<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/crime</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/crime"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla crime Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest crime News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Thu, 30 Jul 2026 05:29:27 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ঢাকায় বিদেশি পিস্তলসহ গ্রেপ্তার চার কিশোর]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17838" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17838</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে মানিকদী আমতলা এলাকায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার একটি ঘটনার তদন্তে নেমে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চার শিশুকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি বাসার ছাদের ইটের স্তূপের ভেতর থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পার্টি করার সময় অস্ত্রটি দেখানোর একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত গুলি ছুটে একজন গুলিবিদ্ধ হন। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্রটি ব্যবহার করে কিশোর গ্যাং-এর বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে আসছিল।

এ ঘটনায় অস্ত্র আইনে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জড়িত শিশুদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আমার বাঙলা/ হুমায়রা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 30 Jul 2026 05:29:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আদাবরে প্রেমিকাকে আটকে ধর্ষণ-হত্যার অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17752" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17752</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকার আদাবরে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রলোভনে চারদিন আটকে রেখে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে ফটোগ্রাফার নামীম আশরাফ মনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এর বিচারক মো. মনিরুজ্জামানের আদালতে ভুক্তভোগীর বড় বোন রাজিয়া সুলতানা এই মামলা করেন।

বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক অভিযোগের বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্ত করে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। মামলার আসামি নামীম আশরাফ মনি ছাড়াও তার বাবা আশরাফউদ্দিন ও মা শাহনাজ বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, মেকআপ আর্টিস্ট সাদিয়া ইয়াসফিয়ার (২৪) সঙ্গে ফটোগ্রাফার নামীম আশরাফের (৩৭) পরিচয় হয় ২০২৪ সালে একটি অনুষ্ঠানের শুটিংয়ে, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে গড়ায়। উভয় পরিবার সম্পর্কের বিষয়ে জানত এবং গত ৬ জুন সাদিয়ার পরিবার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসামিদের বাসায় গেলে নামীমের বাবা-মা তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং হুমকি দেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ১০ জুন রাতে নামীম সাদিয়াকে ডেকে নিয়ে আদাবরের নিজের ফটো স্টুডিওতে নিয়ে যান এবং বান্ধবীর বাসায় থাকার কথা পরিবারকে জানাতে বাধ্য করেন। এরপর ১০ থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত সাদিয়াকে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন এবং ১৪ জুন হত্যা করেন বলে অভিযোগ। পরে নিজেকে বাঁচাতে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে প্রচার চালান নামীম। পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে সাদিয়ার শরীরে আঘাত ও ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বাদী। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আমার বাঙলা/ তালহা]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 28 Jul 2026 06:43:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মার্শাল আর্টের আড়ালে উগ্রবাদ, ২ জনের স্বীকারোক্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17377" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17377</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে কথিত মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নতুন তথ্য উঠে এসেছে। মামলার মূল হোতাসহ দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

স্বীকারোক্তি দেওয়া দুই আসামি হলেন&mdash;মামলার প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবির এবং মো. তাহসীন ইসলাম। এ মামলায় গ্রেপ্তার সাত আসামির সবাই বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শনিবার (১৮ জুলাই) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলমের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন মো. তাহসীন ইসলাম। এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে একই ধারায় জবানবন্দি দেন মামলার প্রধান আসামি শাহ আমানত সাবির। জবানবন্দি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) মহিন উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এই মামলায় গ্রেফতার সাত আসামির মধ্যে দুজন অপরাধ স্বীকার করেছেন। রিমান্ড শেষে মামলার বাকি পাঁচ আসামি মো. হোসাইন তানিম, মো. জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, মো. আবিদুর রহমান ও মো. বায়োজিতকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাদেরও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই যাত্রাবাড়ীর মিনি কক্সবাজার এলাকার একটি বালুর মাঠে অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে &lsquo;ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম&rsquo; নামের একটি ব্যানারে মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে প্রথমে ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয় মো. তাহসীন ইসলাম ওরফে সুলতানকে।

এ ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এ বি সিদ্দিকী বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামি করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু জানান, প্রাথমিক তদন্তে আসামিদের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সত্যতা মেলায় তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়েছিল। বর্তমানে মামলাটির গভীর তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 19 Jul 2026 10:32:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুলনায় সাংবাদিকদের ওপর গুলি: দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17309" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17309</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিআরজেইউ)। সংগঠনটি একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বিআরজেইউর সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ও মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি।

তারা আরও বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের নিরাপদ পরিবেশে কাজ করার নিশ্চয়তা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে খুলনা নগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্কের পশ্চিম পাশে এমইউজে খুলনার কোষাধ্যক্ষ ও এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম মতি, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য সচিব ও এমইউজে খুলনার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং স্টার নিউজের খুলনা ব্যুরো প্রধান রাফিউল ইসলাম টুটুল, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর খুলনা ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ, এমইউজে খুলনার সদস্য ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ রানা কবীরসহ ৫-৬ জন সাংবাদিক আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে দুই যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি একটি চেয়ারের পায়ে বিদ্ধ হয়। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সাংবাদিকরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। তবে গুলির আঘাতে সাংবাদিক আওয়াল শেখ আহত হন।

বিআরজেইউ নেতৃদ্বয় অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে খুলনা মহানগরীতে কর্মরত সব সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে খুলনা নগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্কের পশ্চিম পাশে এমইউজে খুলনার কোষাধ্যক্ষ ও এসএ টিভির খুলনা প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম মতি, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য সচিব ও এমইউজে খুলনার সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং স্টার নিউজের খুলনা ব্যুরো প্রধান রাফিউল ইসলাম টুটুল, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর খুলনা ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ, এমইউজে খুলনার সদস্য ও দৈনিক খুলনাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ রানা কবীরসহ ৫-৬ জন সাংবাদিক আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে এসে দুই যুবক তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি একটি চেয়ারের পায়ে বিদ্ধ হয়। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ায় সাংবাদিকরা অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। তবে গুলির আঘাতে সাংবাদিক আওয়াল শেখ আহত হন।

