<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/health</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/health"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla health Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest health News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sat, 09 May 2026 08:22:20 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[নীলফামারীতে ১০০০ শয্যার হাসপাতাল পরিদর্শনে চীনা প্রতিনিধি দল]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16533" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16533</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উত্তরবঙ্গের চিকিৎসা সেবার মান বদলে দিতে নীলফামারীতে নির্মিত হতে যাচ্ছে ১০০০ শয্যার &#39;বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল&#39;।

২ হাজার ২&rsquo;শ ৯২ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিতে শনিবার(৯মে) নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইলে প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু করেছে চীনা প্রতিনিধি দল।

প্রতিনিধি দলের নেতা ডং লি এর নেতৃত্বে ৬ সদস্যের এই কারিগরি প্রতিনিধি দল শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় দারোয়ানীতে পৌঁছান। তারা মূলত এই প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত ২৫ একর জায়গার প্রাথমিক সমীক্ষা করছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ২ হাজার ২৯২ কোটি টাকার এই প্রকল্পে চীন সরকার অনুদান হিসেবে দিচ্ছে ২ হাজার ২১৯ কোটি টাকা।

পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব ফাতেমা তুজ জোহরা জানান, এখানে ২৫ একর জমির ওপর আধুনিক ১০ তলা হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ডরমেটরি ও আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলা, প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো এবং আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।

১০০০ শয্যার মধ্যে ৫০০টি থাকবে সাধারণ বেড এবং বাকি ৫০০টি হবে সম্পূর্ণ বিশেষায়িত।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, অনকোলজি, নিউরোলজি প্রভৃতি বিশেষায়িত বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

বলেন, আধুনিক জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ, উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) সাইদুল ইসলাম, সিভিল সার্ন ডা. আব্দুর রাজ্জাক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 08:22:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজবাড়ীতে বিশ্ব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16527" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16527</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&ldquo;মানবতার সেবায় ঐক্যবদ্ধ&rdquo; প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রাজবাড়ীতে বিশ্ব রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস উদযাপিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজবাড়ী রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের আয়োজনে দিবসটি উপলক্ষে রেড ক্রিসেন্ট ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও রেড ক্রিসেন্টের পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে সেখানে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মোঃ আব্দুস সালাম মিয়া।

জেলা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল আলম দুলালের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সদস্য মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, আঞ্জুমান আরা বেগম, মেহেদী হাসান রনি, মোঃ হাবিব শেখ, কাজী আরাফাত হোসেন জিসানসহ ইউনিটের স্বেচ্ছাসেবকরা।

এসময় বক্তারা বলেন, মানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্ট সবসময় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দুর্যোগ, সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ের সময় রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তারা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 13:38:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্যানসার আক্রান্ত শিশু ফাহিমকে বাঁচাতে প্রয়োজন আরও ৬ লাখ টাকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16514" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16514</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফাহিম আহমেদের চিকিৎসা অর্থের অভাবে থেমে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।

উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে সুস্থ করে তুলতে এখন প্রয়োজন আরও প্রায় ৬ লাখ টাকা। কিন্তু ইতোমধ্যে সহায়-সম্বল সব বিক্রি করে চিকিৎসা চালানো পরিবারটির পক্ষে এ অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।

ফাহিম আহমেদ কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের তালুক আষাঢ়ু গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান ও ফেন্সি আক্তার দম্পতির একমাত্র সন্তান।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, নিয়মিত কেমোথেরাপি ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারলে ফাহিম স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। ইতোমধ্যে চিকিৎসায় তার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতিও হয়েছে।

তবে কেমোথেরাপি ও ওষুধের ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি চরম অর্থ সংকটে পড়েছে।

ফাহিমের বাবা মিজানুর রহমান বলেন, &ldquo;আমার ছেলেটা এখন আগের চেয়ে ভালো আছে। ডাক্তার বলেছেন, নিয়মিত চিকিৎসা চালাতে পারলে সে সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু চিকিৎসার জন্য যা ছিল সব বিক্রি করে এখন আমি নিঃস্ব।&rdquo;

পরিবারের সদস্যরা জানান, এখন মানুষের সহায়তা ছাড়া ছেলেটার চিকিৎসা চালানো সম্ভব নয়।

ফাহিমের দাদা আব্বাছ আলী বলেন, &ldquo;নাতির চিকিৎসার জন্য বাড়িঘর, দোকান সব বিক্রি করেছি।

এখন নিজেরাও দুবেলা খেয়ে, না খেয়ে কষ্টে আছি।

তবু নাতিটাকে বাঁচাতে চাই।&rdquo;
মা ফেন্সি আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, &ldquo;আমার সন্তান অন্য বাচ্চাদের মতো খেলতে চায়, স্কুলে যেতে চায়।

অন্য বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়া দেখে সে আমায় জড়িয়ে ধরে বলে, মা আমি কবে স্কুলে যাব? এই কথা শুনলে বুক ভেঙে যায়। আমরা সব বিক্রি করে শেষ করেছি। এখন কীভাবে চিকিৎসা করাব, বুঝতে পারছি না।&rdquo;
একমাত্র ছেলেকে বাঁচাতে সহায়-সম্বল বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

তারা সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা:

মো. মিজানুর রহমান (ফাহিমের পিতা)
মোবাইল (বিকাশ/নগদ): ০১৭৬৭২৮০০১১
অগ্রণী ব্যাংক, রাজারহাট শাখা: ০২০০০২৩৩৫৩৭৮৩
ডাচ-বাংলা ব্যাংক, কুড়িগ্রাম শাখা:

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 05 May 2026 11:29:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাড়ক্ষয় রোগ: জনস্বাস্থ্যে নীরব সংকটের সতর্ক বার্তা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16437" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16437</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডা.মু. মাহতাব হোসাইন মাজেদ : হাড়ক্ষয় রোগ, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অস্টিওপোরোসিস নামে পরিচিত, একটি নীরব কিন্তু অত্যন্ত গুরুতর সমস্যা। এ রোগে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায় এবং ভেতরের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে, ফলে হাড় সহজেই ভেঙে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে রোগটি দীর্ঘদিন অজানা থাকে এবং হঠাৎ ভাঙন বা তীব্র কোমর ব্যথার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

