<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/health</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla health Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 05 Apr 2026 10:47:09 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ফুলবাড়ীতে লক্ষণ দেখে হামের চিকিৎসা, নেই পরীক্ষার ব্যবস্থা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16234" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16234</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এখনও হামের সনাক্ত না হলেও লক্ষণ আর অনুমান নির্ভর করে ৮ জন শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকাস্থ ইপিআই ভবনে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে মাহির হোসেন (৫) নামের এক শিশুর ফলাফল এসেছে। পরীক্ষায় শিশুটির নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। অর্থ্যাৎ সে হামে আক্রান্ত নয়। কিন্তু অন্য ৭ জন শিশুর এখন ফলাফল আসেনি।

মাহির হোসেন ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শিশু মাহির হোসেন অসুস্থ হলে তার পিতা-মাতা ২৬ মার্চ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকদের কাছে হামের লক্ষণ সন্দেহ হওয়ায় তার রক্ত পরীক্ষার জন্য ওইদিনই ঢাকাস্থ ইপিআই বিভাগে পাঠানো হয়। ৩০ মার্চ মাহির হোসেনের রক্তের ফলাফল পাওয়া যায়। তাতে সে হাম মুক্ত রয়েছে বলে রক্তের পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে অন্য ৭জন শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য একইদিন পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত কোনো শিশু সনাক্ত হয়নি। তবে যেসব শিশু আসছে তাদের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হামের লক্ষণ সন্দেহ হলে সেই সব শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হামের কোনো পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি। ফলে আমরা এখন পর্যন্ত হাম মুক্ত রয়েছি বলা যায়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 10:47:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের  টিকা রোববার থেকে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16225" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16225</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী রোববার থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের প্রকোপ বেশি এমন উপজেলাগুলোতে আগামী দুই দিনের মধ্যে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। রোববার সকাল থেকেই জরুরি এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Apr 2026 11:00:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইফতারে কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/15621" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/15621</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের সময় নয় এটাই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। সঠিক খাবার বেছে নিলে শরীর থাকবে সতেজ ও সুস্থ, আর ভুল খাবার ডেকে আনতে পারে অম্বল, গ্যাস্ট্রিক ও ক্লান্তি। তাই জেনে নিন, ইফতারে কী খাবেন আর কোন খাবার থেকে সাবধান থাকবেন।

ইফতার শুরু হোক সুন্নতি ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে
খেজুর ও পানি
১&ndash;৩টি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা উত্তম
খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, যা দ্রুত শক্তি জোগায়
এক গ্লাস পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর এটি শরীরকে ধীরে ধীরে খাবারের জন্য প্রস্তুত করে।

কেন ফল খাবেন?

তরমুজ শরীর ঠান্ডা রাখে
কলা শক্তি দেয়
পেঁপে ও আপেল হজমে সাহায্য করে
মৌসুমি ফল ভিটামিন ও ফাইবারের ভালো উৎস,ফলের সালাদ ইফতারের জন্য হালকা ও উপকারী বিকল্প।

হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার রাখুন তালিকায়
কী রাখতে পারেন?
ডাল বা সবজি স্যুপ
সেদ্ধ ছোলা
ডিম
অল্প পরিমাণ ভাত বা রুটি,এসব খাবার ধীরে ধীরে শক্তি দেয় এবং পেটের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে না।

যেসব খাবার ইফতারে কম খাবেন

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার
পিয়াজু, বেগুনি, সমুচা ইত্যাদি
অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার
গ্যাস ও অম্বলের ঝুঁকি বাড়ায়,অল্প পরিমাণে খাওয়া যায়, কিন্তু নিয়মিত বেশি খাওয়া ক্ষতিকর।

কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি
সফট ড্রিংকস
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত
ভারী মিষ্টান্ন।

আমারবাঙলা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 19 Feb 2026 07:14:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে: ধর্ম মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14800" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14800</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষার ভিত্তিতে তাদের টিকা নিতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক নিবন্ধিত সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ৬ জানুয়ারি হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের পূর্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের আগে আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

রিপোর্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest P/A view (রিপোর্টসহ), ECG (রিপোর্টসহ), Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) ও Blood Grouping and Rh Typing।

এছাড়াও দুরারোগ্য ব্যাধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নির্ণয়ের জন্য আরও কিছু পরীক্ষা সম্পন্নের কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১। সন্দেহজনক হৃদপিন্ডের অকৃতকার্যতার পরীক্ষা- Echocrdiography। ২।কিডনি জটিলতার ক্ষেত্রে- S. Creatinine, USG of KUB। ৩। সন্দেহজনক লিভার সিরোসিস রোগের ক্ষেত্রে- USG Whole abdomen, Endoscopy of upper GIT. ৪। দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ শনাক্তকরণে-Sputum for AFB, CTScan of chest, Serum bilirubin, SGPT, Albumin Globubin ratio।

হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইল কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে দাখিল করে টিকা গ্রহণ করে স্বাস্থ্য সনদ নিতে হবে।

যে কোনো তথ্যের জন্য হজের কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আমারবাঙলা/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Jan 2026 08:10:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নেক পেইন সচেতনতায় রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিওথেরাপি কর্মসূচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14718" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14718</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহারের মাত্রাতিরিক্ত প্রবণতার কারণে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঘাড় ব্যথা ও বিভিন্ন মাংসপেশী ও অস্থিসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকাতে (আরইউডি) অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত &lsquo;Neck Pain &amp; Device-Related Physiotherapy Awareness Program for University Students (Mobile/Laptop Users) and University Blood Donation Awareness Program&rsquo; শীর্ষক এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তেজগাঁও শিল্প এলাকা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতায় ছিল রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকা ও রোটার&zwj;্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন সিটি। পুরো আয়োজনটি পরিচালিত হয় রোটারির বৈশ্বিক থিম &lsquo;Unite for Good&rsquo; অনুসরণ করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র পরিবেশে উদ্বোধন ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আফরিন আখতার মিম। এরপর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পর্বে কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরেন রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোশিউর রহমান।

