<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/bangladesh</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/bangladesh"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla bangladesh Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest bangladesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Mon, 25 May 2026 18:04:59 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[গুম, খুন ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে লামায় ছাত্র ফেডারেশন বিক্ষোভ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16624" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16624</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। তনু থেকে রামিসা-আছিয়া, চিংমা খিয়াংসহ পাহাড় ও সমতলে সংঘটিত সকল গুম, খুন, ধর্ষণ ও বলাৎকারের ঘটনার বিচার দাবিতে। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় লামা উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, লামা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন লামা উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি জয় ত্রিপুরার সভাপতিত্বে এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক জৈবা ত্রিপুরার সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বান্দরবান জেলা শাখার সংগঠক জাহেদুল ইসলাম এবং গণসংহতি আন্দোলন লামা উপজেলা শাখার সমন্বয়কারী ফরিদ উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, তনু থেকে শুরু করে রামিসা, আছিয়া কিংবা পাহাড়ি জনপদের চিংমা খিয়াং&mdash;কোনো হত্যাকাণ্ডেরই এখন পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত হয়নি। পাহাড় কিংবা সমতল, কোথাও নারী ও শিশুরা নিরাপদ নয়। গুম, খুন, ধর্ষণ ও বলাৎকারের মতো জঘন্য অপরাধের বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই অপরাধীরা বারবার পার পেয়ে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন বান্দরবান জেলা শাখার সংগঠক জাহেদুল ইসলাম বলেন, &ldquo;অতি দ্রুত সময়ে সকল গুম, খুন ও ধর্ষণের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এ ধরনের অপরাধ আরও বেড়ে যাবে।&rdquo; সমাবেশ থেকে অবিলম্বে সকল গুম, খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি আদায়ে ব্যর্থ হলে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে দেশব্যাপী আরও তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।বিক্ষোভ সমাবেশে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ও গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 25 May 2026 18:04:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লামায় অবৈধ বালু উত্তোলন: অভিযানে মেশিনসহ বিপুল বালু জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16623" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16623</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২৫ মে) বিকেলে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি কুমারী এলাকার পেতাইন্যারছড়ায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নেতৃত্ব দেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মো. মঈন উদ্দিন এ সময় কুমারী পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সহযোগিতা করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে কুমারী খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে ৫টি শ্যালো মেশিন এবং অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু জব্দ করা হয়।সত্যতা নিশ্চিত করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক মো. মঈন উদ্দিন প্রতিবেদক&#39;কে বলেন, পরিবেশ ধ্বংসকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 25 May 2026 18:00:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে পিতা খুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16621" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16621</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাদকাসক্তির এক চরম ও নৃশংস রূপ দেখল এলাকাবাসী। চকরিয়া পৌরসভায় দোকানে বসতে নিষেধ করায় ও তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের জন্মদাতা পা-হারা প্রতিবন্ধী পিতাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক মাদকাসক্ত পুত্র।
​আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর আনুমানিক আড়াইটার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীর কুম বাজার সংলগ্ন নিজপানখালী এলাকায় এই বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে। নিহত খলিলুর রহমান (৭৫) ওই এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
​ঘটনার বিবরণ
পরিবার ও এলাকাবাসী বলেন, নিহত খলিলুর রহমান জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এর আগে দুপুরে অভিযুক্ত যুবক মোহাম্মদ মিনার (২৮)-কে তার পিতা পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে (দোকানে) বসতে নিষেধ করেন। পিতা তাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তুমি নেশা করো, তাই তোমাকে দোকানে বসতে দেওয়া যাবে না।
​পিতার এই নিষেধাজ্ঞায় ক্ষিপ্ত হয়ে মিনার ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধী পিতার ওপর হামলা চালায়। সে পিতার মাথায়, গালে ও শরীরে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে এবং একপর্যায়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে পিতার একটি হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।
​গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন খলিলুর রহমানকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকরা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
​পূর্বেও জেল খেটেছিল ঘাতক ছেলে
​নিহতের পরিবার ও মায়ের সূত্রে জানা গেছে, ঘাতক মিনার দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর মাদকাসক্ত এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন আচরণ করে আসছিল। মাদকের টাকার জন্য সে প্রায়ই পরিবারের ওপর চড়াও হতো। ছেলের অনিয়ন্ত্রিত অত্যাচার ও ক্রমাগত হামলার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে ইতিপূর্বে পিতা খলিলুর রহমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
​সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত মিনারকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে। কিন্তু কয়েক মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়েই সে পুনরায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং আজ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায়। নিহতের অন্যান্য ভাইয়েরা পৃথকভাবে বসবাস করেন বলে জানা গেছে।

​হত্যাকাণ্ডের পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও স্থানীয় জনতা ঘাতক মিনারকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। খবর পেয়ে চকরিয়া থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
​চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,
​অভিযুক্ত মাদকাসক্ত ছেলে মোহাম্মদ মিনার বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

​এই বর্বরোচিত ঘটনার পর চকরিয়া ও পেকুয়া অঞ্চলের সচেতন মহলের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইদানীং তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ আশঙ্কাজনকভাবে মাদকে জড়িয়ে পড়ছে। এই মাদক সিন্ডিকেট ও মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে প্রশাসন যদি দ্রুত কঠোর এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেয়, তবে এই অঞ্চলের তরুণ প্রজন্ম সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে এবং এমন সামাজিক বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 14:44:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চকরিয়ায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে পিতা খুন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16622" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16622</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার মৌলভীর কুম বাজার এলাকায় মাদকাসক্ত ছেলের হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন এক বৃদ্ধ বাবা। শুক্রবার (২২ মে) জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত খলিলুর রহমান (৭৫) একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুমার নামাজ শেষে বাড়ি যাচ্ছিলেন খলিলুর রহমান। এসময় তার ছেলে মোহাম্মদ মিনার (২৮) হঠাৎ ধারালো দা নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার একপর্যায়ে খলিলুর রহমানের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখমপ্রাপ্ত হন তিনি।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মিনারকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান, অভিযুক্ত মিনার দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত। তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা আলাদা বসবাস করতেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, মাদকাসক্ত ছেলের নির্যাতনের কারণে এর আগেও খলিলুর রহমান থানায় অভিযোগ করেছিলেন। সেই মামলায় কয়েক মাস কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান মিনার। জামিনে বের হয়েই আবারও বাবার ওপর ভয়াবহ হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আমার বাঙলা/আরএ

