<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/fashion</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/fashion"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla fashion Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest fashion News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 11 Feb 2026 12:05:37 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন সিইসি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/15372" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/15372</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার সারা দেশে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত। সাধারণত জাতীয় নির্বাচনের আগের দিন জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে থাকেন সিইসি।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক বলেন, আজ সন্ধ্যায় (৭টায়) বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে সিইসির ভাষণ সম্প্রচার হওয়ার কথা রয়েছে।

আগামীকাল অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 11 Feb 2026 12:05:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাকিস্তানি ফ্যাশন ডিজাইনারের সঙ্গে ছবি তুলে বিপাকে কারিনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/10896" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/10896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভারতশাসিত কাশ্মীরের পেহেলগামে জঙ্গি হামলার পর প্রতিবেশি, চিরবৈরি ও পরমাণু শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে উত্তেজনা বইছে।

ক্ষোভের আগুন জ্বলছে ভারতের শোবিজেও। ঠিক তখন পাকিস্তানি ফ্যাশন ডিজাইনারের সঙ্গে ছবি তোলায় মারাত্মক কটাক্ষের শিকার বলিউড তারকা কারিনা কাপুর। তাকে নেটিজেনরা &lsquo;গাদ্দার, নির্লজ্জ&rsquo; বলতেও কুণ্ঠাবোধ করলেন না।

অবশ্য ওই জঙ্গি হামলার পর শোক জানিয়েছিলেন কারিনা কাপুর। কিন্তু এমন পরিবেশে পাকিস্তানের ফ্যাশন ডিজাইনার ফারাজ মান্নানের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী।

কারিনা কাপুর বর্তমানে দুবাই অবস্থান করছেন। সেখানেই জনপ্রিয় ফ্যাশন ডিজাইনার ফারাজের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপর কারিনার সঙ্গে সাক্ষাতের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ ছাড়েননি ফারাজ। ফারাজ মান্নান ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ছবি পোস্ট করে লেখেন- &lsquo;উইদ দ্য ওজি&rsquo;। আর সেই ছবি ভাইরাল হতেই কারিনার ওপর বেজায় চটেছেন নেটিজেনদের কেউ কেউ।

রবিবার মুম্বাই থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশে রওনা হন কারিনা কাপুর। সম্প্রতি সেখানে একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাটও কিনেছেন তিনি ও তার স্বামী সাইফ আলি খান। এ কারণেই গিয়েছিলেন কিনা, তা জানা যায়নি। তবে ভারতজুড়ে শোকের আবহে পাকিস্তানের ফ্যাশন ডিজাইনারের সঙ্গে একফ্রেমে ধরা দেওয়ায় কারিনার কাণ্ডজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নেটিজেনরা।

কারিনার এ ছবি তোলার ঘটনায় কেউ বলছেন, &lsquo;ভারত যেখানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য তৈরি, সেখানে দুবাইতে পাকিস্তানি ডিজাইনারের সঙ্গে বিভোর কারিনা। কতটা নির্লজ্জ!&rsquo;

আবার কারো মন্তব্য, &lsquo;দেশকে রক্ষা করার দায়িত্ব কি শুধু সেনাদের? দেশের সম্মান রক্ষার্থে বলিউড তারকাদের কোনো দায়িত্ব নেই?&rsquo; অন্যদিকে কেউ বা আবার লিখেছেন &lsquo;গাদ্দার&rsquo;।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 29 Apr 2025 06:48:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাদুর শহরে একদিনের প্রেম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6608" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6608</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ছাপান্ন হাজার বর্গ মাইলের এই দেশে প্রাণের শহর ঢাকা। একদিকে যেমন আছে জীবিকার তাগিদে ব্যস্ততা অন্যদিকে আছে অফুরন্ত প্রেম। সপ্তদশ শতাব্দীতে ঢাকা মুঘল সাম্রাজ্যের বাংলা প্রদেশের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলের সময় এই শহর জাহাঙ্গীর নগর নামে পরিচিত ছিলো।

বিয়ের আগে বা বিয়ের পরে যুগলদের ঘোরাঘুরির জন্য ঢাকা খুব উপযুক্ত শহর নয়। এখানে নিরিবিলি জায়গার বেশ অভাব। তবে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে ঘুরতে পারলে ঢাকা শহরের এক দিনের প্রেম হবে জমে ক্ষীর। টানা একদিন ঢাকার শহরে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে চাইলে শুরু করা যেতে পারে পুরান ঢাকা থেকে।

খাবার-দাবারের জন্য পুরান ঢাকায় রয়েছে বেশ কিছু জায়গা। জনসন রোডের মানিক সুইটমিটের দই-চিড়া খেয়ে ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে হোসেনি দালানে। দই-চিড়ায় অরুচি থাকলে শাখারীবাজারের অমূল্য মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের হালুয়া ও পরাটা খাওয়ালে সঙ্গীর মনটা সকাল-সকাল বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।

এসবের বাইরে আছে পুরান ঢাকার আদি খাবার বাকরখানি। বাকরখানি খেয়ে হোসেনি দালানের দক্ষিণের পুকুরপাড়ে বসলে প্রেমের সময়টা হয়ে উঠবে মধুর। দুপুর নেমে এলে সঙ্গীকে কে নিয়ে চলে যাওয়া যেতে পারে যান পুরান ঢাকার আল রাজ্জাক হোটেলে। সেখানে মিলবে কাচ্চি। কাচ্চি খেতে না চাইলেও সমস্যা নেই। আছে নাজিরাবাজারের বিখ্যাত হাজির বিরিয়ানি।

