<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/education</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla education Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Fri, 22 May 2026 07:59:28 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[কুমিল্লায় ঐক্য পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/oithijho-o-krishthi/16619" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/oithijho-o-krishthi/16619</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&quot;ধর্ম যার যার-রাষ্ট্র সবার&quot; এ শ্লোগান সামনে রেখে কুমিল্লায় পালিত হয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের ৩৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

এ উপলক্ষে গত ২০ মে বুধবার বিকেলবেলা কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় লাকসাম রোডস্থ মাধুরি-ননীকুঞ্জ ভবনের পঞ্চম তলায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা ও মহানগর শাখার আয়োজনে এ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়।

ওই সভায় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি চন্দন কুমার রায় এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- জেলা ঐক্য পরিষদ সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য হারাধন শীল, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তাপস বকসী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রতন চন্দ্র দাস ও উত্তম আচার্য্য, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট দীলিপ চন্দ, আইসিটি সম্পাদক এডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক মধুসূদন বিশ্বাস, সদস্য এডভোকেট প্রহ্লাদ চন্দ্র পাল, অধ্যাপক শ্রীধর বণিক ও গৌতম দাস এবং মহানগর ঐক্য পরিষদ নেতা সুকেন সরকার, বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুণ্ড, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশীষ দাস, আদর্শ সদর উপজেলা ঐক্য পরিষদ সভাপতি শান্তি রঞ্জন দেবনাথ, জেলা যুব ঐক্য পরিষদ সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দে, ছাত্র ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উল্লাস দে ও জেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদ আহবায়ক প্রান্ত দে প্রমুখ।

সমগ্র সভাটি সঞ্চালনা করেন মহানগর ঐক্য পরিষদ আহবায়ক কমল চন্দ খোকন।

ওই সভায় বক্তারা বলেন- স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নির্যাতন, নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু মানুষের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব।

বক্তারা আরও বলেন- &ldquo;হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ওপর সকল ধরনের অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং ন্যায্য অধিকার আদায়ে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।&quot; তারা আরও বলেন- &quot;ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার&quot; &mdash;এই চেতনা ধারণ করেই আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। তাই আসুন, সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তুলি এবং অন্যায়, নিপীড়ন ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হই। আমাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ হবে এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে সকল মানুষ সমমর্যাদা, সমঅধিকার ও নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারবে।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে । প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সংগঠনটি অসাম্প্রদায়িক চেতনা, শান্তি, সহাবস্থান ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু একটি সংগঠনের বয়স বৃদ্ধির দিন নয়, এটি আদর্শ, ঐক্য ও মানবতার পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করার একটি বিশেষ মুহূর্ত। এই দিনে আমরা স্মরণ করি সেইসব মানুষদের, যাদের ত্যাগ, শ্রম ও সাহসিকতায় সংগঠনটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে। দেশের সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সৌহার্দ্য বজায় থাকুক এটাই হোক প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল প্রত্যাশা। সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 07:59:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16618" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16618</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ সাংবাদিক সমিতির (কুভিকসাস) নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হয়েছেন স্টার নিউজের কুমিল্লা ব্যুরো চিফ আব্দুল্লাহ আল মারুফ এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন প্রতিদিনের বাংলাদেশের কুমিল্লা মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি হাসিবুল ইসলাম সজিব।

গত বুধবার (২০ মে) দুপুরে কুভিকসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেন এবং সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুমন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

১৪ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন আকাশ টিভির প্রতিনিধি মাকসুদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন বাংলাদেশ টাইমসের কুমিল্লা প্রতিনিধি আল আমিন কিবরিয়া এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ইনকিলাবের ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রতিনিধি রাকিবুল ইসলাম।

এছাড়াও কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন&mdash;সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাসফিয়া জাহান, দপ্তর সম্পাদক তামিম হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক নুসরাত জাহান ইভা, অর্থ সম্পাদক মিম আক্তার, প্রচার সম্পাদক মো. ইরফান হোসেন শাকিল, তথ্য সম্পাদক মো. ইব্রাহিম এবং সদস্য সাইদুল ইসলাম মিয়াজী, জুয়েনা আফরিন ও ফাহিমা আক্তার।

কুভিকসাসের সদ্য বিদায়ী সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন, &lsquo;বিদায় নিয়তির নিয়ম। কুভিকসাস নতুন নেতৃত্ব পেয়েছে। কুভিকসাসের প্রত্যেক সদস্য অত্যন্ত ভদ্র ও ভালো। বিগত দিনেও তোমাদের এই প্রাণের সংগঠনের জন্য তোমরা নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করেছো। কেউ পদবীর জন্য কাজ করোনি। আশাকরি সামনের দিনেও তোমরা তাই করবে। কমিটির সবাইকে শুভেচ্ছা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 07:52:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ব্যবসায় প্রশাসনের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16583" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16583</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়&ndash;এর ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সঙ্গে ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) এবং হোসাইন মামলুক এন্ড কোং&rsquo;এর দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যম্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সিএমএ প্রোগ্রামে ভর্তি হলে কোর্সে ছাড়, কাঠামোবদ্ধ ইন্টার্নশিপ, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা, সেমিনার ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের বিভিন্ন সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১০টায় ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের কনফারেন্স কক্ষে &lsquo;CMA Choice: Your Future Professional Career an Exciting Success Route&rsquo; শীর্ষক সেমিনারে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারের উদ্বোধন করেন।

সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সঙ্গে আইসিএমএবি এবং হোসাইন মামলুক অ্যান্ড কোংয়ের পৃথক দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। আইসিএমএবির পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এবং হোসাইন মামলুক অ্যান্ড কোংয়ের পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপ্যাল মো. মামলুক হোসেন।

চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিবিএ বা এমবিএ সম্পন্ন করে সিএমএ প্রোগ্রামে ভর্তি হলে মোট ২০টি কোর্সের মধ্যে সর্বোচ্চ ছয়টি কোর্স পর্যন্ত ছাড় পাবেন। পাশাপাশি প্রায় তিন মাস মেয়াদি কাঠামোবদ্ধ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করা হবে। অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেন্টরিং ও কোচিং প্রদান করা হবে, যাতে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পায়। প্রয়োজনে ফিল্ড পরিদর্শনের মাধ্যমে বাস্তব অডিট ও কনসালটিং কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য মূল্যায়ন ও ফিডব্যাকসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, &lsquo;ব্যবসায় প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য দেশ-বিদেশে চাকরির বিশাল বাজার রয়েছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে তোমাদের কাজের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তোমরা তোমাদের মেধা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে প্রদর্শন করতে পারলে তোমরা নিশ্চয়ই ভালো প্রতিষ্ঠানে ভালো পদে জায়গা করে নিতে সক্ষম হবে।&rsquo;

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, আইসিএমএবির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এবং হোসাইন মামলুক অ্যান্ড কোংয়ের প্রিন্সিপ্যাল মো. মামলুক হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 14 May 2026 09:31:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অধ্যাপক আলমোজাদ্দেদী ঢাবির নয়া প্রো-ভিসি (প্রশাসন)]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16525" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16525</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে যোগ দিয়েছেন উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। বৃহস্পতিবার বিকেলে অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ, ১৯৭৩-এর আর্টিকেল ১৩ (১) অনুযায়ী তাঁকে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নবনিযুক্ত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উৎকর্ষ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে একাডেমিক পরিবেশ বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দায়িত্ব গ্রহণের পর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, বিগত প্রশাসনের কাজগুলোকে এগিয়ে নেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য। আমি আপনাদেরই একজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

নবনিযুক্ত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর দায়িত্ব গ্রহণের পর ফুলেল শুভেচ্ছা, মিষ্টি বা অন্য কোনো ধরনের উপহার দেওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 12:08:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশে এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকেরা দুর্দশায় জর্জরিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16494" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16494</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো শিক্ষক সমাজ। অথচ দেশের বহু শিক্ষক আজও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিশেষ করে নন-এমপিও, খন্ডকালীন ও পার্টটাইম&mdash;এমন হাজার হাজার শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে দায়িত্ব পালন করলেও তাদের স্থায়ী নিয়োগ বা সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে তারা নিয়মিত বেতন তো পানই না, এমনকি বোনাস বা উৎসব ভাতাও দেওয়া হয় না।

বাংলাদেশে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের জন্য এমপিও (Monthly Pay Order) একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সরকার তাদের বেতনের একটি বড় অংশ প্রদান করে। কিন্তু বহু শিক্ষক বছরের পর বছর শিক্ষকতা করেও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। ফলে তারা অতি সামান্য বেতনে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন, যা দিয়ে বর্তমান বাজার ব্যবস্থায় জীবনধারণ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, অনেক শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) থেকে নিবন্ধন সনদ অর্জনের পরও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ পান। কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতা, প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনীহা কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনার কারণে তারা স্থায়ী নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হন। এতে তাদের পেশাগত নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে এবং সামাজিক মর্যাদাও ক্ষুণ্ন হয়।

অভিযোগ রয়েছে, পূর্ববর্তী সরকারগুলোর সময় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলেছে। বিরোধী মতাদর্শের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলে অনেক শিক্ষককে এমপিওভুক্তি বা স্থায়ী নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে জানা যায়। ফলে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষক ন্যায্য অধিকার পাননি, যা শিক্ষা খাতের জন্য উদ্বেগজনক।

