ধকে &lsquo;কৌশলগত ভুল&rsquo; এবং &lsquo;চোরাবালি&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করেন।

যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। শুনানিতে এক আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেন, ঘাঁটিটি ইরানের লক্ষ্যবস্তু তালিকায় থাকার পরও মার্কিন সেনাদের সেখানে পাঠিয়ে ঝুঁকি বাড়ানো হয়েছে। তবে হেগসেথ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেনাদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

পেন্টাগনের শীর্ষ আর্থিক কর্মকর্তা জুলস &lsquo;জেই&rsquo; হার্স্ট কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।

এই যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং শত শত সেনা আহত হয়েছেন। বিপুল এই খরচের বড় একটি অংশ গেছে অস্ত্রশস্ত্র ও ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জামের পেছনে, যা এখন মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Apr 2026 08:17:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘মার্কিন জলদস্যুতার বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার ইরানের আছে’]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16468" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16468</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে &lsquo;রাষ্ট্রীয় জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদ&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছে ইরান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন বাহিনীর এই বেআইনি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তেহরান সংরক্ষণ করে।

জাতিসংঘের মহাসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উত্থাপন করেছেন। ইরাভানির মতে, ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য এক মারাত্মক হুমকি।

ইরানি প্রতিনিধি তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, উন্মুক্ত সমুদ্রে বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করা সরাসরি আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের সনদ এবং সামুদ্রিক কনভেনশনগুলোর পরিপন্থী। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে যে বিপজ্জনক নজির স্থাপন করছে, তা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংকটের কারণ হতে পারে।

ইরাভানি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বৈধ বাণিজ্যে হস্তক্ষেপ এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ফলে সৃষ্ট যেকোনো পরিণতির জন্য এককভাবে ওয়াশিংটন দায়ী থাকবে। তেহরান মনে করে, মার্কিন নৌবাহিনীর এই &lsquo;উসকানিমূলক&rsquo; আচরণ মূলত ইরানকে আলোচনার টেবিলে নতিস্বীকার করতে বাধ্য করার একটি নিষ্ফল চেষ্টা।

বর্তমানে পারস্য উপসাগর এবং আরব সাগরে মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইরান দাবি করেছে, তাদের তেলবাহী ও পণ্যবাহী জাহাজগুলো নিয়মিতভাবে মার্কিন বাধার মুখে পড়ছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের শামিল।

ইরাভানি তার চিঠিতে বিশ্ব সম্প্রদায়কে এই &lsquo;নৈরাজ্যের&rsquo; বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান সবসময় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাসী হলেও নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করবে না এবং যেকোনো আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দিতে তারা প্রস্তুত।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতিসংঘের এই চিঠির মাধ্যমে ইরান বিশ্ব দরবারে নিজেদের আইনি অবস্থান পরিষ্কার করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে। যেহেতু ১ মে&rsquo;র সময়সীমার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর যুদ্ধ বন্ধের অভ্যন্তরীণ চাপ বাড়ছে, তাই তেহরান এই জলদস্যুতার অভিযোগকে আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালোভাবে তুলে ধরছে।

এই পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ফলে সমুদ্রপথে নতুন করে সামরিক সংঘাতের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এখন দেখার বিষয় হলো, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের এই অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে কি না।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Apr 2026 08:58:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার ইরানের আছে: রাশিয়া]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16463" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16463</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে &lsquo;ভণ্ডামি&rsquo; ও &lsquo;জলদস্যুতার&rsquo; অভিযোগ তুলেছেন।

জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে নেবেনজিয়া বলেন, ইরানের ওপর পুরো দায় চাপিয়ে দেওয়ার একটি চেষ্টা চলছে, যেন মনে হয় ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করেছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কোনো উপকূলীয় দেশ আক্রান্ত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজ জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।&rsquo;

পশ্চিমা দেশগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো আইন লঙ্ঘন করছে।