বাংলাদেশ ও বিশ্বে অবস্থা

বাংলাদেশে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ১০&ndash;১২ শতাংশ মানুষ হাড়ক্ষয়ে আক্রান্ত এবং আরও প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ হাড় দুর্বলতার ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, বিশেষত মাসিক বন্ধ হওয়ার পর।

বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধ জনগোষ্ঠীর মধ্যে হাড়ক্ষয় একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর ঝুঁকি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

হাড়ক্ষয়ের প্রধান কারণ

হাড়ক্ষয় সাধারণত একাধিক কারণে হয়ে থাকে। প্রধান কারণগুলো হলো:

* বয়স বৃদ্ধি এবং হাড়ের স্বাভাবিক ক্ষয়

* শরীরে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি

* নারীদের হরমোন পরিবর্তন (বিশেষ করে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর)

* দীর্ঘদিন স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ

* শারীরিক পরিশ্রম ও ব্যায়ামের অভাব

* ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস

* পারিবারিকভাবে এই রোগের ইতিহাস

* অপুষ্টি ও কম ওজন

লক্ষণ ও উপসর্গ

হাড়ক্ষয় রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। তবে ধীরে ধীরে কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়:

* কোমরের নিচের অংশে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা

* উচ্চতা কমে যাওয়া

* শরীর সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া

* অল্প আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া

চলাফেরায় অস্বস্তি।এই লক্ষণগুলো অনেক সময় বয়সজনিত সমস্যা মনে করে অবহেলা করা হয়, যা পরবর্তীতে জটিলতা বাড়ায়।

কোমর ব্যথা, পা অবস ও পক্ষাঘাতের সম্পর্ক

হাড়ক্ষয় রোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ জটিলতা হলো মেরুদণ্ডের হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া। এতে মেরুদণ্ডে ভাঙন বা চাপে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এর ফলে দেখা দিতে পারে:

* কোমর থেকে নিচের দিকে ঝিনঝিনি বা অবস ভাব

* ডান বা বাম পা অবশ হয়ে যাওয়া

* দুই পা অবস হয়ে পড়া

* হাঁটতে অসুবিধা

* গুরুতর ক্ষেত্রে পক্ষাঘাত

এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে এটি জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

রোগের প্রকারভেদ

হাড়ক্ষয় রোগ প্রধানত দুই ধরনের:

১. প্রাথমিক হাড়ক্ষয়

বয়সজনিত কারণে হয় এবং নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক বন্ধ হওয়ার পর বেশি দেখা যায়।

২. দ্বিতীয়িক হাড়ক্ষয়

অন্য কোনো রোগ বা দীর্ঘদিন ওষুধ সেবনের কারণে হয়, যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, কিডনি রোগ বা দীর্ঘস্থায়ী অসুখ।

রোগ নির্ণয়ের উপায়

হাড়ক্ষয় নিশ্চিত করতে কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষা করা হয়:

* হাড়ের ঘনত্ব পরিমাপ পরীক্ষা

* বিশেষ স্ক্যানের মাধ্যমে হাড়ের অবস্থা নির্ণয়

* এক্স-রে দ্বারা ভাঙন শনাক্ত করা

* ঝুঁকি নির্ণয়ের জন্য বিশেষ মূল্যায়ন পদ্ধতি।প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্ত করা গেলে জটিলতা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।

জটিলতা

চিকিৎসা না করলে হাড়ক্ষয় রোগ নানা গুরুতর জটিলতার দিকে নিয়ে যায়:

* নিতম্বের হাড় ভেঙে যাওয়া

* মেরুদণ্ডে ভাঙন

* দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথা

* চলাফেরার অক্ষমতা

* বিছানায় পড়ে থাকা

* মানসিক অবসাদ

অনেক ক্ষেত্রে রোগীরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন না এবং অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।

শেষ পরিণতি

হাড়ক্ষয় রোগের অবহেলা বা দেরিতে চিকিৎসা করলে এর শেষ পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ হতে পারে:

* স্থায়ী ব্যথা

* এক বা দুই পা অবস হয়ে যাওয়া

* পক্ষাঘাত

* স্থায়ী অক্ষমতা

* মৃত্যুঝুঁকি বৃদ্ধি (বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে)

ঘরোয়া পরামর্শ

হাড়ক্ষয় পুরোপুরি ঘরে বসে চিকিৎসা করা যায় না, তবে কিছু অভ্যাস রোগের ঝুঁকি কমাতে ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে:

১. খাদ্যাভ্যাসে যত্ন

* প্রতিদিন দুধ, দই, ডিম, ছোট মাছ (কাঁটাসহ) খাওয়ার চেষ্টা করুন

* শাকসবজি যেমন পালং শাক, লাল শাক বেশি খান

* তিল, বাদাম, ডাল&mdash;এগুলো ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস

২. সূর্যালোক গ্রহণ

* প্রতিদিন সকাল বা বিকেলে ১৫&ndash;২০ মিনিট রোদে থাকুন

* এতে শরীরে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি হয়

৩. নিয়মিত ব্যায়াম

* হালকা হাঁটা, সিঁড়ি ওঠা-নামা

* সহজ ব্যায়াম যেমন হাঁটা ও যোগব্যায়াম

* এতে হাড় ও পেশি শক্ত থাকে

৪. ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ

* ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করুন

* অতিরিক্ত চা-কফি কমান

৫. নিরাপদ চলাফেরা

* পা পিছলে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাতে ঘর পরিষ্কার রাখুন

* বয়স্কদের জন্য বাথরুমে ধরার ব্যবস্থা রাখা ভালো

৬. চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলা

* প্রয়োজনে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ

* নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

কখন সতর্ক হবেন

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি:

* দীর্ঘদিন কোমর ব্যথা

* পায়ে অবস বা ঝিনঝিনি

* হঠাৎ উচ্চতা কমে যাওয়া

* অল্প আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া

হাঁটতে কষ্ট হওয়া।

হোমিও সমাধান

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা পদ্ধতির মূলনীতি হলো&mdash;&ldquo;রোগ নয়, রোগীকে চিকিৎসা করা&rdquo;। অর্থাৎ একই রোগে ভুগলেও প্রত্যেক ব্যক্তির শারীরিক গঠন, মানসিক অবস্থা, উপসর্গের ধরন ও প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। তাই হোমিওপ্যাথিতে রোগের নামের উপর নির্ভর না করে রোগীর সামগ্রিক অবস্থার ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন করা হয়।