তৈলাক্ত বিরিয়ানি এড়িয়ে চলতে চাইলে চাঁনখারপুলের নীরব হোটেলের গরুর মাংস ভুনা ও ভাত খাওয়া যেতে পারে। ঘোরাঘুরির করা যেতে পারে গোপীবাগের রোজ গার্ডেনে। সেখানে সঙ্গীর সঙ্গে বিকেল পর্যন্ত বসে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাটা সেরে নেওয়া যাবে কোনো ঝঞ্ঝাট ছাড়াই।

দুপুরের খাবারের পর যদি কোমল পানিয় খেতে ইচ্ছা করে তাবে আছে পুরান ঢাকা বিখ্যাত লাচ্ছি। নারিন্দায় পাওয়া যেতে পারে সৌরভের মাঠা। কিংবা রায়সাহেব বাজারের মিলবে বিউটির লাচ্ছি। ঠাটারীবাজারে গিয়ে পান করা যেতে পারে স্টারের ফালুদা অথবা তারা মসজিদের সামনের শরবত। বিকেলে পুরান ঢাকায় প্রেমের জন্যে হাতিরঝিলকে আদর্শ জায়গা বলা যেতে পারে।

অনেকে অবশ্য চন্দ্রিমা উদ্যানেও যান। সিনেমা দেখেও সময়টা উপভোগ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার তো আছেই। প্রেমের জন্য পুরান ঢাকা ছাড়াও আছে নতুন ঢাকার ধানমন্ডি পার্ক কিংবা মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেন। সে ক্ষেত্রে রাতের খাবার সারা যেতে পারে সাতমসজিদ রডের কোনো এক রেস্তোরাঁয়।

তা ছাড়া মিরপুরের ডিওএইচএস, কালশী ও ভাটারাতে কিছু রেস্তোরাঁ রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকা নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পরে ঢাকা পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনিক রাজধানীতে পরিণত হয়।১৯৭১ সালে ঢাকা &quot;স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজধানী&quot; ঘোষিত হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 31 Oct 2024 07:47:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাদুর শহরে একদিনের প্রেম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6607" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6607</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ছাপান্ন হাজার বর্গ মাইলের এই দেশে প্রাণের শহর ঢাকা। একদিকে যেমন আছে জীবিকার তাগিদে ব্যস্ততা অন্যদিকে আছে অফুরন্ত প্রেম। সপ্তদশ শতাব্দীতে ঢাকা মুঘল সাম্রাজ্যের বাংলা প্রদেশের প্রাদেশিক রাজধানী ছিল। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলের সময় এই শহর জাহাঙ্গীর নগর নামে পরিচিত ছিলো।

বিয়ের আগে বা বিয়ের পরে যুগলদের ঘোরাঘুরির জন্য ঢাকা খুব উপযুক্ত শহর নয়। এখানে নিরিবিলি জায়গার বেশ অভাব। তবে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে ঘুরতে পারলে ঢাকা শহরের এক দিনের প্রেম হবে জমে ক্ষীর। টানা একদিন ঢাকার শহরে প্রিয়জনকে নিয়ে ঘুরতে চাইলে শুরু করা যেতে পারে পুরান ঢাকা থেকে।

খাবার-দাবারের জন্য পুরান ঢাকায় রয়েছে বেশ কিছু জায়গা। জনসন রোডের মানিক সুইটমিটের দই-চিড়া খেয়ে ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে হোসেনি দালানে। দই-চিড়ায় অরুচি থাকলে শাখারীবাজারের অমূল্য মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের হালুয়া ও পরাটা খাওয়ালে সঙ্গীর মনটা সকাল-সকাল বেশ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।

এসবের বাইরে আছে পুরান ঢাকার আদি খাবার বাকরখানি। বাকরখানি খেয়ে হোসেনি দালানের দক্ষিণের পুকুরপাড়ে বসলে প্রেমের সময়টা হয়ে উঠবে মধুর। দুপুর নেমে এলে সঙ্গীকে কে নিয়ে চলে যাওয়া যেতে পারে যান পুরান ঢাকার আল রাজ্জাক হোটেলে। সেখানে মিলবে কাচ্চি। কাচ্চি খেতে না চাইলেও সমস্যা নেই। আছে নাজিরাবাজারের বিখ্যাত হাজির বিরিয়ানি।

তৈলাক্ত বিরিয়ানি এড়িয়ে চলতে চাইলে চাঁনখারপুলের নীরব হোটেলের গরুর মাংস ভুনা ও ভাত খাওয়া যেতে পারে। ঘোরাঘুরির করা যেতে পারে গোপীবাগের রোজ গার্ডেনে। সেখানে সঙ্গীর সঙ্গে বিকেল পর্যন্ত বসে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাটা সেরে নেওয়া যাবে কোনো ঝঞ্ঝাট ছাড়াই।

দুপুরের খাবারের পর যদি কোমল পানিয় খেতে ইচ্ছা করে তাবে আছে পুরান ঢাকা বিখ্যাত লাচ্ছি। নারিন্দায় পাওয়া যেতে পারে সৌরভের মাঠা। কিংবা রায়সাহেব বাজারের মিলবে বিউটির লাচ্ছি। ঠাটারীবাজারে গিয়ে পান করা যেতে পারে স্টারের ফালুদা অথবা তারা মসজিদের সামনের শরবত। বিকেলে পুরান ঢাকায় প্রেমের জন্যে হাতিরঝিলকে আদর্শ জায়গা বলা যেতে পারে।

