<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/crime</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/crime"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla crime Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest crime News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Tue, 12 May 2026 07:06:12 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[আইন অমান্য করে পদ্মায় বালু লুট: হুমকিতে বাঁধ-ফসল ও জনপদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16555" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16555</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারি কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও উচ্চ আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় পদ্মা নদী থেকে অবাধে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলনের মহোৎসব। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী চক্রের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীর গভীর থেকে বালু তোলা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, অস্ত্রধারী বাহিনীর পাহারায় এই বালু বাণিজ্য চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মরিচা ও ফিলিপনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে দিন-রাত চলছে বালু কাটার কাজ। এর ফলে পদ্মার স্বাভাবিক গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা তীব্র ভাঙনের শঙ্কা তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে বহু কৃষকের আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাইটা-মহিষকুন্ডি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত এই বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হতে পারে।
বালুঘাট দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় নিয়মিত ঘটছে সংঘাত। গত ২০ এপ্রিল দিবাগত রাতে মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাশফায়ার ও শর্টগানের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে, যাতে নারীসহ অন্তত ১১ জন গুলিবিদ্ধ হন। চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ জানান, প্রতিবাদ করলেই জোটে হামলা ও মামলার হুমকি। ফলে জানমালের নিরাপত্তায় কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।
স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান, বিএনপি নেতা বাদল হোসেন ভেগু, টগর মোল্লা, রবিউল ইসলাম এবং সাবেক ইউপি সদস্য লিয়াকত সরদারের নিয়ন্ত্রণে চলছে এই অবৈধ কারবার। এছাড়াও টুকু ও রাসেলের নেতৃত্বে একাধিক পয়েন্টে বালু লুট হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ইজারা পাওয়া &lsquo;মেসার্স সরকার ট্রেডার্স&rsquo; বাঘায় বালু না তুলে অবৈধভাবে দৌলতপুরের সীমানায় বালু উত্তোলন করছে।
প্রতিটি বালুর ট্রলি থেকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বিজয় নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রতিটি স্টিয়ারিং গাড়ি বালু ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্রটি।
বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বাদল হোসেন ভেগু ঈদগাহ নির্মাণের অদ্ভুত অজুহাত দেন। তবে সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে &#39;পরে জানাবেন&#39; বলে মন্তব্য করেন।
এ বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিন্দ গুহ জানান, &quot;পদ্মা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। বালু ও মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের অভিযান নিয়মিত চলছে। যারা উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে এই কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&quot;
তবে প্রশাসনের এই গতানুগতিক আশ্বাসে আশ্বস্ত হতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাবাসী। তাদের দাবি, লোকদেখানো অভিযান নয়, বরং স্থায়ীভাবে ড্রেজার বন্ধ এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 12 May 2026 07:06:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রেমের ফাঁদে ফেলে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16547" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16547</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে প্রেমের ফাঁদে ফেলে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে (১৩) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নাফিস মন্ডল (১৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সে গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের ফকির পাড়া গ্রামের এলেম মন্ডলের ছেলে।
রোববার (১০ মে) বিকেলে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে ঘটনার মূল হোতা কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ (১৮) পলাতক রয়েছে। সে গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল গ্রামের আবদুল কুদ্দুস শেখের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই কিশোরী গোয়ালন্দ মুনস্টার কলেজিয়েট স্কুলের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। স্কুলে যাতায়াতের পথে অভিযুক্ত রায়হান শেখের সাথে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। গত শনিবার (৯ মে) রাত ১০টার দিকে রায়হান ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে ফোন করে বাইরে আসতে বলে। এ সময় ওই কিশোরী এত রাতে বের হতে অস্বীকৃতি জানালেও রায়হানের জোরাজুরিতে সরল বিশ্বাসে ঘর থেকে বের হয়। এরপর রায়হান তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে দ্রুত রওনা দেয়। এরপর তাকে নিয়ে যায় গোয়ালন্দ পৌর শহরের নগর রায়েরপাড়া এলাকার হাবি কনটাক্টরের নির্জন পুকুরপাড়ে। সেখানে প্রথমে কথিত প্রেমিক রায়হান এবং পরবর্তীতে তার বন্ধু নাফিস ওই স্কুলছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
আলাপকালে ওই স্কুলছাত্রী জানায়, ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ধর্ষণকারীরা তার মুখ ও হাত চেপে ধরে এবং সেই সাথে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এরপর রাত ১২টার দিকে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী কিশোরীকে তার বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছে দিতে যায়। এসময় তাদের অস্বাভাবিক আচরণ ও কিশোরীর অবস্থা দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। স্থানীয়রা জড়ো হতে থাকলে নাফিস পালানোর চেষ্টাকালে জনতা তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলে। কিন্তু কথিত প্রেমিক রায়হান শেখ কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। গভীর রাত হওয়া নাফিসকে ফরিদ নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আটকে রাখে। সকালে খবর পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ নাফিসকে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে নাফিস নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কাজ চলছে। এ ঘটনায় কিশোরীর মা বাদি হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান। এছাড়া ঘটনার মূলহোতা পলাতক কথিত প্রেমিককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 10 May 2026 13:59:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী  সোহেল আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16538" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16538</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[র&zwj;্যাব-১১ এর গেয়েন্দা নজরদারীতে থাকা বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ও তার সহযোগীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার অংশ হিসাবে আজ ০৯ মে ২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রাত ১২:৩০ ঘটিকার সময় বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল @ ক্যাডার সোহেল, পিতাঃ আনোয়ার হোসেন, সাংঃ মদনপুর, আন্দিরপাড় , থানাঃ বন্দর, জেলা: নারায়ণগঞ্জ&#39; কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাসহ নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানায় অন্তত ১৪ টি মামলা রয়েছে ।

সূত্র বলছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল ওর ফে ক্যাডার সোহেল ও তার বাহিনী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বন্দর ও তার আশে পাশের এলাকাকে আতঙ্কের জনপথ তৈরী করে রেখেছে। সোহেল এর বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি, জমিদখল ও আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ঐসব এলাকায় যেকোনো নতুন স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের টাকা দিতে হয়। চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া এবং মারধরের ঘটনা ছিল নিয়মিত। শীতলক্ষ্যা নদীর তীরের বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করে।

স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত &#39;মাসোহারা&#39; আদায় করার ও অভিযোগ রয়েছে। সোহেল তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করে। ভুক্তভোগীদের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া অথবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার ঘটনায় সে এলাকায় কুখ্যাত। আধিপত্য বজায় রাখতে সোহেল প্রায়ই আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করে আসছিল। সোহেল বাহিনীর ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় মাদকের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে। তার সরাসরি তত্ত্বাবধান এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা হয়।

