<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/education</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/education"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla education Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest education News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 24 Aug 2026 06:45:41 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৩০ কোটি ৯২ লাখ বই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18632" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18632</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এ লক্ষ্যে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রায় ৩০ কোটি ৯২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩৯ কপি বই ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৮ কোটি ২১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩০ কপি বই ছাপানো হবে। ইবতেদায়ির প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির জন্য ছাপা হবে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৯৬ হাজার ৪০০ কপি বই। আর ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জন্য ছাপানো হবে প্রায় ১৮ কোটি বই। এর মধ্যে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৫৬ লাখ ২৭ হাজার ২৩৫ কপি বই রয়েছে।

দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ৯ হাজার ৪ কপি ব্রেইল বইও ছাপানো হবে।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করা হচ্ছে। চতুর্থ শ্রেণিতে &lsquo;খেলাধুলা&rsquo; ও &lsquo;আমাদের সংস্কৃতি&rsquo; এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে &lsquo;আনন্দময় শিক্ষা&rsquo; ও &lsquo;কারিগরি শিক্ষা&rsquo; বিষয়ের বই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এবার পাঠ্যবই ছাপাতে সরকারের ব্যয় হবে ১ হাজার ৮৯০ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৩২৮ টাকা। গত জুন থেকে ধাপে ধাপে বই ছাপানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির বই ছাপার বেশির ভাগ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। তবে অষ্টম ও নবম শ্রেণির বইয়ের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।

এ ছাড়া প্রায় ৫০টি লটে এক কোটির বেশি বইয়ের জন্য পুনঃদরপত্র আহ্বান করতে হচ্ছে। এর মধ্যে নবম শ্রেণির ১৮ থেকে ২০টি লটে প্রায় ৬০ লাখ বই রয়েছে।

তবে এনসিটিবি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, নভেম্বরের মধ্যেই বই ছাপানোর কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। এরপর ডিসেম্বরের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন শিক্ষাবর্ষের বই পৌঁছে দেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 06:45:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এমপিওভুক্তির দাবিতে আজ শিক্ষকদের কর্মসূচি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18631" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18631</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করার দাবিতে রাজধানীতে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ কর্মসূচি পালনের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বাংলাদেশ নন-এমপিও (বেতন-বিহীন) শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (২৩ আগস্ট) সংগঠনের পক্ষ থেকে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শর্তসাপেক্ষে কর্মসূচির অনুমতি দেয় পুলিশ।

ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মো. মাহবুব হোসেন কামালের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত স্থান ও সময়ে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করতে হবে। কর্মসূচি ঘিরে মোট ২১টি শর্ত দেওয়া হয়েছে।

শর্ত অনুযায়ী, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কোথাও কর্মসূচি পালন করা যাবে না এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা শেষ করতে হবে। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোনো বক্তব্য বা প্রচার চালানো যাবে না। পাশাপাশি উসকানিমূলক বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে&mdash;এমন কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া কর্মসূচিতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না এবং পুলিশের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য সংগঠনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনা রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের অনুমতিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, কর্মসূচির কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না। অনুমোদিত স্থানের বাইরে কাউকে মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হলে এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে।

এদিকে কর্মসূচি প্রসঙ্গে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী পরিষদের সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বছরের পর বছর নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীরা কোনো বেতন-ভাতা ছাড়াই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাদের একমাত্র দাবি হলো, যোগ্য নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করে শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তারা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 06:34:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাথমিক শিক্ষায় আসছে নতুন নীতিমালা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18626" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18626</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা আরও কার্যকর করতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, নতুন নীতিমালার ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রমও নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে &lsquo;বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষায় শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার&rsquo; শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আগামী মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করব। এই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।&rsquo;

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন দ্রুত দৃশ্যমান করার লক্ষ্যেও কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, তা বাস্তবায়নে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তারাই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলবেন।

দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক শিক্ষার বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক নিলুফার ইয়াসমিন।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল এবং উপ-সচিব (প্রশাসন-১) মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন সরকার।

এতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও মনিটরিং ব্যবস্থা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 12:25:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা দুই মাস পেছানোর ভাবনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/18537" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/18537</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২ মাস পেছানোর চিন্তা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করার প্রাথমিক পরিকল্পনা থেকে সরে আসার কথা ভাবছে শিক্ষা বিভাগ।

পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি এবং অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষা আগামী মার্চে শুরু করার বিষয়ে নতুন করে আলোচনা চলছে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সবকিছু চূড়ান্ত হলে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষা শুরু হতে পারে। শিক্ষা বিভাগের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা বলেন, রমজান ও ঈদুল ফিতরের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার পাশাপাশি অভিভাবকদের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এসব বিষয় পর্যালোচনা করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা মার্চে আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা চলছে। তাই আগামী মার্চে পরীক্ষা শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে।

