<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/health</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla health Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:49:36 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[অক্সিজেন সংকট: চিকিৎসা খাতে জরুরি বিনিয়োগের আহ্বান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18522" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18522</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে চিকিৎসা খাতে অক্সিজেনের চাহিদা ক্রমেই বাড়লেও প্রয়োজন অনুযায়ী অবকাঠামোতে বিনিয়োগ হয়নি। কোভিড-১৯ মহামারির সময় তৈরি করা অক্সিজেন উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থার বড় একটি অংশও বর্তমানে অচল হয়ে পড়ে আছে। এমন পরিস্থিতিতে অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করতে জরুরি ভিত্তিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) আয়োজিত এক নীতি-সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। &lsquo;ফ্রম অ্যাভিডেন্স টু অ্যাকশন: স্ট্রেংদেনিং ইকুইটেবল অ্যাকসেস টু মেডিকেল অক্সিজেন ইন বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক সংলাপটি আইইউবির মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত হয়। আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের সহযোগিতায় সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (চিপস) এ সংলাপের আয়োজন করে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, মহামারির সময় স্থাপন করা অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও সরবরাহব্যবস্থার বড় অংশ বর্তমানে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীরা। বিশেষ করে প্রসূতি, স্ত্রীরোগ ও শিশু রোগীদের চিকিৎসায় নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংলাপে সংকট মোকাবিলায় বেশ কিছু সুপারিশও তুলে ধরা হয়। বক্তারা এমবিবিএস ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের চিকিৎসা শিক্ষায় অক্সিজেন থেরাপি অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জাম দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

বিদ্যুৎ-সংযোগ নেই এমন প্রত্যন্ত এলাকায় প্রচলিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে সেখানে সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ব্যবহারের পরামর্শ দেন বক্তারা। তাদের মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা প্রত্যন্ত অঞ্চলে অক্সিজেনের প্রাপ্যতা বাড়ানোর পাশাপাশি মৃত্যুহার কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে। সোমালিয়ায় ইতোমধ্যে সৌরশক্তিচালিত অক্সিজেন সরবরাহব্যবস্থা ব্যবহারের উদাহরণও তুলে ধরা হয়।

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিমের সভাপতিত্বে সংলাপে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম। বিশেষ সম্মানিত অতিথি ছিলেন রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইইউবির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমিম বলেন, অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকারি পর্যায়ে কী ধরনের ভূমিকা প্রয়োজন, সংলাপে অংশ নিয়ে সে বিষয়ে তিনি আরও স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণী উদ্যোগে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

তিনি বলেন, অচল হয়ে পড়া অক্সিজেন সরবরাহ অবকাঠামো মেরামতের পাশাপাশি স্থানীয় জনবলকে প্রশিক্ষণ দেওয়াও জরুরি। এতে স্বাস্থ্যকর্মীরা কোন রোগীর অক্সিজেনের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি এবং কীভাবে তা যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে হবে, সে বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। স্বল্পমূল্যে মানসম্মত অক্সিজেন থেরাপি নিশ্চিত করতে সরকারকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মো. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী বলেন, সরকারের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ নীতিতে অক্সিজেনকে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তাই অক্সিজেনের মান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এর সরবরাহ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকার, বেসরকারি খাত, জনহিতৈষী প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়&mdash;সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। স্থানীয়ভাবে অক্সিজেন উৎপাদনের সম্ভাবনা যাচাই করতে ঝিনাইদহে আইইউবি ও তার প্রতিষ্ঠান জাহেদী ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি সমীক্ষা পরিচালনার কথাও জানান তিনি।

চিপসের পরিচালক ডা. এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, সংলাপে উঠে আসা বিষয়গুলো সমন্বয় করে একটি নীতিপত্র তৈরি করা হবে। এতে দেশে অক্সিজেনের সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকবে এবং তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে বিভিন্ন খাতের অংশীজনদের সম্পৃক্ত করতে আইসিডিডিআর, বি ও অক্সিজেন নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় আগামী অক্টোবরে একটি অক্সিজেন সামিট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে আইইউবির।

সংলাপে &lsquo;রিডিউসিং গ্লোবাল ইনইকুইটিজ ইন মেডিকেল অক্সিজেন অ্যাকসেস: দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিকেল অক্সিজেন সিকিউরিটি&rsquo; শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইসিডিডিআর, বি-এর বিজ্ঞানী ডা. এহসানুর রহমান।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর অনুষ্ঠিত প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজের শিশু ও নবজাতক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আবিদ হোসেন মোল্লা, আইসিডিডিআর, বি-এর মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিভাগের ইমেরিটাস বিজ্ঞানী ডা. শামস এল আরেফিন, চিকিৎসক ও রোগতত্ত্ববিদ ডা. মামুনুর রহমান মালিক এবং প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি শিশির মোড়ল।

সংলাপে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন, অবসটেট্রিক অ্যান্ড গাইনোকোলজী সোসাইটি অব বাংলাদেশ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএনওপিএস ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

এ ছাড়া আইইউবির স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ট্রাস্টি রাশেদ চৌধুরী ও ড. হোসনে আরা আলী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন স্কুল অব ফার্মেসি অ্যান্ড পাবলিক হেলথের ডিন ডা. কামরান উল বাছেত।

সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (চিপস) প্রমাণভিত্তিক জনস্বাস্থ্য অ্যাডভোকেসি, ইমপ্লিমেন্টেশন গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির একটি প্ল্যাটফর্ম। প্রতিষ্ঠানটি নীতি গবেষণা ও সহায়তা, সক্ষমতা বৃদ্ধি, ইমপ্লিমেন্টেশন গবেষণা এবং নলেজ ম্যানেজমেন্ট&mdash;এই চারটি ক্ষেত্রে কাজ করে। মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য, অসংক্রামক রোগ, কিশোর-কিশোরী ও মানসিক স্বাস্থ্য, জেলা পর্যায়ে চিকিৎসা অক্সিজেন সরবরাহ এবং নগর ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটির অগ্রাধিকারমূলক বিষয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 05:49:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভুলে যাওয়ার অভ্যাস কখন চিন্তার?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18415" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18415</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কথা বলতে বলতে হঠাৎ খুব পরিচিত কোনো শব্দ বা নাম মনে করতে পারছেন না&mdash;এমন অভিজ্ঞতা অনেকেরই হয়। কিছুক্ষণ পর আবার নিজে থেকেই শব্দটি মনে পড়ে যায়। অনেকে মজা করে বলেন, &lsquo;কথাটা পেটে আসছে, কিন্তু মুখে আসছে না।&rsquo; চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই অবস্থাকে বলা হয় &lsquo;টিপ-অফ-দ্য-টাং&rsquo;।

মাঝেমধ্যে এমন হওয়া সাধারণ বিষয়। তবে এই সমস্যা যদি ঘন ঘন ঘটতে থাকে, ধীরে ধীরে বাড়ে কিংবা দৈনন্দিন কথাবার্তা ও কাজে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সংবাদ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কেন এমন হয়?