উল্লেখ্য যে, এই শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহেল এর অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 09 May 2026 10:54:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৃত্যু পথযাত্রী  বরেণ্য রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16526" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16526</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুই যুগ আগে এক কোটি ২৫ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর দায়ের করা মামলায় আওয়ামী লীগের এক সময়ের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেছেন আদালত। ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ বেগম শামীমা আফরোজ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২২ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হলো।

তোফায়েল আহমেদের পক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ হোসেন শাহীন বলেন, &lsquo;আমরা চার্জ গঠনের জন্য সময় প্রার্থনা করেছিলাম। কিন্তু আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে চার্জ গঠন করেছেন। আগামী ২২ জুন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছেন।&rsquo;

এর আগে একই মামলায় তোফায়েল আহমেদসহ দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। মামলার অপর আসামিদের মধ্যে মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধেও পরোয়ানা রয়েছে। তবে অপর আসামি মোশাররফ হোসেন জামিনে থেকে আদালতে হাজির হয়ে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।

শুনানিতে তোফায়েল আহমেদের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন শিকদার আদালতকে জানান, তার মক্কেল শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। তিনি কাউকে চিনতে পারেন না। স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন। এ কারণে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা নেই বলে দাবি করে সময় প্রার্থনা করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পরিদর্শক কাজী শামসুল ইসলাম মামলাটি দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তোফায়েল আহমেদ ও তার সহযোগীরা অবৈধভাবে অর্জিত এক কোটি ২৫ লাখ টাকা গোপন ও স্থানান্তর করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ম্যাডোনা অ্যাডভারটাইজিং লিমিটেডের প্রধান হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং ভোলার মোশাররফ হোসেনের সহযোগিতায় সোনালী ব্যাংকের মতিঝিল করপোরেট শাখা থেকে বিভিন্ন সময়ে ওই অর্থ স্থানান্তর ও উত্তোলন করা হয়।

তদন্ত শেষে তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে উচ্চ আদালতের স্থগিত আদেশের কারণে দীর্ঘদিন মামলার বিচার কার্যক্রম বন্ধ ছিল। সম্প্রতি সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হওয়ায় মামলার বিচার পুনরায় শুরু হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 May 2026 13:28:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রূপগঞ্জে মাদকের আস্তানায় হামলা ও উচ্ছেদ অভিযান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16495" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16495</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জ জেলা রূপগঞ্জ উপজেলায় তারাব পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড রসুলপুরে এলাকাবাসী রবিউল নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর আস্তানায় হামলা ও উচ্ছেদ অভিযান করেছে। শুক্রবার(০১লা মে) রাত ০৮ ঘটিকার সময় এই উচ্ছেদ অভিযান করা হয়।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়- তারাব পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড উত্তর যুবদল সভাপতি রবিউল ও তার বাহিনী দীর্ঘদিন যাবৎ দলের নাম ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে রসুলপুর, বরাব, কামালনগর, মুগরাকুল ও পবনকুল এলাকায় গড়ে তুলেছে মাদকের বিশাল নেটওয়ার্ক। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে প্রায় ডজন খানেক মাদকের মামলা আছে রবিউলের বিরুদ্ধে। রসুলপুর ইটখোলা মাঠের পাশে ইট বালুর গদির আড়ালে দীর্ঘদিন যাবৎ রবিউল ও তার বাহিনী রমরমা মাদকের ব্যবসা করে আসছে। মাদক ব্যবসা ছাড়াও তারা এলাকায় বিশাল কিশোর গ্যাং বাহিনী গড়ে তুলেছে, মাদক ব্যবসার পাশাপশি এলাকায় চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে রবিউল বাহিনী। এছাড়াও মামলা বানিজ্য , পুলিশ দিয়ে হয়রানী, অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়ে অবৈধ টাকার মালিক বনে গেছে এই রবিউল।

রবিউল বাহিনীর অত্যাচারে দিশেহারা এলাকাবাসী। রবিউল বাহিনীর অপকর্ম ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রসুলপুরে অবস্থিত রবিউলের আস্তানায় উচ্ছেদ অভিযান চালায় এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর এই উচ্ছেদ অভিযানের কথা জানতে পেরে রবিউল ও তার সঙ্গীরা দ্রুত আস্তানা ছেড়ে পালিয়ে যায়, পরবর্তীতে উত্তেজিত জনতা শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রবিউলের আস্তানায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোন ধরনের অভিযোগ করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গহন করা হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 02 May 2026 12:45:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বন্দরে গৃহকর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় যুবদল নেতা বাবুল গ্রেফতার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16435" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16435</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গৃহকর্মীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ধর্ষিতার মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন বন্দর উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া।

বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল রাতে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ মদনপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন। তিনি জানান ধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবদুর রশিদ জানান, ধর্ষণ মামলায় বাবুল মিয়াকে আদালতের শুনানি শেষে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল ধর্ষিত হওয়া গৃহকর্মী বিচার চাওয়ায়, তার মাথার চুল কেটে দেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা বাবুল মিয়া এবং তার স্ত্রী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে তাৎক্ষণিক বন্দর থানার ওসির নির্দেশে ধামগড় ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে যান এবং বাবুল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের হলে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

বিভিন্ন তথ্য সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছর ধরে বন্দর উপজেলার মদনপুর এলাকায় মো.বাবুল মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে ভুক্তভোগী নারী।
আর্থিক অভাব অনটনের কারণে ভুক্তভোগী নারী বাড়িওয়ালার বাসার পাশাপাশি বিভিন্ন বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকা কাজ করতো।

এর ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া উল্লেখিত গৃহপরিচারিকাকে ফোন করে তাড়াতাড়ি কাজে যেতে বলেন। গৃহপরিচারিকা বাসায় গিয়ে দেখে বাড়িওয়ালা বাবুল মিয়া একা আছেন। আর কেউ বাসায় নেই। তখন ভুক্তভোগী রান্নাঘরে গিয়ে কাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাবুল মিয়া তাকে ডেকে রুমের ভেতর নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার ভয় দেখায় বাবুল।