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে। সে হিসাবে রমজান ও ঈদুল ফিতর শেষে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে ৭ জানুয়ারি থেকে। আর পরীক্ষা শেষ হবে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭। এ দিকে আগামী বছরের (২০২৭) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ৬ জুন ২০২৭ থেকে শুরু হবে। এ পরীক্ষা চলবে ১৩ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত।

১৪ মে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের ৪০ লাখ শিক্ষার্থীদের জন্য, ২ বছরে গ্যাপ নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাসকে শিক্ষা বছরের শেষ এবং পরীক্ষার মাস হিসেবে ধরা হবে।

দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে হয়ে আসছিল। তবে করোনা মহামারির পর সেই সূচি আর বজায় রাখা যাচ্ছে না; বরং পরীক্ষা আরও পিছিয়েছে। চলতি বছরও (২০২৬) এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। আর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় জুলাই মাসে।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী বছরের পরীক্ষা এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় শিক্ষা বিভাগ। এর আগে ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

পরে অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত সভাতেও ডিসেম্বরে পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মত আসে। এরপর আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি জুনে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

তবে শেষ পর্যন্ত পরীক্ষা কোন মাসে অনুষ্ঠিত হবে বিষয়টি নিয়ে আরও যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত জানাবে মন্ত্রণালয় এমনটাই বলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 08:42:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18531" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18531</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আগামী ২১ আগস্ট থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের অনলাইনে বদলির আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তত্ত্বাবধানে এবং টেলিটকের কারিগরি সহায়তায় স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মাউশির পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বদলি কার্যক্রম ও আবেদনসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হয়েছে।

মাউশির মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বদলিতে আগ্রহী শিক্ষকরা মোবাইলে পাঠানো ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ২১ থেকে ২৭ আগস্টের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার পর বদলি নীতিমালা অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে তা যাচাই-বাছাই করা হবে। পরে বদলির ভিত্তিতে পদায়নের আদেশ জারি করা হবে।

যেসব জেলায় বদলির আবেদন করা যাবে

বদলির জন্য আবেদনকারী শিক্ষক চাকরিতে আবেদনের সময় উল্লেখ করা নিজ জেলায় বদলির আবেদন করতে পারবেন। তবে নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য যেকোনো জেলায় শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

এ ছাড়া স্বামী বা স্ত্রীর নিজ জেলা কিংবা কর্মস্থলের জেলায়ও বদলির আবেদন করা যাবে। তবে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান অথবা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হতে হবে।

এ-সংক্রান্ত তথ্য অনলাইন সফটওয়্যারে ভুলভাবে প্রদান করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও আবেদনকারী শিক্ষক ব্যক্তিগতভাবে দায়ী থাকবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বদলির জন্য যেসব শর্ত প্রযোজ্য

বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, চাকরিতে প্রথম যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একইভাবে, বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর পুনরায় বদলির আবেদন করতে হলে সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য দিয়ে করা কোনো আবেদন বিবেচনা করা হবে না। ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

তবে বদলির জন্য আবেদন করলেই বদলি পাওয়ার বিষয়টি কোনো অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলি হওয়া শিক্ষক কোনো ধরনের ভ্রমণ ভাতা বা দৈনিক ভাতা পাবেন না।

বদলির পর যোগদানের সময়সীমা

বদলির আদেশ জারির পর ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বদলি হওয়া শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে। অবমুক্ত হওয়ার পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

অবমুক্ত হওয়ার দিন থেকে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের দিন পর্যন্ত সময়কে কর্মকাল হিসেবে গণ্য করা হবে।

যারা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন না

কোনো শিক্ষকের বেতন বন্ধ থাকলে, তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলে অথবা তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তাকে বদলির জন্য যোগ্য বিবেচনা করা হবে না।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 19 Aug 2026 06:54:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নারীদের অনার্স পর্যন্ত ফ্রি পড়াশোনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18458" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18458</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারীদের শিক্ষার সুযোগ আরও বাড়াতে অনার্স পর্যন্ত তাদের পড়াশোনা বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, এ শিক্ষার যাবতীয় ব্যয় সরকার বহন করবে। পাশাপাশি ভালো ফলাফল করা নারী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়িঘাট এলাকায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও স্থানীয় জেলেদের মধ্যে পোনা বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দায়িত্বে থাকাকালে নারীদের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত শিক্ষা বিনামূল্যে করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে শিক্ষায় পিছিয়ে রাখলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, &lsquo;দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের যদি আমরা পিছিয়ে রাখি, তাহলে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নারীদের অনার্স পর্যন্ত শিক্ষা ফ্রি করে দেওয়া হবে। এর সব খরচ সরকার বহন করবে।&rsquo;