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 14:41:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লামার মধুঝিরিতে বসতঘর পুড়ে ছাই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16620" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16620</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[
পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় একটি বসতঘর আগুনে পুড়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকালে উপজেলা সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মধুঝিরি গ্রামের নাজিম উদ্দীনের বসতঘরে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বসতগর মালিকের আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে।দাবী করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ০৫ টার দিকে হঠাৎ বসতঘরের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন জ্বলে উঠে। মুহুর্তের মধ্যে আগুন আশপাশ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে নাজিম উদ্দীনের কাচা বসতঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, যাতায়াতের রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক মালামাল নিয়ে ফায়ার সার্ভিসের বড় গাড়ি সময় মত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।এই বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পৌরসভার পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 22 May 2026 12:58:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[লামায় চালককে ছুরিকাঘাত করে সিএনজি ছিনতাই]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16614" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16614</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলায় যাত্রীবেশে উঠে এক সিএনজি চালককে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায়। বুধবার (২০ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে ফাইতং ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড বদর টিলা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ​সিএনজি চালক নুর আলম (৩০) লামা পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড টিটি এন্ড ডিসি এলাকার ছোট মিয়ার ছেলে।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যায় লামায় গজালিয়া সিএনজি স্টেশন থেকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন দুর্বৃত্ত যাত্রী সেজে নুর আলমের সিএনজি গাড়িতে ওঠে। গাড়িটি ফাইতং বদর টিলা এলাকার নির্জন স্থানে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা চালক নুর আলমের ওপর চড়াও হয়। ​একপর্যায়ে তারা নুর আলমকে মারধর এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে রক্তাক্ত ও মুমূর্ষু অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে সিএনজিটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।

​পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত লামা হাসপাতালে নিয়ে যায় পরে কর্মরত চিকিৎসক জানান, নুর আলমের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে তাকে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। ​এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও চালকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় সত্যতা নিশ্চিত করে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল প্রতিবেদককে বলেন,খবর পাওয়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি,ঘটনার সাথে জড়িতদের আটক এবং ছিনতাই হওয়া সিএনজিটি উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 20 May 2026 16:20:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সেনা অফিসার তানজিম হত্যা:  ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৯ আসামীর যাবজ্জীবন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16613" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16613</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তরুণ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। রায়ে চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড (ফাঁসি) এবং নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া অপরাধে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হওয়ায় ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
​আজ বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) এর বিচারক আবুল মনসুর ছিদ্দিকী চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।
​উল্লেখ্য ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় সংঘটিত একটি ডাকাতির খবর পেয়ে অভিযানে যায় সেনাবাহিনী। অভিযানে ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে তাদের উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন ২৩ বছর বয়সী তরুণ এই সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
​ এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর, ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি ও হত্যার অভিযোগে চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। একই ঘটনায় চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে আরেকটি পৃথক মামলা করেন।
​পরবর্তীতে তদন্তে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় প্রাথমিক এজাহারভুক্ত ১৭ আসামির মধ্য থেকে ৬ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে তদন্তে নতুন করে আরও ৭ জনের জড়িত থাকার প্রমাণ মেলায় তাদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। দীর্ঘ চার মাস নিবিড় তদন্তের পর ২০২৫ সালের ১৯ জানুয়ারি ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চূড়ান্ত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ।
বিজ্ঞ ​আদালতে দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও উভয় পক্ষের যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে আজ এই রায় দেওয়া হলো। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 20 May 2026 10:36:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নদীগর্ভে হারাচ্ছে জনপদ, আতঙ্কে হাজারো মানুষ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16611" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16611</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[উলিপুরে ধরলা-ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন রোধে মানববন্ধন, অনিয়মের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করছে এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগন। প্রতিদিন একটু একটু করে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি, স্কুল-কলেজ, বাজার ও সরকারি স্থাপনা। ঘুম ভাঙলেই নতুন করে ভাঙনের খবর&mdash;এমন আতঙ্ক নিয়েই দিন কাটছে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী মানুষের। ধরলা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভয়াবহ ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে অবশেষে রাস্তায় নেমেছেন এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে ভাঙন রোধে জরুরি পদক্ষেপ এবং নদীতীর সংরক্ষণ কাজে অনিয়মের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শত শত মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবলু মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, শিক্ষক নুর-ই-এলাহি, ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা জানান, ইসলামপুর গ্রামের রসুলপুর পাড়া, হিন্দুপাড়া, মাঝিপাড়া ও কানাপাড়া এলাকায় গত এক বছরে ভয়াবহ ভাঙনে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি, প্রায় ৫০০ একর কৃষিজমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাজার, কমিউনিটি ক্লিনিক, ভূমি অফিস ও ধর্মীয় উপাসনালয় বিলীন হয়েছে।

তাদের অভিযোগ, ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় দিন দিন পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে নদীতীর সংরক্ষণ কাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

