<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/environment</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/environment"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla environment Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest environment News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 02 Aug 2026 03:32:05 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[১৮ই শ্রাবণে যেসব জেলায় বজ্রবৃষ্টি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17974" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17974</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের তিন অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২ আগস্ট) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঝড়ো হাওয়ার সময় নৌযান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 03:32:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশজুড়ে ফের বৃষ্টির আভাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/17871" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/17871</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশজুড়ে বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণেরও পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম দিকে সরে গিয়ে ধীরে ধীরে দুর্বল হতে পারে। এদিকে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।

রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।

এ সময়ে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পর্যন্ত রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক এলাকায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 31 Jul 2026 04:29:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সব সমুদ্রবন্দরে সতর্কতা জারি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17732" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17732</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি নিম্নচাপ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের কাছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উড়িষ্যা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এই নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল হয়ে উঠেছে সাগর এবং ঝড় হতে পারে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায়।

এ পরিস্থিতিতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের এর বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমী নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে বর্তমানে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা উপকূলীয় এলাকায় গভীর নিম্নচাপ আকারে (২১.২০ উত্তর অক্ষাংশে এবং ৮৮.১০ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে।

নিম্নচাপটি সোমবার সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২২০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬০ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে পশ্চিমবঙ্গ-উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে এটি। এর প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Jul 2026 16:37:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[উলিপুরে পরিবেশ-দুর্যোগ সচেতনতায় কর্মসূচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17729" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/17729</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় গৃহীত প্রস্তুতি জোরদারের লক্ষ্যে একটি সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১১টায় উলিপুর পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে &lsquo;উলিপুর পৌরসভা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ভূমিকা&rsquo; শীর্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

নারী অ্যাসোসিয়েট ফর সারভাইভাল অ্যান্ড ইনিশিয়েটিভ (নারী)-এর উদ্যোগে, ক্লাইমেট জাস্টিস রেজিলিয়েন্স ফান্ডের অর্থায়নে এবং সম্প্রীতি এইড ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ফরিদা ইয়াসমিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উলিপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম।

এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী শৈলেন্দ্র নাথ রায়, কার্যসহকারী গোলাম মোস্তফা, হিসাব সহকারী রোস্তম প্রামাণিক, উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী আল ফয়সাল রানু, প্রান্তিক এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মারুফ আহমেদ, নারী নেত্রী হাজেরা বেগম লাকী এবং বিপ্লব।

আলোচকদের মতে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং একবার ব্যবহারযোগ্য পলিথিনের ব্যবহার কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পৌর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 27 Jul 2026 15:25:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুড়িগ্রাম সদরে জেন্ডার ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মেলা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16567" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16567</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়িগ্রাম সদর উপজেলায় জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী এক মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার আলোর ভুবন প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

মেলার উদ্বোধন করেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমত আরা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদা আফরিন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুর রব এবং বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস্ (বিসিসিপি)-এর সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর ডা. মো. শহিদুল আলম।

মেলায় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার মোট ১০টি স্টল অংশ নেয়। স্টলগুলোতে জেন্ডার সমতা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, পরিবেশ সংরক্ষণ, অভিযোজন কৌশল ও সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়।

