<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/environment</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/environment"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla environment Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest environment News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 10 Mar 2026 05:44:49 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বসন্তের চেনা রঙ অচেনা প্রকৃতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16060" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/16060</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রকৃতি কখনও কখনও নিজেই নিজের ক্যানভাসে নতুন রঙ ছড়িয়ে দেয়। চেনাজানা দৃশ্যপটের ভিড়ে হঠাৎ করেই অচেনা এক আভা এসে দাঁড়ায় বিস্ময়ের মতো। মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আজমেরু গ্রামে অবস্থিত বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজে দেখা মিলেছে তেমনই এক বিরল সৌন্দর্যের &lsquo;হলুদ শিমুল&rsquo;।

সম্প্রতি পার্কসংলগ্ন পথে হাঁটতে গিয়েই দর্শনার্থীদের চোঁখে পড়ে গাছটির। প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার পাতাঝরা শিমুলগাছটি যেন হলুদের দীপ্তিতে নিজেকে আলাদা করে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। ডালজুড়ে ফুটে আছে অসংখ্য ফুল -কোথাও একটি, কোথাও দু-তিনটি, আবার কোনো ডালে একসঙ্গে ঝাঁক বেঁধে। সবুজ পাতা আর আধফোটা কলির ভিড়ে হলুদ ফুলগুলো যেন রোদেলা বিকেলের আলো হয়ে ঝলমল করছে সূর্যের আলোর শেষ বেলায়।

এসময় দেখা যায়, বার্ড পার্কের মসজিদ প্রাঙ্গণে নানা প্রজাতির ফুলগাছের সমাহার। রঙে-রূপে, গন্ধে-গুণে তারা যেমন সমৃদ্ধ, তেমনি দর্শনার্থীদের মনও কাড়ে প্রতিনিয়ত। তবে সবার মাঝেই আলাদা হয়ে চোঁখে পড়ে একটি গাছ, যার ডালে ডালে ফুটে আছে দুষ্প্রাপ্য হলুদ শিমুল।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সাধারণত এ অঞ্চলে লাল বা লাল-হলুদ মিশ্র শিমুল ফুল বেশি দেখা যায়না। একেবারে হলুদ শিমুল খুবই দুষ্প্রাপ্য। এমন ফুল এর আগে এই এলাকায় চোঁখে পড়েনি।

প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে এটি কেবল একটি গাছ নয়; বরং অচেনা রঙে ধরা দেওয়া এক অনন্য বিস্ময়, যা মনে করিয়ে দেয় প্রকৃতি এখনও তার চমক লুকিয়ে রাখে আমাদেরই চারপাশে।

বিরল এই শিমুল দেখতে প্রতিদিনই পার্কে ভিড় করছেন কৌতূহলী দর্শনার্থীরা। তারা থমকে দাঁড়ান, ছবি তোলেন, অনেকে বিস্ময়ে বলছেন; শিমুল তো লালই হয়, হলুদও হয় নাকি!

দর্শনার্থী রায়হান হাসান বলেন, শিমুল তো সব সময় লাল দেখেছি। হলুদ শিমুল নিজের চোঁখে দেখবো ভাবিনি। খুবই ব্যতিক্রম আর সুন্দর লাগছে।

আরেক দর্শনার্থী কলেজশিক্ষার্থী সাবিহা নাসরিন বলেন, দূর থেকেই গাছটা আলাদা করে চোঁখে পড়ে। কাছে গিয়ে দেখি ডালে ডালে হলুদ শিমুল ফুল। ছবি না তুলে থাকা বিষন দায়।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) জাতীয় পরিষদ সদস্য আ স ম সালেহ সোহেল বলেন, প্রকৃতির বৈচিত্র্য যে কত সমৃদ্ধ, এই গাছ তারই উদাহরণ। এ ধরনের বিরল প্রজাতি টিকিয়ে রাখতে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি এটি সংরক্ষণ করা জরুরি। বিরল গাছ হিসেবে পরিচর্যা দরকার।

বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও তরুণ উদ্যোক্তা জাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, হলুদ শিমুল দুষ্প্রাপ্য। আমি নিজেও আগে কখনও এমনটি দেখিনি। প্রায় দুই বছর আগে এখানে সাদা, লাল ও হলুদ শিমুলের চারা রোপণ করি। প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গাছটিতে গত ২৫শে ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো হলুদ ফুল ফুটেছে, এটি আমাদের জন্য আনন্দের ও গর্বের মুহূর্ত। ভবিষ্যতে বার্ড পার্কে আরও দুর্লভ ও বিরল প্রজাতির ফুলের গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু জানান, এ অঞ্চলে হলুদ শিমুলের দেখা মেলে না বললেই চলে। হলুদ শিমুল একটি দুষ্প্রাপ্য ও বিরল প্রজাতির ফুল। এর উজ্জ্বল হলুদ রঙ সহজেই দৃষ্টি কাড়ে। শীতের শেষে ফাল্গুন-চৈত্রে এই ফুল ফুটে ওঠে। ফুল ফোটার আগে লাল শিমুলের মতোই হলুদ শিমুলগাছের পাতাও ঝরে যায়। গড়ন ও আকৃতিতে এটি লাল শিমুলের মতোই, তবে রঙের ভিন্নতায় তৈরি করে আলাদা আবেদনময় চরিত্র। হলুদ ফুল প্রকৃতিকে দেয় এক অনন্য নান্দনিকতার ছোঁয়া।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 10 Mar 2026 05:44:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বৃষ্টির দেখা পেল রাজধানীবাসী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15894" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15894</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সোমবার (২ মার্চ) সকাল থেকেই ঢাকার আকাশে মেঘ। দুপুরে কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা ছাড়াও দেশের আরও ৪ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