বক্তারা আরও বলেন, দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণ না করা হলে সহস্রাধিক ঘরবাড়ি, বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ, একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং হাজার হাজার একর কৃষিজমি নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ, নদীতীর সংরক্ষণ কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়।
আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 12:35:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কালবৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড সুন্দরগঞ্জ, ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ‎]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16609" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16609</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lrm;গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গাছপালা ও ফসলি জমি। ভেঙে পড়েছে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছ। এতে উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার বিদ্যুৎ গ্রাহক সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়েছেন।
&lrm;
&lrm;রোববার (১৮ মে) রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত তীব্র ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটে। রাতভর ঝড়ের আতঙ্কে নির্ঘুম সময় কাটান স্থানীয় বাসিন্দারা।
&lrm;
&lrm;সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেলকা ,দহবন্দ এবং শান্তিরাম ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা। ঝড়ে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫ বছরের পুরোনো একটি বিশাল বটগাছ উপড়ে বিদ্যালয় ভবনের ওপর পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষসহ অন্তত চারটি শ্রেণিকক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া পৌরশহরের মীরগঞ্জ বাজারে একটি বড় বটগাছ হেলে পড়ে কয়েকটি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হয়েছে।
&lrm;
&lrm;বাহিরগোলা মোড় থেকে বাইপাস সড়ক, হাসপাতাল রোড, গাজিরকুড়া, আলুটারী, উত্তর ধুমাইটারি, দক্ষিণ ধুমাইটারি, জরমনদী ও গোপালচরণসহ বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। বেলকা ইউনিয়নের চাঁন্দের মোড়েও একটি বড় গাছ সড়কের ওপর ভেঙে পড়ে, যার ফলে ওই এলাকার যানচলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।ঝড়ে অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং ফসলি জমিরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ভারী বৃষ্টিতে অনেক কৃষকের পাকা ধানক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
&lrm;
&lrm;বেলকা ইউনিয়নে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমির পাশাপাশি বৈদ্যুতিক অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে।
&lrm;
&lrm;সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের উপ-মহাব্যবস্থাপক আব্দুল বারী জানান, ঝড়ে হাসপাতাল এলাকা ও উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন স্থানে অন্তত ১২টি বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে গেছে এবং আরও ৪টি খুঁটি হেলে পড়েছে। এছাড়া ২০ থেকে ৩০টি স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেছে ও বহু মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে মেইন লাইন চালু করা সম্ভব হয়নি এবং উপজেলার প্রায় ৮০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন।
&lrm;
&lrm;তিনি আরও বলেন, &quot;ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। ৪৫ জন কর্মী কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ চালুর কাজ করছেন।&quot;
&lrm;
&lrm;স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম মোস্তফা বাবু বলেন, &quot;কালবৈশাখী ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একাধিক স্থানে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় পুরো এলাকায় দুর্ভোগ নেমে এসেছে।&quot;
&lrm;
&lrm;দহবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আলম সরকার জানান, তার ইউনিয়নে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ থেকে ৭টি পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ গাছপালা, পানের বরজ ও ফসলি জমির ক্ষতি হয়েছে।
&lrm;
&lrm;সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেন, &quot;এখনও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&quot;
&lrm;
&lrm;এদিকে ঝড়ের পর থেকে দুই দিন ধরে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ। বিশেষত বেলকা ইউনিয়নসহ প্রত্যন্ত এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘ বিদ্যুৎহীনতায় অসহনীয় গরম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজকর্মে মারাত্মক বিঘ্নের শিকার হচ্ছেন। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 09:42:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‎গরু দেওয়ার নামে রাজু ডাক্তারের প্রতারণা, ফাঁদে শতাধিক পরিবার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16608" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16608</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[&lrm;বাপের বাড়ির জমি বিক্রি করে টাকা দিয়েছিলেন রোসনা বেগম। স্বপ্ন ছিল একটাই সরকারি প্রকল্পে গরু পেলে সংসারের হাল ফিরবে। কিন্তু দুই বছর পেরিয়ে গেছে, গরু আসেনি। টাকাও ফেরত পাননি। যার হাতে টাকা দিয়েছিলেন, তিনি এখন দেখা পর্যন্ত দেন না।
&lrm;
&lrm;রোসনা বেগম একা নন। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা, পশ্চিম বেলকা, দহবন্দ ইউনিয়নের উত্তর ধুমাইটারী ও দক্ষিণ ধুমাইটারীসহ আশপাশের এলাকায় এভাবে প্রতারণার শিকার হয়েছেন অন্তত শতাধিক সাধারণ মানুষ। তাদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন পল্লী পশু চিকিৎসক মো. রাজু মিয়া (৩৮)।
&lrm;
&lrm;অভিযুক্ত রাজু মিয়া সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবু মিয়ার ছেলে। &#39;চর উন্নয়ন প্রকল্পে&#39; সরকারি গরু দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চলেছে এই প্রতারণা। টাকা ফেরত চাইতে গেলে মারধরও করা হচ্ছে ভুক্তভোগীদের।
&lrm;
&lrm;রাজু মিয়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের জনস্বাস্থ্য প্রকল্পে কর্মরত ছিলেন। সেই সূত্রে গ্রামে গ্রামে পশুর চিকিৎসা দিতে যেতেন তিনি। এলাকায় &#39;রাজু ডাক্তার&#39; নামে পরিচিতি পান। সরকারি দপ্তরের সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে এই বিশ্বাসকেই পুঁজি করে গড়ে তোলেন প্রতারণার জাল।
&lrm;
&lrm;জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি নিজেকে &#39;চর উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা&#39; পরিচয় দিতে থাকেন। গ্রামে গ্রামে ঘুরে বলতেন, সরকারি সুবিধায় বিনামূল্যে গরু পাওয়া যাবে, তবে আগে ২৫ হাজার টাকা জমা দিতে হবে। সরল গ্রামবাসী সরকারি প্রকল্পের কথা শুনে আর সন্দেহ করেননি, একে একে টাকা দিতে শুরু করেন। শুধু গরু নয়, মুরগি দেওয়ার নামেও টাকা নিয়েছেন রাজু মিয়া।
&lrm;
&lrm;তালুক বেলকা গ্রামের ভুক্তভোগী চায়না বেগম বলেন, &quot;প্রথমে মুরগি দেওয়ার কথা বলে ১ হাজার টাকা নিয়েছে। পরে সপ্তাহ না যেতেই গরু দেওয়ার কথা বলে আরও ১৫ হাজার টাকা নিয়েছে। গরুর ছবিও দেখাইছে। এখন মুরগিও নাই, গরুও নাই। ওই বাটপারের দেখাও পাইনা।&quot;
&lrm;
&lrm;প্রতিবেদক সরেজমিনে গিয়ে একের পর এক ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিটি গল্পে একই সুর স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল, শেষ সম্বলও গেছে, তবুও প্রতিশ্রুত গরু মেলেনি।
&lrm;
&lrm;তালুক বেলকা গ্রামের বৃদ্ধা নুরভানু বেওয়া (৬০) কাঁদতে কাঁদতে বলেন, &quot;দুই বছর আগে আমার ছেলের গরু অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য রাজু ডাক্তার বাড়িতে আসে। আমার গরু না থাকায় গরু দেওয়ার কথা বলে ২৫ হাজার টাকা চায়। আমি ধার-দেনা করে ১০ হাজার টাকা দিয়েছি। গরু পাওয়ার পর বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এখন গরুও নাই, টাকাও নাই। দিনের পর দিন ঘুরাচ্ছে। টাকা চাইতে গেলে উল্টো আমাকেসহ কয়েকজনকে মারধর করেছে।&quot;
&lrm;