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করতে ভালো ফলাফলকারীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে। নারীদের শিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তাদের আরও বেশি সম্পৃক্ত করাই সরকারের লক্ষ্য।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 16 Aug 2026 09:26:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফলাফল তোমার পরিচয় নয়: শিক্ষামন্ত্রী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18310" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18310</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, পরীক্ষার ফলাফল কোনো শিক্ষার্থীর পরিচয় নয়। এটি নির্দিষ্ট একটি দিনে, নির্দিষ্ট কয়েক ঘণ্টায় পরীক্ষার খাতায় লেখা উত্তরের একটি হিসাব মাত্র।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীর পরিশ্রম, স্বপ্ন কিংবা সম্ভাবনাকে নির্ধারণ করে না। ফল প্রকাশের দিনটি অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য বেদনা ও হতাশার হতে পারে। বন্ধুদের আনন্দ, পরিবারের নীরবতা এবং নিজের ভেতরের অস্বস্তি&mdash;সবকিছু মিলিয়ে অনেকের মনে হতে পারে, জীবন যেন থেমে গেছে। তবে বাস্তবে কিছুই থেমে যায়নি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশীর কৌতূহল, আত্মীয়দের তুলনা এবং সহপাঠীদের উপেক্ষার কারণে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। এই কঠিন সময়ে তাদের হতাশ না হয়ে নতুন করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

অভিভাবকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ফল খারাপ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভয় পেতে পারে বাবা-মায়ের মুখোমুখি হতে। তাই এ সময় তাদের বকাঝকা বা ভর্ৎসনা না করে আদর, স্নেহ ও সাহস দিয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি বলেন, কঠিন কথা বা ভর্ৎসনার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন সহানুভূতি ও ভালোবাসা। পরিবারের পরিবেশ যেন তাদের জন্য বিচার বা শাস্তির জায়গা না হয়ে নিরাপদ আশ্রয় হয়ে ওঠে, সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে।

শিক্ষকদের প্রতিও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। কেন তারা পিছিয়ে পড়েছে, সেই কারণ খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াকে শিক্ষকদের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি। শিক্ষার্থীর ব্যর্থতার দায় শুধু তার একার নয়, এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে আশাবাদ ব্যক্ত করে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, তাদের জীবনের গল্প এখনো শেষ হয়নি। ভবিষ্যতে সফল হওয়ার পর তারা আজকের দিনটির দিকে ফিরে তাকালে বুঝতে পারবে, সেদিনের হতাশা ছিল সাময়িক।

তিনি বলেন, জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এখনো লেখা বাকি। একদিন এসব শিক্ষার্থীই দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন তিনি। তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাশে আছে এবং থাকবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এর আগে সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করার সুযোগও দেওয়া হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 09:01:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন চলছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18296" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18296</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন আজ ১১ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীরা আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন করতে পারবেন। এ জন্য কোনো ম্যানুয়াল বা সরাসরি লিখিত আবেদন গ্রহণ করা হবে না। পুরো প্রক্রিয়া নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হবে।

গত ৮ আগস্ট বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

জানা গেছে, প্রতিটি পত্রের জন্য পুনর্নিরীক্ষণ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। ইংরেজি বা বাংলার মতো দ্বিপত্রবিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে। আবেদন ফি বিকাশ, নগদ ও সোনালী সেবার মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে।

ফি পরিশোধ করে আবেদন জমা দেওয়ার পরও কোনো শিক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয়ের জন্য পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে নতুন করে আবেদন করা যাবে। তবে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ফি পরিশোধের আগে নির্বাচিত বিষয়ে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। এ জন্য &lsquo;মুছে ফেলুন&rsquo; বাটনে ক্লিক করে অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয় বাদ দিয়ে নতুন বিষয় নির্বাচন করা যাবে। তবে একবার ফি জমা হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় পরিবর্তন বা বাতিল করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পরিশোধ করা ফিও ফেরত দেওয়া হবে না।

যেভাবে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করবেন

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য প্রথমে বোর্ড নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইট: rescrutiny.eduboardresults.gov.bd

এরপর শিক্ষার্থীর রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ড্রপডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে &lsquo;সাবমিট&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে একটি সক্রিয় মোবাইল ফোন নম্বর দিতে হবে। পুনর্নিরীক্ষণের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর ওই নম্বরেই এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানানো হবে।