বিআরজেইউ নেতৃদ্বয় অবিলম্বে হামলার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একই সঙ্গে খুলনা মহানগরীতে কর্মরত সব সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তারা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 16 Jul 2026 09:38:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অস্ত্র-মাদক সংঘাতে রক্তাক্ত খুলনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/17303" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/17303</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুলনা মহানগর ও জেলার বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে খুন, গুলিবর্ষণ এবং অন্যান্য সহিংস অপরাধের ঘটনা বেড়েছে। একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিবার হারানোর বেদনা ও স্বজনদের কান্না যেন অনেক এলাকায় পরিচিত দৃশ্যে পরিণত হয়েছে।

আলোচিত একাধিক হত্যাকাণ্ড

চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে খুলনায় বেশ কয়েকটি আলোচিত হত্যার ঘটনা ঘটে। মার্চ মাসে নগরীর ডাকবাংলো মোড় এলাকায় একটি জুতার দোকানে ঢুকে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। জুনে দৌলতপুরে ফজরের নামাজ শেষে একটি মসজিদের ভেতরে দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এ ছাড়া পারিবারিক বিরোধের জেরে একই পরিবারের তিন সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সম্প্রতি এক সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনাও নগরবাসীর উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় লাশ উদ্ধার, অস্ত্র প্রদর্শন, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধও নিয়মিত ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

ছয় মাসে ৪৩ জন নিহত

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে খুলনা মহানগর ও জেলায় মোট ৪৩ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। একই সময়ে বিভিন্ন হত্যা মামলায় ১৭টি মামলার সূত্র ধরে ৫৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে ২৫৭টি মামলায় ৩৫৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

কী কারণে বাড়ছে অপরাধ?

আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিরোধ, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার, জমি ও ব্যবসা-সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব, পারিবারিক কলহ এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা&mdash;এসব কারণ সহিংসতা বৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রাখছে। অবৈধ অস্ত্রের সহজলভ্যতাও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, আগে রাত পর্যন্ত বাইরে চলাফেরা করতে তেমন ভয় লাগত না। এখন পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকলে উদ্বেগ কাজ করে। ব্যবসায়ীরাও রাতের বেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন। অনেকেই পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের পরামর্শ

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, শুধু অভিযানে গ্রেপ্তার বাড়ালেই দীর্ঘমেয়াদে অপরাধ কমবে না। অপরাধের মূল উৎস চিহ্নিত করে মাদক সিন্ডিকেট, অবৈধ অস্ত্র সরবরাহকারী চক্র এবং সংঘবদ্ধ অপরাধী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা গেলে অপরাধে জড়ানোর প্রবণতাও কমতে পারে।

পুলিশের বক্তব্য

খুলনা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে হত্যাকাণ্ডের প্রবণতা কিছুটা কমেছে। প্রতিটি হত্যার ঘটনা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

অন্যদিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বলেন, মাদক, অবৈধ অস্ত্র ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তৎপরতাও জোরদার করা হয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দাবি

নিয়মিত অভিযান ও গ্রেপ্তার সত্ত্বেও সহিংসতা পুরোপুরি কমছে না। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধ সংঘটনের পর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কৌশল, আধুনিক গোয়েন্দা নজরদারি, স্থানীয় পর্যায়ে তথ্যভিত্তিক তদারকি এবং দ্রুত বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করাই খুলনায় স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার কার্যকর পথ হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 16 Jul 2026 09:27:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিরপুরে অপরাধের থাবা, আতঙ্কে জনজীবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17170" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17170</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকার তালিকায় দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদপুর ও আদাবরের নাম থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুর ও পল্লবীকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়ছে। একের পর এক খুন, গুলির ঘটনা, ছিনতাই, ডাকাতি, চাঁদাবাজি এবং কিশোর গ্যাংয়ের সহিংস কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসীর মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও বলছে, গত ছয় মাসে রাজধানীর বিভিন্ন বিভাগের তুলনায় মিরপুর বিভাগে খুন ও ডাকাতির ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে প্রশ্ন উঠেছে&mdash;মিরপুর কি ধীরে ধীরে রাজধানীর নতুন অপরাধকেন্দ্রে পরিণত হচ্ছে?

চৌরাঙ্গী মার্কেটে গুলির ঘটনায় আতঙ্ক

গত ৭ জুলাই রাতে মিরপুরের চৌরাঙ্গী মার্কেট এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল সিজুর ওপর গুলির ঘটনা নতুন করে আলোচনায় আসে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর মার্কেটে প্রবেশের মুহূর্তে পেছন থেকে এক মুখোশধারী হামলাকারী গুলি চালায়।

স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে এক সন্দেহভাজনকে আটক করেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি এলাকার এক চিহ্নিত চাঁদাবাজের সহযোগী। ঘটনার পেছনে ফুটপাতের চাঁদা আদায় নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আলোচনায় এলেও আহত ব্যক্তি এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

মিরপুরের পাশাপাশি পল্লবীতেও কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্প্রতি পলাশনগর এলাকায় সংঘবদ্ধ কিশোর গ্যাং একটি বেকারি ও এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলা চালায়। কয়েক দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় আবারও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট এবং সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীদের হাতে চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ছিল। তারা কারখানায় হামলার পাশাপাশি পথচারীদের মারধর করে মোবাইল ফোন ও মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়।

এই ধারাবাহিক হামলার পর নিরাপত্তার অভাবে অন্তত সাতটি কারখানা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

&#39;ভইরা দে&#39; ও &#39;বাহুবালি&#39; গ্রুপের দাপট

মিরপুরে সক্রিয় একাধিক কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে &#39;ভইরা দে&#39; ও &#39;বাহুবালি&#39; নামে দুটি গ্রুপ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ সবচেয়ে বেশি।

গত জুনে প্রান্তিক হাউজিং এলাকায় &#39;ভইরা দে&#39; গ্রুপের কয়েক ডজন সদস্য প্রকাশ্যে তাণ্ডব চালায়। অন্যদিকে মিরপুর-১০ এলাকার একটি পরিত্যক্ত ভবনকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে &#39;বাহুবালি&#39; গ্রুপ। এর আগেও এই গ্রুপের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও হত্যার অভিযোগ ওঠে। তবে অভিযুক্তদের অনেকেই এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছে।

