<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/bangladesh</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/bangladesh"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla bangladesh Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest bangladesh News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Wed, 26 Aug 2026 10:09:48 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[বরিশালে হাম উপসর্গে ২ শিশুর মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18682" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18682</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বরিশাল বিভাগে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মৃত দুই শিশুর মধ্যে তূর্জ বল্লভের বয়স ছয় মাস। তার বাড়ি বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায়। অপর শিশু হুমায়েরা চার মাস বয়সী। তার বাড়ি বরগুনার বেতাগী উপজেলায়।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম নিয়ে প্রায় ১৫ হাজার ৮১৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৯৫২ জন।

এদিকে, চলতি বছরে বিভাগের ছয় জেলায় বিভিন্ন হাসপাতালে হাম আক্রান্ত সন্দেহে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। তাদের মধ্যে ১৯ জনই শিশু। বিপুলসংখ্যক শিশু আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনায় বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল মুনায়েম সাদ বলেন, হাম আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় কোনো ধরনের ঘাটতি যাতে না থাকে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। প্রতিটি মৃত্যুই দুঃখজনক। হাম মোকাবিলায় টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 10:09:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যমুনায় দুই নদীবন্দর, ২০০ কিমির পথ কমে ১৬ কিমি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18681" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18681</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[এক পাশে বগুড়ার সারিয়াকান্দি, অন্য পাশে জামালপুরের মাদারগঞ্জ। মাঝখানে যমুনা নদী। নদীর দুই পাড়ের সরাসরি দূরত্ব মাত্র ১৬ কিলোমিটারের মতো হলেও সড়কপথে যোগাযোগ করতে হয় সিরাজগঞ্জ ও বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে। এতে বগুড়া থেকে মাদারগঞ্জের যাত্রাপথ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার। দীর্ঘদিনের এই ঘুরপথের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যমুনার তীরে বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনটে নতুন দুটি অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

গত ৮ জুলাই নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনে নদীবন্দর দুটির সীমানা নির্ধারণ করা হয়। এর ফলে দেশে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬টিতে।

নদীবন্দর দুটি কার্যকর হলে সারিয়াকান্দি থেকে সরাসরি নৌপথে জামালপুরের মাদারগঞ্জের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। ফলে প্রায় ২০০ কিলোমিটারের পরিবর্তে যমুনা পেরিয়ে মাত্র ১৬ কিলোমিটারের নৌপথে দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এতে শুধু মানুষের যাতায়াত নয়, কৃষিপণ্য ও অন্যান্য পণ্য পরিবহনেও সময় ও ব্যয় কমতে পারে। পাশাপাশি যমুনার দুই পাড়ে নতুন ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠার সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয়রা।


সরেজমিনে দেখা যায়, সারিয়াকান্দির যমুনার তীরঘেঁষে গড়ে ওঠা ঘাটগুলোতে সকাল থেকেই ব্যস্ততা। কোথাও ছোট নৌকায় মানুষ পার হচ্ছে, কোথাও নদীর পাড়ে পড়ে আছে কৃষিপণ্য বোঝাই বস্তা। আবার কোথাও নৌযানে মালামাল ওঠানামার প্রস্তুতি চলছে।

নদীর ওপারেই জামালপুরের মাদারগঞ্জ। দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের যাতায়াত, আত্মীয়তা ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সহজ ও নিয়মিত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে ভৌগোলিক এই নৈকট্য বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় রূপ নিতে পারেনি।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারিয়াকান্দি থেকে মাদারগঞ্জের সরাসরি দূরত্ব খুব বেশি নয়। কিন্তু সড়কপথে যেতে হলে সিরাজগঞ্জ হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হয়ে যেতে হয়। ফলে নদীপথে কয়েক কিলোমিটারের দূরত্ব সড়কপথে প্রায় ২০০ কিলোমিটারে গিয়ে ঠেকে। এতে যাত্রীদের সময়ের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের খরচও বেড়ে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. দুলাল মিঞা বলেন, নদীর দুই পাড়ে কৃষিপণ্য, নিত্যপণ্য ও অন্যান্য ব্যবসার বড় সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু যোগাযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে বড় পরিসরে বাণিজ্য গড়ে ওঠেনি। সারিয়াকান্দির উৎপাদিত পণ্য মাদারগঞ্জ ও জামালপুরের বাজারে সহজে পাঠানো গেলে নতুন বাজার তৈরি হবে। একইভাবে ওই অঞ্চলের পণ্যও কম সময়ে বগুড়ায় আনা সম্ভব হবে।

স্থানীয় কৃষক মো. জলিল মিয়া বলেন, বগুড়া থেকে মাদারগঞ্জ মানচিত্রে পাশাপাশি। কিন্তু মালামাল নিয়ে যেতে হলে অনেক পথ ঘুরতে হয়। এতে ভাড়া ও সময় দুটোই বাড়ে। নিয়মিত নৌযান চলাচল শুরু হলে দুই পাড়ের ব্যবসাই বাড়বে।

শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নয়, চিকিৎসা, শিক্ষা, হাটবাজার ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে যোগাযোগের জন্যও নদীর দুই পাড়ের মানুষের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নিরাপদ ও নিয়মিত নৌযোগাযোগ চালু হলে তাদের দৈনন্দিন ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. পাবেল হোসেন বলেন, নদীর ওপারেই মাদারগঞ্জ। অথচ জরুরি কোনো কাজে যেতে হলে অনেক ঘুরে যেতে হয়। নৌপথটি ঠিকভাবে চালু হলে আমাদের জন্য অনেক সুবিধা হবে।

কৃষিপণ্য পরিবহনে নতুন সম্ভাবনা

সারিয়াকান্দি ও আশপাশের এলাকায় ধান, আলু, ভুট্টা, পেঁয়াজ, মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। এসব পণ্যের বড় অংশ বর্তমানে সড়কপথে বিভিন্ন মোকাম ও জেলার বাজারে পাঠানো হয়।

