<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom">
                        <id>http://www.amarbanglabd.com/feed/arts</id>
                                <link href="http://www.amarbanglabd.com/feed/arts"></link>
                                <title><![CDATA[Amarbangla arts Feed]]></title>
                                <description>Amarbangla Latest arts News Feeds</description>
                                <language>bn-BD</language>
                                <updated>Sun, 21 Dec 2025 08:06:06 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[ছায়ানটে হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি সাড়ে ৩০০]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/14503" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/14503</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাংস্কৃতিক সংগঠন ছায়ানটের ভবনে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলায় ৩০০ থেকে ৩৫০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গত ২০ ডিসেম্বর রাতে ছায়ানটের প্রধান ব্যবস্থাপক দুলাল ঘোষ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ছায়ানট কর্তৃপক্ষ জানায়, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে একদল দুর্বৃত্ত ছায়ানট ভবনে প্রবেশ করে। এ সময় তারা সিসিটিভি ক্যামেরা, আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী ভাঙচুর করে এবং তবলা, হারমোনিয়াম, বেহালা পুড়িয়ে দেয়। ভবনের একাধিক কক্ষেও অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়।
হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার পর ছায়ানট ভবন পরিদর্শনে যান অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর একই রাতে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আমারবাঙলা/এসএবি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 21 Dec 2025 08:06:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মহান বিজয় দিবসে বান্দরবান পুলিশের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/14406" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/14406</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস&ndash;২০২৫ উদ্&zwnj;যাপন উপলক্ষ্যে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) মহান বিজয় দিবস&ndash;২০২৫ উদ্&zwnj;যাপন উপলক্ষে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশের উদ্যোগে এক মনোজ্ঞ ও আনন্দঘন সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়।

উক্ত সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক), বান্দরবান জেলা এর সভানেত্রী চামেলী খাতুন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে গান, নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিজয়ের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করা হয়। এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে দেশপ্রেম ও ঐক্যের অনুভূতি আরও সুদৃঢ় হয়।

এ সময় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আমারবাঙলা/এনইউআ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 16 Dec 2025 19:56:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফ্যাসিস্ট আমলে লেখক নির্যাতনের তথ্যপ্রমাণসহ গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/13951" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/13951</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০০৮ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট শাসনামলে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের ওপর সংঘটিত নির্যাতন, দমন, হয়রানি, কারাবাস ও হত্যার ঘটনাবলী প্রামাণ্যভাবে উপস্থাপনে গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী লেখক পরিষদ (বিএনডাব্লিউসি)। গ্রন্থটি নভেম্বরে প্রকাশ করা হবে।

শনিবার সংগঠনের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। ওই সময়ে লেখালেখির কারণে নির্যাতন, হামলা, পেশাগত হয়রানি, কারাবাস বা প্রাণনাশের হুমকি পাওয়া লেখকদের লেখা, ব্যক্তিগত সাক্ষ্য এবং প্রমাণ bnwp2025@hotmail.com অ্যাড্রেসে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

গ্রন্থটির সম্পাদনা পরিষদে রয়েছেন কবি ও মুক্তিযোদ্ধা ড. মাহবুব হাসান, লেখক ও গবেষক ড. মুস্তাফা মাজিদ, অধ্যাপক ও লেখক ড. ফরিদউদ্দিন আহমেদ, কবি ও ডক্টরাল গবেষক আবু জুবায়ের, কবি ও এক্টিভিস্ট আমিনুল ইসলাম মামুন এবং লেখক ও ব্লগার ফাসিউল আলম।

● আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 30 Nov 2025 06:43:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস পেলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12359" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12359</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঢাকা, ২ আগস্ট ২০২৫ &mdash; দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করলেন দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫। &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে তাঁকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই গৌরবময় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ২ আগস্ট শনিবার, বিকাল ৩টায়, ঢাকার সেগুনবাগিচাস্থ কচি-কাঁচা মিলনায়তনে। আয়োজন করে সাউথ এশিয়া সাহিত্য পরিষদ, যার মূল বার্তা ছিল &lsquo;সাহিত্য হোক সার্বজনীন&rsquo;। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মোঃ আরাফাতুর রহমান অ্যাপেল, চেয়ারম্যান, ইন্সপিরিয়াম গ্লোবালিটি লিমিটেড, ডিরেক্টর, প্রেসক্লাব ক্লাব লিমিটেড।

অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে এক বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, যেখানে ছিল আবৃত্তি, গান, নাচ, নাটিকা সহ নানা সৃজনশীল আয়োজন। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল Global Voice 24, যারা অনুষ্ঠানটি সম্প্রচারে ও প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই সম্মাননা প্রাপ্তির মাধ্যমে দেবাশীষ দাস তাঁর পেশাগত জীবনের এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। এর আগে তিনি স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; হিসেবে সম্মাননা পান, যা ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং ও প্রোগ্রাম গ্রাফিক্সে তাঁর সৃজনশীল দৃষ্টিভঙ্গির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

এছাড়া, ২৬ মে ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫-এ তিনি ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাবে। সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

২০২৪ সালে তিনি পেয়েছেন &lsquo;Best in Brand Communication&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান Laser Treat, ডিজিটাল মিডিয়া ও ব্র্যান্ডিংয়ে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানে যুক্ত থেকে দেশের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে এনেছেন বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য। তাঁর কাজের মধ্যে রঙের ভারসাম্য, মুভমেন্ট, সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন এবং টাইপোগ্রাফির নিখুঁত ব্যবহার আজও বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিংয়ের এক মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার নন, তিনি একজন প্রশিক্ষকও। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে শিক্ষাদানে যুক্ত রয়েছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে RTV-তে, এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে ২০০৯&ndash;২০১১ পর্যন্ত নতুন ধারার মোশন গ্রাফিক্সের সূচনা করেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশের বই প্রকাশনা শিল্পেও ভূমিকা রেখেছেন, দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করে।

দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ নিঃসন্দেহে দেবাশীষ দাসের সৃজনশীল যাত্রার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 07 Aug 2025 06:14:38 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এশিয়ার শীর্ষ সৃজনশীলদের তালিকায় দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12358" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12358</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের মোশন গ্রাফিক্স ও টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং খাতের এক অসামান্য সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব দেবাশীষ দাস এবার অর্জন করেছেন আন্তর্জাতিক সম্মাননা &lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo;। এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি তাঁকে প্রদান করে ভারতের প্রভাবশালী মিডিয়া সংগঠন Bolo Kolkata TV। ২ ও ৩ আগস্ট ২০২৫ তারিখে কলকাতার সুজাতা সদন, হাজরা, কালীঘাটে অনুষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন &lsquo;Banga Gourab Utsab Season 5.1 Pro&rsquo;, যেখানে বিভিন্ন দেশ থেকে আগত গুণীজনদের উপস্থিতিতে তাঁকে &ldquo;International Motion Graphics Leader&rdquo; হিসেবে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