একাধিক শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ৫ থেকে ১৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। অনেকেরই এনটিআরসিএ নিবন্ধন রয়েছে এবং তারা নিয়মিত পাঠদান করছেন। কিন্তু বয়সসীমা অতিক্রম করায় তারা নতুন করে সরকারি কোনো সুযোগ পাচ্ছেন না। একজন শিক্ষক বলেন, &ldquo;আমরা শিক্ষার্থীদের মানুষ গড়ার কাজ করেছি, অথচ নিজেরাই অবহেলিত।&rdquo;

এমপিওভুক্ত না হওয়া শিক্ষকদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পরিবার নিয়ে অনেকেই দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করছেন। সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাসাভাড়ার খরচ বহন করতে গিয়ে তারা চরম সংকটে পড়ছেন। অনেকেই অতিরিক্ত আয়ের জন্য প্রাইভেট টিউশন বা অন্য পেশায় যুক্ত হতে বাধ্য হচ্ছেন, যা তাদের মূল পেশায় মনোযোগ কমিয়ে দিচ্ছে।

শুধু আর্থিক নয়, সামাজিকভাবেও তারা অবহেলার শিকার। একই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের তুলনায় তারা কম মর্যাদা পান এবং অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তাদের মতামত উপেক্ষিত হয়। এতে মানসিক চাপ আরও বাড়ে।

বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে বিভিন্ন সময় ইতিবাচক বক্তব্য দেওয়া হয়েছে। এমনকি নির্বাচন কালীন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষকদের মর্যদা বৃদ্ধির জন্য কাজ করবেন এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা আশা করছেন, সরকার আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিলে তাদের দীর্ঘদিনের দুর্দশার অবসান ঘটবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগরীর এক সিনিয়র শিক্ষক জানান, সাবেক সরকারের সময় নকল এনটিআরসিএ সনদের মাধ্যমে প্রায় ৬০ হাজার নিয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও তখন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকারের কাছে এ বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা, যাতে জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে প্রকৃত নিবন্ধনপ্রাপ্তদের নিয়োগ নিশ্চিত করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই সমস্যার সমাধানে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ীকরণ এবং এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাবমুক্ত প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিন কর্মরত ও নিবন্ধনপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জন্য বিশেষ বিবেচনা রাখা প্রয়োজন।

এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেইস তৈরি করা জরুরি, যেখানে এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে প্রকৃত সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের পথ তৈরি করা সম্ভব। একই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের জবাবদিহির আওতায় আনাও প্রয়োজন।

সবশেষে বলা যায়, একটি জাতির উন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। অথচ সেই শিক্ষক সমাজের একটি বড় অংশ যদি অবহেলিত ও বঞ্চিত থাকে, তবে তা জাতির ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। তাই এমপিওবঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 12:23:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আগামীকাল থেকে শুরু এসএসসি পরীক্ষা, মানতে হবে ১৪ নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16381" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16381</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে, যা চলবে ২০ মে পর্যন্ত। পরীক্ষার রুটিন প্রকাশের সময়ই পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৪টি বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, এবারের এসএসসি পরীক্ষা বাংলা দিয়ে শুরু হবে এবং প্রতিদিন সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এ ছাড়া ১৮ জুনের মধ্যে হাতে লেখা নম্বরফর্দ, ব্যবহারিক উত্তরপত্র, আনুষঙ্গিক কাগজপত্র ও স্বাক্ষরলিপি বিভাগ অনুযায়ী রোল নম্বরের ক্রমানুসারে সাজিয়ে হাতে হাতে মাধ্যমিক পরীক্ষা শাখায় জমা দিতে হবে।

এদিকে গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) যানজট ও জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে সাড়ে ৮টার থেকে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ সংক্রান্ত আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। নির্দেশনাগুলো হলো-

১. পরীক্ষা শুরুর ৩০ (ত্রিশ) মিনিট পূর্বে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

৩. প্রথমে বহুনির্বাচনী ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং উভয় পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

৪. পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানপ্রধানের নিকট থেকে পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে সংগ্রহ করবে।

৫. শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলোর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে প্রাপ্ত নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৬. পরীক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ উত্তরপত্রের ওএমআর (OMR) ফরমে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭. পরীক্ষার্থীকে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।

৮. প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল নিবন্ধনপত্রে বর্ণিত বিষয়/বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি প্রদান করা যাবে না।

৯. পরীক্ষা শুরুর অন্তত সাত দিন আগে পরীক্ষার্থীদের ভেতর প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধান দায়ী থাকবেন।

১০. পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে।

১১. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি/পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।

১২. সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়), বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির জন্য একই উপস্থিতিপত্র ব্যবহার করতে হবে।