হঠাৎ পরিচিত কোনো নাম বা শব্দ মনে না পড়া মানেই সেই তথ্য মস্তিষ্ক থেকে মুছে গেছে&mdash;এমন নয়। বরং অনেক সময় স্মৃতিতে থাকা তথ্যটি খুঁজে বের করে ভাষার মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রক্রিয়ায় সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়।

মস্তিষ্কের স্মৃতি তৈরি ও সংরক্ষণে হিপ্পোক্যাম্পাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া ভাষা ও স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন অংশ একসঙ্গে কাজ করে কোনো তথ্যকে শব্দে প্রকাশ করতে সাহায্য করে। এই প্রক্রিয়ার কোনো একটি ধাপে সাময়িক বিঘ্ন ঘটলে পরিচিত কোনো নাম বা শব্দ জানা থাকা সত্ত্বেও সেটি মুখে আনতে সমস্যা হতে পারে।

এ সময় ওই ব্যক্তি হয়তো শব্দটির সঙ্গে সম্পর্কিত মানুষ, জায়গা বা ঘটনার কথা মনে করতে পারেন, কিন্তু নির্দিষ্ট শব্দটি মনে করতে পারেন না। কিছুক্ষণ পর আবার সেটি স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়ে যেতে পারে।

কখন চিন্তার কারণ?

কথা বলার সময় মাঝেমধ্যে কোনো পরিচিত শব্দ মনে না পড়া নিয়ে সাধারণত আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ক্লান্তি কিংবা একসঙ্গে অনেক বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার কারণেও সাময়িকভাবে এমন হতে পারে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা কিছুটা বাড়তেও পারে।

তবে সমস্যাটি যদি নিয়মিত হতে থাকে এবং আগের তুলনায় বাড়তে থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পরিচিত মানুষ, জায়গা, ঠিকানা বা দৈনন্দিন কাজের বিষয় বারবার ভুলে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব ভুলে যাওয়াই স্মৃতিনাশ নয়

মাঝেমধ্যে কোনো নাম বা শব্দ মনে না পড়লেই ডিমেনশিয়া হয়েছে&mdash;এমন ধারণা ঠিক নয়। ঘুমের ঘাটতি, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, উদ্বেগ, ক্লান্তি কিংবা মনোযোগের অভাবেও স্মৃতি থেকে তথ্য খুঁজে পেতে সাময়িক সমস্যা হতে পারে।

তবে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা ক্রমেই বাড়তে থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। ভিটামিন বি-১২-এর ঘাটতি, থাইরয়েডের সমস্যা, অবসাদ, উদ্বেগ, শ্রবণশক্তির সমস্যা, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিসসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সঙ্গেও স্মৃতির পরিবর্তন সম্পর্কিত হতে পারে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

শুধু কোনো একটি শব্দ মনে না পড়ার পাশাপাশি যদি পরিচিত মানুষকে চিনতে সমস্যা হয়, একই কথা বারবার বলতে হয়, সাম্প্রতিক ঘটনা মনে রাখতে অসুবিধা হয়, পরিচিত জায়গায় পথ হারিয়ে ফেলেন কিংবা দৈনন্দিন কাজ করতে সমস্যা শুরু হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এ ধরনের পরিবর্তন কখনো কখনো ডিমেনশিয়া বা অন্যান্য স্নায়বিক সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। আবার মাথায় গুরুতর আঘাত, কিছু ওষুধের প্রভাব, দীর্ঘদিনের অতিরিক্ত মদ্যপান কিংবা নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতির কারণেও স্মৃতিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই কারণ নিশ্চিত না হয়ে নিজে থেকে কোনো রোগের সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত নয়।

স্মৃতি ভালো রাখতে যা করবেন

মস্তিষ্ক ও স্মৃতির সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, সুষম খাবার এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি একসঙ্গে অনেক কাজ করার পরিবর্তে একটি কাজে মনোযোগ দেওয়া এবং অতিরিক্ত কাজের চাপ কমানোও উপকারী হতে পারে।

সব মিলিয়ে, মাঝে মধ্যে পরিচিত কোনো নাম বা শব্দ মনে না পড়া স্বাভাবিক। কিন্তু বিষয়টি যদি ঘন ঘন ঘটে, ক্রমেই বাড়তে থাকে বা দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, তাহলে সেটিকে সাধারণ ভুলে যাওয়া ভেবে এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 15 Aug 2026 06:26:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের থাবায় শিশুমৃত্যু বাড়ছে, নিঃস্ব পরিবার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18172" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18172</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশে আবারও হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। একসময় নিয়ন্ত্রণে থাকা এই প্রতিরোধযোগ্য রোগের পুনরুত্থান শুধু জনস্বাস্থ্যের জন্য নয়, দেশের নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের আর্থিক অবস্থার ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস) এবং আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজের (আইএফআরসি) যৌথ মূল্যায়নে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। দেশের ১২টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২ হাজার ৭৪৬টি পরিবারের ওপর পরিচালিত এই জরিপে দেখা যায়, হামে আক্রান্ত প্রতি ১০টি পরিবারের মধ্যে প্রায় ৯টি পরিবার চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে গিয়ে ঋণের ফাঁদে পড়েছে। একই সঙ্গে ৬১ শতাংশ পরিবার তাদের দীর্ঘদিনের সঞ্চয় পুরোপুরি শেষ করে ফেলেছে।