স্থানীয়দের মতে, নদীবন্দরকে কেন্দ্র করে নৌপথে বড় পরিমাণ কৃষিপণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে কৃষকদের পরিবহন ব্যয় কমতে পারে। বিশেষ করে আলু, সবজি ও পেঁয়াজের মতো পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে দ্রুত পরিবহন নিশ্চিত করা গেলে কৃষকের ক্ষতিও কমবে।

স্কুলশিক্ষক বিপ্লব মিয়া বলেন, নদীবন্দর কার্যকর হলে কৃষিপণ্য পরিবহনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। কাছের নদীবন্দরে কৃষক পণ্য নিয়ে এসে নৌযানে তুলে দিতে পারবেন। সেখান থেকে যমুনার ওপারের বাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তুলনামূলক কম খরচে পণ্য পাঠানো সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নদীবন্দরকে কেন্দ্র করে শুধু নৌযান চলাচল নয়, একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠার সুযোগ রয়েছে। জেটি, টার্মিনাল, গুদাম, পণ্য ওঠানামা, পরিবহন, প্যাকেজিং, কোল্ড স্টোরেজ, নৌযান মেরামতসহ বিভিন্ন সেবার চাহিদা তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে বাড়তে পারে হোটেল, খাবারের দোকান, ছোট ব্যবসা ও পরিবহনসেবা।

স্থানীয় কৃষক আবু তাহের বলেন, আমাদের সমস্যা শুধু উৎপাদন নয়, উৎপাদিত পণ্য কম খরচে দ্রুত বাজারে পৌঁছানোও বড় বিষয়। দূরের বাজারে পণ্য পাঠাতে পরিবহন খরচ বেশি হলে সেই ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত কৃষকের ওপর পড়ে। নৌপথে একসঙ্গে বেশি পরিমাণ পণ্য পরিবহনের সুযোগ তৈরি হলে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।

আরেক কৃষক রুবেল মিয়া বলেন, মৌসুমে একই সময়ে অনেক কৃষক পণ্য বাজারে তোলেন। তখন স্থানীয় বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেলে দাম কমে যায়। নদীপথে দ্রুত অন্য এলাকার বাজারে পণ্য পাঠানোর সুযোগ থাকলে কৃষক এক বাজারের ওপর নির্ভরশীল থাকবেন না।

সারিয়াকান্দির পাশাপাশি নতুন ধুনট নদীবন্দরও উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ধুনট নদীবন্দরের সীমানা সারিয়াকান্দি উপজেলার কর্ণিবাড়ী ইউনিয়নের মধুরাপাড়া ঘাট এলাকা থেকে শুরু হয়ে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার তেকুরিয়া হাটসংলগ্ন যমুনা নদী হয়ে বগুড়ার ধুনট উপজেলার চৌবার মৌজার বেশাঘীর চর পর্যন্ত বিস্তৃত। বন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শাহরাবাড়িসহ বিদ্যমান ঘাট ও খালও রয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধুনটের সঙ্গে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরসহ যমুনার দুই পাড়ের বাজারগুলোর সরাসরি নৌযোগাযোগ জোরদার হলে কৃষিপণ্য ও অন্যান্য মালামাল পরিবহনে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এতে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার উৎপাদিত পণ্য নৌপথে তুলনামূলক কম খরচে দেশের বিভিন্ন বাজারে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।


নদীবন্দর ঘোষণার খবরে স্থানীয়দের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হলেও এখন তাদের বড় প্রত্যাশা অবকাঠামো নির্মাণ নিয়ে। তারা দ্রুত আধুনিক জেটি, যাত্রীছাউনি, পণ্য ওঠানামার স্থান, গুদাম এবং নিরাপদ নৌযান চলাচলের ব্যবস্থা চান।

নদীবন্দর ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে সীমানা নির্ধারণের পাশাপাশি নৌপথ উন্নয়ন, জেটি নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো স্থাপন ও যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার বিষয় উল্লেখ রয়েছে। দুই বন্দরের সংরক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ)।

তবে এখনো সারিয়াকান্দি ও ধুনট বন্দরে কতটি জেটি নির্মাণ করা হবে, কোন ঘাটকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, সম্ভাব্য ব্যয় কত এবং নির্মাণকাজ কবে শুরু হবে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নদীবন্দর ঘোষণার সুফল পেতে হলে শুধু কাগজে বন্দর ঘোষণা করলেই হবে না। সারা বছর নৌযান চলাচলের উপযোগী নাব্যতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজন হলে ড্রেজিং করতে হবে। পাশাপাশি যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের উপযোগী নৌযান চালুর বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
বন্দর দুটির কার্যকারিতা নির্ভর করবে পণ্য ওঠানামার জন্য জেটি, গুদাম ও সংরক্ষণ সুবিধার পাশাপাশি আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ কতটা উন্নত করা যায়, তার ওপর। বিশেষ করে সারিয়াকান্দি মাদারগঞ্জ রুটে নিয়মিত নৌযান চলাচল শুরু না হলে নদীবন্দর ঘোষণার অন্যতম বড় সম্ভাবনাই পুরোপুরি কাজে লাগানো সম্ভব হবে না।

সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, যমুনার কারণে সারিয়াকান্দি ও মাদারগঞ্জের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের সমস্যা রয়েছে। দুই এলাকার মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য ও আত্মীয়তার কারণে নিয়মিত যাতায়াত করেন। নদীবন্দর কার্যকর হলে তাদের সময় ও খরচ দুটোই কমবে। আমরা দ্রুত আধুনিক ঘাট ও জেটি নির্মাণের দাবি জানাই।