পরবর্তীতে এ ঘটনা ধর্ষক বাবুলের স্ত্রী রোজিনা কে জানিয়ে বিচার দাবি করলে ওই সময় ধর্ষক বাড়িওয়ালা ও তার স্ত্রী রোজিনা বেগম মিলে ধর্ষিতা নারীকে বেদম ভাবে পিটিয়ে মাথার চুল কেটে দেয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 13:24:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা এখন তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রণে!]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16433" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16433</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী ইপিজেডের ঝুট ব্যবসা এখন তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রণে! ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর গেল ২০ মাসে এই তিন মাফিয়া কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। আদমজী ইপিজেডের ঝুটের ব্যবসা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ইন্টারপুলের রেড ওয়ারেন্টভুক্ত সন্ত্রাসী মতিউর রহমান মতির নিয়ন্ত্রনে থাকলেও ক্ষমতার পালাবাদালে এই তিন মাফিয়ার নিয়ন্ত্রনে চলে আসে আদমজী ইপিজেটের ঝুঁট সেক্টর। যার মধ্যে একজন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে মতির ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন, সেই তিনি শাহআলম মানিক এখন নিজেকে বিএনপি নেতা পরিচয় দিয়ে আসছেন বলেও উঠেছে অভিযোগ।

স্থানীয়রা জানান, ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে সুষম বন্টন করে দিবেন ইপিজেডের ঝুটসহ বিভিন্ন ব্যবসা। কিন্তু এমপি মান্নানের এই উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়েছেন ঝুট মাফিয়া মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদ, মহানগর ছাত্রদলের বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর ও তথাকথিত বিএনপি নেতা শাহআলম মানিক। তারা এমপি মান্নানের এই উদ্যোগকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে উল্টো অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেমেছেন। গেল ২০ মাসে এই তিন ব্যক্তি শত কোটি টাকার মালিক বনে গেলেও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে মরিয়া।

আরো জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর আরো কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিএনপির সাবেক নেতা গিয়াসউদ্দীনের ছেলেরা নিয়ন্ত্রণে নেন। জাতীয় নির্বাচনের পর ওইসব ব্যবসাগুলো তারা ছেড়ে চলে যান। ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলোও সাহেদ, মানিক ও সাগর দখলে নিয়েছেন। তিনজনই কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের এমপি নজরুল ইসলাম আজাদের নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তারা তিনজনই বলে বেড়াচ্ছেন প্রতি মাসে আজাদকে কোটি কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। যে কারনে তারা এমপি মান্নানকে পাত্তা দিচ্ছেন না।

ঝুুট ব্যবসায়ী সাহেদ ইপিজেডে ঘোষণা দিয়েই বলেছেন, তার পাশে এমপি আজাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহামুদ, নাসিকের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্না রয়েছেন। সাহেদ এমপি মান্নানকে নিয়ে নানা ধরণের অশালীন কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছেন। একইভাবে শাহআলম মানিক মামুন মাহামুদ ও যুবলীগের সন্ত্রাসী মতির নাম ভাঙ্গিয়ে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। মতির সকল ব্যবসা এখন শাহআলম মানিকের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সাগর দাবি করছেন তার পাশে এমপি আজাদ, মামুন মাহামুদ রয়েছেন। সুতরাং আর কাউকে গোনায় ধরছেন না। যদিও সাগর এলাকায় বলে বেড়াচ্ছেন তিনি এমপি মান্নানের পুত্র সজীবকে মাসে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দিচ্ছেন। বিনিময়ে তিনি ১৭টি ফ্যাক্টরীর ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন। তারা তিনজনই বিএনপির নেতাকর্মীদের ব্যবসা করার সুযোগ দিতে নারাজ। প্রতি মাসে এই তিন মাফিয়া আদমজী ইপিজেডের ৪১টি ফ্যাক্টরীর ঝুট ব্যবসা থেকে প্রায় ১০ কোটি টাকা কামিয়ে নিচ্ছেন। এই সেক্টর নিয়ন্ত্রণে তাদের পকেটে মাসে ১০ কোটি টাকার লভ্যাংশ ডকুলেও বিএনপির অধিকাংশ নেতাকর্মীরা রয়েছেন অভুক্ত।

স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, আদমজী ইপিজেডের ভেতরে প্রায় ৪১টি শিল্প কারখানা রয়েছে। এসব শিল্পকারখানার ঝুট ব্যবসায় বর্তমানে নিয়ন্ত্রন করছেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য কিন্তু দাবিমতে ভুয়া আইন বিষয়ক সম্পাদক শাহআলম মানিক ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাকিবুর রহমান সাগর, মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদ। এদের মধ্যে ১৭টি সাগর, ১৫টি সাহেদ, শাহআলম মানিক ৯টি ও রুহুল আমিন ৫টি মিল কারখানার ঝুট নিয়ন্ত্রণ করছেন। এর মধ্যে সাহেদ ও সাগরের সঙ্গে ব্যবসায়িক অশীংকার আয়েশা আক্তার দিনা ও মমিনুর রহমান বাবু। এসব কারখানার ঝুটের ব্যবসায় মাসে তারা ১০ কোটি টাকার বেশি রোজগার করছেন।

আরো জানাগেছে যে, ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর ১৬ আগস্ট ইপিজেডের ঝুট নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শুরুতেই জেলা বিএনপির তৎকালীন সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দীনের ছেলে কাউসার রিফাতের সঙ্গে বিরোধে জড়ান সাহেদ আহমেদ।
রিফাতের নিয়ন্ত্রণে নেয়া কারখানার ১৩টি ট্রাক লুটের অভিযোগ ওঠেছিলো সাহেদের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গিয়াস পন্থীদের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হলে সাহেদ ও সাগরের পক্ষ নিয়ে গণমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিয়ে দিনা ও বাবু জানান তারাও ঝুটের ব্যবসায়িক অশীংদার। তারা বৈধভাবে ব্যবসা করছেন। যদিও সেই সময় থেকে দিনা ও বাবু ঝুটের একটি লাভের অংশ সাহেদ ও সাগরের কাছ থেকে পেয়ে আসছে। রিফাতের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে রিফাতের পক্ষে কৃষকদল নেতা তৈয়ম হোসেন বাদী হয়ে ৯ অক্টোবর দিনা সাহেদ ও বাবুকে আসামী করে কোর্টে মামলা করে দিয়েছেন।

৫ আগস্টের পর ২০২৫ সালের ৬ মার্চ রাকিবুর রহমান সাগর সিদ্ধিরগঞ্জে ঝুট সেক্টর দখলবাজি নিয়ে শাহআলম মানিক ও রুহুল আমিনের গ্রুপের সঙ্গে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ছাড়াও পরবর্তীতে একাধিকবার বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা শামীম ঢালীর সঙ্গেও একাধিকবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটিয়েছে সাগর। সিদ্ধিরগঞ্জের ফুটপাত ও ঝুট নিয়ন্ত্রকদের আরেকজন মাফিয়া এই সাগর। প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণকারী সাগরের কর্মী সোহাগকে অস্ত্রসহ ইতিমধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