&lrm;তালুক বেলকা গ্রামের বাসিন্দা রোসনা বেগম বলেন, &quot;রাজু ডাক্তার আমাকে গরু দেওয়ার কথা বলে ১৪ হাজার ৪০০ টাকা নিয়েছে। আমি বাপের বাড়ির জমি বিক্রি করে টাকা দিছি। টাকা নেওয়ার চার-পাঁচ দিন পর গরু দেওয়ার কথা ছিল। এখন দুই বছর হয়ে গেল, গরুও নাই, টাকাও নাই। খালি তালবাহানা করছে।&quot;
&lrm;
&lrm;ভুক্তভোগী রাশেদুল ইসলাম বলেন, &quot;দুয়েক দিন পর পর রাজু ডাক্তার বাড়িতে এসে বুঝায় সরকারিভাবে গরু পাবো। বিনিময়ে টাকা দিতে হবে। আমার কাছেই ২৫ হাজার টাকা নিয়েছে। টাকাও নাই, গরুও নাই। টাকা চাইতে গেলে আমাদেরকে হুমকি দেয়, সেদিন মারধর করেছে আমাদের।&quot;
&lrm;
&lrm;অভিযোগকারী ফেরদৌস মিয়া বলেন, &quot;আমরা সরকারি প্রকল্প মনে করে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়েছি। এখন বুঝতেছি আমরা প্রতারণার শিকার হইছি। আমাদের মতো গ্রামের অনেক মানুষ তার কাছে টাকা দিছে। এখন টাকা চাইতে গিয়ে আমাদেরকে মারধর করেছে।&quot;
&lrm;
&lrm;তালুক বেলকা গ্রামের শরিফুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, মাহাবুর রহমান, ছাইদুল ইসলাম, ছালাম মিয়া, অফি মিয়া, খোকন মিয়া, ফুল বাবু, মোকলেছার রহমান, বেলিনা বেগম, বাছিরন বেগম, মুন্নি বেগম, মিন্না বেগম, শাহিদা বেগম, খতেজা বেগম, সাবানা বেগম, মমেনা বেগম, আমেনা বেগম, ফিরোজা বেগম, হাছিনা বেগম, মনজিলা, মোসলেমা বেগমসহ আরও অনেকেই এই প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
&lrm;
&lrm;দীর্ঘদিন ধরে তালবাহানার পর ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চাইতে গেলে ঘটনা আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকালে সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভুট্টু মিয়া ফার্ম সংলগ্ন এলাকায় ফেরদৌস মিয়া, তার বৃদ্ধা দাদি নূরভানু বেগম ও রাশেদুল ইসলাম পশু ডাক্তার রাজু মিয়ার কাছে পাওনা টাকা ফেরত চান। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের মারধর করেন রাজু মিয়া। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করেন। গুরুতর আহত বৃদ্ধা নূরভানু বেগমকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ফেরদৌস মিয়া ও রাশেদুল ইসলামও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
&lrm;
&lrm;অনুসন্ধানে জানা গেছে, ঘটনাটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আলোচনায় থাকলেও অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাননি। কারণ, রাজু মিয়া সবসময় নিজেকে প্রভাবশালী ও সরকারি দপ্তরে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে বলে পরিচয় দিতেন।
&lrm;
&lrm;আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী বলেন, রাজু ডাক্তার বিভিন্ন সময় এলাকার লোকজনকে সরকারিভাবে মুরগি ও গরু দেওয়ার প্রলোভন দেখাত। একেকজন উপকারভোগীর বিপরীতে ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছে। তাকে অনেকবার বলার পরেও টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এখন টাকা চাইলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
&lrm;
&lrm;শুধু বাইরে নয়, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেতরেও রাজু মিয়ার প্রভাব ছিল গভীরে। অভিযোগ রয়েছে, জনস্বাস্থ্য প্রকল্পে কর্মরত থাকাকালীন তৎকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিমের ছত্রছায়ায় অফিসে একটি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। করোনাকালীন খামারিদের প্রণোদনা বিতরণেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
&lrm;
&lrm;প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) ইনভেস্টমেন্ট সাপোর্টের আওতায় পরিবেশবান্ধব মুরগির শেড নির্মাণেও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। প্রকল্পের অর্থে ঘর নির্মাণের নামে প্রডিউসার গ্রুপের (পিজি) সদস্যদের সঙ্গে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা সম্পাদন করা হয়। একইসঙ্গে সদস্যদের কাছ থেকে ফাঁকা চেকেও স্বাক্ষর নেওয়া হয়। মুরগির শেড নির্মাণের কাজ উপকারভোগীদের সম্পাদন করার কথা থাকলেও তৎকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিম অভিযুক্ত রাজুর মাধ্যমে উপকারভোগীদের ছাড়াই এ টাকা উত্তোলন করে নিজেদের ইচ্ছামতো শেড নির্মাণের কাজ করেছেন।
&lrm;
&lrm;এই অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হয়রানির শিকার হয়েছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও। তৎকালীন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. ফজলুল করিমের কাছে তথ্য চাইতে গেলে সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রক রাজু মিয়া ওই কর্মকর্তার সামনেই গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং সংবাদ প্রকাশ করলে &#39;দেখে নেওয়ার&#39; হুমকি দেন।
&lrm;
&lrm;বিভিন্ন প্রকল্পে উপকারভোগী যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বও পালন করতেন রাজু। অভিযোগ রয়েছে, টাকার বিনিময়ে অযোগ্য ব্যক্তিদেরও সরকারি সুযোগ-সুবিধার আওতায় নিয়ে আসতেন তিনি।
&lrm;
&lrm;ফজলুল করিম বদলি হওয়ার পরেও দপ্তর নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিলেন রাজু মিয়া। নতুন কর্মকর্তা ডা. সুমনা আক্তার বিষয়টি জানতে পেরে সিন্ডিকেট ভেঙে দেন। এতে ক্ষুব্ধ রাজু মিয়া তার সঙ্গেও অসদাচরণ করেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, ডা. সুমনা আক্তার অফিস ও নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে বাধ্য হন।
&lrm;
&lrm;এরপর ডা. সুমনা আক্তার বদলি হয়ে গেলে দপ্তরে আসেন ডা. বিপ্লব কুমার দে। তিনিও রাজু মিয়ার হয়রানি থেকে রেহাই পাননি। বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়ে তিনিও থানায় জিডি করেন। দপ্তরের ভেতর থেকে পাওয়া আস্থা ও ক্ষমতাকে ব্যবহার করে বছরের পর বছর ধরে এই সিন্ডিকেট টিকে থেকেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
&lrm;
&lrm;অভিযুক্ত রাজু মিয়ার সঙ্গে প্রতিবেদকের কয়েক দফা কথা হয়। প্রথমে তিনি বলেন, &quot;কিছুই হয়নি, আমার ভগ্নিপতির সাথে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছে, এটা ব্যক্তিগত বিষয়।&quot; এ বলেই ফোন কেটে দেন। পরে আবার কথা হলে গরু দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, &quot;আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে।&quot;
&lrm;
&lrm;উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোজাম্মেল হক বলেন, &quot;রাজু মিয়া আমাদের জনস্বাস্থ্য প্রকল্পে কাজ করেছিল, তবে সেই প্রকল্পের মেয়াদ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় ইতোপূর্বে দুইজন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। অভিযুক্ত রাজু আমাদের দপ্তরের কেউ নয়।&quot;
&lrm;
&lrm;এ ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ফেরদৌস মিয়া। এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, &quot;লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 09:21:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলার উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16607" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16607</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনব্যাপী ভূমি সেবা মেলা (১৯-২১ মে) উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে সেবা মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
ভূমি সেবা মেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় সেমিনার। জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। সেমিনারে ডিডিএলজি (উপপরিচালক) শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক-উজ-জামান এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ভূমি সেবা মেলায় জনসেবার জন্য বিভিন্ন স্টলে ভূমি বিষয়ক সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 08:56:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কালীগঞ্জে জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা মেলা ২০২৬ উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16604" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16604</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনা, সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ&rdquo; প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালীগঞ্জে ভূমি সেবা মেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কালীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সরওয়ার লিমা।

গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও জরুরি কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেননি। তাঁর অনুপস্থিতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম কামরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মাস্টার।

সভায় বক্তারা বলেন, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতা ও সেবা গ্রহণে হয়রানি দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজেশনের আওতায় এনে বিভিন্ন অনলাইন সেবা চালু করেছে। এর ফলে নাগরিকরা এখন ঘরে বসেই সহজে ভূমি সংক্রান্ত নানা সেবা গ্রহণ করতে পারছেন, যা সময় ও খরচ উভয়ই সাশ্রয় করছে।

তারা আরও বলেন, ভূমি সপ্তাহ উপলক্ষে এমন উদ্যোগ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভূমি সেবাকে আরও সহজলভ্য করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সাধারণ মানুষের একটি অংশও যদি এ কার্যক্রমের মাধ্যমে উপকৃত হয়, তবে এ আয়োজন সফল বলে বিবেচিত হবে।

এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 19 May 2026 07:52:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কুষ্টিয়ার মিরপুরে তামাকে আগুন দিয়ে কৃষকদের কান ধরে তওবা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16603" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16603</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কঠোর পরিশ্রম আর চড়া বিনিয়োগের পরও তামাকের ন্যায্য মূল্য না পেয়ে চরম ক্ষোভ ও লোকসানের মুখে পড়েছেন কুষ্টিয়ার মিরপুরের চাষিরা। তামাক কোম্পানীগুলোর সিন্ডিকেট এবং বাজারে সঠিক দাম না পেয়ে এবার মাঠের তামাক ঘরে না তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে ফসলের মাঠেই উৎপাদিত শুকনো তামাকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন কয়েক শত কৃষক। একই সাথে আর কখনোই এই ক্ষতিকর ও অলাভজনক তামাক চাষ করবেন না বলে সমবেতভাবে কান ধরে তওবা করেছেন তারা।