অনেকে অবশ্য চন্দ্রিমা উদ্যানেও যান। সিনেমা দেখেও সময়টা উপভোগ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার তো আছেই। প্রেমের জন্য পুরান ঢাকা ছাড়াও আছে নতুন ঢাকার ধানমন্ডি পার্ক কিংবা মিরপুরের বোটানিক্যাল গার্ডেন। সে ক্ষেত্রে রাতের খাবার সারা যেতে পারে সাতমসজিদ রডের কোনো এক রেস্তোরাঁয়।

তা ছাড়া মিরপুরের ডিওএইচএস, কালশী ও ভাটারাতে কিছু রেস্তোরাঁ রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকা নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয়। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পরে ঢাকা পূর্ব পাকিস্তানের প্রশাসনিক রাজধানীতে পরিণত হয়।১৯৭১ সালে ঢাকা &quot;স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের রাজধানী&quot; ঘোষিত হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 31 Oct 2024 07:47:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6313" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/6313</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক : অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

আমার বাঙলা/এমআর]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 01 Oct 2024 11:59:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দীর্ঘতম আলপনায় বিশ্বরেকর্ড গড়ার চেষ্টা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/4152" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/4152</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে দেশের ৩ স্থানে সফলভাবে আয়োজিত হয়েছে আলপনা উৎসব &lsquo;আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১&rsquo;।

গত ১২ এপ্রিল দেশের সর্ববৃহৎ এ আলপনা উৎসব প্রথমে শুরু হয় কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে। মিঠামইনের জিরো পয়েন্ট থেকে অষ্টগ্রাম জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার সড়ক আলপনায় রাঙিয়ে তুলছেন শিল্পীরা। যার মাধ্যমে উদ্যোগ করা হচ্ছে বিশ্বের দীর্ঘতম আল্পনার রেকর্ড গড়ার।

এরপর গত ১৩ এপ্রিল খুলনার শিববাড়ি মোড় এবং ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউতেও একযোগে শুরু হয় এ উৎসব।

পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) মিঠামইন এলাকার আল্পনা অঙ্কন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্&zwnj;মেদ পলক এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান।

&lsquo;আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১&rsquo;-এর ঢাকার আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটি&rsquo;র চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নূর, গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইরেশ যাকের, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রূপালী চৌধুরী, চিফ অপারেটিং অফিসার ও ডিরেক্টর মো. মহসিন হাবিব চৌধুরী, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান, চিফ হিউম্যান রিসোর্স অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার মনজুলা মোরশেদ ও বরেণ্য শিল্পী মো. মনিরুজ্জামানসহ দেশের গণ্যমান্য ব্যক্তিবৃন্দ।

খুলনার শিববাড়ি মোড়ে এ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুকুল কুমার মৈত্র, বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের ইন্টারনাল অডিট ডিরেক্টর মোহাম্মাদ মাহবুব ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ক্লাস্টার ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মারুফ হোসেন চৌধুরী এবং বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার শাকিল এম হুমায়ুন।

এ আয়োজন নিয়ে উচ্ছাস প্রকাশ করে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রূপালী চৌধুরী বলেন, দীর্ঘতম আলপনা আঁকার মাধ্যমে এ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড প্রতিস্থাপনে বার্জার এর অংশগ্রহণ আমাদের সীমানা ছাড়িয়ে এক ইতিহাস গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নজির করে। আগামী বছরগুলোতেও আমরা এমন রঙিন ও স্মরণীয় বৈশাখী উৎসবের প্রত্যাশা করছি।

আবারও &lsquo;আল্পনায় বৈশাখ&rsquo; আয়োজনের সাক্ষী হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করে এশিয়াটিক থ্রি-সিক্সটি&rsquo;র গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইরেশ যাকের বলেন, আল্পনায় বৈশাখ&rsquo;র দেশব্যাপী এ আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতিকে তুলে ধরা ও বাংলাদেশের সৃজনশীলতারই উদযাপন।

&lsquo;আল্পনায় বৈশাখ ১৪৩১&rsquo; উৎসবে বাংলালিংক ও বার্জার পেইন্টস কে সাথে পাওয়া আমাদের আয়োজন ও উদযাপনকে সম্পূর্ণ করেছে। এশিয়াটিকে আমরা বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সৃজনশীল চেতনাকে বৈশ্বিক মঞ্চে তুলে ধরায় বিশ্বাস করি।

বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান তার উচ্ছাস প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বিভিন্ন উৎসব উদযাপনে বাংলালিংক গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পহেলা বৈশাখ-দেশের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক আয়োজন। এ উৎসব আগামী প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশের ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও প্রসারে বাংলালিংকের নিবেদনেরই প্রতিফলন।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির উৎসব ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। আধুনিক বাংলাদেশে আল্পনা একটি অসাম্প্রদায়িক চরিত্র হিসেবে বহিঃপ্রকাশ করছে।

তাই নতুন বছরকে বরণ করার জন্য এ আল্পনা অঙ্কন একটি অনন্য ধাপ, যা যুব সমাজকে অস্প্রাদায়িকতা ভুলে একত্রিত হতে শেখাবে। একই সাথে সব বিভেদ ভুলে আগামীর পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে।

