<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/education</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla education Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:46:51 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর গুঞ্জন, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16256" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16256</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত বা পেছানো হতে পারে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সরকার এসব তথ্যকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিষয়টি তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফেসবুকে পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে অনেক খবর ছড়াচ্ছে, যা ভিত্তিহীন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ ভয়ে এমন গুজব ছড়াচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই রুটিন আগের সরকার নির্ধারণ করেছে এবং প্রশ্নপত্রও ইতোমধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহে অপর এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত, স্বচ্ছ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজন করা হবে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:46:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসি’র মাধ্যমে নিয়োগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16235" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16235</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায়) প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি বাতিল করে এখন থেকে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আজ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ) এবং সহকারী প্রধান পদে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।

নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান শূন্য পদগুলোতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, নতুন নিয়োগ পদ্ধতি, পরীক্ষার কাঠামো এবং বর্তমানে শূন্য থাকা ১২ হাজার ৯৫১টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনটিআরসিএ।

আগামী ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থেকে নতুন পদ্ধতির কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 10:59:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16221" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16221</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে নতুন পরিবর্তন। ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চলবে। এর মধ্যে তিন দিন অনলাইনে এবং তিন দিন সরাসরি (অফলাইন) শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে।

তিনি আরও জানান, জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ক্লাস নেবেন, তবে নির্ধারিত দিনগুলোতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে যুক্ত হবে।

এর আগে সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বিকল্প পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে অনলাইন ও অফলাইনের সমন্বয়ে নতুন এই ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে একদিকে জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা সম্ভব হবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 12:11:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16158" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16158</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ঈদের ছুটির পর আজকে প্রথম অফিস এবং প্রথম অফিসে বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সচিব এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে একটা ফলোআপ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তার নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এরকম দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটা আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাংক আছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংকই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বা এই সংকটের ফলে আমাদের অনেক শ্রমিকরা সেখানে বর্তমানে আছে। আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরেন এখানে মিডিলইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেস্ট্রয় করা হয়েছে এগুলো আবার রিবিল্ড করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরো তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Mar 2026 08:59:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16128" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16128</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা থাকবে না।

উল্লেখ্য, প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো।

পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Mar 2026 11:28:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রভোস্টকে কল করায় শিক্ষার্থীর সিট বাতিলের হুমকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15832" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15832</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অফিস সময়ের বাইরে আমাকে ফোন করা যাবে না।&rdquo; অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর হল প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এমন মন্তব্য করেন&mdash;এমন অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর দোলনচাঁপা হলে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের ৪০৬ নম্বর কক্ষে এক সিনিয়র রুমমেটের বিরুদ্ধে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ ও আইন ও বিচার বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এক হাজার টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন ওই সিনিয়র শিক্ষার্থী। অভিযোগকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে কক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সিএসই বিভাগের এক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা অক্সিজেন দেওয়ার পর তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ঘটনার সময় হল প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি &lsquo;অফিস সময়ের বাইরে ও শুক্র-শনিবার&rsquo; ফোন না দিতে বলেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁদের ভাষ্য, আবাসিক হলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া প্রত্যাশিত।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে হল প্রভোস্ট ও ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা সাংবাদিকদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, &ldquo;আমি অনেক কিছু জানি, যা আপনাদের বলব না। আপনাদের সাংবাদিকতা একধরনের ফাতরামি ছাড়া কিছু নয়। যে শিক্ষার্থী সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেছে, তাকে আমি খুঁজে বের করব এবং প্রয়োজনে তার সিট বাতিল করব।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;হলের হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো উচিত ছিল। হাউস টিউটররা আমাকে অবহিত না করলে কোনো উড়ো ফোন কলের ভিত্তিতে আমি ত্রিশালে যেতে পারি না। শুক্রবার আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকি না। সরাসরি আমাকে ফোন না করে আগে হাউস টিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল।&rdquo;