নেবেনজিয়া আরও বলেন, &lsquo;জলদস্যুরা যেমন জাহাজে কঙ্কাল আঁকা কালো পতাকা উড়িয়ে আক্রমণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো তেমনটা করে না। তারা তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডকে একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থার (নিষেধাজ্ঞা) আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করছে।&rsquo;]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Apr 2026 12:09:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ট্রাম্পকে ১ মে’র পর আইনত যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16455" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16455</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে নিজ দেশের আইনসভা বা কংগ্রেস। ১৯৭৩ সালের &lsquo;ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট&rsquo; বা যুদ্ধ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী, কোনো সশস্ত্র সংঘাত শুরুর ৬০ দিনের মধ্যে কংগ্রেসের স্পষ্ট অনুমোদন না পেলে প্রেসিডেন্টকে সেই অভিযান গুটিয়ে নিতে হয়।

সেই হিসেবে আগামী ১ মে ট্রাম্পের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেও তেহরানের ওপর নৌ-অবরোধ অব্যাহত রেখেছেন। তবে ১ মে&rsquo;র মধ্যে যদি তিনি প্রতিনিধি সভা ও সিনেটের যৌথ অনুমোদন না পান, তবে আইনত তাকে এই সংঘাত বন্ধ করতে হবে।

মার্কিন এই আইন অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপ শুরু করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হয়। এরপর পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত তিনি একক সিদ্ধান্তে সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। এই সময়সীমা আরও ৩০ দিন বাড়ানো সম্ভব যদি প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের কাছে লিখিতভাবে সার্টিফাই করেন, &lsquo;অনিবার্য সামরিক প্রয়োজনে&rsquo; এই অভিযান চালানো জরুরি।

কলোরাডো ল স্কুল-এর আইনের সহযোগী অধ্যাপক মরিয়ম জমশিদি বলেন, ৯০ দিনের এই চূড়ান্ত জানালার পরও যদি কংগ্রেস যুদ্ধ ঘোষণা না করে বা অনুমোদন না দেয়, তবে প্রেসিডেন্ট সেনা প্রত্যাহার করতে বাধ্য। তবে তিনি এও মনে করিয়ে দেন, অতীতে অনেক প্রেসিডেন্ট এই আইনকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করে তা উপেক্ষা করেছেন এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকেও প্রেসিডেন্টকে বাধ্য করার মতো স্পষ্ট কোনো আইনি পথ নেই।

বর্তমানে মার্কিন কংগ্রেসে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে গভীর বিভাজন থাকায় ট্রাম্পের পক্ষে এই অনুমোদন পাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। গত ১৫ এপ্রিল সিনেটে ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা খর্ব করার একটি দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টা ৫২-৪৭ ভোটে ব্যর্থ হয়, যেখানে সদস্যরা মূলত দলীয় অবস্থান অনুযায়ী ভোট দিয়েছেন। অনেক রিপাবলিকান সদস্য ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

রিপাবলিকান সিনেটর জন কার্টিস স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৬০ দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া তিনি আর এই যুদ্ধের পক্ষে থাকবেন না। ডেমোক্র্যাটরা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন, এই যুদ্ধ প্রতি সপ্তাহে শতকোটি ডলার ব্যয় করছে, অথচ রিপাবলিকান নেতৃত্ব এর ওপর কোনো তদারকি করছে না।

যুদ্ধবিরতি চললেও রণক্ষেত্রে উত্তেজনা কমেনি। গত সোমবার আরব সাগরে একটি ইরানি জাহাজ আটকের ঘটনা এবং পরবর্তীতে ইরানের পাল্টা পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। বোডইন কলেজের ইতিহাসের অধ্যাপক সালার মোহানদেসি মনে করেন, এই যুদ্ধ ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস নামালেও তার &lsquo;জয়ী হওয়ার ভাবমূর্তি&rsquo; বজায় রাখতে তিনি হয়তো সংঘাত চালিয়ে যাবেন।

তিনি চাইলে পরাজয় স্বীকার করে সরে আসতে পারেন, কিন্তু ট্রাম্প সম্ভবত তা করবেন না। বরং ২০০১ বা ২০০২ সালের &lsquo;অথোরাইজেশন ফর ইউজ অফ মিলিটারি ফোর্স&rsquo; বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে তিনি কংগ্রেসকে এড়িয়ে যেতে পারেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট ওবামা ও বিল ক্লিনটনও ভিন্ন ভিন্ন আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘ সময় সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।

সূত্র: আল জাজিরা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Apr 2026 08:22:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শান্তি ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব ইরানের]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16443" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16443</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শান্তি ফেরাতে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়ালেস অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়ে গাল্ফ নিউজ জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ শেষ করা এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ প্রস্তাবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ে স্থগিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইরানের নতুন প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে যুদ্ধ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে হবে এবং পরবর্তীতে ইরান এবং লেবাননে আর আগ্রাসী হামলা হবে না&mdash; এই নিশ্চয়তা দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে।