এই আয়োজনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় গুণী মানুষের প্রকৃত অবদানের উপর। এশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত শিল্পী, উদ্যোক্তা, শিক্ষক, সংগঠক, ডিজাইনার ও সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্য থেকে একটি স্বতন্ত্র ও পেশাদার জুরি বোর্ডের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে সেরা ব্যক্তিত্বদের নির্বাচন করা হয়। সেই কঠিন বাছাই প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মঞ্চে জায়গা করে নেন বাংলাদেশের দেবাশীষ দাস।

অনুষ্ঠানে দুই দিনব্যাপী ছিল এক মনোমুগ্ধকর সংস্কৃতি-সম্ভার। আয়োজনে পরিবেশিত হয় বর্ণাঢ্য নৃত্য পরিবেশনা, আবৃত্তি, কণ্ঠসংগীত, নাট্যাংশ, ম্যাজিক শো এবং ঐতিহ্যবাহী উপস্থাপনাগুলোর এক ঝলক। দেবাশীষ দাস অনুষ্ঠানে ছিলেন International Guest of Honour হিসেবে, যেখানে তাঁর কাজ ও অবদানকে তুলে ধরা হয় মূল মঞ্চে। উপহারস্বরূপ তাঁকে প্রদান করা হয় একটি সম্মাননা স্মারক, সনদ এবং বিশেষ আন্তর্জাতিক পদক&mdash;যা তাঁর ক্যারিয়ারের আরও এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

এই সম্মাননা দেবাশীষ দাসের চলতি বছরের তৃতীয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এর আগে তিনি ২ আগস্ট ২০২৫-এই ঢাকার কচি-কাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত &lsquo;দক্ষিণ এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ ভূষিত হন &lsquo;সৃজনশীল ব্র্যান্ডিংয়ে আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব&rsquo; ক্যাটাগরিতে। একই বছর তিনি অর্জন করেন &lsquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; এবং &lsquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rsquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; খেতাব। এর আগের বছর, ২০২৪ সালে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডিং সংস্থা লেজার ট্রিট তাঁকে প্রদান করে &#39;Best in Brand Communication&#39; সম্মাননা।

তাঁর এই অর্জনগুলোর পেছনে রয়েছে দুই দশকের নিষ্ঠা, গবেষণা এবং সৃজনশীল প্রচেষ্টা। ২০০৭ সালে RTV-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর যমুনা টেলিভিশনে কাজ করে তিনি দেশে প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন ভিন্নধর্মী শৈলী ও গভীরতা। বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনপ্রিয় প্রোগ্রামের ভিজ্যুয়াল পরিচিতি ও ব্র্যান্ডিংয়ের পেছনে কাজ করছেন।

দেবাশীষ দাস শুধু একজন ডিজাইনার নন, তিনি একজন শিক্ষক, গবেষক ও অনুপ্রেরণাদানকারী মেন্টরও। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজ করছেন এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে যুক্ত আছেন। তাঁর শিক্ষাদান কেবল সফটওয়্যার নির্ভর নয়, বরং নান্দনিকতা, স্টোরিটেলিং ও ব্র্যান্ড মনস্তত্ত্ব&mdash;সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ ভিজ্যুয়াল কনসেপ্ট তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সক্ষম করে তুলছেন।

সম্প্রতি তিনি ছিলেন &lsquo;For a Better, Greener Earth&rsquo; আন্তর্জাতিক মোশন গ্রাফিক্স প্রতিযোগিতার বিচারক, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক মানের কাজ মূল্যায়ন করেন ও তরুণ ডিজাইনারদের মূল্যবান পরামর্শ দেন। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এমন বৈশ্বিক পরিসরে বিচারকের আসনে বসা নিঃসন্দেহে দেশের জন্য গর্বের বিষয়।

গ্রাফিক ডিজাইনের বাইরে তিনি কাজ করছেন প্রকাশনা শিল্পেও। প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন তিনি এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে। তাঁর কাজগুলোতে দেখা যায় রঙের সংযমী ব্যবহার, আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন, টাইপোগ্রাফির সূক্ষ্মত্ব এবং আবেগময় থিমের উপস্থিতি।

সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হচ্ছে, শুধু ডিজাইন আর শিক্ষার মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি দেবাশীষ দাস। তিনি যোগব্যায়াম ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়েও কাজ করছেন। সম্প্রতি তিনি যোগা ও মেডিটেশন নিয়ে বেশ কয়েকটি সেমিনার পরিচালনা করেছেন, যেখানে প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে মানসিক প্রশান্তি ফিরিয়ে আনার উপায় নিয়ে কথা বলেছেন। তাঁর মতে, সৃজনশীল কাজের জন্য মন ও শরীর দুটোই সুস্থ রাখা জরুরি, এবং সেই লক্ষ্যে তিনি নিয়মিত চর্চা করেন ধ্যান ও যোগব্যায়াম&mdash;এবং অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করছেন।

&lsquo;বঙ্গ গৌরব সম্মান (আন্তর্জাতিক)&rsquo; প্রাপ্তি কেবল একটি পদক নয়&mdash;এটি তাঁর দীর্ঘ পরিশ্রম, শিল্পমনা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আন্তর্জাতিক মানের নেতৃত্বের একটি অনন্য স্বীকৃতি। বাংলাদেশের ডিজিটাল শিল্প, মিডিয়া ব্র্যান্ডিং ও সুস্থ জীবনের দর্শনে তাঁর প্রতিটি অর্জন আজ নতুন প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 06 Aug 2025 12:21:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11607" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11607</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 23 Jul 2025 12:49:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন  সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11607" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11607</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরও একটি গর্বের মুহূর্ত যুক্ত হলো বাংলাদেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স জগতে। মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে দীর্ঘদিনের সৃজনশীল পথচলার স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হয়েছেন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়।

২৬ মে ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত হয় এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুই প্রতিষ্ঠান&mdash;Green Leaf ও World of Unity&mdash;এর যৌথ আয়োজনে গুণীজনদের স্বীকৃতি দিতে আয়োজিত হয় এই মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেবাশীষ দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং অনুষ্ঠানের সভাপতি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-এর চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটির মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টিভি।

দেবাশীষ দাস, বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশন-এর গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কর্মরত থেকে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।
দেবাশীষ দাসের ডিজাইন দর্শন শুধু টেকনিক্যাল দিকেই সীমাবদ্ধ নয়&mdash;তাঁর কাজের মধ্যে রয়েছে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূলভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন। টেলিভিশনের ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।
মাছরাঙা টেলিভিশন&ndash;এর বহু আলোচিত অনুষ্ঠান যেমন ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে এক পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও তিনি শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে যুক্ত রয়েছেন সমানভাবে। তিনি পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট-এ ২০১৮ সাল থেকে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ারের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশন-এ কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 23 Jul 2025 12:49:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভালোবাসার সুখ]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12035" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/12035</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুখের ঘুমে পড়ে আছে মন,
সুগন্ধ বাতাসে সুবাসিত চারপাশ।
সমুদ্রের পাড় ভাঙা ঢেউয়ের মতো,
তোমার অনিদ্য সুন্দরে
সংসার আঙিনায় আঁছড়ে পড়ছে সুখ।