উল্লেখ্য, বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আয়োজনে ২০১২-২০১৯ পর্যন্ত এশিয়াটিক এক্সপেরিয়েনশিয়াল মার্কেটিং লিমিটেড মানিক মিয়া এভিনিউসহ দেশের নানা প্রান্তে &lsquo;আল্পনায় বৈশাখ&rsquo; শীর্ষক আল্পনা অঙ্কনের আয়োজন করে আসছে।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে গত কয়েক বছর তা আয়োজিত হয়নি। অবশেষে এ বছর অষ্টমবারের মতো &lsquo;আল্পনায় বৈশাখ-১৪৩১&rsquo; সফলভাবে আয়োজিত হয়েছে।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 15 Apr 2024 14:46:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাইলে বোরকা-বিকিনি পরতে পারেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/3542" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/3542</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিনোদন ডেস্ক:&lsquo;আপনা টাইম আ গায়া হ্যায়।&rsquo; এই সময়টা আসতেই হতো। এখন নারীদের জীবনের নিয়ন্ত্রণ তাদের নিজের হাতেই তুলে নেওয়া উচিত। আমাদের জন্য যা রাখা আছে এ বার সেই অধিকারগুলো ফলানোর সময় এসেছে। নিজের স্বপ্নপূরণের জন্য সোচ্চার হওয়াটা প্রয়োজন।

নারী দিবস সামনে রেখে এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন আমির খানের প্রাক্তন স্ত্রী কিরণ রাও। লাপতা লেডিজের বিশেষ প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে কলকাতা এসে এক সাক্ষাৎকারে বলেন কিরণ।

লাপতা লেডিজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৩ বছর পর আবার সিনেমা তৈরি করছি। দুনিয়া বদলে গিয়েছে। তাই খুব নার্ভাস ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না ছবিটা দর্শকের পছন্দ হবে কি না। কারণ বাণিজ্যিক আঙ্গিক থেকেও ছবিটার নির্মাণশৈলী একটু অন্য রকমের। এখন নিজেকে সত্যিই অনেকটা চাপমুক্ত মনে হচ্ছে।

এই সিনেমায় বিয়ের পর সমাজে নারীদের অবস্থান নিয়ে এবং পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে একাধিক বার্তা রয়েছে। ব্যক্তিগত স্তরে বিশ্বাস কী&mdash; প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাব দেন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক রীতিনীতি মানুষ মেনে চলেন। কেউ সেটা মানলে, তাঁর প্রতি আমি শ্রদ্ধাশীল। কারণ কে কীভাবে জীবন কাটাবেন সেটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে এ রকম কোরো রীতিতে বিশ্বাস করি না। কারণ আমাকে বাবা-মা খুবই অন্য রকমভাবে বড় করেছিলেন। মুশকিল হলো যে, অনেক সময়ে নারীদের কাছে আলাদা করে নিজের পছন্দ বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকে না। আবার সুযোগ থাকলেও ছোট থেকেই হয়তো তাদের প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। মাথায় কেউ ঘোমটা টানতেই পারেন। কেউ চাইলে বোরকা বা বিকিনিও পরতে পারেন। কিন্তু তার যেন স্বপ্ন দেখার অধিকার হারিয়ে না যায়। অন্যথায় তার জন্য লড়াই করতে হবে।

কলকাতা থেকে আমিরের জন্য কী নিয়ে যাবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিঙাড়া আমার অত্যন্ত প্রিয়। ওর জন্য শিঙাড়াই নিয়ে যাব। মিষ্টি নিয়ে যেতে চাই না। কারণ আমির বা আজাদ মিষ্টি খেতে খুব একটা পছন্দ না করলেও আমির মিষ্টি দই খেতে খুব পছন্দ করে।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 08 Mar 2024 13:11:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদেরই থাকবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/3215" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/3215</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারত ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ নিলেও টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের ছিল, আমাদের আছে, আমাদেরই থাকবে জানিয়ে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, এজন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাওয়াসহ যা যা করা দরকার, তা করা হবে।

বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিজিএমইএ&rsquo;র পরিচালনা পর্ষদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে ভারত সনদ নিয়েছে। পরে বাংলাদেশের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন পেটেন্টস, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক বিভাগ (ডিপিডিটি) টাঙ্গাইল শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি জার্নাল প্রকাশ করে।

ভারত টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই সনদ নেয়ায় সরকার এখন কী পদক্ষেপ নেবে- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা যখন বিষয়টি অনলাইনে পেয়েছি, পরদিন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নিয়ে বসেছি। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় যে সংবাদ পরিবেশন করেছে, আমাদের তৎপতায় তারা সেটি সরিয়ে নিয়েছে।

এটি আমাদের আগে নেয়া উচিত ছিল। আমরা নিতে পারিনি। এখন আমাদের যেখানে যা ব্যবস্থা নেয়া দরকার, আমরা নিচ্ছি। প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যাবো।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি আমাদের ছিল, আমাদের আছে, আমাদেরই থাকবে। সেটি প্রতিষ্ঠার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করা দরকার, আমরা তা করবো। আমরা এগোচ্ছি।

নির্বাচনের আগে বলা হয় পোশাক শিল্পের বাজার কমে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীও সেকেন্ডারি মার্কেট খুঁজতে বলেছিলেন। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বস্ত্র মন্ত্রী বলেন, বিজিএমইএয়ের সভাপতি বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। আপনি যে ইঙ্গিত করছেন, আমিও সেই কথা ইঙ্গিত করে তার রিপোর্টে আজ আশ্বস্ত হয়েছি।