১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।

১৪. পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ৭ (সাত) দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে দৈনিক পত্রিকা ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আবেদনপ্রক্রিয়া, তারিখ ও সময় জানিয়ে দেওয়া হবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 20 Apr 2026 07:26:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের পরিবর্তিত যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলতে হবে: তথ্যমন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16326" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16326</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে হবে শিক্ষার্থীদের। তাদেরকে পরিবর্তিত যুগের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (১১ এপ্রিল) &#39;দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ&#39;-এর ২২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতি, উদ্যোক্তা এমনকি রাষ্ট্রও অনেক হিসাব বিজ্ঞানের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। তাই এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবর্তিত যুগের সাথে সমন্বয় করে দেশের উন্নয়নে অংশ নিতে হবে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ২৭৬ জন শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 12 Apr 2026 12:06:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ , তদন্ত কমিটি গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16290" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16290</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদারীপুর সদর উপজেলাধীন কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায়, পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ও নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্কুল ফিডিং প্রজেক্টের ডিরেক্টর, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন উর রশীদ মাদারীপুরে এসে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করেন এবং হাসপাতালে অসুস্থ্য শিক্ষার্থীদের দেখতে যান। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে এ বিষয় নিয়ে মিটিং করেন।

জানা গেছে, কার্যাদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান সামান্তা ট্রেডার্সের মাধ্যমে ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কলা, পাউরুটি ও ডিম বিতরণ করা হয়। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই উপজেলার ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ ১৭ জন শিক্ষার্থীকে দ্র&aelig;ত মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসা শেষে ১১ জনকে রাতে ছেড়ে দেয়া হয়। বাকি ৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনার পরপরই জেলা প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাউসদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আর রিপন। এসময় সেখান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় সদার থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেখতে যান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার বলেন, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে আমি সাথে সাথে হাউসদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পাঠাই। এসময় সেখান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ করা হয়। অন্য আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হলে সেই শিশু শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে দেখতে যাই। শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়ের হয়েছে। প্রজেক্ট ডিরেক্টর, যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ হারুন উর রশীদ স্যার বৃহস্পতিবার মাদারীপুরে আসেন এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Apr 2026 08:50:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর গুঞ্জন, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16256" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16256</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত বা পেছানো হতে পারে এমন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সরকার এসব তথ্যকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলে স্পষ্টভাবে নাকচ করেছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্রসচিবদের সঙ্গে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিষয়টি তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফেসবুকে পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে অনেক খবর ছড়াচ্ছে, যা ভিত্তিহীন।

জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ ভয়ে এমন গুজব ছড়াচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এই রুটিন আগের সরকার নির্ধারণ করেছে এবং প্রশ্নপত্রও ইতোমধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে সোমবার (৬ এপ্রিল) ময়মনসিংহে অপর এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে সম্পূর্ণ নকলমুক্ত, স্বচ্ছ এবং সুশৃঙ্খল পরিবেশে আয়োজন করা হবে।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 11:46:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসি’র মাধ্যমে নিয়োগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16235" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16235</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায়) প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি বাতিল করে এখন থেকে কেন্দ্রীয় পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আজ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান প্রধান (প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ) এবং সহকারী প্রধান পদে কেন্দ্রীয় পরীক্ষাভিত্তিক পদ্ধতি চালু করা হচ্ছে।

নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যমান শূন্য পদগুলোতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, নতুন নিয়োগ পদ্ধতি, পরীক্ষার কাঠামো এবং বর্তমানে শূন্য থাকা ১২ হাজার ৯৫১টি পদের নিয়োগ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনটিআরসিএ।

আগামী ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১০টায় এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থেকে নতুন পদ্ধতির কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরবেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। পাশাপাশি গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেবেন তিনি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 05 Apr 2026 10:59:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্কুল-কলেজে সপ্তাহে ৩ দিন অনলাইন ক্লাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16221" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16221</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় আসছে নতুন পরিবর্তন। ঢাকাসহ সব মহানগরের স্কুল ও কলেজে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ সিদ্ধান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হয়নি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করা হবে। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চলবে। এর মধ্যে তিন দিন অনলাইনে এবং তিন দিন সরাসরি (অফলাইন) শ্রেণিকক্ষে পাঠদান হবে।

তিনি আরও জানান, জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ক্লাস নেবেন, তবে নির্ধারিত দিনগুলোতে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে যুক্ত হবে।