পরবর্তী পর্বে ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস&rsquo;র ডিন ড. দিপু সিদ্দিকী তার ব্ক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ সময় মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘাড় ব্যথা, পিঠ ব্যথা, কাঁধ ও হাতের সমস্যাসহ বিভিন্ন মাংসপেশীজনিত জটিলতা বাড়ছে। এসব সমস্যা উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে তা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিতে পারে।

এ সময় রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকা এবং রোটার&zwj;্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন সিটি-এর প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বনামধন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা. এম. ইয়াসিন আলী, চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট-ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ঘাড় ব্যথার কারণ, উপসর্গ, প্রতিরোধ ও ফিজিওথেরাপিভিত্তিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ইয়াসিন আলী সঠিক ভঙ্গিতে বসা, স্ক্রিনের উচ্চতা ঠিক রাখা, নিয়মিত বিরতি নেওয়া, সহজ স্ট্রেচিং ও এক্সারসাইজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই ফিজিওথেরাপি নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় রক্তদান সচেতনতামূলক সেশন, যা পরিচালনা করে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এই পর্বে রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা, নিরাপত্তা ও সামাজিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সমাপনী ও কৃতজ্ঞতা বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সেশন চেয়ার, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ভাইস চ্যান্সেলর (ডিজিগনেট), রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা।


আমারবাঙলা/এবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 06:42:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজার থেকে কিটক্যাট চকলেট সরানোর  নির্দেশ, সতর্কতা জারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14386" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14386</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নেসলে কিটক্যাট চকলেটের একটি বিতর্কিত লট বাজার থেকে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির মধ্যে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) আদালতের আদেশে জারি করা খাদ্য সম্পর্কিত মামলায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অপসারণ এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।

বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নেসলে বাংলাদেশের ওই চকলেট লট বাজার থেকে সরাতে হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান জানান, নেসলে কিটক্যাট চকলেট অনিবন্ধিত, অনুমোদনহীন এবং নিম্নমানের এটি অনিরাপদ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও ভেজালযুক্ত যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি

কামরুল আরও জানান, বাংলাদেশের জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, ভেজাল ও ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আদালতে নেসলে কিটক্যাট চকলেট বাজার থেকে প্রত্যাহার ও ধ্বংস করার আবেদন করা হয়েছে। সে সঙ্গে, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত এই চকলেটের আমদানি, বিপণন ও বিক্রয় স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

আমারবাঙলা/এসএবি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Dec 2025 11:30:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোগী দেখার সময় গেম খেলছেন চিকিৎসক, হাসপাতালে দুদকের অভিযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14332" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14332</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলা সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এসময় বহির্বিভাগের চিকিৎসক ডা. সামরিন সুলতানার দায়িত্বে অবহেলা, নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ছুটিতে থাকার অভিযোগের নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক।

জেলা সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় জানান, ডাঃ সামরিন সুলতানা ২০২৫ সালের ২৪ মে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন। এরপর কয়েকদিন আগে রোগীদের সেবার পাশাপাশি মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসছে দুদক। কিন্তু ডাঃ সামরিন সুলতানা অনুমতি না নিয়ে তার কর্মস্থল থেকে ত্যাগ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ডাঃ সামরিন সুলতানা বেশির ভাগ সময় তার কর্মস্থলে অনেক লেট করে এসেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তার অনুমতি বিহীন ১৭ দিন কর্মস্থলে আসেননি তিনি। বর্তমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৫টি ডাক্তার ও ১৮০ জন নার্স, ৩০ জন কর্মচারী, ২০জন টেকনো লিজ, ১৪ জন টেকনিশিয়ান তাদের ডিজিটাল হাজিরা সিট পর্যবেক্ষণ করে দুদক কিন্তু এতে বেশির ভাগ ডাক্তার ও নার্সের অনুপস্থিত আছেন। এ সংক্রান্তিতে একটি প্রতিবেদন করে দুদুকের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল কবীর বলেন গেল দুদিন আগে রোগী দেখার সময় ডা. সামরিন সুলতানার মোবাইলে গেম খেলার একটি ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচার হলে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে শোকজ করা হয়েছে। ডাক্তার অনুপস্থিতিতের বিষয়ে বলেন, কয়েকজনকে সতর্ক করা হয়েছে। এতে অনুপস্থিতিতের ঘটনা আগের তুলনায় কিছুটা কমছে। তবে কয়েকদিনের ভেতর ঠিক হয়ে যাবে&mdash;বলে তিনি বলেন।

আমারবাঙলা/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 14 Dec 2025 13:51:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫ জন, নতুন ভর্তি ৪৯০]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14016" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14016</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে ৪৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫জনের মধ্যে ১জন পুরুষ, ৪জন নারী।

এ নিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী বেড়ে দাঁড়ালো ৯৬ হাজার ৬৭ জনে।চলতি বছর নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গু জ্বর: লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয়;-

ডেঙ্গুর লক্ষণ:

হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২&ndash;১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট), তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে চোখের পেছনে, শরীরজুড়ে ব্যথা (অনেকেই একে &lsquo;হাড়ভাঙা জ্বর&rsquo; বলেন),
বমি বমি ভাব বা বমি, ত্বকে ফুসকুড়ি বা র&zwj;্যাশ, দুর্বলতা ও অরুচি।পেটের তীব্র ব্যথা, ঘন ঘন বমি হওয়া,নাক-মুখ বা মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

ডেঙ্গু হলে কী খাওয়া উচিত?