আমরা একজন মোড়লের ওপরে নির্ভরশীল নই। আমরা বিশ্ব বাজার দখল করছি। কেউ ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে গার্মেন্টস শিল্পকে ব্যবহার করতে চায়। কেউ শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি করে গার্মেন্টস উৎপাদন ব্যাহত করে বাজারকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার ষড়যন্ত্র করে। এটি বারবার উদঘাটন হয়েছে। এ ব্যপারে সতর্ক রয়েছি।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে পোশাক উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাবে পড়ে-এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, গ্যাস সংকট রয়েছে। এটাই স্বাভাবিক। গ্যসের ব্যবহারও বেড়েছে।

মন্ত্রী বলেন, এখন মানুষ অনেক আত্মপ্রসাদ নিয়ে আছে। আমি বলবো না, মানুষ দেড় হাজার টাকা দামের জামা পড়ছে। তবে সেই মানুষটি আজ গার্মেন্টস শিল্পের কারণেই দেড়শ-দুইশ টাকায় একটি নতুন জামা পড়ছে। আমরা ভালোর দিকে এগোচ্ছি। সেটিকে উৎসাহিত করতে হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ&rsquo;র সভাপতি ফারুক হাসানসহ অন্যান্য নেতারা।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Feb 2024 13:00:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পোশাক বিশ্বকে পরিবর্তন করতে পারবে না]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/3199" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/3199</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিনোদন ডেস্ক: অভিনেত্রী রুনা খান দেশের দুই পর্দায় সমান জনপ্রিয়। ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত অসংখ্য নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন তিনি। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে সমানতালে নিজের রূপ, লাবন্য ধরে রেখেছেন।

দিন দিন যেন অভিনেত্রীর বয়স কমছে। ৪১ বছর বয়সে এসেও রূপের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রীর একের পর এক খোলামেলা ছবি তাক লাগাচ্ছে ভক্তদেরও।

সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর দেখা মেলে সাদা কালো গাউনে। খোলামেলা গাউনে শীতের মাঝেই উষ্ণতা ছড়িয়েছেন তিনি। একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন অভিনেত্রী।

জানা যায়, একটি ফটোশুটে অংশ নেন রুনা খান। আর সেই ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ফেসবুক হ্যান্ডেলে। যেখানে দেখা যায়, মেরুন রঙের একটি গাউনে একের পর এক পোজ দিয়ে ছবি তুলছেন তিনি।

ছবিগুলোর ক্যাপশনে রুনা খান লিখেছেন, &lsquo;পোশাক বিশ্বকে পরিবর্তন করে ফেলতে পারবে না। কিন্তু যে নারী ওই পোশাক পরবেন তিনি পারবেন।&rsquo;

রুনা খানের সাহসী এই ছবিগুলোতে বিভিন্ন মন্তব্যে করেছেন অনুসারীরা। একজন লিখেছেন, নিজেকে, নিজের কাজকে ভালবাসার প্রকৃত উদাহরণ তুমি। ভীষণ ক্লাসিক। অন্য একজন বলেছেন, আহা..নিজের সাহসে, নিজের ইচ্ছেয় নিজেকে নতুন করে আবিস্কার করা !! চাট্টিখানি কথা নয়।

এর আগে রাজধানীতে &lsquo;খাদি ফ্যাশন উইক&rsquo; মাতিয়েছেন রুনা খান। যেখানে প্রথমবারের মতো র&zwnj;্যাম্পে হেঁটেছেন অভিনেত্রী। শো-স্টপার রুনা খানের পোশাক ছিল আবার একেবারেই আলাদা রঙের। উজ্জ্বল নীল শাড়ি আর ম্যাচিং স্টাইলিশ জ্যাকেট পরেন তিনি।

প্রসঙ্গত, টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন রুনা খান। &lsquo;হালদা&rsquo; চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Feb 2024 14:06:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফাল্গুনের উষ্ণতায় রোজিনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/3189" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/entertainment/3189</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাজু আহমেদ: দ্রোহের কবি, সাম্যের কবি, প্রেমের কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিধাতার অপরূপ সৃষ্টি নারীর চিরচেনা সৌন্দর্যের আলোয় অভিভূত হয়ে বলেছিলেন &lsquo;তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সে কি মোর অপরাধ&rsquo;?

অথবা রবীন্দ্রনাথের ভাষায় &lsquo;আমারি চেতনার রঙে পান্না হলো সবুজ, চুনি উঠলো রাঙা হয়ে, আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠলো আলো, পুবে পশ্চিমে, গোলাপের দিকে তাকিয়ে বললুম &lsquo;সুন্দর&rsquo;, সুন্দর হলো সে&rsquo;।

ঠিক তাই শুধু আশরাফুল মাখলুকাত মানুষ নয়, প্রকৃতির পাশাপাশি বিধাতার যে কোন সৃষ্টির সৌর্ন্দয্যর তুলনা যে নেই তা দেখবার জন্য সত্যিকারের একটা মন এবং মনের চোখ থাকা চাই। সুন্দর, সৃষ্টিশীল, নান্দনিক যাই বলি না কেন নারীর মধ্যে তা অপারভাবে বিদ্যমান।

সৃষ্টিকর্তার অপার বিস্ময় নারী, সৃষ্টিগুণেই সুন্দর। তার উপর তাতে যদি যোগ হয় সময় এবং আবহাওয়া উপযোগী সাজগোছ তাহলে তো কথাই নেই। চোখ ফেরানো দায়।