দ্বিতীয় পর্যায় : যদি প্রথম স্তরের দাবি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মেনে নেয়, তাহলে দ্বিতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি পরিচালনা সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আলোচনা চলবে।

তৃতীয় পর্যায় : যদি প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের সঙ্গে এই যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ মীমাংসায় পৌঁছায়, তখন ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।

ইরানের নতুন প্রস্তাব নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া জানতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করেছিল মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়ালেস অ্যাক্সিওস বলেছেন, &lsquo;এসব খুবই সংবেদনশীর কূটনৈতিক আলোচনার বিষয় এবং যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমে এ ব্যাপারে আলোচনা করবে না। আমাদের প্রেসিডেন্ট যেমনটা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এখনও কার্ড আছে এবং আমরা কেবল এমন একটি চুক্তিতেই রাজি হবো&mdash; যা মার্কিন জনগণকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ইরানকে কখনও পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেবে না।

ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে একটি স্থায়ী সমঝোতা চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য গত ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিলেন মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিরা। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে আলোচনার পরও সেই বৈঠক ব্যর্থ হয় এবং প্রতিনিধিরা কোনো চুক্তি স্বাক্ষর না করেই ফিরে যান।

প্রথম দফা সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে দ্বিতীয় দফা সংলাপে আসার আমন্ত্রণ জানায় পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ। ১১ এপ্রিলের ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি গত কয়েক দিনে একাধিকবার পাকিস্তান সফরে গেলেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয়বার সরাসরি সংলাপে বসার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।

ইরানের এই প্রত্যাখ্যানের প্রতিক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনিও তার প্রতিনিধি দলকে ফের &lsquo;১৮ ঘণ্টার ফ্লাইটে&rsquo; পাঠাতে আগ্রহী নন এবং এখন থেকে ফোনকলে যাবতীয় আলাপ-আলোচনা হবে।

ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরেই নতুন প্রস্তাবটি দিয়েছে ইরান। গতকাল রোববার এক সংক্ষিপ্ত সফরে পাকিস্তান এসেছিলেন আরাগচি, তার আগে তিনি গিয়েছিলেন হরমুজ প্রণালীর অপর তীরের দেশ ওমানে। পাকিস্তানে সংক্ষিপ্ত সফর শেষ করে রাশিয়া গিয়েছেন আরাগচি।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Apr 2026 07:48:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি: এপস্টাইন ইস্যুতে ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16440" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16440</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ওয়াশিংটনে &lsquo;হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনার&rsquo; অনুষ্ঠানে সশস্ত্র হামলার চেষ্টা চালানো কোল অ্যালেন নামের এক ব্যক্তির ইশতেহারের উদ্ধৃতি দেওয়ায় এক সাংবাদিকের ওপর প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রবিবার (২৭ এপ্রিল) সিবিএস নিউজ-এর নোরাহ ও&#39;ডোনেলকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প নিজেকে কোনো ধরনের অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত নন বলে জোরালো দাবি করেন। এক পর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, &lsquo;আমি ধর্ষক নই, আমি কাউকে ধর্ষণ করিনি।&rsquo;

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা অত্যন্ত &lsquo;ভয়ংকর&rsquo; এবং তারা জেনেশুনেই একজন &lsquo;অসুস্থ&rsquo; ব্যক্তির আজেবাজে কথা প্রচার করছেন। তিনি মনে করেন, ইশতেহারে উল্লিখিত শব্দগুলো মূলত প্রয়াত কলঙ্কিত অর্থদাতা জেফ্রি এপস্টাইনের সঙ্গে তার সম্পর্ককে ইঙ্গিত করে বলা হয়েছে, যদিও ইশতেহারে এপস্টাইনের কোনো নাম ছিল না।

ট্রাম্প দাবি করেন, এসব বিষয়ের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি সব অভিযোগ থেকে পুরোপুরি মুক্তি পেয়েছেন। উল্টো তিনি ডেমোক্র্যাট শিবিরের নেতাদের দিকে আঙুল তুলে বলেন যে, এপস্টাইন বা অন্যান্য কেলেঙ্কারিতে ওপাশের মানুষরাই জড়িত ছিলেন। নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে তিনি বলেন, &lsquo;আপনার লজ্জা হওয়া উচিত একজন অসুস্থ মানুষের লেখা এসব আবর্জনা পড়ার জন্য, কারণ আমি এর কোনোটিই নই।&rsquo;