এদিকে ১২ই ফেব্রুয়ারী জাতীয় নির্বাচনের পর গিয়াসের ছেলে রিফাতের নিয়ন্ত্রণে থাকা সকল শিল্পকারখানার ঝুট নিয়ন্ত্রণ থেকে সরে দাঁড়ান। এই সুযোগে রিফাতের নিয়ন্ত্রিত কারখানার ঝুট সাহেদ, সাগর, শাহআলম মানিক, রুহুল আমিন নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহামুদের ঘনিষ্ঠ কর্মী রুহুলযুগে ।

সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপির কার্যালয়টি মুলত রুহুল আমিনের অর্থে নির্মাণ করা হয়েছে। বিএনপির কার্যালয় নাম দিলেও সেখানে রুহুল আমিনের তেল চুরির ব্যবসা ও ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের সুবিধার্থে এই কার্যালয়টি করিয়েছেন মামুন মাহামুদ। দিন রাত ২৪ ঘন্টা এখানে রুহুল আমিন ও তার সন্ত্রাসীদের আস্তানায় পরিনত হয়েছে এটি।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 25 Apr 2026 12:19:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিশু ধর্ষণ মামলা:নারায়ণগঞ্জে ৪ জনের যাবজ্জীবন। ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16289" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16289</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জের সিদ্বিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় ৪ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড ,অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সম্প্রতি শিশু ধর্ষণ দমন আদালতের বিচারক মো.মমিনুল ইসলাম এই রায় ঘোষনা করেন।

কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন বরগুনা জেলার সোনাখালী এলাকার মৃত আবুল কালাম আজাদের ছেলে মো.রাসেল (৩৬),ভোলা জেলার চরফ্যাশন এলাকার আজগর মাঝীর ছেলে মো.আল আমিন(৩৫),পটুয়াখালী জেলার নন্দীপাড়া এলাকার ইউসুফের ছেলে মো.মামুন(৪২) এবং একই এলাকার আল আমিনের স্ত্রী জোছনা বেগম(৩১)।তাদের মধ্যে রাসেল ব্যতীত বাকী সকল আসামী পলাতক রয়েছেন।

উল্লেখ্য,২০২৩ সালের ১ এপ্রিল কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা সিদ্বিরগঞ্জের চিটাগাং রোড এলাকায় ভুক্তভোগী ১২ বছরের এক শিশুকে আটকিয়ে রেখে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে এবং পরবর্তীতে আসামী জোসনা বেগমের সহায়তায় ভুক্তভোগী শিশুটিকে অপরাপর আসামীরা ধর্ষণ করে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা সিদ্বিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত এই রায় ঘোষনা করেন।

সান নিউজ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 10 Apr 2026 08:43:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ায় বিএনপি নেতা হত্যার অভিযোগ সাবেক এমপি, ডিসি ও পুলিশের নামে ৭ বছর পর মামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16269" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16269</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম, এ শামিম আরজু কারাগারে পুলিশের নির্যাতনে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ সকালে কুষ্টিয়া তিন আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন ও সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী নিহতের ছেলে এস.এম ফুয়াদ শামীম এ মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও আমলী আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য কুষ্টিয়া সদর-মাহাবুবুল আলম হানিফ (৬২), সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা (৫৫), সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন (৫৪), সাবেক পুলিশ সুপার, তানভির আরাফাত (৫২) সাবেক সদর হাসপাতাল আর,এম,ও ডাঃ তাপস কুমার সরকার (৫০), সাবেক ভারপ্রাপ্ত জেলার আক্তারুজ্জামান (৫০), সাবেক জেল সুপার জাকির হোসেন (৫০), সাবেক কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন (৫২), সাবেক পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার কুন্ডু (৫০) সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর লিপন সরকার (৪৫), সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর কাজি মেহেদী হাসান (৪২) সাবেক সাব-ইন্সপেক্টর সোহেলী আক্তার (৪০), কোর্টপাড়ার মৃত চাঁদ আলী মুক্তার আলীর ছেলে আবুল হাশেম (৭২) সাবেক কারারক্ষী লিমন হোসেন (৪২) মিরপুর উপজেলার তাঁতিবন্দ (চারমাইল বাজার বারুইপাড়া) মৃত নেহাল মন্ডলের ছেলে তারেক নেহাল তপে (৪৮)।

মামলা সূত্রে জানান যায় বাদীর পিতা এম.এ শামিম আরজু কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে গত ২০১৯ সালের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে করে সকাল ১১ টার দিকে কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে ২নং গেটের পাশে^ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা বাদীর পিতার ও বিএনপি নেতা কর্মীদেরকে চর্তুরদিক থেকে ঘেরে ধরে এবং সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতের নির্দেশে ১০/১৫ জন পুলিশ সদস্য অতর্কিত ভাবে হামলা চালায়। এতে পুলিশের নির্যাতনে কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও বাদীর পিতাসহ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীরা আটক হন। পরবর্তীতে বাদীর পিতার উপর পুলিশের নির্যাতন করার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে কুষ্টিয়া জেনালে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ দিন পরে মারা যান।

এ ঘটনায় বাদী বলেন ২০১৯ সালের ২৬ মার্চে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে করে সকাল ১১ টার দিকে কুষ্টিয়া ডিসি অফিসে শহীদের সম্মান জানাতে স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পুলিশ ও আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীদের হামলায় তার পিতা আহত হন। পরে তাকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায় এবং সেখানে পুলিশের নির্যাতনে তার পিতা অসুস্থ অবস্থায় আদালতে নিয়ে যান। পরে আদালত তাকে জেলাকারাগারে প্রেরণ করেন। তার পিতার অবস্থা আরও আশংকাজনক দেখা দিলে হাসপাতালে নিলে বিনা চিকিৎসায় তার পিতা মারা যান। এ ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবী জানান তিনি।

নুরুল কাদের, এ্যাডভোকেট, জজকোর্ট, কুষ্টিয়া বলেন কুষ্টিয়ায় জেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম, এ শামিম আরজু কারাগারে পুলিশের নির্যাতনে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মারা যাওয়াকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ সকালের দিকে কুষ্টিয়া তিন আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ, সাবেক জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন ও সাবেক পুলিশ সুপার তানভির আরাফাতসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে বাদী নিহতের ছেলে এস.এম ফুয়াদ শামীম এ মামলা দায়ের করেন। কুষ্টিয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ও আমলী আদালতের বিচারক মোস্তফা পারভেজ মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 08 Apr 2026 14:31:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ডে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16247" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16247</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মিরপুর মডেল থানার দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলায় &lsquo;এক-এগারোর&rsquo; আলোচিত লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এদিন পল্টন মডেল থানার মামলায় তিন দফায় ১৪ দিনের রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মিরপুর মডেল থানার হত্যা মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিনকে গ্রেফতার দেখানোসহ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। পরে পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালতে তোলা হয়।