ডাবের পানি
পেঁপে, কমলা, জাম্বুরার রস
হালকা খিচুড়ি, ডাল, মাছের ঝোল, স্যুপ
সেদ্ধ ডিম
চিকিৎসকের পরামর্শে পেঁপে পাতার রস

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়
ডেঙ্গুর কোনও প্রতিষেধক নেই, তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। এর জন্য ঘর এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সবচেয়ে জরুরি।

যা করতে হবে-
জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দিন (ফুলের টব, এসির ট্রে, ফ্রিজের নিচে ইত্যাদি)
পুরনো টায়ার, বোতল, বা পাত্র উল্টে রাখুন যেন পানি জমে না থাকে
দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করুন
শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরিধান করুন
মশা নিরোধক স্প্রে ও কনটেইনারে লার্ভানাশক ব্যবহার করুন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা। প্রতিদিনের অভ্যাসে সামান্য।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 03 Dec 2025 12:08:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় চিকিৎসার অভাবে রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসকের উপর হামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13801" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে মোহাম্মদ মোল্লা (৪০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনের ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহতের হয়নি। আজ ২১ নভেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

রোগীর স্বজনেরা জানান মোহাম্মদ মোল্লা সকালের দিকে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থানার অর্ন্তগত সাতগাছি মাঠে কাজ করতে যায়। কিন্তু কাজ করার সময় হঠাৎ করে মোহাম্মদ মোল্লা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিকভাবে শৈলকূপা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তার চিকিৎসার অবস্থা অবনতি হলে শৈলকূপার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বর চিকিৎসক তাকে দ্র&aelig;ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বিকেলের দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আসলে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক তাদের রোগীকে ইসিজি করতে বলেন এরপর ইজিসি করার পর ২ ঘন্টা ধরে তার কোন চিকিৎসা প্রদান করেন নাই এখানকার চিকিৎসক। তাদের অবহেলার কারণে মোহাম্মদ মোল্লা মারা যান বলে অভিযোগ করেন। অবহেলার রোগীর মৃত্যু হওয়ায় রোগীর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্ব ইন্টার্ন চিকিৎসকের উপর চড়াও হয়। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

রোগীর স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন একজন ডায়রিয়া নতুন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হলে প্রথমে জরুরী বিভাগে এরপর চিকিৎসা রিপোর্ট লেখার পর ভর্তি করেন। এরপর আরেকজন চিকিৎসককে দেখাতে যেতে হয় সেটা জরুরী বিভাগ থেকে অনেক দূর। ওখান থেকে পুনরায় চিকিসৎককে দেখানোর পর তিনি ঔষুধের &macr;ি&oslash;প হাতে ধরে দেন। এরপর দোকান থেকে ঔষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে নিতে অনেক ডায়রিয়া রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে কেউ রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার তদন্ত অফিসার আব্দুল আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন ঘটনাস্থল থেকে ফোন আসে। এরপর তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠিয়েছি। পরে আর ঘটনার বিষয়ে জানা সম্ভব হয়নি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Nov 2025 07:31:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাসপাতালে দিনে গড়ে ভর্তি ২৬৯ টাইফয়েড রোগী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13774" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13774</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে গত বছর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮ হাজারে ২৪৩ রোগী। সেই হিসাবে দৈনিক গড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৬৯ জন। মারা গেছেন ৮১ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হন না। সেই হিসাব ধরলে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যা সাত থেকে আট গুণ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ (জিবিডি) তাদের ২০২১ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে বছরে আনুমানিক চার লাখ ৭৮ হাজার মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হন, প্রায় আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। মৃতের ৬৮ শতাংশই শিশু। সংক্রমণ কমাতে ৯৫ শতাংশ টিকাদান কভারেজ অর্জনই ছিল সাম্প্রতিক বিশেষ টিকা কর্মসূচির লক্ষ্য।

ঢাকার কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, শিশু, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক&ndash; সব বয়সীর ক্ষেত্রে টাইফয়েডে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বর্তমানে ২০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে কর্মরত সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কয়েক সপ্তাহে টাইফয়েড-সংশ্লিষ্ট জ্বর, ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিক বাড়ছে। বর্ষার পরে পানিবাহিত রোগ বাড়ে, তবে এ বছর তা কিছুটা বেশি। অনেক রোগী দেরিতে আসছেন, ফলে জটিলতা বাড়ছে।

চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, পেটব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য&ndash; এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে টাইফয়েড মারাত্মক জটিলতার দিকে যেতে পারে। দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর খাবার, স্যানিটেশনের অভাবে এই রোগ দেখা দিতে পারে।

জ্যেষ্ঠ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, টাইফয়েড প্রতিরোধে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা, খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। দূষিত পানি, রাস্তার খাবারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার ঘাটতি টাইফয়েড বাড়ার মূল কারণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জমশিদ মোহাম্মদ বলেন, টাইফয়েড এখনও বৈশ্বিকভাবে হুমকির, প্রতি বছর ৯ মিলিয়ন আক্রান্ত এবং এক লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী টাইফয়েড বাড়ায় ঝুঁকি আরও বেশি। ঢাকার বিভিন্ন গবেষণায়ও দেখা গেছে, টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া ক্রমেই অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অসহনশীল হয়ে উঠছে।