ছিনতাইকারীদের টার্গেটে ব্যাংক থেকে ফেরা মানুষ

শুধু কিশোর গ্যাং নয়, পেশাদার ছিনতাইকারী চক্রও সক্রিয় রয়েছে মিরপুরে।

সম্প্রতি ব্যাংক থেকে ১৫ লাখ টাকা তুলে ফেরার পথে এক প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোটরসাইকেল আরোহী ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

এ ধরনের ঘটনার কারণে ব্যাংক থেকে বড় অঙ্কের টাকা উত্তোলনের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বেড়েছে।

পরিসংখ্যানেও অপরাধ বৃদ্ধির চিত্র

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গত ছয় মাসে মিরপুর বিভাগে ২২টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। একই সময়ে তেজগাঁও বিভাগে হত্যার সংখ্যা ছিল ১৫টি। এছাড়া ডাকাতির ঘটনাতেও মিরপুর এগিয়ে রয়েছে।

যদিও ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মামলার সংখ্যা তেজগাঁও বিভাগে তুলনামূলক বেশি, তবুও সামগ্রিকভাবে মিরপুরে সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।

পুলিশের বক্তব্য

পুলিশের দাবি, মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় বিপুলসংখ্যক ভাসমান মানুষের বসবাস এবং কিছু সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের সক্রিয়তা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে।

ডিএমপি জানিয়েছে, অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো, নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং কিশোর গ্যাং দমনে বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ চলছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 11 Jul 2026 10:41:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৩২]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17102" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/17102</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ কর্তৃক ৫০ জন, লালবাগ বিভাগ কর্তৃক ৩৩ জন, ওয়ারী বিভাগ কর্তৃক ৫৯ জন, মতিঝিল বিভাগ কর্তৃক ৪৯ জন, তেজগাঁও বিভাগ কর্তৃক ৪৯ জন, মিরপুর বিভাগ কর্তৃক ১০৭ জন, গুলশান বিভাগ কর্তৃক ৪৫ জন, উত্তরা বিভাগ কর্তৃক ৩৭ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ কর্তৃক ৩ জন।


এ সময় তাদের হেফাজত হতে ১৬ কেজি ৫৪০ গ্রাম গাঁজা, ৪৪৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩২ গ্রাম হেরোইন, একটি মোটরসাইকেল, একটি শুটার মেশিন, একটি কাঠ কাটার মেশিন, একটি গ্র্যান্ডিং মেশিন ও একটি স্ট্যান্ড ফ্যান উদ্ধার করা হয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Jul 2026 10:57:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আলোচিত ত্বকী হত্যা মামলা, ১৫৮ মাসেও তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল হয়নি।]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16890" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16890</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত তানভীর মোহাম্মদ ত্বকী হত্যার ১৫৮ মাস অতিবাহিত হলেও বিচারের উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি নেই। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল বিলম্বিত হওয়ার সুনির্দিষ্ট কোন কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

বুধবার (১ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা চৌধুরীর আদালতে তদন্তকারী কর্মকর্তা র&zwnj;্যাবের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক চন্দ্র মজুমদার সময় বাড়ানোর আবেদন করেন।হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে বিলম্বের কারণ ব্যখ্যা করে আরো ৩০ দিন সময় চেয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।শুনানি শেষে ৩০ কার্য দিবস বাড়িয়ে দেন আদালত। এ নিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ১৫০ বার সময় নেওয়া হলো।

আদালত সুত্রে জানা গেছে,মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মতামত চেয়ে স্বাক্ষের স্মারকলিপি দাখিল করা হয়েছে।স্বারকলিপির আদেশ পাওয়া গেলে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবি প্রদীপ ঘোষ জানান,বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করে তদন্ত কর্মকর্তা অধিকতর তদন্তের স্বার্থে আরো ৩০ দিন সময় বাড়ানোর আবেদন করেন,যা আদালত মঞ্জুর করেছেন।

ত্বকীর পিতা রফিউর রাব্বী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি পরিবারকে রক্ষা করার জন্য এগার বছর নৃশংস ও আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করে রেখেছিলেন। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হলেও মামলার বিন্দুমাত্র অগ্রগতি হয়নি।বর্তমান সরকারের আমলে এই মামলার কতটুকু কি হবে তা বুঝা যাচ্ছে না।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ শহরের শায়েস্তা খাঁ রোডের বাসা থেকে পাবলিক লাইব্রেরীতে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় তানভীর মোহাম্মদ ত্বকী।৮ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদী সংলগ্ন চারারগোপ খাল থেকে ত্বকীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখিত ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমানের সহযোগী সুলতান শওকত ভ্রমর,ইউসুফ হোসেন সহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে র&zwnj;্যাব-১১।

আদালতে সুলতান শওকত ভ্রমর ও ইউসুফ হোসেনের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দীতে আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ত্বকীকে অপহরণ ও হত্যার কথা বের হয়ে আসে।