প্রথমে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে রিমান্ড শুনানির জন্য আরেকটি আদালতে নেয়া হয়। এসময় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন।

তিনি বলেন, দেলোয়ার হত্যা মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। এজন্য মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার সাত দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামিপক্ষে কোন আইনজীবী ছিলেন না।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে হামলা চালানো হয়। আসামিরা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছুড়তে থাকে। এতে আন্দোলনে অংশ নেওয়া দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ২১ জুলাই সকাল ৭ টা ৪০ মিনিটে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৬ জুলাই নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৪ মার্চ পল্টন মডেল থানার মামলায় তার পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন আদালত। পরবর্তীতে গত ২৯ মার্চ দ্বিতীয় দফায় তার ফের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল তৃতীয় দফায় আরও তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 07 Apr 2026 08:25:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লে. জে. (অব.) মাসুদ আবার আলোচনায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16180" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16180</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রায় দুই দশক আগে এক-এগারোর সময় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে সোমবার রাতে গ্রেপ্তারের পর আবার আলোচনায় মানব পাচারের একটি মামলা। গত বছরের শেষ দিকে এই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তবে অভিযুক্ত ১০৩ জনকে বাঁচাতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পল্টন থানায় এই মামলা দায়ের করেছিলেন আফিয়া ওভারসিসের কর্ণধার আলতাফ খান। বাদীর নারাজির পর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মামলাটি নতুনভাবে তদন্ত শুরু করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বর্তমানে সেই মামলায় পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন মাসুদ উদ্দিন। এর আগে ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর রাজধানীর বনানী থেকে সাবেক মন্ত্রী ইমরান আহমদকে এ মামলায় গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

হঠাৎ আলোচনায় আসা এই মামলায় সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ ও একই মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. আহমেদ মনিরুছ সালেহীন, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার রুহুল আমীনসহ অভিযুক্ত ১০৩ জন। এ ছাড়া ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেডের মালিক এম এ রফিক এই মামলায় আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই ক্ষমতাসীন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থক থেকে শুরু করে অনেকে &lsquo;ওয়ান-ইলেভেন&rsquo; ইস্যু সামনে এনে সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য করছেন। তাদের অনেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই সময়ে আটক ও নির্যাতনের ঘটনায় মাসুদ উদ্দিনকে দায়ী করছেন। পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে বলেছেন, &lsquo;তথাকথিত এক-এগারো সরকারের সময় এই আসামি (জেনারেল মাসুদ) ও অন্যরা মিলে ট্রুথ কমিশন গঠন করে ব্যবসায়ীদের ধরে এনে নির্যাতন করতেন। বিশেষ করে মাইনাস টু ফর্মুলার নামে জিয়া পরিবারকেই শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন তারা।&rsquo; তবে পল্টন থানায় দায়েরের করা মামলার বাদী আলতাফ খান গতকাল রাতে সমকালকে বলেন, &lsquo;১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘদিন মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির কার্যক্রম জিম্মি করে রেখেছিল। তারা সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছি। প্রথমে পল্টন থানা পুলিশ মামলাটির তদন্ত করে। তবে প্রভাবশালীদের চাপে তদন্ত বেশিদূর এগোয়নি। এরপর সিআইডি মামলাটি তদন্ত শুরু করে। তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরীর প্রভাবে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিতে বাধ্য হয় সিআইডি। এরপর নারাজি দেই। তখন মামলাটি ডিবিতে যায়। ডিবি থেকেও প্রথমে একজন তদন্ত কর্মকর্তার বদলি করানো হয়।&rsquo;

আলতাফ খান আরও বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশা করছি। অভিযুক্তদের লাইসেন্স বাতিল করতে হবে। জনশক্তি রপ্তানি খাতে সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া জরুরি। সিঙ্গাপুরে জনশক্তি পাঠাতে সাতজনের একই ধরনের চক্র আছে। ই-রিক্রুটমেন্ট পদ্ধতি চালু করা উচিত।
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকশ চৌধুরীকে ফোন করলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এজাহারে যা বলা হয়েছে
যে মামলায় এক-এগারোর অন্যতম কুশীলব হিসেবে পরিচিত মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেটির এজাহারে বলা হয়, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন নিজ মন্ত্রণালয়ের অধীনে তাঁর ছেলেকে সিন্ডিকেট সদস্য করেন। ১ নম্বর অভিযুক্ত সাবেক প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ইমরান আহমদ তাঁর স্ত্রীর বড় ভাইয়ের ছেলেকে বিধিবহির্ভূতভাবে &lsquo;আমি প্রবাসী&rsquo; নামক অ্যাপ চালুর অনুমোদন দিয়ে চক্রকে সহযোগিতা করেন। ২০২২ সালের ১ অক্টোবর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালু হওয়ার পর মামলার বাদী আলতাফ হোসেন তাঁর লাইসেন্সের মাধ্যমে চাহিদাপত্র গ্রহণ করেন। যথাযথ নিয়মে কাজ শুরুর জন্য প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে মন্ত্রী ও সচিব জানান, তাদের নির্ধারিত ১০০টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কাজ করতে হবে। তারা নিজেদের আজ্ঞাবহ ব্যক্তিসহ (এজাহারে ৩ থেকে ২৬ নম্বর বিবাদী) তাদের সিন্ডিকেটভুক্ত ১০০ লাইসেন্সের মাধ্যমে কাজ করতে বলেন। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী বিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে প্রত্যেকেই মন্ত্রী-সচিবের কথামতো প্রতি শ্রমিকের ভিসা প্রসেসিং বাবদ দেড় লাখ টাকা দিতে বলেন। এর পর তাদের জানানো হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে সমঝোতা অনুযায়ী শ্রমিক পাঠানোর জন্য ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা নেওয়ার কথা। বিষয়টি সচিবকে অবহিত করলে তিনি বাদীকে অফিসে ডেকে নিয়ে বলেন, শ্রমিকপ্রতি দেড় লাখ টাকা করে না দিলে বাদী এই মার্কেটে ব্যবসা করতে পারবেন না। মন্ত্রী-সচিবসহ অভিযুক্তরা তাদের নির্ধারিত ১০০ রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে যে কারও সঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দেন। বাদী সে অনুযায়ী কাজ শুরু করলে ৩ থেকে ২৬ নম্বর অভিযুক্তরা বিভিন্ন খাত দেখিয়ে টাকা চাওয়া শুরু করেন। জনপ্রতি দেড় লাখ টাকা দিলে তারা শ্রমিকদের পাসপোর্ট-ভিসা বুঝিয়ে দেবেন বলেন জানান। শ্রমিকের চাপ সহ্য করতে না পেরে বাদী তাদের ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ মে পর্যন্ত মোট ১২ কোটি ৫৬ লাখ এক হাজার টাকা দেন। তাদের এমন আচরণে বাদীর আরও প্রায় ২০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়। তাদের আচরণ সহ্য করতে না পেরে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে রুল ইস্যু করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা বাদীকে আর ব্যবসা করতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। জীবনের ভয়ে বাদী রিট প্রত্যাহার করেন। বাদীর অভিযোগ, অন্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আরও অন্তত ২৪ হাজার কোটি টাকা চাঁদা আদায় করেছে এই চক্র।