হাড়ক্ষয় (অস্টিওপোরোসিস) রোগের ক্ষেত্রে রোগীর উপসর্গ, দুর্বলতা, ব্যথার ধরন, শরীরের গঠন ও জীবনযাপনের ধরণ বিবেচনায় নিয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন ঔষধ প্রয়োগ করে থাকেন:ক্যালকেরিয়া কার্বোনিকা,ক্যালকেরিয়া ফসফোরিকা,ক্যালকেরিয়া ফ্লুরিকা,সাইলেসিয়া,ফসফরাস,ন্যাট্রাম মিউর,ম্যাগনেশিয়া ফস,কালি কার্ব,কালি ফস, সিম্ফাইটাম, রুটা, আর্নিকা মন্টানা,ব্রায়োনিয়া, রাস টক্স

, সেপিয়া, সালফার,লাইকোপোডিয়াম,অরাম মেটালিকাম, স্ট্যানাম,বারিটা কার্ব, অ্যাসিড ফস,কনিয়াম,জিঙ্কাম মেট, ক্যালি আয়োড, ফ্লুরিক অ্যাসিড তাই উপরের ঔষধগুলো কেবল ধারণামূলক তালিকা। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সঠিক ঔষধ নির্ধারণ করবেন একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক।

হোমিওপ্যাথিক সতর্কতা

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হলেও এর সঠিক ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখা উচিত&mdash;

* হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন যোগ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করা উচিত

* একই রোগে সবার জন্য একই ঔষধ কার্যকর নাও হতে পারে

* অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার ঔষধ গ্রহণ ক্ষতিকর হতে পারে

* একসাথে একাধিক ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয়

* ঔষধ গ্রহণের আগে ও পরে অন্তত ১৫&ndash;২০ মিনিট কিছু খাওয়া বা পান করা থেকে বিরত থাকা ভালো

* কফি, পুদিনা ও তীব্র গন্ধযুক্ত বস্তু অনেক ক্ষেত্রে ঔষধের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে।

পরামর্শ

* নিজে নিজে চিকিৎসা করা থেকে বিরত থাকা নিরাপদ এবং বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত।

পরিশেষে বলতে চাই, হাড়ক্ষয় রোগ একটি ধীরগতির কিন্তু বিপজ্জনক সমস্যা, যা প্রথমে তেমন লক্ষণ না দেখালেও পরে মারাত্মক জটিলতায় রূপ নেয়। কোমর ব্যথা থেকে শুরু করে পা অবস ও পক্ষাঘাত পর্যন্ত গড়াতে পারে।তবে সচেতনতা, সুষম খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে এই রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।তাই শুরুতেই সতর্ক হওয়া এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা&mdash;এই দুইটাই সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক : কলাম লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক , প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান : জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি , ইমেইল : drmazed96@gmail.com

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 15:04:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16287" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16287</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হামে বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল আটটা থেকে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল আটটা পর্যন্ত আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে আরও ছয় শিশুর।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে আরোও বলা হয়, এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৩ জনের। আর লক্ষণ নিয়ে ১৪৩ জন মারা গেছেন।

হামের মৃত্যুর মধ্যে সর্বোচ্চ ঢাকায় ১০ জন , বরিশালে ৫ জন এবং ৩ জন করে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এবং দুইজন ময়মনসিংহের হাসপাতালগুলোতে মারা গেছেন। অপরদিকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে রাজশাহী বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৬৪ জনের এবং ঢাকায় এ সংখ্যা ৫৮ জন।

সর্বশেষ বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৭৪ শিশু। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪২ জনের।

একদিনে সবচেয়ে বেশি ২৬১ জন ভর্তি হয়েছেন ঢাকার হাসপাতালগুলোতে এবং সবচেয়ে কম ১২৬ জন ভর্তি হয়েছেন ময়মনসিংহে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ২৫১ জন। এদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫ হাজার ৮০১ জন।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 09 Apr 2026 13:28:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফুলবাড়ীতে লক্ষণ দেখে হামের চিকিৎসা, নেই পরীক্ষার ব্যবস্থা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16234" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16234</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে এখনও হামের সনাক্ত না হলেও লক্ষণ আর অনুমান নির্ভর করে ৮ জন শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকাস্থ ইপিআই ভবনে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে মাহির হোসেন (৫) নামের এক শিশুর ফলাফল এসেছে। পরীক্ষায় শিশুটির নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। অর্থ্যাৎ সে হামে আক্রান্ত নয়। কিন্তু অন্য ৭ জন শিশুর এখন ফলাফল আসেনি।

মাহির হোসেন ফুলবাড়ী উপজেলার শিবনগর ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শিশু মাহির হোসেন অসুস্থ হলে তার পিতা-মাতা ২৬ মার্চ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। চিকিৎসকদের কাছে হামের লক্ষণ সন্দেহ হওয়ায় তার রক্ত পরীক্ষার জন্য ওইদিনই ঢাকাস্থ ইপিআই বিভাগে পাঠানো হয়। ৩০ মার্চ মাহির হোসেনের রক্তের ফলাফল পাওয়া যায়। তাতে সে হাম মুক্ত রয়েছে বলে রক্তের পরীক্ষার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে অন্য ৭জন শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য একইদিন পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মশিউর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত কোনো শিশু সনাক্ত হয়নি। তবে যেসব শিশু আসছে তাদের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হামের লক্ষণ সন্দেহ হলে সেই সব শিশুর রক্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত হামের কোনো পজিটিভ রিপোর্ট আসেনি। ফলে আমরা এখন পর্যন্ত হাম মুক্ত রয়েছি বলা যায়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 10:47:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হামের  টিকা রোববার থেকে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16225" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/16225</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আগামী রোববার থেকে সারাদেশে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