এর আগে সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে বিকল্প পদ্ধতিতে পাঠদান চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে অনলাইন ও অফলাইনের সমন্বয়ে নতুন এই ব্যবস্থা চালু হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এতে একদিকে জ্বালানি সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ধারাবাহিকতাও বজায় রাখা সম্ভব হবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 31 Mar 2026 12:11:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদেশগামী শিক্ষার্থীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার নির্দেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16158" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16158</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, ঈদের ছুটির পর আজকে প্রথম অফিস এবং প্রথম অফিসে বেলা ১১টায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সচিব এবং পররাষ্ট্র সচিবসহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মিটিং হয়েছে। মিটিংয়ে কর্মপরিকল্পনা চেয়েছিলেন, সেগুলো নিয়ে একটা ফলোআপ আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ এবং তার নির্দেশনায় আমরা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে যারা কোরিয়া, জাপান, চায়না, জার্মানি এরকম দেশগুলোতে যাবে; বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ব্যাংক গ্যারান্টি বা ব্যাংক সলভেন্সির সাপোর্ট হিসেবে ১০ লাখ টাকার ঋণ দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। সেটা আমাদের মন্ত্রণালয়ের একটা ব্যাংক আছে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, ওই ব্যাংকই ডেডিকেটেড করতে বলেছেন, যেন এই মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির ফলে বা এই সংকটের ফলে আমাদের অনেক শ্রমিকরা সেখানে বর্তমানে আছে। আমাদের শ্রমবাজারের বড় একটা অংশই কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য। সেক্ষেত্রে এই যুদ্ধের ফলে আমাদের কী ধরনের সংকট এবং সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে সেগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করেছে। বিশেষ করে ধরেন এখানে মিডিলইস্টে যে ধরনের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেস্ট্রয় করা হয়েছে এগুলো আবার রিবিল্ড করতে হবে। তাছাড়া ওখানে আশা করি যে আমাদের দেশের শ্রমবাজার খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। বরং আমাদের দেশের চাহিদা আরো তৈরি হতে পারে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ বা ভাষা শেখার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমাদের দেশের মানুষ শুধু ভাষা না জানার কারণে তারা অল্প পয়সার চাকরি করে। ভাষা জানলে তারা একটু ভালো বেতন পেতে পারে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Mar 2026 08:59:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লটারি বাতিল, স্কুলে ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16128" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/16128</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সাল থেকে স্কুলে ভর্তির বিদ্যমান লটারি প্রথা থাকবে না।

উল্লেখ্য, প্রথমে শুধু প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির পদ্ধতি চালু করা হয়। ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো।

পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর পর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।
 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Mar 2026 11:28:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রভোস্টকে কল করায় শিক্ষার্থীর সিট বাতিলের হুমকি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15832" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15832</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অফিস সময়ের বাইরে আমাকে ফোন করা যাবে না।&rdquo; অসুস্থ এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর হল প্রভোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি এমন মন্তব্য করেন&mdash;এমন অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি ঘটেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর দোলনচাঁপা হলে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের ৪০৬ নম্বর কক্ষে এক সিনিয়র রুমমেটের বিরুদ্ধে জুনিয়র শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগ ও আইন ও বিচার বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের দুই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে এক হাজার টাকা চুরির অভিযোগ তোলেন ওই সিনিয়র শিক্ষার্থী। অভিযোগকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে কক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সিএসই বিভাগের এক শিক্ষার্থী শ্বাসকষ্টে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সহপাঠীরা তাঁকে দ্রুত ত্রিশাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা অক্সিজেন দেওয়ার পর তাঁর জ্ঞান ফিরে আসে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, ঘটনার সময় হল প্রভোস্ট উম্মে ফারহানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি &lsquo;অফিস সময়ের বাইরে ও শুক্র-শনিবার&rsquo; ফোন না দিতে বলেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তাঁদের ভাষ্য, আবাসিক হলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রশাসনিক সহায়তা পাওয়া প্রত্যাশিত।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে হল প্রভোস্ট ও ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক উম্মে ফারহানা সাংবাদিকদের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, &ldquo;আমি অনেক কিছু জানি, যা আপনাদের বলব না। আপনাদের সাংবাদিকতা একধরনের ফাতরামি ছাড়া কিছু নয়। যে শিক্ষার্থী সাংবাদিকের কাছে অভিযোগ করেছে, তাকে আমি খুঁজে বের করব এবং প্রয়োজনে তার সিট বাতিল করব।&rdquo;

তিনি আরও বলেন, &ldquo;হলের হাউস টিউটরদের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো উচিত ছিল। হাউস টিউটররা আমাকে অবহিত না করলে কোনো উড়ো ফোন কলের ভিত্তিতে আমি ত্রিশালে যেতে পারি না। শুক্রবার আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকি না। সরাসরি আমাকে ফোন না করে আগে হাউস টিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত ছিল।&rdquo;

উল্লেখ্য, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ অনুযায়ী শিক্ষক ও কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে গণ্য। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।