জরিপে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ আক্রান্ত পরিবার অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত। তাদের মাসিক আয় ৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল এসব মানুষের জন্য সন্তানের চিকিৎসার কারণে কর্মস্থলে যেতে না পারা মানে একদিকে আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, অন্যদিকে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়া। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে সম্পদ বিক্রি করছে, আবার কেউ কেউ সহায়তার আশায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, হামে আক্রান্ত শিশুদের একটি বড় অংশ নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও অপুষ্টির মতো জটিলতায় ভুগছে। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও রোগীর পরিবারের ওপর পরিবহন, ওষুধ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যয় বহনের চাপ থেকেই যাচ্ছে। ফলে দরিদ্র পরিবারের জন্য চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাতায়াত ও পরীক্ষার খরচই কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার টাকায় পৌঁছে যাচ্ছে, যা দেশের স্বাস্থ্যসেবার বাস্তব চিত্রকে সামনে নিয়ে আসে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৪ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম এবং হামের উপসর্গে শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত ও সন্দেহভাজন মিলিয়ে এক হাজারেরও বেশি শিশু আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্ত ও মৃত্যুর খবর পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তুলছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতির পেছনে অন্যতম কারণ হলো টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি। নিয়মিত বুস্টার ডোজ নিশ্চিত না হওয়া, দুর্গম এলাকায় টিকার সীমিত প্রাপ্যতা, পর্যাপ্ত সচেতনতার অভাব এবং মহামারির পর স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা হামের সংক্রমণ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। পাশাপাশি অনেক পরিবার দেরিতে হাসপাতালে যাওয়ায় রোগ জটিল আকার ধারণ করছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। সরকারি হাসপাতালগুলোতে হামের সব ধরনের পরীক্ষা, ওষুধ, পুষ্টি সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে যাতায়াত ব্যয় সম্পূর্ণ বিনামূল্যে নিশ্চিত করার দাবি জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারকে আর্থিক ও খাদ্য সহায়তা প্রদান, বাদ পড়া শিশুদের চিহ্নিত করে বিশেষ টিকাদান অভিযান পরিচালনা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগে কোনো শিশুর মৃত্যু কিংবা একটি পরিবারের অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়া কখনোই কাম্য নয়। তাই হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং সবার জন্য সহজলভ্য ও ব্যয়মুক্ত চিকিৎসা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 06 Aug 2026 08:18:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গলায় পারফিউম স্প্রে নিয়ে সতর্কবার্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18016" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/18016</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিয়মিত গলায় সরাসরি পারফিউম স্প্রে না করার পরামর্শ দিয়েছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাথোলজি বিভাগের পিএইচডি গবেষক আনা কানাদাস। তার মতে, দীর্ঘদিন ধরে কিছু সুগন্ধি রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে কানাদাস বলেন, কিছু সুগন্ধি পণ্যে থাকা রাসায়নিক উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তিনি জানান, একটি পারফিউমে শত শত এমনকি এক হাজারেরও বেশি রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে। তবে এসব উপাদানের অনেকগুলো আলাদাভাবে উল্লেখ না করে শুধু &lsquo;Fragrance&rsquo; বা সুগন্ধি উপাদান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

কিছু রাসায়নিক হরমোনের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে

Frontiers in Toxicology জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার বরাত দিয়ে কানাদাস জানান, কিছু পারফিউম ও প্রসাধনীতে থাকা ফথালেট, ফরমালডিহাইড এবং ভোলাটাইল অর্গানিক কম্পাউন্ডস (VOCs)-এর মতো উপাদান এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টিং কেমিক্যাল হিসেবে পরিচিত। এসব উপাদান শরীরের স্বাভাবিক হরমোন কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, গলায় পারফিউম ব্যবহার করলেই সরাসরি ক্যানসার হয়&mdash;এমন কোনো নিশ্চিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত কিছু রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

গবেষকদের ভাষায়, তাদের উদ্দেশ্য মানুষকে পারফিউম ব্যবহার থেকে বিরত রাখা নয়। বরং প্রতিদিনের অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিকের সংস্পর্শ সম্পর্কে সচেতন করা।

কেন গলা বেশি সংবেদনশীল?

চিকিৎসকদের মতে, গলার ত্বক শরীরের অন্যান্য অংশের তুলনায় পাতলা ও বেশি সংবেদনশীল। ফলে সেখানে লাগানো উপাদান তুলনামূলক সহজে ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে। গরম পানিতে গোসলের পরপরই পারফিউম ব্যবহার করলে ত্বকের রোমকূপ বেশি খোলা থাকায় শোষণের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে।

নিরাপদে কিভাবে পারফিউম ব্যবহার করবেন

* গলায় সরাসরি স্প্রে না করে কাপড়ে পারফিউম ব্যবহার করুন।

* ত্বকে লাগাতে হলে গলার বদলে কবজির মতো কম সংবেদনশীল স্থানে ব্যবহার করুন।

* সম্ভব হলে প্রাকৃতিক বা অর্গানিক উপাদানযুক্ত পারফিউম বেছে নিন।

* গরম পানিতে গোসলের পরপরই পারফিউম ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মাঝেমধ্যে পারফিউম ব্যবহারকে ক্যানসারের প্রমাণিত কারণ হিসেবে ধরা হয় না। তবে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে গবেষণা চলমান থাকায় অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিকের সংস্পর্শ কমানো একটি যুক্তিসঙ্গত সতর্কতা হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 11:08:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাশি নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17936" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17936</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ১ আগস্ট বিশ্ব ফুসফুস ক্যানসার দিবস। বিশ্বজুড়ে ফুসফুস ক্যানসার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতেই প্রতিবছর এই দিনটি পালন করা হয়। এবছরও নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, ফুসফুস ক্যানসার নিয়ে এখনো মানুষের মধ্যে অনেক ভুল ধারণা রয়েছে। অনেকে রোগের প্রাথমিক উপসর্গগুলো গুরুত্ব দেন না, ফলে সময়মতো চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয় না এবং জটিলতা বাড়তে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে ফুসফুস ক্যানসার নিয়ে সতর্ক করেছেন কলকাতার বিশিষ্ট পালমোনোলজিস্ট ডা. বিউটি বিশ্বাস। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গে শনাক্ত হওয়া মোট ক্যানসার রোগীর প্রায় ১৪ শতাংশই ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত। এ রোগে আক্রান্তদের বড় অংশই পুরুষ। অন্যদিকে, নারীদের মধ্যে প্রায় ৬ শতাংশ ফুসফুস ক্যানসারে ভুগছেন।

কেন হয় লাং ক্যানসার?

আজকাল লাং ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অনেকেই এই রোগের ফাঁদে পড়ছেন। তাই এই রোগের কারণ জেনে রাখা খুবই জরুরি। ডা. বিশ্বাসের কথায়, ফুসফসের ক্যানসারের অনেক কারণ রয়েছে। তবে অন্যতম বড় কারণ হলো ধূমপান। এ ছাড়া, পরিবেশ দূষণ ও পরিবারে এই রোগের ইতিহাসও বড় কারণ। আবার কাজের জায়গায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সংস্পর্শে আসার কারণে এটা হতে পারে।

অন্যদিকে, মহিলারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কাঠকয়লা, ঘুঁটে পোড়ানোর সময় বেরিয়ে আসা ধোঁয়া থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন বলে জানান তিনি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 01 Aug 2026 05:01:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17867" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17867</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে, গত একদিনে সারা দেশে নতুন করে ১৩৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৮৭০ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা দিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ১০ হাজার ১৮২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