বাঙ্গালী নারীরা বিভিন্ন দিবসে প্রকৃতির মত করে নিজেকে মেলে ধরেন সমকালীন পোশাক এবং পরিমিত অলংকারে। তাতে তারা নজর যেমন কাড়েন পুরুষের তেমনি সৌন্দর্যপ্রেমী নারীদেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

এক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষ। বিশেষ করে, অভিনেত্রী বা মডেলরা সাংস্কৃতিক উপস্থাপনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও সিজনাল পোশাকে মাঝে মাঝেই ধরা দেন মিডিয়ায়। আর ভক্ত অনুরাগীদের মাঝে আলোচনায় আসেন নিজ সৌন্দর্য উপস্থাপনাশৈলিতে। আজ ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন। বাসন্তী উৎসবের প্রথম দিন। বাঙ্গালীদের এক উৎসবের দিন যেন। দিবসটি উপলক্ষে হলুদ, বাসন্তী শাড়ি আর গাদাসহ নানা ফুলের মালা চুলের খোঁপায় গুজে প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাবেন বিভিন্ন বয়সী নারীরা। ভালবাসার মানুষ পুরুষরা তাদেরকে সঙ্গ দেবেন।

বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সম্প্রতি ফাল্গুনের বিশেষ ব্রাইডল ফটোশুটে অংশ নেন ৮০ দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকায় রোজিনা। অবশ্য তিনি প্রায় প্রতি বছরেই নানা সিজনাল ফটোশুটে হাজির হন। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

বাসন্তি সাজে নতুন রূপে ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন এই অভিনেত্রী। বাসন্তী শাড়ি, গাদা ফুলের তোড়া আর মালা এবং হালকা গয়নায় নিজেকে অপরূপ রূপে মেলে ধরেছিলেন এই চিত্রনায়িকা। এই ফটোশুটের কারিগড় মনিরা আক্তার দিয়া। সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলো বেশ আলোচনায় এসেছে।

ফেসবুকের পোস্টের কমেন্টস বক্সে এই নায়িকার লুক নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ তার অনুরাগীরা। এই বয়সেও তারুণ্যের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করায় রোজিনার প্রশংসা করছেন তার ভক্ত শুভাকাঙ্খিরা।

একথা অনেকেরই জানা যে বড় পর্দার সফল চিত্রনায়িকা রোজিনা ১৯৭৬ সালে &lsquo;জানোয়ার&rsquo; চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে নাম লেখান। এফ কবীর পরিচালিত &lsquo;রাজমহল&rsquo; সিনেমায় নায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেন। এরপর অসংখ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

ক্যারিয়ারে অভিনয়ের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা পেয়েছেন রোজিনা। তার অভিনীত জনপ্রিয় সিনেমার মধ্যে রয়েছে &lsquo;চোখের মণি&rsquo;, &lsquo;সুখের সংসার&rsquo;, &lsquo;সাহেব&rsquo;, &lsquo;তাসের ঘর&rsquo;, &lsquo;হাসু আমার হাসু&rsquo;, &lsquo;হিসাব চাই&rsquo;, &lsquo;বন্ধু আমার&rsquo;, &lsquo;কসাই&rsquo;, &lsquo;জীবনধারা&rsquo; প্রভৃতি।

এদিকে &lsquo;ফিরে দেখা&rsquo; নামে প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্র পরিচালনা করছেন রোজিনা। সরকারি অনুদানের এ সিনেমায় অভিনয় করছেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিরব ও অর্চিতা স্পর্শিয়াসহ অনেকে। রোজিনা নিজেও সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Feb 2024 11:44:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টাঙ্গাইলের শাড়ি কিনলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/3182" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/3182</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪৪তম জাতীয় সমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত কুটিরশিল্প প্রদর্শনীর বিভিন্ন স্টল ঘুরে টাঙ্গাইলের শাড়িসহ পছন্দের নানা পণ্য কিনেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর আনসার একাডেমিতে মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি আনসার সদস্যদের কুটিরশিল্প প্রদর্শনীতে গিয়ে বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঝিনুক-শামুকের মালা, টাঙ্গাইলের শাড়ি, মনিপুরি শাড়ি, থ্রি-পিসসহ বিভিন্ন পছন্দের জিনিসপত্র কেনেন।

জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম রেঞ্জের স্টল থেকে ৭টি আচার, ঝিনুক-শামুকের ১৩ হাজার টাকার মালামাল কেনেন। পরে খুলনা রেঞ্জের স্টল থেকে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের পাঁচটি টু-পিস, রাজশাহী রেঞ্জ স্টল থেকে ১২ হাজার ৭৫০ টাকা মূল্যের পাঁচটি থ্রি-পিস, সিলেট রেঞ্জের স্টল থেকে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা দামে পাঁচটি মনিপুরি শাড়ি, রংপুর রেঞ্জের স্টল থেকে ৩টি টেবিল রানার এবং একটি কার্পেট কেনেন বলে জানিয়েছেন স্টলের দায়িত্বে থাকা তাহেরা সিদ্দিকা।

প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা স্টল থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকার চাদর, থ্রি পিস, একটি পাঞ্জাবি নিয়েছেন বলে জানান ওই স্টলের দায়িত্বে থাকা আনসার কর্মকর্তা চক্রবর্তী। বরিশালের স্টল থেকে মুড়ির মোয়া, মাছ ধরার পল, মাছ রাখার খড়া ও ব্যাচ লাইটসহ ৬ হাজার ৯০০ টাকার জিনিসপত্র কিনেছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানিয়েছেন আনসারের মুলাদী উপজেলা কর্মকর্তা সীমা ইয়াসমীন।