ঘটনাটি ঘিরে ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলেন, আবাসিক হলে নিরাপত্তা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 28 Feb 2026 08:38:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুন্দরগঞ্জের সবুজ শিক্ষালয় ও গ্রীন রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের ২৬ শিক্ষার্থীর বৃত্তি অর্জন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15786" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15786</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[একাডেমিক সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২৫ সালের জেএসসি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় চমক দেখিয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সবুজ শিক্ষালয় ও গ্রীন রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ট্যালেন্টপুলে ৯ জন এবং সাধারণ গ্রেডে ১৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে এ তথ্য জানা যায়। চলতি বছরে প্রতিষ্ঠানটির ৪৫ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়, যার মধ্যে ২৬ জন বৃত্তি লাভ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো&mdash; নীড়, অপূর্ব, আফিয়া তাসনিম, নাফিস ফুয়াদ, আপন, রিদম ইসলাম, দ্বীপ, তরিকুল ও জিনাত। সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে&mdash; জিহাদ, রুম্পা, খুশবু, শাহাজাদী, সায়মা তাসনিম, মাশরাফি, রিফাত, রোহিত, ফাহিম, রোজোয়ান, হৃদয়, সুচি, মিশাদ, নাফিউজ্জামান, শিথিল, শান্ত ও হিমেশ।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এ সাফল্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দের আবহ বিরাজ করছে।

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী আফিয়া তাসনিম বলেন, &lsquo;এই সাফল্যে আমি খুবই আনন্দিত। শিক্ষকদের আন্তরিক দিকনির্দেশনা এবং পরিবারের সহযোগিতা আমাকে এ অর্জনে সহায়তা করেছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল করতে চাই।&rsquo;

সাধারণ গ্রেডে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, &lsquo;বৃত্তি পাওয়ার খবর শুনে খুব ভালো লেগেছে। নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের সহযোগিতার ফলেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। সামনে আরও ভালো করার চেষ্টা করব।&rsquo;

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মুহা. একরামুল হক বলেন, &lsquo;এই অর্জন শিক্ষকদের নিষ্ঠা, শিক্ষার্থীদের অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার ফল। আমরা ভবিষ্যতেও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যাব।&rsquo;

উল্লেখ্য, একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ বৃত্তি পরীক্ষার এই অর্জন সুন্দরগঞ্জের শিক্ষা অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 07:05:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না: শিক্ষা মন্ত্রণালয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15606" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15606</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং জবাবদিহিতা জোরদারের লক্ষ্যে নতুন &lsquo;শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা&rsquo; প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কোনোভাবেই পুনঃভর্তি ফি আদায় করা যাবে না।

সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ নীতিমালা জারি করে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল, স্কুল অ্যান্ড কলেজ, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক স্তর)-এর ক্ষেত্রে &lsquo;টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪&rsquo; অনুযায়ী নির্ধারিত টিউশন ফি গ্রহণ করা যাবে। এর বাইরে নতুন কোনো খাত সৃষ্টি করে অর্থ আদায় করা যাবে না বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের যৌথ স্বাক্ষরে প্রতিষ্ঠানের হিসাব পরিচালিত হবে এবং তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সংরক্ষণ করতে হবে।

পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দায়বদ্ধ থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর্থিক অনিয়মের জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন বলেও নীতিমালায় উল্লেখ রয়েছে।

আয় ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে তফসিলি ব্যাংকে হিসাব খুলতে হলে সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংককে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব প্রকার ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে (SPG) কিংবা সরকারি মালিকানাধীন অন্যান্য ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।

তবে জরুরি প্রয়োজনে বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ করা যাবে। সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থ দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করতে হলে তাদের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত খাতে আদায়কৃত অর্থ যথাযথ প্রক্রিয়ায় জমা দিতে হবে।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 11:19:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছি, ইনশাল্লাহ অনেক চমক রয়েছে’]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15598" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15598</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তারেক রহমানের নতুন সরকারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে ২০০১ সালে মন্ত্রিসভায় তিনি শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই তিনি জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে প্রবর্তন করাসহ আমূল পরিবর্তন আনা হবে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সংসদ ভবনে শপথের পর রাতে গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, &lsquo;ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে। উই আর লিভিং ইন এ গ্লোবাল ভিলেজ। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল কম্পিটিটিভনেসে আনতে হবে। ইটস নো লঙ্গার এ লোকাল কমোডিটি, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমোডিটি।&rsquo;

তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের ফোর্থ জেনারেশন ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনে ন্যানোটেকনোলজি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বায়োটেক এগুলিকে গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়ার লিংকিংসগুলিকে আমাদের লক্ষ্য দিতে হবে। আমাদের টিভেট (টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং)-কে গুরুত্ব দিতে হবে। সর্বোপরি শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আনতে হবে। বললাম না, ইটস অ্যান ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি। এটাকে আমাদের ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।&rsquo;

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, &lsquo;একটু অপেক্ষা করুন, নিশ্চয়ই দেখবেন। দায়িত্ব যেহেতু পেয়েছি, ইনশাল্লাহ অনেক চমক রয়েছে। শুরু হবে কয়েক দিনের মধ্যেই।&rsquo;

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Feb 2026 09:54:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কর্মক্ষম, আত্মনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণই গড়বে আগামী বাংলাদেশ- সালাউদ্দিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15211" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15211</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