অভিযুক্ত আরও যারা 
পল্টন থানায় করা মামলায় অভিযুক্ত ১০৩ জনের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ছাড়াও আছেন সাবেক এমপি ও আহমেদ ইন্টারন্যাশনালের মালিক বেনজীর আহমেদ, স্নিগ্ধা ইন্টারন্যাশালের কর্ণধার নিজাম হাজারী, ইম্পেরিয়াল রিসোর্স লিমিটেডের মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, ব্রাদার্স ইন্টারন্যাশনালের রফিকুল ইসলাম, জে জি আলফালা ম্যানেজমেন্টের মোহাম্মদ সোহেল রানা, অপরাজিতা ওভারসিজের আরিফুর রহমান, ট্রান্স এশিয়া ইন্টেগ্রেডের জামাল আবু জাহেদ, ইউনাইটেড এক্সপোর্ট লিমিটেডের এস এম রফিক, কিউ কে কুইকের রবিউল ইসলাম, নাতাশা ওভারসিজের নাজিবুর রহমান, আমিন ট্যুরসের রুহুল আমিন, জেএমজি ট্রেডিংয়ের গোলাম মওলা, আল-ফারার জাকির আহমেদ ভূঁইয়া, ম্যান ইন পাওয়ার করপোরেশনের মোহাম্মদ মাহবুব আলম, মদিনা ওভারসিজের নাসির উদ্দিন মজুমদার, আল খামিস ইন্টারন্যাশনালের রেজিয়া বেগম, স্ট্যানফোর্ডের উত্তম কুমার রায়, সুলতান ওভারসিজের আলতাব হোসেন, জান্নাত ওভারসিজের লিমা বেগম, দ্য সুপার স্ট্যান্ড লিমিটেডের শাহিন কবির, সৈয়দ গোলাম সরোয়ার, প্রভাতী ইন্টারন্যাশনালের আসরাফ উদ্দিন, মেরিট অ্যান্ড ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ, ইউনিক ইস্টার্নের মোহাম্মদ নূর আলী, মৃধা ইন্টারন্যাশনালের কাউছার মৃধা, প্রান্তিক ট্রাভেলসের গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

অন্য মামলার চিত্র 
পুলিশ বলছে, মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ফেনীতে ছয়টি ও ঢাকায় পাঁচটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ফেনীতে তিনটি মামলা বিচারাধীন। পলাতক থাকায় সেখানে আদালতে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) অভিযোগ তদন্ত করছে। গতকাল সিআইডির একজন কর্মকর্তা বলেন, মানি লন্ডারিং আইনে বনানী থানায় করা একটি মামলার তদন্ত করছেন তারা। ওই মামলায় আসামি আটজন। অভিযুক্তদের তালিকায় আছেন&ndash; মাসুদ উদ্দিন, তাঁর স্ত্রী জেসমিন মাসুদ ও মেয়ে তাসনিয়া মাসুদ। তাসনিয়া ওয়ান প্লাস ওভারসিজ ও ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক। এই মামলায় অন্য অভিযুক্তরা হলেন&ndash; ফাইভ এমের পরিচালক সালাউদ্দিন মোরশেদ ভূঁইয়া, নূর মোহাম্মদ আব্দুল মুকিত, মেহবুবা আফতাব সাথী, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের রুহুল আমিন স্বপন ও স্নিগ্ধা ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার নিজাম উদ্দিন হাজারী। মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর মালিকানাধীন ফাইভ এম ইন্টারন্যাশনালসহ তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ৩৭টি হিসাব নম্বরে ৭৯ কোটি ৫৮ লাখ ৬ হাজার ১৯০ টাকা লেনদেন হয়েছে। বর্তমানে এসব হিসাব নম্বরে জমা আছে পাঁচ কোটি ৯১ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। এই অর্থ ফ্রিজ করা হয়েছে। সিআইডির এক কর্মকর্তা বলেন, মালয়েশিয়ার জনশক্তি রপ্তানি চক্রে আছেন ১০০ এজেন্সি মালিক। এখন পর্যন্ত মানিলন্ডারিং আইনে দায়ের করা তিনটি মামলায় সিআইডি ৫৪ জনকে আসামি করেছে। চক্রের বাকি ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। মাসুদ উদ্দিনের মালিকাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৯ হাজার ৩৭০ কর্মী বিদেশে গেছেন।

প্রভাব খাটিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন?
পাঁচ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পল্টন থানার মানব পাচার মামলায় গ্রেপ্তার হলেও আরও কিছু বিষয়ে তাঁর কাছে বিভিন্ন তথ্য জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। এক-এগারোর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে তাঁর ক্ষমতার ধারাবাহিকতার নেপথ্যে কী, কারা তাঁর সঙ্গে ছিল&ndash; এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিবি সূত্র বলছে, মাসুদ উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিগত সরকারগুলোর সময়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানারকম অবৈধ কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে ধ্বংসের অপচেষ্টা চালিয়েছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় বাড়ি কিনেছেন কিনা&ndash; তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, মানব পাচার মামলার অভিযোগের বিষয়ে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এজাহার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিদেশে লোক পাঠাতে সরকার নির্ধারিত খরচের চেয়ে বেশি টাকা নিয়েছেন আসামিরা। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে কিছু প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রভাব খাটিয়ে তাদের নাম ব্যবহার করে অবৈধভাবে জনশক্তি রপ্তানি করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সেসব বিষয়ে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হচ্ছে।

জনশক্তি রপ্তানিকারক ও সিআইডি-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ১০ বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে ২০১৫ সালে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেয় মালয়েশিয়া। এসব এজেন্সি এক ধরনের সিন্ডিকেট বা চক্র নামে পরিচিতি পায়। অন্তত ছয় হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বন্ধ হয়েছিল শ্রমবাজার।২০২১ সালে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর মালয়েশিয়া সরকার প্রথমে ২৫ এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর অনুমতি দেয়। পরে এজেন্সির সংখ্যা ১০০-এ দাঁড়ায়।

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো অনেক এজেন্সির বিরুদ্ধেই সরকার নির্ধারিত ফির বাইরে অর্থ আদায়, বিপুল সম্পদের মালিক হওয়া ও অর্থ পাচারের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ রকম এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ২৫টি মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছে সিআইডি। এসব মামলায় ১০০ এজেন্সির অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য উঠে আসবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। গতকাল বুধবার সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