হামলাকারী ৩১ বছর বয়সী ক্যালিফোর্নিয়ার বাসিন্দা কোল টমাস অ্যালেন সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, তিনি ওই ব্যক্তির ইশতেহার পড়েছেন এবং তার মনে হয়েছে অ্যালেন একজন &lsquo;উগ্রবাদী&rsquo; ও &lsquo;খ্রিস্টান-বিদ্বেষী&rsquo; মানুষ। ট্রাম্পের মতে, অ্যালেন আগে বিশ্বাসী খ্রিস্টান থাকলেও পরবর্তীতে ধর্মবিদ্বেষী হয়ে ওঠেন।

এই রাজনৈতিক সহিংসতার জন্য প্রেসিডেন্ট ডেমোক্র্যাট নেতাদের &lsquo;বিদ্বেষমূলক বক্তব্য&rsquo; বা &lsquo;হেট স্পিচ&rsquo;-কে দায়ী করেছেন। তিনি দাবি করেন, বিরোধীদের বিপজ্জনক বক্তব্যই দেশে এ ধরনের অস্থিরতা তৈরি করছে। গত দুই বছরে এটি ট্রাম্পের ওপর তৃতীয় দফার প্রাণনাশের চেষ্টা হলেও তিনি জানান, গুলির শব্দ শুনে তিনি মোটেও উদ্বিগ্ন হননি।

ঘটনার সময় নিজের সাহসিকতার কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, যখন সিক্রেট সার্ভিস তাকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিল, তখন তিনি নিজেই পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে চেয়েছিলেন। সেই সময় ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও ট্রাম্প নিজে খানিকটা সময় নিয়েছিলেন কারণ তিনি দেখতে চেয়েছিলেন আসলে কী ঘটছে।

তিনি আরও জানান, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প এই পরিস্থিতি অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন। ট্রাম্পের এই মন্তব্যগুলো থেকে স্পষ্ট যে, তিনি এই হামলাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের নেতিবাচক প্রচারণার বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন।

সূত্র: এনডিটিভি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Apr 2026 06:26:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইসলামাবাদে  আমেরিকা-ইরান বৈঠক হবে কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16430" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16430</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছেন, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী শুধুমাত্র পাকিস্তানের শীর্ষপদের কর্মকর্তাদের সঙ্গেই বৈঠক করবেন। তিনি আরও বলেন, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। ইরানের মতামত শুধুমাত্র পাকিস্তানকে জানানো হবে।

এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কর্মকর্তারা এখন &lsquo;তাদের সঙ্গেই আলোচনা করছেন; যারা ইরানের ক্ষমতায় রয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, &lsquo;ইরানিরা একটি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে, আমাদের সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।&rsquo; তবে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

আলোচনায় অংশ নিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদের পথে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। শীর্ষ পর্যায়ের এই আলোচনা ঘিরে ইসলামাবাদে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ও গণপরিবহণ স্থগিত করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 09:45:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ালেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16421" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16421</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে হোয়াইট হাউসে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে বসেছিলেন। সেখানে তাদের সামনে বড় প্রশ্ন ছিল ইরানের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?

ট্রাম্পের ঘোষিত যুদ্ধবিরতির সময়সীমা যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় আজ বুধবার সন্ধ্যা আটটায় শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য গতকাল মঙ্গলবার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তানে যাওয়ার কথা ছিল। সে জন্য তাঁর বিমান &lsquo;এয়ারফোর্স টু&rsquo; বিমানঘাঁটি অ্যান্ড্রুজের রানওয়েতে প্রস্তুতও ছিল।

তবে মার্কিন প্রশাসন বড় এক সমস্যার মুখে পড়েছে। সেটি হচ্ছে, ইরানিদের পক্ষ থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না।

সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তার মতে, পরবর্তী আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইরানকে চুক্তির খসড়া পাঠিয়েছিল, যেখানে তারা ইরানিদের আগাম সম্মতি চেয়েছিল। কিন্তু বেশ কয়েক দিন পার হয়ে গেলেও কোনো জবাব না আসায় সন্দেহ তৈরি হয়, সশরীর আলোচনার জন্য পাকিস্তানে গিয়ে ভ্যান্স আদৌ কতটা সফল হবেন।