২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকায় ডায়রিয়াজনিত রোগ ও পুষ্টিবিষয়ক পঞ্চদশ এশীয় সম্মেলনেও (অ্যাসকড) টাইফয়েড টিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ওষুধ প্রতিরোধী রোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গর্ডন ডোগান সম্মেলনে জানান, ঢাকা নগরে টাইফয়েডের জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে ঢাকার শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রধান অধ্যাপক সমীর সাহা জানান, অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হওয়ার সমাধান পাওয়া যেতে পারে টাইফয়েড টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে। ওই সম্মেলনেই জানানো হয়েছিল, সরকার খুব শিগগির দেশে কলেরা, টাইফয়েড, এইচপিভি ও রোটাভাইরাসের টিকার ব্যবহার শুরু করবে।

আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক তাহমিদ আহমেদ বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে মৃত্যু কমানো গেলেও এখন ওষুধই অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তাই টিকানির্ভর প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তথ্য অনুযায়ী, টাইফয়েড প্রতিরোধে দেশজুড়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি করা হয়েছে। ১২ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় সাড়ে তিন কোটি শিশু টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭০ শতাংশ।

ইপিআইর উপপরিচালক মো. শাহারিয়ার সাজ্জাদ বলেন, টাইফয়েড টিকাদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে। এ বছর আর ক্যাম্পেইন হবে না। অ্যান্টিবায়োটিক আগের মতো কার্যকর নয়, তাই বড় পরিসরে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২০২৬ সাল থেকে টিসিভি নিয়মিত জাতীয় টিকাদান সূচিতে যুক্ত হবে। বাংলাদেশ টাইফয়েড প্রতিরোধী এই টিকাটি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির মাধ্যমে। এক ডোজের ইনজেকটেবল এই টিকা তিন বছর পর্যন্ত টাইফয়েড থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেবে। ২০২০ সাল থেকেই এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করা, এটি নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত। সব মিলিয়ে আট দেশে শিশুদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে শিশুদের টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই এসব অঞ্চলে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি করা হয়েছে।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Nov 2025 08:03:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাতের অপারেশন করতে গিয়ে প্রাণ গেল নারীর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13731" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13731</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালে ভুল চিকিৎসায় রাবেয়া বেগম (৪৮) নামে নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরের দিকে নিহতের মেঝো ছেলে মো.রাজন হোসেন এমন অভিযোগ করেন। এর আগে, শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রাইম হসপিটালের অপারেশন থিয়েটারে ওই নারী মারা যান।

মৃত রাবেয়া লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের সর্দার বাড়ির শামছুল হুদার স্ত্রী।

নিহতের ছেলে রাজন হোসেন অভিযোগ করে বলেন, দুই মাস আগে বাড়ির উঠানে পা পিছলে পড়ে বাম হাতের কব্জির ওপরে ভেঙে পেলেন মা। তাৎক্ষণিক চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের এক ডাক্তারের কাছে ভাঙা হাতে প্লাস্টার করা হয়। দুই মাস পর প্লাস্টার খুলে এক্সরে করলে দেখা যায় ভাঙা হাড় জোড়া লাগেনি। এরপর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালের ডাক্তার ফরিদুল ইসলামের সাথে ৭৫ হাজার টাকায় মায়ের বাম হাতের ভাঙা স্থানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাত বসানোর চুক্তি হয়। চুক্তি মোতাবেক শনিবার সন্ধ্যায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অজ্ঞান করেন অ্যানেসথেসিয়ান গোলাম হায়দার। পরে তার আর জ্ঞান ফেরেনি।
রাজন অভিযোগ আরও বলেন, অজ্ঞান করার এক ঘন্টা পর তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে ব্যাপক তালবাহানা করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান আমার মা মারা গেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমার মা অজ্ঞান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান। রোববার সকালে হাসপাতাল থেকে আমাদের জানানো হয় অপারেশন, আইসিইউ ও অ্যাম্বুলেন্সের কোন খরচ লাগবেনা আপনারা মরদেহ নিয়ে যান। হাসপাতাল থেকে আমাকে বলা হয়েছে আমার মায়ের হাই প্রেসার থাকায় এমন হয়েছে। আবার বলে লো প্রেসার ছিল, এজন্য এমন হয়েছে। রবিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে আমার বড় ভাই ও জেঠা হাসপাতালে এসে সমঝোতা করে মরদেহ নিয়ে গেছেন। কি সমঝোতা হয়েছে সেটা আমি এখনো জানিনা।

যোগাযোগ করা হলেে মাইজদী প্রাইম হসপিটালের সিনিয়র এজিএম শিপন শাহ ভুল চিকিৎসার মৃত্যু অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, অপারেশনের পর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ডাক্তার রোগীর স্বজনদের বলেছে আপনারা মামলা করার প্রয়োজন মনে করলে করেন।

নোয়াখালী সিভিল সার্জ ডাক্তার মরিয়ম সিমি বলেন, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Nov 2025 07:05:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাঙ্গুনিয়ায় ডাঃ এটিএম রেজাউল করিমের ফ্রি চিকিৎসা সেবা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13594" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13594</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাঙ্গুনিয়া আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ এটিএম রেজাউল করিমের উদ্যোগে আবারো বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। শনিবার উপজেলার মধ্য বেতাগী এলাকায় দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শের পাশাপাশি রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিত ওষুধ বিতরণ করা হয়।