উল্লেখ্য, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

ঘটনাটি ঘিরে ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, আবাসিক হলে নিরাপত্তা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Feb 2026 08:38:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুন্দরগঞ্জের সবুজ শিক্ষালয় ও গ্রীন রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের ২৬ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15786" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15786</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একাডেমিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২৫ সালের জেএসসি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় চমক দেখিয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সবুজ শিক্ষালয় ও গ্রীন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ট্যালেন্টপুলে ৯ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির ৪৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৬ জন বৃত্তি লাভ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো&mdash; নীড়, অপূর্ব, আফিয়া তাসনিম, নাফিস ফুয়াদ, আপন, রিদম ইসলাম, দ্বীপ, তরিকুল ও জিনাত। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে&mdash; জিহাদ, রুম্পা, খুশবু, শাহাজাদী, সায়মা তাসনিম, মাশরাফি, রিফাত, রোহিত, ফাহিম, রোজোয়ান, হৃদয়, সুচি, মিশাদ, নাফিউজ্জামান, শিথিল, শান্ত ও হিমেশ।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী আফিয়া তাসনিম বলেন, &lsquo;এই সাফল্যে আমি খুবই আনন্দিত। শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং পরিবারের সহযোগিতা আমাকে এ অর্জনে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করতে চাই।&rsquo;

সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, &lsquo;বৃত্তি পাওয়ার খবর শুনে খুব ভালো লেগেছে। নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের সহযোগিতার ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। সামনে আরও ভালো করার চেষ্টা করব।&rsquo;

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মুহা. একরামুল হক বলেন, &lsquo;এই অর্জন শিক্ষকদের নিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফল। আমরা ভবিষ্যতেও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাব।&rsquo;

উল্লেখ্য, একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ বৃত্তি পরীক্ষার এই অর্জন সুন্দরগঞ্জের শিক্ষা অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 07:05:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15606" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15606</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন &lsquo;শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা&rsquo; প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোভাবেই পুনঃভর্তি ফি আদায় করা যাবে না।

সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা জারি করে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক স্তর)-এর ক্ষেত্রে &lsquo;টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪&rsquo; অনুযায়ী নির্ধারিত টিউশন ফি গ্রহণ করা যাবে। এর বাইরে নতুন কোনো খাত সৃষ্টি করে অর্থ আদায় করা যাবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব পরিচালিত হবে এবং তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সংরক্ষণ করতে হবে।

পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।

আয় ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলতে হলে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংককে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব প্রকার ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (SPG) কিংবা সরকারি মালিকানাধীন অন্যান্য ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ করা যাবে। সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থ দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করতে হলে তাদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত খাতে আদায়কৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হবে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 11:19:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছি, ইনশাল্লাহ অনেক চমক রয়েছে’]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15598" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15598</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তারেক রহমানের নতুন সরকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে ২০০১ সালে মন্ত্রিসভায় তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই তিনি জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে প্রবর্তন করাসহ আমূল পরিবর্তন আনা হবে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবনে শপথের পর রাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, &lsquo;ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। উই আর লিভিং ইন এ গ্লোবাল ভিলেজ। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেসে আনতে হবে। ইটস নো লঙ্গার এ লোকাল কমোডিটি, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি।&rsquo;

তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের ফোর্থ জেনারেশন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনে ন্যানোটেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়োটেক এগুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার লিংকিংসগুলিকে আমাদের লক্ষ্য দিতে হবে। আমাদের টিভেট (টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং)-কে গুরুত্ব দিতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। বললাম না, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি। এটাকে আমাদের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।&rsquo;

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, &lsquo;একটু অপেক্ষা করুন, নিশ্চয়ই দেখবেন। দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছি, ইনশাল্লাহ অনেক চমক রয়েছে। শুরু হবে কয়েক দিনের মধ্যেই।&rsquo;

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 09:54:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কর্মক্ষম, আত্মনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণই গড়বে আগামী বাংলাদেশ- সালাউদ্দিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15211" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15211</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

কর্মক্ষম, আত্মনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণই গড়বে আগামী বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ ও শিক্ষাব্যবস্থায় তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দেবে।

জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ ওয়াসিম ও শিশু আনাসের কথা বলতেই আবেগাপ্লুত হয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি শিক্ষার্থী ও আমার সন্তানদের চলার পথে ফুলের পাপড়ি ছিঁটাতে চাই। কারন আমার স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ২৪শের আন্দোলনে আমাদের সন্তানদের বীরত্বগাতা কাহিনী দেশ গড়ার পথচলা হয়ে থাকবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠে উপজেলা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা এমন শিক্ষা চাই যেখানে তৈরি হবে কর্মক্ষম, দক্ষ এবং আত্মনির্ভর যুবসমাজ। আগামী বাংলাদেশ হবে জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দক্ষ মানবসম্পদসমৃদ্ধ দেশ&mdash;যা বিশ্বমঞ্চে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন , আমাদের লক্ষ্য এমন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা যা কেবল সনদ নয়, বাস্তব কর্মদক্ষতা, জীবনদক্ষতা এবং আত্মনির্ভরতা গড়ে তুলবে।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য, তরুণরা দক্ষ, প্রশিক্ষিত, কর্মঠ ও দেশপ্রেমিক হবে। তারা দেশের সেবা করবে, সমাজের সেবা করবে এবং নিজের পরিবারের দায়িত্ব নেবে সম্মানের সঙ্গে।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, &ldquo;চকরিয়া&ndash;পেকুয়া ও আশপাশের এলাকা ধীরে ধীরে সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপ নিচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারিত হচ্ছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন শুধু স্থানীয় মানুষের জীবনমানই বাড়াবে না, জাতীয় অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আগামী দিনে এই অঞ্চলে বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে, যানজট সামলানোর সক্ষমতা বাড়বে এবং এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে এখানকার উন্নয়ন দেশের রাজস্ব আয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নারী বিদ্বেষ নিয়ে জামায়াত ইসলামী দলের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, গত কয়েকদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা নজরে এসেছে। এর বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রতিবাদ, মিছিল ও আন্দোলন হয়েছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দেশের জন্য জীবন দিতে, রক্ত দিতে এবং নারী নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে।

শহীদ ওয়াসিম আকরামকে স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, &ldquo;সিলংয়ে থাকাকালীন আমাকে দেখতে গিয়েছিল খুবই অল্পবয়সী ওয়াসিম। জুলাই আন্দোলনে আমরা তাকে হারিয়েছি। তার স্মৃতি ধরে রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

চোখের জল ধরে রাখতে না পেরে তিনি যোগ করেন, &ldquo;আমাদের পতাকা শুধু কাপড় নয়; এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অসংখ্য ত্যাগের প্রতীক। এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা, স্বাধীনতার চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখা&mdash;এখন তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব। তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব, তোমরাই দেশের শক্তি।

শিশু আনাসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, &ldquo;দুই হাজার চব্বিশের উত্তাল সময়ে এক কিশোর মায়ের দিকে তাকিয়ে বলেছিল, &lsquo;মা, আমি রেলস্টেশনে যাচ্ছি। আমার সাথীরা জীবন দিচ্ছে, রক্ত দিচ্ছে। আমি ঘরে বসে থাকতে পারব না। যদি আমি ফিরে না আসি, তুমি আমাকে নিয়ে গর্ব করবে।&rsquo; এটি এক প্রজন্মের সাহস, দায়িত্ববোধ এবং আত্মত্যাগের প্রতীক, যা দেশের উত্তরাধিকার রক্ষা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চেতনার শিক্ষা দেয়।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, আজকের উন্নয়ন ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের পেছনে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, স্বপ্ন ও সংগ্রাম জড়িয়ে আছে। আরও অনেক কাজ বাকি, আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। দেশের জন্য জীবন দিতে পারে, রক্ত দিতে পারে এমন সাহসী প্রজন্ম তোমরাই। আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তোমাদের হাতে।

তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, &ldquo;তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ। তোমরা দেশের সেবা করবে, সমাজের সেবা করবে, এবং দেশকে আরও উন্নত, শক্তিশালী ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবুল কাশেম নুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে পেকুয়া মধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম, কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশন সভাপতি মজিবুল হক চৌধুরী, শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলমসহ বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।

আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Feb 2026 12:04:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15072" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15072</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে ২৪টি স্টলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজায়। এতে প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শাহিন উদ্দিন ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন।

প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কাজী রাসেল, কেএফএসসি শিশু কাননের প্রধান শিক্ষক সফিউল আলম টিপু, মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ ফারুক হোসেন, এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

শিক্ষার্থীরা জানান, &ldquo;ব্যতিক্রমি এই আয়োজনে আমরা বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি ও পিঠার স্বাদ নিতে পারছি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দলগত কাজ করার আনন্দ বুঝতে পারছি। আমরা চাই, প্রতিবছর এমন আয়োজন করা হোক।&rdquo;

শিক্ষকরা বলেন, &ldquo;গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানোর জন্য এই উদ্যোগ। ২৪ স্টলে প্রায় অর্ধশত পিঠার স্থান পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। পিঠা উৎসব আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সহায়ক।&rdquo;

প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌস বলেন, &ldquo;গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করাতে আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রথম থেকেই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পিঠা-ফুলির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবে এবং পূর্বের ঐতিহ্য ধারণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা যেন শিকড় ভুলে না যায়, এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন আয়োজন করা উচিত।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 09:39:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সর্বমিত্র চাকমার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15071" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15071</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ও জিমনেসিয়ামে সর্বমিত্র চাকমা কিশোর ও তরুণদের লাঠি হাতে কান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন&ndash;এমন দুটি ভিডিও পরপর দুদিন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচনার মুখে এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সর্বমিত্র।

সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি )দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সর্বমিত্র চাকমা ইসলামী ছাত্র শিবির প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচন করে সদস্য নির্বাচিত হন।

গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে খেলতে আসা বেশ কয়েকজন কিশোর ও তরুণকে কান ধরিয়ে ওঠবস করাচ্ছেন সর্বমিত্র চাকমার এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা হয়।

আজ ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সর্বমিত্র চাকমার হাতে রয়েছে লাঠি। তিনি লাঠি হাতে জিমনেসিয়ামে এদিক সেদিক হাঁটছেন ও কিশোর&ndash;তরুণদের কান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন। কানধরে ওঠবসের সংখ্যা গুনছেন।

আজকের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ফেসবুকে লেখেন, &lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।&rsquo;

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, &lsquo;উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে ওঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি-এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারও প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে ,আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।&rsquo;

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 09:34:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ-অবরোধ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14966" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14966</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন ৪ সপ্তাহের জন্য স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধসহ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে শাবিপ্রবির মূল ফটক থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য সড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। পরে জরুরি যান চলাচলের জন্য সড়কের এক পাশ উন্মুক্ত করে দেন শিক্ষার্থীরা।

দীর্ঘ ২৮ বছর পর আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা ছিল। আজ এ নির্বাচন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।

বিক্ষোভে শাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত &lsquo;দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য&rsquo;, &lsquo;সাধারণের ঐক্যস্বর&rsquo; প্যানেল, ছাত্রদল সমর্থিত &lsquo;সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য&rsquo; প্যানেলের এক অংশ এবং বিভিন্ন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এর আগে, নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন প্রার্থী ও শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীরা &lsquo;শাকসু আমার অধিকার, রুখে দেয়ার সাধ্য কার&rsquo;, &lsquo;শাকসু কয় তারিখ, ২০ তারিখ&rsquo;, &lsquo;শহীদ রুদ্র শিখিয়ে গেছে, লড়াই করে বাঁচতে হবে&rsquo;, &lsquo;মব করে শাকসু বন্ধ করা যাবে না&rsquo;, &lsquo;হাইকোর্ট দিয়ে শাকসু বন্ধ করা যাবে না&rsquo; এমন নানা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের একটি মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার। একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তারা। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে বলেও জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, হাইকোর্টের আদেশ প্রত্যাহার করে আগামীকাল (২০ জানুয়ারি) শাকসু নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন আরো কঠোর করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