সংস্থাটি জানিয়েছে, আজ ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এছাড়া মঙ্গলবারও (৩ মার্চ) ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, সারা দেশে আজ দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। এ ছাড়া ঢাকায় বাতাসের পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Mar 2026 09:36:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তাপমাত্রা নিয়ে ৫ দিনের পূর্বাভাসে যা জানাল অধিদপ্তর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15783" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15783</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ৫ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাতের কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে এ সময়ে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। একই সঙ্গে দিন ও রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানার দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। অন্যদিকে, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল (শুক্রবার) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামী রোববার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আগামী সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 06:51:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বরুপে ফিরবে হাকালুকি হাওর !]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15654" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15654</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার ৫ উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি। মিঠাপানির এ হাওর ঘিরে রয়েছে অনেক ঐতিহ্য। জলজ, মৎস্য, কৃষি এই তিন উপাদানের জন্য এক সময় হাওরটি বিখ্যাত হলেও জলজ উদ্ভিদ ছাড়া মৎস্য ও কৃষিতে সফলতা রয়েছে হাওরের বুকে।

এশিয়ার অন্যতম ও দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকির আয়তন প্রায় ১৮ হাজার ১৫০ হেক্টর। ছোটবড় মিলে প্রায় ২৩৬টি বিল রয়েছে এই হাওরে। অসংখ্য খালগুলো দিয়ে কৃষকরা পানি সেচ করে কৃষি চাষ করেন। এসব খাল, বিলে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। বর্ষা মৌসুমে খাল বিলের পানিতে একাকার হয়ে যায়। শীতকালে প্রচুর বিদেশি পাখির আগমন ঘটে এই হাওরে। বরফে ঢাকা পশ্চিমা দেশ সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, রাশিয়া সহ বিভিন্ন দেশ থেকে পাখিগুলো আসে। শীতকমে গেলে তারা আবার ও তাদের দেশে ফিরে যায়।

বোরো আমন চাষের জন্য হাকালুকি হাওর প্রসিদ্ধ। শীতের কনকনে শীতে কৃষক ভোরে সূর্যের আলো ছড়ার সাথে সাথে হাওরে গিয়ে কৃষিকাজ করেন। বর্ষাকালে হাওরের সবটুকুজুড়ে পানি আর পানি। সেই পানিতে বাস করেন হাজার রকমের ছোট বড় দেশীয় মাছ। বর্ষা মৌসুম চলে গেলে পানি কমে যাওয়ার কারণে মাছগুলো আশ্রয় নেয় ছোট বড় বিলগুলোতে। এসব বিলগুলো ইজারা দিয়ে কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে বাংলাদেশ সরকার।

মৎস্য, কৃষি কিংবা অতিথি পাখির কোলাহলে ভরপুর হাকালুকিতে একটা সময় বনাঞ্চল ছিল। প্রায় ৩০-৪০ বছর পূর্বেও হাকালুকি হাওরের বনে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ছিল। এসবের মধ্যে মেছো বিড়াল (মেছো বাঘ) শিয়ালসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাপের বসবাস ছিল। হাওরের মধ্যে হিজল, করচের বন ছিল পাহাড়ি জঙ্গলের মত। এসব বনের গাছের নিচে মাছগুলো ডিম দিত, যাতে শিকারিরা সহজে জাল ফেলে পোনা মারতে না পারে। হাওরগুলো নিলামে দেওয়ার কারণে ইজারাদাররা এসব বন কেটে বিলে কাঁটা হিসেবে ব্যবহৃত করার কারনে আগেরমত সেই বনাঞ্চল নেই হাওরে। ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করার পরও বিভিন্ন অজুহাতে কাঁটা হয় এসব গাছ। শুধু ২০২১ সালে বাঁধ নির্মাণের অজুহাতে এক মালাম বিল থেকে প্রায় ২০ হাজার গাছ কাটা হয়েছে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে হাকালুকি হাওরের বনাঞ্চল পূর্বের মত ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিগত কয়েক বছরে প্রায় ৫০ হাজার হিজল, করচ ও বরুন গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষণের জন্য সংস্থা থেকে পাহারাদার নিয়োগ দেওয়ার কারণে পূর্বেরমতো ইজারাদাররা সহজে গাছ কাটতে পারেন না। প্রকৃতির পরিবেশ রক্ষা, মাছের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এ বনাঞ্চল রক্ষার দাবি এলাকাবাসীর।

হাওরপাড়ের বসবাসকারী বাসিন্দারা বলেন, হাওরে আগে মাছের পাশাপাশি অনেক গাছ ছিল। আমরা মাছ মারতে গেলে সহজে জাল ফেলা যেত না। কিছুদিন আগে থেকে এসব গাছ রোপণ করার কারণে কিছুটা সৌন্দর্য ফিরে আসছে।