২০১৪ সালের ৫ মার্চ তদন্তকারী সংস্থা র&zwnj;্যাবের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়,নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের নির্দেশেই আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করা হয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 02 Jul 2026 08:09:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিল্কভিটায় আর্থিক দুর্নীতির সিন্ডিকেট !]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16821" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16821</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের অন্যতম শীর্ষ সমবায় প্রতিষ্ঠান &lsquo;বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড&rsquo; (মিল্কভিটা) চরম প্রশাসনিক ও আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি এস. এম. আমির হামজা শাতিল ও ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাধারণ সমবায়ীদের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে সমবায় অধিদপ্তরসহ সরকারের ১১টি উচ্চ পর্যায়ের দপ্তরে গত ১০ জুন লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মিল্কভিটার শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কোটি কোটি টাকার আর্থিক লুটপাটে জড়িত। গত ৩ জুন সমবায় অধিদপ্তরের নিবন্ধক ও মহাপরিচালক বরাবর চার পৃষ্ঠার একটি প্রমাণসহ অভিযোগনামা দাখিল করা হয়। এরপর গত ১০ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং গোয়েন্দা সংস্থাসহ ১১টি দপ্তরে এ অভিযোগ পাঠানো হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, চেয়ারম্যান শাতিল সমবায় আইন ও মিল্কভিটার গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে বেআইনিভাবে ক্ষমতার দম্ভ দেখাচ্ছেন। মাত্র এক বছরের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পেলেও তিনি মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েও ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রেখেছেন। প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়া করার লক্ষ্যে গত ৬ জুন ২০২৬ তারিখে একটি বিশেষ সাধারণ সভা (EGM) ডাকা হয়। এই সভায় সম্মানী ভাতা ১০ গুণ বৃদ্ধি, শ্রমিক ছাঁটাই করে আউটসোর্সিং বাণিজ্য এবং চাকরি বিধি-২০০৮ সংশোধনের মাধ্যমে এককভাবে লোক নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া প্রশাসনিক কাঠামো পাশ কাটিয়ে &lsquo;চিফ অপারেটিং অফিসার (COO)&rsquo; বা &lsquo;চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (CEO)&rsquo; নামে সমান্তরাল পদ সৃষ্টি করে ফাইল গায়েব ও আর্থিক অনিয়মের পথ সুগম করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগের তীর অন্যদিকে, মিল্কভিটার ভারপ্রাপ্ত এমডি জাহিদুল ইসলামের দিকে। ৫ই আগস্টের পটপরিবর্তনের পর অনৈতিক লিয়াজোঁর মাধ্যমে তিনি এই পদে বসেছেন বলে অভিযোগ। তার বিরুদ্ধে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিম্নমানের ভেজাল দুধ সংগ্রহ, টেন্ডার কমিশন বাণিজ্য এবং কমিশন না দিলে ঠিকাদারদের বিল আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। গত ২০২৫ সালে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ও বরখাস্ত হওয়া কর্মচারীদের মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পুনর্বাসনের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। এছাড়া ৫০ থেকে ৬০ জন কর্মকর্তার কাছ থেকে পদোন্নতির নামে ২ লাখ টাকা করে এবং বেতন বৃদ্ধির জন্য ২০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত এমডির এই অপতৎপরতায় তাদের সহযোগিতা করছে প্রশাসনের ১১ সদস্যের একটি সিন্ডিকেট। এদের মধ্যে রয়েছেন&mdash; মুহাম্মদ গালীব খান, উপ নিবন্ধক ( বিসিএস-সমবায়) ও অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক সমিতি, ড. রেজাউল করিম (উপ-মহাব্যবস্থাপক, প্রশাসন), মির্জা আবুল কালাম আজাদ (উপ-মহাব্যবস্থাপ, ডিডিপি), জনাব মো: মকবুল হোসেন (উপ-ব্যবস্থাপক, প্রশাসন), জনাব আব্দুল ওয়াহিদ (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কেন্দ্রীয় গুদাম), ড. মোঃ নভেল আক্তার (ব্যবস্থাপক, সমিতি), এস.এম খোশবুল আলম (ইনচার্জ, বিপণন, মিরপুর), জনাব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন (পিএ টু চেয়ারম্যান), জনাব শাহরিয়ার হোসেন (পিএ টু এমডি), জনাব কামাল হোসেন (গাড়ি চালক, চেয়ারম্যান) এবং জনাব মোঃ ইয়াছিন আলী (অফিস সহকারী এমডি)। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই চক্র বদলি বাণিজ্য, নিয়োগ, ভেজাল দুধ সংগ্রহ এবং অনৈতিক টেন্ডার প্রক্রিয়ায় সহ প্রতিষ্ঠানের সকল ধরনের অন্যায় অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে এরা সরাসরি জড়িত।

চেয়ারম্যান ও এমডির অবৈধ আদেশের প্রতিবাদ করায় নির্বাচিত শ্রমিক নেতাদের বদলি ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হচ্ছে। প্রায় দুই থেকে তিনশত শ্রমিক-কর্মচারীকে চাকরিচ্যুত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মিল্কভিটা সিবিএর নির্বাচিত নেতারা ইতিমধ্যে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে মিছিল ও মিটিং করেছেন। অবৈধ বদলির আদেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৮৭ ধারায় শ্রম আদালতে মামলাও দায়ের করেছেন তারা।

​মিল্কভিটার এই অরাজক পরিস্থিতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধসের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সর্বস্তরের সাধারণ সদস্য, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দুগ্ধ খামারি ও স্টেকহোল্ডারদের মনে। সমবায় অধিদপ্তর ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাখিলকৃত আবেদনে তাঁরা ৪টি সুনির্দিষ্ট দাবি জানিয়েছেন:
​১. উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন: উত্থাপিত গুরুতর অভিযোগসমূহ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের একটি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দ্রুত প্রতিবেদন প্রকাশ।
২. চেয়ারম্যানের সদস্যপদে নিষেধাজ্ঞা: বর্তমান চেয়ারম্যান যাতে সমবায় আইন লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে কেন্দ্রীয় সমিতির সদস্যপদ গ্রহণ করতে না পারেন এবং ইজিএম-এর নামে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়ে দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি।
৩. সাময়িক বরখাস্ত ও কারণ দর্শানো নোটিশ: তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত রাখার স্বার্থে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় সাময়িক প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন তাঁদের পদ থেকে অপসারণ বা সাময়িক বরখাস্ত করা হবে না, তা জানতে চেয়ে দ্রুত &quot;কারণ দর্শানোর নোটিশ&quot; জারি।
৪. নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ: সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চলমান মানসিক ও প্রশাসনিক নির্যাতন বন্ধ করে কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
​আবেদনপত্রে মিল্কভিটার সর্বস্তরের সাধারণ সদস্য, দুগ্ধ খামারি, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্টেকহোল্ডারদের পক্ষে মফিজ সিকদার, নজরুল হাওলাদার, করিম মাতাব্বর এবং নারায়ণ ঘোষসহ বহু সদস্য সরাসরি স্বাক্ষর করেছেন।