ময়মনসিংহ অঞ্চলের স্টল থেকে বাটি চামুচসহ ১৭ হাজার ২০০ টাকার পণ্য কিনেছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা রেঞ্জের কুটির শিল্প প্রদর্শনী থেকে ১৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের সাতটি টাঙ্গাইলের থ্রি-পিস কিনেছেন শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে তিনি ৩ হাজার ২০০ টাকার মোড়া কিনেছেন।

আনসার কর্মকর্তা মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রতিবছর এই দিনটির অপেক্ষায় থাকি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সাজানো স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং কেনাকাটাও করেন। এসময়ে তিনি আমাদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ও করেছেন।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 12 Feb 2024 14:51:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জিআই সনদ পাবে টাঙ্গাইলের শাড়ি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/3062" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/trade-and-commerce/3062</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিজস্ব প্রতিবেদক: শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের শাড়ি খুব শিগগির ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্যের সনদ পাবে। এ পণ্যের জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি। এই প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়িকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি ও নিবন্ধন দেওয়া হবে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি সংক্রান্ত এক জরুরি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় এবং পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

শিল্পসচিব বলেন, টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি ছাড়াও মধুপুরের আনারস, নরসিংদীর লটকন, সাগর কলা, ভোলার মহিষের কাঁচা দুধের দই জিআই পণ্যের স্বীকৃতির জন্য যেসব আবেদন অনিষ্পন্ন আছে তা দ্রুত সম্পাদন করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো গাফিলতি গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ২১টি পণ্য বা বস্তুকে জিআই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। দেশের ৬৪টি জেলা থেকে এক বা একাধিক পণ্য বা বস্তু খুঁজে বের করে আবেদন করার জন্য দুই মাস সময় দিয়ে জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করা হয়েছে। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির পর এগুলোকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের পক্ষে থেকে ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জানান, টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন যথাযথভাবে ডকুমেন্টেশন করে দু-একদিনের মধ্যে জমা দেওয়া হবে। এরই মধ্যে আবেদন ফি প্রদানের পে-অর্ডার করা হয়েছে।

সভায় জানানো হয়, এরই মধ্যে ভারত টাঙ্গাইল শাড়িকে তাদের জিআই পণ্য ঘোষণা করায় আমরা আইনগত বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি। আলোচনার মাধ্যমে বা ডিসপিউট সেটেলমেন্টের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রয়োজনে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা বা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশনে (ডাব্লিউআইপিও) আপত্তি জানানো হবে।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 05 Feb 2024 16:26:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইজির নতুন কালেকশন ফুল স্লিপ টিশার্ট]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/2156" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/2156</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক: হালকা শীতের ফ্যাশনেবল পোশাকটা কেমন হবে এ নিয়ে নানা রকম ভাবনা অনেকেরই। বিশেষ করে ফ্যাশন সচেতন তরুণরা এ নিয়ে বেশ আগ্রহী। তাই ফ্যাশন সচেতন ছেলেদের কাছে ফুল স্লিপ টি-শার্ট জায়গা করে নিয়েছে সহজেই। কারণ হল, হালকা শীতে ফুল স্লিপ টি-শার্ট পরতে যেমন আরামদায়ক ঠিক তেমনি ফ্যাশনেবলও বটে। বিশেষ করে ফ্যাশনপ্রিয় কিশোর এবং তরুণদের কাছে ফ্যাশনেবল পোশাকের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ফুল স্লিপ টি-শার্ট। যদিও সব বয়সীরাই ফুল স্লিপ পরছেন এখন। অনেকে আবার ফুল স্লিপ পলো টি-শার্ট, হালকা সোয়েটার বা ডেনিম শার্টও পরে। ইজি ফ্যাশন ছেলেদের এক্সক্লুসিভ কালেকশনে সব সময় এগিয়ে। তাই এই শীতে ইজির সবগুলো আউটলেট সেজেছে নতুন সাজে। এবাবের বিশেষ আয়োাজনে রয়েছে রকমারি ফুল হাতা টি-শার্ট ।
ইজিতে আরো থাকছে ফুল হাতা পলো টি-শার্ট হুডি, জ্যাকেট বে&oslash;জার , এছাড়া সোয়েটার, জিন্স, গ্যাবার্ডিন, কোর্টসহ নানা ট্রেন্ডি পোশাক তো আছেই। ট্রেন্ডি পোশাক হলেও ইজি&rsquo;র বৈশিষ্ট অনুযায়ী সব পোশাকই পাওয়া যাবে সাশ্রয়ী মূল্যে। ঢাকাসহ সারাদেশে পাওয়া যাবে নান্দনিক সব বাহারি ডিজাইনের পোশাক । দেশের সব ইজি&rsquo;র শোরুমে মিলছে শীতের এ বিশেষ আয়োজন। সকল পোশাক ইজি অনলাইন শপ পাওয়া যাবে : https://www.facebook.com/easyfashionltd.bd/]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 26 Dec 2023 14:36:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এ সময় কেমন পোশাক পরবেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/277" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/fashion/277</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফ্যাশন ডেস্ক: বৃষ্টির দিন এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। এ সময় পোশাক পরার ক্ষেত্রে কিছুটা চিন্তা-ভাবনা করতেই হয়। এই মৌসুমে চাইলেই যে কোনো রঙের বা ধরনের পোশাক পরে বের হওয়া ঠিক নয়।