তোমার হাত ধরে বিশ্বাসের বাগানে ফুটেছে ফুল,
ধূলিঝড়ের বিদায়ে বসন্ত বাতাসে হৃদয়ে লেগেছে দোলা।
নিরাশার মেঘ বিদায়ে, রোদের কুয়াশায় এসেছে সুখের দিন।
গ্রীষ্মের মেঘের মতো সব ভাবনা হারিয়ে,
যৌবনে মেতেছে দেহ ও মন।

বিধাতার দেওয়া সুখের সাথে যোগ হয়েছে&mdash;
তোমার ভালোবাসার সুখ।

মোলায়েম ছোঁয়ায়,
মেঘের কার্নিশে নেমে আসা বৃষ্টিতে ভিজিয়েছি মন।
বর্ষার যৌবনে কদমের এসেছে নতুন ফুল,
সিক্ত বিকেল হেঁটে যায় সন্ধ্যার আগমনে, সুখে।
মেঘেদের তাল ও লয়ে, আনন্দে নেচে ওঠে রাজহংসী মন।

জলের আয়নায় ভেসে ওঠা তোমার শুভশ্রীতে,
বৃষ্টির জানালায় ভেসে আসে সুখ।
রোদহীন বিকেলে এসেছে সুখের দিনলিপি,
মোলায়েম ছোঁয়ায় ঘুমিয়েছে ক্লান্ত শহর ও গ্রাম।

 

আমারবাঙলা/এফএইচ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Thu, 17 Jul 2025 06:45:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11906" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11906</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 06:54:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বছরের সেরা ডিজিটাল ব্রান্ডিং লিডার সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11906" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11906</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে সৃজনশীল নেতৃত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস &lsquo;Digital Branding Leader of the Year&rsquo; ক্যাটাগরিতে বিশেষ সম্মাননা অর্জন করেছেন।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় কচিকাঁচা মিলনায়তনে আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা সুব্রত চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি (BMSS)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান।

এর আগে &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ দেবাশীষ দাস ভূষিত হন &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; সম্মাননায়। ২৬ মে ২০২৫, রাজধানীর অভিজাত স্কাই সিটি ব্যাংকুয়েট হলে অনুষ্ঠিত সেই অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শিরীন শীলা এবং কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান লায়ন মো. মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার ছিল একুশে টেলিভিশন।

এছাড়া ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট। এই পুরস্কারও তাঁর বহুমাত্রিক সক্ষমতার আরেকটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে মাছরাঙা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০১১ সাল থেকে এখানে কাজ করে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিং ও ভিজ্যুয়াল পরিচিতিতে এনেছেন অভিনবত্ব। ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে তাঁর দক্ষতা, টাইমিং সেন্স ও আর্কিটেকচারাল কম্পোজিশন তাঁকে দিয়েছেন আলাদা উচ্চতা।

তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধুই টেকনিক্যাল নয়&mdash;তাঁর কাজে প্রতিটি প্রোগ্রামের মূল ভাব ও আবেগের নিখুঁত চিত্রায়ন ফুটে ওঠে। ওপেনিং টাইটেল, থিমেটিক অ্যানিমেশন, গ্রাফিক প্যাকেজ, স্ক্রিন লে-আউট এবং স্টোরিবোর্ড নির্মাণে তিনি এনেছেন সৃজনশীলতা ও ধ্রুপদী শৈলীর মেলবন্ধন।

মাছরাঙা টেলিভিশনের ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন শো, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বা বিশেষ দিবসের আয়োজন&mdash;সবখানেই তাঁর ডিজাইন করা ভিজ্যুয়াল ব্র্যান্ডিং দর্শকদের মনে একটি পরিচিত ও পেশাদার অনুভূতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিটি প্রোগ্রামের নিজস্ব রঙ, ফন্ট, মুভমেন্ট ও সাউন্ড সিনক্রোনাইজেশনে তিনি যে সূক্ষ্ম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যবহার করেন, তা আজও দেশের গ্রাফিক্স শিল্পে এক মানদণ্ড হয়ে রয়েছে।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস শিক্ষকতা ও প্রশিক্ষণে সমানভাবে যুক্ত রয়েছেন। তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি যমুনা টেলিভিশনে কাজ করেন, যেখানে তাঁর দক্ষতা ও কনসেপ্টচিন্তা মোশন গ্রাফিক্সকে একটি নতুন মাত্রা দেয়। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আজ তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের টেলিভিশন ব্র্যান্ডিং ডিজাইনের অন্যতম শীর্ষ নাম।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

দেশীয় টেলিভিশন শিল্পে সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং ব্র্যান্ডিং স্টাইলের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন&mdash;ভালো ডিজাইন শুধুই চমৎকার নয়, এটি কথা বলে, চেনায়, এবং ব্র্যান্ডের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।

&ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত করেছে দুটি গৌরবোজ্জ্বল পালক, যা মোশন গ্রাফিক্স শিল্পে আগামী প্রজন্মের জন্য নিঃসন্দেহে এক অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে।

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 06:54:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11606" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11606</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 06:53:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দেবাশীষ দাস অর্জন করলেন ‘বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪’ সম্মাননা]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11606" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11606</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ও ভিজ্যুয়াল ডিজাইনের জগতে আরও একটি গৌরবময় পালক যুক্ত হলো দেবাশীষ দাস-এর মুকুটে। ডিজিটাল মিডিয়া ও টেলিভিশন গ্রাফিক্সে সৃজনশীলতার ধারাবাহিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অর্জন করেছেন &lsquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rsquo; সম্মাননা, যা প্রদান করেছে স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

গত রবিবার উত্তরাতে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে লেজার ট্রিট&ndash;এর কর্ণধার এবং বিশিষ্ট উদ্যোক্তা ড. সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম দেবাশীষ দাসের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। জমকালো এই আয়োজনে অংশ নেন দেশের বিশিষ্ট ব্র্যান্ড এক্সপার্ট, কর্পোরেট নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

লেজার ট্রিট&ndash;এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেবাশীষ দাস শুধুমাত্র গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নয়&mdash;একজন ব্র্যান্ড স্টোরিটেলার হিসেবে যে দক্ষতা দেখিয়েছেন, তা তাঁকে করেছে বিশেষভাবে আলাদা। একজন ডিজাইনার কীভাবে ব্র্যান্ডের ভিজ্যুয়াল ভাষা ও আবেগের গল্প বলতে পারেন&mdash;দেবাশীষ দাস তার অনন্য উদাহরণ।

দেবাশীষ দাস তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে টেলিভিশন প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং, ডিজিটাল কনটেন্ট কমিউনিকেশন, এবং মাল্টি-প্ল্যাটফর্ম ভিজ্যুয়াল আইডেন্টিটি নির্মাণে যে ধরণের অভিনবত্ব ও দৃষ্টিভঙ্গি এনেছেন, তা আজ ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনের একটি নতুন মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে।