এরপর স্ক্রিনে শিক্ষার্থীর বিষয়ভিত্তিক ফলাফল দেখা যাবে। যে এক বা একাধিক বিষয়ের খাতা পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো টিক চিহ্ন দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। এরপর &lsquo;ফি প্রদান করুন&rsquo; বাটনে ক্লিক করলে পরবর্তী স্ক্রিনে মোট ফির পরিমাণ দেখাবে।

নির্ধারিত ফি বিকাশ, নগদ অথবা সোনালী সেবার মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নিয়ম জানতে আবেদন পোর্টালে থাকা &lsquo;হেল্প&rsquo; বাটন ব্যবহার করা যাবে।

ফি পরিশোধ সফলভাবে সম্পন্ন হলে পুনরায় আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে &lsquo;জমা দিন&rsquo; বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপরই পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 11 Aug 2026 06:30:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ফলে ধস, ১৯ বছরের সর্বনিম্ন পাসের হার; গণিত-ইংরেজিতে বিপর্যয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18284" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18284</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের সংকটের ইঙ্গিত দিয়েছে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে। ২০০৭ সালের পর অর্থাৎ গত ১৯ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন পাসের হার। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। আর সর্বোচ্চ ফল জিপিএ-৫ অর্জন করেছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন।

২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার ৬ দশমিক ২০ শতাংশ কমার পাশাপাশি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এবার ১৪ লাখ ৪ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮ লাখ ৯৯ হাজার ৬১০ জন। ফলে এসব বোর্ডে সম্মিলিত পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের সাফল্য বেশি। মোট ৬ লাখ ৬২ হাজার ৬৬৩ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ লাখ ৯৫ হাজার ৮১৪ জন। ছেলেদের পাসের হার ৫৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

অন্যদিকে ৭ লাখ ৪১ হাজার ৮৭৬ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫ লাখ ৩ হাজার ৭৯৬ জন। মেয়েদের পাসের হার ৬৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে ৮ দশমিক ১৮ শতাংশ।

জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা গেছে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ৪৭ হাজার ৩০৪ জন ছেলে এবং ৫৮ হাজার ৭০৫ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলে পাসের হার এবং জিপিএ-৫&mdash;দুই ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল আরও পিছিয়ে রয়েছে

এবার দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৮২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৭ জন। পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষাতেও ফলাফল সন্তোষজনক হয়নি। মোট ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ২৭ হাজার ৯৬৪ জন। অনুপস্থিত ছিল ৭ হাজার ২১৫ জন।

অংশ নেওয়া পরীক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৭৪ হাজার ৪৭০ জন এবং অকৃতকার্য হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৯৪ জন। সব মিলিয়ে কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।

এসএসসি ও সমমানের গত কয়েক বছরের ফলাফল পর্যালোচনা করলে এবারের অবনতির মাত্রা আরও স্পষ্ট হয়

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ১৬ শতাংশ। এরপর কয়েক বছর ধারাবাহিকভাবে এই হার বাড়ে। ২০১৪ সালে তা ৯১ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছায়।

২০১৭ সালে খাতা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড প্রয়োগের পর পাসের হার কমে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশে নেমে আসে। এরপর করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসে।

২০২১ সালে বিষয় ম্যাপিং ও বিশেষ মূল্যায়নের মাধ্যমে ফল প্রকাশের কারণে পাসের হার বেড়ে ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশে দাঁড়ায়। এটি ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হারগুলোর একটি।

করোনা-পরবর্তী সময়ে নিয়মিত পরীক্ষা এবং পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে ফিরে আসার পর পাসের হার আবার নিম্নমুখী হয়। ২০২৫ সালে পাসের হার ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশে নেমেছিল। এবার সেটি আরও কমে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ হয়েছে।

গণিত-ইংরেজিতে দুর্বলতা বড় কারণ

এবারের ফলাফলে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। শিক্ষা-সংশ্লিষ্টদের মতে, এই দুই মৌলিক বিষয়ে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় সামগ্রিক পাসের হারেও বড় প্রভাব পড়েছে।

এর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে নির্ধারিত মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণের বিষয়টিও ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, ফলাফল কমে যাওয়ার বিষয়টি শুধু নেতিবাচক হিসেবে দেখলে সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করা সম্ভব হবে না। বরং কোন বিষয়ে এবং কোন স্তরে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি রয়েছে, সেটি শনাক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এসএসসি ফলাফলের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলেও। এ বছর শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে ৬৬৯টিতে দাঁড়িয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯৬৮টি।

অর্থাৎ মাত্র এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ব্যাপকভাবে কমেছে।

অন্যদিকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি&mdash;এমন শূন্য পাস বা জিরো পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩১২টি। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের মান, শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান মনে করেন, শুধু পাসের হার কমেছে&mdash;এমন দৃষ্টিভঙ্গিতে এবারের ফলাফল বিশ্লেষণ করলে চলবে না।