সিএনআরএসের নবপল্লব প্রকল্পের ফিল্ড ম্যানেজার মোঃ তৌহিদুর রহমান বলেন, একটা সময় হাকালুকি হাওরে প্রচুর জলজ গাছ ছিল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের আওতা থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে হাওরের ভূমির দায়িত্ব চলে যায়। এরপর থেকে তদারকির অভাবে গাছ কেটে জমি তৈরির কারনে গাছগুলো কাটা হয়েছে। সিএনআরএসের নবপল্লব প্রকল্পের আওতায় সেই পুরনো বনাঞ্চল ফিরিয়ে আনার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের সফলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। আবার ও জলজ বৃক্ষে হাকালুকি তার ঐতিহ্য ফিরে পাবে বলে এ কর্মকর্তা আশা ব্যক্ত করেন।

পরিবেশ আন্দোলনের সংগঠক আব্দুল করিম কিম বলেন, হাকালুকি হাওরে জলজ ও হিজল-করচসহ অনেক বনের বৈচিত্র্যময় গাছপালা ছিল। এগুলো অনেকটাই উজাড় হয়ে গেছে। এখন যারা এই উদ্যোগ নিয়েছে নিঃসন্দেহে ভালো। কিন্তু তখনই এটিই পরিপূর্ণতা পাবে যখন আগের মতো গাছগুলো দেখা যাবে। এ ছাড়া আর কোন অজুহাতে দুষ্কৃতিকারীরা এই গাছগুলো কাটতে না পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। হাকালুকি হাওর এশিয়ার বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি হওয়ায় এখানে হিজল-তমাল জাতীয় জলাভূমি উপযোগী গাছের আধিক্য রয়েছে যা মাছের প্রজনন ও আশ্রয়স্থল।

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহি উদ্দিন বলেন, সিএনআরএস যে উদ্যোগটি নিয়েছে সেটি খুব ভালো। হাকালুকি হাওরের বনাঞ্চল পূর্বের মত ফিরিয়ে আনতে সরকারের পাশাপাশি এ ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ প্রশংসনীয়। এ ছাড়া আমাদের সাথে আলাপ করে এসবের পর্যবেক্ষণের জন্য সংস্থা থেকে পাহারাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আমরাও তাদেরকে সহযোগিতা করছি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 21 Feb 2026 04:17:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ সুন্দরবন দিবস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15489" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/15489</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রাণস্পন্দন হিসেবে খ্যাত সুন্দরবন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন। সুন্দরবন শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপহার দেয় না বরং এটি ভৌগোলিক ও প্রাকৃতিক কারণে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলকে মাতৃস্নেহে আগলে রাখে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিক্ষয় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে দেশকে রক্ষা করে। এটি দেশের জন্য একটি অমূল্য প্রাকৃতিক বেষ্টনী। আজ সেই বনের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের দিন। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস পালিত হয়ে আসছে।

সুন্দরবন দিবসের প্রবর্তন হয় ২০০১ সালে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রূপান্তর এবং দেশের আরও ৭০টিরও বেশি পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে প্রথম জাতীয় সুন্দরবন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে &lsquo;সুন্দরবন দিবস&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এবারের অনুষ্ঠানের মূল কেন্দ্র খুলনায়। বরাবরের মতো এবারেও সেখানে বিভিন্ন কর্মশালা, আলোচনা সভা ও সচেতনতা মূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।

ভৌগোলিকভাবে সুন্দরবন বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অংশে বিস্তৃত, পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে প্রসারিত। বনভূমির ৬৬ শতাংশ বাংলাদেশে, ৩৪ শতাংশ ভারতীয় অংশে অবস্থিত। সুন্দরবন তার বিশালতার কারণে বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়বলীর অন্তর্ভুক্ত।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যও অত্যন্ত সমৃদ্ধ। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও ২৯০ প্রজাতির পাখি, ১২০ প্রজাতির মাছসহ মোট ৪৫৩টি প্রাণী এখানে বাস করে। বনাঞ্চলটির ৩১ শতাংশ বা ১৮৭৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীনালা, খাঁড়ি, বিল মিলিয়ে জলাকীর্ণ অঞ্চল। বনভূমির গুরুত্বপূর্ণ গাছের প্রজাতির মধ্যে রয়েছে সুন্দরী, গেওয়া প্রজাতি।

সুন্দরবন ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ১৯৯২ সালে এটি রামসার স্থান হিসেবে ঘোষিত হয় যা আর্দ্রভূমি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।

সুন্দরবন শুধু জীববৈচিত্র্যের কেন্দ্র নয় এটি শিক্ষার, গবেষণার এবং পর্যটনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। প্রতি বছর হাজার হাজার দেশী ও বিদেশী পর্যটক সুন্দরবনের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ গড়ে তোলে। সমুদ্র উপকূলবর্তী এই বন আমাদের জলবায়ু ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