চেয়ারম্যান ও এমডির অবৈধ আদেশ পালন না করার কারণে নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক প্রতিনিধি ও সাধারণ শ্রমিকদের বদলী, প্রায় দুই থেকে তিনশত শ্রমিক কর্মচারীদের একাধিক সুকোজ/কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং চাকুরি চ্যুত করার পায়তারার সত্যতা পাওয়া গেছে। শ্রম আইন ও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গত ৪-১২-২০২৫ খ্রিঃ অনুষ্ঠিত মিল্কভিটা সিবিএর নির্বাচনে রেজি নং-ঢাক-১৯০ এর কার্যকরী কমিটির নির্বাচিত ট্রেড ইউনিয়নের নেতারা এসব অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে মিছিল, মিটিং করছে। সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকেই আবার বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর দ্বারা ১৮৭ অনুযায়ী শ্রম আদালতে মিল্কভিটা প্রশাসনের অবৈধ বদলী-আদেশের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন বলে অনুসন্ধানে জানা গেছে। বর্তমান চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর নাম বিক্রি করে পদে টিকে থাকলেও ভেতরে ভেতরে ক্ষোভে ফুঁসছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-শ্রমিক কর্মচারী এবং সমবায়ী সদস্যগণ। এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সরকার দলীয় শ্রমিক-কর্মচারী, শ্রমিক প্রতিনিধি, প্রান্তিক দুগ্ধ খামারি ও সমবায়িরা।

এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এবং ভারপ্রাপ্ত এমডির সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 30 Jun 2026 11:28:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাবের ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দিল সন্ত্রাসীরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16629" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16629</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে র&zwnj;্যাবের নির্মাণাধীন ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার মতো এই দুঃসাহস সন্ত্রাসীরা কীভাবে পেল&mdash; তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং এর পেছনে থাকা ভূমিদস্যু ও মূল ইন্ধনদাতাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

রোববার (৩১ মে) সকালে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, জঙ্গল সলিমপুরে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিভিন্ন পাহারা বসিয়ে সন্ত্রাসীরা যে সমান্তরাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল, তা যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযানের মূল লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করা সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের পাশাপাশি অপরাধপ্রবণ বেতুয়া ও চা বাগান এলাকা থেকেও সন্ত্রাসীদের চিরতরে নির্মূল করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৭ বছরের দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি বা রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের ভেতরে এক ধরনের &lsquo;দুর্বৃত্তের রাষ্ট্র&rsquo; গড়ে তোলার চেষ্টা হয়েছিল, যার একটি প্রত্যক্ষ নমুনা হচ্ছে এই জঙ্গল সলিমপুর। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই চট্টগ্রামে কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়। কিছু ব্যবসায়ীর বাসভবনে অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে গুলি বর্ষণ এবং চাঁদা আদায়ের মতো ঘটনা ঘটার পর সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেয়। অপরাধীদের অবদমন করতে গত ৯ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সমন্বিত যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশে &lsquo;আইনের শাসন&rsquo; প্রতিষ্ঠা করতে গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএমসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 31 May 2026 07:27:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইন অমান্য করে পদ্মায় বালু লুট: হুমকিতে বাঁধ-ফসল ও জনপদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16555" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16555</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবাধে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী চক্রের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীর গভীর থেকে বালু তোলা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রধারী বাহিনীর পাহারায় এই বালু বাণিজ্য চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মরিচা ও ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে দিন-রাত চলছে বালু কাটার কাজ। এর ফলে পদ্মার স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা তীব্র ভাঙনের শঙ্কা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে বহু কৃষকের আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাইটা-মহিষকুন্ডি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত এই বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
বালুঘাট দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় নিয়মিত ঘটছে সংঘাত। গত ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাশফায়ার ও শর্টগানের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যাতে নারীসহ অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধ হন। চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ জানান, প্রতিবাদ করলেই জোটে হামলা ও মামলার হুমকি। ফলে জানমালের নিরাপত্তায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, বিএনপি নেতা বাদল হোসেন ভেগু, টগর মোল্লা, রবিউল ইসলাম এবং সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত সরদারের নিয়ন্ত্রণে চলছে এই অবৈধ কারবার। এছাড়াও টুকু ও রাসেলের নেতৃত্বে একাধিক পয়েন্টে বালু লুট হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ইজারা পাওয়া &lsquo;মেসার্স সরকার ট্রেডার্স&rsquo; বাঘায় বালু না তুলে অবৈধভাবে দৌলতপুরের সীমানায় বালু উত্তোলন করছে।
প্রতিটি বালুর ট্রলি থেকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিজয় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রতিটি স্টিয়ারিং গাড়ি বালু ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।
বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বাদল হোসেন ভেগু ঈদগাহ নির্মাণের অদ্ভুত অজুহাত দেন। তবে সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে &#39;পরে জানাবেন&#39; বলে মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ গুহ জানান, &quot;পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বালু ও মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিত চলছে। যারা উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে এই কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&quot;
তবে প্রশাসনের এই গতানুগতিক আশ্বাসে আশ্বস্ত হতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। তাদের দাবি, লোকদেখানো অভিযান নয়, বরং স্থায়ীভাবে ড্রেজার বন্ধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 07:06:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16547" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16547</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নাফিস মন্ডল (১৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের এলেম মন্ডলের ছেলে।
রোববার (১০ মে) বিকেলে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে ঘটনার মূল হোতা কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ (১৮) পলাতক রয়েছে। সে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের আবদুল কুদ্দুস শেখের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই কিশোরী গোয়ালন্দ মুনস্টার কলেজিয়েট স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাতায়াতের পথে অভিযুক্ত রায়হান শেখের সাথে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত শনিবার (৯ মে) রাত ১০টার দিকে রায়হান ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে ফোন করে বাইরে আসতে বলে। এ সময় ওই কিশোরী এত রাতে বের হতে অস্বীকৃতি জানালেও রায়হানের জোরাজুরিতে সরল বিশ্বাসে ঘর থেকে বের হয়। এরপর রায়হান তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে দ্রুত রওনা দেয়। এরপর তাকে নিয়ে যায় গোয়ালন্দ পৌর শহরের নগর রায়েরপাড়া এলাকার হাবি কনটাক্টরের নির্জন পুকুরপাড়ে। সেখানে প্রথমে কথিত প্রেমিক রায়হান এবং পরবর্তীতে তার বন্ধু নাফিস ওই স্কুলছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
আলাপকালে ওই স্কুলছাত্রী জানায়, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ধর্ষণকারীরা তার মুখ ও হাত চেপে ধরে এবং সেই সাথে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এরপর রাত ১২টার দিকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে দিতে যায়। এসময় তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কিশোরীর অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। স্থানীয়রা জড়ো হতে থাকলে নাফিস পালানোর চেষ্টাকালে জনতা তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। কিন্তু কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। গভীর রাত হওয়া নাফিসকে ফরিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আটকে রাখে। সকালে খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ নাফিসকে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে নাফিস নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ চলছে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া ঘটনার মূলহোতা পলাতক কথিত প্রেমিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 13:59:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী  সোহেল আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16538" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16538</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[র&zwj;্যাব-১১ এর গেয়েন্দা নজরদারীতে থাকা বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ও তার সহযোগীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার অংশ হিসাবে আজ ০৯ মে ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ১২:৩০ ঘটিকার সময় বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল @ ক্যাডার সোহেল, পিতাঃ আনোয়ার হোসেন, সাংঃ মদনপুর, আন্দিরপাড় , থানাঃ বন্দর, জেলা: নারায়ণগঞ্জ&#39; কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাসহ নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় অন্তত ১৪ টি মামলা রয়েছে ।