এর আগে, দুপুরে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনে তালা দিলে সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রারসহ অন্য কর্মকর্তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 19 Jan 2026 12:20:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চন্দনবাড়ি সেকান্দর আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14919" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14919</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঐতিহ্যবাহী নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চন্দনবাড়ি সেকান্দর আলী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে দুই দিনব্যাপী পালিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান।

মনোহরদী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রমে ইতোমধ্যে উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে। শুধু তাই নয়, নরসিংদী জেলা পর্যায়ে একাধিক প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। সর্বশেষ ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়েও এ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী একটি ইভেন্টে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম আরও উজ্জ্বল করেছে।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সম্মানিত সভাপতি ও মনোহরদী উপজেলার সুযোগ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব এম এ মুহাইমিন আল জিহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহমেদসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন সুলতানার উদ্যোগে এমন সুন্দর ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপহার দেওয়ার জন্য এবং অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় শিক্ষক-কর্মচারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে প্রধান শিক্ষকের উদ্দেশে বলেন, জেলার শ্রেষ্ঠ হওয়ার গৌরব অর্জন কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়। এটি আপনার দূরদৃষ্টি, নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি। আপনার হাতে গড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠান আজ শুধু শিক্ষার আলো নয়, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধেরও এক অনন্য বাতিঘর। আপনার সাফল্য আগামীর পথচলায় আরও অনেককে অনুপ্রাণিত করবে।

অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 14:20:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি পরীক্ষা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14912" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14912</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। এর এসএসসি পরীক্ষা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আর ৭ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে।

বৃহস্পতিবার(১৫ জানুয়ারি) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত পরীক্ষা সূচি থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

এসএসসির সূচিতে জানানো হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। আর তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথক পৃথকভাবে পাস করতে হবে। পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন আনতে ও ব্যবহার করতে পারবেন না।

২০২৬ সালে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। তবে অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থীদের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের প্রশ্নে এ পরীক্ষায় বসতে হবে।

এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় যে শিক্ষার্থীরা বসবেন তারা নবম শ্রেণিতে বাতিল হয়ে যাওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ওই শিক্ষাক্রম বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তারা বিভাগ বিভাজনসহ ২০১২ সালের শিক্ষাক্রমে দশম শ্রেণিতে পড়েছেন। তাই নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। আর গতবছর যে শিক্ষার্থীরা এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসেছেন তারা ২০১২ সালে প্রণীত শিক্ষাক্রমেই নবম ও দশম শ্রেণিতে পড়েছেন। তাই এ বছর যে শিক্ষার্থীরা মানোন্নয়ন বা অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসাবে এসএসসি পরীক্ষায় বসেছেন, তাদের পরীক্ষা হবে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে প্রণীত &lsquo;নতুন শিক্ষাক্রমে&rsquo; নবম-দশম শ্রেণির বিভাগ বিভাজন উঠিয়ে দেওয়া হলেও ওই ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর সে শিক্ষাক্রম বাতিল ঘোষণা করে অন্তর্বতীকালীন সরকার।

চলতি বছর থেকে ওই শিক্ষার্থীদের দশম শ্রেণিতে আবার বিভাগ বিভাজন ফিরিয়ে আনা হয়। শিক্ষাক্রম বাতিল ঘোষণা করে ওইদিন জারি করা পরিপত্রে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

বিভাগ-বিভাজন ফিরিয়ে এনে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস, প্রশ্নের ধরণ ও নম্বর বণ্টন ২০২৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রকাশ করে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। পরে ২ জানুয়ারি বাংলা বিষয়ের সিলেবাসে কিছুটা পরিবর্তন এনে সংশোধিত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 07:57:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[৩ দিন পর আবারও অবরোধের ঘোষণা দিয়ে  সড়ক ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14915" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14915</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অবরোধ কর্মসূচি পালনের প্রায় ৫ ঘণ্টা পর সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ছেড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সায়েন্সল্যাব এবং টেকনিক্যাল মোড় থেকে সরে যান তারা। একইসঙ্গে সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আবারও সায়েন্সল্যাব মোড় ব্লকেড করে গণজমায়েত মঞ্চ তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন দাবি আদায়ে অনড় শিক্ষার্থীরা।

এদিকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) গঠনের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন তারা।

জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। তারা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে ওই সড়ক পুরোপুরি অবরোধ করেন। এতে অংশ নেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। একই সময় মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়েও শিক্ষার্থীরা জড়ো হন বলে জানা গেছে। এতে অবরোধ চলা সড়কগুলোসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের এ অবরোধের কারণে আজিমপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর সড়কে দিনভর তীব্র যানজট দেখা দেয়। পাশাপাশি মিরপুর-১, ২ ও ১০ নম্বর এলাকাতেও যান চলাচল ব্যাহত হয়। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, &lsquo;আমাদের একটাই দাবি-ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট। আর কোনো আশ্বাস নয়, দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।&rsquo;

এ সময় তারা স্লোগান দেন-&lsquo;উই ওয়ান্ট জাস্টিস&rsquo;, &lsquo;রাষ্ট্র, তোমার সময় শেষ-জারি করো অধ্যাদেশ&rsquo; এবং &lsquo;আমি কে, তুমি কে-ডিসিইউ, ডিসিইউ&rsquo;।

অবরোধের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। অবরোধে আটকে পড়া মানুষজন বলেন, &lsquo;যার যেখানে ইচ্ছা, সড়ক বন্ধ করে দিচ্ছে। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। সরকারের কাছে অনুরোধ, ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নিন।&rsquo;

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার ও মহাখালী আমতলী মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একই দিনে সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরাও ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাত কলেজকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 07:48:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইবিতে শহীদ হাদির হত্যার বিচার দাবিতে মুক্তিকামী জনতার বিক্ষোভ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14916" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14916</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জুলাই বিপ্লবের সম্মুখসারির যোদ্ধা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছেন মুক্তিকামী জনতা।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বাদ জুম্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কুষ্টিয়া&ndash;ঝিনাইদহ মহাসড়ক হয়ে পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার ঘুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীদের &lsquo;তুমি কে, আমি কে&mdash;হাদি, হাদি&rsquo;, &lsquo;দিন দুপুরে মানুষ মরে, প্রশাসন কী করে&rsquo;, ইনকিলাব, ইনকিলাব&mdash;জিন্দাবাদ, জিন্দাবাদ&rsquo; এবং &lsquo;নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার&rsquo;সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সহ-সমন্বয়ক তানভীর মাহমুদ মন্ডল বলেন,
কোনো অদৃশ্য কালো শক্তির কারণে সরকার ও প্রশাসন হাদি হত্যার বিচার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। আন্দোলন করলেই আমাদের আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে কোনো অগ্রগতি নেই। মামলার তদন্তে শুধু শুটার ফয়সাল ও আওয়ামী লীগের এক ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে নির্দেশদাতা হিসেবে দেখানো হয়েছে। অথচ এর পেছনে যে বড় চক্র জড়িত, তা আড়াল করা হচ্ছে। কোন শক্তির কারণে এই সত্য লুকানো হচ্ছে, তা জানতে চাই।&rdquo;

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন,
শহীদ ওসমান হাদি হত্যার দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। একইভাবে আমাদের ভাই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার ছয় মাস পার হলেও বিচার নিশ্চিত হয়নি। ভিসি নকীব মোহাম্মদ নাসরুল্লাহকে বলতে চাই, এই প্রশাসনের সময়েই সাজিদ আব্দুল্লাহ হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তাই সকল শিক্ষার্থীকে আগামী রবিবার প্রশাসন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি।&rdquo;