ফ্রি এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে রাঙ্গুনিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। ক্যাম্পে পার্কভিউ হাসপাতাল ও রাঙ্গুনিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতালের ২০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করেন। আয়োজক সূত্র জানায়, গত এক মাসে ধামাইরহাট, নিশ্চিন্তাপুর, বগাবিলি এবং বেতাগী এই চারটি ক্যাম্পে প্রায় সাত হাজার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও রাঙ্গুনিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এটিএম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, &ldquo;রাঙ্গুনিয়ার সাধারণ মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে আমরা নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প করছি। জনগণ যে আন্তরিকভাবে সাড়া দিচ্ছেন, তা আমাদের এই সেবা আরও সম্প্রসারণে অনুপ্রাণিত করছে।&rdquo;

তিনি আরো বলেন, বেতাগীতে যে সৌদি প্রজেক্ট নামে জায়গা রয়েছে এটাকে কাজে লাগিয়ে সরকারের উচিত সেখানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা। এমনটি হলে এই অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাঙ্গুনিয়ার মানুষের জীবনমানও উন্নত হবে।&rdquo;

আয়োজক সূত্র জানায়, গত এক মাসে ধামাইরহাট, নিশ্চিন্তাপুর, বগাবিলি এবং বেতাগী।এই চারটি ক্যাম্পে প্রায় সাত হাজার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। এবং নভেম্বর মাসে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে আরও তিনটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Nov 2025 16:14:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যশোরে তরুণদের মধ্যে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13452" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13452</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে আশঙ্কাজনকভাবে এইচআইভি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে (জানুয়ারি থেকে অক্টোবর) মোট ৪০ জনের বেশি এইচআইভিতে সংক্রমিত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৫ জনই শিক্ষার্থী&mdash;যা মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি। এদের মধ্যে অনেকেই এইডসে আক্রান্ত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও অভিভাবকদের জন্য আরও উদ্বেগের কারণ হলো, সংক্রমিত ও আক্রান্ত এসব শিক্ষার্থীর বয়স মাত্র ১৭ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। গত বছর (২০২৪ সালে) যেখানে মোট ২৫ জন আক্রান্তের মধ্যে শিক্ষার্থী ছিল ১২ জন, সেখানে এ বছর মাত্র ১০ মাসেই সেই সংখ্যা দ্বিগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর আক্রান্ত ৪০ জনের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ এবং ১৪ জন নারী। নারী-পুরুষের এই পরিসংখ্যানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২৩ জনই সমকামী। গত বছর যশোরে মোট ২৫ জন এইচআইভি সংক্রমিত হয়েছিলেন এবং আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল।

এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যানটি গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হওয়ায় সীমান্তবর্তী এই জেলার জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের এআরটি (অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি) সেন্টারে মোট ২২০ জন এইচআইভি ও এইডস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই রোগীদের মধ্যে শুধু যশোর নয়, খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলার মানুষও রয়েছেন।

যশোরের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ ৪৬ হাজার। সেই হিসাবে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় একজন এইডস রোগী রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি সবাইকে চিন্তিত করে তুলেছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের মূল সমন্বয়কারী ডা. কানিজ ফাতেমা বলেন, তরুণদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তাদের কৌতূহল এখন বিপরীত লিঙ্গের চেয়ে সমলিঙ্গের প্রতি বেশি দেখা যাচ্ছে, যা এক ধরনের সামাজিক চক্রান্তের ফল। ইন্টারনেটের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের প্রভাবেই এমন প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আমরা এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করছি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Oct 2025 08:33:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে একদিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৪৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13415" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13415</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১১৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়।

এতএব বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১৪৩ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২১ জন ,বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন, , ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮২ জন,ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৬৫ জন, খুলনা বিভাগে ৬৫ জন,রাজশাহী বিভাগে ৫৬ জন,ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৬ জন, রংপুর বিভাগে ৫০ জন এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন ভর্তি হয়েছেন।

অন্যদিকে, গত এক দিনে সারা দেশে ১ হাজার ৫১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪৪৪ ৪।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানান, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৫ হাজার ৪৪০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৬৩ জনের।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 26 Oct 2025 13:25:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথমবারের মতো সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13264" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13264</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আজ রবিবার (১২ অক্টোবর) সকালে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টাইফয়েডে এখনও দেশের শিশুদের মৃত্যু হয়&mdash;এটা আমাদের লজ্জার। ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব ইনশাআল্লাহ।

নূরজাহান বেগম বলেন, আমাদের এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য&mdash;রোগ প্রতিরোধ। যত বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রতিরোধমূলক টিকার আওতায় আনা যাবে, ততই হাসপাতালে ভিড় ও চাপ কমবে।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে দেশে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

এসময় তিনি বলেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই কর্মসূচি আমাদের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে টাইফয়েড একটি নীরব বিপদ হিসেবে থেকে গেছে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য। এবার সরকারের এ উদ্যোগ সেই দুর্বল জায়গায় বড় পরিবর্তন আনবে। আমি আশা করি, সবাই সচেতনভাবে অংশ নেবে এবং তাদের সন্তানদের টিকা নিশ্চিত করবে।

এক মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে এক ডোজ ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য

অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এই টিকার আওতায় আসবে, যাতে কেউ বাদ না পড়ে।

এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 12 Oct 2025 05:46:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, বিশ্বে স্বাস্থ্যপ্রযুক্তির ইতিহাস গড়লেন সাকিফ শামীম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13218" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13218</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে বড় ধরনের একটি পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ল্যাবএইড গ্রুপের নতুন কনসার্ন &lsquo;ল্যাবএইড এআই&rsquo;। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর সাহায্যে আরও সহজে ও দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