সুন্দরবন আমাদের প্রাকৃতিক ঢাল। সিডর, আইলা কিংবা আম্পানের মতো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় থেকে এই বনই বুক পেতে রক্ষা করেছে বাংলাদেশকে। তাই সুন্দরবন দিবস কেবল একটি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয় এটি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার অঙ্গীকার। আজকের এই দিনে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটুক বনের প্রতিটি গাছ আর প্রতিটি প্রাণীর প্রতি।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 14 Feb 2026 10:43:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14931" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14931</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধ করতে হবে। হর্ন বাজানোটা আমাদের বহুদিনের চরম বদভ্যাস। এটা পরিবর্তনের জন্য যেমন আইন লাগে তেমনি মানুষেরও অভ্যাস পরিবর্তন করতে হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন &lsquo;শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প&rsquo;-এর আওতায় আজ শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর যৌথ উদ্যোগে হর্নের বিরুদ্ধে মোটর শোভাযাত্রার আয়োজন উদ্বোধনকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। এসময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বলেন, আমাদের &lsquo;শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০২৫&rsquo;-এর গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে আইনগত ভাবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কারণ তারাই সারাক্ষণ রাস্তায় থাকে; তারা যেন শব্দ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারে। ইতিমধ্যে ঢাকার বেশ কয়েকটি এলাকাকে নীরব এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এইসব এলাকায় মনিটরিং বাড়াতে হবে।
উপদেষ্টা বলেন, শব্দ দূষণের দুটি উৎসকে বেশি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে--হর্ন বাজানো আর আতশবাজি ফুটানো। তিনি একটা সুনির্দিষ্ট স্থানে যাতে শুধুমাত্র নববর্ষের আতশবাজি ফোটানো হয় যাওয়ার আগে তার ব্যবস্থা করে যাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানান। উপদেষ্টা আগামী নির্বাচিত সরকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে গৃহীত নানা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান মানুষের এ অভ্যাস পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে বিষয়টিকে ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ আপনারা স্বপ্রনোদিত হয়ে, নিজেদের দায়িত্বের জায়গা থেকে মানুষকে হর্ন না বাজানোর বার্তা প্রচার করুন। উপস্থিত তরণ কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে যদি বধির হওয়া থেকে বাঁচাতে হয়, শব্দদূষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে; তবেই পরিবর্তন আসবে।
আর নয় শব্দ দূষণ, জয় হোক সুস্থ জীবন&mdash;শ্লোগানকে সামনে রেখে উপদেষ্টা বর্নিল শোভাযাত্রার উদ্বোধন ঘোষণা করেন। শোভাযাত্রাটি সকালে মানিক মিয়া এভিনিউ (সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা) থেকে শুরু হয়ে ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, বিজয় স্মরণী হয়ে আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের এসে শেষ হয়।




আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ কামরুজ্জামান এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোঃ সারোয়ার। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিসুর রহমান, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ফরিদ আহমেদ, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তাগণ।
পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়ধীন শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প-এর আয়োজনে গত ৫ জানুয়ারি থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকার দশটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দশ দিন মোবাইল কোর্ট ও ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে যা আজকের মোটর শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। এই ক্যাম্পেইন পরিচালনায় সহযোগিতা করেছেন গ্রীন ভয়েস-এর তরুণ স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 09:26:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তাপমাত্রা আরও কমার আভাস, শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বাড়ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14896" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14896</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের দাপট আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী এক&ndash;দুই দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে এবং শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়া অফিস জানায়, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দেশের তিনটি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগের দিন বুধবার এই শৈত্যপ্রবাহ সীমাবদ্ধ ছিল মাত্র একটি জেলায়। একই সঙ্গে গতকালের তুলনায় আজ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

এদিকে আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায়&mdash;৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উল্লেখযোগ্যভাবে, টানা আট দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই এলাকাতেই নথিভুক্ত হচ্ছে। বর্তমানে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম জেলায় শৈত্যপ্রবাহের প্রভাব রয়েছে, যেখানে আগের দিন এটি কেবল পঞ্চগড়েই সীমাবদ্ধ ছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দেশের তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের উত্তরাঞ্চল এবং খুলনা বিভাগের কিছু এলাকায় শীতের তীব্রতা বাড়তে পারে। তবে সার্বিকভাবে দেশের বেশিরভাগ এলাকাতেই তাপমাত্রা কিছুটা কমার প্রবণতা থাকবে।

এদিকে, চলতি মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছিল, জানুয়ারিতে মোট পাঁচ দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মাসের শুরু থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও মাঝামাঝি কয়েক দিন তুলনামূলক কম ছিল। আজ আবার শৈত্যপ্রবাহের বিস্তার বাড়তে শুরু করেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 06:02:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ৭ ডিগ্রিতে, কনকনে শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14851" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14851</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে টানা কয়েক দিন ধরেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে। আজ মঙ্গলবারও জেলায় শীতের তীব্রতা কমেনি। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সকালে তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ৭ ডিগ্রির ঘরে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।

এর আগে গত শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রা নেমেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি, রোববার (১১ জানুয়ারি) ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি এবং সোমবার (১২ জানুয়ারি) ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, শীত মৌসুমে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২১ থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। একই সঙ্গে রাত ও দিনে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা পাহাড়ি হিম বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়ে উঠছে। জানুয়ারি মাসজুড়েই এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 Jan 2026 06:59:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নরসিংদী ও মনোহরদীতে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14755" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14755</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রচণ্ড শীতে কাঁপছে মনোহরদীসহ আশেপাশের সমস্ত এলাকা। ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাস জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। দিনের বেলায় সামান্য সূর্যের আলো থাকলেও সেই কাঙ্খিত উষ্ণতা মিলছে না। বিভিন্ন জেলায় গত কয়েক দিন ধরে ভর দুপুরেও সূর্যের আলো দেখা যায়নি।