আয়োজকরা জানান, স্থানীয় জনগণের মধ্যে জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু অভিযোজন ও জীবিকায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল মেলার মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস্ (বিসিসিপি) এ মেলার আয়োজন করে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 13:12:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাহাড়-সমুদ্র-নগর: এক শহরের তিন রূপ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16499" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16499</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নেজাম উদ্দিন আবির: এক শহর- তিন রূপ। একদিকে পাহাড়ের সবুজ ঢাল, অন্যদিকে বিস্তৃত নীল সমুদ্র, মাঝখানে ব্যস্ত নগরজীবন। ভৌগোলিক বৈচিত্র্যের এমন অনন্য সমন্বয় খুব কম শহরের ভাগ্যেই জোটে। এই বৈশিষ্ট্যই চট্টগ্রামকে আলাদা করে, সম্ভাবনাময় করে তোলে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নগর হিসেবে।
চট্টগ্রামের উত্তর-পূর্ব প্রান্তজুড়ে রয়েছে পাহাড়ি অঞ্চল। সীতাকুণ্ড থেকে শুরু করে নগরের আশপাশের অনেক এলাকায় ছোট-বড় পাহাড় ও টিলা ছড়িয়ে আছে। বর্ষায় এই পাহাড় সবুজে মোড়া থাকে, আর শীতকালে পর্যটকদের জন্য হয়ে ওঠে আকর্ষণীয় গন্তব্য। অন্যদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিমে রয়েছে সমুদ্র- পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, পারকি সৈকতসহ উপকূলীয় অঞ্চলগুলো প্রতিদিন টানে অসংখ্য দর্শনার্থীকে।
এই দুই প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝখানে গড়ে উঠেছে চট্টগ্রাম নগরী- বন্দর, শিল্প, ব্যবসা ও আবাসনের এক ব্যস্ত কেন্দ্র। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই শহর অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। দিনভর যানজট, কর্মচাঞ্চল্য আর নাগরিক চাপের ভেতর দিয়েই এগিয়ে চলে এই নগর।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাহাড়-সমুদ্র-নগরের এই সমন্বয় চট্টগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন নগরীতে রূপান্তরের সুযোগ এনে দিয়েছে। পাহাড়ি ট্রেইল, সমুদ্রভিত্তিক পর্যটন, ইকো-ট্যুরিজম&mdash;সবকিছু একসঙ্গে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে পারলে এ শহর হয়ে উঠতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।
তবে এই সম্ভাবনার বিপরীতে রয়েছে উদ্বেগও। অপরিকল্পিত নগরায়ন, পাহাড় কাটা, জলাধার ভরাট এবং উপকূলীয় এলাকায় অব্যবস্থাপনা ধীরে ধীরে নষ্ট করছে প্রাকৃতিক ভারসাম্য। পরিবেশবিদদের মতে, নিয়ন্ত্রণহীন উন্নয়ন অব্যাহত থাকলে এই বৈচিত্র্যই একসময় ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা, জলাবদ্ধতা এবং উপকূলীয় ক্ষয়- এসব সমস্যার পেছনেও দায়ী অপরিকল্পিত উন্নয়ন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা ছাড়া এই শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতা দুটোই সংকটে পড়বে।
নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, চট্টগ্রামকে বাঁচাতে হলে পাহাড় সংরক্ষণ, জলাধার রক্ষা এবং উপকূল ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। একইসঙ্গে পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উপ-প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবু ঈসা আনছারী বলেন, চট্টগ্রামের পাহাড়, সমুদ্র, নদী-এই তিনটা সমন্বিত করে টুরিজম ফ্যাসিলিটি করার দরকার ছিল। পাহাড়কেন্দ্রিক টুরিজম করতে পারি। সমুদ্রকেন্দ্রিক সি-বিচকে মোর ফাংশনাল করতে পারি। নদীকেন্দ্রিক যেমন হালদা নদী এবং কর্ণফুলী নদী-এই দুইকে নিয়ে টুরিজম করতে পারি। ঢাকায় কিন্তু রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ওসমানী উদ্যান মতো বড় বড় উদ্যান রয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামে সেই রকম কোনো উদ্যান নেই। চট্টগ্রামে বড় ধরণের জাতীয় উদ্যান করতে পারি। একটি নয়, চট্টগ্রামের জন্য বাস্তবসম্মত একাধিক বড় উদ্যান করা যেতে পারে। পাহাড়গুলোকে কেন্দ্র করে অভয়ারণ্য টাইপে কিছু করা যেতে পারে। ফয়েজ লেক আরেকটা ন্যাচারাল এলিমেন্টস, ইনক্লুডিং লেক। আমার মনে হয়, এটার ওপর এরকম যান্ত্রিকতা ভর করছে। এটার আরও ন্যাচারাল করা যায় কিনা। চট্টগ্রাম কয়টি পাহাড়, জলধার আছে তা চিহ্নিত করে সংরক্ষণে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাস্টার প্ল্যান রয়েছে। প্রথম বারের চট্টগ্রাম নগরীর জলাশয় পুকুর নিয়ে একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরী করা হচ্ছে। যেখানে আমাদের মাস্টার প্ল্যান এলাকায় বিএসে কয়টা পুকুর ছিল বর্তমান কয়টা আছে তা আমরা চিহ্নিত করছি। এতে পুকুর সংরক্ষণের যে নীতিমালা করতেছি, যার মাধ্যমে আমরা পুকুরগুলো সংরক্ষণ করতে পারব এবং পাশাপাশি কিছু বড় পুকুর যেমন জলাশয়কেন্দ্রিক ওয়াটারফ্রন্ট ডেভেলপমেন্ট করা যেতে পারে, যা বিনোদনের একটি উপাদান হিসেবেও কাজ করবে।