রোগীর সেবাকে সহজ করতে এবং চিকিৎসকদের সক্ষমতা বাড়াতে দেশের অন্যতম পথিকৃৎ প্রতিষ্ঠান ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে &lsquo;ল্যাবএইড এআই&rsquo;র। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি প্রবেশ করল এক নতুন যুগে, যার লক্ষ্য মানবিক সহানুভূতি ও এআইয়ের বুদ্ধিদীপ্ততার সমন্বয়ে চিকিৎসা ব্যবস্থাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া।

ল্যাবএইড এআই-এর এই ঐতিহাসিক যাত্রায় মূল আকর্ষণ হিসেবে বাজারে আসছে দুটি যুগান্তকারী সমাধান&mdash;চিকিৎসকদের জন্য LABAID-GPT এবং সর্বক্ষেত্রিক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট (সহকারী) LUNA।

ল্যাবএইড এআই প্রবর্তিত LABAID-GPT হলো ডাক্তারদের জন্য তৈরি করা একটি অত্যাধুনিক ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এটি চিকিৎসার আন্তর্জাতিক গাইডলাইন এবং অসংখ্য ক্লিনিক্যাল ডেটা বিশ্লেষণ করে চিকিৎসকদের দ্রুত প্রমাণ-ভিত্তিক (Evidence-based) ফলাফল দিতে সক্ষম। কঠিন রোগ নির্ণয়ের সময় চিকিৎসকদের মধ্যে যে দ্বিধা বা সংশয় তৈরি হয়, LABAID-GPT সেখানে নির্ভুল তথ্য দিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে সহজ করে তুলবে। এই প্রযুক্তির কারণে রোগ নির্ণয়ের সময় লাঘব হবে, যা সরাসরি রোগীদের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসবে। এর মাধ্যমে ল্যাবএইড এআই নিশ্চিত করতে চায়, যেন কোনো রোগীই ভুল রোগ নির্ণয় বা প্রয়োজনীয় তথ্যের অভাবে ভোগান্তির শিকার না হন। LABAID-GPT চিকিৎসকদের কাজকে আরও সহজ করে তাদের মূল্যবান সময় বাঁচাবে, যাতে তারা রোগীর সেবায় আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। এ ছাড়া, ল্যাবএইড জিপিটি ব্যবহার করে রোগীরাও পাবে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে যথাযথ সুবিধা।

অন্যদিকে ল্যাবএইড এআই-এর আরেকটি বৈপ্লবিক উদ্ভাবন হলো LUNA, যা বৃহত্তর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের ইতিহাসে এক বিরল উদ্যোগ। এটি একটি বহুমুখী (Multi-domain) এআই চ্যাটবট এবং ব্যক্তিগত সহকারী, যা শুধু চিকিৎসা সেবার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। LUNA-এর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এটি একই সঙ্গে আটটি ভিন্ন চরিত্রে কাজ করতে পারে। LUNA একজন নার্স, একজন ডাক্তার সহকারী, একজন ব্যাংকার, একজন করপোরেট বিশেষজ্ঞ বা একজন আইনজীবীর মতো চরিত্র ধারণ করে আপনাকে আপনার কাজ সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে। যেমন, একজন ডাক্তার সহকারী হিসেবে LUNA প্রেসক্রিপশনের তথ্য ব্যাখ্যা করবে এবং একজন ব্যাংকার হিসেবে আর্থিক প্রশ্নের জবাব দেবে। এই উদ্ভাবনী পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে এটি নিশ্চিতভাবেই বিশ্বের প্রথম কোম্পানি হতে যাচ্ছে, যারা এমন বহুমুখী এবং চরিত্রভিত্তিক AI অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়ে এলো। LUNA-এর মাধ্যমে ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরামর্শ পাওয়া এখন হাতের মুঠোয়।

এই ঐতিহাসিক উদ্ভাবনের নেপথ্যে রয়েছেন তরুণ প্রজন্মের পথদ্রষ্টা ও অনুপ্রেরণা, উদ্ভাবক, সফল উদ্যোক্তা এবং ল্যাবএইডের কর্ণধার, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম। দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে তার অবদান সুদূরপ্রসারী। তার হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম ডেডিকেটেড ক্যান্সার হাসপাতাল, ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার তৈরি হয়, যা চিকিৎসাসেবার এই কঠিন দিকটিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে। একই সঙ্গে, ঘরে বসে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন টেলিমেডিসিন পরিষেবা লাইফপ্লাস বাংলাদেশ (Lifeplus Bangladesh)।

সাকিফ শামীমের সবচেয়ে গৌরবময় ও অনন্য অর্জন হলো&mdash;তিনি বৃহত্তর দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে প্রথম ব্যক্তি, যিনি স্বাস্থ্যসেবা খাতে এআইয়ের ব্যবহারকে এই নজিরবিহীন স্তরে নিয়ে এসেছেন। আটটি পেটেন্টসহ লঞ্চ করা ল্যাবএইড এআই দক্ষিণ এশীয় অঞ্চল তো বতেই, গোটা বিশ্বে এক বিরল অবস্থানে নিয়ে গেছে এবং ল্যাবএইড এআইয়ের যাত্রার আগেই এই বিপুল উদ্ভাবনী অর্জন এক নতুন ইতিহাস তৈরি করেছে। শামীমের এই দূরদর্শী নেতৃত্বই বাংলাদেশের চিকিৎসা প্রযুক্তিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথ দেখাচ্ছে।

ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালটি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীম এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য খুব সহজ। আমরা চাই উন্নত প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে মানুষের জন্য সহজে গুণগত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে। LUNA এবং LABAID-GPT-এর মাধ্যমে আমরা ডাক্তারদের আরও শক্তিশালী করতে চাই, যাতে তারা দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সেবা দিতে পারেন। অন্যদিকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণকারী রোগীও তার প্রেসক্রিপশনের তথ্য ও যাবতীয় ব্যখ্যাসহ রোগ সংক্রান্ত সব ধরনের সমস্যার অতি দ্রুত সমাধান পাওয়ার মাধ্যমে উপকৃত হবেন। এটি কেবল শুরু, বাংলাদেশের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Oct 2025 04:44:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ৭ দালালকে কারাদন্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13046" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13046</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ৭ দালালকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসাইন ও র&zwj;&zwj;্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডুর নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।

দন্ডপ্রাপ্ত দালালরা হলেন,দালাল মিলন (৩৫), হারুন (৩৪), সজিবকে (২৫) ১৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, রতনকে (৩৮) ৩০দিন, আকরাম হোসেনকে (২৫) ৭দিনের কারাদণ্ড ও ৫০টাকা জরিমানা, স্বপন (৪৪) এবং মাসুদকে (৪৫) ১৫দিনের কারাদণ্ড ও ৫০টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের বাহিরে ও ভিতরে দালাল চক্র রোগীদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে আসছিলো। তারা সরকারি হাসপাতালে আসা রোগীদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে, ভুল বুঝিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতো। তার বিনিময়ে তারা প্রাইভেট হাসপাতাল থেকে বড় অংকের কমিশন নিতো। এছাড়াও সরকারি হাসপাতালে আসা রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষার কথা বলে টাকা হাতিয়ে নিতো। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুপুরে হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান থেকে ৭জন দালালকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসাইনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের এই সাজা দেন।

নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহরাব হোসাইন বলেন, হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্মে রোগীদের সেবা বিঘ্নিত হতো। পরে আটককৃতদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাণ্ড দেয়া হয়।

র&zwj;&zwj;্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মিঠুন কুমার কুন্ডু বলেন, রোগীদের চিকিৎসা সেবার স্বার্থে ৭ দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Sep 2025 10:08:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নতুন নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13001" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13001</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা আরও সুশৃঙ্খল করতে সরকারি হাসপাতালগুলোকে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নির্দেশনা অনুযায়ী, ডেঙ্গু চিকিৎসায় দেশের সব হাসপাতালকে অবিলম্বে বিশেষ ওয়ার্ড তৈরি করতে এবং একটি নির্দিষ্ট চিকিৎসা টিম গঠন করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মনে করছে, এ ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগীর সেবা উন্নত হবে, ঝুঁকি কমবে ও হাসপাতালে চিকিৎসার মান বৃদ্ধি পাবে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাসপাতালগুলোতে ভর্তিকৃত ডেঙ্গু রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় এনএস-১ পরীক্ষা, জরুরি চিকিৎসা ও পর্যাপ্ত ঔষধের ব্যবস্থা করতে হবে। হাসপাতালের ভর্তিকৃত রোগীদের একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড বা কক্ষে রাখা জরুরি। আইসিইউ প্রয়োজন হলে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ ছাড়া চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য বিশেষ দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য মেডিসিন, শিশু ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বোর্ড গঠন করতে হবে। এই বোর্ডের তত্ত্বাবধানে মেডিকেল অফিসার, রেসিডেন্ট ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের একটি দল শুধু এই রোগীদের চিকিৎসা দেবেন। হাসপাতালের বহির্বিভাগে আগত সন্দেহভাজন রোগীদেরও একটি নির্দিষ্ট কক্ষে একই বোর্ড ও চিকিৎসকরা চিকিৎসা দেবেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাসপাতালের চারপাশে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার জন্য হাসপাতাল পরিচালককে সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভাকে পত্র দিতে হবে। এ ছাড়া প্রতি শনিবার সকাল ১০টায় হাসপাতালে পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনের সভাপতিত্বে ডেঙ্গু সমন্বয় সভা করার কথাও বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের নির্দেশনা শুধু হাসপাতালে চিকিৎসার মান বাড়াবে না, বরং রোগী ও পরিবারের জন্য ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করবে। চিকিৎসা প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খল ও সমন্বিত হলে রোগী মৃত্যুর হারও হ্রাস পেতে পারে।

ডেঙ্গু বাংলাদেশের জন্য প্রতি বর্ষা মৌসুমে বড় স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের বর্ষায় ইতোমধ্যে রাজধানী ও অন্য শহরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ কম থাকলেও সঠিক চিকিৎসা ও সতর্কতা ছাড়া পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Sep 2025 08:25:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডা. ফাতেমা দোজাকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/12708" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/12708</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারি চাকরিতে ইস্তফা প্রদানের পর তথ্য গোপন করে পুনরায় যোগদান, যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণপত্র পরিবর্তন করে কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করা এবং ফৌজদারি মামলায় কারাভোগের তথ্য গোপন করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ওএসডি সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফাতেমা দোজাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

বুধবার (২৭ আগস্ট) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমানের স্বাক্ষরে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডা. ফাতেমা দোজার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর বিধি ৩(খ) ও ৩(গ) মোতাবেক অসদাচরণ ও পলায়ন এর দায়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর বিভাগীয় মামলা (নং ৪২/২০২৩) রুজু করেন।