সূত্র বলছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ওর ফে ক্যাডার সোহেল ও তার বাহিনী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বন্দর ও তার আশে পাশের এলাকাকে আতঙ্কের জনপথ তৈরী করে রেখেছে। সোহেল এর বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, জমিদখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ঐসব এলাকায় যেকোনো নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।

স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত &#39;মাসোহারা&#39; আদায় করার ও অভিযোগ রয়েছে। সোহেল তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করে। ভুক্তভোগীদের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া অথবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার ঘটনায় সে এলাকায় কুখ্যাত। আধিপত্য বজায় রাখতে সোহেল প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে আসছিল। সোহেল বাহিনীর ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে। তার সরাসরি তত্ত্বাবধান এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা হয়।

উল্লেখ্য যে, এই শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল এর অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 10:54:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৃত্যু পথযাত্রী  বরেণ্য রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16526" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16526</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুই যুগ আগে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বেগম শামীমা আফরোজ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হলো।

তোফায়েল আহমেদের পক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন বলেন, &lsquo;আমরা চার্জ গঠনের জন্য সময় প্রার্থনা করেছিলাম। কিন্তু আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠন করেছেন। আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন।&rsquo;

এর আগে একই মামলায় তোফায়েল আহমেদসহ দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। মামলার অপর আসামিদের মধ্যে মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধেও পরোয়ানা রয়েছে। তবে অপর আসামি মোশাররফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজির হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।

শুনানিতে তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতকে জানান, তার মক্কেল শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না। স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। এ কারণে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা নেই বলে দাবি করে সময় প্রার্থনা করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তোফায়েল আহমেদ ও তার সহযোগীরা অবৈধভাবে অর্জিত এক কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন ও স্থানান্তর করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশাররফ হোসেনের সহযোগিতায় সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে ওই অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করা হয়।

তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে উচ্চ আদালতের স্থগিত আদেশের কারণে দীর্ঘদিন মামলার বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার বিচার পুনরায় শুরু হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 13:28:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রূপগঞ্জে মাদকের আস্তানায় হামলা ও উচ্ছেদ অভিযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16495" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16495</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জ জেলা রূপগঞ্জ উপজেলায় তারাব পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড রসুলপুরে এলাকাবাসী রবিউল নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর আস্তানায় হামলা ও উচ্ছেদ অভিযান করেছে। শুক্রবার(০১লা মে) রাত ০৮ ঘটিকার সময় এই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়- তারাব পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড উত্তর যুবদল সভাপতি রবিউল ও তার বাহিনী দীর্ঘদিন যাবৎ দলের নাম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে রসুলপুর, বরাব, কামালনগর, মুগরাকুল ও পবনকুল এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদকের বিশাল নেটওয়ার্ক। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রায় ডজন খানেক মাদকের মামলা আছে রবিউলের বিরুদ্ধে। রসুলপুর ইটখোলা মাঠের পাশে ইট বালুর গদির আড়ালে দীর্ঘদিন যাবৎ রবিউল ও তার বাহিনী রমরমা মাদকের ব্যবসা করে আসছে। মাদক ব্যবসা ছাড়াও তারা এলাকায় বিশাল কিশোর গ্যাং বাহিনী গড়ে তুলেছে, মাদক ব্যবসার পাশাপশি এলাকায় চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে রবিউল বাহিনী। এছাড়াও মামলা বানিজ্য , পুলিশ দিয়ে হয়রানী, অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে অবৈধ টাকার মালিক বনে গেছে এই রবিউল।

রবিউল বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা এলাকাবাসী। রবিউল বাহিনীর অপকর্ম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রসুলপুরে অবস্থিত রবিউলের আস্তানায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর এই উচ্ছেদ অভিযানের কথা জানতে পেরে রবিউল ও তার সঙ্গীরা দ্রুত আস্তানা ছেড়ে পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে উত্তেজিত জনতা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রবিউলের আস্তানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোন ধরনের অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গহন করা হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 12:45:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্দরে গৃহকর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় যুবদল নেতা বাবুল গ্রেফতার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16435" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16435</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গৃহকর্মীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ধর্ষিতার মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বন্দর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া।

বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল রাতে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ মদনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন। তিনি জানান ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবদুর রশিদ জানান, ধর্ষণ মামলায় বাবুল মিয়াকে আদালতের শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ধর্ষিত হওয়া গৃহকর্মী বিচার চাওয়ায়, তার মাথার চুল কেটে দেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা বাবুল মিয়া এবং তার স্ত্রী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিক বন্দর থানার ওসির নির্দেশে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং বাবুল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হলে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছর ধরে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় মো.বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে ভুক্তভোগী নারী।
আর্থিক অভাব অনটনের কারণে ভুক্তভোগী নারী বাড়িওয়ালার বাসার পাশাপাশি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকা কাজ করতো।

এর ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া উল্লেখিত গৃহপরিচারিকাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি কাজে যেতে বলেন। গৃহপরিচারিকা বাসায় গিয়ে দেখে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া একা আছেন। আর কেউ বাসায় নেই। তখন ভুক্তভোগী রান্নাঘরে গিয়ে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাবুল মিয়া তাকে ডেকে রুমের ভেতর নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার ভয় দেখায় বাবুল।