আজ বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হামের প্রকোপ বেশি এমন উপজেলাগুলোতে আগামী দুই দিনের মধ্যে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। রোববার সকাল থেকেই জরুরি এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 01 Apr 2026 11:00:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইফতারে কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/15621" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/15621</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতার শুধু ক্ষুধা নিবারণের সময় নয় এটাই দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। সঠিক খাবার বেছে নিলে শরীর থাকবে সতেজ ও সুস্থ, আর ভুল খাবার ডেকে আনতে পারে অম্বল, গ্যাস্ট্রিক ও ক্লান্তি। তাই জেনে নিন, ইফতারে কী খাবেন আর কোন খাবার থেকে সাবধান থাকবেন।

ইফতার শুরু হোক সুন্নতি ও স্বাস্থ্যকর উপায়ে
খেজুর ও পানি
১&ndash;৩টি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা উত্তম
খেজুরে রয়েছে প্রাকৃতিক চিনি, যা দ্রুত শক্তি জোগায়
এক গ্লাস পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে
দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর এটি শরীরকে ধীরে ধীরে খাবারের জন্য প্রস্তুত করে।

কেন ফল খাবেন?

তরমুজ শরীর ঠান্ডা রাখে
কলা শক্তি দেয়
পেঁপে ও আপেল হজমে সাহায্য করে
মৌসুমি ফল ভিটামিন ও ফাইবারের ভালো উৎস,ফলের সালাদ ইফতারের জন্য হালকা ও উপকারী বিকল্প।

হালকা কিন্তু পুষ্টিকর খাবার রাখুন তালিকায়
কী রাখতে পারেন?
ডাল বা সবজি স্যুপ
সেদ্ধ ছোলা
ডিম
অল্প পরিমাণ ভাত বা রুটি,এসব খাবার ধীরে ধীরে শক্তি দেয় এবং পেটের উপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে না।

যেসব খাবার ইফতারে কম খাবেন

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার
পিয়াজু, বেগুনি, সমুচা ইত্যাদি
অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার
গ্যাস ও অম্বলের ঝুঁকি বাড়ায়,অল্প পরিমাণে খাওয়া যায়, কিন্তু নিয়মিত বেশি খাওয়া ক্ষতিকর।

কোমল পানীয় ও অতিরিক্ত মিষ্টি
সফট ড্রিংকস
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত শরবত
ভারী মিষ্টান্ন।

আমারবাঙলা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 19 Feb 2026 07:14:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে শেষ করতে হবে: ধর্ম মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14800" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14800</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এসব পরীক্ষার ভিত্তিতে তাদের টিকা নিতে হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক নিবন্ধিত সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ৬ জানুয়ারি হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের পূর্বে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের হজযাত্রীদের টিকা গ্রহণের আগে আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

রিপোর্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest P/A view (রিপোর্টসহ), ECG (রিপোর্টসহ), Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) ও Blood Grouping and Rh Typing।

এছাড়াও দুরারোগ্য ব্যাধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) নির্ণয়ের জন্য আরও কিছু পরীক্ষা সম্পন্নের কথা বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১। সন্দেহজনক হৃদপিন্ডের অকৃতকার্যতার পরীক্ষা- Echocrdiography। ২।কিডনি জটিলতার ক্ষেত্রে- S. Creatinine, USG of KUB। ৩। সন্দেহজনক লিভার সিরোসিস রোগের ক্ষেত্রে- USG Whole abdomen, Endoscopy of upper GIT. ৪। দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ শনাক্তকরণে-Sputum for AFB, CTScan of chest, Serum bilirubin, SGPT, Albumin Globubin ratio।

হজযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইল কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে দাখিল করে টিকা গ্রহণ করে স্বাস্থ্য সনদ নিতে হবে।

যে কোনো তথ্যের জন্য হজের কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আমারবাঙলা/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 10 Jan 2026 08:10:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নেক পেইন সচেতনতায় রয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিজিওথেরাপি কর্মসূচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14718" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14718</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্তমান ডিজিটাল যুগে মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহারের মাত্রাতিরিক্ত প্রবণতার কারণে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ঘাড় ব্যথা ও বিভিন্ন মাংসপেশী ও অস্থিসংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকাতে (আরইউডি) অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি বিশেষ স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কর্মসূচি।

শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত &lsquo;Neck Pain &amp; Device-Related Physiotherapy Awareness Program for University Students (Mobile/Laptop Users) and University Blood Donation Awareness Program&rsquo; শীর্ষক এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তেজগাঁও শিল্প এলাকা ক্যাম্পাসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতায় ছিল রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকা ও রোটার&zwj;্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন সিটি। পুরো আয়োজনটি পরিচালিত হয় রোটারির বৈশ্বিক থিম &lsquo;Unite for Good&rsquo; অনুসরণ করে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র পরিবেশে উদ্বোধন ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আফরিন আখতার মিম। এরপর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি পর্বে কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য তুলে ধরেন রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোশিউর রহমান।

পরবর্তী পর্বে ফ্যাকাল্টি অব আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস&rsquo;র ডিন ড. দিপু সিদ্দিকী তার ব্ক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ সময় মোবাইল ও ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঘাড় ব্যথা, পিঠ ব্যথা, কাঁধ ও হাতের সমস্যাসহ বিভিন্ন মাংসপেশীজনিত জটিলতা বাড়ছে। এসব সমস্যা উপেক্ষা করলে ভবিষ্যতে তা দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিতে পারে।

এ সময় রোটারি ক্লাব অব বনানী ঢাকা এবং রোটার&zwj;্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা গ্রিন সিটি-এর প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্বনামধন্য ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ডা. এম. ইয়াসিন আলী, চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট-ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ঘাড় ব্যথার কারণ, উপসর্গ, প্রতিরোধ ও ফিজিওথেরাপিভিত্তিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ইয়াসিন আলী সঠিক ভঙ্গিতে বসা, স্ক্রিনের উচ্চতা ঠিক রাখা, নিয়মিত বিরতি নেওয়া, সহজ স্ট্রেচিং ও এক্সারসাইজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি প্রাথমিক পর্যায়েই ফিজিওথেরাপি নিলে বড় ধরনের জটিলতা এড়ানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এরপর অনুষ্ঠিত হয় রক্তদান সচেতনতামূলক সেশন, যা পরিচালনা করে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। এই পর্বে রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা, নিরাপত্তা ও সামাজিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সমাপনী ও কৃতজ্ঞতা বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সেশন চেয়ার, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ভাইস চ্যান্সেলর (ডিজিগনেট), রয়্যাল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা।