পাহাড়, সমুদ্র আর নগর- এই তিন রূপের ভারসাম্যই চট্টগ্রামের শক্তি। এই ভারসাম্য রক্ষা করতে পারলেই শহরটি হয়ে উঠতে পারে প্রকৃতি ও উন্নয়নের এক সফল উদাহরণ। অন্যথায়, সম্ভাবনার এই শহর হারাতে পারে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যই।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 13:05:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টানা ৫ দিন বৃষ্টির আভাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16327" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16327</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[লঘুচাপের প্রভাবে দেশের আবহাওয়া পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টা বা পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এ অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের দু&rsquo;এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. বাড়তে পারে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু&rsquo;এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সে. বাড়তে পারে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু&rsquo;এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু&rsquo;এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু&rsquo;এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বর্ধিত ৫ (পাঁচ) দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সময়ে দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 12 Apr 2026 12:08:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বসন্তের চেনা রঙ অচেনা প্রকৃতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16060" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16060</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রকৃতি কখনও কখনও নিজেই নিজের ক্যানভাসে নতুন রঙ ছড়িয়ে দেয়। চেনাজানা দৃশ্যপটের ভিড়ে হঠাৎ করেই অচেনা এক আভা এসে দাঁড়ায় বিস্ময়ের মতো। মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আজমেরু গ্রামে অবস্থিত বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজে দেখা মিলেছে তেমনই এক বিরল সৌন্দর্যের &lsquo;হলুদ শিমুল&rsquo;।

সম্প্রতি পার্কসংলগ্ন পথে হাঁটতে গিয়েই দর্শনার্থীদের চোঁখে পড়ে গাছটির। প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার পাতাঝরা শিমুলগাছটি যেন হলুদের দীপ্তিতে নিজেকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। ডালজুড়ে ফুটে আছে অসংখ্য ফুল -কোথাও একটি, কোথাও দু-তিনটি, আবার কোনো ডালে একসঙ্গে ঝাঁক বেঁধে। সবুজ পাতা আর আধফোটা কলির ভিড়ে হলুদ ফুলগুলো যেন রোদেলা বিকেলের আলো হয়ে ঝলমল করছে সূর্যের আলোর শেষ বেলায়।

এসময় দেখা যায়, বার্ড পার্কের মসজিদ প্রাঙ্গণে নানা প্রজাতির ফুলগাছের সমাহার। রঙে-রূপে, গন্ধে-গুণে তারা যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি দর্শনার্থীদের মনও কাড়ে প্রতিনিয়ত। তবে সবার মাঝেই আলাদা হয়ে চোঁখে পড়ে একটি গাছ, যার ডালে ডালে ফুটে আছে দুষ্প্রাপ্য হলুদ শিমুল।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাধারণত এ অঞ্চলে লাল বা লাল-হলুদ মিশ্র শিমুল ফুল বেশি দেখা যায়না। একেবারে হলুদ শিমুল খুবই দুষ্প্রাপ্য। এমন ফুল এর আগে এই এলাকায় চোঁখে পড়েনি।

প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি কেবল একটি গাছ নয়; বরং অচেনা রঙে ধরা দেওয়া এক অনন্য বিস্ময়, যা মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি এখনও তার চমক লুকিয়ে রাখে আমাদেরই চারপাশে।

বিরল এই শিমুল দেখতে প্রতিদিনই পার্কে ভিড় করছেন কৌতূহলী দর্শনার্থীরা। তারা থমকে দাঁড়ান, ছবি তোলেন, অনেকে বিস্ময়ে বলছেন; শিমুল তো লালই হয়, হলুদও হয় নাকি!