এ সময় শিক্ষার্থী তাজমিন রহমান বলেন,
ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ভাইয়ের হত্যার এক মাস পার হয়ে গেছে। যাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হলো, তার বিচার দাবিতে আজও আমাদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে&mdash;এটা লজ্জাজনক। খুনিরা প্রকাশ্যে চিহ্নিত হলেও তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। ডিজিএফআই, র&zwj;্যাব ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা আমাদের গভীরভাবে হতাশ করেছে।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, এই নীরবতা জনগণের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করছে&mdash;&lsquo;সর্ষের মধ্যেই ভূত&rsquo; রয়েছে কি না। আমরা অবিলম্বে হাদি ভাইয়ের খুনিদের গ্রেপ্তার, হত্যার নেপথ্যের গডফাদারদের পরিচয় প্রকাশ এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি যদি মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে আমরা হাদি ভাইয়ের আদর্শে তাদের রুখে দেব।

শাখা ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকারিয়া হোসাইন বলেন,
&ldquo;আমরা ক্লান্ত হবো না, হতাশ হবো না। শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে ইতিহাস ও স্মৃতি থেকে মুছে যেতে দেব না। বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন ও বিপ্লবে সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়েছে, কিন্তু সেই রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এক শ্রেণি ক্ষমতা দখল করেছে। হাদি চেয়েছিলেন স্বাধীনতার স্বাদ সারা দেশে পৌঁছে দিতে। তার আধিপত্যবাদবিরোধী চেতনার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী&mdash;হাদি শহীদ হলেও তার উত্তরসূরিরা তার চেতনা যুগ যুগ ধরে বহন করবে। হাদি হত্যার এক মাস পূর্ণ হয়েছে; আমরা আবারও তার হত্যার বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 17 Jan 2026 05:25:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফের সড়ক অবরোধ করলো সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14905" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14905</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি (ডিসিইউ) গঠনের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুর থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছেন।

জানা গেছে, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বের হন। তারা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান নিয়ে ওই সড়ক পুরোপুরি অবরোধ করেন। এতে অংশ নেন ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ ও তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। একই সময় মিরপুরের টেকনিক্যাল মোড় ও পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার মোড়েও শিক্ষার্থীরা জড়ো হন বলে জানা গেছে। এতে অবরোধ চলা সড়কগুলোসহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের এ অবরোধের কারণে আজিমপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত মিরপুর সড়কে দিনভর তীব্র যানজট দেখা দেয়। পাশাপাশি মিরপুর-১, ২ ও ১০ নম্বর এলাকাতেও যান চলাচল ব্যাহত হয়। গণপরিবহন না পেয়ে অনেক যাত্রীকে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, &lsquo;আমাদের একটাই দাবি&mdash;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে। আমাদের দাবি স্পষ্ট। আর কোনো আশ্বাস নয়, দ্রুত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।&rsquo;

এ সময় তারা স্লোগান দেন&mdash;&lsquo;উই ওয়ান্ট জাস্টিস&rsquo;, &lsquo;রাষ্ট্র, তোমার সময় শেষ&mdash;জারি করো অধ্যাদেশ&rsquo; এবং &lsquo;আমি কে, তুমি কে&mdash;ডিসিইউ, ডিসিইউ&rsquo;।

অবরোধের ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। অবরোধে আটকে পড়া মানুষজন বলেন, &lsquo;যার যেখানে ইচ্ছা, সড়ক বন্ধ করে দিচ্ছে। মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। সরকারের কাছে অনুরোধ, ভোগান্তি লাঘবে উদ্যোগ নিন।&rsquo;

এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল, তাঁতীবাজার ও মহাখালী আমতলী মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। একই দিনে সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থীরাও ফার্মগেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করেন। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই সাত কলেজকে ঘিরে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও খসড়া অধ্যাদেশ নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ অব্যাহত রয়েছে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 15 Jan 2026 09:31:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাগ হান্টে অংশ নিল সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং ক্লাবের তিন শিক্ষার্থী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14890" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14890</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাইবার নিরাপত্তা আয়োজন &lsquo;দ্য বাগ হান্ট সিরিজ ২০২৬&rsquo;-এ অংশ নিয়েছেন সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং ক্লাবের (SUPC) তিন সদস্য। বাস্তবভিত্তিক বাগ হান্টিং চ্যালেঞ্জ, বিশেষজ্ঞদের পরিচালিত প্রশিক্ষণ সেশন এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ নিয়ে এই আয়োজনটি দেশের সাইবার নিরাপত্তা অঙ্গনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