স্থানীয় মিশুক বাবু সম্রাট নামে এক ব্যক্তি বলেন, সারিয়াকান্দি ও মাদারগঞ্জ ভৌগোলিকভাবে কাছাকাছি হলেও সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই। ফলে দীর্ঘদিন ধরে দুই এলাকার মানুষকে অনেক পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হয়েছে। নদীবন্দরটি কার্যকর হলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহনে এর সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, নদীবন্দর দুটি শুধু স্থানীয় যোগাযোগের জন্য নয়, উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য ও ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সঠিক অবকাঠামো গড়ে উঠলে যমুনার দুই পাড়ের বাজারের সঙ্গে বগুড়ার সরাসরি যোগাযোগ বাড়বে। এর ফলে কৃষি ও বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।

সব মিলিয়ে, যমুনার দুই তীরে সারিয়াকান্দি ও ধুনটে নতুন দুটি নদীবন্দর ঘোষণা উত্তরাঞ্চলের নৌযোগাযোগে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। এখন এই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন আধুনিক অবকাঠামো, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত নৌযান চলাচল এবং নদীবন্দরগুলোর সঙ্গে আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগের সমন্বিত উন্নয়ন। এসব নিশ্চিত করা গেলে যমুনার দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সংকট কাটার পাশাপাশি কৃষি ও বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 10:01:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২২ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে শতাধিক রোগী, মেঝেতেই চিকিৎসা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18678" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18678</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে রোগীর চাপ। মাত্র ২২টি শয্যার বিপরীতে গত সাত দিনে ভর্তি হয়েছে ৩২০ শিশু। অতিরিক্ত রোগীর কারণে শয্যা সংকট দেখা দেওয়ায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি সীমিত জনবল দিয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশু ওয়ার্ডে দুটি কেবিনসহ মোট ২২টি শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে ২০টি সাধারণ বেড ও দুটি কেবিন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিদিনই নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি শিশু চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসছে। ফলে শয্যা পূর্ণ হওয়ার পরও নতুন রোগী ভর্তি করায় ওয়ার্ডে তৈরি হচ্ছে তীব্র স্থান সংকট।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে অর্থাৎ ১৯ থেকে ২৫ আগস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে মোট ৩২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ আগস্ট ৫৪, ২০ আগস্ট ৫৩, ২১ আগস্ট ৩৭, ২২ আগস্ট ৫৬, ২৩ আগস্ট ৪১, ২৪ আগস্ট ৩৭ এবং ২৫ আগস্ট ৪২ জন শিশু ভর্তি হয়।

বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০৫ জন। অর্থাৎ ২২টি নির্ধারিত শয্যার বিপরীতে একসঙ্গে চিকিৎসাধীন রয়েছে শতাধিক শিশু। ফলে ওয়ার্ডের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সরেজমিনে শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত সব শয্যাই রোগীতে পূর্ণ। শয্যা না থাকায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কেউ বেডের পাশে, আবার কেউ ওয়ার্ডের ফাঁকা জায়গায় শিশুকে নিয়ে অবস্থান করছেন। অতিরিক্ত রোগী ও স্বজনের ভিড়ে ওয়ার্ডজুড়ে তৈরি হয়েছে অস্বস্তিকর পরিবেশ।

শিশুদের চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের স্বজনদেরও দীর্ঘ সময় ওয়ার্ডে থাকতে হচ্ছে। সীমিত জায়গায় অতিরিক্ত রোগী ও স্বজনের উপস্থিতির কারণে চিকিৎসাসেবা পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চিকিৎসাধীন চার মাস বয়সী শিশু জাবের হোসেনের নানী ডলি খাতুন বলেন, তার নাতির নিউমোনিয়া হয়েছে। কয়েক দিন ধরে শিশু বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে ওষুধ ও ইনজেকশন দেওয়া হলেও অবস্থার উন্নতি হয়নি। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এক মাস বয়সী শিশু রায়হানের বাবা বলেন, তার ছেলের এক সপ্তাহ ধরে ঠান্ডা ও জ্বর ছিল। প্রথমে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেওয়া হলেও সুস্থ না হওয়ায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বর্তমানে তার ছেলে মোটামুটি ভালো আছে।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ফারহানা ওয়াহিদ তানি বলেন, অতিরিক্ত গরম ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া, ঠান্ডাজনিতসহ বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়েছে। গত কয়েক দিন ধরে এ কারণে শিশু ওয়ার্ডে রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, শিশু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যা মাত্র ২২টি। অথচ প্রতিদিনই এর তুলনায় কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে অনেক অতিরিক্ত রোগীকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। রোগীর চাপ সামলাতে চিকিৎসক ও নার্সদেরও অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে জনবল সংকট থাকায় পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরএমও আরও বলেন, রোগীর সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, সে তুলনায় শিশু ওয়ার্ডে শয্যা ও জনবল বাড়ানো জরুরি। পর্যাপ্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় জনবল থাকলে রোগীদের আরও স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। বর্তমানে অতিরিক্ত রোগীর চাপে শিশুদের পাশাপাশি তাদের স্বজনদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 08:10:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য আটক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18671" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18671</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ী ইউনিয়নের দুই সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাজবাড়ী ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মফিজুল ইসলাম।