তার মতে, কোন বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বেশি পিছিয়ে পড়েছে এবং কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানে ফলাফল খারাপ হয়েছে, তা বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা দরকার। বিশেষ করে গণিত ও ইংরেজির মতো মৌলিক বিষয়ে দুর্বল শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত করে পাঠদানের মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া এবং নির্ধারিত মূল্যায়ন পদ্ধতি অনুসরণ করার কারণে এবারের ফলাফলে পরিবর্তন এসেছে। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার ঘাটতিও সামনে এসেছে।

ফল ভালো দেখানোর পরিবর্তে শিক্ষার্থীরা যাতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিকেই শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য করা উচিত বলেও তিনি মত দেন।

খারাপ ফল করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শিক্ষাবিদদের মতে, এবারের ফলাফল মাধ্যমিক শিক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে থাকা বিভিন্ন দুর্বলতার একটি প্রতিফলন। তাদের মতে, কেবল পাসের হার বাড়ানোর চেষ্টা না করে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শেখার সক্ষমতা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মতে, শিক্ষা ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের নানা সমস্যার প্রভাব এবারের ফলাফলে স্পষ্ট হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়মিত পড়াশোনার পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি এবং বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এখনও সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। মোবাইল ও ডিজিটাল সংস্কৃতির প্রভাব, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং আর্থিক নানা সমস্যাও অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনায় প্রভাব ফেলছে।

ফলে যারা নিয়মিত পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের ফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। বিপরীতে পড়াশোনা থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের ফল খারাপ হয়েছে।

গণিত ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতা নতুন কোনো বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন ড. জিন্নাহ। তার মতে, প্রতিবছর একই সমস্যা সামনে এলেও শুধু ফলাফল প্রকাশ ও মন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে সমস্যার সমাধান হবে না।

এ জন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোকে গণিত ও ইংরেজির শিক্ষকদের নিয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য রেমিডিয়াল বা প্রতিকারমূলক শিক্ষা কার্যক্রম চালুর ওপর জোর দিয়েছেন।

কোন শিক্ষার্থী কেন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে দুর্বল, সেটি চিহ্নিত করে তার জন্য আলাদা সহায়তা নিশ্চিত করার প্রয়োজন রয়েছে। প্রয়োজন হলে শিক্ষকদের এই কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে প্রণোদনার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে বলে মত দেন তিনি।

তার মতে, প্রচলিত কোচিং ব্যবস্থার পরিবর্তে স্কুল পর্যায়েই পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সাপোর্ট লার্নিং চালু করা হলে গণিত ও ইংরেজিতে দুর্বলতা কমানো সম্ভব।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফল নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ড. জিন্নাহ। তার মতে, কারিগরি শিক্ষায় দীর্ঘদিনের সমস্যা এক বা দুই বছরের মধ্যে দূর করা সম্ভব নয়।

এই খাতে দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের ঘাটতি, আধুনিক যন্ত্রপাতির সংকট, পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধার অভাব এবং শিক্ষার পরিবেশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের যথাযথভাবে উদ্বুদ্ধ ও নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

এসব বিষয় সমাধানে কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থাকে সামগ্রিকভাবে পুনর্গঠন করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এদিকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবে।

ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১১ আগস্ট ২০২৬ থেকে। শিক্ষার্থীরা ১৭ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত এ আবেদন করার সুযোগ পাবে।

আমার বাঙলা/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 11:55:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাসের হারে বরিশাল বিভাগে শীর্ষে পিরোজপুর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18278" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18278</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে পিরোজপুর জেলা। এ জেলায় পাসের হার ৭০ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর বরিশাল বিভাগের গড় পাসের হার ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক আবদুস সালাম।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর পিরোজপুর জেলায় মোট ১০ হাজার ১২২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করলেও পরীক্ষায় অংশ নেয় ৯ হাজার ৮৪৫ জন। এর মধ্যে ছেলে শিক্ষার্থী ৪ হাজার ৪৯২ জন এবং মেয়ে শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৩৫৩ জন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ হাজার ৯৬২ জন পাস করেছে এবং ২ হাজার ৮৮৩ জন অকৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৪৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছেলে ১২০ জন এবং মেয়ে ২২৬ জন। ফলাফলে দেখা গেছে, জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে।