কারণ ঋতুর সাথে তাল মিলিয়ে পোশাক পরতে হয়। তাই বর্ষার সময়টায় পোশাক বাছাই করতে বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

বৃষ্টির দিনে প্রাধান্য পায় হালকা ও ব্রিদেবল ফেব্রিক। কারণ জর্জেট, লাইট ক্রেপ, ফেইলি, মার্সেরাইজড কটন, ভিসকস ও ব্লেন্ডেড ফেব্রিকে তৈরি পোশাকগুলো পরিষ্কার করা সহজ। এছাড়া সহজে দাগ বসে না এ ধরনের কাপড়ে। এ সময়ের গম্ভীর পরিবেশের সাথে কনট্রাস্ট করে এমন রংও প্রাধান্য পেতে পারে।

এ সময় বর্ষায় পরার উপযোগী রং, কাটছাঁট, আরাম ও স্বাচ্ছন্দ্য, পার্টি ও প্রাত্যহিক অফিসের কাজ উপযোগী পোশাক দিয়ে বিশেষ কালেকশন সাজানো হয়।

পোশাক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, বৃষ্টিতে ভিজে গেলেও যেন অস্বস্তিতে পড়তে না হয়। তাছাড়া বৃষ্টির সময় হালকা প্ল্যাস্টিকের ছাতা, ব্যাগ ও জুতা বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই এমবেলিশমেন্টের জন্য মিনিমাল কাজ করা পোশাকগুলোই কিউরেট করা হয়।

ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টির সময় উপযোগী পোশাকগুলোই সিলেকশন করা উচিত। বৃষ্টির দিনে পোশাকের লেংথ যত সম্ভব কম হওয়াই ভালো। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অফিসে যাওয়া তরুণ-তরুণীরা বর্ষার দিনে স্বাচ্ছন্দ্যকে বেশি গুরুত্ব দেন।

এ মৌসুমে স্মোক, র্যাফল, ডলমেন, ল্যান্টার্ন ও ড্রপস্লিভস, টাই-বেল্ট ও হাইনেকের কম্বিনেশন সবচেয়ে ট্রেন্ডি পোশাকের রেশ এনে দিতে পারে। সেই সাথে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রুচিশীল হাতের কাজ যোগ হতে পারে। শুধু কাজই নয়, কাজের পর পার্টিতে যাওয়া কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় যোগ দিতেও এ ধরনের পোশাক খুব মানানসই।

অন্যদিকে পুরুষের জন্য হতে পারে ক্রিউ-নেক ও হেনলি টি-শার্ট, পোলো শার্ট ও শর্টস্লিভ ক্যাজুয়াল শার্ট। এক্ষেত্রে ভিসকোস, লিনেন, মার্সেরাইজড কটন, টপ-নোচ নিট ও ব্লেন্ডেড ফেব্রিকে তৈরি পোশাকগুলো ভিজে গেলেও কোনো অস্বস্তি তৈরি করে না।

বর্ষা সেলিব্রেট করতে বাঙালির চিরায়ত পোশাক শাড়ি-পাঞ্জাবির জুড়ি নেই। সেক্ষেত্রে ধূসর এবং সাদা জমিনের শাড়ির পাড়ে উজ্জ্বল নীল বা ফুশিয়া পিঙ্ক হতে পারে। কখনো আবার জল ভরা মেঘের মোটিফরাঙা পাড়ে থাকতে পারে রঙিন ট্যাসেলের দল। সাথে থাকতে পারে পুরুষের ম্যাচিং পাঞ্জাবি।

বর্ষার সন্ধ্যার পার্টির জন্য নেওয়া যায় বক্স প্লিট করা ক্রেপ স্টাইল অথবা হালকা জর্জেট-শ্রাগের লেয়ার দেওয়া টিউনিক। এছাড়া ডেনিম আর টপসেই সাবলীল হলে ক্রেপের শ্রাগেই লেয়ার করা যায়।

নান্দনিক অনুষঙ্গের পসরা পার্টির আউটলুককে পারফেক্ট করে তুলতে পারে। পুরুষের পার্টিওয়্যার হিসেবে রঙিন ফুলহাতা শার্ট অথবা এক্সক্লুসিভ পাঞ্জাবি বাছাই করা যেতে পারে।

দেশের বিভিন্ন শীর্ষ স্থানীয় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড এ ধরনের পণ্য বাজারে আনছে। যেমন- বর্ষার একটি বিশেষ কিউরেটেড কালেকশন &lsquo;দি রেইনি ডে কিউরেশন&rsquo; লঞ্চ করেছে লা রিভ। পাশাপাশি ইয়েলো, রিচ ম্যান, আড়ং, অঞ্জনস, বিশ্বরঙ এই মৌসুম উপযোগী বিভিন্ন ডিজাইনের পোশাক এনেছে বাজারে।

এ বিষয়ে লা রিভের প্রধান নির্বাহী পরিচালক মন্নুজান নার্গিস জানান, বিশেষ উপলক্ষ মাথায় রেখে সম্পূর্ণ নতুন একটি সংগ্রহ তৈরি করা হয়। সামার কালেকশন (বিলঙ্গিং) থেকে বাছাই করে বর্ষার উপযোগী পোশাকগুলো এ কিউরেশনে যোগ করা হয়েছে, যাতে গরম-বর্ষার নস্টালজিয়া দুটোই কাভার হয়।

এবি/এইচএন]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 Sep 2023 12:40:04 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