পরবর্তীতে এ ঘটনা ধর্ষক বাবুলের স্ত্রী রোজিনা কে জানিয়ে বিচার দাবি করলে ওই সময় ধর্ষক বাড়িওয়ালা ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগম মিলে ধর্ষিতা নারীকে বেদম ভাবে পিটিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 13:24:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা এখন তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রণে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16433" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16433</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা এখন তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রণে! ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর গেল ২০ মাসে এই তিন মাফিয়া কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। আদমজী ইপিজেডের ঝুটের ব্যবসা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ইন্টারপুলের রেড ওয়ারেন্টভুক্ত সন্ত্রাসী মতিউর রহমান মতির নিয়ন্ত্রনে থাকলেও ক্ষমতার পালাবাদালে এই তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রনে চলে আসে আদমজী ইপিজেটের ঝুঁট সেক্টর। যার মধ্যে একজন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে মতির ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন, সেই তিনি শাহআলম মানিক এখন নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে আসছেন বলেও উঠেছে অভিযোগ।

স্থানীয়রা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে সুষম বন্টন করে দিবেন ইপিজেডের ঝুটসহ বিভিন্ন ব্যবসা। কিন্তু এমপি মান্নানের এই উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছেন ঝুট মাফিয়া মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদ, মহানগর ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর ও তথাকথিত বিএনপি নেতা শাহআলম মানিক। তারা এমপি মান্নানের এই উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উল্টো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেমেছেন। গেল ২০ মাসে এই তিন ব্যক্তি শত কোটি টাকার মালিক বনে গেলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া।

আরো জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর আরো কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিএনপির সাবেক নেতা গিয়াসউদ্দীনের ছেলেরা নিয়ন্ত্রণে নেন। জাতীয় নির্বাচনের পর ওইসব ব্যবসাগুলো তারা ছেড়ে চলে যান। ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলোও সাহেদ, মানিক ও সাগর দখলে নিয়েছেন। তিনজনই কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তারা তিনজনই বলে বেড়াচ্ছেন প্রতি মাসে আজাদকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। যে কারনে তারা এমপি মান্নানকে পাত্তা দিচ্ছেন না।

ঝুুট ব্যবসায়ী সাহেদ ইপিজেডে ঘোষণা দিয়েই বলেছেন, তার পাশে এমপি আজাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহামুদ, নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না রয়েছেন। সাহেদ এমপি মান্নানকে নিয়ে নানা ধরণের অশালীন কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন। একইভাবে শাহআলম মানিক মামুন মাহামুদ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী মতির নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। মতির সকল ব্যবসা এখন শাহআলম মানিকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সাগর দাবি করছেন তার পাশে এমপি আজাদ, মামুন মাহামুদ রয়েছেন। সুতরাং আর কাউকে গোনায় ধরছেন না। যদিও সাগর এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন তিনি এমপি মান্নানের পুত্র সজীবকে মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দিচ্ছেন। বিনিময়ে তিনি ১৭টি ফ্যাক্টরীর ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তারা তিনজনই বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যবসা করার সুযোগ দিতে নারাজ। প্রতি মাসে এই তিন মাফিয়া আদমজী ইপিজেডের ৪১টি ফ্যাক্টরীর ঝুট ব্যবসা থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন। এই সেক্টর নিয়ন্ত্রণে তাদের পকেটে মাসে ১০ কোটি টাকার লভ্যাংশ ডকুলেও বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা রয়েছেন অভুক্ত।

স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আদমজী ইপিজেডের ভেতরে প্রায় ৪১টি শিল্প কারখানা রয়েছে। এসব শিল্পকারখানার ঝুট ব্যবসায় বর্তমানে নিয়ন্ত্রন করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য কিন্তু দাবিমতে ভুয়া আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহআলম মানিক ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদ। এদের মধ্যে ১৭টি সাগর, ১৫টি সাহেদ, শাহআলম মানিক ৯টি ও রুহুল আমিন ৫টি মিল কারখানার ঝুট নিয়ন্ত্রণ করছেন। এর মধ্যে সাহেদ ও সাগরের সঙ্গে ব্যবসায়িক অশীংকার আয়েশা আক্তার দিনা ও মমিনুর রহমান বাবু। এসব কারখানার ঝুটের ব্যবসায় মাসে তারা ১০ কোটি টাকার বেশি রোজগার করছেন।

আরো জানাগেছে যে, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ১৬ আগস্ট ইপিজেডের ঝুট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শুরুতেই জেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের ছেলে কাউসার রিফাতের সঙ্গে বিরোধে জড়ান সাহেদ আহমেদ।
রিফাতের নিয়ন্ত্রণে নেয়া কারখানার ১৩টি ট্রাক লুটের অভিযোগ ওঠেছিলো সাহেদের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গিয়াস পন্থীদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হলে সাহেদ ও সাগরের পক্ষ নিয়ে গণমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে দিনা ও বাবু জানান তারাও ঝুটের ব্যবসায়িক অশীংদার। তারা বৈধভাবে ব্যবসা করছেন। যদিও সেই সময় থেকে দিনা ও বাবু ঝুটের একটি লাভের অংশ সাহেদ ও সাগরের কাছ থেকে পেয়ে আসছে। রিফাতের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে রিফাতের পক্ষে কৃষকদল নেতা তৈয়ম হোসেন বাদী হয়ে ৯ অক্টোবর দিনা সাহেদ ও বাবুকে আসামী করে কোর্টে মামলা করে দিয়েছেন।