গত বছর পিরোজপুর জেলায় পাসের হার ছিল ৬৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সে বছরও বরিশাল বিভাগের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে ছিল পিরোজপুর। এক বছরের ব্যবধানে এ জেলায় পাসের হার বেড়েছে ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ। গত বছর পিরোজপুর জেলায় ১০ হাজার ৩১৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৭৪৩ জন পাস করেছিল। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ছিল ২ হাজার ৬০৯ জন এবং ছাত্রী ৪ হাজার ১৩৪ জন।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা জানান, গড় পাসের হারে পিরোজপুর জেলার অবস্থান বরিশাল বিভাগে সবার শীর্ষে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বরগুনা জেলা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 07:53:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসিতে রাজশাহী বোর্ডে সেরা বগুড়া]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18276" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18276</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। জেলাভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, বগুড়া জেলায় পাসের হার সর্বোচ্চ।

বগুড়া জেলায় মোট ৩২ হাজার ১৯৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ২৩ হাজার ৩৮৯ জন এবং পাসের হার ৭২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জেলাটিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৪৭৮ জন, যা আট জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানের রুমে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফরাত জেরিন এসএসসির ফলাফল ঘোষণা করেন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত জেলাভিত্তিক ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর রাজশাহী বোর্ডের আট জেলার মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ১৬ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।


পাসের হারের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জয়পুরহাট। জেলার মোট ৮ হাজার ৪৯১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫ হাজার ৭৩৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৪৭ জন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মোট ১৩ হাজার ২৩৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮ হাজার ৬২৩ জন। জেলার পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৩৮ জন।

নওগাঁয় মোট ২১ হাজার ২৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৩ হাজার ২৮৪ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এ জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৭৩০ জন।

রাজশাহী জেলায় মোট ২৭ হাজার ৬৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৭ হাজার ২৩৯ জন। পাসের হার ৬২ দশমিক ২৮ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৪৯ জন।

নাটোরে ১৫ হাজার ৭৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৯ হাজার ৬৪২ জন। পাসের হার ৬১ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৪ জন। পাবনায় মোট ২৬ হাজার ১৮১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৫ হাজার ৯০৭ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৭০ জন।

অন্যদিকে, সিরাজগঞ্জে পাসের হার সবচেয়ে কম। জেলার ৩১ হাজার ২৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১৮ হাজার ২৬৮ জন। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তবে এ জেলায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯০৭ জন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত জেলাভিত্তিক ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর রাজশাহী বোর্ডের আট জেলার মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। এর মধ্যে ১৬ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। ছাত্রীদের পাসের হার ছেলেদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ৭৭৩ জন ছেলে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৩ হাজার ১৯১ জন। তাদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে ৮৩ হাজার ২৭১ জন মেয়ে পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৫৮ হাজার ৮৯৫ জন। মেয়েদের পাসের হার ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

ফলাফলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে এবারও ছাত্রীদের সাফল্য ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। মোট ফলাফলেও মেয়েদের পাসের হার ছেলেদের চেয়ে ১৩ দশমিক ৪০ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফরাত জেরিন বলেন, শিক্ষা বোর্ডের সবথেকে ভালো ফলাফল করেছে বগুড়া জেলা। সেখানকার বাচ্চার ভালো ফলাফল করেছে ভালো লেখাপড়া করার কারণে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 07:13:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসিতে শূন্য পাস ৩১২ প্রতিষ্ঠানে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18272" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18272</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২২৬টি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এছাড়া বিদেশের পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর মধ্যে একটি প্রতিষ্ঠানেও কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

অনুষ্ঠানে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজ নিজ বোর্ডের পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 06:26:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসিতে শতভাগ পাস ৬৬৯ প্রতিষ্ঠানে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18271" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18271</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেশের ৬৬৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করেছে। অর্থাৎ, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হয়েছে।

অন্যদিকে, দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সবাই অকৃতকার্য হয়েছে।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৯৮৪টি। একই সময়ে শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৩৪টি। সে হিসাবে এবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বিপরীতে, শতভাগ ফেল করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 06:17:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসিতে কমেছে পাস ও জিপিএ–৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18270" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18270</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় একযোগে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের ফল প্রকাশ করা হয়।

চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

এবার এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ&ndash;৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ&ndash;৫ পেয়েছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। ফলে এবার জিপিএ&ndash;৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এসব বোর্ডে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ&ndash;৫ পেয়েছে।

সোমবার সকালে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 06:09:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আজ এসএসসি ও সমমানের ফল, জানবেন যেভাবে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18254" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18254</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ। সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। রোববার (৯ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফলাফল উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে পরীক্ষার ফল হস্তান্তর করবেন।

বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ আক্তারুজ্জামান শনিবার জানান, সোমবার সকাল ১০টায় একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে নিজ নিজ বোর্ডের ফল পাওয়া যাবে।

এ ছাড়া দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট&mdash;eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd&mdash;থেকেও ফল দেখা যাবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন।