গ্রেপ্তাররা হলেন&mdash;কালুখালী উপজেলার মোহনপুর এলাকার আব্দুল মান্নান মন্ডলের স্ত্রী মোছা. হামিদা খাতুন (৪৭) এবং চর কুলটিয়া এলাকার কদর আলী মন্ডলের স্ত্রী সাজেদা বেগম (৪০)। হামিদা খাতুন মাজবাড়ী ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য। সাজেদা বেগম একই ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই শিমুল শেখের নেতৃত্বে একটি দল পাংশা মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পাংশা পৌরসভার কলেজ রোডে &lsquo;উড ওয়ার্ল্ড ফার্নিচার&rsquo; দোকানের সামনে পাকা সড়ক থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই দুই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজবাড়ী ডিবি পুলিশের ওসি মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার দুই নারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 26 Aug 2026 06:01:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুনতীতে ১৯ দিনব্যাপী ৫৬তম আন্তর্জাতিক মাহফিলে সীরতুন্নবী (সা.)-এর উদ্বোধন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18664" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18664</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সোহেল তাজ, চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতীতে যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা হাফেজ আহমদ (রহ.) প্রকাশ শাহ্ সাহেব কেবলা চুনতী কর্তৃক প্রবর্তিত ১৯ দিনব্যাপী ৫৬তম আন্তর্জাতিক মাহফিলে সীরতুন্নবী (সা.)-এর উদ্বোধনী দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) চুনতীস্থ শাহ্ মঞ্জিল সীরত ময়দানে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাহফিলের প্রথম দিনের কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। দুই অধিবেশনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহফিল মোতাওয়াল্লী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম আবুল কালাম আজাদ ও সলিমা সিরাজ মহিলা ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা হামেদ হাসান।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা ড. সাইয়েদ মুহাম্মদ আবু নোমান। চুনতী হাকিমিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফারুক হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা পর্বে বক্তারা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্মবৃত্তান্ত, নবুয়্যতপূর্ব জীবন, শৈশব ও যৌবনকাল, তাঁর পরিবার ও তৎকালীন সামাজিক অবস্থানসহ রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, আদর্শ ও সীরাতের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

&lsquo;মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্মবৃত্তান্ত, নবুয়্যতপূর্ব জীবন ও পরিবারের সামাজিক অবস্থান&rsquo; বিষয়ে আলোচনা করেন কক্সবাজার তাফহিমুল কুরআন আলিম মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্ব মাওলানা জয়নুল আবেদীন। &lsquo;নবী করীম (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে পূর্ববর্তী নবী ও রাসূলগণের ভবিষ্যদ্বাণীসমূহ&rsquo; বিষয়ে আলোচনা করেন চকরিয়া মিশকাতুল মিল্লাত দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার মাওলানা আশরাফুল মোস্তফা বিন নুরী।

এ ছাড়া লোহাগাড়া বড়হাতিয়া এশাআতুল উলুম ফাযিল মাদ্রাসার প্রভাষক হাফেজ মাওলানা মাহের শামস, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা রফিক উল্লাহ মিয়াজি এবং লোহাগাড়া আমিরাবাদ সুফিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা শাহাদত হোসাইন পৃথক পৃথক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

বক্তাদের আলোচনায় আহলে বায়ত ও সাহাবায়ে কেরামের মর্যাদা, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর ওহী নাজিলের সূচনা, তৎকালীন আরব সমাজের প্রতিক্রিয়া এবং সীরাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মাহফিল মোতাওয়াল্লী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাদা মাওলানা আব্দুল মালেক মুহাম্মদ ইবনে দিনার নাজাত, আলহাজ্ব আবু তাহের, আলহাজ্ব ইসমাইল মানিক, এইচ. এম. মাহাবুবুল হক,

আলহাজ্ব আব্দুশ শুকুর, মাওলানা মাহমুদুল হক, মাওলানা মমতাজ,মাওলনা ওলিউদ্দিন মোহাম্মদ,শাহজাদা তৈয়বুল হক বেদার, সাইফুউদ্দিন মোহাম্মদ তারেকসহ মাহফিলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। মাহফিলে পেশ কালাম পরিবেশন করেন সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা হাফিজুল ইসলাম নিজামী।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার দোকান মালিক ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মুস্তাক আহমদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাসুদ হাসান কামাল ফায়াজ ও মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ। পরে না&rsquo;আতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন তাকরিম খান ছিদ্দিকী, তালহা বিন দাউদ আদিব ও আহসান উল্লাহ তামিন।
আমার বাঙলা /এস.টি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 13:13:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈশ্বরদীতে হত্যাচেষ্টার ৬ দিন পর সেচ্ছাসেবকদল নেতার থানায় মামলা দায়ের]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18663" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18663</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হত্যাচেষ্টার ছয় দিন পর স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হয়ে সুষ্ঠু বিচার চেয়ে এজাহার দায়ের করেছেন ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৭ জনকে আসামি করে এজাহার দেন।

গত ১৯ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহর থেকে বাড়ি ফেরার পথে জয়নগর কিন্ডারগার্টেনের কাছে একদল দুর্বৃত্ত শরিফুল ইসলামের পথরোধ করে। এ সময় তাকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা করে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

শরিফুলের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকরা শরিফুলের গলায় ৬ থেকে ৭টি শর্টগানের স্প্লিন্টার শনাক্ত করেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মঙ্গলবার ঈশ্বরদী থানায় উপস্থিত হয়ে এজাহার দায়ের করেন তিনি।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এবং ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান শরিফুল ইসলাম শরিফের এজাহার গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, হামলার ঘটনার পর থেকেই পুলিশ আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে। নিয়ম অনুযায়ী এজাহার প্রয়োজন ছিল। আজ সেটি পাওয়া গেছে। মামলা লিপিবদ্ধ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা দ্রুত নেওয়া হবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 11:17:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নরসিংদীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18662" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18662</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নরসিংদী সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা জাহান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান কেয়া।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবু তাহের মো. শামসুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. রাশেদুজ্জামান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুল খালেক, নরসিংদী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসান এবং নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের মেধা ও প্রতিভার বিকাশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, দেশপ্রেম, মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