দুদকের মামলায় শুনানি ৯ এপ্রিল 
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের শুনানি আগামী ৯ এপ্রিল। গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মঈনউদ্দীন চৌধুরী এ বিষয়ে আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, মাসুদ উদ্দিন ও অন্য আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে, অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের মাধ্যমে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেন। তারা সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ করে মালয়েশিয়া শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। রিক্রুট করা শ্রমিকদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধাপে বাড়তি অর্থ গ্রহণের অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারদলীয় এমপির প্রভাব খাটিয়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র করেন। তারা চুক্তিবহির্ভূত কর্মকাণ্ড করে অবৈধ পারিতোষিক গ্রহণ করেছেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Mar 2026 05:11:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঢাবিতে তোফাজ্জল হত্যা মামলা: পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16076" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/16076</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন তোফাজ্জল হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া পিবিআইয়ের অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছে আদালত। তাদের মধ্যে পলাতক ২২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকার মহানগর হাকিম জুয়েল রানা অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন&mdash;জালাল মিয়া, আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, সুমন মিয়া, ওয়াজিবুল আলম, ফিরোজ কবির, আব্দুস সামাদ, সাকিব রায়হান, ইয়াছিন আলী, ইয়ামুজ্জামান ওরফে ইয়াম, ফজলে রাব্বি, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান, রাতুল হাসান, সুলতান মিয়া, নাসির উদ্দিন, মোবাশ্বের বিল্লাহ, শিশির আহমেদ, মহসিন উদ্দিন ওরফে শাফি, আব্দুল্লাহিল কাফী, শেখ রমজান আলী রকি, রাশেদ কামাল অনিক, মনিরুজ্জামান সোহাগ, আবু রায়হান, রেদোয়ানুর রহমান পারভেজ, রাব্বিকুল রিয়াদ ও আশরাফ আলী মুন্সী।

তাদের মধ্যে আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে আছে। জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ ও সুমন মিয়া কারাগারে রয়েছে। অপর ২২ আসামি পলাতক রয়েছে।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী বলেন, মামলার বাদী মোহাম্মদ আমানুল্লাহ এ অভিযোগপত্রে নারাজি দিবেন বলে জানিয়েছিলেন। তবে তিনি নারাজি জমা দেননি।

এর আগে, এর আগে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দায়ের করা মামলায় ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়। যদিও ঢাবি প্রক্টোরিয়াল টিম চার্জশিটের জবাব দিতে বিলম্বের কথা উল্লেখ করেনি।

অভিযোগপত্রে জানা যায়&ndash; ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে ৩৫ বছর বয়সী তোফাজ্জল হোসেনকে নির্মমভাবে মারধর করার আগে, হামলাকারীরা চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষতিপূরণ হিসেবে তার পরিবারের কাছ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দাবি করেছিল। তোফাজ্জলের চাচা আব্দুর রব মিয়া টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তিকে ক্রিকেটের স্টাম্প ও বাঁশের লাঠি দিয়ে তাকে বেধড়ক মারধর করে। গুরুতর আঘাত ও রক্তক্ষরণের কারণে তোফাজ্জলের মৃত্যু হয়।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগপত্রে এই তথ্যগুলো বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। হলের প্রাক্তন প্রভোস্ট ও ১৪ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলা দায়ের করা হয়েছিল কিন্তু মামলাটি স্থগিত ছিল।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 10 Mar 2026 10:26:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাউজানে প্রকাশ্যে গুলি করে বিএনপি  কর্মীকে হত্যার ঘটনায় স্ত্রীর মামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15813" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15813</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্যে গুলিতে মো. মুজিবুর রহমান (৫০) কে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম। তিনি জানান, গত রাতে নিহতের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বেগম বাদি হয়ে ৩জনকে এজাহার নামীয় এবং আরও ৩-৪জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। শীগগরই আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাউজান উপাজেলা পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের অলিমিয়া হাট বাজারে মফিজ সওদাগরের ফলের দোকানের ভেতরে কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী মুজিবের শরীরের দুটি গুলি এবং সড়কের উপর মাথায় আরও একটি গুলি করে হত্যা করা হয়। জানা যায়, স্থানীয় যুবক-যুবতীর প্রেম ঘটিত সালিশি বৈঠকের বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত মুজিব ওই ওয়ার্ডের আনজু পিতার বাড়ির প্রয়াত আবদুল মোনাফের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী এবং রাউজানের নবনির্বাচিত এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে দাবি করেছে তার পরিবার। নিহতের স্ত্রী ও মামলা বাদি শাহানাজ বেগম বলেন, &lsquo;আমার স্বামী এক সময় প্রবাসে ছিলেন। গত ২০ বছর আগে দেশে ফিরে বিএনপির সক্রীয় রাজনীতি করতেন। এ কারণে তাকে অনেক অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িত কয়েকজনকে শনাক্ত করার পর আমি তাদের নাম উল্লেখ করে এজাহার দিয়েছি। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।&rsquo; রাউজান থনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, একটি সালিশি বৈঠকের দেন দরবার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ঘটনাটি সংঘঠিত হয়। তবে এজাহারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। যেহেতু এজাহার নামীয় আসামী আছে সেহেতু দ্রুত গ্রেপ্তার করার চেষ্টা চলছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 14:23:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাঁচ মামলায় আইভীর জামিন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15801" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15801</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে পাঁচ মামলায় জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন।

আইভীর পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী সারা হোসেন ও মোতাহার হোসেন সাজু।

আদেশের বিষয়ে মোতাহার হোসেন সাজু আজকের পত্রিকাকে বলেন, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার তিন মামলা ও ফতুল্লা থানার দুই মামলায় হাইকোর্ট ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪টি হত্যা ও একটি পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 10:05:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হাজারীবাগে স্কুলছাত্রী হত্যা,অভিযুক্ত সিয়াম আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15787" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15787</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজধানীর হাজারীবাগে স্কুলছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় সিয়াম নামে অভিযুক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও রক্তমাখা জামাও উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ডিএমপি ধানমন্ডি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মোস্তফা তারিকুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, স্কুলছাত্রী শাহরিয়ার শারমিন বিন্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় সিয়াম নামে অভিযুক্ত যুবককে আটক করা হয়েছে। গত রাতে রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