আমার বাঙলা/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Jul 2026 13:05:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সরকারি হাসপাতালে রোগীর ঢল, দালালের ফাঁদে নিঃস্ব মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17848" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17848</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উন্নত চিকিৎসা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ এবং নির্ভরযোগ্য রোগ নির্ণয়ের আশায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন হাজারো মানুষ রাজধানী ঢাকায় ছুটে আসছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীদের প্রথম পছন্দ সরকারি হাসপাতাল হওয়ায় রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অতিরিক্ত চাপের মধ্যে কাজ করছেন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টদের মতে, খাদ্যে ভেজাল, পরিবেশ দূষণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের কারণে সংক্রামক ও অসংক্রামক নানা রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এর ফলে রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন নতুন রোগীর চাপ যোগ হচ্ছে।

জেলা পর্যায়ে সীমিত চিকিৎসাসেবা, ঢাকামুখী রোগীর স্রোত

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকার বাইরে অনেক সরকারি হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচার, আইসিইউ সুবিধা, উন্নত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। ফলে জটিল রোগে আক্রান্ত অধিকাংশ মানুষ শেষ পর্যন্ত রাজধানীর হাসপাতালেই চিকিৎসার জন্য আসতে বাধ্য হন।

এদিকে সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার দীর্ঘ অপেক্ষা ও অতিরিক্ত ভিড়কে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে একাধিক দালাল চক্র। তারা রোগীদের বিভিন্ন ব্যক্তিমালিকানাধীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে কমিশনভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা করে।

দালাল চক্রের প্রতারণায় আর্থিক ক্ষতির শিকার রোগীরা

হাসপাতাল এলাকায় সক্রিয় দালালরা রোগীদের দ্রুত পরীক্ষা, দ্রুত চিকিৎসা কিংবা বিশেষ চিকিৎসকের নাম করে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যায়। সেখানে অতিরিক্ত খরচ, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা কিংবা নিম্নমানের চিকিৎসার কারণে বহু রোগী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে ভুল চিকিৎসা বা অব্যবস্থাপনার অভিযোগও উঠছে।

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানী থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত বহু হাসপাতালের আশপাশে গড়ে উঠেছে অসংখ্য বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠানের যথাযথ অনুমোদন, আধুনিক যন্ত্রপাতি কিংবা দক্ষ জনবল নেই। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দালালদের সরাসরি যোগাযোগ থাকায় রোগীদের নানা কৌশলে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, বারবার ফিরে আসে দালালরা

বিভিন্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, দালালদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হলেও কিছুদিন পর তারা আবার একই কার্যক্রম শুরু করে। ফলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না।

নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালের আশপাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে তোলার সুযোগ না থাকলেও বাস্তবে বছরের পর বছর ধরে এসব প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে। এতে রোগী হয়রানি আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যালে শয্যার চেয়ে রোগী দ্বিগুণ

দেশের অন্যতম বৃহৎ সরকারি হাসপাতাল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নির্ধারিত শয্যা ২ হাজার ৬০০ হলেও বর্তমানে সেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রতিদিন বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগ মিলিয়ে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।

হাসপাতালের সীমিত জনবল নিয়ে চিকিৎসাসেবা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় রোগীদের। এই পরিস্থিতিকেই কাজে লাগিয়ে দালালরা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যায়।

অভিযানে ধরা পড়েছে অবৈধ কার্যক্রম

সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক অভিযানে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিপরীতে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের ব্যবস্থাপত্র ব্যবহার করে রোগী আনার প্রমাণ পাওয়া যায়। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি পূর্বে বন্ধ ঘোষণা করা হলেও অভিযানকালে সেটি পুনরায় চালু অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, হাসপাতালের আশপাশে আরও বেশ কয়েকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

হাসপাতাল পরিচালকের বক্তব্য

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, প্রতিদিন ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করলেও কাউকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। শয্যা সংকট দেখা দিলে প্রয়োজনে ফ্লোরে কিংবা একই বেডে একাধিক রোগী রেখে চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়। অতিরিক্ত রোগীর চাপের মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।

সমাধানে কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু রাজধানীতে হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে হলে বিভাগীয় শহর, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ জরুরি। সেখানে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, আধুনিক পরীক্ষাগার, আইসিইউ সুবিধা এবং অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে রাজধানীমুখী রোগীর চাপ অনেকটাই কমে আসবে।

তাদের মতে, চিকিৎসাসেবার বিকেন্দ্রীকরণ, অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারি এবং দালাল সিন্ডিকেট নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণই বর্তমান সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Jul 2026 07:15:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পছন্দের প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে বিশেষ শর্ত, অভিযোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17828" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17828</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারি কেনাকাটায় অনেক সময় পছন্দের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডারে এমন বিশেষ শর্ত যুক্ত করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কেউ যোগ্যতা অর্জন করতে না পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে &lsquo;বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য&ndash;ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয়দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন&rsquo; শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের উদ্যোগে পরিচালিত গবেষণাটি বাস্তবায়ন করে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি)।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি ক্রয়ে এ ধরনের অনিয়ম বাস্তব ঘটনা এবং অডিটের সময় অনেক ক্ষেত্রেই তা ধরা পড়ে। তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে তার মন্ত্রণালয়ের একটি ফাইল দেখে সন্দেহ হওয়ায় তিনি সাত দিন সেটিতে সই করেননি। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাইলেও সন্তোষজনক উত্তর না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সই করতে বাধ্য হন। পরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন দরদাতা কাজ না পাওয়ায় রিভিউ বোর্ডে আপিল করলে আগের সিদ্ধান্ত বাতিল হয় এবং ওই প্রতিষ্ঠানকেই কাজ দেওয়া হয়। এতে তার প্রাথমিক সন্দেহের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান তিনি।

কর্মশালার উন্মুক্ত আলোচনায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা অভিযোগ করেন, সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) অনুসরণ করেও অডিট আপত্তি এড়াতে অডিটরকে ৫ শতাংশ কমিশন দিতে হয়। এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নিয়ম মেনে এবং সততার সঙ্গে কাজ করলে কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কোনো অডিটর অর্থ দাবি করলে তা সরাসরি তাকে জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

সরকারি ক্রয়ে অনিয়মের আরেকটি উদাহরণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১১ কোটি টাকা মূল্যের দুটি রেডিওথেরাপি মেশিন ১৮ কোটি টাকায় কেনা হয়েছিল। কিন্তু মেশিন স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় বাংকার নির্মাণ না করায় একটি ফরিদপুরে এবং অন্যটি খুলনায় দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। পরিকল্পনাহীন কেনাকাটার কারণে এভাবে জনগণের অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গবেষণায় যা উঠে এসেছে