এসএমএসে ফল জানার নিয়ম

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এসএমএসের ফরম্যাট হবে&mdash;SSC DHA ROLL YEAR।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের জন্য SSC MAD ROLL YEAR এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থীদের SSC TEC ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এবার পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে

ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির শনিবারের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।

এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত ফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইটের &lsquo;Result&rsquo; কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড ও প্রকাশ করতে পারবে।

পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। এসএমএসের জন্য ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বর ব্যবহার করা যাবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 04:16:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসএসসি ফল প্রকাশ, পাশের হার ৬২.২৫%]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18255" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18255</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এ বছর পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষার্থীরা অনলাইন, নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।

এ ছাড়া অভিন্ন দুটি ওয়েবসাইট&mdash;eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd&mdash;থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

এসএমএসে ফল জানার নিয়ম

মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে গিয়ে প্রথমে SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর এবং আরেকটি স্পেস দিয়ে পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য এসএমএসের ফরম্যাট হবে&mdash;SSC DHA ROLL YEAR। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে SSC MAD ROLL YEAR এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থীদের জন্য SSC TEC ROLL YEAR লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

প্রতিটি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য হবে। এর মধ্যে সব ধরনের কর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পরীক্ষার্থী ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি

এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করেছেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন। অন্যদিকে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১১ আগস্ট থেকে

ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামীকাল ১১ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত ফল সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়েবসাইটের &lsquo;Result&rsquo; কর্নারে গিয়ে বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN ব্যবহার করে ফল ডাউনলোড করে প্রকাশ করতে পারবে।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর কমন ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকেও ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এসএমএসের মাধ্যমেও ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে ফল জানা যাবে।

এদিন ঢাকা, রাজশাহী, কুমিল্লা, যশোর, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 10 Aug 2026 04:15:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিয়ম ভেঙে দেড় কোটি টাকা তুললেন ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18053" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/18053</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিধিবহির্ভূতভাবে প্রায় দেড় কোটি টাকা এমপিও সুবিধা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাদের উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা এক মাসের মধ্যে সরকারি কোষাগারে ফেরত জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

সোমবার (৩ আগস্ট) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিদপ্তর জানায়, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও পুনর্বিবেচনা, গ্রেড পরিবর্তন, বাতিল ও স্থগিত-সংক্রান্ত পুনর্বিবেচনা কমিটির গত ১৬ জুনের সভার সিদ্ধান্তের আলোকে ১৬ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির জুলাই মাসের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ওই সভায় ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ইকামাতেদ্বীন মডেল কামিল মাদ্রাসার (আলিম স্তর পর্যন্ত এমপিওভুক্ত) ফাজিল ও কামিল স্তরের ১৯ জন প্যাটার্ন বহির্ভূত শিক্ষক-কর্মচারীর ইনডেক্স কর্তনের পাশাপাশি তাদের নামে বিধিবহির্ভূতভাবে উত্তোলিত মোট ১ কোটি ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

অধিদপ্তরের জারি করা পৃথক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মচারীদের নির্ধারিত অঙ্কের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে, ট্রেজারি চালানের মূল কপি অথবা সত্যায়িত অনুলিপি দ্রুত মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রভাষক (আরবি) মো. আল আমিন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, প্রভাষক (আরবি) মো. রাশেদুল ইসলাম ১০ লাখ ৬০ হাজার ৩০২ টাকা, প্রভাষক (বাংলা) মো. কুদরাতুর রহমান ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইংরেজি) ফকরুল ইসলাম ১৮ লাখ ১ হাজার ১০২ টাকা, প্রভাষক (ইসলামের ইতিহাস) মো. ফারুক হোসেন ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৫৪১ টাকা, প্রভাষক (গ্রন্থাগারিক) মো. সরোয়ার হোসেন ৭ লাখ ৫১ হাজার ২৪২ টাকা, সহকারী গ্রন্থাগারিক মহিউদ্দিন ৮ লাখ ৭৭ হাজার ১৫ টাকা, সহকারী মৌলভী মো. নূরনবী ৬ লাখ ২৭ হাজার ৭০২ টাকা, জুনিয়র শিক্ষক নাছরিন ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৫৩ টাকা, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর কাজী আল মাসুদ ৪ লাখ ৮১ হাজার ১৮৩ টাকা, ল্যাব সহকারী (পদার্থ) মো. রেজাউল মিয়া ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা, ল্যাব সহকারী (জীববিজ্ঞান) সাম্মি আক্তার ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৯১ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. মাসুম বিল্লাহ ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মো. সাইফুল ইসলাম ৩ লাখ ২৮ হাজার ২১৫ টাকা, পরিচ্ছন্নতাকর্মী মো. নাজমুল ইসলাম ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪০৭ টাকা, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হামীব গাজী ৪ লাখ ৩৪ হাজার ১৭৫ টাকা এবং প্রভাষক (ফকিহ) জাহিদ হোসেন ৬ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করেছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্যসচিব মোহাম্মদ শুকুর আলম মজুমদারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অতিরিক্ত উত্তোলিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি আইনের বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মামলা দায়ের করা হবে।