দেবাশীষ দাস বাংলাদেশের টেলিভিশন মোশন গ্রাফিক্স ও সম্প্রচার প্রযুক্তির অগ্রদূতদের একজন। টেলিভিশনের পর্দায় মোহনীয় গ্রাফিক্স আর বাস্তবসম্মত সৃজনশীলতার পেছনে থাকা এক নিরব কারিগর তিনি। ২০০৭ সালে আরটিভিতে মোশন গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও, দ্রুতই তিনি যমুনা টিভি এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের মতো শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলে সৃজনশীল নেতৃত্ব দেখিয়েছেন।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙা টেলিভিশনে ডেপুটি ম্যানেজার (গ্রাফিক্স) পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে তিনি শুধুমাত্র টেলিভিশন শিল্পের সাথেই যুক্ত নন&mdash;দীর্ঘদিন ধরে তিনি মোশন গ্রাফিক্স ও অ্যানিমেশন বিষয়ক শিক্ষকতা করে আসছেন।

দেবাশীষ দাস বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও ফটোগ্রাফি বিভাগে খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান পাঠশালা সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতা করেন, যেখানে তিনি ফটোগ্রাফি, চলচ্চিত্র, অ্যানিমেশন এবং সাংবাদিকতা বিষয়ক পাঠদান করে থাকেন।

সম্প্রচার শিল্পের বাইরেও দেবাশীষ দাসের রয়েছে আরেকটি পরিচিতি&mdash;বই প্রকাশনা শিল্পে তিনি দাপটের সঙ্গে কাজ করছেন। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন দেশবরেণ্য লেখকদের সঙ্গে।

বাংলাদেশের টেলিভিশন সম্প্রচার শিল্পে রিয়েল-টাইম গ্রাফিক্স, অগমেন্টেড রিয়্যালিটি এবং ভার্চুয়াল সেট প্রযুক্তির প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি যোগ করেছেন এক নতুন মাত্রা। পুরস্কার পেয়ে দেবাশীষ দাস জানান, এ ধরনের স্বীকৃতি কাজের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহ জোগায়, তেমনি দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আজও দেবাশীষ দাস নিরবচ্ছিন্নভাবে উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং অনুপ্রেরণার মাধ্যমে মিডিয়া ও সমাজের অগ্রগতিতে অবদান রেখে চলেছেন। তিনি কেবল একজন ব্রডকাস্ট গ্রাফিক্স বিশেষজ্ঞ নন&mdash;তিনি এক পথপ্রদর্শক, ভবিষ্যৎ নির্মাতা এবং বাংলাদেশের গর্বিত প্রতিনিধি।

&ldquo;লেজার ট্রিট-এর বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমনিকেশন ২০২৪&rdquo; তাঁর পেশাগত জীবনের মুকুটে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গৌরবোজ্জ্বল পালক হিসেবে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 13 Jul 2025 06:53:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং লিডার দেবাশীষ দাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11924" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/sodesh/11924</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের অন্যতম সৃজনশীল টেলিভিশন গ্রাফিক্স ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পাঠশালা &ndash; সাউথ এশিয়ান মিডিয়া ইনস্টিটিউট আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা &ldquo;মোশন গ্রাফিক্স কনটেস্ট ২০২৫&rdquo;-এ বিচারক (জুরি মেম্বার) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান পাঠশালার ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগ আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার থিম ছিল &ldquo;ফর এ বেটার গ্রিনার আর্থ&rdquo;।

বাংলাদেশসহ আরও চারটি দেশ থেকে প্রতিযোগীদের জমা পড়া কাজ বিচার ও মূল্যায়নের জন্য দেবাশীষ দাস নির্বাচিত হন তাঁর দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ভিত্তিতে। বিচারক প্যানেলের সদস্য হিসেবে তাঁর সঙ্গে ছিলেন এস কে মনোয়ার নাহিদ ও মোহাম্মদ জাকারিয়া। প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মোঃ সাদিকুর রহমান, দ্বিতীয় স্থান মাহবুবা, এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন শঙ্কু দত্ত। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পাঠশালার প্রিন্সিপাল খ ম হারুন। প্রতিযোগিতার পুরস্কার &zwj;ও সার্টিফিকেট প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ৫ জুলাই ২০২৫, ঢাকার দ্রিকপাঠ ভবন, ১৬ শুক্রাবাদ, পান্থপথ-এ।

অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাসের হাতে বিশেষ ক্রেস্টও তুলে দেন খ ম হারুন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দেওয়া আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপত্রে বলা হয়&mdash; &ldquo;গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং শিল্পে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেবাশীষ দাসের অসামান্য অবদান, সৃজনশীল নেতৃত্ব এবং শিক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ বিবেচনায় তাঁকে বিচারক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তাঁর উপস্থিতি প্রতিযোগিতাকে উচ্চ মান ও পেশাদারিত্বে সমৃদ্ধ করেছে।&rdquo;

টেলিভিশন ও ডিজিটাল গ্রাফিক্সে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেবাশীষ দাস সম্প্রতি পেয়েছেন &ldquo;স্টার বাংলাদেশ অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;ডিজিটাল ব্রান্ডিং অফ দ্যা ইয়ার&rsquo; সম্মাননা। এর আগে তিনি ভূষিত হয়েছেন &ldquo;এক্সেলেন্স ইন সাকসেস অ্যাওয়ার্ড ২০২৫&rdquo;-এ &lsquo;সেরা মোশন গ্রাফিক্স আর্টিস্ট (প্রোগ্রাম ব্র্যান্ডিং)&rsquo; পুরস্কারে। পাশাপাশি, তিনি পেয়েছেন &ldquo;বেস্ট ইন ব্র্যান্ড কমিউনিকেশন ২০২৪&rdquo; পুরস্কার, যা প্রদান করে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান লেজার ট্রিট।

বর্তমানে তিনি মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের গ্রাফিক্স বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সাল থেকে পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। ২০১১ সাল থেকে মাছরাঙ্গা-তে কর্মরত দেবাশীষ দাস নিজস্ব শৈলী ও গ্রাফিক্স নির্মাণ কৌশলের মাধ্যমে অসংখ্য টিভি প্রোগ্রামের ব্র্যান্ডিংয়ে এনেছেন অভিনবত্ব ও দর্শনভিত্তিক পরিচিতি। তাঁর ডিজাইন দর্শন শুধু প্রযুক্তিভিত্তিক নয়, বরং প্রতিটি প্রোগ্রামের আবেগ ও ভাবনার নিখুঁত চিত্রায়নও তিনি সফলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

নাটক, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন কিংবা বিশেষ দিবসের আয়োজনে তাঁর গ্রাফিক্স ব্র্যান্ডিং আজ দর্শকদের চোখে পেশাদারিত্বের প্রতিচ্ছবি। টাইমিং সেন্স, মুভমেন্ট সিনক্রোনাইজেশন, ফন্ট ও রঙ ব্যবহারে তাঁর সূক্ষ্মতা দেশের ডিজাইন জগতে তৈরি করেছে এক অনন্য মানদণ্ড।

শুধু ডিজাইনার হিসেবেই নয়, তিনি একজন শিক্ষাক ও প্রশিক্ষক হিসেবেও সুপরিচিত। ২০১৮ সাল থেকে তিনি পাঠশালায় মোশন গ্রাফিক্স ফ্যাকাল্টি এবং ২০২২ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম ও ফটোগ্রাফি বিভাগে গেস্ট ফ্যাকাল্টি হিসেবে পাঠদান করছেন।

তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের কর্মজীবনের সূচনা হয় ২০০৭ সালে, আরটিভি-তে। পরে যমুনা টেলিভিশনে (২০০৯-২০১১) তাঁর কাজ মোশন গ্রাফিক্সে এনে দেয় কনসেপ্টচিন্তাশীলতা ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। সেই ধারাবাহিকতাতেই তিনি আজ দেশের ডিজিটাল ব্র্যান্ডিং জগতে একটি শীর্ষস্থানীয় নাম।

গ্রাফিক্স ডিজাইনের বাইরেও দেবাশীষ দাস বই প্রকাশনা শিল্পে কাজ করেছেন দীর্ঘ সময় ধরে। তিনি প্রায় দুই শতাধিক বইয়ের প্রচ্ছদ ডিজাইন করেছেন এবং কাজ করেছেন বহু খ্যাতিমান লেখকের সঙ্গে।

এই বিচারকের স্বীকৃতি ও সাম্প্রতিক সম্মাননাগুলো তাঁর জন্য যেমন গর্বের, তেমনি আগামী প্রজন্মের ডিজাইনারদের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর। ডিজাইনের মাধ্যমে ব্র্যান্ড কনসেপ্ট নির্মাণে তাঁর ভাবনা ও নেতৃত্ব বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও উচ্চতর স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 08 Jul 2025 17:28:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[‘অঞ্জলি লহ মোর’ ভাস্কর্যটি ভাঙা হচ্ছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11675" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11675</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ভেঙে ফেলা হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo; ভাস্কর্যটি। ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছিলো বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদ ভবন এবং পুরাতন কলা অনুষদ ভবনের মাঝামাঝি পুকুরের অংশে।

একজন নারী দুহাত সংযুক্ত করে অঞ্জলি দিচ্ছে, ম্যুরালটি সেই ভাবনা বহন করতো। যেটি দেশের প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী, নৃত্যপরিচালক, নৃত্য প্রশিক্ষক ও অভিনেত্রী মুনমুন আহমেদের হাতের ছবি থেকে করেছিলেন ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল।

ম্যুরাল ভাঙার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে মুনমুন আহমেদ নিজেই লিখেছেন, &lsquo;&lsquo;খুবই দুঃখজনক, এই মুহূর্তে সেটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যুরাল &lsquo;অঞ্জলি লহ মোর&rsquo;! যেটি আমার হাতের ছবি থেকে করা হয়েছিল। এটি ভাস্কর্যবিদ মনিন্দ্র পাল করেছিলেন।&rsquo;&rsquo;

সেই পোস্টের কমেন্ট ঘরে সংগীতশিল্পী-অভিনেতা পান্থ কানাই লিখেছেন, &lsquo;থামাবে তো পরের কথা, কেও প্রতিবাদও করবে না। দেখেন সব সেলিব্রিটি চিল্পিরা চুপ মাইরা গেছে। দেখেন দেখেন।&rsquo;

একজন জানতে চেয়েছেন, &lsquo;কেন ভেঙে ফেলা হচ্ছে?&rsquo; সেই প্রশ্নের জবাবে মুনমুন লিখেছেন, &lsquo;দেশে কোন ভাস্কর্য থাকতে দেয়া হবে না!&rsquo; একজন লিখেছেন, &lsquo;কি যে শুরু করেছে! এদেশের ইতিহাস শিল্প সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে ফেলছে একদল মানুষরূপী দানব। ঘৃণা জানানোর কোন ভাষা নেই।&rsquo; আরেকজন মন্তব্য করেছেন, &lsquo;খুবই দুঃখজনক এবং ক্ষুব্ধ&rsquo;।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৪ কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুকুরগুলোর সংস্কার কাজ শুরু হয়। অনুষদ ভবনের সামনের পুকুরটির সৌন্দর্যব বৃদ্ধির জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল ভাস্কর্যটি। তবে ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন মহল ও নতুন প্রশাসনের বিভিন্ন জনের আপত্তির কারণেই ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভাস্কর্যটি স্থাপন করেছিলেন দুর্নীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যের দায়ে অভিযুক্ত তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।

এ বিষয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করা ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, এ বিষয়ে অনেক আগেই ডিনবৃন্দ ও সবাইকে নিয়ে একটা সিদ্ধান্ত হয়েছিলো। এটা সম্ভবত সেই সিদ্ধান্তের কারণেই হচ্ছে। তখন তো অনেকগুলো বিতর্কিত কর্মকাণ্ড হয়েছিলো, কেউ কেউ ভাস্কর্যটি নিয়ে তীব্রভাবে আপত্তি জানিয়েছিলো। ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

আমারবাঙলা/ইউকে]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 18 Jun 2025 09:10:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নজরুলজয়ন্তীতে ৪ গুণীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11638" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11638</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পাবনার ঈশ্বরদীতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নজরুলবিষয়ক চার গুণী ব্যক্তিকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ জুন) রাতে ঈশ্বরদী সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ আয়োজিত নজরুলজয়ন্তী অনুষ্ঠানের সমাপনীতে এই সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

গুণী ব্যক্তিরা হলেন দেশের বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও কবি মজিদ মাহমুদ। তিনি এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। এ ছাড়া নজরুলসংগীতের প্রবীণ ওস্তাদ ও বেতারশিল্পী সালামত হোসেন চৌধুরী রিনা, কুষ্টিয়ার প্রবীণ সংগীতজ্ঞ আমিনুজ্জামান ও শিল্প-সাহিত্যের সংগঠক রফিক সুলায়মান।

রাত ৮টায় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এই গুণী ব্যক্তিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান কামালের সভাপতিত্বে এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন অধ্যাপক আখতার হোসেন, উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়ক মোস্তাক আহমেদ কিরণ, সদস্যসচিব আশিকুর রহমান লুলু, প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজুর রহমান শাহীন, সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক এস আলমগীর, সাংবাদিক সেলিম সরদার প্রমুখ।

এর আগে নজরুলের জীবনী নিয়ে অনুষ্ঠিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি কবি মজিদ মাহমুদ।

 

আমারবাঙলা/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Mon, 16 Jun 2025 06:23:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আড়াই কোটি প্রতিবন্ধী মানুষকে সমাজ অন্ধকারে লুকিয়ে রেখেছে]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11409" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11409</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইউপিএল ও কৃষ্টি ট্রাস্টের যৌথ আয়োজনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে শনিবার (৩১ মে) সাবরিনা সুলতানা রচিত শেকলবন্দি স্বাধীনতা গ্রন্থটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

লেখক সাবরিনা সুলতানা বলেন, &lsquo;আমাদের চাকরি, কর্মসংস্থান, আত্মমর্যাদার জায়গায় অধিকারভিত্তিক অ্যাপ্রোচ আমাদের দেশে আসে নি। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে প্রতিবন্ধী মানুষের অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি।&rsquo;