দর্শনার্থী রায়হান হাসান বলেন, শিমুল তো সব সময় লাল দেখেছি। হলুদ শিমুল নিজের চোঁখে দেখবো ভাবিনি। খুবই ব্যতিক্রম আর সুন্দর লাগছে।

আরেক দর্শনার্থী কলেজশিক্ষার্থী সাবিহা নাসরিন বলেন, দূর থেকেই গাছটা আলাদা করে চোঁখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি ডালে ডালে হলুদ শিমুল ফুল। ছবি না তুলে থাকা বিষন দায়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জাতীয় পরিষদ সদস্য আ স ম সালেহ সোহেল বলেন, প্রকৃতির বৈচিত্র্য যে কত সমৃদ্ধ, এই গাছ তারই উদাহরণ। এ ধরনের বিরল প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি এটি সংরক্ষণ করা জরুরি। বিরল গাছ হিসেবে পরিচর্যা দরকার।

বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও তরুণ উদ্যোক্তা জাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, হলুদ শিমুল দুষ্প্রাপ্য। আমি নিজেও আগে কখনও এমনটি দেখিনি। প্রায় দুই বছর আগে এখানে সাদা, লাল ও হলুদ শিমুলের চারা রোপণ করি। প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো হলুদ ফুল ফুটেছে, এটি আমাদের জন্য আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। ভবিষ্যতে বার্ড পার্কে আরও দুর্লভ ও বিরল প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু জানান, এ অঞ্চলে হলুদ শিমুলের দেখা মেলে না বললেই চলে। হলুদ শিমুল একটি দুষ্প্রাপ্য ও বিরল প্রজাতির ফুল। এর উজ্জ্বল হলুদ রঙ সহজেই দৃষ্টি কাড়ে। শীতের শেষে ফাল্গুন-চৈত্রে এই ফুল ফুটে ওঠে। ফুল ফোটার আগে লাল শিমুলের মতোই হলুদ শিমুলগাছের পাতাও ঝরে যায়। গড়ন ও আকৃতিতে এটি লাল শিমুলের মতোই, তবে রঙের ভিন্নতায় তৈরি করে আলাদা আবেদনময় চরিত্র। হলুদ ফুল প্রকৃতিকে দেয় এক অনন্য নান্দনিকতার ছোঁয়া।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 10 Mar 2026 05:44:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৃষ্টির দেখা পেল রাজধানীবাসী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15894" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15894</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকার আকাশে মেঘ। দুপুরে কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা ছাড়াও দেশের আরও ৪ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এছাড়া মঙ্গলবারও (৩ মার্চ) ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, সারা দেশে আজ দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। এ ছাড়া ঢাকায় বাতাসের পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Mar 2026 09:36:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তাপমাত্রা নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল অধিদপ্তর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15783" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে এ সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানার দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। অন্যদিকে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল (শুক্রবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 06:51:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বরুপে ফিরবে হাকালুকি হাওর !]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15654" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15654</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার ৫ উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি। মিঠাপানির এ হাওর ঘিরে রয়েছে অনেক ঐতিহ্য। জলজ, মৎস্য, কৃষি এই তিন উপাদানের জন্য এক সময় হাওরটি বিখ্যাত হলেও জলজ উদ্ভিদ ছাড়া মৎস্য ও কৃষিতে সফলতা রয়েছে হাওরের বুকে।

এশিয়ার অন্যতম ও দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির আয়তন প্রায় ১৮ হাজার ১৫০ হেক্টর। ছোটবড় মিলে প্রায় ২৩৬টি বিল রয়েছে এই হাওরে। অসংখ্য খালগুলো দিয়ে কৃষকরা পানি সেচ করে কৃষি চাষ করেন। এসব খাল, বিলে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। বর্ষা মৌসুমে খাল বিলের পানিতে একাকার হয়ে যায়। শীতকালে প্রচুর বিদেশি পাখির আগমন ঘটে এই হাওরে। বরফে ঢাকা পশ্চিমা দেশ সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে পাখিগুলো আসে। শীতকমে গেলে তারা আবার ও তাদের দেশে ফিরে যায়।