বক্তারা বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের মেধা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। পরে শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 10:56:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিরোজপুরে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18660" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18660</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিরোজপুর পৌরসভার ব্রাহ্মণকাঠি এলাকায় এক কুয়েতপ্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ডাকাতদের হামলায় এক প্রতিবেশী নারী গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে প্রবাসী মিক্সন সেখের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, ভোরে রান্নাঘর ও বারান্দার গ্রিল কেটে বাড়িতে প্রবেশ করে ডাকাতদল। পরে মিক্সন সেখের ছোট ছেলে এমরান সেখের হাত-পা বেঁধে মারধর করে তারা। এ সময় ঘরের লকার ভেঙে দুটি স্বর্ণের চেইন, একটি আংটি ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে যায় ডাকাতরা।

ডাকাতদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশী রেহেনা বেগম (৩৫) এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। রেহেনা বেগম পিরোজপুর পৌরসভার ব্রাহ্মণকাঠি এলাকার শেখবাড়ির পুত্রবধূ।

প্রত্যক্ষদর্শী এমরান সেখ বলেন, &lsquo;ভোররাতে পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটজনের একটি ডাকাতদল ঘরে প্রবেশ করে। তারা আমার হাত-পা বেঁধে মারধর করে এবং লকার ভেঙে স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। পাশের কক্ষে থাকা ভাবিকে দরজা খোলার জন্য বারবার চাপ দিলেও তিনি দরজা খোলেননি। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি।&rsquo;

আহত রেহেনা বেগম বলেন, ডাকাতদের উপস্থিতির খবর পেয়ে তিনি বাড়ির দিকে এগিয়ে গেলে আটজনের দল তাকে ঘিরে মারধর করে। চিৎকার করতে নিষেধ করার পরও সন্তানদের কথা ভেবে তিনি চিৎকার করলে ডাকাতরা শাবল ও বাঁশ দিয়ে তাকে আঘাত করে। একপর্যায়ে তাকে মাটিতে ফেলে আঘাত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে যান। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন তিনি।

মিক্সন সেখের স্ত্রী সেলিনা জানান, ডাকাতরা ভবনের দুই পাশের গ্রিল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। প্রথমে সামনের কক্ষে ঢুকে তার দেবরের হাত-পা বেঁধে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র লুট করে নেয়। এরপর তাদের শয়নকক্ষে প্রবেশের জন্য একাধিকবার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। তার দাবি, ডাকাতদলে অন্তত আটজন সদস্য ছিল এবং পরিকল্পনা করেই তারা দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে অবস্থান করে ডাকাতি করেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, চলতি মাসেই পার্শ্ববর্তী কদমতলা ইউনিয়নের ভৈরমপুর এলাকায় একটি প্রভাবশালী পরিবারের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় প্রায় ১০ জনের একটি ডাকাতদল ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার, দুটি মোটরসাইকেল, দুটি আইফোন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সদর থানায় ডাকাতির মামলা করেছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 09:58:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবসে ক্যাম্পে নানা কর্মসূচি, প্রত্যাবাসনের দাবিতে সমাবেশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18659" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18659</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আজ ২৫ আগস্ট, নবমবারের মতো পালিত হচ্ছে রোহিঙ্গা গণহত্যা ও স্মরণ দিবস। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে সহিংসতার পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা প্রতিবছরের মতো এবারও নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

দিবসটি উপলক্ষে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সমাবেশ, র&zwnj;্যালি, আলোচনা সভা ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচিতে ২০১৭ সালের সহিংসতায় নিহতদের স্মরণ করার পাশাপাশি মিয়ানমারের নিজ ভূমিতে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার দাবি জানাচ্ছেন রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা কমিউনিটির নেতাদের ভাষ্য, তারা বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে থাকতে চান না। মিয়ানমারে নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিজ ভূমিতে ফেরার সুযোগ এবং জমি-বাড়ির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হলে তারা নিজ দেশে ফিরে যেতে প্রস্তুত।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছেন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের শুরু থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত রাখাইনে চলমান সংঘাতের কারণে নতুন করে দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২৩ সালের শেষদিকে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ার পর রাখাইনের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। সীমান্তবর্তী এলাকায় সংঘাত অব্যাহত থাকায় রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও আরও জটিল হয়ে পড়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ইউনাইটেড কাউন্সিল অব রোহিঙ্গা (UCR)-এর নেতারা বলছেন, রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হলো নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। এ জন্য আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় অংশীজনদের সমন্বয়ে প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তারা।

রোহিঙ্গা নেতাদের মতে, শুধু সীমান্তের ওপারে মানুষ পাঠিয়ে দিলেই প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হবে না। প্রত্যাবাসনের আগে রাখাইনে চলমান সংঘাত বন্ধ, রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, নিজ ভূমিতে ফেরার সুযোগ, জমি-বাড়ির অধিকার এবং নাগরিকত্বসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

উখিয়া-টেকনাফের স্থানীয় বাসিন্দারাও রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংকটের কারণে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপরও সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে।

রোহিঙ্গা গণহত্যা ও স্মরণ দিবসের এবারের কর্মসূচিতেও একই দাবি জোরালোভাবে উঠে এসেছে&mdash;নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের মাধ্যমেই রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 09:43:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্যাস সংকটে বন্ধ কাজ, ঋণে পিষ্ট শ্রমিক]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18658" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18658</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাকা নেই, তাই টাকা নেই&rsquo;&mdash;শিল্পকারখানার উৎপাদন চাকা থেমে যাওয়ায় এমন বাস্তবতার মুখোমুখি শ্রমিকরা। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন, কমছে কাজের সুযোগ। ফলে আয় কমে যাওয়ায় সংসারের খরচ মেটাতে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে অনেক শ্রমিককে।

শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা যাচ্ছে না। কোথাও উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও বন্ধ রয়েছে কারখানার কার্যক্রম। এতে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারার ঝুঁকি বাড়ছে।

বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের কারখানাগুলোতে এর প্রভাব বেশি পড়ছে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে না পারায় ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ার ঘটনাও ঘটছে। এতে একদিকে যেমন ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়ছেন মালিকরা, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও আয় হারানোর আশঙ্কায় পড়ছেন শ্রমিকরা।

নিয়মিত কাজ না থাকায় বেতনভুক্ত শ্রমিকদের চাকরি হারানোর ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক ও কাজের পরিমাণ অনুযায়ী মজুরি পাওয়া শ্রমিকদের আয়ও কমে গেছে। আগে যেখানে নিয়মিত কাজ করে সংসারের খরচ চালানো সম্ভব হতো, এখন সেখানে অনিয়মিত কাজের কারণে মাসিক আয় অনেকটাই কমে গেছে।

আয় কমে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ, বাসাভাড়া, সন্তানের পড়াশোনা ও অন্যান্য ব্যয় মেটাতে অনেক শ্রমিককে ঋণ করতে হচ্ছে। ফলে কাজের অনিশ্চয়তার সঙ্গে বাড়ছে ঋণের চাপও। শ্রমিকদের অনেকেই বলছেন, কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক না হলে তাঁদের এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন।

অন্যদিকে শিল্প মালিকরাও বলছেন, উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় নতুন ক্রয়াদেশ পাওয়ার ক্ষেত্রেও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।

সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধান করা না গেলে শিল্প খাতে এর প্রভাব আরও বিস্তৃত হতে পারে। উৎপাদন, ক্রয়াদেশ ও কর্মসংস্থান ধরে রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে দীর্ঘমেয়াদে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 09:28:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পঞ্চগড়ে শিয়ালের হামলায় আহত ৭]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18653" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18653</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ 

পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতে শিয়ালের আক্রমণে সাতজন আহত হয়েছেন। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের ক্ষত হয়েছে। পরে আহতরা পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার জগদল সর্দারপাড়া, যমভিটা, দেওয়ানহাট সাইরুল মার্কেটসহ কয়েকটি এলাকায় পৃথকভাবে শিয়ালের হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন&mdash;সর্দারপাড়া এলাকার মোস্তফা (৩৫), বিপ্লব (২৩), রিনা (৩৮), মনিরা (৪০), যমভিটা এলাকার আওয়াল (২৯) ও সৌরভ (৩০) এবং বসুনিয়াপাড়া এলাকার জয়নাল (৩৫)।

আহত ব্যক্তি ও স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতে বিভিন্ন সড়কে অবস্থান করার সময় হঠাৎ শিয়ালগুলো তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে কয়েকজনের হাত, পা ও কোমরসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ের ক্ষত হয়।

পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের শরীরে একাধিক ক্ষত থাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ি ফিরে যান।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোখলেছুর রহমান জানান, শিয়ালের আক্রমণে আহত সাতজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 06:59:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কোচিং বাণিজ্যের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের ওপর হামলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18646" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18646</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাতুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অবৈধভাবে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর ওই শিক্ষকের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে পিরোজপুর শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় এলাকায় শহীদ ওমর ফারুক কিন্ডারগার্টেনের পেছনের একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সাংবাদিকদের অভিযোগ, ওই কক্ষে পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরাফাতুর রহমান অষ্টম শ্রেণির প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থীকে কোচিং করাচ্ছিলেন। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানোর সুযোগ নেই। এছাড়া পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় বর্তমানে জেলার সব ধরনের কোচিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

তবে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করে ওই শিক্ষক নিয়মিত কোচিং পরিচালনা করছেন&mdash;এমন তথ্য পেয়ে সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের জন্য কয়েকজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাদের বাধা দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন তারা।

এ ঘটনায় স্টার নিউজ ও দৈনিক নয়া দিগন্তের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, চ্যানেল ওয়ানের পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত এবং চ্যানেল এস-এর পিরোজপুর প্রতিনিধি জিয়াউল হক আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

চ্যানেল ওয়ানের জেলা প্রতিনিধি শাফিউল মিল্লাত বলেন, &ldquo;সংবাদ সংগ্রহের জন্য শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড়ের কোচিং সেন্টারে গেলে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আরাফাতুর রহমান কোনো কথা না শুনেই আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখারও চেষ্টা করা হয়। পরে আমরা কোনোমতে সেখান থেকে বের হয়ে আসি। এ ঘটনায় একজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন।&rdquo;

অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষক আরাফাতুর রহমান বলেন, &ldquo;সাংবাদিকরা হঠাৎ করে আসায় আমি মেজাজ ধরে রাখতে পারিনি। তাই এমন ঘটনাটি ঘটে গেছে।&rdquo;

পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার বলেন, &ldquo;আমি ১০ থেকে ১২ দিন আগে শিক্ষকদের নিয়ে কোচিংয়ের বিষয়ে মিটিং করেছি। এরপরও ওই শিক্ষক কেন এমন করছেন, তা আমার জানা নেই।&rdquo;

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, &ldquo;কোচিং সেন্টারে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনজন সাংবাদিক শিক্ষক কর্তৃক হামলার শিকার হয়েছেন&mdash;এমন একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&rdquo;