আমারবাঙলা/এবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 06:42:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাজার থেকে কিটক্যাট চকলেট সরানোর  নির্দেশ, সতর্কতা জারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14386" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14386</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নেসলে কিটক্যাট চকলেটের একটি বিতর্কিত লট বাজার থেকে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারির মধ্যে সরানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) আদালতের আদেশে জারি করা খাদ্য সম্পর্কিত মামলায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে অপসারণ এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।

বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নেসলে বাংলাদেশের ওই চকলেট লট বাজার থেকে সরাতে হবে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান জানান, নেসলে কিটক্যাট চকলেট অনিবন্ধিত, অনুমোদনহীন এবং নিম্নমানের এটি অনিরাপদ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও ভেজালযুক্ত যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি

কামরুল আরও জানান, বাংলাদেশের জনগণের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, ভেজাল ও ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য নিয়ন্ত্রণ করা এবং খাদ্য ব্যবসায় শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে আদালতে নেসলে কিটক্যাট চকলেট বাজার থেকে প্রত্যাহার ও ধ্বংস করার আবেদন করা হয়েছে। সে সঙ্গে, বিএসটিআই লাইসেন্স ও ছাড়পত্র না পাওয়া পর্যন্ত এই চকলেটের আমদানি, বিপণন ও বিক্রয় স্থগিত রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

আমারবাঙলা/এসএবি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Dec 2025 11:30:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোগী দেখার সময় গেম খেলছেন চিকিৎসক, হাসপাতালে দুদকের অভিযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14332" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14332</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুষ্টিয়া জেলা সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায়ের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল এ অভিযান পরিচালনা করে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয়। এসময় বহির্বিভাগের চিকিৎসক ডা. সামরিন সুলতানার দায়িত্বে অবহেলা, নিয়মিত কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ছুটিতে থাকার অভিযোগের নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রাথমিক সত্যতা পায় দুদক।

জেলা সমন্বিত দুদক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক বিজন কুমার রায় জানান, ডাঃ সামরিন সুলতানা ২০২৫ সালের ২৪ মে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগদান করেন। এরপর কয়েকদিন আগে রোগীদের সেবার পাশাপাশি মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসছে দুদক। কিন্তু ডাঃ সামরিন সুলতানা অনুমতি না নিয়ে তার কর্মস্থল থেকে ত্যাগ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, ডাঃ সামরিন সুলতানা বেশির ভাগ সময় তার কর্মস্থলে অনেক লেট করে এসেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, কর্মকর্তার অনুমতি বিহীন ১৭ দিন কর্মস্থলে আসেননি তিনি। বর্তমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫৫টি ডাক্তার ও ১৮০ জন নার্স, ৩০ জন কর্মচারী, ২০জন টেকনো লিজ, ১৪ জন টেকনিশিয়ান তাদের ডিজিটাল হাজিরা সিট পর্যবেক্ষণ করে দুদক কিন্তু এতে বেশির ভাগ ডাক্তার ও নার্সের অনুপস্থিত আছেন। এ সংক্রান্তিতে একটি প্রতিবেদন করে দুদুকের প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল কবীর বলেন গেল দুদিন আগে রোগী দেখার সময় ডা. সামরিন সুলতানার মোবাইলে গেম খেলার একটি ভিডিও গণমাধ্যমে প্রচার হলে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে শোকজ করা হয়েছে। ডাক্তার অনুপস্থিতিতের বিষয়ে বলেন, কয়েকজনকে সতর্ক করা হয়েছে। এতে অনুপস্থিতিতের ঘটনা আগের তুলনায় কিছুটা কমছে। তবে কয়েকদিনের ভেতর ঠিক হয়ে যাবে&mdash;বলে তিনি বলেন।

আমারবাঙলা/আরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 14 Dec 2025 13:51:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৫ জন, নতুন ভর্তি ৪৯০]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14016" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/14016</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়ে ৪৯০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৫জনের মধ্যে ১জন পুরুষ, ৪জন নারী।

এ নিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগী বেড়ে দাঁড়ালো ৯৬ হাজার ৬৭ জনে।চলতি বছর নভেম্বর মাসে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে।

ডেঙ্গু জ্বর: লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধে করণীয়;-

ডেঙ্গুর লক্ষণ:

হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২&ndash;১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট), তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে চোখের পেছনে, শরীরজুড়ে ব্যথা (অনেকেই একে &lsquo;হাড়ভাঙা জ্বর&rsquo; বলেন),
বমি বমি ভাব বা বমি, ত্বকে ফুসকুড়ি বা র&zwj;্যাশ, দুর্বলতা ও অরুচি।পেটের তীব্র ব্যথা, ঘন ঘন বমি হওয়া,নাক-মুখ বা মাড়ি দিয়ে রক্তপাত, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

ডেঙ্গু হলে কী খাওয়া উচিত?