বোরো আমন চাষের জন্য হাকালুকি হাওর প্রসিদ্ধ। শীতের কনকনে শীতে কৃষক ভোরে সূর্যের আলো ছড়ার সাথে সাথে হাওরে গিয়ে কৃষিকাজ করেন। বর্ষাকালে হাওরের সবটুকুজুড়ে পানি আর পানি। সেই পানিতে বাস করেন হাজার রকমের ছোট বড় দেশীয় মাছ। বর্ষা মৌসুম চলে গেলে পানি কমে যাওয়ার কারণে মাছগুলো আশ্রয় নেয় ছোট বড় বিলগুলোতে। এসব বিলগুলো ইজারা দিয়ে কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে বাংলাদেশ সরকার।

মৎস্য, কৃষি কিংবা অতিথি পাখির কোলাহলে ভরপুর হাকালুকিতে একটা সময় বনাঞ্চল ছিল। প্রায় ৩০-৪০ বছর পূর্বেও হাকালুকি হাওরের বনে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ছিল। এসবের মধ্যে মেছো বিড়াল (মেছো বাঘ) শিয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাপের বসবাস ছিল। হাওরের মধ্যে হিজল, করচের বন ছিল পাহাড়ি জঙ্গলের মত। এসব বনের গাছের নিচে মাছগুলো ডিম দিত, যাতে শিকারিরা সহজে জাল ফেলে পোনা মারতে না পারে। হাওরগুলো নিলামে দেওয়ার কারণে ইজারাদাররা এসব বন কেটে বিলে কাঁটা হিসেবে ব্যবহৃত করার কারনে আগেরমত সেই বনাঞ্চল নেই হাওরে। ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করার পরও বিভিন্ন অজুহাতে কাঁটা হয় এসব গাছ। শুধু ২০২১ সালে বাঁধ নির্মাণের অজুহাতে এক মালাম বিল থেকে প্রায় ২০ হাজার গাছ কাটা হয়েছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে হাকালুকি হাওরের বনাঞ্চল পূর্বের মত ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগত কয়েক বছরে প্রায় ৫০ হাজার হিজল, করচ ও বরুন গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষণের জন্য সংস্থা থেকে পাহারাদার নিয়োগ দেওয়ার কারণে পূর্বেরমতো ইজারাদাররা সহজে গাছ কাটতে পারেন না। প্রকৃতির পরিবেশ রক্ষা, মাছের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এ বনাঞ্চল রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর।

হাওরপাড়ের বসবাসকারী বাসিন্দারা বলেন, হাওরে আগে মাছের পাশাপাশি অনেক গাছ ছিল। আমরা মাছ মারতে গেলে সহজে জাল ফেলা যেত না। কিছুদিন আগে থেকে এসব গাছ রোপণ করার কারণে কিছুটা সৌন্দর্য ফিরে আসছে।

সিএনআরএসের নবপল্লব প্রকল্পের ফিল্ড ম্যানেজার মোঃ তৌহিদুর রহমান বলেন, একটা সময় হাকালুকি হাওরে প্রচুর জলজ গাছ ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের আওতা থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাওরের ভূমির দায়িত্ব চলে যায়। এরপর থেকে তদারকির অভাবে গাছ কেটে জমি তৈরির কারনে গাছগুলো কাটা হয়েছে। সিএনআরএসের নবপল্লব প্রকল্পের আওতায় সেই পুরনো বনাঞ্চল ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের সফলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আবার ও জলজ বৃক্ষে হাকালুকি তার ঐতিহ্য ফিরে পাবে বলে এ কর্মকর্তা আশা ব্যক্ত করেন।

পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আব্দুল করিম কিম বলেন, হাকালুকি হাওরে জলজ ও হিজল-করচসহ অনেক বনের বৈচিত্র্যময় গাছপালা ছিল। এগুলো অনেকটাই উজাড় হয়ে গেছে। এখন যারা এই উদ্যোগ নিয়েছে নিঃসন্দেহে ভালো। কিন্তু তখনই এটিই পরিপূর্ণতা পাবে যখন আগের মতো গাছগুলো দেখা যাবে। এ ছাড়া আর কোন অজুহাতে দুষ্কৃতিকারীরা এই গাছগুলো কাটতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। হাকালুকি হাওর এশিয়ার বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি হওয়ায় এখানে হিজল-তমাল জাতীয় জলাভূমি উপযোগী গাছের আধিক্য রয়েছে যা মাছের প্রজনন ও আশ্রয়স্থল।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহি উদ্দিন বলেন, সিএনআরএস যে উদ্যোগটি নিয়েছে সেটি খুব ভালো। হাকালুকি হাওরের বনাঞ্চল পূর্বের মত ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি এ ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ প্রশংসনীয়। এ ছাড়া আমাদের সাথে আলাপ করে এসবের পর্যবেক্ষণের জন্য সংস্থা থেকে পাহারাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমরাও তাদেরকে সহযোগিতা করছি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 21 Feb 2026 04:17:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ সুন্দরবন দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15489" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15489</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণস্পন্দন হিসেবে খ্যাত সুন্দরবন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন। সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপহার দেয় না বরং এটি ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলকে মাতৃস্নেহে আগলে রাখে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিক্ষয় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে রক্ষা করে। এটি দেশের জন্য একটি অমূল্য প্রাকৃতিক বেষ্টনী। আজ সেই বনের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দিন। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস পালিত হয়ে আসছে।

সুন্দরবন দিবসের প্রবর্তন হয় ২০০১ সালে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর এবং দেশের আরও ৭০টিরও বেশি পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে &lsquo;সুন্দরবন দিবস&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এবারের অনুষ্ঠানের মূল কেন্দ্র খুলনায়। বরাবরের মতো এবারেও সেখানে বিভিন্ন কর্মশালা, আলোচনা সভা ও সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে সুন্দরবন বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অংশে বিস্তৃত, পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে প্রসারিত। বনভূমির ৬৬ শতাংশ বাংলাদেশে, ৩৪ শতাংশ ভারতীয় অংশে অবস্থিত। সুন্দরবন তার বিশালতার কারণে বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়বলীর অন্তর্ভুক্ত।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও ২৯০ প্রজাতির পাখি, ১২০ প্রজাতির মাছসহ মোট ৪৫৩টি প্রাণী এখানে বাস করে। বনাঞ্চলটির ৩১ শতাংশ বা ১৮৭৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীনালা, খাঁড়ি, বিল মিলিয়ে জলাকীর্ণ অঞ্চল। বনভূমির গুরুত্বপূর্ণ গাছের প্রজাতির মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, গেওয়া প্রজাতি।

সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৯৯২ সালে এটি রামসার স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় যা আর্দ্রভূমি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

সুন্দরবন শুধু জীববৈচিত্র্যের কেন্দ্র নয় এটি শিক্ষার, গবেষণার এবং পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতি বছর হাজার হাজার দেশী ও বিদেশী পর্যটক সুন্দরবনের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলে। সমুদ্র উপকূলবর্তী এই বন আমাদের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক ঢাল। সিডর, আইলা কিংবা আম্পানের মতো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় থেকে এই বনই বুক পেতে রক্ষা করেছে বাংলাদেশকে। তাই সুন্দরবন দিবস কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয় এটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার অঙ্গীকার। আজকের এই দিনে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটুক বনের প্রতিটি গাছ আর প্রতিটি প্রাণীর প্রতি।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 14 Feb 2026 10:43:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14931" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14931</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। হর্ন বাজানোটা আমাদের বহুদিনের চরম বদভ্যাস। এটা পরিবর্তনের জন্য যেমন আইন লাগে তেমনি মানুষেরও অভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন &lsquo;শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প&rsquo;-এর আওতায় আজ শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর যৌথ উদ্যোগে হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রার আয়োজন উদ্বোধনকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমাদের &lsquo;শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫&rsquo;-এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে আইনগত ভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কারণ তারাই সারাক্ষণ রাস্তায় থাকে; তারা যেন শব্দ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারে। ইতিমধ্যে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এইসব এলাকায় মনিটরিং বাড়াতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, শব্দ দূষণের দুটি উৎসকে বেশি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে--হর্ন বাজানো আর আতশবাজি ফুটানো। তিনি একটা সুনির্দিষ্ট স্থানে যাতে শুধুমাত্র নববর্ষের আতশবাজি ফোটানো হয় যাওয়ার আগে তার ব্যবস্থা করে যাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান। উপদেষ্টা আগামী নির্বাচিত সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গৃহীত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান মানুষের এ অভ্যাস পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে বিষয়টিকে ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ আপনারা স্বপ্রনোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে মানুষকে হর্ন না বাজানোর বার্তা প্রচার করুন। উপস্থিত তরণ কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে যদি বধির হওয়া থেকে বাঁচাতে হয়, শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে; তবেই পরিবর্তন আসবে।
আর নয় শব্দ দূষণ, জয় হোক সুস্থ জীবন&mdash;শ্লোগানকে সামনে রেখে উপদেষ্টা বর্নিল শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। শোভাযাত্রাটি সকালে মানিক মিয়া এভিনিউ (সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা) থেকে শুরু হয়ে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বিজয় স্মরণী হয়ে আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের এসে শেষ হয়।




আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সারোয়ার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ।
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়ধীন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প-এর আয়োজনে গত ৫ জানুয়ারি থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দশটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দশ দিন মোবাইল কোর্ট ও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে যা আজকের মোটর শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। এই ক্যাম্পেইন পরিচালনায় সহযোগিতা করেছেন গ্রীন ভয়েস-এর তরুণ স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 09:26:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তাপমাত্রা আরও কমার আভাস, শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বাড়ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14896" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের দাপট আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক&ndash;দুই দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে এবং শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশের তিনটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগের দিন বুধবার এই শৈত্যপ্রবাহ সীমাবদ্ধ ছিল মাত্র একটি জেলায়। একই সঙ্গে গতকালের তুলনায় আজ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

এদিকে আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায়&mdash;৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখযোগ্যভাবে, টানা আট দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই এলাকাতেই নথিভুক্ত হচ্ছে। বর্তমানে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম জেলায় শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব রয়েছে, যেখানে আগের দিন এটি কেবল পঞ্চগড়েই সীমাবদ্ধ ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দেশের তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। তবে সার্বিকভাবে দেশের বেশিরভাগ এলাকাতেই তাপমাত্রা কিছুটা কমার প্রবণতা থাকবে।

এদিকে, চলতি মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, জানুয়ারিতে মোট পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও মাঝামাঝি কয়েক দিন তুলনামূলক কম ছিল। আজ আবার শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার বাড়তে শুরু করেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 06:02:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ৭ ডিগ্রিতে, কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14851" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14851</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে টানা কয়েক দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আজ মঙ্গলবারও জেলায় শীতের তীব্রতা কমেনি। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রির ঘরে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

এর আগে গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি, রোববার (১১ জানুয়ারি) ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং সোমবার (১২ জানুয়ারি) ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, শীত মৌসুমে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। একই সঙ্গে রাত ও দিনে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিম বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠছে। জানুয়ারি মাসজুড়েই এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Jan 2026 06:59:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নরসিংদী ও মনোহরদীতে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14755" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14755</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে মনোহরদীসহ আশেপাশের সমস্ত এলাকা। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাস জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দিনের বেলায় সামান্য সূর্যের আলো থাকলেও সেই কাঙ্খিত উষ্ণতা মিলছে না। বিভিন্ন জেলায় গত কয়েক দিন ধরে ভর দুপুরেও সূর্যের আলো দেখা যায়নি।

গতকালও সন্ধ্যায় মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে পারছিল না। জরুরি প্রয়োজনেই যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারা ঠান্ডায় কাবু হয়ে ঘরে ফিরছেন। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। দরিদ্র দিনমজুরেরা কাজ না পেয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

শীতের তীব্রতায় হাসপাতালে ও ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষজন রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকান এবং বাজার এলাকায় খড়কুটো, কাঠ ও পুরানো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