লেখকের সহযোদ্ধা বাংলাদেশ সোসাইটি ফর দ্য চেঞ্জ এন্ড অ্যাডভোকেসি নেক্সাসের সাধারণ সম্পাদক সালমা মাহবুবা বলেন, &lsquo;বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন আমাদের মনে আশা জাগিয়েছিল, আমরা ভেবেছিলাম কিছু পরিবর্তন আসবে। অথচ প্রতিবন্ধীদের সাথে বৈষম্য তো যায় ই নি, বরং প্রতিবন্ধী মানুষরা আন্দোলনের পর থেকে আরো বেশি হারিয়ে যাচ্ছে।&rsquo;

আলোচক অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, &lsquo;প্রতিবন্ধীদের নিয়ে প্রবলভাবে একধরনের নেতিবাচক ধারণা আছে, স্টিগমা আছে, এটাও লেখক বইতে আমাদের বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন। এই স্টিগমার কারণে প্রতিবন্ধী মানুষেরা প্রতি মুহূর্তে মানসিক টারময়েলের মধ্য দিয়ে যান, এতে দেখা যায় সামাজিকভাবে আমরা কতখানি এমপ্যাথিহীন। আমরা তাদের কথা ভাবতে কতখানি অসুবিধা বোধ করি, সেটা পরিষ্কার বোঝা যায়।&rsquo;

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলনায়তন ও অবকাঠামোয় প্রতিবন্ধীদের কথা বিবেচনায় না নেওয়া প্রসঙ্গে নিউ এজের সম্পাদক নুরুল কবির বলেন, &lsquo;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় প্রতিবন্ধী মানুষের মঞ্চে ওঠার ব্যবস্থা না থাকাটা রাজনৈতিক, কারণ, ধরেই নেওয়া হয়, যে প্রতিবন্ধী মানুষ মঞ্চে উপবিষ্ট হবেন না।&rsquo;

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, &lsquo;সাবরিনা তার লেখায় তুলে ধরেছেন, প্রতিবন্ধীতা নিয়ে কাজের অ্যাপ্রোচটা এখনো কল্যাণমূলক। এখানে তাদের অধিকারের স্বীকৃতি নাই, কেবল সক্ষমতার কথা, উপকরণ বৃদ্ধির কথাই বলা হয়। কারো জীবনমানের উন্নতি ঘটে না। ২০১০ এ অনুমোদন হওয়ার পরেও সাড়ে চৌদ্দ বছরে ফাউন্ডেশন অধিদপ্তরে রূপান্তরিত হয়নি।&rsquo;

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, &lsquo;ভনিতা ও প্রতারণার রাজনীতি ও অর্থনীতি এখনো অব্যাহত আছে। জনগণের প্রয়োজনে কিছু চাইলেই আমরা দেখি টাকা নাই। সরকারি আমলাদের ভর্তুকি, বিদেশ সফর, ঋণ সবকিছুর জন্যই টাকা আছে, শুধু মানুষের জন্য টাকা নাই।&rsquo;

প্রবল বর্ষণের মধ্যে বিদ্যুৎবিহীন এই আয়োজনটি লেখককে ধন্যবাদ জানিয়ে শুরু করেন প্রকাশক, ইউপিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহ্রুখ মহিউদ্দীন। বাংলাদেশের কোনো কাঠামো থেকে শুরু করে কোনো পরিকল্পনা বা পলিসি যে সকল মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে নির্মাণ করা হয় না, সেটি উল্লেখ করে বইটির গুরত্ব তুলে ধরেন তিনি।

লেখক সাবরিনা সুলতানা তার বক্তব্যে বইটির লেখার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন, প্রকাশককে সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি বলেন, &lsquo;এই পৃথিবীতে সবকিছুই আমাদের চেয়ে নিতে হয়েছে। দাবি করে আদায় করতে হয়েছে। প্রতিবন্ধী মানুষের উন্নতি না হওয়ার দায় আমি প্রতিবন্ধী মানুষদের দেই, প্রতিবন্ধী মানুষদের নিয়ে যারা কাজ করে তাদের দেই।
কল্যাণমুখী অ্যাপ্রোচ, মেডিকেল মডেলের আমরা তীব্র বিরোধিতা করি। আমাদের কথা কেউ শুনতে চায় না, বললে থামিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবন্ধী মানুষের যেন স্বাভাবিক জীবনের অধিকার নেই।&rsquo;

আলোচক সালমা মাহবুবা তাঁর বক্তব্যে বলেন, &lsquo;এত বছর পরে প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করতে গেলেও দেখা যায় প্রতিবন্ধী মানষের অবস্থা আসলে খুব বেশি পরিবর্তিত হয় নি। আগে তারা যেমন বঞ্চিত ছিল, এখনো তেমনই আছে। গৃহবন্দী প্রতিবন্ধী মানুষ ভাবে যে প্রতিবন্ধীতার সাথেই তার জীবনটা শেষ।
সিআরপি নিয়ে কথা বললেও সিআরপির বাস্তবিক চর্চা বাংলাদেশে নেই। প্রতিবন্ধী মানুষের ক্ষমতায়নের কোনো উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয় না। প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য নারী বিষয়ক মন্ত্রণালয়ও ভাবে না, প্রতিবন্ধী নারী প্রতিবন্ধী মানুষের মধ্যে আরও বেশি প্রান্তিক। নিউরোডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধীতায় যারা ভোগেন তাদের পরিবার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি উদ্বেগে থাকেন, এবং সরকারও তাদের জন্য কোনো উদ্যোগ নেয় না।&rsquo; তিনি প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন পরিবর্তনের জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

অধ্যাপক সামিনা লুৎফা প্রতিবন্ধীতা নিয়ে মেডিকেল মডেল ও সমাজবিজ্ঞান মডেলের দুই ধরনের অ্যাপ্রোচের প্রসঙ্গে আলোচনা করেন, তিনি বলেন, &lsquo;মেডিকেল মডেলের দিক থেকে একধরনের ধারণা রয়েছে যে প্রতিবন্ধকতাটা ফিক্স করা যায়। এই ভাবনা সমাজের মধ্যেও আছে। সমাজবিজ্ঞানের মডেলে প্রতিবন্ধকতাকে দেখা হয় অনেক অনেক ফ্যাক্টরের জায়গা থেকে। প্রতিবন্ধকতা বিষয়টা সামাজিকভাবে নির্মিত। প্রতিবন্ধী মানুষের জীবনের পথে বিভিন্ন রকমের বাধা তৈরি করে রাখার ফলে তারা একজন সাধারণ মানুষের জীবনাচারকে উপলব্ধিই করতে পারেন না অনেক সময়। যেটি তাকে সামাজিকভাবে পিছিয়ে রাখার আরও কারণ তৈরি করে। শারীরিক প্রতিবন্ধিতার শিকার মানুষ যখন পরিবার থেকেও ভালোবাসা, সহযোগিতা, সহমর্মিতা পান না, তার থেকে কঠিন জীবন হতে পারে না। এমপ্যাথিসম্পন্ন হাসপাতাল সিস্টেম, কেয়ারগিভার কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না বাংলাদেশে। চিকিৎসক ও হাসপাতালের দিক থেকে যোগাযোগের ঘাটতিও একটা বড় সমস্যা।

আমি নিজে শারিরীক প্রতিবন্ধীতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ভেবেছি পুরো অভিজ্ঞতাটা লিখে রাখা জরুরি। কিন্তু এই মানসিক, ইমোশনাল যাত্রাটাও কঠিন, এই কাজটি করার জন্য লেখককে অভিনন্দন জানাই।&rsquo;