৫ আগস্টের পর ২০২৫ সালের ৬ মার্চ রাকিবুর রহমান সাগর সিদ্ধিরগঞ্জে ঝুট সেক্টর দখলবাজি নিয়ে শাহআলম মানিক ও রুহুল আমিনের গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ছাড়াও পরবর্তীতে একাধিকবার বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শামীম ঢালীর সঙ্গেও একাধিকবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়েছে সাগর। সিদ্ধিরগঞ্জের ফুটপাত ও ঝুট নিয়ন্ত্রকদের আরেকজন মাফিয়া এই সাগর। প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণকারী সাগরের কর্মী সোহাগকে অস্ত্রসহ ইতিমধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে ১২ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের পর গিয়াসের ছেলে রিফাতের নিয়ন্ত্রণে থাকা সকল শিল্পকারখানার ঝুট নিয়ন্ত্রণ থেকে সরে দাঁড়ান। এই সুযোগে রিফাতের নিয়ন্ত্রিত কারখানার ঝুট সাহেদ, সাগর, শাহআলম মানিক, রুহুল আমিন নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহামুদের ঘনিষ্ঠ কর্মী রুহুলযুগে ।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির কার্যালয়টি মুলত রুহুল আমিনের অর্থে নির্মাণ করা হয়েছে। বিএনপির কার্যালয় নাম দিলেও সেখানে রুহুল আমিনের তেল চুরির ব্যবসা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে এই কার্যালয়টি করিয়েছেন মামুন মাহামুদ। দিন রাত ২৪ ঘন্টা এখানে রুহুল আমিন ও তার সন্ত্রাসীদের আস্তানায় পরিনত হয়েছে এটি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 12:19:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশু ধর্ষণ মামলা:নারায়ণগঞ্জে ৪ জনের যাবজ্জীবন। ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16289" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16289</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জের সিদ্বিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ,অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি শিশু ধর্ষণ দমন আদালতের বিচারক মো.মমিনুল ইসলাম এই রায় ঘোষনা করেন।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বরগুনা জেলার সোনাখালী এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো.রাসেল (৩৬),ভোলা জেলার চরফ্যাশন এলাকার আজগর মাঝীর ছেলে মো.আল আমিন(৩৫),পটুয়াখালী জেলার নন্দীপাড়া এলাকার ইউসুফের ছেলে মো.মামুন(৪২) এবং একই এলাকার আল আমিনের স্ত্রী জোছনা বেগম(৩১)।তাদের মধ্যে রাসেল ব্যতীত বাকী সকল আসামী পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য,২০২৩ সালের ১ এপ্রিল কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা সিদ্বিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকায় ভুক্তভোগী ১২ বছরের এক শিশুকে আটকিয়ে রেখে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এবং পরবর্তীতে আসামী জোসনা বেগমের সহায়তায় ভুক্তভোগী শিশুটিকে অপরাপর আসামীরা ধর্ষণ করে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা সিদ্বিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত এই রায় ঘোষনা করেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Apr 2026 08:43:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতা হত্যার অভিযোগ সাবেক এমপি, ডিসি ও পুলিশের নামে ৭ বছর পর মামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16269" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16269</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম, এ শামিম আরজু কারাগারে পুলিশের নির্যাতনে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ সকালে কুষ্টিয়া তিন আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন ও সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী নিহতের ছেলে এস.এম ফুয়াদ শামীম এ মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও আমলী আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য কুষ্টিয়া সদর-মাহাবুবুল আলম হানিফ (৬২), সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা (৫৫), সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন (৫৪), সাবেক পুলিশ সুপার, তানভির আরাফাত (৫২) সাবেক সদর হাসপাতাল আর,এম,ও ডাঃ তাপস কুমার সরকার (৫০), সাবেক ভারপ্রাপ্ত জেলার আক্তারুজ্জামান (৫০), সাবেক জেল সুপার জাকির হোসেন (৫০), সাবেক কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন (৫২), সাবেক পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু (৫০) সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর লিপন সরকার (৪৫), সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর কাজি মেহেদী হাসান (৪২) সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর সোহেলী আক্তার (৪০), কোর্টপাড়ার মৃত চাঁদ আলী মুক্তার আলীর ছেলে আবুল হাশেম (৭২) সাবেক কারারক্ষী লিমন হোসেন (৪২) মিরপুর উপজেলার তাঁতিবন্দ (চারমাইল বাজার বারুইপাড়া) মৃত নেহাল মন্ডলের ছেলে তারেক নেহাল তপে (৪৮)।

মামলা সূত্রে জানান যায় বাদীর পিতা এম.এ শামিম আরজু কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে গত ২০১৯ সালের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে করে সকাল ১১ টার দিকে কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে ২নং গেটের পাশে^ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা বাদীর পিতার ও বিএনপি নেতা কর্মীদেরকে চর্তুরদিক থেকে ঘেরে ধরে এবং সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতের নির্দেশে ১০/১৫ জন পুলিশ সদস্য অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। এতে পুলিশের নির্যাতনে কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও বাদীর পিতাসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীরা আটক হন। পরবর্তীতে বাদীর পিতার উপর পুলিশের নির্যাতন করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে কুষ্টিয়া জেনালে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ দিন পরে মারা যান।

এ ঘটনায় বাদী বলেন ২০১৯ সালের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে করে সকাল ১১ টার দিকে কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে শহীদের সম্মান জানাতে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের হামলায় তার পিতা আহত হন। পরে তাকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং সেখানে পুলিশের নির্যাতনে তার পিতা অসুস্থ অবস্থায় আদালতে নিয়ে যান। পরে আদালত তাকে জেলাকারাগারে প্রেরণ করেন। তার পিতার অবস্থা আরও আশংকাজনক দেখা দিলে হাসপাতালে নিলে বিনা চিকিৎসায় তার পিতা মারা যান। এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবী জানান তিনি।

নুরুল কাদের, এ্যাডভোকেট, জজকোর্ট, কুষ্টিয়া বলেন কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম, এ শামিম আরজু কারাগারে পুলিশের নির্যাতনে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সকালের দিকে কুষ্টিয়া তিন আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন ও সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী নিহতের ছেলে এস.এম ফুয়াদ শামীম এ মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও আমলী আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 14:31:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16247" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16247</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় &lsquo;এক-এগারোর&rsquo; আলোচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন পল্টন মডেল থানার মামলায় তিন দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মিরপুর মডেল থানার হত্যা মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। পরে পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।

প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে রিমান্ড শুনানির জন্য আরেকটি আদালতে নেয়া হয়। এসময় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

তিনি বলেন, দেলোয়ার হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এজন্য মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামিপক্ষে কোন আইনজীবী ছিলেন না।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা চালানো হয়। আসামিরা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭ টা ৪০ মিনিটে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে গত ২৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় তার ফের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল তৃতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 08:25:29 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