হাজারীবাগের হায়দার হোটেল গলিতে বুধবার রাতে বিন্তিকে কুপিয়ে জখম করে এক যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমারবাঙলা/এসএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 26 Feb 2026 07:06:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাউজানে দুর্বৃত্তের গুলিতে বিএনপি কর্মী নিহত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15780" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15780</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
চট্টগ্রামের রাউজানে ইফতারে পর দুর্বৃত্তের গুলিতে মো. মুজিবুর রহমান (৫০) নামে এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাউজান উপাজেলা পূর্বগুজরা ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের অলিমিয়া হাট বাজারে মফিজ সওদাগরের ফলের দোকানের ভেতরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মুজিব ওই ওয়ার্ডের আনজু পিতার বাড়ির প্রয়াত আবদুল মোনাফের ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপি কর্মী এবং রাউজানের নবনির্বাচিত এমপি গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে দাবি করেছে তার পরিবার। তবে দলীয় সূত্রে তার রাজনৈতিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ জানায়, ইফতারের পর মুজিব দোকানে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। তার কয়েক সেকেন্ড পরও তাকে দোকানে দুটি এবং পরে রাস্তায় আরও একটি গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। নিহতের স্ত্রী শাহানাজ বেগম বলেন, আমার স্বামী আমাদের সঙ্গে ইফতার করেন। এরপর বাজারে যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বের হন। ঘর থেকে বের হওয়ার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে তাকে গুলি করা হয়েছে বলে সংবাদ পায়। আমরা বাজারে গিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বড় ভাই আব্দুল আজিজ বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ইফতারের পূর্বে একটি চায়ের দোকানে তার সাথে কিছু য্বুকের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। ধারণা করছি ঘটনাটি তারা ঘটিয়েছে। আমরা তিনটি গুলি শব্দ শুনেছিলাম। রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মুজিব নামে এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তার শরীরে তিনটি বুলেটের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গুলির করার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, &lsquo; দুবর্ৃৃত্তের গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আমি ঘটনাস্থলে আছি। নিহতের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। সেখান থেকে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 25 Feb 2026 17:27:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টেকনাফে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15740" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15740</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

টেকনাফের শাহপরীতে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ভোর ৫টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী কর্তৃক কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন জালিয়া পাড়া সংলগ্ন নাফ নদীতে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় সন্দেহজনক ১টি কাঠের বোটে তল্লাশি করে প্রায় ২ কোটি টাকা মূল্যের ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

জব্দকৃত ইয়াবা, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও আটককৃত মাদক পাচারকারীর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক পাচার রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Feb 2026 10:55:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল সিমেন্টসহ আটক ৮]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15730" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15730</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

মায়ানমারে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ সিমেন্টসহ ৮ পাচারকারীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার মধ্যরাত ১ টায় অপারেশন কোরাল দ্বীপে নিয়োজিত কোস্ট গার্ড জাহাজ অপূর্ব বাংলা কর্তৃক সেন্টমার্টিন ছেঁড়াদ্বীপের দক্ষিণ-পূর্ব সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকা হতে সন্দেহজনক ১টি ফিশিং বোটে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধভাবে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে বহনকৃত প্রায় ৩ লক্ষ টাকা মূল্যের ৬০০ বস্তা সিমেন্ট ও পাচার কাজে ব্যবহৃত ফিশিং বোটসহ ৮ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়।

জব্দকৃত সিমেন্ট, পাচারকাজে ব্যবহৃত বোট ও আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

&lrm;তিনি আরও বলেন, পাচার ও চোরাচালান রোধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।

আমারবাঙলা/এনইউআ

​​​]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 24 Feb 2026 05:01:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চট্টগ্রামে যুবক গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধারের দাবি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15580" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15580</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোড এলাকায় একটি বহুতল ভবনে অভিযান চালিয়ে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র&zwj;্যাব-৭। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, অভিযানের সময় তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বাহিনীটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংক রোডের ১৮৫/এ, আরেফিন নগরের &lsquo;আল ভারাকা হাইটস&rsquo; নামের একটি ভবনে অভিযান পরিচালনা করে র&zwj;্যাব-৭। এ সময় একরাম সুলতান নামে ওই যুবককে আটক করা হয়। পরে তার ব্যক্তিগত গাড়িচালককেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক র&zwj;্যাবের একটি সূত্র দাবি করেছে, গ্রেপ্তার একরাম নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ারের সহযোগী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার একটি মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া একটি অপহরণের অভিযোগ বর্তমানে ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। সম্প্রতি এক ব্যবসায়ীকে ফোনে হুমকি ও অশালীন ভাষায় কথা বলার অভিযোগে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়েছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

তবে এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে র&zwj;্যাব-৭&ndash;এর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি নিয়ে শিগগিরই প্রেস ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে।

অন্যদিকে গ্রেপ্তার একরামের স্ত্রী অভিযোগ করেছেন, তার স্বামী বাসায় অবস্থান করছিলেন এবং বাসায় কোনো ধরনের অস্ত্র ছিল না। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। নিজেকে গর্ভবতী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাসার ভেতরের অবস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভ করতে চাইলে র&zwj;্যাব সদস্যরা তাতে বাধা দেন।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 17 Feb 2026 14:50:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চন্দনাইশে স্ত্রীকে খুন করে পালিয়েছে স্বামী]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15526" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/crime/15526</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

চন্দনাইশের দোহাজারী জামিজুরী এলাকায় চার কন্যার জননী সালমা আকতার (৩৫)কে হত্যা করে পালিয়েছে স্বামী। স্থানীয়রা জানায়, গত রবিবার রাতেই নুরুল হুদা তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সালমা বাক প্রতিবন্ধী ছিলেন। প্রায় পাঁচ বছর আগে নুরুল হুদা কোথা থেকে তাকে নিয়ে এসেছে, তা কেউ জানে না। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত স্বামী ইতিমধ্যেই তার দুই শিশু কন্যাকে বিক্রি করেছে। বড় মেয়ে নুর জাহান (৪) দাদীর সঙ্গে রয়েছে। নুরুল হুদা তাকে বিক্রি করার চেষ্টা করলেও পরিবার ও প্রতিবেশীদের বাধার মুখে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি ১২ দিনের এক কন্যা শিশুকেও বিক্রি করার চেষ্টা করেছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সালমাকে ডেলিভারি পরও নুরুল হুদা মারধর করত। সম্প্রতি চুরির অভিযোগে ধরা পড়ার পর এলাকাবাসী নুরুল হুদাকে মারধর করে আটক করেছিল।

চন্দনাইশ থানা পুলিশ সোমবার সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে। চন্দনাইশ থানার ওসি মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানিয়েছেন, ৯৯৯-এ ফোনে সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

অভিযুক্ত নুরুল হুদা ঘটনার পর থেকে পলাতক। পুলিশ তাকে ধরতে তৎপর রয়েছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Feb 2026 07:40:39 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