গতকাল মঙ্গলবার ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন এবং সিআইএ পরিচালক জন র&zwj;্যাটক্লিফের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, তখনো ইরানিদের পক্ষ থেকে কিছুই জানানো হয়নি।

মার্কিন কর্মকর্তারা পাকিস্তানের প্রধান মধ্যস্থতাকারী ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে অনুরোধ করেছিলেন, যেন ভ্যান্স উড়োজাহাজে ওঠার আগে অন্তত একটি জবাব নিশ্চিত করা হয়। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও কোনো উত্তর আসেনি।

তিন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের শীর্ষ সহযোগীরা মনে করছেন, জবাব না আসার প্রধান কারণ হচ্ছে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে &lsquo;কোন্দল&rsquo;। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছ থেকে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে তাঁরা এমনটা ভাবছেন।

মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং তাদের বর্তমান মজুত নিয়ে আলোচনার টেবিলে আলোচকদের কতটুকু ক্ষমতা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে ইরানের নেতারা একমত হতে পারছেন না। শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন আরও মনে করছে, এই জটিলতার অন্যতম কারণ হলো ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি তাঁর অধীনদের স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা দিচ্ছেন কি না, নাকি সুনির্দিষ্ট নির্দেশনার অভাবে তাঁরা কেবল আন্দাজে কাজ করার চেষ্টা করছেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, মোজতবা খামেনির আড়ালে থাকার প্রবণতা ইরান সরকারের অভ্যন্তরীণ আলোচনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এত বাধা সত্ত্বেও এক কর্মকর্তা জানালেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি আলোচকদের শিগগিরই দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেটা কবে বা আদৌ হবে কি না, তা অনিশ্চিত।

সামরিক হামলা আবার শুরু করার বদলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এবার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ কত দিন, সেটা তিনি নির্দিষ্ট করে বলেননি।

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ইরান সরকারকে &lsquo;গুরুতরভাবে বিভক্ত&rsquo; বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি এই যুদ্ধের একটি কূটনৈতিক সমাধান চান। তিনি আবার এমন কোনো দ্বন্দ্বে জড়াতে আগ্রহী নন, যা সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় নয়। বিশেষ করে যখন তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে এই যুদ্ধে জয়ী হয়েছে।

তবে আলোচনার এই সাময়িক ব্যর্থতা ট্রাম্পের জন্য নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। কারণ, তিনি এমন একটি চুক্তি করতে চান, যাতে তাঁর সব শর্ত পূরণ হবে।

ইরান প্রকাশ্যে দাবি করেছে, তেহরান নতুন করে আলোচনায় বসার আগে ট্রাম্পকে ইরানি বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচলের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নিতে হবে। ট্রাম্প এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। মঙ্গলবার সকালে সিএনবিসিকে তিনি বলেন, &lsquo;চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা প্রণালি খুলে দেব না।&rsquo;

বিকেলের বৈঠকে ট্রাম্প ও তাঁর দল যুদ্ধবিরতির সময় বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেন। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মতে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওই সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্প অবশ্য এর আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হবে না বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তাত্ত্বিকভাবে, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে ইরান খামেনির সম্মতিতে একটি একক সিদ্ধান্তে আসতে আরও সময় পাবে। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, এর কোনো নিশ্চয়তা নেই।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান আলোচনায় ফিরতে প্রস্তুত&mdash;এমন কোনো সংকেত পেলেই দ্রুত সফরের ব্যবস্থা করা যাবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও তেহরান&mdash;উভয়ই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই এ অঞ্চলের কিছু কর্মকর্তা আশা করছেন, দুই পক্ষই দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।

পাকিস্তানি কর্মকর্তারা গতকাল মঙ্গলবার একদিকে ইরানকে আলোচনায় রাজি করানোর চেষ্টা করছিলেন, অন্যদিকে ট্রাম্পকে যুদ্ধবিরতির সময় বৃদ্ধি করতে উৎসাহ দিচ্ছিলেন। সময় শেষ হয়ে আসার মুহূর্তে ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নেন, &lsquo;ইরানের প্রস্তাব জমা না দেওয়া এবং আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি চলবে।&rsquo;