কর্মশালায় গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন পিপিআরসির চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান। নয় মাসব্যাপী এ গবেষণা দেশের আট বিভাগের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্যপ্রতিষ্ঠানে পরিচালিত হয়। এতে ৯৫টি গভীর সাক্ষাৎকার, একটি জ্ঞান-দৃষ্টিভঙ্গি-চর্চা (কেএপি) জরিপ এবং ১৮টি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক নথি বিশ্লেষণ করা হয়।

গবেষণায় দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জরিপভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর গড় বাজেট ব্যয়ের হার ছিল ৮৫ শতাংশ। তবে ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানেই অর্থবছর শেষে কিছু অর্থ অব্যয়িত থেকে যায়। অডিট আপত্তির আশঙ্কা, বাজেট ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণের অভাব এবং বরাদ্দ পুনর্বণ্টনে দীর্ঘসূত্রতাকে এর প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় ওষুধের ঘাটতিরও চিত্র উঠে এসেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রয়োজনীয় ওষুধের প্রাপ্যতা ২২ দশমিক ৭ শতাংশ, জেলা হাসপাতালে ২৩ দশমিক ৯ শতাংশ এবং মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে মাত্র ১১ দশমিক ৫ শতাংশ।

বর্তমানে সরকারি হাসপাতালের প্রায় ৬২ শতাংশ ওষুধ সরবরাহ করে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)। গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানটি সময়মতো চাহিদা অনুযায়ী ওষুধ সরবরাহ করতে পারলে এ হার প্রায় ৯০ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

জনবল সংকটও প্রকট

গবেষণা অনুযায়ী, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের অনুমোদিত ৬ হাজার ৪০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৩ হাজার ৮৯২ জন। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ পদ শূন্য।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শূন্য পদের হার ২৭ শতাংশ, জেলা হাসপাতালে ১২ শতাংশ এবং মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালে ৩৬ শতাংশ। ফলে অনেক হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি থাকলেও সেগুলো পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল নেই।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য খাতের সাফল্য শুধু বরাদ্দ বা ব্যয়ের পরিমাণ দিয়ে নয়; বরং সময়মতো অর্থ ছাড়, কার্যকর ব্যবহার এবং রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, সচল যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন কি না&mdash;সেই মানদণ্ডেই মূল্যায়ন করা উচিত।

যন্ত্রপাতি থাকলেও সেবা ব্যাহত

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রয়োজনীয় রিএজেন্টের অভাব, যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে থাকা এবং প্রশিক্ষিত মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টের সংকটের কারণে অনেক হাসপাতালে পরীক্ষাগারসেবা ব্যাহত হচ্ছে। সেবা ব্যাহত হওয়ার ৪৩ শতাংশের জন্য দায়ী রিএজেন্টের ঘাটতি, ৩৪ শতাংশের জন্য অকেজো যন্ত্রপাতি এবং ১৯ শতাংশের জন্য দক্ষ জনবলের অভাব।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Jul 2026 15:05:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থামছেই না হামের ভয়াল থাবা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/17756" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/17756</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে হামের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচি শুরুর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা আশাব্যঞ্জকভাবে কমেনি। সরকারি তথ্য বলছে, প্রতিদিনই প্রায় এক হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হচ্ছে। একই সময়ে শত শত শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্যখাতের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি জেলা ও উপজেলায় বিশেষ এমআর টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ধাপে ধাপে এটি দেশের সব জেলায় সম্প্রসারণ করা হয়। সরকারের দাবি, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

তবে এই পরিসংখ্যানের পাশাপাশি আরেকটি তথ্য নতুন প্রশ্ন তুলেছে। একই বয়সসীমার শিশুদের জন্য পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা ছিল আরও প্রায় ৪৬ লাখ বেশি শিশু। ফলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু বিশেষ হামের টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যেতে পারে।

রাজধানীর একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন বছরের শিশু আরাফাত সাজিদের ঘটনা অনেক অভিভাবকের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির আওতায় দুই ডোজ এমআর টিকা নেওয়ার পাশাপাশি বিশেষ ক্যাম্পেইনেও সে টিকা পেয়েছিল। এরপরও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে তাকে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, শিশুটিকে সব সময় প্রয়োজনীয় যত্নে রাখা হয়েছিল। সময়মতো সব টিকাও দেওয়া হয়েছিল। তারপরও কীভাবে সে আক্রান্ত হলো, তা তাদের কাছে এখনো বিস্ময়ের বিষয়।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো অত্যন্ত সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় শুধু টিকাদান কর্মসূচির ওপর নির্ভর করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন।

তাদের মতে, আক্রান্ত রোগী দ্রুত শনাক্ত করা, প্রয়োজন হলে আইসোলেশনে রাখা, সংক্রমণপ্রবণ এলাকায় নিবিড় নজরদারি, হাসপাতালের প্রস্তুতি বাড়ানো, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি&mdash;এসব ব্যবস্থা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙতে সমন্বিত জনস্বাস্থ্য কৌশল গ্রহণে বিলম্ব হওয়ায় পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, এমআর টিকা গ্রহণের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা। তবে সব শিশুর শরীরে একই মাত্রায় প্রতিরোধক্ষমতা তৈরি হয় না।

অপুষ্টি, ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo;-এর ঘাটতি, জন্মগত স্বাস্থ্যজটিলতা, মাতৃদুগ্ধের অভাব কিংবা অন্যান্য রোগের কারণে কিছু শিশুর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকতে পারে। ফলে টিকা নেওয়ার পরও অল্পসংখ্যক শিশুর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।

বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণ বেশি এমন এলাকায় রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে টিকার কার্যকারিতা মূল্যায়নেরও সুপারিশ করেছেন।

সরকার বলছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; কর্মসূচির শিশু সংখ্যার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, একই বয়সসীমার কয়েক কোটি শিশুর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল।

এ কারণে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে আরও বাস্তবসম্মত জনসংখ্যার তথ্যের ভিত্তিতে পরিকল্পনা গ্রহণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে যেসব শিশু এখনো টিকা পায়নি, তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম এখনো চালু রয়েছে। যেসব শিশু এখনো এমআর টিকা নেয়নি, তাদের নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে দ্রুত টিকা দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো টিকা গ্রহণ, শিশুর জ্বর বা র&zwj;্যাশ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, আক্রান্ত শিশুকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই বর্তমানে হামের সংক্রমণ কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। 

দেশে হামের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ মাস বয়সী হাফসা নামে এক শিশুর মৃত্যু সেই আশঙ্কাকেই আরও জোরালো করেছে। পরিবারের দাবি, শিশুটি সরকার পরিচালিত বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টিকা পেয়েছিল। এরপরও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