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, &lsquo;সংবিধান সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট হওয়ার পরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সহ বিভিন্ন ভুলভ্রান্তির সংশোধন আমি ফাইন্ড আউট করতে পেরেছি। শব্দচয়ন যে ইন্সেন্সিটিভ হতে পারে, এটাই আমাদের সমাজে এখনো প্রতিষ্ঠিত নয়। আমাদের দেশের সুপ্রিম কোর্টও শরীরের গঠন বিষয়ক যেকোনো আপত্তিকর মন্তব্যকে সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট বলে রায় দিয়েছেন। প্রতিবন্ধিতার শেকলের আলোচনায় ঢোকার জন্য আমাদের সমাজই আসলে প্রস্তুত নয়। আমাদের পুরো জনগোষ্ঠীর আচরণের মধ্যেই অন্তর্ভুক্তি নেই। প্রতিবন্ধীতা বিষয়ে আমি সবচেয়ে বেশি শিখেছি সাবরিনা, সালমা আপা, ইফতেখার ভাইয়ের কাছ থেকে। ৫৩ বছরে আমাদের যা কিছু অর্জন হওয়া উচিত ছিল, সেগুলির কিছুই হয়নি। আমাদের দেশে বৈষম্যবিলোপের নাম করে বছরের পর বছর ধরে টোকেনিজম চলছে।

সাবরিনাদের কথা আমাদের সবার বলতে হবে। প্রান্তিকতার মধ্যে আরও প্রান্তিক হয়ে তাকেও সবই করতে হবে এই দাবি অন্যায়। তাদের জন্য কাজ করার অঙ্গিকার আমার ছিল, আছে, থাকবে।&rsquo;

নিউ এজ সম্পাদক নুরুল কবির বইটিকে আরো বেশি করে পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, &lsquo;আড়াই কোটি মানুষের অধিকার নিয়ে কেউ যে কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না, সেটা নিয়ে অপরাধবোধ জাগানোর মতো একটা বই এটা। এই সমস্যাটা মূলত রাজনৈতিক।

এই অধিকারের লড়াইসহ সকল প্রান্তিক মানুষের লড়াইয়ের জন্য সাধারণ মানুষের সংবেদনশীলতে গড়ে তুলতে হবে। সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরির জন্য যে সমস্ত উপকরণ দরকার সেগুলো এই বইটাতে আছে। রাষ্ট্র সমাজের মধ্যে যে বিবেকপ্রতিবন্ধিতা সেটাকে দূর করার জন্য সংঘবদ্ধতা ও লড়াইয়ের কোনো বিকল্প নেই।&rsquo;

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, &lsquo;যে মানুষের সর্বইন্দ্রীয় এবং অঙ্গ কর্মক্ষম, তাদের জন্যও বাংলাদেশ অনেক কঠিন, সেই জায়গায় আমাদের সমাজে প্রতিবন্ধীদের জন্য নির্মমতা অনেক বেশি। সকল প্রতিষ্ঠানে, সমাজ, ধর্ম, শিক্ষা, চিকিৎসা সবখানেই। যেদিন প্রতিবন্ধী মানুষ সকল প্রতিষ্ঠানে সমান সুযোগ পাবে, সেদিন বোঝা যাবে সকল প্রান্তিক মানুষের অধিকার আদায়ের পথে আমরা এগিয়েছি।

মানুষকে, প্রাণ-প্রকৃতিকে গুরুত্ব দেওয়ার সক্ষমতা আমাদের রাষ্ট্র ও সমাজের হয় নি। মূল রাজনীতি বা সমাজ চিন্তার ধারার মধ্যে এই বিষয়টি আনতে হবে। এটা শুধু ব্যক্তির বিষয় না, জাতির বিষয়। রাষ্ট্রের একটা বড় অংশকে অবহেলা করে অপমান করে একটা জাতি কখনো বড় হতে পারে না।

শিক্ষা, চিকিৎসা, পরিবার, কর্মসংস্থান সকল জায়গাতেই প্রতিবন্ধী মানুষদের সুযোগ ও অধিকার নিশ্চিত হয়, সেজন্য আমাদের সবার কাজ করতে হবে। শেকলবন্দি স্বাধীনতা অনিবার্য নয়, এটাকে ভাঙা সম্ভব। স্বাধীনতাকে মুক্ত করা সম্ভব।&rsquo;

আয়োজনটি সঞ্চালনা করেন মীর মোশাররফ হোসাইন।

আমারবাঙলা/ জিজি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sun, 01 Jun 2025 08:57:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী সমীর মজুমদার মারা গেছেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11384" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11384</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খ্যাতিমান চিত্রশিল্পী ও নড়াইলের শিশুস্বর্গের শিক্ষক সমীর মজুমদার মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর। তিনি ফুসফুসের ক্যানসারে ভুগছিলেন।

শনিবার (৩১ মে) সকাল ৮টার দিকে ঢাকার মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এ শিল্পী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সমীর মজুমদার ছিলেন বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের স্নেহধন্য ছাত্র ও দেশের শিল্প আন্দোলনের অন্যতম কর্মী।

সমীর মজুমদারের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন শিল্পী মোজাই জীবন সফরী। তিনি বলেন, ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত সমীর মজুমদার মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

সমীর মজুমদার শুধু একজন প্রতিভাবান চিত্রশিল্পীই নন, তিনি ছিলেন শিশুদের কাছে এক অনন্য অনুপ্রেরণা। এস এম সুলতানের কাছ থেকে শিল্পচর্চার দীক্ষা নেওয়া সমীর শিল্পী সুলতানের ভাবধারাকে বুকে ধারণ করে আজীবন শিশুদের নিয়ে শিল্পের জগৎ গড়ে তোলেন। শিশুদের চিত্রশিল্প শেখানোর পাশাপাশি তাদের মনোজগতে আলোকিত চিন্তার বীজ বুনে দিয়েছেন তিনি। তার হাতে গড়া &lsquo;শিশুস্বর্গ&rsquo; একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, যেখানে শিশুরা অবাধে নিজেদের কল্পনাকে রঙ তুলিতে প্রকাশ করার সুযোগ পায়।

চিত্রশিল্পের জগতে সমীর মজুমদারের অবদান অসামান্য। দেশের বিভিন্ন স্থানে তার একক ও যৌথ চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি তার চিত্রের মাধ্যমে সমাজ, প্রকৃতি ও মানবিক অনুভূতিগুলোর গভীর ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন, যা অনেক দর্শককে অনুপ্রাণিত করেছে।

শিল্পী সমীর মজুমদারের জন্ম নড়াইলে ১৯৭০ সালের ৬ মার্চ। প্রয়াত এ শিল্পীর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তার জন্মভূমি নড়াইলের পাঙ্কোবেলা এলাকায়। সেখানে আজ সন্ধ্যায় তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে।

আমারবাঙলা/জিজি]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Sat, 31 May 2025 08:29:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিদগ্ধ মহলে গ্রহনযোগ্য হয়ে উঠছে বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11146" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11146</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গত ২০২৪ সালে প্রয়াত শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার স্মরণে প্রথমবারের মতো বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করা হয়। ওই বছর পুরস্কারটি পান শিল্পী মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া।