স্থানীয় চাষিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কোম্পানীগুলোর নানা প্রলোভনে পড়ে এবং অধিক লাভের আশায় বুক বেঁধে চলতি মৌসুমে কুষ্টিয়ার মিরপুর অঞ্চলের বিস্তীর্ণ মাঠে তামাকের আবাদ করেছিলেন তারা। কিন্তু এখন তামাক বিক্রির চূড়ান্ত সময়ে এসে দেখা যাচ্ছে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বাজারে তামাকের ন্যায্য দাম নেই, উল্টো সিন্ডিকেটের কারণে উৎপাদন খরচ তোলাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, তামাক কোম্পানীগুলো গ্রেড নির্ধারণের নামে কৃষকদের ঠকাচ্ছে এবং ইচ্ছেমতো কম দামে তামাক কিনছে। সার, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি এবং জ্বালানির চড়া দাম দিয়ে তামাক উৎপাদন করে এখন ঋণের বোঝা মাথায় চেপেছে সাধারণ চাষিদের।

এদিন মিরপুরের একটি মাঠে ক্ষুব্ধ কৃষকরা একত্রিত হয়ে জড়ো হন। সেখানে তারা তামাক চাষের ওপর তীব্র ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে উৎপাদিত তামাকের স্তূপে আগুন ধরিয়ে দেন। আগুন জ্বলন্ত অবস্থায় কৃষকরা সমবেত কণ্ঠে কান ধরে প্রতিজ্ঞা করেন&mdash; &quot;কষ্টের ফসলের দাম না দিয়ে যারা আমাদের পথে বসায়, সেই তামাক চাষ আর করব না। কান ধরে তওবা করলাম, আর নয় তামাক চাষ।&quot;

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, &quot;রাত-দিন এক করে তামাকের পেছনে খাটলাম। বিষাক্ত ধোঁয়ায় শরীর শেষ করলাম। এখন কোম্পানীগুলো সিন্ডিকেট করে দাম দিচ্ছে না। আমাদের খরচের টাকাই উঠছে না। এমন তামাক চাষ করার চেয়ে না করা অনেক ভালো। এবার তামাকে আগুন দিয়ে তওবা করলাম, আর কোনোদিন এই বিষের চাষ করব না।&quot;

চাষিরা জানান, তামাক চাষে যে পরিমাণ চড়া খরচ ও খাটুনি হয়, সেই তুলনায় অন্যান্য রবিশস্য বা সবজি চাষ অনেক বেশি নিরাপদ ও লাভজনক। তামাক বর্জন করে তারা এখন থেকে ধান, ভুট্টা, সরিষা ও শাকসবজি চাষের দিকে মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, তামাক কোম্পানীগুলোর একচেটিয়া সিন্ডিকেটের কারণেই কৃষকরা আজ বাধ্য হয়ে এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কৃষকদের এই লোকসান থেকে বাঁচাতে এবং তামাকের বিকল্প খাদ্যশস্য চাষে উদ্বুদ্ধ করতে সরকারের কৃষি বিভাগকে দ্রুত বীজ, সার ও কারিগরি সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 11:36:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফরিদপুরের আলোচিত মা-মেয়ে হত্যাকান্ডের ঘটনায় পরকীয়া প্রেমিক আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16602" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16602</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানাধীন চর মাধবদী এলাকায় মাটি চাপা দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার হওয়া মা ও মেয়ের হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উজ্জ্বল খান (৩৮) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার (১৭ মে) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) ফাতেমা ইসলাম।

পুলিশ জানায়, নিহত জাহানারা বেগম (৩০) রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এলাকার বাসিন্দা। তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে সামিয়ার মরদেহসহ গত ১৪ মে ফরিদপুর সদর উপজেলার চর মাধবদী ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার একটি পুকুরপাড় সংলগ্ন স্থান থেকে মাটি চাপা অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্বজন লালন মোল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই (নিরস্ত্র) মো. আবুল বাশার মোল্লাকে।

তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার বকারটিলা এলাকা থেকে উজ্জ্বল খানকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ঢাকার আমিনবাজার এলাকায় একটি ইটভাটায় কাজ করার সময় জাহানারা বেগমের সঙ্গে উজ্জ্বল খানের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে উজ্জ্বল খান জাহানারাকে ফরিদপুরে নিয়ে আসে।