হাফসার বাবা জানান, প্রথমে শিশুটির কাশি শুরু হয়। পরদিন জ্বর দেখা দিলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে তাকে বরিশালের একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শরীরে হামের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ র&zwj;্যাশ দেখা দেয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। 

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) যৌথ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, হামে মারা যাওয়া ৩৩৭ শিশুর মধ্যে প্রায় ৯১.৫ শতাংশই কোনো এমআর টিকা নেয়নি। মাত্র ৬.৫ শতাংশ এক ডোজ এবং ২.১ শতাংশ দুই বা তার বেশি ডোজ টিকা পেয়েছিল। এছাড়া প্রায় ২৪ শতাংশ শিশুর বয়স টিকা নেওয়ার উপযুক্ত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব তথ্য স্পষ্টভাবে দেখায় যে টিকাবঞ্চিত শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের বড় অংশ কোনো এমআর টিকা নেয়নি। নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যেও একই চিত্র দেখা গেছে। এতে বোঝা যায়, সময়মতো টিকাদান এখনো হামের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আক্রান্ত ও মৃত শিশুদের বড় অংশের বয়স এক বছরের কম। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশুর বয়স ছয় মাসেরও নিচে হওয়ায় তারা এখনো নিয়মিত এমআর টিকা নেওয়ার সুযোগ পায়নি। ফলে এই বয়সী শিশুদের সুরক্ষায় পরিবার ও সমাজের বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হাম ও রুবেলা নির্মূল কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো দ্রুত ছড়িয়ে পড়া রোগ মোকাবিলায় শুধু টিকাদান যথেষ্ট নয়। আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত শনাক্ত করা, অন্যদের থেকে আলাদা রাখা, হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরির মতো পদক্ষেপ সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তাদের মতে, এসব সামাজিক ও জনস্বাস্থ্যভিত্তিক ব্যবস্থা সময়মতো বাস্তবায়ন না হওয়ায় সংক্রমণের বিস্তার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, টিকা নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা কতটা হচ্ছে, সেটি নিয়মিত মূল্যায়ন করা হয়নি।

তাদের পরামর্শ, সংক্রমণ বেশি এমন এলাকায় সেরোলজিক্যাল পরীক্ষা করে শিশুদের শরীরে পর্যাপ্ত অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে কি না, তা যাচাই করা উচিত। যদি প্রয়োজনীয় রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা না পাওয়া যায়, তাহলে পুনরায় টিকা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিমত, হামের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় টিকাদানের পাশাপাশি নজরদারি জোরদার, আক্রান্তদের দ্র&aelig;ত চিকিৎসা, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সুরক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় সংক্রমণ ও শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যাবে।

দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচি চালু করে। প্রথমে ঝুঁকিপূর্ণ জেলা ও উপজেলাগুলোতে শুরু হওয়া এই কার্যক্রম পরে ধাপে ধাপে সারা দেশে বিস্তৃত হয়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

তবে একই বয়সী শিশুদের নিয়ে পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাম্পেইনের পরিসংখ্যান সামনে আসার পর টিকাদান কর্মসূচির প্রকৃত আওতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশেষ এমআর টিকাদান কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে লক্ষ্য হিসেবে ধরা হয়েছিল। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৩ শতাংশ শিশু টিকা পেয়েছে।

কিন্তু পরে একই বয়সসীমার শিশুদের জন্য পরিচালিত জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাম্পেইনে প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দুই কর্মসূচির হিসাব তুলনা করলে দেখা যায়, প্রায় ৪৬ লাখ শিশুর তথ্যের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।

এই তথ্যের ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, বাস্তবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিশু হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থেকে যেতে পারে। সে হিসেবে প্রকৃত কভারেজ প্রায় ৮১ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে।

টিকা বিশেষজ্ঞদের মতে, যেকোনো জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির আগে প্রতিটি এলাকা ধরে বিস্তারিত পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। এর মধ্যে জনসংখ্যা, শিশু সংখ্যা, টিকাকেন্দ্র, মাঠকর্মী এবং স্থানীয় বাস্তবতার তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের দাবি, এবার সেই পরিকল্পনা যথেষ্ট নিখুঁতভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং প্রকৃত শিশুর সংখ্যার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, চলমান প্রাদুর্ভাবে শুধু পাঁচ বছরের কম বয়সী নয়, এর চেয়ে বেশি বয়সী শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। তাই প্রয়োজনে ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের টিকাদানের আওতায় আনা এবং বাদ পড়া শিশুদের দ্র&aelig;ত শনাক্ত করে টিকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।

তাদের মতে, এতে সংক্রমণের বিস্তার কমানো সহজ হবে।

জাতীয় ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাম্পেইনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে শিশুদের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেই হিসাব অনুযায়ী প্রায় ২ কোটি ২৩ লাখ শিশুকে ভিটামিন &lsquo;এ&rsquo; ক্যাপসুল খাওয়ানো সম্ভব হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৯ শতাংশ।

ইপিআই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে এবং যেসব শিশু এখনো এমআর টিকা নেয়নি, তারা নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রে গিয়ে যেকোনো সময় টিকা নিতে পারবে।

অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেছেন, শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করতে পরিবারগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের মতো সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে শুধু টিকা দেওয়া নয়, সঠিক তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা, বাদ পড়া শিশুদের শনাক্তকরণ, নিয়মিত নজরদারি এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধিও সবগুলো বিষয় সমান গুরুত্বের সঙ্গে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই ভবিষ্যতে হামের সংক্রমণ কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

আমার বাংলা/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 07:26:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও মৃত্যু ৬ শিশুর, মোট মৃত্যু ৮১৬]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17628" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17628</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে, একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৬৯১ শিশু। শনিবার (২৫ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশু মারা গেলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭২১ শিশু এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশু মারা গেছে&mdash;অর্থাৎ মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ৮১৬ জনে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৬১৩। এই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৮১ শিশু, আর ছাড়পত্র পেয়েছে ৪৭৯ শিশু।

১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার ৭৬৩ জনে, আর নিশ্চিত রোগীর সংখ্যা ১৫ হাজার ২৭২। এই সময়ে মোট ১ লাখ ৫ হাজার ২৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১ হাজার ৫৩৫ জন ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Jul 2026 14:13:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বদলে আরও ভয়ংকর ডেঙ্গু উপসর্গ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17619" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17619</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ষা শেষ হওয়ার আগেই এবার প্রকোপ বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর। এছাড়া পরিবর্তন এসেছে উপসর্গে, হয়ে উঠেছে ভয়ংকরও। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তীব্র জ্বর ও ব্যথার সঙ্গে এবার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এমনকি জটিল পর্যায়ে কিডনিসহ অন্যান্য অঙ্গ বিকল হয়ে যাচ্ছে।