তবে ইরানি কর্মকর্তাদের কণ্ঠে কোনো পরিবর্তনের সুর শোনা যায়নি।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী বলেন, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির সময় বৃদ্ধি করার কোনো অর্থ নেই।

গালিবফ ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন। তাঁর মতে, পরাজিত পক্ষ শর্ত আরোপ করতে পারে না। অবরোধ অব্যাহত রাখা আর বোমা হামলা চালানো একই কথা। এর জবাব সামরিকভাবেই দেওয়া উচিত।

ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির সময় বৃদ্ধির ঘোষণা এমন এক দিনে এল, যে দিনটি ছিল অনিশ্চয়তায় ঘেরা। দিনের শুরুতে তিনি বলেছিলেন, তিনি শিগগিরই ইরানে আবার বোমা হামলা শুরু করতে পারেন।

তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের মতে, ট্রাম্পের উপদেষ্টারা তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছেন, কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলে ইরান আলোচনার সময়ক্ষেপণ করতে পারে।

আলোচকেরা আশা করেছিলেন, এই সপ্তাহে অন্ততপক্ষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি হবে, যা পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে বিস্তারিত আলোচনার পথ খুলে দেবে।

তবে এই পদ্ধতির বিরোধীরা সতর্ক করে বলেছেন, ইরান হয়তো আলোচনার নাম করে সময় নিচ্ছে, যাতে যুদ্ধের সময় লুকিয়ে রাখা তাদের ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থাগুলো আবার সচল করা যায়।

গত কয়েক দিন ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব আলোচনার দক্ষতার মাধ্যমে একটি উন্নত চুক্তি করার বিষয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। এমনকি মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন, তিনি সেই সময়ে প্রেসিডেন্ট থাকলে ভিয়েতনাম যুদ্ধেও খুব দ্রুত জয়ী হতেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, &lsquo;আমি মনে করি, আমরা একটি দারুণ চুক্তি করতে পারব। তাদের সামনে কোনো বিকল্প নেই। আমরা তাদের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং তাদের নেতাদের নির্মূল করেছি, যা একদিক থেকে বিষয়গুলোকে জটিল করে তুলছে।&rsquo;

কয়েক ঘণ্টা পর যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের স্টেট ডাইনিং রুমে কলেজ অ্যাথলেটদের সম্মাননা দিচ্ছিলেন, তখন ট্রাম্প এই যুদ্ধ নিয়ে অস্বাভাবিকভাবে চুপ ছিলেন। সেখান থেকে যাওয়ার সময় সাংবাদিকেরা যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করার চেষ্টা করলেও তিনি কেবল হাত নেড়ে বিদায় জানান।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 22 Apr 2026 09:02:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুদ্ধবিরতি বাড়াতে চান না ট্রাম্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16399" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/international/16399</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শেষ হতে চলছে। এমন সময়ে দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে নাটকও জমছে। ইরান দাবি করছে আলোচনায় তারা তখনই বসবেন, যখন তাদের দাবি মানা হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য &lsquo;দারুণ কিছুর&rsquo; জন্য আশাবাদী।

ঠিক এমন অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেছেন, কোনো চুক্তি যদি না হয়, তাহলে এটি বাড়ানোর সম্ভাবনা &lsquo;খুবই কম&rsquo;।

ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক মোবাইল ফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;এটা বাড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম।&rsquo; যুদ্ধবিরতিটি মূলত দুই সপ্তাহের জন্য নির্ধারিত ছিল। এটি শুরু হয়েছিল গত ৭ এপ্রিল সন্ধ্যায়।

ট্রাম্প বলেন, খারাপ কোনো চুক্তি করার জন্য আমি তাড়াহুড়া করব না। আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে।

যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তাহলে আবার লড়াই শুরু হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে আমি অবশ্যই তা আশা করব।&rsquo;

এর আগে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো নিয়ে ট্রাম্পের অবস্থান বারবার বদলাতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তাকে পাঁচবার একই প্রশ্ন করা হলে তিনি তিন ধরনের ভিন্ন উত্তর দেন।

অন্যদিকে ইরান তাদের অবস্থান পরিষ্কার করে রেখেছে। তেহরানের চাওয়া তাদের কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ে চুক্তি। এরমাঝে অন্যতম হয়ে আছে যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 21 Apr 2026 06:21:01 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