গতকালও সন্ধ্যায় মানুষ ঘরের বাইরে বের হতে পারছিল না। জরুরি প্রয়োজনেই যারা বাইরে বের হচ্ছেন, তারা ঠান্ডায় কাবু হয়ে ঘরে ফিরছেন। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। দরিদ্র দিনমজুরেরা কাজ না পেয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।

শীতের তীব্রতায় হাসপাতালে ও ক্লিনিকে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষজন রাস্তার মোড়ে, চায়ের দোকান এবং বাজার এলাকায় খড়কুটো, কাঠ ও পুরানো টায়ার জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে।

নরসিংদী জেলার উপর দিয়ে মৃদু শীত প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সংস্থার মতে, পৌষের মাঝামাঝি এই সময়ে শীতের তীব্রতা আরও কয়েক দিন থাকবে। তবে দিন-রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে, ফলে কিছু এলাকায় শীত প্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

এলাকার মানুষ মনে করছে, এই তীব্র শীতে ধনীরা শীতবস্ত্র দিয়ে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবেন।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 10:57:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেশের ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14750" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14750</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শীতের প্রকোপ এখন দেশের উত্তরের ও মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় স্পষ্ট।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদপ্তরের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজশাহীতে রেকর্ড করা হয়েছে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীতের শীতলতম দিন হিসেবে ধরা হচ্ছে। এর আগে ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রায় কিছু ওঠানামা থাকতে পারে। তবে মাসের ১০ বা ১১ তারিখের দিকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে,

এবারের শীতের তাণ্ডব দেশের অন্তত ১০টি জেলায় বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে। শৈত্যপ্রবাহ বইছে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা জেলায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী, ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি মধ্যম, ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। অর্থাৎ বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, জানুয়ারিতে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বইতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এই শীতের ঢেউ আগামী কয়েকদিনে দেশের উত্তরাঞ্চলে আরও প্রকট হয়ে উঠতে পারে।

শীতের তাণ্ডবের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, রাজধানীসহ দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে, তবে রাতের সময় ঘন কুয়াশা এবং ঠাণ্ডা হাওয়া কর্মজীবী ও পথচারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 06 Jan 2026 07:48:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14724" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14724</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চায়ের রাজ্য মৌলভীবাজারে দিন দিন বাড়ছে শীতের তীব্রতা। ঘন কুয়াশায় ঢেকে থাকছে প্রকৃতি, আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে জনজীবন। শীতের প্রকোপে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শ্রীমঙ্গল উপজেলায় চা-বাগান ঘেরা এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে তীব্র শীত। স্থানীয়রা জানান, ঠান্ডার কারণে হাতে-পায়ে কাঁপুনি শুরু হয়, বিশেষ করে বয়স্ক মানুষদের চলাফেরায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক দিন সকালে ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে থাকে চারপাশ, ফলে যান চলাচলেও দেখা দিচ্ছে সমস্যা।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় শীতের প্রভাবে কৃষি খাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, তীব্র শীতের কারণে বোরো ধানের চারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মৌলভীবাজার শহরের সাধারণ মানুষ বলেন, শীতে আমরা একপ্রকার জবুথবু হয়ে পড়েছি। প্রয়োজনীয় কাজে বাইরে বের হলে মনে হয় হাত-পা জমে যাচ্ছে।&rdquo;

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আনিসুর রহমান বলেন,

আজ সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 04 Jan 2026 10:28:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতে কাঁপছে নারায়ণগঞ্জ: দিনমজুর-বাস্তিবাসীর অবস্থা নাজুক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14703" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14703</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জে শীত প্রবল আকার ধারণ করেছে। গত পাঁচ দিনের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার কারণে জেলার প্রায় সব এলাকায় জনজীবন প্রভাবিত হয়েছে। রেলস্টেশন ও বাজারপথে মানুষজন ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা পেতে উন্মুক্ত স্থানে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

নিম্ন আয়ের মানুষ এবং খেটে খাওয়া মানুষের জন্য শীত এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বস্তিবাসী এবং রেলস্টেশনে থাকা ভাসমান মানুষের জন্য রাতের সময় অবস্থার তীব্রতা বেড়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঝুঁকির মধ্যেও দুর্ঘটনা এড়াতে পুলিশ সিগন্যাল হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল নিশ্চিত করছে। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন শহরের বিপণিবিতানগুলো ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের মধ্যে কিছু শীতবস্ত্র বিতরণ করছে, তবে এটি প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সীমিত। স্থানীয়রা দাবি করছেন, &ldquo;অতি শীতে বাচ্চা-বয়স্ক সবাই খুব কষ্টে আছে, প্রশাসনের আরও সহায়তা জরুরি।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 08:01:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতে কাঁপবে দেশ, জানুয়ারিতে তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ ডিগ্রিতে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14699" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14699</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বছরের শুরুতেই দেশে শীতের দাপট তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মাস মেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি জানুয়ারি মাসে শীত আরও প্রবল হতে পারে। এ সময়ে মধ্যে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি মাসে মোট ৫টি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এর মধ্যে ২-৩টি হবে মৃদু থেকে মাঝারি এবং ১-২টি হতে পারে মাঝারি থেকে তীব্র। ঘন কুয়াশা ও আর্দ্র বাতাসের কারণে দিনের বেলাতেও শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। বিশেষ করে ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার প্রভাব লক্ষ্যণীয় হবে, যা কিছু এলাকায় দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের কোনো সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত থাকতে পারে এবং দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামগ্রিকভাবে স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে। দেশের নদী-নালা ও অববাহিকায় পানিপ্রবাহও স্বাভাবিকভাবে বজায় থাকবে।