চিকিৎসকদের পরামর্শ মতে, তিন দিনের বেশি জ্বর হলে অবহেলা না করে হাসপাতালে যাওয়ার। এছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলায় এখন ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন পরিবর্তন ও প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ওপরেও জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ হাজার এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের।

চিকিৎসকরা বলছেন, শঙ্কার বিষয় হলো রোগটির ধরন নিয়ে। তাদের মতে, বিভিন্ন সময়ে ডেঙ্গু পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন রূপে। পরিবর্তন আসছে উপসর্গেও। তীব্র জ্বর ও ব্যথার সঙ্গে ডায়রিয়া আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। এমনকি জটিএ পর্যায়ে বিভিন্ন অঙ্গও বিকল করে দিতে পারে।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. ঈশিতা বিশ্বাস বলেন, উপসর্গের সঙ্গে চিকিৎসার পদ্ধতিও বদলাতে হচ্ছে। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিলে ৯০ শতাংশ ডেঙ্গু রোগীই সুস্থ হয়ে উঠছেন।

এদিকে একেক বছর একেক ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়ায় কমিটি গঠন করে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন পরিবর্তন ও প্রান্তিক পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

ডা. বেনজির আহমেদ জানিয়েছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জোর দিতে হবে সমন্বিত প্রচেষ্টায়। এই সংকট কোনো এক পক্ষের চেষ্টায় মোকাবিলা সম্ভব নয়।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Jul 2026 11:43:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বাস্থ্য খাতে নতুন পরিকল্পনা, চিকিৎসাসেবা বাড়াতে মন্ত্রীর উদ্যোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17175" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17175</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 13 Jul 2026 08:08:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৩৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17042" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/17042</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গে মারা গেছে ৬৪৮ জন এবং নিশ্চিত হামে ৯৩ জন। সব মিলিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪১।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 06 Jul 2026 11:35:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খালি পেটে কুসুম গরম পানি কেন খাবেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16982" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16982</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শীতে কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস বেশিরভাগ মানুষের থাকলেও গরমের সময় কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস খুব একটা দেখা যায় না। তবে স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই নিয়মিত কুসুম গরম পানি খাওয়ায় প্রাধান্য দেন। কারণ নানা উপকারিতা রয়েছে নিয়মিত কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাসে।

এ বিষয়ে ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশানে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা বলছে, শীত কিংবা গ্রীষ্মে গরম পানি খাওয়ার কোনো অপকারিতা নেই। বরং রয়েছে নানা উপকারিতা। তবে এর জন্য বেশি গরম পানি খাওয়া যাবে না। শুধুমাত্র ঈষদুষ্ণ বা কুসুম গরম পানিতেই শরীরে ক্ষতি না হয়ে মিলবে অসংখ্য।

শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক এমনকি গর্ভাবস্থাতেও এ উপকারিতা পাওয়া যায়। ডায়েটেশিয়ানদের মতে, নিয়মিত ঈষদুষ্ণ পানি খাওয়ার অভ্যাসে মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি দেয়, ব্লাড সার্কুলেশন বাড়ে, হজম শক্তি বাড়ে, বুকব্যথা এবং সর্দিকাশি হওয়ার শঙ্কা থাকে না। বন্ধ নাক খুলে যায়।

প্রাকৃতিক উপায়ে শরীর পরিষ্কার করে বিষাক্ত টক্সিন বের করতেও ভালো কাজে আসে হালকা বা কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস। এতে ত্বকের স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। আপনি কি জানেন? নিয়মিত কুুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাসে ত্বকে বয়সের ছাপ কিংবা বলিরেখা সহজে পড়তে পারে না।

চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি কিংবা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতেও দারুণ কাজে আসে কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস। তাই গরম আবহাওয়াতেও সকালে কিংবা বিকেলে অন্তত ১ গ্লাস কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস শুরু করুন। দিনে ২ গ্লাস কুসুম গরম পানি খাওয়ার অভ্যাস আপনার জীবনে দ্রুত ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Jul 2026 06:12:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের সঙ্গে বাড়ছে নিউমোনিয়া-ডেঙ্গুর শঙ্কা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16958" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16958</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নিউমোনিয়া ও ডেঙ্গু আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা। এটি জনস্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা এটিকে &#39;ত্রিমুখী চাপ&#39; আখ্যা দিয়েছেন।

হামের কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ায় শিশুরা এখন সহজেই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। অন্যদিকে বর্ষার এ মৌসুমে ডেঙ্গু মশার উপদ্রবে হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

চিকিৎসকরা বলছেন, হাম পরবর্তী নানা জটিলতার সঙ্গে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস নিউমোনিয়া। আর ব্যক্তিগত সচেতনতার অভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

যে কারণে সাড়ে তিন মাস পার হলেও বদলাচ্ছে না হাম ওয়ার্ডের চিত্র। স্বজনের আহাজারি আর শিশুদের নিঃশব্দ আর্তনাদে এখনও ভারি পরিবেশ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 12:30:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গ: আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১,১০৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16949" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16949</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) এই ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৭টি শিশু।

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫ শিশুর প্রত্যেকেই হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এই সময়ে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সাড়ে তিন মাস ধরে দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে আজ ৩ জুলাই পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭২৯টি শিশুর প্রাণহানি ঘটল। এর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৯৩ জন। আর বাকি ৬৩৬টি শিশু মারা গেছে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 04 Jul 2026 10:50:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের প্রকোপ: কেড়ে নিলো আরও ৬ শিশুর প্রাণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16735" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16735</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবার (২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৪৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক হাম ধরা পড়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা আগের দিনের (১০৭ জন) চেয়ে কমে ৪৫ জনে নেমে এসেছে।


স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ জনে। এর মধ্যে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৯৪ জন।

হাসপাতালের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮১ হাজার ৯৫৫ জন রোগী। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৮ হাজার ২৮৭ জন।

নথি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে নতুন করে কারো মৃত্যু না হলেও, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৩ জন। তবে একই সময়ে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৫ জনে। সব মিলিয়ে নিশ্চিত এবং সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট প্রাণহানির সংখ্যা এখন ৭০৮।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 12:27:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের প্রকোপ: কেড়ে নিলো আরও ৬ শিশুর প্রাণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16734" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16734</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবার (২৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৪৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক হাম ধরা পড়েছে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্তের সংখ্যা আগের দিনের (১০৭ জন) চেয়ে কমে ৪৫ জনে নেমে এসেছে।


স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৮ হাজার ২৬৬ জনে। এর মধ্যে ল্যাব টেস্টে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৫৯৪ জন।
 

হাসপাতালের চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮১ হাজার ৯৫৫ জন রোগী। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭৮ হাজার ২৮৭ জন।