ডাবের পানি
পেঁপে, কমলা, জাম্বুরার রস
হালকা খিচুড়ি, ডাল, মাছের ঝোল, স্যুপ
সেদ্ধ ডিম
চিকিৎসকের পরামর্শে পেঁপে পাতার রস

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়
ডেঙ্গুর কোনও প্রতিষেধক নেই, তাই প্রতিরোধই একমাত্র উপায়। এর জন্য ঘর এবং আশেপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সবচেয়ে জরুরি।

যা করতে হবে-
জমে থাকা পানি নিয়মিত ফেলে দিন (ফুলের টব, এসির ট্রে, ফ্রিজের নিচে ইত্যাদি)
পুরনো টায়ার, বোতল, বা পাত্র উল্টে রাখুন যেন পানি জমে না থাকে
দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করুন
শরীর ঢেকে রাখে এমন পোশাক পরিধান করুন
মশা নিরোধক স্প্রে ও কনটেইনারে লার্ভানাশক ব্যবহার করুন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, প্রয়োজন পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত সচেতনতা। প্রতিদিনের অভ্যাসে সামান্য।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 03 Dec 2025 12:08:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় চিকিৎসার অভাবে রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসকের উপর হামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13801" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে মোহাম্মদ মোল্লা (৪০) নামে এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় রোগীর স্বজনের ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহতের হয়নি। আজ ২১ নভেম্বর (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

রোগীর স্বজনেরা জানান মোহাম্মদ মোল্লা সকালের দিকে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা থানার অর্ন্তগত সাতগাছি মাঠে কাজ করতে যায়। কিন্তু কাজ করার সময় হঠাৎ করে মোহাম্মদ মোল্লা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষনিকভাবে শৈলকূপা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তার চিকিৎসার অবস্থা অবনতি হলে শৈলকূপার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বর চিকিৎসক তাকে দ্র&aelig;ত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। বিকেলের দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে আসলে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক তাদের রোগীকে ইসিজি করতে বলেন এরপর ইজিসি করার পর ২ ঘন্টা ধরে তার কোন চিকিৎসা প্রদান করেন নাই এখানকার চিকিৎসক। তাদের অবহেলার কারণে মোহাম্মদ মোল্লা মারা যান বলে অভিযোগ করেন। অবহেলার রোগীর মৃত্যু হওয়ায় রোগীর স্বজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে দায়িত্ব ইন্টার্ন চিকিৎসকের উপর চড়াও হয়। পরে কুষ্টিয়া মডেল থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

রোগীর স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন একজন ডায়রিয়া নতুন রোগীকে চিকিৎসা নিতে হলে প্রথমে জরুরী বিভাগে এরপর চিকিৎসা রিপোর্ট লেখার পর ভর্তি করেন। এরপর আরেকজন চিকিৎসককে দেখাতে যেতে হয় সেটা জরুরী বিভাগ থেকে অনেক দূর। ওখান থেকে পুনরায় চিকিসৎককে দেখানোর পর তিনি ঔষুধের &macr;ি&oslash;প হাতে ধরে দেন। এরপর দোকান থেকে ঔষুধ কিনে চিকিৎসা নিতে নিতে অনেক ডায়রিয়া রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে কেউ রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার তদন্ত অফিসার আব্দুল আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন ঘটনাস্থল থেকে ফোন আসে। এরপর তাৎক্ষনিক পুলিশ পাঠিয়েছি। পরে আর ঘটনার বিষয়ে জানা সম্ভব হয়নি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 22 Nov 2025 07:31:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাসপাতালে দিনে গড়ে ভর্তি ২৬৯ টাইফয়েড রোগী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13774" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13774</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে গত বছর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮ হাজারে ২৪৩ রোগী। সেই হিসাবে দৈনিক গড়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৬৯ জন। মারা গেছেন ৮১ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০২৪ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি হন না। সেই হিসাব ধরলে প্রকৃত আক্রান্ত ও মৃত্যু সংখ্যা সাত থেকে আট গুণ হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ (জিবিডি) তাদের ২০২১ সালের প্রতিবেদনে বলেছে, বাংলাদেশে বছরে আনুমানিক চার লাখ ৭৮ হাজার মানুষ টাইফয়েডে আক্রান্ত হন, প্রায় আট হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। মৃতের ৬৮ শতাংশই শিশু। সংক্রমণ কমাতে ৯৫ শতাংশ টিকাদান কভারেজ অর্জনই ছিল সাম্প্রতিক বিশেষ টিকা কর্মসূচির লক্ষ্য।

ঢাকার কয়েকটি সরকারি হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, শিশু, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক&ndash; সব বয়সীর ক্ষেত্রে টাইফয়েডে আক্রান্তের হার বাড়ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বর্তমানে ২০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে কর্মরত সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কয়েক সপ্তাহে টাইফয়েড-সংশ্লিষ্ট জ্বর, ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা নিয়ে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিক বাড়ছে। বর্ষার পরে পানিবাহিত রোগ বাড়ে, তবে এ বছর তা কিছুটা বেশি। অনেক রোগী দেরিতে আসছেন, ফলে জটিলতা বাড়ছে।

চিকিৎসকরা জানান, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, মাথাব্যথা, পেটব্যথা, ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য&ndash; এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে টাইফয়েড মারাত্মক জটিলতার দিকে যেতে পারে। দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর খাবার, স্যানিটেশনের অভাবে এই রোগ দেখা দিতে পারে।

জ্যেষ্ঠ জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. আবু জামিল ফয়সাল বলেন, টাইফয়েড প্রতিরোধে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করা, খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি। দূষিত পানি, রাস্তার খাবারের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং সঠিক স্যানিটেশন ব্যবস্থার ঘাটতি টাইফয়েড বাড়ার মূল কারণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. আহমেদ জমশিদ মোহাম্মদ বলেন, টাইফয়েড এখনও বৈশ্বিকভাবে হুমকির, প্রতি বছর ৯ মিলিয়ন আক্রান্ত এবং এক লাখ ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী টাইফয়েড বাড়ায় ঝুঁকি আরও বেশি। ঢাকার বিভিন্ন গবেষণায়ও দেখা গেছে, টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া ক্রমেই অ্যান্টিবায়োটিকের প্রতি অসহনশীল হয়ে উঠছে।

২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি ঢাকায় ডায়রিয়াজনিত রোগ ও পুষ্টিবিষয়ক পঞ্চদশ এশীয় সম্মেলনেও (অ্যাসকড) টাইফয়েড টিকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। ওষুধ প্রতিরোধী রোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করা যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গর্ডন ডোগান সম্মেলনে জানান, ঢাকা নগরে টাইফয়েডের জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে ঢাকার শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা ফাউন্ডেশনের প্রধান অধ্যাপক সমীর সাহা জানান, অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হওয়ার সমাধান পাওয়া যেতে পারে টাইফয়েড টিকার ব্যবহারের মাধ্যমে। ওই সম্মেলনেই জানানো হয়েছিল, সরকার খুব শিগগির দেশে কলেরা, টাইফয়েড, এইচপিভি ও রোটাভাইরাসের টিকার ব্যবহার শুরু করবে।

আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক তাহমিদ আহমেদ বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে মৃত্যু কমানো গেলেও এখন ওষুধই অকার্যকর হয়ে পড়ছে। তাই টিকানির্ভর প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তথ্য অনুযায়ী, টাইফয়েড প্রতিরোধে দেশজুড়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি করা হয়েছে। ১২ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় সাড়ে তিন কোটি শিশু টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) পেয়েছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭০ শতাংশ।

ইপিআইর উপপরিচালক মো. শাহারিয়ার সাজ্জাদ বলেন, টাইফয়েড টিকাদানের বিশেষ ক্যাম্পেইন শেষ হয়েছে। এ বছর আর ক্যাম্পেইন হবে না। অ্যান্টিবায়োটিক আগের মতো কার্যকর নয়, তাই বড় পরিসরে টিকাদান গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ২০২৬ সাল থেকে টিসিভি নিয়মিত জাতীয় টিকাদান সূচিতে যুক্ত হবে। বাংলাদেশ টাইফয়েড প্রতিরোধী এই টিকাটি পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির মাধ্যমে। এক ডোজের ইনজেকটেবল এই টিকা তিন বছর পর্যন্ত টাইফয়েড থেকে শিশুদের সুরক্ষা দেবে। ২০২০ সাল থেকেই এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে যাচাই করা, এটি নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত। সব মিলিয়ে আট দেশে শিশুদের এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে শিশুদের টাইফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। তাই এসব অঞ্চলে বড় পরিসরে টিকাদান কর্মসূচি করা হয়েছে।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Nov 2025 08:03:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাতের অপারেশন করতে গিয়ে প্রাণ গেল নারীর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13731" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13731</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালে ভুল চিকিৎসায় রাবেয়া বেগম (৪৮) নামে নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরের দিকে নিহতের মেঝো ছেলে মো.রাজন হোসেন এমন অভিযোগ করেন। এর আগে, শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রাইম হসপিটালের অপারেশন থিয়েটারে ওই নারী মারা যান।

মৃত রাবেয়া লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের সর্দার বাড়ির শামছুল হুদার স্ত্রী।

নিহতের ছেলে রাজন হোসেন অভিযোগ করে বলেন, দুই মাস আগে বাড়ির উঠানে পা পিছলে পড়ে বাম হাতের কব্জির ওপরে ভেঙে পেলেন মা। তাৎক্ষণিক চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের এক ডাক্তারের কাছে ভাঙা হাতে প্লাস্টার করা হয়। দুই মাস পর প্লাস্টার খুলে এক্সরে করলে দেখা যায় ভাঙা হাড় জোড়া লাগেনি। এরপর মাইজদীর প্রাইম হসপিটালের ডাক্তার ফরিদুল ইসলামের সাথে ৭৫ হাজার টাকায় মায়ের বাম হাতের ভাঙা স্থানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে পাত বসানোর চুক্তি হয়। চুক্তি মোতাবেক শনিবার সন্ধ্যায় মাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অজ্ঞান করেন অ্যানেসথেসিয়ান গোলাম হায়দার। পরে তার আর জ্ঞান ফেরেনি।
রাজন অভিযোগ আরও বলেন, অজ্ঞান করার এক ঘন্টা পর তাকে আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে ব্যাপক তালবাহানা করে রাত সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানান আমার মা মারা গেছেন। প্রকৃতপক্ষে আমার মা অজ্ঞান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান। রোববার সকালে হাসপাতাল থেকে আমাদের জানানো হয় অপারেশন, আইসিইউ ও অ্যাম্বুলেন্সের কোন খরচ লাগবেনা আপনারা মরদেহ নিয়ে যান। হাসপাতাল থেকে আমাকে বলা হয়েছে আমার মায়ের হাই প্রেসার থাকায় এমন হয়েছে। আবার বলে লো প্রেসার ছিল, এজন্য এমন হয়েছে। রবিবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে আমার বড় ভাই ও জেঠা হাসপাতালে এসে সমঝোতা করে মরদেহ নিয়ে গেছেন। কি সমঝোতা হয়েছে সেটা আমি এখনো জানিনা।

যোগাযোগ করা হলেে মাইজদী প্রাইম হসপিটালের সিনিয়র এজিএম শিপন শাহ ভুল চিকিৎসার মৃত্যু অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, অপারেশনের পর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। ডাক্তার রোগীর স্বজনদের বলেছে আপনারা মামলা করার প্রয়োজন মনে করলে করেন।

নোয়াখালী সিভিল সার্জ ডাক্তার মরিয়ম সিমি বলেন, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 17 Nov 2025 07:05:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাঙ্গুনিয়ায় ডাঃ এটিএম রেজাউল করিমের ফ্রি চিকিৎসা সেবা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13594" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13594</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাঙ্গুনিয়া আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডাঃ এটিএম রেজাউল করিমের উদ্যোগে আবারো বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পেয়েছে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ। শনিবার উপজেলার মধ্য বেতাগী এলাকায় দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। এতে সাধারণ মানুষের জন্য ফ্রি চিকিৎসা পরামর্শের পাশাপাশি রক্তের গ্রুপ নির্ণয়, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিত ওষুধ বিতরণ করা হয়।

ফ্রি এই মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করে রাঙ্গুনিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। ক্যাম্পে পার্কভিউ হাসপাতাল ও রাঙ্গুনিয়া হেলথ কেয়ার হাসপাতালের ২০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিভিন্ন রোগের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করেন। আয়োজক সূত্র জানায়, গত এক মাসে ধামাইরহাট, নিশ্চিন্তাপুর, বগাবিলি এবং বেতাগী এই চারটি ক্যাম্পে প্রায় সাত হাজার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও রাঙ্গুনিয়া ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. এটিএম রেজাউল করিম। তিনি বলেন, &ldquo;রাঙ্গুনিয়ার সাধারণ মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে আমরা নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প করছি। জনগণ যে আন্তরিকভাবে সাড়া দিচ্ছেন, তা আমাদের এই সেবা আরও সম্প্রসারণে অনুপ্রাণিত করছে।&rdquo;