এ দিকে ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে রাজধানী ঢাকা। শনিবার সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেই সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা ও শীতের এ দাপট থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গতকাল ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 03 Jan 2026 06:25:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তীব্র শীতে জবুথবু জনজীবন; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14692" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14692</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাহাড়, হাওর, বিল, চা&ndash;বাগান ও সমতল ভূমি বেষ্টিত এলাকা মৌলভীবাজারে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষরা।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১লা জানুয়ারি) সকাল ৬টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের মধ্যে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সোমবার (২৯শে ডিসেম্বর) মৌলভীবাজারে তাপমাত্রা ১৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। ঘন কুয়াশা থাকায় শীতের তীব্রতা অনেক বেশি অনুভূত হচ্ছে এবং জনজীবন শীতের দাপটে জবুথবু।

এদিকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকেই কাজে যেতে হচ্ছে বোরো ধানচাষি, চা&ndash;শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীদের। তবে শ্রমিকদের পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় শীত উপেক্ষা করে কষ্ট করে কাজ করছেন তারা।

বেশি বিপাকে পড়েছেন রিকশাচালক, টমটমচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষ। তাদের বেশির ভাগকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করতে হচ্ছে।

জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় রাতে ও সকালে শীতের কারণে গ্রাম&ndash;গঞ্জের মানুষের কষ্টে দিন কাটছে। গতকাল বুধবার সারাদিন পূর্ণ আকাশ ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন, সূর্যের দেখা মেলেনি। একই অবস্থা বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও বজায় রয়েছে। শীত নিবারণের জন্য নিম্ন আয়ের মানুষ ফুটপাত থেকে গরম কাপড় কিনতে ব্যস্ত। তবে গত কয়েক দিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার কারণে দিন কাটছে অতি কষ্টের মধ্য দিয়ে। দিনের বেলায় রোদের দেখা না মিললেও শীতের তীব্রতা কমেনি।

অপরদিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর জেনারেল হাসপাতালের বহির্বিভাগে এবং উপজেলার হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিন শীতজনিত রোগীর ভিড় বাড়ছে। পাশাপাশি প্রতিদিন শিশু ও বয়স্করা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান বলেন, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। কয়েক দিন পর তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আবহাওয়ার এ অবস্থা আরও কয়েক দিন বিরাজ করবে, জানান তিনি।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 01 Jan 2026 10:29:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, শীতের তীব্রতা বাড়ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14655" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14655</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শীতের প্রভাব আরও জোরালো হয়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।আজ সকাল থেকে বৃষ্টির মতো ঘন কুয়াশা ঝরছে রাজধানী ঢাকায় । এর সঙ্গে আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন, ফলে দিনের শুরুতেই শীতের তীব্র অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, সকাল ৬টায় রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৩ শতাংশ, যা কুয়াশার ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

সংস্থাটি আরও জানায়, দিনের বেশির ভাগ সময় আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সকাল ও রাতের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন এই আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি সারাদিনই বজায় থাকতে পারে।

এছাড়া ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Dec 2025 06:23:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতের দাপট বাড়ছে, বছরের শেষের দিনগুলোতে কমতে পারে তাপমাত্রা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14632" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14632</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্য পৌষের শুরুতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কিছু জায়গায় তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে, তবে বছরের শেষ কয়েক দিনে শীত আরও জোরালো হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

সকালে রেকর্ড করা তাপমাত্রা:

কিশোরগঞ্জের নিকলী: ৯.৮&deg; সেলসিয়াস
ঢাকা: ১৪.৩&deg; সেলসিয়াস
রাজশাহী ও রংপুর: ১৩&deg;
বরিশাল: ১৩&deg;
ময়মনসিংহ: ১৩.৩&deg;
সিলেট: ১৪.৮&deg;
চট্টগ্রাম: ১৬&deg;
খুলনা: ১৩.৮&deg;
আজ সকাল ৯টা থেকে আগামী ৫ দিন দেশের আবহাওয়া কিছুটা স্থির থাকতে পারে। দিনের বেলা আকাশ আংশিক মেঘলা, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। কিছু জায়গায় দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা থাকতে পারে।

ঘন কুয়াশার কারণে বিমান, নৌ এবং সড়ক যোগাযোগে সাময়িক সমস্যার সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকায় পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫-১০ কিমি বেগে বাতাস বইতে পারে।

আগামী দিনগুলোর পূর্বাভাস:

২৯ ডিসেম্বর: আবহাওয়া প্রায় অপরিবর্তিত।
৩০ ডিসেম্বর: হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা, নদী অববাহিকায় ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা। রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
৩১ ডিসেম্বর: দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমবে, রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত।

শীত আরও বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঠাণ্ডা অনুভূতি তীব্র হবে, তাই বাইরে বেরোনোর সময় উষ্ণ পোশাক ব্যবহার করা জরুরি।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 28 Dec 2025 07:33:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পৌষের কনকনে শীতে কাঁপছে জনজীবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14592" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14592</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পৌষ মাস পড়তেই দেশজুড়ে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ পৌষের শীতে কাঁপছে গোটা দেশ।

ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল ও গ্রামীণ এলাকায় শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হচ্ছে। কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

তীব্র শীত ও কুয়াশায় বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নআয়ের মানুষ। অনেকেই শীত থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে বা মোটা কাপড় পরে সময় কাটাচ্ছেন।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। ফুটপাত, রেলস্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও নিচে বসবাস করা ছিন্নমূল মানুষেরা শীতবস্ত্র, নিরাপদ আশ্রয় ও পর্যাপ্ত খাবারের অভাবে চরম অনিশ্চিত ও কষ্টকর জীবনযাপন করছেন।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে,দেশের কয়েকটি এলাকায় মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে।

আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে এবং শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Dec 2025 12:05:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তীব্র শীতে বিপর্যস্ত গাইবান্ধার জনজীবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14609" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14609</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত উত্তরের জনজীবন, সবচেয়ে বিপাকে চর ও নদীভাঙন কবলিত মানুষ।

গাইবান্ধা জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা না মিললেও রাত ও ভোরে হিমেল বাতাসে কনকনে ঠান্ডা বইছে। জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গাইবান্ধায় টানা কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। রাতের দিকে তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ায় শীতের তীব্রতা বহুগুণ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের জীবন থমকে গেছে

তীব্র শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার চর অঞ্চলের খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশা ও ভ্যানচালক, নির্মাণ শ্রমিক এবং কৃষিশ্রমিকরা। কুয়াশার কারণে সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত কাজ বন্ধ থাকায় দৈনন্দিন আয় মারাত্মকভাবে কমে গেছে। অনেকেই কাজের সন্ধানে বের হলেও খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

রিকশাচালক মান্না মিয়া জানান,&ldquo;সকালে কুয়াশা থাকলে রাস্তায় মানুষই বের হয় না। সারাদিনে যা আয় হয়, তাতে সংসার চালানো কঠিন।&rdquo;

চর ও নদীঘেঁষা এলাকার করুণ চিত্র
তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও ঘাঘট নদীঘেঁষা সুন্দরগঞ্জ, সাদুল্লাপুর ও ফুলছড়ি উপজেলার চরাঞ্চলে শীত যেন দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। টিন, খড় কিংবা পলিথিনের ঘরে বসবাসরত পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
অনেক পরিবারে একটি কম্বল দিয়েই শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের রাত কাটাতে হচ্ছে। শীতের কারণে শিশু ও বৃদ্ধদের অসুস্থতার ঝুঁকি বেড়েছে।

শীতজনিত রোগে ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে
তীব্র শীতে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশি, জ্বর ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর চাপ বেড়েছে।
চিকিৎসকরা জানান, অপুষ্ট শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে শীতজনিত জটিলতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কৃষিতে বিরূপ প্রভাব
শীত ও কুয়াশার প্রভাবে জেলার কৃষিখাতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আলু, বোরো ধান, ভুট্টা ও শীতকালীন সবজির জমিতে ছত্রাক ও রোগবালাইয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সূর্যের আলো কম থাকায় ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
অনেক কৃষক বাড়তি কীটনাশক ও পরিচর্যার কারণে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন।

শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত
তীব্র ঠান্ডায় জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমে গেছে। সকালবেলার ঠান্ডায় ছোট শিশুদের বিদ্যালয়ে পাঠাতে অনিচ্ছুক অভিভাবকরা। অনেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সময়সূচি পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।

শীতবস্ত্র বিতরণে ঘাটতি
সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। দুর্গম চর ও নদীভাঙন কবলিত এলাকায় এখনও অনেক অসহায় মানুষ শীতবস্ত্র পাননি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনগুলো দ্রুত আরও শীতবস্ত্র বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন

চর ও নদীঘেঁষা এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে শীতবস্ত্র বিতরণ বাড়ানো
শীতজনিত রোগে আক্রান্তদের জন্য বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা
খেটে খাওয়া মানুষের জন্য অস্থায়ী সহায়তা কর্মসূচি
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন অনুযায়ী সময়সূচি সমন্বয়

এই উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে গাইবান্ধার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন আরও গভীর সংকটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 27 Dec 2025 10:17:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পরিযায়ী পাখির আগমনে বাইক্কা বিলের সৌন্দর্য্য অপরিসীম]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14577" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14577</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নদী দখল ও দূষণের কারণে &lsquo;নদীমাতৃক&rsquo; শব্দটি কিছুটা ভাটা পড়লেও প্রাকৃতিক হাওরবিল এখনো নিঃশেষ হয়নি দেশের প্রকৃতিতে। বাংলাদেশের এই সৌন্দর্য্যবহুল প্রাকৃতিক পরিবেশই দেশের জীবন্ত প্রাণ। জলাভূমির অন্তঃপুর থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গজে ওঠা তৃণভূমি জলচর পাখিদের খাদ্যসংস্থান ও নিরাপদ আবাস প্রদান করে। ভাসমান ফেনার আড়ালে দেহ লুকিয়ে তারা কাটায় একেকটি দিন ও রাত।