এই আয়োজনে সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এমডি মাহমিদুল হাসান, সাইবার সিকিউরিটি উইংয়ের নির্বাহী কাজী সাব্বির এবং নির্বাহী সদস্য এমডি আল রাকিবুল হাসান লিসান। অংশগ্রহণকারীরা ইন্ডাস্ট্রি-গ্রেড ভলনারেবিলিটি ডিসকভারি পরিবেশে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ পান।

বাগ হান্ট ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারীরা প্রতিযোগিতামূলক বাউন্টিভিত্তিক চ্যালেঞ্জের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পাশাপাশি দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পান তারা। সফল অংশগ্রহণের স্বীকৃতি হিসেবে SUPC-এর সদস্যরা পুরস্কার ও সনদও অর্জন করেন।

সাইবার নিরাপত্তা খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে &lsquo;দ্য বাগ হান্ট সিরিজ&rsquo; প্রতিবছরই তরুণদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

এই আয়োজনে সোনারগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিভিত্তিক কার্যক্রম ও দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমারবাঙলা/আরআরপি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Jan 2026 12:42:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ ৭ কলেজের শিক্ষার্থীদের,তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14876" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/14876</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলনের ডাকে আজ বুধবার(১৪জানুয়ারি)রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল ,তাঁতীবাজার ও মহাখালী আমতলী মোড় অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

বেলা ১টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করা হয়। অন্যদিকে তাঁতীবাজার মোড় অবরোধ করা হয় দুপুর পৌনে ১২টা নাগাদ।

অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা তাঁদের দাবির পক্ষে নানা স্লোগান দিচ্ছেন। এসব স্লোগানের মধ্যে রয়েছে, &lsquo;রাষ্ট্র তোমার সময় শেষ, জারি করো অধ্যাদেশ&rsquo;।

অবরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী-চালকেরা।

এক দফা দাবিতে আজ সায়েন্স ল্যাব, টেকনিক্যাল ও তাঁতীবাজার মোড় অবরোধের ঘোষণা গতকাল মঙ্গলবারই দিয়েছিল &lsquo;সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর আন্দোলন&rsquo;। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এই কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।

এক দফা দাবিটি হলো-১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশের হালনাগাদ খসড়ার অনুমোদনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির কর্তৃক চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উল্লিখিত তারিখের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের ব্যত্যয় হলে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি চলমান থাকবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণীত &lsquo;ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫&rsquo;-এর খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। খসড়াটি প্রকাশিত হওয়ার পরপরই তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষে-বিপক্ষে নানা তর্ক-বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সব স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কলসালটেশন সভার আয়োজন করে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে পাওয়া পরামর্শের ভিত্তিতে মন্ত্রণালয় এই খসড়া হালনাগাদ করেছে বলে জানা গেছে। সবশেষ গত ৭ ডিসেম্বর থেকে ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেই সভায় ডিসেম্বরের মধ্যে আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারি করার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়।

 আমরা চাই বৃহস্পতিবারের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি হোক। আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও আসছেন।

বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, &quot;সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে প্রণীত এই অধ্যাদেশটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করা হবে।

&quot;ইতিমধ্যেই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু করা হয়েছে, যা শিক্ষা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। উচ্চশিক্ষার এই নতুন কাঠামোটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পেশাদারত্ব এবং ধৈর্যশীল সহযোগিতা একান্ত কাম্য।&quot;

&#39;অসম্পূর্ণ তথ্য বা গুজবে&#39; বিভ্রান্ত না হয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন যেন &#39;ব্যাহত না হয়&#39;, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 14 Jan 2026 08:35:02 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