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কোচিং পরিচালনার অভিযোগ তদন্তের পাশাপাশি সংবাদ সংগ্রহে বাধা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিকরা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 25 Aug 2026 05:26:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নাচোলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আদিবাসী তরুণের মৃত্যু]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18645" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18645</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সোহেল হাসদা (১৯) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাচোল-আমনুরা সড়কের মানিকরা পাড়া এলাকায় একটি বাঁশঝাড়ে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল হাসদা উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর মাসনা গ্রামের বাজুন হাসদার ছেলে। তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্য।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় ওই এলাকায় দুইজন ইলেকট্রিশিয়ান বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। এ সময় সোহেলকে দিয়ে বাঁশ কাটানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বাঁশ কাটার একপর্যায়ে সেটি বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কারও অবহেলা বা অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকলে তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত করা হচ্ছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 12:16:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সিরাজগঞ্জে পরিকল্পনাহীন ৬শ ৩৮ কোটি টাকার প্রকল্প]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18641" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18641</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সিরাজগঞ্জে ৬৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে যমুনা নদী থেকে পুনরুদ্ধার করা জমিতে বাঁধ নির্মাণ ও বালু ভরাট করেছিল বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০২২ সালে শেষ হলেও দীর্ঘদিন ধরে জমিটি পড়ে রয়েছে। এরই সুযোগে ওই এলাকায় গড়ে উঠছে অবৈধ বসতি ও স্থাপনা।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে এখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং পরে ইপিজেড (রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল) গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। সর্বশেষ প্রায় ১ হাজার ১০০ একর জমিতে সোলার প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও আলোচনায় আসে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায়নি।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের বড় বাবু আকবর হোসেন জানান, বর্তমানে ওই এলাকায় কী করার পরিকল্পনা রয়েছে, তা তার জানা নেই। তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ইপিজেড প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য জমি, গাছপালা ও ঘরবাড়ির ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকার চাহিদা পাঠানো হয়েছিল। তবে এর অগ্রগতি সম্পর্কে তিনি কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি ৫০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। কয়েক দফায় ব্যয় বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত ৬৩৮ কোটি টাকা করা হয়। ২০২২ সালে প্রকল্পের কাজ শেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ড। পুরো প্রকল্পটি সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে (জিওবি) বাস্তবায়ন করা হয়।

প্রকল্প এলাকা দখল প্রসঙ্গে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, যমুনা নদী থেকে পুনরুদ্ধার করা ভূমির উন্নয়ন ও বাঁধ নির্মাণের কাজ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যেই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল। পরে প্রকল্পের জমি জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিছুদিন আগে এলাকায় গিয়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করতে দেখা গেছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাসে ওই এলাকায় অবৈধ বসতি দ্রুত বাড়ছে। এসব স্থাপনায় বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নেসকো থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ায় নতুন করে বসতি গড়ে ওঠার প্রবণতা আরও বেড়েছে। এতে প্রস্তাবিত ইপিজেডের জমি দখলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 10:34:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18635" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18635</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চর-অনুপনগর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো. আনারুল ইসলাম (৪৪) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।

রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে চর-অনুপনগর ইউনিয়নের নতুন মুসলিমপাড়া গ্রামের আনারুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৫ কেজি ১০০ গ্রাম কথিত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আনারুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এসআই মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আনারুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সদর মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

মাদক নির্মূলে সবাইকে পুলিশের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 09:15:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রংপুরে ৪ হত্যার ময়নাতদন্তে নতুন তথ্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18629" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18629</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফরেনসিক বিভাগ। নিহতদের মুখমণ্ডল বিকৃত হয়ে গেলেও সেখানে অ্যাসিড বা অন্য কোনো রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায়নি।

রোববার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চারটি মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এসব তথ্য জানান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস।

তিনি জানান, চারটি মরদেহ থেকেই প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব নমুনা পরীক্ষার জন্য সিআইডির ল্যাবে পাঠানো হবে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত মতামত দেওয়া হবে।

ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। মুখমণ্ডলের বিকৃতির কারণ পচন ধরা। সেখানে অ্যাসিড বা অন্য কোনো রাসায়নিক ব্যবহারের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এছাড়া নিহত প্রার্থী চক্রবর্তীর চোয়াল ভাঙার কোনো আলামতও ময়নাতদন্তে পাওয়া যায়নি।

এর আগে শনিবার (২২ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে রংপুর নগরের কামালকাছনা-মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ২৫ বছর বয়সী মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী এবং ১২ বছর বয়সী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় রোববার ভোরে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নামে দুজনকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন।

রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির পাশের একটি ভবনের ছাদ দিয়ে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ তার বাড়ির ছাদে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা মাদক সেবন করছিলেন। একপর্যায়ে গণপতি চক্রবর্তী ছাদে উঠে তাদের দেখতে পান এবং এ নিয়ে বকাঝকা করেন।

পুলিশের দাবি, মাদক সেবনের বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা থেকেই দুই যুবক তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা গামছা দিয়ে গণপতি চক্রবর্তীর গলায় পেঁচিয়ে ধরলে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

পুলিশ কমিশনার জানান, এ সময় গণপতি চক্রবর্তীর চিৎকার ও ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী এগিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়।

পরে মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী এগিয়ে এলে তাকেও শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এরপর ঘরে থাকা ১২ বছর বয়সী আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকেও হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। প্রিয়ম আসামিদের চিনত এবং ভবিষ্যতে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানিয়ে দিতে পারে&mdash;এমন আশঙ্কা থেকেই তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের পর দুই অভিযুক্ত ওই বাড়ির ওয়াশরুমে গোসল করেন এবং পরে আবার মাদক সেবন করেন বলেও পুলিশ জানিয়েছে। এরপর তারা বাসার আসবাবপত্র তল্লাশি করে স্বর্ণালংকার বের করে নেন বলে পুলিশের দাবি।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সিদ্ধার্থ একটি সোনার দোকানে কাজ করায় আগুন দিয়ে পরীক্ষা করে স্বর্ণের আসল-নকল শনাক্ত করা হয়। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের সময় আশপাশের লোকজন মসজিদে গেলে তারা পাশের বাড়ির ছাদ দিয়ে বেরিয়ে যান।