বেগুনি কালেম, পানকৌড়ি সহ অসংখ্য আবাসিক পাখিরা শীতের আগমনে প্রতি বছর হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাইক্কা বিলে ছুটে আসে। নানান প্রজাতির পরিযায়ী পাখিরা বিভিন্ন প্রজাতির আবাসিক পাখিদের সঙ্গে মিলেমিশে এখানে গঠন করে এক অনন্য &lsquo;স্বর্গরাজ্য&rsquo;।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) শীতের স্নিগ্ধ সকালে রোদের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে বাইক্কা বিল। অপরাহ্নের রৌদ্রদীপ্তির ভেতর দিয়ে সবকিছুকে যেন নতুন সৌন্দর্যের আভায় মোড়া করে। এটি মৌলভীবাজারের একমাত্র মৎস্য অভয়ারণ্য, যা প্রাকৃতিক জলাভূমির বিস্ময়কর উপকারিতা দিয়ে দিনের পর দিন মৎস্য সম্পদকে সমৃদ্ধ করে চলেছে।

বিলটিতে জলচর পাখিদের কিচিরমিচির শব্দ, ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে বেড়ানো পরিযায়ী পাখিরা এবং পানিতে ঝাঁপানো জলচর পাখিদের দৃশ্য এক অদেখা সৌন্দর্যের ছবি ফুটিয়ে তোলে। ইতিমধ্যে শীত মৌসুমে এখানে আসতে শুরু করেছে অসংখ্য পরিযায়ী পাখি।

বাইক্কা বিল হাইল হাওরের পূর্ব দিকের প্রায় ১৭০ হেক্টর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। ২০০৩ সালে সরকার হাইল হাওরকে মাছের অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর থেকে পর্যটকদের কাছে বিলটির পরিচিতি ও সৌন্দর্য্য বেড়েছে। শীত মৌসুমে প্রায় ১৭৫ প্রজাতির পরিযায়ী পাখি এখানে আসে। বিলের মূল আকর্ষণ হলেও এটি &lsquo;মাছের রাজ্য&rsquo; হিসেবেও পরিচিত।

বিলের পাখিদের মধ্যে রয়েছে শঙ্খচিল, ভূবনচিল, দলপিপি, নেউপিপি, পাতি সরালি হাঁস, বালি হাঁস, মরচেরং ভূতি হাঁস, পানকৌড়ি, গো-বক, ধলাবক, বেগুনি কালেম। এখানের জলজ জীববৈচিত্র্য ও পাখিদের কলকাকলিতে বিল মুখরিত হয়।

চাপড়া, মাগুড়া ও যাদুরিয়া বিলকে ২০০৩ সালে স্থায়ী মৎস্য অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয়। অভয়াশ্রমটির জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বড়গাংগিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। ধীরে ধীরে বিপন্ন মাছ প্রজাতির প্রজনন রক্ষা সম্ভব হয়েছে। একই সঙ্গে এটি আবাসিক ও পরিযায়ী পাখিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো. আরিফ হোসেন বলেন, &ldquo;বাইক্কা বিল স্থায়ী মৎস্য অভয়াশ্রম মৎস্য অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় ২০০৩ সাল থেকে এটি কার্যকর। এখানে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হয়। এককভাবে এত বড় জলাভূমি সংরক্ষণ করা সম্ভব নয়। পুরো বিলটি লীজ হয় না, যার ফলে মাছ, সরীসৃপ, স্তন্যপায়ী ও উভচর প্রাণীসহ একটি সুন্দর ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছে। এখানের খাদ্যশৃঙ্খলের স্বাস্থ্য বাংলাদেশের যে কোনো জলাভূমির চেয়ে অনেক ভালো। এ কারণেই এটি দেশি-বিদেশী পর্যটকদের কাছে দর্শনীয় স্থান। তবে গত ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটকদের প্রবেশের অনুমতি নেই।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 25 Dec 2025 06:58:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শীতের স্নিগ্ধতা ঢাকায়, কুয়াশায় মোড়া সকাল]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14525" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/environment/14525</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানী ঢাকায় আজ সকাল থেকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার আবরণ। শীতের স্নিগ্ধতার সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশার আবরণ রাজধানী ঢাকার সকাল শুরু হয়েছে ঠিক এভাবেই। কয়েক দিন ধরেই তাপমাত্রা তুলনামূলক কম থাকায় ঠান্ডার অনুভূতি স্পষ্ট।

আজ সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে দুপুর পর্যন্ত এই ঠান্ডা আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। দিনের বেশিরভাগ সময় আকাশে হালকা মেঘের আনাগোনা থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া আবহাওয়া শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। উত্তর কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় প্রায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বইতে পারে। দিনের তাপমাত্রায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 22 Dec 2025 04:42:25 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