তিনি আরো বলেন, বেতাগীতে যে সৌদি প্রজেক্ট নামে জায়গা রয়েছে এটাকে কাজে লাগিয়ে সরকারের উচিত সেখানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন করা। এমনটি হলে এই অঞ্চল থেকে বিপুল সংখ্যক দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাঙ্গুনিয়ার মানুষের জীবনমানও উন্নত হবে।&rdquo;

আয়োজক সূত্র জানায়, গত এক মাসে ধামাইরহাট, নিশ্চিন্তাপুর, বগাবিলি এবং বেতাগী।এই চারটি ক্যাম্পে প্রায় সাত হাজার মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। এবং নভেম্বর মাসে রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন স্থানে আরও তিনটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 08 Nov 2025 16:14:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যশোরে তরুণদের মধ্যে বাড়ছে এইচআইভি সংক্রমণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13452" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13452</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সীমান্তবর্তী জেলা যশোরে আশঙ্কাজনকভাবে এইচআইভি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম দশ মাসে (জানুয়ারি থেকে অক্টোবর) মোট ৪০ জনের বেশি এইচআইভিতে সংক্রমিত হয়েছেন, যার মধ্যে ২৫ জনই শিক্ষার্থী&mdash;যা মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি। এদের মধ্যে অনেকেই এইডসে আক্রান্ত।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও অভিভাবকদের জন্য আরও উদ্বেগের কারণ হলো, সংক্রমিত ও আক্রান্ত এসব শিক্ষার্থীর বয়স মাত্র ১৭ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। গত বছর (২০২৪ সালে) যেখানে মোট ২৫ জন আক্রান্তের মধ্যে শিক্ষার্থী ছিল ১২ জন, সেখানে এ বছর মাত্র ১০ মাসেই সেই সংখ্যা দ্বিগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর আক্রান্ত ৪০ জনের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ এবং ১৪ জন নারী। নারী-পুরুষের এই পরিসংখ্যানের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২৩ জনই সমকামী। গত বছর যশোরে মোট ২৫ জন এইচআইভি সংক্রমিত হয়েছিলেন এবং আক্রান্তদের মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল।

এই উদ্বেগজনক পরিসংখ্যানটি গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হওয়ায় সীমান্তবর্তী এই জেলার জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।

বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের এআরটি (অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি) সেন্টারে মোট ২২০ জন এইচআইভি ও এইডস আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। এই রোগীদের মধ্যে শুধু যশোর নয়, খুলনা বিভাগের অন্যান্য জেলার মানুষও রয়েছেন।

যশোরের জনসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ ৪৬ হাজার। সেই হিসাবে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে প্রায় একজন এইডস রোগী রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এবং পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে এই রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষ করে তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংক্রমণের এই ঊর্ধ্বগতি সবাইকে চিন্তিত করে তুলেছে।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের মূল সমন্বয়কারী ডা. কানিজ ফাতেমা বলেন, তরুণদের মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার বর্তমানে উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। তাদের কৌতূহল এখন বিপরীত লিঙ্গের চেয়ে সমলিঙ্গের প্রতি বেশি দেখা যাচ্ছে, যা এক ধরনের সামাজিক চক্রান্তের ফল। ইন্টারনেটের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের প্রভাবেই এমন প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আমরা এ বিষয়টি স্পষ্টভাবে লক্ষ্য করছি।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 29 Oct 2025 08:33:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে একদিনে ৪ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৪৩]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13415" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13415</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১১৪৩ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়।

এতএব বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১১৪৩ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২১ জন ,বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন, , ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৮২ জন,ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১৫৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৬৫ জন, খুলনা বিভাগে ৬৫ জন,রাজশাহী বিভাগে ৫৬ জন,ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৬ জন, রংপুর বিভাগে ৫০ জন এবং সিলেট বিভাগে ৮ জন ভর্তি হয়েছেন।

অন্যদিকে, গত এক দিনে সারা দেশে ১ হাজার ৫১ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪৪৪ ৪।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানান, এ বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৬৫ হাজার ৪৪০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বছরের এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৬৩ জনের।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 26 Oct 2025 13:25:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রথমবারের মতো সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13264" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/health/13264</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে আজ রবিবার (১২ অক্টোবর) সকালে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

রবিবার (১২ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২০ মিনিটে রাজধানীর আজিমপুরে স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম আনুষ্ঠানিকভাবে সারাদেশে টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, টাইফয়েডে এখনও দেশের শিশুদের মৃত্যু হয়&mdash;এটা আমাদের লজ্জার। ডায়রিয়া, রাতকানা রোগসহ অনেক কিছু আমরা প্রতিরোধ করেছি, এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব ইনশাআল্লাহ।

নূরজাহান বেগম বলেন, আমাদের এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ্য&mdash;রোগ প্রতিরোধ। যত বেশি মানুষ, বিশেষ করে শিশুদের প্রতিরোধমূলক টিকার আওতায় আনা যাবে, ততই হাসপাতালে ভিড় ও চাপ কমবে।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা যদি প্রতিটি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারি, তাহলে দেশে টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। এ উদ্যোগ আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ।

এসময় তিনি বলেন, টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়, এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই কর্মসূচি আমাদের শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে। দীর্ঘদিন ধরে টাইফয়েড একটি নীরব বিপদ হিসেবে থেকে গেছে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য। এবার সরকারের এ উদ্যোগ সেই দুর্বল জায়গায় বড় পরিবর্তন আনবে। আমি আশা করি, সবাই সচেতনভাবে অংশ নেবে এবং তাদের সন্তানদের টিকা নিশ্চিত করবে।

এক মাসব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে এক ডোজ ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য

অধিদপ্তর জানিয়েছে, জন্মসনদ না থাকা শিশুরাও এই টিকার আওতায় আসবে, যাতে কেউ বাদ না পড়ে।

এটি দেশের প্রথম জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট তৈরি করেছে টিকাটি, যা সরকার পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভির সহায়তায়।

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 12 Oct 2025 05:46:22 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