চলতি ২০২৫ সালে দ্বিতীয়বারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হয় শিল্পী, শিক্ষক এবং স্বরলিপিকার ড. পরিতোষ মণ্ডলকে। ২০২৬ সালের নির্বাচন প্রক্রিয়া এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

এ পুরস্কার বিদগ্ধ মহলে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কারটি প্রদান করছে তারই প্রতিষ্ঠিত সংগঠন প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত (প্রনস)। ২০১৩ সালে এটি প্রথম অনলাইন সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরে বিভিন্ন মিলনায়তনে নজরুল-সঙ্গীতের আয়োজন করার পর সাংস্কৃতিক মহলে সাড়া পড়ে। অনেকেরই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় প্রনসের কার্যক্রম।

বর্তমানে একটি বিচক্ষণ সাংগঠনিক কমিটির মাধ্যমে অত্যন্ত স্বচ্ছভাবে পরিচালিত হচ্ছে প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত। বিশিষ্ট শিল্পী করিম হাসান খান এবং সঙ্গীত ভুবনের সুপরিচিত মুখ পারভীন সুলতানার দক্ষ নেতৃত্বে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। স্মৃতি পুরস্কার চালুর পর নবীন শিল্পীদের মধ্যে নজরুল-সঙ্গীত নিয়ে বাড়তি আগ্রহ দেখা দিয়েছে। যারা ভালো গাইছেন তাদের মধ্যে আরো ভালো করার প্রবণতা জেগেছে।

প্রনসের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিক সুলায়মান জানান, বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কারের জন্য গুণীদের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রনসের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক এবং উপদেষ্টা পরিষদের মতামতই চূড়ান্ত।

প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত গ্রুপের সভাপতি কণ্ঠশিল্পী করিম হাসান খান বলেন, &lsquo;বিপাশা গুহঠাকুরতা কেবল একজন উচ্চমানের নজরুল-সঙ্গীত শিল্পীই ছিলেন না; তিনি আমাদের কাছে একটি আবেগের নাম। তার স্মৃতি ধরে রাখার প্রত্যয় থেকে আমরা এই পুরস্কার চালু করেছি। বিপাশার সম্মান এবং পুরস্কারের মান অটুট রাখতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।&rsquo;

আমারবাঙলা/ইউকে

 

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Fri, 16 May 2025 03:48:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নীলফামারীতে “নৃত্য উৎসব” অনুষ্ঠিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11096" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/11096</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আন্তর্জাতিক নৃত্য দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে নীলসাগর গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমি নীলফামারীর সহযোগিতায় দুই দিনব্যাপী &ldquo;আন্তঃজেলা নৃত্য প্রতিযোগিতা (রৌপ্য পদক) ২০২৫&rdquo; এবং &ldquo;নৃত্য উৎসব&rdquo; অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৯ মে) তারিখে আন্তঃজেলা নৃত্য প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়ে এ আয়োজনের সূচনা হয়। রবিবার (১১ মে) তারিখে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য নৃত্য উৎসব। যেখানে দেশের বিভিন্ন জেলার উদীয়মান ও খ্যাতিমান নৃত্যশিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।

নৃত্য উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ নৃত্য শিল্পী সংস্থার সহ-সভাপতি নৃত্য গুরুমাতা সেলিনা হক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি সুজা উদ্দিন খান (রনি) । সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক দৌলত জাহান ছবি এবং সহযোগিতায় ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার নুঝাত তাবাসসুম রিমু।

মেরিন ইঞ্জিনিয়ার শাহ মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম চৌধুরী, ডোর টু ডোর প্রজেক্ট ইনচার্জ আরঙ্গজেব সুজন, মানবসম্পদ কর্মকর্তা অমিত চাকি, চাঁদেরহাট ডিগ্রী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আফরোজা বুলবুল নিলা এবং জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী তাসনিম ফৌজিয়া ওপেল।

সভাপতির বক্তব্যে সুজা উদ্দিন খান (রনি) বলেন, &ldquo;নৃত্যশিল্প হলো সংস্কৃতির এক গভীরতম ও প্রাণবন্ত প্রকাশ। এই আয়োজনের মাধ্যমে এই বছর দ্বিতীয় বারের মতো রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার নৃত্যশিল্পীদের একটি মঞ্চ দিতে পেরেছি যেখানে তারা নিজেদের সৃজনশীলতা, পরিশ্রম ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে পেরেছেন। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, নীলফামারী জেলা শাখা জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতার আয়োজন করবেন এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখবে। আমি এই উৎসবকে সফল করার জন্য সকল অতিথি, পৃষ্ঠপোষক, অংশগ্রহণকারী শিল্পী ও আয়োজক সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।&rdquo;

আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই উৎসব জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আমারবাঙলা/ইউকে

 ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Tue, 13 May 2025 05:51:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/10914" />
            <id>http://www.amarbanglabd.com/news/article/arts/10914</id>
            <author>
                <name> <![CDATA[Amarbangla Admin]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিশিষ্ট নজরুল-সঙ্গীত শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠন প্রসঙ্গ নজরুল-সঙ্গীত (প্রনস) রাজধানীর ধানমণ্ডি ক্লাবে আয়োজন করে আলোচনা সভা, স্মৃতি পুরস্কার বিতরণ এবং সঙ্গীতানুষ্ঠান। 

এ বছর বিপাশা গুহঠাকুরতা স্মৃতি পুরস্কার পেয়েছেন শিল্পী, গবেষক এবং স্বরলিপিকার ড. পরিতোষ মণ্ডল। আলোচনায় অংশ নেন গোলাম ফারুক, প্রকৌশলী দিলীপ গুহঠাকুরতা এবং প্রনস প্রধান করিম হাসান খান।

অনুষ্ঠানের শেষ ভাগে ছিলো শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতার স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত নজরুল-সঙ্গীত। পরিবেশন করেন রেবেকা সুলতানা, করিম হাসান খান, পারভীন সুলতানা, ফেরদৌসী রহমান চন্দন, শহীদ কবির পলাশ, নাহীদ মোমেন, তাপসী রায়, বিজন মিস্ত্রী, জুলি শারমিলী, মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া, মহুয়া বাবর, নাদিয়া আরেফিন শাওন, মাহমুদুল হাসান এবং পরিতোষ মণ্ডল।



সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত আয়োজিত অনুষ্ঠানটি বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা উপভোগ করেন।

প্রসঙ্গত, শিল্পী বিপাশা গুহঠাকুরতা বাংলাদেশে নজরুল-সংগীত চর্চায় একটি উল্লেখযোগ্য নাম। আশির দশকের শেষ ভাগ থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি একনিষ্ঠভাবে নজরুল সংগীত চর্চায় মগ্ন ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী এই শিল্পী গান শিখেছেন সংগীত ভবন ও নজরুল ইন্সটিটিউট থেকে। তিনি ২০২২ সালে পরপারে পাড়ি জমান।

আমারবাঙলা/এমআরইউ]]>
            </summary>
            
            
            <updated>Wed, 30 Apr 2025 05:53:47 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