পুলিশ আরও জানায়, বের হওয়ার আগে তারা ডাইনিং টেবিলে বসে বয়ামে রাখা খেজুর খান। মাদকের প্রভাব কমানোর জন্য ফ্রিজ থেকে শসা বের করে খেয়েছিলেন বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে ফরেনসিক বিভাগের প্রাথমিক ময়নাতদন্তের তথ্য পুলিশের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া কয়েকটি তথ্যের সঙ্গে ভিন্নতা তৈরি করেছে। বিশেষ করে নিহত প্রার্থী চক্রবর্তীর চোয়াল ভাঙা এবং মুখমণ্ডলের বিকৃতির কারণ নিয়ে নতুন তথ্য দিয়েছে ফরেনসিক বিভাগ।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও মৃত্যুর বিষয়ে চূড়ান্ত তথ্য জানতে এখন সিআইডির ল্যাব পরীক্ষার প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 24 Aug 2026 06:03:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুদামের দরজা ভেঙে ১০ হাজার কেজি সার নিয়ে গেলেন কৃষকেরা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18625" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18625</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সার সংকটকে কেন্দ্র করে এক ডিলারের গুদামের দরজা ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের মেসার্স শাহ আমানত ডিলার পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে ৩৩ জন কৃষক ৩৩ বস্তা সার ফেরত দিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, সার কেনার জন্য সকাল থেকেই ডিলার পয়েন্টে দুই শতাধিক কৃষক জড়ো হন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ডিলার পয়েন্ট না খোলায় একপর্যায়ে কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে কয়েকজন গুদামের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সার বের করে নিয়ে যেতে শুরু করেন। এ সময় প্রায় ১৯৭ বস্তা সার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশের উদ্যোগে ৩৩ জন কৃষক তাদের নেওয়া ৩৩ বস্তা সার ফেরত দেন। বাকি সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, শিলখুড়ি ইউনিয়নে সারের চাহিদা প্রায় ৪ হাজার বস্তা। এর বিপরীতে বরাদ্দ পাওয়া গেছে ১ হাজার ৩২০ বস্তা। চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় কৃষকদের মধ্যে সার না পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ পরিস্থিতিতেই তারা গুদাম থেকে সার নিয়ে যান।

ওসি আরও বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে নেওয়া সার উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 12:12:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবির অভিযানে ১৩০ বোতল এস্কাফ সিরাপ জব্দ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18619" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18619</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ১৩০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের চালকিপাড়া গ্রাম থেকে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর মনাকষা বিওপির একটি বিশেষ টহলদল রোববার সকাল ১০টার দিকে চালকিপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৩০ বোতল ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ পাওয়া যায়। জব্দ করা সিরাপের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫২ হাজার টাকা।

অভিযান শেষে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

৫৩ বিজিবি সূত্র আরও জানায়, চলতি আগস্ট মাসে ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ভারতীয় ৫২২ বোতল এস্কাফ সিরাপ ও ১১৫ বোতল ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৩ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান, পিএসসি অভিযানটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 10:06:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি  --অধ্যাপক  আবু তালেব মন্ডল এমপি]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18618" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18618</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কৃষিই সমৃদ্ধি&rsquo;&mdash;এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এ সময় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি অফিস চত্বরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের এমপি অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল বলেন, কৃষি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানোর পাশাপাশি খাদ্য ও পুষ্টিতে দেশকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। সময়মতো উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার বিনামূল্যে পেলে কৃষকরা উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হবেন। এতে দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষিপণ্য বিদেশের বাজারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মমিন জানান, এবারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার মোট ১ হাজার ৬২ দশমিক ৬ একর জমিতে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ৫০০ কৃষককে জনপ্রতি ১ কেজি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার, ১ কেজি বালাইনাশক এবং ২ কেজি পলিথিন দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া লেবু বাগান স্থাপনের জন্য ২০ জন কৃষককে জনপ্রতি পাঁচটি করে উচ্চফলনশীল লেবুর চারা ও ৩০ কেজি করে জৈব সার দেওয়া হয়।

অন্যদিকে পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ এবং বসতবাড়িতে সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে ২ হাজার ৭০০ জন কৃষকের মধ্যে খরিপ মৌসুমের বিভিন্ন শাকসবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেক কৃষককে ১৫ কেজি ডিএপি ও ১৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা আরও জানান, ঈশ্বরদী অঞ্চলে এর আগেও অফ-সিজনে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও লেবু চাষ করে কৃষকরা ভালো সাফল্য পেয়েছেন। বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় এসব ফসল চাষ করে অনেক কৃষক লাভবান হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার প্রণোদনার পরিধি বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার মোট ৩ হাজার ২২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির বীজ, রাসায়নিক ও জৈব সার, বালাইনাশক এবং লেবুর চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ঈশ্বরদী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম আজম খান, উপজেলা আইনবিষয়ক সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান খান, জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মাসুদ রানা মাসুমসহ উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রণোদনা পাওয়া কৃষকেরা উপস্থিত ছিলেন।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 09:45:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পিরোজপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা রাজস্ব সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18617" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/bangladesh/18617</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিরোজপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা রাজস্ব সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাইফ মিজান স্মৃতি সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ।

সভায় জেলার সার্বিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, সরকারি ভূমি ও সম্পত্তির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, ভূমি রাজস্ব আদায় এবং রাজস্ব প্রশাসনের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা চলমান কার্যক্রম ও বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সভায় আলোচনা করেন।

সভায় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা এবং রাজস্ব বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, জনগণকে দ্রুত ও কার্যকর সেবা দেওয়ার পাশাপাশি স্বচ্ছ ও জনবান্ধব রাজস্ব প্রশাসন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আমার বাঙলা/ রাব্বি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 23 Aug 2026 09:35:21 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