নরসিংদী জেলার উপর দিয়ে মৃদু শীত প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সংস্থার মতে, পৌষের মাঝামাঝি এই সময়ে শীতের তীব্রতা আরও কয়েক দিন থাকবে। তবে দিন-রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, ফলে কিছু এলাকায় শীত প্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

এলাকার মানুষ মনে করছে, এই তীব্র শীতে ধনীরা শীতবস্ত্র দিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 10:57:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14750" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14750</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শীতের প্রকোপ এখন দেশের উত্তরের ও মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় স্পষ্ট।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়েছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীতের শীতলতম দিন হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রায় কিছু ওঠানামা থাকতে পারে। তবে মাসের ১০ বা ১১ তারিখের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে,

এবারের শীতের তাণ্ডব দেশের অন্তত ১০টি জেলায় বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ বইছে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি মধ্যম, ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। অর্থাৎ বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, জানুয়ারিতে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই শীতের ঢেউ আগামী কয়েকদিনে দেশের উত্তরাঞ্চলে আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে।

শীতের তাণ্ডবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, রাজধানীসহ দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে রাতের সময় ঘন কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা হাওয়া কর্মজীবী ও পথচারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 07:48:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14724" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চায়ের রাজ্য মৌলভীবাজারে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে প্রকৃতি, আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে জনজীবন। শীতের প্রকোপে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চা-বাগান ঘেরা এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে তীব্র শীত। স্থানীয়রা জানান, ঠান্ডার কারণে হাতে-পায়ে কাঁপুনি শুরু হয়, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষদের চলাফেরায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক দিন সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে চারপাশ, ফলে যান চলাচলেও দেখা দিচ্ছে সমস্যা।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় শীতের প্রভাবে কৃষি খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তীব্র শীতের কারণে বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মৌলভীবাজার শহরের সাধারণ মানুষ বলেন, শীতে আমরা একপ্রকার জবুথবু হয়ে পড়েছি। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে বের হলে মনে হয় হাত-পা জমে যাচ্ছে।&rdquo;

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আনিসুর রহমান বলেন,

আজ সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 10:28:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতে কাঁপছে নারায়ণগঞ্জ: দিনমজুর-বাস্তিবাসীর অবস্থা নাজুক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14703" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14703</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জে শীত প্রবল আকার ধারণ করেছে। গত পাঁচ দিনের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে জেলার প্রায় সব এলাকায় জনজীবন প্রভাবিত হয়েছে। রেলস্টেশন ও বাজারপথে মানুষজন ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পেতে উন্মুক্ত স্থানে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

নিম্ন আয়ের মানুষ এবং খেটে খাওয়া মানুষের জন্য শীত এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বস্তিবাসী এবং রেলস্টেশনে থাকা ভাসমান মানুষের জন্য রাতের সময় অবস্থার তীব্রতা বেড়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঝুঁকির মধ্যেও দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ সিগন্যাল হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করছে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন শহরের বিপণিবিতানগুলো ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের মধ্যে কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করছে, তবে এটি প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। স্থানীয়রা দাবি করছেন, &ldquo;অতি শীতে বাচ্চা-বয়স্ক সবাই খুব কষ্টে আছে, প্রশাসনের আরও সহায়তা জরুরি।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 08:01:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতে কাঁপবে দেশ, জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ ডিগ্রিতে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14699" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14699</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বছরের শুরুতেই দেশে শীতের দাপট তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে শীত আরও প্রবল হতে পারে। এ সময়ে মধ্যে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি মাসে মোট ৫টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি হবে মৃদু থেকে মাঝারি এবং ১-২টি হতে পারে মাঝারি থেকে তীব্র। ঘন কুয়াশা ও আর্দ্র বাতাসের কারণে দিনের বেলাতেও শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। বিশেষ করে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার প্রভাব লক্ষ্যণীয় হবে, যা কিছু এলাকায় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের কোনো সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত থাকতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। দেশের নদী-নালা ও অববাহিকায় পানিপ্রবাহও স্বাভাবিকভাবে বজায় থাকবে।

এ দিকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেই সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা ও শীতের এ দাপট থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 06:25:07 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