গত ৪ মার্চ রাতে চর মাধবদী ইউনিয়নের কালিতলা এলাকার একটি নির্জন ছাপড়া ঘরে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটির সৃষ্টি হলে উজ্জ্বল খান প্রথমে জাহানারাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিশু সামিয়াকেও গলা টিপে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যার পর আসামি নিজ বাড়ি থেকে কোদাল এনে ছাপড়া ঘরের পাশে পৃথক দুটি গর্ত খুঁড়ে মা-মেয়ের মরদেহ মাটি চাপা দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতদের ব্যবহৃত বোরকা, ওড়না, নেকাব, শিশু সামিয়ার পোশাক, একটি মালা, আসামির ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র ও কোদাল উদ্ধার করে।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 11:32:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিখোঁজের  ১৩ দিন পর বিএসএফের মাধ্যমে দেশে ফিরল কুষ্টিয়ার প্রতিবন্ধী যুবক বকুল!]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16601" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16601</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ ১৩ দিন পর, ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফের হাত থেকে বিজিবির মাধ্যমে নিজ দেশে ফিরেছে মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক বকুল মন্ডল (৩৫)। বিজিবি ও বিএসএফের বিশেষ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে শনিবার রাতে তাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে আজ রোববার সকালে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ফিরে আসা বকুল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চড়ুইকুড়ি (মরার পাড়া) গ্রামের লুৎফর রহমান মন্ডলের ছেলে।
বিজিবি ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মে বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হন মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক বকুল মন্ডল। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তিনি পথ ভুলে কোনো এক সময় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের কলকাতায় চলে যান।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কলকাতায় এক বাংলাদেশি যুবক অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকার ছবি ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। স্বজনরা সেই ছবি দেখে বকুলকে শনাক্ত করেন। বকুলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর ওপার বাংলার স্থানীয় মানুষের সহায়তায় সে পুনরায় বাংলাদেশে ফেরার চেষ্টা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে সীমান্ত এলাকা থেকে বিএসএফ সদস্যরা বকুলকে আটক করে নিজ ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে বিএসএফের পক্ষ থেকে বিষয়টি ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নকে জানানো হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল ১৬ মে শনিবার রাত ১০টার দিকে দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন চড়াইকুড়ি সীমান্ত পিলার ১৫৭/২(এস) এর নিকট বিজিবির চিলমারি ক্যাম্প এবং ভারতের বিএসএফ চরভদ্র ক্যাম্পের সদস্যদের মধ্যে এক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএসএফ বকুলকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
আজ ১৭ মে রোববার বেলা ১১ টায় বিজিবি চিলমারি ক্যাম্পের পক্ষ থেকে বকুলকে তার পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ১৩ দিন পর সন্তানকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বকুলের আবেগাপ্লুত পরিবার।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 11:30:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চট্টগ্রামে জাল নোটসহ ৩ জন গ্রেপ্তার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16598" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16598</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ ও হাটহাজারী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র&zwj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&zwj;্যাব-৭)। গতকাল শনিবার (১৬ মে) এই অভিযান চালানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থানার মহিষাড় এলাকার মো. আছান উল্লাহ ওরফে হাসান (৩৫), ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার সালধর এলাকার জাহিদুল ইসলাম ওরফে আসিফ (২১) এবং ফেনীর পরশুরাম থানার হাসানুর রাহি (১৯)।

র&zwj;্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন প্রথম আলোকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল দুপুরে নগরের পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকায় প্রথম অভিযানটি চালানো হয়। সেখানে জাল টাকা বিক্রির উদ্দেশ্যে একদল লোক অবস্থান করছে জানতে পেরে র&zwj;্যাব সদস্যরা উপস্থিত হলে আছান উল্লাহ পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা একটি শপিং ব্যাগ তল্লাশি করে ১ লাখ ১২ হাজার ৭৫০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে, একই দিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাটহাজারী থানার আলীপুর আব্বাসিয়াপুর এলাকায় আরেকটি অভিযান চালায় র&zwj;্যাব। সেখান থেকে জাহিদুল ইসলাম ও হাসানুর রাহিকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৮৫০ টাকার জাল নোট উদ্ধার করা হয়।

র&zwj;্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়েরসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 10:49:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কক্সবাজারে আল গনীর  খাবার খেয়ে অসুস্থ ৩০ পর্যটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16596" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16596</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টের আল গণী রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়ে অন্তত ৩০ জন পর্যটক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে অভিযান চালিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের দায়ে &lsquo;আল-গণি&rsquo; রেস্তোরাঁ ও হোটেল &lsquo;সী প্যালেসকে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১৬ মে) বিকেলে পরিচালিত যৌথ অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে পৃথকভাবে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের ১৩০ সদস্যের একটি দল শিক্ষা সফরে কক্সবাজারে আসে। শুক্রবার রাতে দলের ৩০ জন সদস্য সুগন্ধা পয়েন্টে অবস্থিত আল-গণি রেস্তোরাঁয় নৈশভোজ করেন। সেখানে তারা বারবিকিউসহ বিভিন্ন খাবার খান। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পর থেকেই পর্যটকদের মধ্যে বমি, ডায়রিয়া ও তীব্র পেটব্যথার উপসর্গ দেখা দেয়।

পরবর্তীতে রাত সাড়ে ১১টার পর থেকে অসুস্থদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা শুরু হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তানবী জান্নাত জানান, &ldquo;রাত সাড়ে ১১টা থেকে পর্যটকেরা হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। মোট ৩০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে এটি খাদ্য বিষক্রিয়ার ঘটনা বলে মনে হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কয়েক ঘণ্টা চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের পর শনিবার দুপুরে আক্রান্তদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

চিকিৎসা নেওয়া পর্যটকদের মধ্যে ছিলেন গোলাম মোর্শেদ, মাহবুব আলম, আব্দুল মোমিন, মৌ, রুমা, আসমানী, মরিয়ম, মশিউর রহমান ও মাসুম বিল্লাহসহ আরও অনেকে।

ঘটনার পর ট্যুরিস্ট পুলিশ ও প্রশাসনের নজরে এলে শনিবার বিকেলে আল-গণি রেস্তোরাঁয় অভিযান চালানো হয়। জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা শুভ্র দাশ বলেন, &ldquo;অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে রেস্তোরাঁটির রান্নাঘরে চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া গেছে। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করায় ভোক্তা অধিকার আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং সতর্ক করা হয়েছে।


একই দিনে শহরের আরেকটি নামী প্রতিষ্ঠান হোটেল সী প্যালেসের রেস্টুরেন্টেও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়ায় সমপরিমাণ জরিমানা করা হয়।

এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পর্যটকেরা। রাজশাহী টিচার্স ট্রেনিং কলেজের শিক্ষক আব্দুল মোমিন ও পর্যটক মশিউর রহমান বলেন, &ldquo;পর্যটন নগরীর নামী রেস্তোরাঁগুলোর খাবারের মান যদি এমন হয়, তাহলে পর্যটকেরা কোথায় নিরাপদ খাবার পাবেন?&rdquo; তারা কক্সবাজারের সব খাবারের দোকানে প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর নজরদারির দাবি জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে আল-গণি রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। সাংবাদিকদের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা দাবি করেছে, তাদের পরিবেশিত বারবিকিউ নয়; বরং সৈকত এলাকায় খোলা স্থানে অন্য কোনো খাবার বা পানি পান করেই পর্যটকেরা অসুস্থ হয়েছেন।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 07:38:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজবাড়ীতে সনাকের পুনর্গঠন সভা অনুষ্ঠিত। ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16595" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16595</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর আয়োজনে রাজবাড়ী জেলা শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তন কক্ষে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-এর পুনর্গঠন সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টিআইবি&rsquo;র নির্বাহী পরিচালক ডঃ ইফতেখারুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ী জেলা টিআইবি&rsquo;র কো-অর্ডিনেটর মাসুদ আহমেদ, ইয়েস (ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট)-এর সহ-দলনেতা আকাশ হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা। অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

সভায় বক্তারা বলেন, দুর্নীতি রোধ, মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষ্যে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়েস এবং এসিজি (অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপ) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি এবং তরুণ সমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যেই এসব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডঃ ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে পারলে একটি সুন্দর ও জবাবদিহিমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

সভায় আরও বলা হয়, বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি এই সচেতনতামূলক উদ্যোগ শহরের গণ্ডি পেরিয়ে মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

অনুষ্ঠানের শেষে সনাকের পুনর্গঠন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 07:36:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে দৌলতদিয়া ঘাটে নৌসচিব]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16594" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16594</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া বলেছেন, গত ঈদে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তদন্তে নির্দেশনা অমান্যের বিষয় উঠে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং ফেরিতে যানবাহন ওঠানোর আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

শনিবার (১৬ মে) দুপুরে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন তিনি।

নৌসচিব বলেন, ঈদকে সামনে রেখে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কোরবানির পশুবাহী ও যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বাড়বে। তাই কোরবানির পশু ও যাত্রীদের নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন পারাপার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ফেরিঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ, যানবাহন পারাপারে নিয়ম মেনে চলা এবং যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে ফেরিতে গাড়ি ওঠানোর আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার বিষয়টি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো যায়।

পরিদর্শনকালে তিনি ঘাট এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি, ফেরি চলাচল, যানবাহন পারাপার ব্যবস্থা ও যাত্রীসেবার বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) এর চেয়ারম্যান মোঃ আবুল ইসলাম, পরিচালক (বানিজ্য) এসএম আশিকুজ্জামান, বিআইডব্লিউটিএ এর সদস্য (অর্থ) ক্যাপ্টেন মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বিএন (অব.), সদস্য (প্রকৌশল) রকিবুল ইসলাম তালুকদার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), প্রধান প্রকৌশলী (পুর) এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজিদ হোসেন, গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মুনতাসির হাসান খান, বিআইডব্লিউটিএ আরিচা কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ) আশরাফ উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পুর) রবিউল আলম, আরিচা নদীবন্দরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা সুব্রত রায়, বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন, পাটুরিয়া ঘাটের ম্যানেজার (মেরিন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আমার বাঙলা/আরএ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 17 May 2026 07:33:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদক সেবনে বাধা: মীরসরাইয়ে ছেলের হামলায় বাবার মৃত্যু, আটক ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16593" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/16593</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদকের মরণনেশা কেড়ে নিল আরও একটি তাজা প্রাণ, ধ্বংস করে দিল একটি পরিবার। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় নিজের জন্মদাতা বাবাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক পাষণ্ড ছেলের বিরুদ্ধে। নিহত বৃদ্ধের নাম আহমদ ডিলার (৭০)। তিনি উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পূর্ব অলিনগর বিশ্বটিলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

গত শুক্রবার (১৫ মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে নিজ বাড়িতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদকাসক্ত ছেলে ইব্রাহীম হোসেন মিলনকে আটক করেছে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইব্রাহীম হোসেন মিলন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। মাদকের নীল ছোবলে পড়ে তিনি এলাকায় বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তাকে বারবার ভালো পথে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করলেও তিনি দিন দিন আরও বেপরোয়া ও সহিংস হয়ে ওঠেন।

ঘটনার দিন শুক্রবার রাতে নিজ বাড়িতে মাদক সেবন করা নিয়ে বাবা আহমদ ডিলারের সাথে মিলনের তীব্র তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভে উন্মত্ত হয়ে মিলন লাঠি দিয়ে তাঁর বৃদ্ধ বাবাকে এলোপাতাড়ি আঘাত করা শুরু করেন। লাঠির নির্মম আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে, পরিবারের অন্য সদস্যরা উদ্ধার করার আগেই, ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান বৃদ্ধ আহমদ ডিলার।

হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই জোরারগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করার পাশাপাশি ঘাতক ছেলে মিলনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।


জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, &ldquo;বাবাকে হত্যার অভিযোগে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ছেলেকে আটক করেছি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্ত ছেলেটি চরম মাদকাসক্ত। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।&rdquo;


এই বর্বরোচিত ঘটনার পর পুরো অলিনগর এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া, বিরাজ করছে তীব্র ক্ষোভ। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাদকের এই ভয়াবহ ছোবল শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করছে না, একটির পর একটি পরিবারকে চিরতরে শেষ করে দিচ্ছে। তারা এই নরপিশাচ ছেলের দৃষ্টান্তমূলক ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যেন আর কোনো সন্তান এমন জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 16 May 2026 16:55:05 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