নথি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে নতুন করে কারো মৃত্যু না হলেও, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৩ জন। তবে একই সময়ে হামের উপসর্গ বা সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১৫ জনে। সব মিলিয়ে নিশ্চিত এবং সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট প্রাণহানির সংখ্যা এখন ৭০৮।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Jun 2026 12:20:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিজারের দেড় মাস পর পেট থেকে বের হলো সুতা!]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16716" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16716</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মা আমি সুমাইয়াকে কোলে নিতে পারব কবে, মা আমার কাছে এসে সবাই বসতে পারবে কবে, মা আমি কি আবার আগের মতো চলতে পারব, মা আমি কি আর ভালো হবো না। কথা গুলো বলছিলেন গত তিন মাস আগে সিজার করা সাথী খাতুন।

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের হরি নারায়নপুর গ্রামে সরজমিনে গিয়ে সাথী খাতুনের সঙ্গে কথা হয়, এসময় তিনি জানান, আমাকে আলেয়া হাসপাতালের রুহুল ডাক্তার সিজার করে পঙ্গু করে ফেলেছে। সিজারের দেড় মাস পর আমার জরায়ু দিয়ে মাংসের টুকরোর সাথে দুই ফুট সুতা বের হয়েছে। আমরা গরীব মানুষ আমি আর কষ্ট সহ্য করতে পারছি না।

সাথী খাতুনের মা ফুলমালা জানান, আলেয়া হাসপাতালে সিজার করে ৪০ হাজার টাকা টাকা দিয়েছি। সিজারের পর থেকেই সাথীর জরায়ু দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে, গন্ধে কাছে যাওয়া যায় না।

সাথী খাতুনের স্বামী আমজাদ মুঠোফোনে জানান, কয়েকবার আলেয়া হাসপাতালে নেওয়ার পর ভালো না হওয়ায় জিয়া মেডিকেলে ভর্তি করি। দেড় মাস ভর্তি থাকি, বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে তিন লাখ টাকার মতো খরচ হয়ে গেছে, এখন আমি নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। সংসারের খরচ চালাতে কোনো উপায় না পেয়ে ঢাকায় রিস্কা চালাচ্ছি। আমার তিনটা শিশু সন্তান এখন ইতিম হওয়ার পথে। আমি এই ডাক্তারের বিচার চাই।

সিজারে সঙ্গে যাওয়া প্রতিবেশী হোসেন সেখ জানান, ২ এপ্রিল আলেয়া হাসপাতালের দালাল রিপনের পরামর্শে আমরা এখানে যাই। অপারেশনের করতে ডাক্তার সময় নেয় প্রায় দুই ঘণ্টা। কেন এতো সময় নেয় প্রশ্ন করলে, হাসপাতালের লোকজন হুমকি ধামকি দেয়। সিজারের রাতেই সাথীর পেট ফুলে যায়, ঐ অবস্থায় ছেড়ে দেয়। বাড়িতে এসে জরায়ু দিয়ে দুগ্ধ যুক্ত পুঁজ আসতে থাকে, রোগি চিৎকার করতে থাকে। এরপর আবার ৯ এপ্রিল আলেয়া হাসপাতালে নেওয়া হলে, নাকের মধ্যে পাইপ দিয়ে পেটের ফোলা কমায়, এরপর ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেয়। বাড়িতে এসে রোগি কাররাতে থাকে, রোগটির অবস্থা সংকটাপন্ন দেখে দ্রুত নেওয়া হয় জিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

জরায়ু দিয়ে মাংসের টুকরোর সাথে দুই ফুট সুতা বের হয়েছে, এবিষয়ে অভিযুক্ত আলেয়া হাসপাতালের ডাক্তার রুহুলের বক্তব্য নিতে গেলে, তিনি জানান, জরায়ু দিয়ে মাংসের টুকরোর সাথে দুই ফুট সুতা বের হয়েছে ভালো হয়েছে, সুতা বের হতেই পারে।
এক পর্যায়ে তিনি সাংবাদিকদের উপর চড়াও হন। এসময় তিনি জানান, রোগি কিন্তু সিরাজগঞ্জ শহরে থাকে না, সে কিন্তু বাহিরের মানুষ। তারা আর এখানে নাও আসতে পারে। রাস্তায় বের হলে, আপনাদের সঙ্গে আমার সবসময় দেখা হবে। আপনাকে কিন্তু সিরাজগঞ্জ শহরে থাকতে হবে, বিষয়টি মাথায় রাইখেন।

জরায়ু দিয়ে মাংসের টুকরোর সাথে দুই ফুট সুতা বের বিষয়ে সিরাজগঞ্জ ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রিয়াজুল ইসলাম জানান, কোন ভাবেই এমন হওয়ার কথা না। যদি হয়ে থাকে তাহলে আমাদের কাছে অভিযোগ আসলে আমরা বিষয় টা তদন্ত করে দেখবো। এর আগেও এই প্রতিষ্ঠানকে তিন বার করে জরিমানা করা হয়েছে। তবে শক্তিশালী কোনো অভিযোগকারী না থাকায়, এদের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা নেয়া যায় না।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 10:52:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফরিদপুরে হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মীর মৃত্যু, ডিবির ওসি প্রত্যাহার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16715" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16715</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে ছাত্রলীগ কর্মী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ ওরফে প্রান্তের (২৭) মৃত্যুর ঘটনায় ডিবি সদর জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে ফরিদপুর জেলা পুলিশের এক অফিস আদেশে প্রশাসনিক কারণ দেখিয়ে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। একই ঘটনায় ইতোমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে বলা হয়, ডিবি সদর জোনের ওসি সৈয়দ মো. আলমগীর হোসেনকে প্রশাসনিক কারণে তার বর্তমান দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আদেশে তাকে মঙ্গলবার দুপুর ১টার মধ্যে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্সে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে এ আদেশ কার্যকর করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম বলেন, প্রশাসনিক কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২০ জুন) বিকেলে মধুখালী পৌরসভার পশ্চিম গোন্দারদিয়া এলাকার বাসিন্দা এবং ফরিদপুর আইন কলেজের শিক্ষার্থী মির্জা ইশতিয়াক আহমেদ প্রান্তকে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, আটক করার সময় তার মায়ের সামনেই তাকে মারধর করা হয় এবং পরবর্তীতে পুলিশি নির্যাতনের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ দাবি করেছে, আটক হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রান্তকে প্রথমে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার (২১ জুন) সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

প্রান্তের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সোমবার (২২ জুন) তার জানাজার আগে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী প্রায় ৪০ মিনিট ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এতে মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। পরে নিহতের পরিবারের অনুরোধে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।

এ ঘটনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 24 Jun 2026 10:47:56 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