ডা. ফাতেমা দোজা কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দেননি এবং ব্যক্তিগত শুনানি না চাওয়ায় অভিযোগ তদন্তের জন্য উক্ত বিধিমালার বিধি ৭(৩) অনুসারে একজন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তার তদন্তে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ডা. ফাতেমা দোজাকে গুরুদন্ডস্বরূপ চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং কেন উক্ত দন্ড তার উপর আরোপ করা হবে না, তা জানানোর নির্দেশ দিয়ে দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশ প্রদান করা হয়।

ডা. ফাতেমা দোজা দ্বিতীয় কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব প্রদান করেন এবং জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গুরুদন্ডস্বরূপ তাকে চাকরি হতে বরখাস্ত করার পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়।

এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারি কর্মকমিশনের মতামত চাওয়া হলে কমিশন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করেন ।

ডা. ফাতেমা দোজাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির নিকট প্রধান উপদেষ্টার মাধ্যমে পেশ করা হলে রাষ্ট্রপতি উক্ত প্রস্তাব অনুমোদন করার পর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর বিধি ৪(৩) (ঘ) মোতাবেক ডা. ফাতেমা দোজাকে চাকরি হতে বরখাস্ত করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে জনস্বার্থে জারিকৃত উক্ত আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ রয়েছে।

আমারবাঙলা/জিজি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 01 Sep 2025 11:04:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিএসসির মতামত বাস্তবায়ন করেনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/12491" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/12491</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ভঙ্গের একাধিক অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা (ওএসডি) ডা. ফাতেমা দোজাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার মতামত দিয়েছিল পিএসসি (সরকারি কর্ম কমিশন)। তবে পিএসসির মতামতের চার মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও তা বাস্তবায়ন করেনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এমন গড়িমসি আচরণে সরকারি দপ্তরটির কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা যায়, অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা দোজা ২০১২ সালে তৎকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিং বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে যোগদানের আবেদন করেন। এ লক্ষ্যে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার পদের সরকারি চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন। পরে বিষয়টি গোপন রেখে পুনরায় ২০১৩ সালের ১১ জুন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করেন। সরকারি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার দেড় বছর পর ফের যোগদানের ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তৎকালীন অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (প্রসাশন) নেতৃত্বে ৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়। তদন্তে সত্যতা প্রমাণিত হয়। কিন্তু তৎকালীন আওয়ামী প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তিনি চাকরি করে যান। এসব ঘটনায় ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি একটি দৈনিকে &lsquo;চাকরি নেই তবুও ১০ বছর পাচ্ছেন বেতন বোনাস&rsquo; শিরোনামে ডা. ফাতেমার অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়।

ডা. ফাতেমা দোজা ২০২২ সালের ২৭ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত উত্তর আমেরিকা রেডিওলজি সোসাইটির ১০৮তম বার্ষিক সভা ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে যোগদানের আবেদন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে যেতে আমন্ত্রণপত্র পরিবর্তন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করেন। মন্ত্রণালয়কে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টার অভিযোগে তাকে দুই দফায় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি কোনো জবাব দেননি। এ ঘটনার বিষয়ে ২০২২ সালের ২৪ ডিসেম্বর একটি দৈনিকে &lsquo;ভয়াবহ জালিয়াতি যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য মিথ্যা তথ্য দেন ডা. ফাতেমা&rsquo; শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিকেল অফিসার হিসাবে কর্মরত থাকা অবস্থায় ডা. ফাতেমা ২০০৪ সালের ২ মে ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে যান। ৪ মাস কারাভোগের পর ওই বছরের ৪ সেপ্টেম্বর কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১১ সেপ্টেম্বর তিনি পুনরায় কাজে যোগদান করেন। ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার ও কারান্তরীণের তথ্য গোপন করেন তিনি। তথ্য গোপন করে স্বাভাবিক নিয়মে বেতন-ভাতা ও পদোন্নতিসহ সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। তথ্য গোপন করা এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপনের সব অভিযোগ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ ও পলায়নের দায়ে গুরুদণ্ডস্বরূপ চাকরি থেকে বরখাস্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।

ওই দৈনিকে অনুসন্ধানে জানা যায়, বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকরের লক্ষ্যে সরকারি চাকরি বিধিমালার ৭(১০)-এর আলোকে পিএসসির মতামত চেয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ১৮ ফেব্রুয়ারি এক প্রস্তাব (চিঠি) পাঠায়।

পিএসসি সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে ফাতেমা দোজার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী অসদাচরণ এবং ৩(গ) বিধি মোতাবেক &lsquo;পলায়ন&rsquo;র অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই বিধিমালার ৪(৩)(ঘ) অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ কর্তৃক গৃহীত গুরুদণ্ড হিসাবে চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ মতামত দেয়। ২৭ মার্চ পিএসসি সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে মতামত প্রদানের বিষয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়। চিঠিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে কমিশন সচিবালয়কে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু পিএসসি থেকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে মতামত প্রদানের ৪ মাস পার হলেও দৃশ্যত কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডা. ফাতেমা দোজার একাধিক সহকর্মী জানান, ফাতেমা দোজা শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। দেশে শেখ হাসিনার আলট্রাসনোগ্রাম ও রেডিওলজিক্যাল পরীক্ষায় ডা. ফাতেমা দোজা সশরীরে উপস্থিত থাকতেন। তাছাড়া আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নীতিনির্ধারকদের চিকিৎসক দলের সদস্য ছিলেন। ক্ষমতার দাপটে অনিয়মের বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে এক যুগেরও বেশি সময় অবৈধভাবে সব সুযোগ-সুবিধাসহ চাকরি করে আসছেন।

এসব বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিষয়ে কার্যক্রম চলছে।

আমারবাঙলা/জিজি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 16 Aug 2025 05:41:08 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