এদিকে, এ সিদ্ধান্তের অনুলিপি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ), ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার সভাপতি ও অধ্যক্ষের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 04 Aug 2026 06:12:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদান ১ অক্টোবর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17995" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17995</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে &lsquo;সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫&rsquo;-এর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের তারিখ নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর নিজ নিজ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।

রোববার (২ আগস্ট) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে নির্বাচিত প্রার্থীদের যথাসময়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। যোগদানের পর তাদের পদায়ন করা হবে এবং পরবর্তীতে পেশাগত প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে।

এর আগে, গতকাল ১ আগস্ট (শনিবার) মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি ভার্চ্যুয়াল সভায় প্রাথমিক শিক্ষক যোগদানের প্রাথমিক তারিখ ২৯ অক্টোবর কথা ভাবা হয়েছিল। সভার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছিলেন, তদন্ত ও অন্যান্য প্রক্রিয়াগত দীর্ঘসূত্রতার কারণে যোগদান বিলম্বিত হলেও দ্রুত সময়সীমার মধ্যেই শিক্ষক পদায়ন সম্পন্ন করতে চায় সরকার।

তবে আজ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১ অক্টোবরকেই যোগদানের চূড়ান্ত তারিখ হিসেবে নিশ্চিত করা হলো।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করার পর তাদের পদায়ন সম্পন্ন করা হবে। পদায়ন প্রক্রিয়া শেষেই শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে।

এর আগে, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১ জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত (এমসিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়। পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়।


তবে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ সব প্রক্রিয়া শেষ হলেও নির্বাচিত প্রার্থীরা এখনো যোগদান করতে পারেননি। এ নিয়ে গত এপ্রিলের শেষ দিকে রাজধানীতে আন্দোলন করেন তারা। পরে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে তাদের যোগদান করানো হবে এবং পদায়নের পর পেশাগত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 02 Aug 2026 06:42:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চালু হচ্ছে ‘বইপড়া কর্মসূচি’,মাউশির জরুরি নির্দেশনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17906" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17906</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট) &lsquo;বইপড়া কর্মসূচি&rsquo; চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দেশের প্রতিটি উপজেলা ও থানা থেকে তিনটি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে মাউশি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং উচ্চপর্যায়ের সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের আলোকে মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তৈরির লক্ষ্যে এ পাইলট কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

মাউশির নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে একটি বালক বিদ্যালয়, একটি বালিকা বিদ্যালয় এবং একটি মাদরাসা নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ প্রতিটি উপজেলা বা থানা থেকে মোট তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা আগামী তিন দিনের মধ্যে ই-মেইলের মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে হবে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজ নিজ জেলার প্রতিটি উপজেলা ও থানার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা সংগ্রহ করে একত্রিত করবেন এবং তা মাউশিতে পাঠাবেন। এ তালিকার ভিত্তিতেই &lsquo;বইপড়া কর্মসূচি&rsquo;র পাইলট কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরবর্তী উদ্যোগ নেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 31 Jul 2026 08:56:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এআই ব্যবহার করে পরীক্ষায় নকল, এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17761" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/education/17761</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চট্টগ্রামে মোবাইল ফোনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) নগরীর সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী জানান, মানবিক বিভাগের ওই পরীক্ষার্থী প্রশ্নপত্র বিতরণের কিছুক্ষণ পর গোপনে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তোলেন। পরে স্মার্টফোনে থাকা একটি এআই অ্যাপে ছবিটি আপলোড করে উত্তর সংগ্রহ করেন এবং তা উত্তরপত্রে লিখতে শুরু করেন। এ সময় দায়িত্বরত পরিদর্শকরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

তিনি বলেন, পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন বহন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ওই পরীক্ষার্থীকে তাৎক্ষণিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), জীববিজ্ঞান (প্রথম পত্র), ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (প্রথম পত্র) এবং খাদ্য ও পুষ্টি (প্রথম পত্র) বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, কয়েক দফা স্থগিত থাকার পর সোমবার থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পুনরায় শুরু হয়েছে। গত ৮ জুলাই প্রথম দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে বন্যা-পরবর্তী পরিস্থিতি, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরীক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় ১৬ জুলাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পরীক্ষাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল।

আমার বাঙলা/ জামান]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 07:43:26 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