কর্মক্ষম, আত্মনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর তরুণই গড়বে আগামী বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ ও শিক্ষাব্যবস্থায় তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দেবে।

জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ ওয়াসিম ও শিশু আনাসের কথা বলতেই আবেগাপ্লুত হয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমি শিক্ষার্থী ও আমার সন্তানদের চলার পথে ফুলের পাপড়ি ছিঁটাতে চাই। কারন আমার স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ২৪শের আন্দোলনে আমাদের সন্তানদের বীরত্বগাতা কাহিনী দেশ গড়ার পথচলা হয়ে থাকবে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে পেকুয়া শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠে উপজেলা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা এমন শিক্ষা চাই যেখানে তৈরি হবে কর্মক্ষম, দক্ষ এবং আত্মনির্ভর যুবসমাজ। আগামী বাংলাদেশ হবে জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং দক্ষ মানবসম্পদসমৃদ্ধ দেশ&mdash;যা বিশ্বমঞ্চে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে।

তিনি আরও বলেন , আমাদের লক্ষ্য এমন শিক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা যা কেবল সনদ নয়, বাস্তব কর্মদক্ষতা, জীবনদক্ষতা এবং আত্মনির্ভরতা গড়ে তুলবে।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমাদের লক্ষ্য, তরুণরা দক্ষ, প্রশিক্ষিত, কর্মঠ ও দেশপ্রেমিক হবে। তারা দেশের সেবা করবে, সমাজের সেবা করবে এবং নিজের পরিবারের দায়িত্ব নেবে সম্মানের সঙ্গে।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের ওপরও গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, &ldquo;চকরিয়া&ndash;পেকুয়া ও আশপাশের এলাকা ধীরে ধীরে সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপ নিচ্ছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারিত হচ্ছে। এ অঞ্চলের উন্নয়ন শুধু স্থানীয় মানুষের জীবনমানই বাড়াবে না, জাতীয় অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আগামী দিনে এই অঞ্চলে বন্দরকেন্দ্রিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে, যানজট সামলানোর সক্ষমতা বাড়বে এবং এটি চট্টগ্রাম অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠবে। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে এখানকার উন্নয়ন দেশের রাজস্ব আয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নারী বিদ্বেষ নিয়ে জামায়াত ইসলামী দলের সমালোচনা করে সালাহউদ্দিন বলেন, গত কয়েকদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারীদের নিয়ে বিভিন্ন কথাবার্তা নজরে এসেছে। এর বিরুদ্ধে সারা দেশে প্রতিবাদ, মিছিল ও আন্দোলন হয়েছে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দেশের জন্য জীবন দিতে, রক্ত দিতে এবং নারী নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে।

শহীদ ওয়াসিম আকরামকে স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, &ldquo;সিলংয়ে থাকাকালীন আমাকে দেখতে গিয়েছিল খুবই অল্পবয়সী ওয়াসিম। জুলাই আন্দোলনে আমরা তাকে হারিয়েছি। তার স্মৃতি ধরে রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই।

চোখের জল ধরে রাখতে না পেরে তিনি যোগ করেন, &ldquo;আমাদের পতাকা শুধু কাপড় নয়; এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অসংখ্য ত্যাগের প্রতীক। এই পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা, স্বাধীনতার চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখা&mdash;এখন তরুণ প্রজন্মের দায়িত্ব। তোমরাই আগামী দিনের নেতৃত্ব, তোমরাই দেশের শক্তি।

শিশু আনাসের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, &ldquo;দুই হাজার চব্বিশের উত্তাল সময়ে এক কিশোর মায়ের দিকে তাকিয়ে বলেছিল, &lsquo;মা, আমি রেলস্টেশনে যাচ্ছি। আমার সাথীরা জীবন দিচ্ছে, রক্ত দিচ্ছে। আমি ঘরে বসে থাকতে পারব না। যদি আমি ফিরে না আসি, তুমি আমাকে নিয়ে গর্ব করবে।&rsquo; এটি এক প্রজন্মের সাহস, দায়িত্ববোধ এবং আত্মত্যাগের প্রতীক, যা দেশের উত্তরাধিকার রক্ষা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চেতনার শিক্ষা দেয়।

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, আজকের উন্নয়ন ও দৃশ্যমান পরিবর্তনের পেছনে আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, স্বপ্ন ও সংগ্রাম জড়িয়ে আছে। আরও অনেক কাজ বাকি, আরও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। দেশের জন্য জীবন দিতে পারে, রক্ত দিতে পারে এমন সাহসী প্রজন্ম তোমরাই। আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তোমাদের হাতে।

তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, &ldquo;তোমরা দেশের ভবিষ্যৎ। তোমরা দেশের সেবা করবে, সমাজের সেবা করবে, এবং দেশকে আরও উন্নত, শক্তিশালী ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলবে।

পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাঈমুর রহমান হৃদয়ের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবুল কাশেম নুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে পেকুয়া মধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল হাসেম, কিন্ডার গার্ডেন এসোসিয়েশন সভাপতি মজিবুল হক চৌধুরী, শহীদ ওয়াসিম আকরামের পিতা শফিউল আলমসহ বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।

আলোচনা সভা শেষে কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 02 Feb 2026 12:04:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15072" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15072</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল এন্ড কলেজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে ২৪টি স্টলে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের পিঠার পসরা সাজায়। এতে প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথি হিসেবে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ শাহিন উদ্দিন ফিতা কেটে পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন।

প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের কো-চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ভূঁইয়া।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম, ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ইঞ্জিনিয়ার কাজী রাসেল, কেএফএসসি শিশু কাননের প্রধান শিক্ষক সফিউল আলম টিপু, মাদ্রাসার মুহতামিম মোঃ ফারুক হোসেন, এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ।

শিক্ষার্থীরা জানান, &ldquo;ব্যতিক্রমি এই আয়োজনে আমরা বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি ও পিঠার স্বাদ নিতে পারছি। এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা দলগত কাজ করার আনন্দ বুঝতে পারছি। আমরা চাই, প্রতিবছর এমন আয়োজন করা হোক।&rdquo;

শিক্ষকরা বলেন, &ldquo;গ্রামীণ ঐতিহ্যের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করানোর জন্য এই উদ্যোগ। ২৪ স্টলে প্রায় অর্ধশত পিঠার স্থান পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। পিঠা উৎসব আমাদের গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে সহায়ক।&rdquo;

প্রফেসর কাজী মো. নুর-উল ফেরদৌস বলেন, &ldquo;গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করাতে আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রথম থেকেই পিঠা উৎসবের আয়োজন করে আসছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পিঠা-ফুলির সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলবে এবং পূর্বের ঐতিহ্য ধারণ করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা যেন শিকড় ভুলে না যায়, এজন্য প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন আয়োজন করা উচিত।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 09:39:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা সর্বমিত্র চাকমার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15071" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/15071</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) কার্যনির্বাহী সদস্য পদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সর্বমিত্র চাকমা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ও জিমনেসিয়ামে সর্বমিত্র চাকমা কিশোর ও তরুণদের লাঠি হাতে কান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন&ndash;এমন দুটি ভিডিও পরপর দুদিন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচনার মুখে এ ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করে পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন সর্বমিত্র।

সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি )দুপুরে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এমন সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। সর্বমিত্র চাকমা ইসলামী ছাত্র শিবির প্যানেল থেকে ডাকসু নির্বাচন করে সদস্য নির্বাচিত হন।

গতকাল রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে খেলতে আসা বেশ কয়েকজন কিশোর ও তরুণকে কান ধরিয়ে ওঠবস করাচ্ছেন সর্বমিত্র চাকমার এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা হয়।

আজ ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সর্বমিত্র চাকমার হাতে রয়েছে লাঠি। তিনি লাঠি হাতে জিমনেসিয়ামে এদিক সেদিক হাঁটছেন ও কিশোর&ndash;তরুণদের কান ধরে ওঠবস করাচ্ছেন। কানধরে ওঠবসের সংখ্যা গুনছেন।

আজকের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি ফেসবুকে লেখেন, &lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাঠটি শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে বহিরাগতদের অবাধ অনুপ্রবেশ একটি গুরুতর নিরাপত্তা সংকটে রূপ নিয়েছে। বহিরাগত ব্যক্তিদের দ্বারা প্রায় নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার ঘটনা ঘটে , মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও সাইকেল চুরির মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলছে না, বরং একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও নিরাপদ পরিবেশকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে।&rsquo;

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও লেখেন, &lsquo;উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই পরিস্থিতি সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বারবার প্রশাসনকে অবগত করলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়নি, নিরাপত্তা জোরদার করা হয়নি, এমনকি বহিরাগতদের প্রবেশরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়নি। প্রশাসনের এই দীর্ঘস্থায়ী নীরবতা ও অসহযোগিতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকানোর উদ্দেশ্যে তাদের কান ধরে ওঠবস করাতে বাধ্য হই। এটি কোনোভাবেই আমার প্রত্যাশিত বা কাম্য আচরণ ছিল না। আমি স্বীকার করছি-এভাবে কাউকে শাস্তি দেওয়া আমার উচিত হয়নি এবং এই ঘটনার জন্য আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। একই সাথে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য পদ হতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এ সিদ্ধান্ত আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত , কারও প্রতি ক্ষুব্ধ বা অভিমানবশত নয়। আমি মনে করি, শিক্ষার্থীরা যে প্রত্যাশা নিয়ে আমাকে প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নিয়েছেন , আমি সে প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হইনি। প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে ,আমি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।&rsquo;

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 26 Jan 2026 09:34:29 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
